Tag: NCERT

NCERT

  • NCERT: ‘সাথী পোর্টাল’ চালু এনসিইআরটি-র, বিনামূল্যে কোচিং পাবেন জেইই-নিট পরীক্ষার্থীরা

    NCERT: ‘সাথী পোর্টাল’ চালু এনসিইআরটি-র, বিনামূল্যে কোচিং পাবেন জেইই-নিট পরীক্ষার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইঞ্জিনিয়ারিং (JEE), মেডিক্যাল (NEET) এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT) ‘সাথী পোর্টাল ২০২৪’ (Sathee Portal) চালু করেছে। পোর্টালে হিন্দি, ইংরেজি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় অধ্যয়ন করা এবং নিখরচায় কোচিং-এর সুব্যবস্থা রয়েছে। এই কোচিং ক্লাসের সুবিধা নিতে ছাত্র-ছাত্রীদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    উপকৃত হবেন ৪.৩৭ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী (NCERT)

    ‘সাথী’ (Sathee Portal) প্ল্যাটফর্ম একটি সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থা, যা শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই অনলাইন কোচিং-এ বিনামূল্যে পাঠ্যক্রমের উপকরণ, ভিডিও পাঠ, মক টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা নির্দেশিকা প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মটি সমাজের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। তবে এই কোচিং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি (এনইপি ২০২০)-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, সরকার এই বিনামূল্যে কোচিং প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগগুলিতে শিক্ষা গ্রহণে সমানাধিকার দেওয়ার ভাবনাকে সুনিশ্চিত করা হয়েছে। ‘সাথী’ পোর্টালে মাধ্যমে পড়াশুনার উপকরণ সরবরাহ করে সরকার শিক্ষাগত বৈষম্য কমাতে এবং দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুযোগের প্রচার করতে চায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপকৃত হতে ৪.৩৭ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী এখনও পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    এনসিইআরটি সাথি পোর্টাল কীভাবে কাজ করে?

    এনসিইআরটি (NCERT) ‘সাথী পোর্টাল’ (Sathee Portal)-এ সাইন আপ করার পরে, শিক্ষার্থীরা ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন বা এসএসসি-র মতো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। লাইভ পাঠদান, অনুশীলন, এনসিইআরটি-ভিত্তিক বই এবং সমাধানসূত্র সূচক ভিডিওগুলিকে দেখা এবং পড়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। একই ভাবে সীমিত ইন্টারনেট সংযোগ যুক্ত এলাকাগুলিতে পড়ুয়াদের এই পরিষেবা দিতে সম্পূর্ণ কোচিং ক্লাসের প্রোগ্রামকে ডিটিএইচ (DTH) চ্যানেলের মাধ্যমেও সম্প্রচার করা হবে। পোর্টালে একটি চ্যাটবক্স উপলব্ধ থাকবে, যাতে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন রাখতে সহায়ক হয় এবং দ্রুত সমাধান সূত্রও দেওয়া হবে। রবিবার এবং সরকারি ছুটির দিন ছাড়া পোর্টালটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কাজ করবে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার অপার সম্ভাবনার রাস্তা খুলে যাবে।

    সাথী পোর্টালের মূল বৈশিষ্ট্য

    জেইই (JEE) এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে সাহায্য করার জন্য ৪৫ দিনের ক্র্যাশ কোর্স চালু করা হয়েছে। সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই ধরনের কোচিং (NCERT) উপলব্ধ হলে ছাত্রছাত্রীরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন। একই ভাবে গেট (GATE), ক্যাট (CAT), এবং ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষার প্রার্থীদের জন্যও পোর্টালটি ভীষণ ভাবে কার্যকরী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আবার আইআইটি (IIT), এনআইটি (NIT) এবং এইমস (AIIMS)-এর মতো জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির ক্লাস করাবেন। এতে শিক্ষার্থীরা ভীষণ ভাবে উপকৃত হবেন। লাইভ ইন্টারেক্টিভ সেশনের মাধ্যমে গাইডেন্স দেওয়া হবে। যেখানে পরামর্শদাতা শিক্ষক এবং সিনিয়র ছাত্ররাও অংশগ্রহণকারীদের সহায়তা প্রদান করতে পারবেন।

    একাধিক আঞ্চলিক ভাষায় হবে কোচিং

    পোর্টালটিতে (NCERT) ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং এসএসসি সম্পর্কিত বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় ভিডিও লেকচার উপলব্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার পটভূমিতে শিক্ষার্থীরা বিষয়বস্তু বুঝতে দারুণ ভাবে উপকৃত হবেন। একই ভাবে একটি এআই-চালিত স্ব-মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি এবং পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি মূল্যায়ন করতে সহায়ক হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্বলতাগুলি সনাক্ত করে তার সমাধানেরও ব্যবস্থা থাকবে। একই ভাবে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা মক টেস্ট এবং সমস্যা সমাধানের সেশনও রয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষার অভিজ্ঞতা দেবে।

    আরও পড়ুনঃ মোদি সরকারের উন্নয়ন যজ্ঞ রোধ করাই লক্ষ্য! কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় নিহত ডাক্তার সহ ৭

    কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন?

