Tag: NCP

NCP

  • NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তখন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারকে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন তাঁর দলের সিংহভাগ বিধায়ক। মাস দুয়েকের ব্যবধানে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বদলে গেল এনসিপির সমীকরণ। এঁদের অনেকেই ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে। কেবল তাই নয়, শরদকে সরিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসানো হয়েছে তাঁরই ভাইপো অজিত পাওয়ারকে।

    বান্দ্রায় বৈঠক

    অজিত শিবিরের দাবি, বান্দ্রায় তাঁদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্রের শিবসেনার শিন্ডে শিবির-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীও। মন্ত্রী হয়েছেন অজিত সহ ৯ এনসিপি বিধায়ক। বুধবার অজিত বলেন, সরকারে যোগ দেওয়ার দুদিন আগেই এনসিপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি আমি। বান্দ্রায় যাঁরা অজিতের (NCP) বৈঠকে হাজির ছিলেন, সেই বিধায়কদের ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের হলফনামায় সই করিয়ে সমর্থনের অঙ্গীকার করতে হয়েছে। অজিতের বৈঠকেও শরদের ছবি টাঙানো হয়েছিল। তবে শরদের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের ছবি ছিল না। শরদকে নিয়ে এদিন স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীকে।

    শরদের নামে জয়ধ্বনি

    এদিন শরদের নামে জয়ধ্বনি দিতে দেখা যায় মন্ত্রী ছগন ভুজবলকে। তিনি বলেন, শরদজি আমাদের গুরু। তাই আমরা গুরুদক্ষিণা দিয়েছি। ওঁর ভাইপোকে উপমুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছি। এর পরে পরেই অজিতকে মনোনীত করা হয় এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এদিকে, মঙ্গলবারই এনসিপির (NCP) পতাকা ও নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির অধিকার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে অজিত গোষ্ঠী। তার আগেই অবশ্য কমিশনের কাছে হলফনামা দিয়ে ক্যাভিয়েট দাখিল করে শরদ-শিবির।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৩। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে অজিত গোষ্ঠীর প্রয়োজন ৩৬ জনের সমর্থন। শরদ শিবিরের অভিযোগ, ইডি-সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে বিধায়কদের বন্দি বানিয়েছে অজিত গোষ্ঠী। মঙ্গলবার রাতে অজিত গোষ্ঠী থেকে শরদ শিবিরে ফেরা দুই বিধায়ক কিরেন লহমাটে এবং অশোক পাওয়ারও চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর অজিত (NCP) বলেন, আমিও একদিন মুখ্যমন্ত্রী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা ‘ঘনিষ্ঠ সাংসদ প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে বহিষ্কার করে দিলেন এনসিপি (NCP Crisis) প্রধান শরদ পাওয়ার। গত মাসেই প্রফুল্লকে দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি পদে নিযুক্ত করেছিলেন পাওয়ার। প্যাটেলের পাশাপাশি দল থেকে সরানো হয়েছে লোকসভার সাংসদ সুনীল তৎকরেকেও। ওই দুই এনসিপি নেতাকে অবিলম্বে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছিলেন পাওয়ার-কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। ‘গোপনে’ দলের মধ্যে বিদ্রোহের পরিকল্পনা’ করার অভিযোগে, তাঁদের অযোগ্য বলে ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন শরদ-কন্যা তথা এনসিপির কার্যকরী সভাপতি সুপ্রিয়া সুলে।

    ট্যুইট বার্তা শরদের

    সোমবার ট্যুইটারে পাওয়ার লিখেছেন, ‘‘ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সভাপতি হিসাবে দলবিরোধী কাজের জন্য সুনীল তৎকরে এবং প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে সরানো হল।’’

    সোমবার এনসিপির মহারাষ্ট্র শাখার প্রধান জয়ন্ত পাটিল জানিয়েছেন, ওই বিধায়কদের দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতেও নিষেধ করা হয়েছে। এরপরও, তাঁরা যদি দলের প্রতীক ব্যবহার করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    পাল্টা চাল অজিতের

