Tag: NDA

NDA

  • NDA: ঐক্যবদ্ধ জোটের ছবি চণ্ডীগড়ে, এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মোদির

    NDA: ঐক্যবদ্ধ জোটের ছবি চণ্ডীগড়ে, এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এনডিএ (NDA) শাসিত রাজ্যেগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে জাতীয় স্তরের নানা ইস্যু সমেত দারিদ্র দূরীকরণ কর্মসূচি নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে এনডিএ-এর ঐক্যবদ্ধ চেহারাও সামনে আসে। জোটের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ছবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও হাজির ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা-সহ কেন্দ্রীয় বিজেপির একাধিক নেতা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির ১৩ জন মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। বিজেপি ছাড়াও এনডিএ-তে (NDA) থাকা মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, সিকিম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীরাও হাজির ছিলেন। 

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট 

    বৈঠকের পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, ‘‘সুশাসন এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নের নানা ইস্যু নিয়েই আমরা বিস্তৃত আলোচনা করেছি। এনডিএ জোট (NDA) দেশের অগ্রগতি এবং গরিবদের জীবন জীবিকার উন্নয়নের প্রশ্নে বদ্ধপরিকর।’’

    কী বললেন নাড্ডা

    প্রসঙ্গত, বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, ২০২৫ সালে জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের হত্যা বলে উল্লেখ করে প্রস্তাবও পাশ করেন।’’ এর পাশাপাশি নাড্ডা আরও জানিয়েছেন, বৈঠকে (NDA) আত্মনির্ভর ভারত, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, দেশের অর্থনীতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “অক্লান্তভাবে উন্নয়নের জন্য ১০ বছর উৎসর্গ করেছে এনডিএ”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “অক্লান্তভাবে উন্নয়নের জন্য ১০ বছর উৎসর্গ করেছে এনডিএ”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত ১০ বছরে ভারতের বিকাশে এনডিএ সরকারের (Amit Shah) প্রচেষ্টার কথাও মঙ্গলবার তুলে ধরেন তিনি।

    ‘সেবা পক্ষ’ কার্যক্রম (Amit Shah)

    বিজেপির পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরগুলি এনডিএ (PM Modi) সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ১০০ দিন পূর্ণ হল তৃতীয় মোদি সরাকারের। এদিনই আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৪তম জন্মদিন। এই জোড়া উপলক্ষে ‘সেবা পক্ষ’ কার্যক্রমের সূচনা করেছে বিজেপি। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিনকে ‘সেবা পাখওয়াদা’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দলের কর্মীরা জনগণকে সাহায্য করবে (Amit Shah)।”

    শাহ উবাচ

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ১৫টি বিভিন্ন দেশ তাঁকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। ১৪০ কোটি ভারতীয় আজ তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করছেন।” শাহ বলেন, “অক্লান্তভাবে উন্নয়নের জন্য ১০ বছর উৎসর্গ করার পর ভারতের জনগণ ঐতিহাসিক তৃতীয় মেয়াদের জন্য বিজেপি ও এর জোট শরিক দলগুলিকে একটি ম্যান্ডেট দিয়েছে।” তিনি বলেন, “গত ৬০ বছরের মধ্যে এটি ঘটেছে প্রথমবারের মতো। এটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পরিবেশ নিয়ে এসেছে।”

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেখে ‘বিচলিত’ সুপ্রিম কোর্ট! কী আছে তাতে?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি নয়া শিক্ষানীতিও এনেছেন। যার মধ্যে রয়েছে আমাদের প্রচীন শিক্ষা ব্যবস্থা ও আধুনিক শিক্ষা, যা আমাদের আঞ্চলিক ভাষাকেও (PM Modi) সম্মান করে (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চালু হচ্ছে মোদি সরকারের এই মেয়াদেই!

    One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চালু হচ্ছে মোদি সরকারের এই মেয়াদেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা। আর তৃতীয় মেয়াদে চালু হতে চলেছে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election)। জানা (NDA) গিয়েছে, এনডিএ সরকারের চলতি মেয়াদেই কার্যকর হয়ে যাবে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’। সূত্রের দাবি, অবশ্যই এটি চলতি মেয়াদেই কার্যকর হবে। এটি বাস্তব রূপ নেবে। এই সংস্করমূলক পদক্ষেপকে সব দলই সমর্থন জানাবে বলেও আশাবাদী ওই সূত্র।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election)

    দীর্ঘদিন ধরেই ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর পক্ষে সওয়াল করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর যুক্তি, এতে লাভ হবে দুভাবে। এক, বারবার নির্বাচন করতে যে বিপুল খরচ হয়, তা কমবে। আর দুই, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার কারণে বারবার যে উন্নয়নমূলক কাজকর্ম থমকে থাকে, তা আর হবে না। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বারংবার ভোট করাতে গিয়ে সরকারি কর্মী এবং প্রশাসনকে যে হ্যাপা পোহাতে হয়, তাও আর হবে না। দেশের রাজনৈতিক দলগুলিকেও ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর প্রস্তাব সমর্থন জানানোর আহ্বানও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বিরোধীদের দাবি, মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক ভাবনার পরিপন্থী। তাঁদের মতে, মোদি সরকার ঘুরপথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে এ দেশে।