    ‘সাথী’ পোর্টালে (Sathee Portal) নাম নথিভুক্ত করতে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন। যথা-

    ১> প্রথমে sathee.prutor.ai লিঙ্কটি অনুসরণ করে অফিসিয়াল ভাবে এনসিইআরটি (NCERT) ওয়েবসাইটে যান।

    ২> এরপর আপনার নাম, ইমেল ঠিকানা, এবং পূর্ববর্তী একাডেমিক বিবরণ প্রবেশ করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

    ৩> তারপর আপনি যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে চান তা বেছে নিন, যেমন- জেইই (JEE), নিট (NEET) বা এসএসসি (SSC)।

    একবার রেজিস্ট্রেশন (Sathee Portal) হয়ে গেলে, আপনি লাইভ সেশনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। স্ব-মূল্যায়ন সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারবেন এবং ভিডিও লেকচারগুলি দেখার সুযোগ পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCERT: “হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না”, সাফ জানালেন এনসিইআরটি কর্তা

    NCERT: “হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না”, সাফ জানালেন এনসিইআরটি কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঘৃণা এবং হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এসব বিষয়ে আলোকপাত করাও উচিত নয়।” কথাগুলি বললেন এনসিইআরটির (NCERT) প্রধান। প্রসঙ্গত, এনসিআরটির নয়া পাঠ্যপুস্তকে দ্বাদশের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বাবরি মসজিদ নামটির উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ। বইটিতে বাবরি মসজিদকে তিন গম্বুজওয়ালা কাঠামো বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এনিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। এহেন আবহে মুখ খুললেন এনসিইআরটির (NCERT) প্রধান দীনেশ প্রসাদ সাকলানি।

    শিক্ষায় সংস্কার (NCERT)

    তিনি বলেন, “আমরা কি আমাদের শিক্ষার্থীদের এমনভাবে শিক্ষা দেব যাতে তারা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে? সমাজে ঘৃণার সৃষ্টি করে বা ঘৃণার শিকার হয়? এটাই কি শিক্ষার উদ্দেশ্য?” তিনি বলেন, “আমাদের কি এই রকম ছোট বাচ্চাদের দাঙ্গা সম্পর্কে শেখানো উচিত…তারা যখন বড় হবে, তখন এটি সম্পর্কে এমনই জানতে পারবে। তাহলে স্কুলের পাঠ্যপুস্তক থেকে জানার দরকার কেন?” এনসিআরটির সিলেবাস অনুসরণ করা হয় ৩০ হাজার স্কুলে।

    এনসিইআরটি

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের অনুমোদিত এই সব স্কুলে ওই পাঠ্যক্রম অনুসরণ করা হয়। শিক্ষায় গৈরিকীকরণের যে অভিযোগ বিরোধীরা করছেন, তাও নস্যাৎ করে দিয়েছেন সাকলানি। তিনি বলেন, “শিশুরা বড় হওয়ার পর জানতে পারবে কী ঘটেছে, কেনই বা ঘটেছে। এই রদবদল নিয়ে সরব হওয়া একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যদি রাম মন্দির, বাবরি মসজিদ বা রাম জন্মভূমির পক্ষে রায় দিয়ে থাকে, তা কি আমাদের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নয়? তাতে সমস্যা কী?”