    প্রফুল্লদের সরানোর আগে আরও তিন দলীয় নেতাকে বহিষ্কার করেছে এনসিপি (NCP Crisis)। তাঁরা হলেন, মুম্বই ডিভিশনালের এনসিপি প্রধান নরেন্দ্র রাঠৌর, দলের আকোলা সিটি জেলা প্রধান বিজয় দেশমুখ এবং শিবাজীরাও গারজে। তাঁরা সকলেই বিধায়ক। শরদ পাওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন, কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো মানসিকতা তাঁর নেই। এই বিষয়ে যাবতীয় পদক্ষেপ করছেন জয়ন্ত পাটিল। তারই পাল্টা হিসেবে প্রফুল্ল প্যাটেল ঘোষণা করেছেন, জয়ন্ত পাটিলকে সরিয়ে এনসিপির রাজ্য সভাপতি করা হচ্ছে তৎকরেকে। তাঁকে অজিত পাওয়ার নিয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। যদিও শরদ পাওয়ারই এনসিপির সভাপতি বলে সোমবার জানিয়ে দিয়েছেন অজিত পাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    NCP: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে মহা নাটক। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে ভাইপো অজিত পাওয়ার-সহ নয় বিদ্রোহী বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানালেন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ার। রবিবারই বিজেপি-শিবসেনার সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার সহ একাধিক বিধায়করা।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি

    এনসিপি সূত্রে খবর, শরদ পাওয়ারের (SHARAD PAWAR) দল এনসিপির (NCP) তরফে ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের বিধানসভার স্পিকারের কাছে পিটিশন দাখিল  করা হয়েছে। রবিবার অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)সহ এনসিপির যে ৯ জন নেতা শিবসেনা-বিজেপি সরকারে মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন, তাদের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন রাহুল নারভেকর। পাশাপাশি, দলের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছেও চিঠি লিখে জানানো হয়েছে যে এনসিপির প্রধান শরদ পাওয়ারই। ১৯৯৯ সালে তিনি এই দল প্রতিষ্ঠা করেন, তারপর থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং এখনও দলের নেতৃত্বে কোনও পরিবর্তন আসেনি। অজিত পাওয়ারের শিবিরের কোনও আবেদন শোনার আগে যেন শরদ পাওয়ারের শিবিরের বক্তব্য শোনা হয়, সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    ৪০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে দাবি অজিতের

    দল বিরোধী আইনে শাস্তি পাওয়া থেকে বাঁচতে অজিত পাওয়ারের কমপক্ষে ৩৬ জন বিধায়কের সমর্থন চাই। বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, অজিত পাওয়ার দাবি করেছেন বিধানসভায় এনসিপির (NCP) যে ৫৩জন বিধায়ক রয়েছে, তার মধ্যে ৪০ জনেরই সমর্থন রয়েছে তাঁর সঙ্গে। দলের নাম এবং প্রতীকেই তাঁরা আগামী সব নির্বাচনে লড়বেন, বলেও জানান অজিত। মনে করা হচ্ছে, শিবসেনার মতোই এ বার এনসিপির ‘স্বত্বাধিকার’ নিয়েও লড়াইয়ে নামতে চলেছেন কাকা শরদ এবং ভাইপো অজিত। রবিবার দুপুরে হঠাৎই নাটকীয়ভাবে অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে যান অজিত। তার পরই হাত মেলান শিন্ডে-বিজেপি (Shinde) সরকারের সঙ্গে। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন পাওয়ারের ভাইপো। তাঁর সঙ্গে আরও আট এনসিপি বিধায়ক শপথগ্রহণ করেন। তাঁরা হলেন ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাতিল, অদিতি টাটকারে, ধনঞ্জয় মুন্ডে, হাসান মুশারিফ, ধরমরাজ বাবারাও আতরাম, সঞ্জয় বাঁসোদে এবং অনিল ভাইদাস পাতিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: ব্রাত্য ভাইপো অজিত!  এনসিপি-র কার্যকরী সভাপতি হিসেবে কাদের নাম ঘোষণা করলেন শরদ?

