Tag: NCP

NCP

  • Maharashtra speaker election: মহারাষ্ট্রে ফের জয় টিম শিন্ডের, স্পিকার পদে বিজেপির রাহুল  

    Maharashtra speaker election: মহারাষ্ট্রে ফের জয় টিম শিন্ডের, স্পিকার পদে বিজেপির রাহুল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হলেন বিজেপির (BJP) রাহুল নরওয়েকার (Rahul Narwekar)। রবিবার সকালে ভোটাভুটিতে ১৬৪টি ভোট পেয়ে স্পিকার (Speaker) নির্বাচিত হন তিনি। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। অর্থাৎ ম্যাজিক ফিগারের চেয়েও ঢের বেশি ভোট পেয়েছেন রাহুল। উদ্ধব ঠাকরের প্রার্থী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়ক রজন সালভি পেয়েছেন মাত্র ১০৭টি ভোট।

    গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শূন্য হয়েছিল মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার পদ। ইস্তফা দিয়েছিলেন কংগ্রেসের নানা পাটোলে। তারপর থেকে স্পিকারের কাজ সামলাচ্ছিলেন ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরওয়াল। এদিন স্পিকার নির্বাচনের পর পূরণ হল সেই শূন্যস্থান। মহারাষ্ট্রের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তার জেরে গত বুধবার মুখ্যমন্ত্রিত্ব পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। ওই পদে বসেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে। রবিবার হয় স্পিকার নির্বাচন। হয় ভোটাভুটিও। ভোটদানে বিরত ছিলেন তিন বিভিন্ন দলের বিধায়ক। এদিকে হুইপ জারি করেছিল শিবসেনা। তাতে অবশ্য কোনও লাভ হয়নি। বরং অনেক বেশি ভোট পেয়ে বিজেপির রাহুল পরাস্ত করেন শিবসেনার স্পিকার পদপ্রার্থীকে। রাহুলও এক সময় শিবসেনায় ছিলেন। ঘনিষ্ঠ ছিলেন আদিত্য ঠাকরের। ২০১৪ সালে বিধানসভা ভোটে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভে ত্যাগ করেন শিবসেনা-সঙ্গ। পরে যোগ দেন এনসিপিতে। তারও পরে বিজেপিতে। সেখানেই হল বাজিমাত।

    আরও পড়ুন : গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    এদিকে, রাহুলের জয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়করা। শিবসেনার ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার ক্ষমতা চলে এল স্পিকারের হাতে। গত মাসে ডেপুটি স্পিকার নরহরি এই ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিধায়ক পদ খারিজের জন্য পদক্ষেপ করেছিলেন। নবনির্বাচিত স্পিকার সেই আবেদন প্রত্যাহার করতে পারেন। শিবসেনার শিন্ডে বাহিনীকে আদৌ আসল শিবসেনা হিসেবে চিহ্নিত করা যায় কিনা, সেই ক্ষমতাও থাকছে স্পিকারের হাতে। রাত পোহালেই আস্থা ভোট। এদিন স্পিকার নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় প্রত্যাশিতভাবেই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের।

    আরও পড়ুন : ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?আরও পড়ুন : গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

  • Maharashtra Political Crisis: ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচন! ভেঙে যাবে শিন্ডে সরকার দাবি পাওয়ারের

    Maharashtra Political Crisis: ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচন! ভেঙে যাবে শিন্ডে সরকার দাবি পাওয়ারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহও হয়নি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী (CM) পদে শপথ নিয়েছেন একনাথ শিন্ডে। আজ, সোমবার মহারাষ্ট্র (maharashtra) বিধানসভায় (assembly) আস্থা ভোট (floor test)। তার আগে মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) কটাক্ষ করলেন এনসিপি (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। নতুন সরকার কত দিন টিকবে তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের ‘স্ট্রংম্যান’। রবিবার সন্ধ্যায় এনসিপির বৈঠকে পওয়ার বলেন, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই পতন হতে পারে মহারাষ্ট্রের নতুন সরকারের। সে কারণে মহারাষ্ট্রে অসময়ে নির্বাচনও হতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি। তাই সকলকে প্রস্তুত থাকার আবেদন করেছেন। 

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ফের জয় টিম শিন্ডের, স্পিকার পদে বিজেপির রাহুল