    আরও পড়ুন: এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও চালু হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি দর্শন

    সাকলানি বলেন, “স্কুলের পাঠ্যবইয়ে দাঙ্গা নিয়ে কী শিক্ষা দেওয়া উচিত? আমরা পজিটিভ নাগরিক সৃষ্টি করতে চাইছি। হিংসা ও হতাশ ব্যক্তিত্ব তৈরি নয়। এর পরেই তিনি বলেন, আমাদের কী এমনভাবে শিক্ষা দেওয়া উচিত যাতে করে সমাজে ঘৃণা ছড়ায় কিংবা আমাদের শিশুরা ঘৃণার শিকার হয় এটাই কি শিক্ষার লক্ষ্য (NCERT)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCERT: ভারতের সুমেরু-কুমেরু-হিমালয় অভিযানের অগ্রগতি এবার স্থান পাবে এনসিইআরটির বইয়ে

    NCERT: ভারতের সুমেরু-কুমেরু-হিমালয় অভিযানের অগ্রগতি এবার স্থান পাবে এনসিইআরটির বইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্কটিক, আন্টার্টিকা এবং হিমালয় নিয়ে  ভারতের গবেষণার অগ্রগতি স্থান পেতে চলেছে স্কুল পাঠ্য বইগুলিতে। এমনটাই জানা গিয়েছে এনসিইআরটি-র (NCERT) তরফ থেকে। সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্র এ বিষয়ে এনসিইআরটিকে সুপারিশ করেছে।

    কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব এম রবিচন্দ্রন কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব এম রবিচন্দ্রন এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘এনসিআরটি (NCERT) স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে এই ক্ষেত্রগুলির গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য একটি কমিটিও ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে। ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিবের আরও সংযোজন, ‘‘আমরা এনসিইআরটিকে একটি চিঠি লিখেছি। সম্প্রতি আন্টার্টিকা অভিযান, হিমালয় ও জলবায়ু পরিবর্তন সহ আরও বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে কাজও শুরু করেছে।’’

    ২০২৬ সালের মধ্যেই এই বিষয়গুলি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে

    জানা গিয়েছে এনসিইআরটির (NCERT) পাঠ্য পুস্তকে ইতিমধ্যে আন্টার্টিকা অভিযানের বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেনীতে তা পড়ানো হয়। তবে সেগুলির সর্বশেষ সংস্করণ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। তাই আন্টার্টিকা এবং হিমালয় অঞ্চলে ভারতের গবেষণার সর্বশেষ আপডেট খুব শীঘ্রই এনসিইআরটির স্কুল পাঠ্য বইগুলিতে দেখা যাবে। প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর পরবর্তীকালে এনসিইআরটির (NCERT) পাঠ্য পুস্তক থেকে জলবায়ু পরিবর্তন, বর্ষা, গ্রিনহাউস প্রভাবের মত অনেক বিষয়েই বাদ দেওয়া হয়েছে। এনসিইআরটির সূত্রে জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যেই এই বিষয়গুলি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। জানা গিয়েছে, চলতি মে মাসের কুড়ি থেকে ত্রিশ তারিখ কোচিতে আন্টার্টিকা অভিযান নিয়ে একটি আলোচনা হবে।

    ১৯৮৩ সালে স্থাপিত হয় দক্ষিণ গঙ্গোত্রী

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ মেরুতে ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্রের নাম ছিল দক্ষিণ গঙ্গোত্রী, ১৯৮৩ সালে যা স্থাপিত হয়। পরে এটি বরফে ডুবে যায় এবং পরিত্যক্ত হয়ে ওঠে। এই মুহূর্তে ভারতের দুটি সক্রিয় গবেষণাগার রয়েছে। একটি মৈত্রী, অপরটি হল ভারতী। জানা গিয়েছে, বিগত কয়েক বছর ধরে বহু ভারতীয় ছাত্র দক্ষিণ মেরু গবেষণায় নিজেদেরকে যুক্ত করেছেন। কিন্তু স্কুলস্তরের সব ছাত্রদের ছাত্ররা দক্ষিণ মেরুতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তার একটাই কারণ, তা হল প্রচুর খরচ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: ২৮টি বিএড কলেজের অনুমোদন মেলেনি! ভর্তি হয়েও বিপাকে পড়ুয়ারা

    Midnapore: ২৮টি বিএড কলেজের অনুমোদন মেলেনি! ভর্তি হয়েও বিপাকে পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিএড বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৮টি বিএড কলেজের (Bed Colleges) ছাত্রভর্তির অনুমোদন বাতিল ঘোষণা করেছিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষকতার প্রশিক্ষক থেকে হাজার হাজার হবু শিক্ষকের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত সঙ্কটের মুখে। বন্ধ কলেজগুলি। সকলের নজর এখন আদালতের রায়ের দিকে। আদালত কিi ফের কলেজ অনুমোদনের বিষয় বিবেচনা করবে?