    NCP: ব্রাত্য ভাইপো অজিত! এনসিপি-র কার্যকরী সভাপতি হিসেবে কাদের নাম ঘোষণা করলেন শরদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় একমাস ধরে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি (NCP) প্রেসিডেন্ট শরদ পাওয়ারের সঙ্গে ভাইপো অজিত পাওয়ারের  ‘ঠান্ডা লড়াই’ চলছিল। শনিবার দলের ২৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবসেই সুপ্রিয়া সুলে ও প্রফুল্ল প্যাটেলের হাতে কার্যত দলের ব্যাটন’ তুলে দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক শরদ পাওয়ার। এনসিপি (NCP) প্রধানের এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    কী বললেন এনসিপি (NCP) প্রধান?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজিতকে কার্যত ব্রাত্য রেখেই প্রফুল্ল প্যাটেল এবং সুপ্রিয়া সুলেকে এনসিপি (NCP) কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। পরে, শরদ পাওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, “দেশের পরিস্থিতি এমন যে সমস্ত রাজ্যের দায়িত্ব শুধুমাত্র একজনকে দেওয়া ভুল হবে।” প্রফুল্ল প্যাটেল এবং মিসেস সুলেকে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত তাঁর ভাইপো অজিত পাওয়ার ভালভাবে নেবেন কি না জানতে চাওয়া হলে, এনসিপি প্রধান বলেন, “যে তার ভাইপো ইতিমধ্যেই অনেক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।” প্রসঙ্গত, গত মাসেই এনসিপি (NCP) প্রেসিডেন্ট শরদ পাওয়ার দলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে তাঁর পদে ইস্তফা দেন। কিন্তু, দলের কার্যকরী কমিটি তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করেনি। গত ৫ জুন তাঁর পদত্যাগপত্র খারিজ করে দেওয়া হয়। এদিকে, প্রায় একমাস ধরে অজিত পাওয়ারের সঙ্গে এনসিপি (NCP)-র দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এদিন হঠাৎ করেই শরদ পাওয়ারের সাংবাদিক বৈঠক করে দলের কার্যকরী সভাপতি হিসাবে সুপ্রিয়া সুলে ও প্রফুল্ল প্যাটেলের নাম ঘোষণা করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে অজিত পাওয়ার যে দলে আরও কোণঠাসা হয়ে পড়লেন, তা বলা বাহুল্য। আজ, অজিত পাওয়ার এই ঘোষণার সাথে দৃশ্যত বিচলিত হয়েছিলেন এবং সাংবাদিকদের সাথে কথা না বলে মুম্বাইতে দলীয় কার্যালয় ত্যাগ করেছিলেন। যদিও পরে, টুইট করে এনসিপির নতুন দুজন পদাধিকারীকে তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    নতুন পদাধিকারীদের কোন কোন রাজ্যের দেওয়া হয়েছে?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিসেস সুলে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, পাঞ্জাবের এনসিপি বিষয়ক এবং মহিলা, যুব, ছাত্র এবং লোকসভা সম্পর্কিত বিষয়গুলির দায়িত্বে থাকবেন। আর প্রফুল্ল প্যাটেলকে মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, গোয়া এবং রাজ্যসভার এনসিপি-এর ইনচার্জও করা হয়েছে।

    নতুন দায়িত্ব পেয়ে কী বললেন এনসিপি (NCP) পদাধিকারীরা?

    এদিন প্রফুল্ল প্যাটেল বলেন,”আমি ১৯৯৯ সাল থেকে পাওয়ার সাহেবের সঙ্গে কাজ করছি। তাই, এটি আমার জন্য নতুন কিছু নয়। অবশ্যই, আমি কার্যকরী সভাপতি হিসাবে উন্নীত হয়ে খুশি। আমি দলের পদচিহ্ন বাড়ানোর জন্য কাজ চালিয়ে যাব। মিসেস সুলে টুইট করেছেন, “আমি এনসিপি (NCP) সভাপতি পাওয়ার সাহেব এবং প্রফুল্ল প্যাটেল ভাইয়ের সঙ্গে কার্যকরী সভাপতির এই বিশাল দায়িত্ব দেওয়ার জন্য এনসিপির সমস্ত সিনিয়র নেতা, দলের সহকর্মী, দলীয় কর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sharad Pawar: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    Sharad Pawar: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের হাতে গড়া ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (NCP) প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। আত্মজীবনীর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমি এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতির পদে ইস্তফা দিচ্ছি। দলের সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বললেও, তিনি যে আপাতত রাজনীতি ছাড়ছেন না, এদিন তাও জানিয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। তবে দলের রাশ মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে নাকি ভাইপো অজিত পাওয়ারের হাতে তুলে দেবেন দলের প্রাক্তন সভাপতি, তা এখনও জানা যায়নি।

    শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar) কী ঘোষণা করলেন…

    পাওয়ারের আত্মজীবনীর নাম ‘লোক মাজে সঙ্গতি’। এই বইয়েরই দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের অনুষ্ঠান হচ্ছিল মুম্বইয়ে। সেখানেই দলের সভাপতি পদে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকরা পাওয়ারের (Sharad Pawar) এই ঘোষণায় প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও, পরে তাঁরা সিদ্ধান্ত বদলের আর্জি জানান তাঁকে। যদিও পাওয়ার তাঁর নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকেন। পাওয়ার জানান, একটি কমিটি গঠন করা হবে। সেই কমিটিই সিদ্ধান্ত নেবে তাঁর অবর্তমানে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন কে।

    জানা গিয়েছে, দলের ওই কমিটিতে থাকবেন প্রফুল্ল প্যাটেল, সুনীল তাটকরে, কেকে শর্মা, পিসি চাকো, অজিত পাওয়ার, জয়ন্ত পাতিল, সুপ্রিয়া সুলে, ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাতিল, অনিল দেশমুখ, রাজেশ টোপে, জিতেন্দ্র আওহাদ, হাসান মুশরিফ, ধনঞ্জয় মুন্ডে এবং জয়দেব গায়কোয়াড়। কমিটিতে থাকবেন জাতীয়তাবাদী মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি ফৌজিয়া খান, জাতীয়তাবাদী যুব কংগ্রেসের সভাপতি ধীরজ শর্মা, জাতীয়তাবাদী যুব কংগ্রেস এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্র কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া দুহান।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে কাল ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক শুভেন্দুর, জেলা জুড়ে অবরোধ

    পাওয়ার (Sharad Pawar) বলেন, রাজ্যসভায় আমার মেয়াদ শেষ হতে এখনও তিন বছর বাকি রয়েছে। তার পর থেকে আমি আর নির্বাচনে লড়াই করব না। এই তিন বছরে আমি আরও বেশি করে দেশ এবং রাজ্যের হিতে কাজ করে যাব। নতুন কোনও দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছে আর নেই। তবে তিনি যে আপাতত রাজনীতি থেকে সরছেন না, এদিন তাও জানিয়েছেন পাওয়ার। বলেন, আমার সহকর্মীদের বলতে চাই, প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও আমি জনজীবন থেকে সরে যাওয়ার কথা ভাবছি না। আমি আপনাদের সঙ্গেই থাকব। পাওয়ার বলেন, ১৯৯৯ সালে এনসিপি গঠনের পর থেকে আমি দলের সভাপতি। ২৪ বছর ধরে আমি এই পদে রয়েছি। আমার সময় হয়েছে। এই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে নতুন প্রজন্মের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party in India: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    National Party in India: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বখাত সলিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তৃণমূল (TMC)! এবার জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা হারাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে। কেবল তৃণমূল নয়, সিপিআই এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপিও জাতীয় দলের মর্যাদা খুইয়েছে। তবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি পেয়েছে জাতীয় দলের তকমা। দিল্লি, গোয়া, পঞ্জাব ও গুজরাটে পারফরমেন্সের জন্য ওই মর্যাদা দেওয়া হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। ট্যুইট-বার্তায় কেজরিওয়াল বলেন, এত কম সময়ে জাতীয় পার্টির তকমা? এটা মিরাক্যালের চেয়ে কিছু কম নয়।

    জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা…

    আমাদের দেশের কোটি কোটি মানুষকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের এই জায়গায় নিয়ে আসার জন্য। মানুষ আমাদের কাছ থেকে অনেক বেশি আশা করেন। আজ মানুষ আমাদের একটা গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা যাতে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারি, সেই আশীর্বাদ ঈশ্বর আমাদের দিন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, জাতীয় দল (National Party in India) হতে গেলে তিনটি শর্তের অন্তত একটি পূরণ করতেই হয়। প্রথমত, লোকসভায় অন্তত চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেতে হবে। দ্বিতীয়ত, তিনটি রাজ্য থেকে লোকসভায় অন্তত ১১টি আসনে জিততে হবে এবং আগের জেতা আসনের অন্তত চারটিতে পুনরায় জিততে হবে। তৃতীয়ত, অন্তত চারটি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা পেতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    এই তিনটি শর্তের একটিও পূরণ করতে না পারায় জাতীয় দলের মর্যাদা হারাল তৃণমূল। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অরুণাচল ও মণিপুরে রাজ্য পর্যায়ের দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তৃণমূলকে জাতীয় দলের মর্যাদা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনে চারটি রাজ্য থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্য দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল তৃণমূল। সাত বছরের মাথায় খসে পড়ল সেই শিরোপা।