    রবিবার এনসিপির বিধায়ক এবং অন্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন পাওয়ার। সেই সময় তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের নবগঠিত সরকারের পতন হতে পারে ৬ মাসের মধ্যেই। সেই কারণে অন্তর্বর্তী নির্বাচনের জন্য তৈরি থাকতে হবে। পাওয়ারকে উদ্ধৃত করে বৈঠক শেষে এক এনসিপি নেতা বলেছেন, ‘‘শিন্ডেকে যাঁরা সমর্থন করেছেন, সেই সমস্ত বিদ্রোহী বিধায়কের অনেকেই খুশি নন। এ কথা বলেছেন পওয়ার। তাঁর মতে, মন্ত্রিত্ব বণ্টনের পরই অসন্তোষ বাড়বে। যার ফলে সরকার পড়ে যাবে।’’ ওই নেতার কথায়, পাওয়ার জানিয়েছেন, একনাথ শিন্ডের পরীক্ষা ব্যর্থ হবে এবং এর ফলে অনেক বিদ্রোহী তাঁদের পুরোন দলে ফিরে আসবেন। তিনি বলেছেন, হাতে মাত্র ছয়মাস সময় রয়েছে, সেই কারণে এনসিপি বিধায়কদের নিজের নিজের বিধানসভা এলাকায় আরও বেশি করে সময় দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: শিবসেনায় উদ্ধব-জমানার শেষ?

    বিজেপির (BJP) সঙ্গে জোট বেঁধে শিন্ডে শিবির মহারাষ্ট্রের মসনদে বসেছে। সোমবার বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছেন একনাথ। উদ্ধব ঠাকরে বনাম একনাথ শিন্ডে সঙ্ঘাতের পারদ ক্রমশ চড়ছে। শিবসেনার অন্দরে জটিলতা রোজই বাড়ছে। এই অবস্থায় পওয়ারের মন্তব্য নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে, রাজনৈতিক মহল।

     

  • Maharastra political crisis: ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    Maharastra political crisis: ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে ( Maharastra) জোট সরকার থাকবে কিনা, তা নিয়েই যখন দেশজুড়ে চলছে জোর চর্চা, তখনই ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে শাসক শিবির। ডামাডোলের বাজারে সরকারের বিভিন্ন দফতর ছাড়পত্র দিয়ে চলেছেন একের পর এক প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দের। সূত্রের খবর, জুনের ২০ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে ১৮২টি প্রকল্পে অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর হয়েছে। জুনের ১৭ তারিখে হয়েছে ১০৭টি।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় রয়েছে মহা বিকাশ আগাড়ি (Maha Vikas Aghadi) জোট । শিবসেনার (Shiv Sena) নেতৃত্বে এই জোটে রয়েছে কংগ্রেস এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপি। নরম হিন্দুত্বের জেরে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য শিবসেনার একনাথ শিন্ডের লড়াই তুঙ্গে। পরিস্থিতি এমনই যে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে উড়ে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে মধ্যরাতের বিমান ধরে বিজেপি শাসিত আসামের গুয়াহাটিতে। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনার বিধায়ক সংখ্যা ৫৬। তার সিংহভাগই এই মুহূর্তে শিন্ডে শিবিরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    এমতাবস্থায় একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ প্রস্তাব পাশ করে চলেছে শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপির হাতে থাকা বিভিন্ন দফতর। শিবসেনার হাতে রয়েছে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ। এই দফতরের মন্ত্রী গুলাব রাও পাতিল।গত ১৭ জুন তাঁর দফতর ৮৪টিরও বেশি অর্থ-প্রস্তাব পাশ করেছে।

    ২০ থেকে ২৩ জুনের মধ্যে প্রস্তাব পাশ হয়েছে ১৮২টি। এর ৭০ শতাংশই পাশ হয়েছে কংগ্রেস এবং এনসিপির হাতে থাকা বিভিন্ন দফতর থেকে। সামাজিক ন্যায়বিচার, জল সম্পদ, স্কিল ডেভলপমেন্ট, হাউসিং ডেভেলপমেন্ট, ফিনান্স ও হোম দফতরের রাশ রয়েছে এনসিপির হাতে। এই দফতরগুলি থেকেও সব চেয়ে বেশি অর্থ-প্রস্তাব পাশ হয়েছে। কংগ্রেসের হাতে রয়েছে ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট, রাজস্ব, পিডব্লুডি, স্কুল শিক্ষা, ওবিসি এবং ফিশারিজ। তারাও পাশ করেছে বেশ কিছু প্রস্তাব।

    মৃত্তিকা ও সংরক্ষণ বিভাগের মন্ত্রী শঙ্কররাও গদাখ। তাঁর দফতর পাশ করেছে ২০টি প্রস্তাব। অথচ গত চার দিনে শিবসেনার হাতে থাকা দফতরগুলি থেকে পাশ হয়েছে হাতে গোণা কয়েকটি অর্থ-প্রস্তাব।