    বর্তমানে কলেজের অনুমোদন বাতিল হওয়ায় পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যদিও আগে কলেজে অফ লাইনে ছাত্র ভর্তি হয়। কিন্তু পরে বন্ধ হলে কলেজ নতুন ছাত্রদের অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করে তা সম্পন্ন করা হয়। অথচ গত মাসে রাজ্যের ২৫৩টি বেসরকারি বিএড কলেজের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। একই ভাবে এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮টি বিএড কলেজের অনুমোদন বাতিল হয়। এই মুহূর্তে ছাত্রদের পড়াশোনা অত্যন্ত সঙ্কটের মুখে। এক বিএড পড়ুয়া অয়ন্তিকা সর্দার জানিয়েছেন, “ভর্তি হয়ে জানলাম কলেজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জীবন থেকে একটা বছর নষ্ট হয়ে গেল। আগে জানালে ভর্তি হতাম না।”

    কেন বাতিল অনুমোদন (Bed Colleges)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএড কলেজের (Bed Colleges) ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের ব্যাপক তারতম্য রয়েছে। শিক্ষকদের বেতনের নথিতে অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সেই সঙ্গে নেই দমকলের বিশেষ ছাড়পত্র। এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী একটি বিএড কলেজে ৫০ জন ছাত্রের জন্য ৮ জন শিক্ষক রাখতে হবে। শিক্ষকদের মাসিক বেতন হবে ২১ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে। দমকলের ছাড়পত্র পেতে গেলে ১০০০০ লিটারের জলের ট্যাঙ্ক বসাতে হবে। পর্যাপ্ত জল তোলার জন্য উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন জলের পাম্প বসাতে হবে।

    মামলা গিয়েছে হাইকোর্টে

    ইতিমধ্যে এনসিটিই-র নির্দেশ অনুযায়ী সমস্ত শর্ত পালন করে ভর্তির প্রক্রিয়া যাতে শুরু করা যায়, সেই জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বেসরকারি বিএড কলেজগুলি (Bed Colleges)। এক বিএড কলেজের মালিক প্রভাকর জানা বলেন, “দমকলের অনুমোদন না থাকায় বাতিল হয়েছে। কিন্তু সমস্ত শর্ত পূরণ করে আমরা বিশেষ আবেদন করেছি। আমরা আশাবাদী খুব তাড়াতাড়ি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    কী বলছেন বিএড শিক্ষক?

    বন্ধ বিএড কলজের (Bed Colleges) শিক্ষক দেবাশিস পট্টনায়ক বলেছেন, “ছাত্রদের ভর্তির পর ক্লাস করার সুযোগ না মেলায় আমাদের চাকরি এখন সঙ্কটের মুখে। সমস্ত কলেজ গাইডলাইনের সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে রাজি হয়েছে। বিএড বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া সিদ্ধান্ত আর এক বার বিবেচনা করুকঁ, এই আবেদন রাখছি। পাশপাশি আমরা হাইকোর্টের রায়ের দিকেও নজর রেখেছি।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে রামায়ণ ও মহাভারত। ইতিহাসের বিষয়বস্তু হিসেবেই এই দুই ভারতীয় মহাকাব্যকে পড়ানো হবে। এনসিইআরটি-এর (NCERT) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের যে কমিটি রয়েছে, সেই কমিটির প্রস্তাবেই ইতিহাসের পাঠ্য বইয়ে নানা বদল আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওই কমিটি আরও প্রস্তাব দিয়েছে বৈদিক সাহিত্য এবং আয়ুর্বেদের বিভিন্ন বিষয়কেও পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। তবে এখনও পর্যন্ত এনসিইআরটি-এর (NCERT) চূড়ান্ত সিলমোহর পায়নি এই প্রস্তাব।

    কী বলছেন এনসিআরটি-এর শীর্ষ আধিকারিক?

    এনসিইআরটি-এর (NCERT) প্যানেলের শীর্ষ আধিকারিক প্রফেসর সি আই ইসাকের মতে, ‘‘ইতিহাসকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার জন্য প্যানেল প্রস্তাব দিয়েছে। যার মধ্যে থাকবে প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগীয় ইতিহাস, ব্রিটিশ যুগ এবং আধুনিক ভারত।’’ প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত তিনটি বিভাগই পড়ানো হতো ইতিহাসে এবং তা হল প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগের ইতিহাস এবং আধুনিক ভারত। জানা গিয়েছে, প্রাচীন ইতিহাসের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ভারতের দুই বিখ্যাত মহাকাব্য রামায়ণ এবং মহাভারত। এনসিআরটির-এর ওই শীর্ষ আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, তাঁদের প্রস্তাব হল রামচন্দ্রের বিষয়ে ছাত্রদের ধারণা তৈরি করা। রামচন্দ্র কে ছিলেন এবং তাঁর রাজত্ব কেমন ছিল, তিনি কখনও প্রজাদের মধ্যে ভেদাভেদ করেননি এই সমস্ত বিষয়ই ছাত্রদের জানাতে চায় এনসিইআরটি।

    শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখা থাকবে সংবিধানের প্রস্তাবনা 

    এছাড়া ওই কমিটির তরফ থেকে আরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনাকে শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখার জন্য। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতেই ওই প্রস্তাবনা লেখার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় বীর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ব্যাখার প্রয়োজন বইয়ে রয়েছে বলে মনে করছে এনসিআরটি-এর (NCERT) কমিটি। এ বিষয়ে এনসিইআরটি-এর আধিকারিক সি আই ইসাক বলেন, ‘‘আমাদের ছাত্রদের অবশ্যই জানা উচিত জাতীয় বীরদের সম্পর্কে এবং তাদের লড়াই সম্পর্কে। এর ফলে ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’’ প্রসঙ্গত এর আগেই এনসিইআরটির তরফ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হয় যে পাঠ্য বইতে এবার থেকে ইন্ডিয়ার বদলে ভারত পড়ানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UP Madrasa: যোগী রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটি-র সিলেবাস, কবে থেকে জানেন?

    UP Madrasa: যোগী রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটি-র সিলেবাস, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কার উত্তর প্রদেশে (UP Madrasa)। এবার থেকে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের মাদ্রাসার (Madrasa) পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটির (NCERT) সিলেবাস। আগামী মার্চে যে সেশন শুরু হচ্ছে, সেই নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই নয়া সিলেবাসে পড়বে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা। মাদ্রাসা শিক্ষা পরিষদের চেয়ারপার্সন ইফতিকার আহমেদ বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন সিলেবাসে। তিনি বলেন, এবার থেকে মাদ্রাসার পড়ুয়ারাও অঙ্ক, বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার শিক্ষা পাবে।

    ওয়াকফ বোর্ড…

    গত নভেম্বরে উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে রাজ্যের ১০৩টি মাদ্রাসায়ই এনসিইআরটির সিলেবাস চালু করার। তারা এও জানিয়েছিল, ২০২৩ সালের নয়া শিক্ষাবর্ষ থেকে সব ধর্মের পড়ুয়াদের জন্যই খুলে দেওয়া হবে মাদ্রাসার দ্বার। ইসলামিক স্কুলগুলিতে আধুনিকীকরণের উদ্দেশে চালু করা হবে ইউনিফর্মও। উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান সাদাব শামস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সমাজের মূল স্রোতে ফেরানোই আমাদের প্রথম কাজ। তিনি বলেন, নতুন বছরে আমরা এটাও চেষ্টা করব যাবে মাদ্রাসাগুলি সিবিএসই কিংবা উত্তরাখণ্ড স্টেট বোর্ডের অনুমোদন পায়।  

    গত সেপ্টেম্বরে উত্তর প্রদেশ সরকার সে রাজ্যের অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলি (UP Madrasa) সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। এই মাদ্রাসাগুলি কোথা থেকে অর্থ পায়, শিক্ষকের সংখ্যা কত, সিলেবাসই বা কী এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার পর উত্তর প্রদেশের ৩০৭টি মাদ্রাসাকে বেআইনি বলে ঘোষণা করে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। অভিযোগ, এই মাদ্রাসাগুলি একাধিক সরকারি বিধি লঙ্ঘন করেছে। এই কারণ দেখিয়েই তাদের বেআইনি ঘোষণা করে উত্তর প্রদেশ সরকার। যে মাদ্রাসাগুলিকে (UP Madrasa) বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ইসলামিক শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উল্লামও।

    আরও পড়ুুন: মন্ত্রীদের রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় সর্বদা সরকারের নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    যোগী সরকার যখন মাদ্রাসাগুলি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে, তখন তার ব্যাপক সমালোচনা করতে শুরু করে সে রাজ্যের কয়েকটি মুসলিম গোষ্ঠী। জামাত উলেমা-ই-হিন্দ সরকারের সমীক্ষার সিদ্ধান্তটিকে মাদ্রাসার বদনাম করতে ঈর্ষাকাতর প্রয়াস বলে বর্ণনা করে। যদিও মুসলিমদেরই একাধিক সংগঠনের মতে, এতে আদতে ভালই হবে মাদ্রাসাগুলির (UP Madrasa)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share