    জাতীয় দলের (National Party in India) তকমা খোয়ানোয় কয়েকটি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এক, কোনও জাতীয় দলের চিহ্ন দেশের অন্য কোনও রাজ্যে অন্য কোনও দল ব্যবহার করতে পারবে না। দুই, দলীয় দফতর তৈরি করতে সরকারের কাছ থেকে জমি বা বাড়ি পায় জাতীয় দলগুলি। এবার আর তা পাবে না। তিন, নির্বাচনের সময় জাতীয় দল সর্বাধিক ৪০ জন তারকা প্রচারককে কাজে লাগাতে পারে। অন্য দলের ক্ষেত্রে এর সংখ্যা মাত্র ২০।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diwali 2022: দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? 

    Diwali 2022: দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার দীপাবলি (Diwali 2022)। দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) এবং অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ট্যুইটারের মাধ্যমে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই উৎসব দেশবাসীর জীবনে আনন্দ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক বলেও কামনা করেন মোদি। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে শুভ দীপাবলির (Diwali 2022) শুভেচ্ছা জানাই। দীপাবলি উৎসব উজ্জ্বলতা ও প্রভার সঙ্গে জড়িত। এই শুভ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। আমি আশা করি, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আপনাদের দীপাবলি ভাল কাটছে।

    দীপাবলি (Diwali 2022) দেশবাসীর জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক, কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা। এই পবিত্র আলো ও আনন্দ উৎসবের দিনে চলুন চেষ্টা করা যাক যাঁদের জীবনে জ্ঞান ও শক্তির প্রদীপ জ্বালানো প্রয়োজন, তাঁদের জীবনে সুখ নিয়ে আসার। এই মহান উৎসবের দিনে প্রত্যেক দেশবাসীর জীবন ভরে উঠুক সুখ ও সমৃদ্ধিতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, প্রত্যেক দেশবাসীকে জানাই শুভ দীপাবলি (Diwali 2022)। এই আলোর উৎসব প্রত্যেকের জীবনে নিয়ে আসুক সুখ, সুস্বাস্থ্য এবং সমৃদ্ধি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং লিখেছেন, প্রত্যেককে জানাই দীপাবলির শুভেচ্ছা। এই উৎসব আপনাদের জীবনে আনন্দ, সুস্বাস্থ্য এবং সম্পদ নিয়ে আসুক।

    আরও পড়ুন: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

    দেশবাসীকে দীপাবলির (Diwali 2022) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারও। তিনি বলেন, অন্ধকার ও জীবনের নঞর্থক দিকগুলি সরিয়ে দিওয়ালির আলোক সর্বত্র ছড়িয়ে দিক সদর্থকতার আলোক। আপনার জীবন ভরে উঠুক সাফল্য, খ্যাতি, সুখ এবং সমৃদ্ধিতে। আপনার জীবন বিকশিত হোক। প্রত্যেককে শুভ দীপাবলি ও লক্ষ্মীপুজোর অভিনন্দন জানাই। দেশবাসীকে দীপাবলির (Diwali 2022) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্সের সহ সভাপতি ওমর আবদুল্লাও। ট্যুইট বার্তায় ফারুক আবদুল্লার পুত্র লেখেন, শুভ দীপাবলি। সমস্ত প্রদীপের আলোক আপনাদের জীবন ভরে তুলুক সুখ, সুস্বাস্থ্য, শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shiv Sena Symbol: ”বাবা যা অর্জন করেছিলেন, কয়েক মিনিটেই তা হারালেন ছেলে…”