     

  • Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একনাথ শিন্ডের সঙ্গে সমঝোতার বার্তা দিলেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhab Thackrey)। শিবসেনার (Shibsena) মুখপাত্র প্রবীণ নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) জানান, মহা বিকাশ আগাড়ি অর্থাত্‍ শিবসেনা কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট (Alliance) ত্যাগ করতে প্রস্তুত। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে বিধায়কদের মুম্বই (Mumbai) ফিরে আসতে হবে।

    মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান দাবিই হল, কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসতে হবে উদ্ধবকে। তাঁরা চান উদ্ধবই মুখ্যমন্ত্রী থাকুন। ফিরুক পুরনো জোটে। অর্থাত্‍ বিজেপির সমর্থনে সরকার চালান উদ্ধব। সম্পর্ক ছিন্ন করুন কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে। তবে, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফার আশ্বাসে তাঁর ভরসা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী শিবিরের নেতা একনাথ শিন্ডে। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটির হোটেল থেকে তিনি জানিয়েছেন, আগে কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গ ত্যাগ করার ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হবে উদ্ধবকে। তার পরেই সমঝোতার প্রশ্ন।

    [tw]


    [/tw]

    এরপরই শিবসেনার তরফে সঞ্জয় রাউত জানান, একনাথকে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীদের মুম্বই ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। জানিয়েছেন আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিদ্রোহীরা মুম্বই ফিরে তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসুক। জোট ছাড়তে উদ্ধব বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না। কিন্তু গুয়াহাটি (Guwahati) বসে এই নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। আলোচনা করতে হলে মুম্বই এসে করতে হবে, বলে দাবি উদ্ধবের।

    তবে এর পাল্টা হিসেবে শিন্ডে জানিয়ে দেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে  সমস্ত ধরনের সমঝোতার দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শিন্ডে বলেন, “৪০ জন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে আছেন। কে বলছে আমরা ফিরে যাব? আমাদের ফিরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। গাড়ি অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। আমরা সবকিছুই চেষ্টা করেছি কিন্তু কিছুই হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব কী করা যায়। সবার মতামত চাওয়া হবে তারপর আমরা এগোব। এটা আমার সিদ্ধান্ত নয়, সবার সিদ্ধান্ত।”

    আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    শিবসেনার জোট ছাড়া প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে বলেন, “অনৈতিক ও অসাংবিধানিক ভাবে মহারাষ্ট্রে সরকার ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপি দায়ী। তারা পিছন থেকে এই কাজ করাচ্ছে। এভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও করাবে বিজেপি।” এনসিপি নেতা জয়ন্ত পাতিল বলেন,”শিবসেনার তরফে সরকারিভাবে এমন কোনও কথা এখনও জানানো হয়নি। তারা সরকারিভাবে কিছু জানালে তবেই ভাবনা-চিন্তা করা হবে।” এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল বলেন,”যে কোনও দল নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে জোট ছাড়লে শিবসেনা তা এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারকে জানাত। এখনও সেরকম কোনও খবর নেই।”

  • President Election 2022: রাষ্ট্রপতি পদের লড়াইয়ে মুখ ফেরালেন মমতার তিন প্রার্থীই

    President Election 2022: রাষ্ট্রপতি পদের লড়াইয়ে মুখ ফেরালেন মমতার তিন প্রার্থীই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে তিন, মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিন পছন্দের প্রার্থীই মুখ ফেরালেন। শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar), ফারুক আবদুল্লার (Farooq Abdullah) পর এবার গোপালকৃষ্ণ গান্ধী (Gopalkrisna Gandhi) । এক বিবৃতিতে, মমতার তৃতীয় পছন্দের নেতা একদা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জানান, “বিরোধীদের এমন একজনের প্রার্থী হওয়া উচিত যিনি জাতীয় সহমতের ও বিরোধীদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন। আমার মনে হয়, (আমার) থেকেও আরও কেউ এই কাজটা ভাল করতে পারবেন।” ঘুরিয়ে নয় সরাসরিই গোপালকৃষ্ণ বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি সব বিরোধীর পছন্দের নাম নন! শুধুমাত্র মমতার পছন্দের নাম।

    দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের প্রথম বৈঠকেই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী (President Election) হিসেবে এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারের নামোল্লেখ করেন মমতা। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পিছিয়ে আসেন। মমতার বাঁদিকে বসে নিজের অনিচ্ছার কথা জানিয়ে দেন বৈঠকেই। এরপরই মমতা তার নিজের স্টাইলে অন্য কারো সঙ্গে কোনরকম আলোচনা ছাড়াই সামনে তুলে আনেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লার নাম। মমতার ডানদিকে তখন বসে মেহবুবা মুফতি। দীর্ঘদিনের পরিণত রাজনীতিবিদ ফারুক ফিরিয়ে দেন মমতার প্রস্তাব। একেবারে শেষ পর্বে মমতা আবার সংবাদবাজারে ছড়ান গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম। তিনি সময় চেয়েছিলেন ভাববার। সোমবার মমতার সে প্রস্তাবও খারিজ করে দিলেন,পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী।

    এমন এক সময়ে গোপালকৃষ্ণ গান্ধী তাঁর মতামত জানালেন, ঠিক তার পরদিনই বিরোধী ঐক্যমতের রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করার দ্বিতীয় বৈঠক হওয়ার কথা। সে বৈঠক ডেকেছেন শরদ পাওয়ার। সেই কারণে ঐ বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা। নিজে গুরুত্ব না পাওয়ায়, ২০১২-র মুকুল রায়কে পাঠিয়েছিলেন। এবার যাচ্ছেন মমতার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। যাকে ইতিমধ্যেই কয়লা, সোনা সহ একাধিক মামলায় সিবিআই-এ হাজিরা দিতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক কারণেই অভিষেকের বক্তব্য বিরোধী নেতাদের কাছে আদৌ ওজনদার হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। 

    গত ১৫ জুন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের সহমতের প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’র মত প্রথম বৈঠকেই বিরোধী শিবিরের ছন্নছাড়া দশা প্রকট হয়েছিল। যে বাইশটি দলের নেতাদের ডাকা হয়েছিল শুরুর বৈঠকেই ৫টি দল অনুপস্থিত ছিল। আপ, টিআরএস, টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিজু জনতা দল যোগ দেয়নি। বাকি যে দুটি দলকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তাঁরা বিজেপি নেতৃত্বে এনডিএ-র (NDA) সঙ্গে আছে। স্বাভাবিক কারণে তারাও আসেনি বৈঠকে। একতরফা বৈঠক ডাকায় তখন বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলই তাঁদের প্রথম শ্রেণীর প্রতিনিধিদের পাঠায়নি। মাধ্যম তখনই বলেছিল, মমতার আরেক ফ্লপ শোয়ের সাক্ষী থাকল দিল্লি।  

    দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজস্ব স্টাইলে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন যশোবন্ত সিনহার নাম। বুঝতে চাইছিলেন বিজেপি (BJP) ভেঙে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেওয়া যশোবন্তকে কিভাবে নেন বিরোধী নেতারা। সেই অঙ্কও মেলেনি। গোপালকৃষ্ণের সময় নেওয়ার সময়েই বোঝা গেছিল জল মাপতে চাইছেন তিনি। অন্য কোন বিরোধী রাজনৈতিক দল তার নাম নিয়ে উৎসাহ না দেখানোয় অবশেষে ফিরিয়ে নিলেন নিজেকে। ঠিক যেভাবে নিজে বৈঠক ডাকার সুযোগ না পাওয়ায় মঙ্গলবার বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা।

  • Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপির (BJP) দখলে এল ৮। বাকি ৭টি আসনের রাশ গিয়েছে কংগ্রেস (Congress)-এনসিপি (NCP)-শিবসেনা (Shivsena) জোটের দখলে। বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    ১৫টি রাজ্য মিলিয়ে রাজ্যসভার মোট ৫৭টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন। ৪১ জন প্রার্থী আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে যাওয়ায় এদিন ভোট হয়েছে ১৬টি আসনে। নির্বাচনে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, কর্নাটক ও রাজস্থান চার রাজ্যে নিয়োগ করা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক। পুরো ভোটপর্ব ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। চার রাজ্যের ১৬টি আসনে ভোট হলেও, জোর লড়াই হয়েছে মূলত রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রে।

    আরও পড়ুন : টানটান উত্তেজনায় শেষ রাজ্যসভা নির্বাচন, হল ক্রস ভোটিংও

    এদিন ক্রসভোটিংয়ের সম্ভাবনা ছিল। হয়েছেও তাই। কর্নাটকে জনতা দল সেকুলারের (JDS) দুই বিধায়ক ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোটপর্ব শুরু হয়েছিল সকাল ৯টায়। শেষ বিকেল ৪টায়। বিকেল পাঁচটায় শুরু হয় গণনা। ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮টি আসনে। বাকি ৭টিতে কংগ্রেস। বিজেপি সমর্থিত এক নির্দল প্রার্থীও জয়ী হয়েছেন।