    Shiv Sena Symbol: ”বাবা যা অর্জন করেছিলেন, কয়েক মিনিটেই তা হারালেন ছেলে…”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত কোনও পক্ষই ব্যবহার করতে পারবেন না শিবসেনার নির্বাচনী প্রতীক (Shiv Sena Symbol) তির-ধনুক। সম্প্রতি উদ্ধব ঠাকরে এবং একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীকে একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন এনসিপি নেতা একনাথ খাড়সে (Eknath Khadse)। দল গঠনে শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের পরিশ্রমের উল্লেখ করে খাড়সে বলেন, বহু কঠিন বাধা পেরিয়ে বাবা যা অর্জন করেছিলেন, রাজনৈতিক যুদ্ধে নেমে কয়েক মিনিটেই তা হারালেন ছেলে।

    প্রাক্তন এই বিজেপি নেতা বলেন, শিবসেনার প্রতীক (Shiv Sena Symbol) তির-ধনুক জনপ্রিয় হয়েছিল বাল ঠাকরের নিরলস পরিশ্রমের কারণে। খাড়সে বলেন, তিনি (উদ্ধব ঠাকরে) ক্ষমতায় এসেছিলেন এই চিহ্নের সহায্যে। কিন্তু দুজনের (উদ্ধব ঠাকরে-একনাথ শিন্ডে) লড়াইয়ের জেরে লুপ্ত হয়ে গেল শিবসেনার এই প্রতীক। এটা দুর্ভাগ্যজনক। থানে জেলার এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন এনসিপির ওই নেতা। এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের জন্যই যে উদ্ধব মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন এদিন তাও মনে করিয়ে দেন খাড়সে। তাঁর মতে, মহা বিকাশ আগাড়ি জোটের প্রধান স্থপতি শারদ পাওয়ারই।

    এদিকে, শিবসেনার প্রতীক (Shiv Sena Symbol) তির-ধনুক হারিয়ে বেজায় বিপাকে পড়েছে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের শিবির। রবিবার শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর তরফে নির্বাচন কমিশনে তিনটি প্রতীক জমা দেওয়া হয়। একটি ত্রিশূল, অন্যটি উদীয়মান সূর্য এবং তৃতীয়টি জলন্ত মশাল। নভেম্বরের তিন তারিখে রয়েছে আন্ধেরি পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে এদিন পার্টির নামের একটি তালিকাও জমা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। এগুলি হল, শিবসেনা (বালাসাহেব ঠাকরে), শিবসেনা (প্রবোধঙ্কর ঠাকরে) এবং শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে)।

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা কারা, সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে মতদ্বৈততার জেরে শিবসেনা ভেঙে বেরিয়ে যান একনাথ শিন্ডে। সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারানোয় পতন হয় উদ্ধব ঠাকরের সরকারের। মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হন শিন্ডে। দু পক্ষই নিজেদের আসল শিবসেনা বলে দাবি করতে থাকে। দাবি করতে থাকে নির্বাচনী প্রতীকও। এর পরেই আপাতত শিবসেনার প্রতীক (Shiv Sena Symbol) লোপ করার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Maharashtra Political Crisis: সম্প্রসারিত হচ্ছে শিন্ডে মন্ত্রিসভা, বিজেপি শিবসেনা কার ভাগে কত আসন, জানেন?

    Maharashtra Political Crisis: সম্প্রসারিত হচ্ছে শিন্ডে মন্ত্রিসভা, বিজেপি শিবসেনা কার ভাগে কত আসন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর কেটে গিয়েছে প্রায় এক মাস। অথচ এখনও সম্প্রসারণ হয়নি মন্ত্রিসভার। শেষমেশ এবার সম্প্রসারিত হতে চলেছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন শিন্ডে শিবিরের ১৫-১৬ জন মন্ত্রী। বাকি আসন ভাগ হবে বিজেপি (BJP) এবং নির্দলদের মধ্যে।

    শিবসেনা (Shiv Sena) , কংগ্রেস (Congress) এবং এনসিপিকে (NCP) নিয়ে গঠিত মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়তে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সতীর্থ একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে উদ্ধরের সঙ্গে বিবাদ বাঁধে শিন্ডের। অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসামে উড়ে যান একনাথ। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন একনাথ। এর পরেই আসল শিবসেনা কে, তা নিয়ে বিবাদ শুরু হয় উদ্ধব-শিন্ডে শিবিরের। শিবসেনার প্রতীক তির-ধনুক পেতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় শিন্ডে শিবির। আদালতে পিটিশন দাখিল করা হয় উদ্ধব শিবিরের পক্ষ থেকে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি কেন একনাথ শিন্ডের হাতে মহারাষ্ট্রের রাশ ছাড়ল?

    ইতিমধ্যেই গড়িয়ে গিয়েছে এক মাসের কাছাকাছি। এখন সম্প্রসারিত হয়নি শিন্ডে মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হবে। মহারাষ্ট্র বিধানসভা সর্বাধিক মন্ত্রী হতে পারবেন ৪২ জন। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ফাঁকা রয়েছে মন্ত্রিসভার ৪০টি আসন। জানা গিয়েছে, শিবসেনা থেকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন ১৫-১৬ জন। এঁদের মধ্যে যে ন’ জন মন্ত্রী বিদ্রোহের শুরু থেকেই শিবসেনার সঙ্গে ছিলেন তাঁরা প্রত্যেকেই জায়গা পেতে পারেন নয়া মন্ত্রিসভায়। এই ন’ জনের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন পূর্ণমন্ত্রী, বাকি চারজন প্রতিমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : বিজেপির মাস্টারস্ট্রোক! মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় শিবসেনাই, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে

    জানা গিয়েছে, ৬৫-৩৫ ফর্মুলায় বিলি হবে মন্ত্রীদের দফতর। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ পাবে বিজেপি, বাকিটা শিবসেনার। এই সূত্র অনুযায়ী, শিন্ডে মন্ত্রিসভায় বিজেপি পেতে পারে ২৪-২৫টি আসন। আর ১৫-১৬টা পাবে শিন্ডে শিবির। কয়েকটি ছোট দল এবং কয়েকজন নির্দলেরও ঠাঁই হতে পারে মন্ত্রিসভায়।

     

  • Sharad pawar: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

    Sharad pawar: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)। ওই বছরই হবে মহারাষ্ট্র (Maharasthra) বিধানসভার নির্বাচনও। এই বিধানসভা নির্বাচনে মহাবিকাশ অঘাড়ি (Maha Vikas Aghadi) জোটের তিন দলের একসঙ্গে লড়া উচিত। অন্তত এমনই মনে করেন এনসিপি (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসে মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট। জোটে শামিল তিন দল-শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস। বছর আড়াই মসৃণভাবে সরকার চলার পর সম্প্রতি দলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন শিবসেনার বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। কংগ্রেস এবং এনসিপি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ার পক্ষে সওয়াল করেন শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। পরে মধ্যরাতের বিমান ধরে চলে যান বিজেপি শাসিত আরও এক রাজ্য আসামে। পরে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। তাঁর সঙ্গেই চলে যান সিংহভাগ বিধায়ক। হাতে গোণা কয়েকজন বিধায়ক রয়ে গিয়েছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    সম্প্রতি ঔরঙ্গাবাদ এবং ওসমানাবাদের নাম বদল হয়েছে। ঔরঙ্গাবাদের নাম হয়েছে শম্ভনজিনগর, আর ওসমানাবাদের নাম হয়েছে ধারাশিব। উদ্ধব ঠাকরের সরকারের আমলেই হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। সেই প্রসঙ্গে পাওয়ার বলেন, এটা মহাবিকাশ আঘাড়ির কমন মিনিমাম প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। দু দিনের সফরে ঔরঙ্গাবাদে এসেছেন পাওয়ার। সেখানেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই নাম পরিবর্তনের ব্যাপারে তাঁর মতামত দেন। বলেন, নাম বদলের সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার পরে আমি এটি জানতে পেরেছি।

    আরও পড়ুন : ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    ২০২৪ সালে মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তের তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনে তিন দলের জোট মহাবিকাশ আঘাড়ির লড়াই করা উচিত। তবে এটা যে নিতান্তই তাঁর ব্যক্তিগত মত, তাও জানান পাওয়ার। পাওয়ার বলেন, এনিয়ে আমি প্রথমে আমার দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। তার পরে কথা বলব বাকি জোট শরিকদের সঙ্গে। শিবসেনার বিদ্রোহ প্রসঙ্গে এনসিপি সুপ্রিমো বলেন, হিন্দুত্ব, এনসিপি এবং ফান্ডের অভাবের কথা বলে বিদ্রোহ ঘোষণা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে অশান্তি, তা জানা যায়নি।

     

LinkedIn
Share