    যে ১৬টি আসনে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আসন সংখ্যা ৬। রাজস্থান ও কর্নাটকে ৪টি করে আসন। আর দুটি আসন হরিয়ানায় (Haryana)। গণনা শেষ হয় মধ্য রাতে। তখনই জানা যায়, মহারাষ্ট্রের তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস-এনসিপি-শিবসেনা জোট জয়ী হয়েছে একটি আসনে। হরিয়ানায় বিজেপি জিতেছে একটি আসন। আর বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    রাজস্থানের (Rajasthan) কুর্সিতে রয়েছে কংগ্রেস। সেখানে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) দল। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী। কর্নাটকে (Karnataka) রাজ্যসভার তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। আর কংগ্রেস পেয়েছে একটি আসন।

    আগামী মাসেই রয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Polls)। তাই রাজ্যসভার এই নির্বাচন শাসক এবং বিরোধী দু পক্ষের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রাজ্যসভায় স্বভাবতই শক্তি বাড়ল বিজেপির। শক্তি খোয়াল কংগ্রেস। প্রত্যাশিতভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি!

     

  • Sharad Pawar: দলের সমস্ত শাখা ভেঙে দিলেন এনসিপি প্রধান! কী ভাবছেন শরদ পাওয়ার

    Sharad Pawar: দলের সমস্ত শাখা ভেঙে দিলেন এনসিপি প্রধান! কী ভাবছেন শরদ পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে ফের নতুন মোড়। জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (NCP)-র জাতীয় স্তরে সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়া হল। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন প্রবীণ নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল (Praful Patel)। কিন্তু হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি, সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।

    এনসিপির জাতীয় সম্পাদক প্রফুল্ল প্যাটেল বুধবার রাতে ট্যুইট করে লেখেন, “জাতীয় সভাপতি শরদ পওয়ারের অনুমতি অনুসারে জাতীয় স্তরের যাবতীয় বিভাগ ও শাখার অবিলম্বে অবলুপ্তি করা হচ্ছে। কেবল ন্যাশনালিস্ট উইমেনস উয়ং, ন্যাশনালিস্ট ইয়ুথ কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট স্টুডেন্টস কংগ্রেস থাকবে”। পরবর্তী আরেকটি ট্যুইটে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এই সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্র বা অন্য কোনও রাজ্য শাখার উপরে কার্যকরী হবে না। 

    [tw]


    [/tw]

    মহারাষ্ট্রে মহা বিকাশ আগাড়ি  (MVA) জোট সরকারের পতনের তিন সপ্তাহের মধ্যে এনসিপি তাদের পার্টির সমস্ত পদ ও সেল বিলুপ্ত করা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। দলের সংগঠন ঢেলে সাজাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে এনসিপি (NCP) সূত্রে খবর। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, দলের ভাঙন রুখতেই শরদ পাওয়ারের এই সিদ্ধান্ত। কেননা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনসিপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে ক্রস ভোটিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল।
     
     
    প্রশ্ন উঠছে, শিবসেনার পর কি এবার অন্তর্দ্বন্দ্বের আগুন ছড়াল ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির অন্দরেও? এক্ষেত্রে ২০১৯-এর স্মৃতি এনসিপি সুপ্রিমোকে উস্কে দিয়েছে বলে দলের একাংশের মত। ওই বছর দলকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন অজিত পাওয়ার। এবারও কী সেরকম কিছু ঘটতে চলেছে? সেই আশঙ্কাতেই দল ভেঙে দিলেন এনসিপি প্রধান? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।
  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls)  দামামা বেজে গিয়েছে। কোমর কষে নেমে পড়েছে শাসক ও বিরোধী দু’পক্ষই। এমতাবস্থায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এনসিপি-র (NCP) শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar) জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনি। একই কথা জানিয়ে দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও (Nitish kumar)।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি চাইছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হোন সর্বসম্মতভাবে। সেজন্য বিজেপির তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh))। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে তাঁরাই ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন :রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    এদিকে, সলতে পাকাতে শুরু করেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। বিজেপিকে মাত দিতে তারাও চাইছে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দলের একজনকেই প্রার্থী করতে। সেই কারণেই তৃণমূল নেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। সেখানেই চূড়ান্ত হতে পারে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের নাম।

    তবে রাষ্ট্রপতি পদে দৌড়ে তিনি যে নেই, তা আগেভাগেই জানিয়ে দিলেন পাওয়ার। বছর একাশির এই প্রবীণ নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আমি নেই। আমি বিরোধীদের প্রার্থী হচ্ছি না। এদিকে, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবারই পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে। রবিবার আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং-ও ফোন করেন এনসিপি প্রধানকে। তাঁদের ততক্ষণাৎ কিছু জানাননি পাওয়ার। জানালেন সোমবার। এমতাবস্থায় পাওয়ারের এই ঘোষণায় যথেষ্ট বিব্রত বিরোধীরা।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    এদিকে পাওয়ারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনিও। অথচ জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল নীতিশের নাম। বিজেপির তরফেও কেন্দ্রের এক মন্ত্রী দেখা করেন নীতিশের সঙ্গে। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি শিবিরের বাজি হতে পারেন নীতীশ। সেই নীতিশই সোমবার স্বয়ং ঘোষণা করলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে রেসের ঘোড়া নন তিনি।

     

  • Hanuman Chalisa: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর

    Hanuman Chalisa: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) বাসভবনের সামনে নমাজ  (Namaz), হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa) সহ একাধিক মন্ত্রপাঠ করার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি দিলেন শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) দল এনসিপির (NCP) এক নেত্রী। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে।
     
    মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) নামাজ বিতর্ক (namaz row) নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) বাড়ি ‘মাতোশ্রী’র (Matoshree) বাইরে হনুমান চালিশা পাঠের হুমকি দিয়েছিলেন নির্দল সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি নবনীত রাণা (Navneet Rana) ও রবি রাণা (Ravi Rana)। ঘটনার জেরে গ্রেফতারও করা হয় তাঁদের। 

    এরই মাঝে এই ইস্যুতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন এনসিপি নেত্রী তথা উত্তর মুম্বইয়ের দলের কার্যকরী সভাপতি ফামিদা হাসান খান (Fahmida Hasan Khan)। সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে হনুমান চালিশা ও নমাজ পাঠের অনুমতি চেয়ে চিঠি লিখলেন অমিত শাহকে (Amit Shah)। রাজনৈতিক মহলের মতে, উদ্ধব ঠাকরের বাড়ির সামনে রাণা-দম্পতির হনুমান চালিশা পাঠ করার হুঁশিয়ারির প্রতিশোধ নিতেই এই পন্থা অবলম্বন করেছেন ওই নেত্রী। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ফামিদা আবেদন জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের সামনে একাধিক ধর্মীয়গ্রন্থ পাঠ করতে চান। এবং ধর্মগ্রন্থের যে তালিকা তিনি দিয়েছেন তা রীতিমতো দীর্ঘ। চিঠিতে ওই নেত্রী জানিয়েছেন, মোদির বাসভবনের সামনে নামাজ, হনুমান চালিশা, দুর্গা চালিশা, নমোকর মন্ত্র-সহ একাধিক ধর্মগ্রন্থ পাঠ করতে চান তিনি। এনসিপি নেত্রী আরও জানিয়েছেন, তিনি নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করে থাকেন, এমনকী বাড়িতে দুর্গা পুজোও করেন। 

    যদিও এরপরেই বিজেপি সরকার ও মোদিকে চরম কটাক্ষ করেন ফামিদা। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘দেশে যেভাবে মূল্যবৃদ্ধি চলছে এবং বেকারত্ব বাড়ছে, তাতে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জাগানোর প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। যদি উদ্ধব ঠাকরের হিন্দুত্ববাদীকে জাগাতে রবি রানা এবং নবনীত রানা ‘মাতোশ্রী’র বাইরে হনুমান চালিসা পাঠ করার ঘোষণা করতে পারেন, তবে প্রধানমন্ত্রীকে জাগাতে আমাকেও দিল্লিতে মোদির বাসভবনের বাইরে বসে নমাজ, হনুমান চালিশা এবং দুর্গা চালিশা পাঠের অনুমতি দেওয়া হোক।’

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাড়িতে হনুমান চালিশা পাঠের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি নবনীত রানা ও রবি রানা। এই ঘটনার পর তাঁদের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখান শিবসেনা সমর্থকরা। শুধু তাই নয়, রানা দম্পতির বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করে শিবসেনা। এর পরেই নবনীত ও তাঁর স্বামীকে এক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

     

LinkedIn
Share