    আরও পড়ুন: অন্য কাশ্মীর! ৩৭ বছর পর দোরে দোরে ঘুরে প্রচার করছেন প্রার্থীরা

    কমিটির রিপোর্ট

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) ব্যবস্থা চালু করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল সরকার। গত মার্চ মাসেই সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। সূত্রের দাবি, ওই কমিটিও মত দিয়েছে এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে। ৪৭টিরও বেশি রাজনৈতিক দল কোবিন্দ কমিটির কাছে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছিল। এর মধ্যে ৩২টি দলই ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর ধারণাকে সমর্থন করেছে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছিল। সেখান থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে ২১ হাজার ৫৫৮টি। এর মধ্যেও ৮০ শতাংশ সায় দিয়েছে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর (One Nation One Election) পক্ষেই (NDA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha: ১২টি আসনের উপনির্বাচনে ১১টিতেই জয়, রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ

    Rajya Sabha: ১২টি আসনের উপনির্বাচনে ১১টিতেই জয়, রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেও (Rajya Sabha) পাল্লা ভারী হল এনডিএ (NDA) জোটের। মঙ্গলবার সংসদের উচ্চকক্ষের উপ-নির্বাচনে বিজেপির ৯ জন নির্বাচিত হন৷ এছাড়া শরিক দলেরও দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন৷ একমাত্র তেলঙ্গানার আসনটিতে বিনা লড়াইয়ে জিতলেন কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। স্বাভাবিক ভাবে, এবার উচ্চকক্ষে সহজে বিল পাশ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার ৷

    বিল পাশে সুবিধা

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) এনডিএ শিবিরের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফলে বিজেপি সহজেই ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ করাতে পারবে৷ বিলটি যুগ্ম সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) খতিয়ে দেখছে৷ রাজ্যসভার ১২টি আসনের উপনির্বাচনে এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যায় এর মধ্যে ১১টিতেই জয় পায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ (NDA)। এ বারের ১২ আসনের উপনির্বাচনের ফলে ২৪৫ আসনের রাজ্যসভায় ৯৬-এ পৌঁছে গেল বিজেপি। এনডিএ পৌঁছল ১১২-তে। নির্দল এবং মনোনীত সদস্যদের ধরলে সংখ্যাটি পৌঁছচ্ছে ১২১-এ। আটটি আসন বর্তমানে শূন্য। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছুঁয়ে ফেলল মোদি সরকার। এর ফলে শীতকালীন অধিবেশনে বিভিন্ন বিল পাশ করাতে সুবিধা পাবে সরকার পক্ষ। 

    কতটা তাৎপর্যপূর্ণ এই সংখ্যা?

    জুলাই অবধিও, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র পক্ষে রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কিছু পাশ করানো কঠিন ছিল। কারণ, সেই সময়, সংসদের উচ্চকক্ষে মোদি সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। বিজেপির সংখ্যা কমে ৮৬ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, এখন এই উপনির্বাচনের পর, সংখ্যা এক লাফে বেড়ে ৯৫ হয়েছে। আর এনডিএ পৌঁছে গেল ১২১-এ। এবার, আরও ৪ মনোনীত সদস্যকে যুক্ত করতে পারলে এই সংখ্যা আরও বেড়ে হয়ে যাবে ১২৫। এছাড়া, এমনিতেই আরও ৬ মনোনীত সদস্য এবং এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থন পাবে এনডিএ সরকার। ফলত, ২৪৫-আসনের রাজ্যসভায় সরকারের শক্তি বেড়ে দাঁড়াবে ১৩২। ফলে, এখন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর জন্য বিজেডি বা ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সমর্থনের প্রয়োজন নেই মোদির। 

    জয়ী প্রার্থী কারা

    কোনও বিরোধিতা ছাড়াই যাঁরা রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) নির্বাচিত হলেন- রাজস্থানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু, মধ্যপ্রদেশের জর্জ কুরিয়েন, কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি তেলঙ্গানা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন৷ বিজেপির অসম থেকে মিশন রঞ্জন দাস, রামেশ্বর তেলি, বিহার থেকে মনন কুমার মিশ্র, হরিয়ানা থেকে কিরণ চৌধুরি, মহারাষ্ট্রের ধীরাশীল পাটিল, ওড়িশার মমতা মোহন্ত এবং ত্রিপুরার রাজীব ভট্টাচার্য৷ ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নিতিন পাটিল মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছেন ৷ রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহা বিহার থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছেন৷ এই দু’টি দলই বিজেপির শরিক ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্যই শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কেন্দ্রের রাশ হাতে নিয়েছে এনডিএর সর্বসম্মত নেতা নরেন্দ্র মোদি। এই নির্বাচনের রং ফিকে হওয়ার আগেই ফের হতে চলেছে নির্বাচন (By Election 2024)। তবে এবার হবে উপনির্বাচন, দেশের ১৩টি বিধানসভা আসনে। এই আসনগুলি ছড়িয়ে রয়েছে দেশের ৭টি রাজ্যে।

    কোন কোন রাজ্যে নির্বাচন (By Election 2024)

    ১০ জুলাই, বুধবার যে ১৩টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৪টিও। সোমবার সন্ধে ৬টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়েছে প্রচার-পর্ব। ভোটগণনা হবে ১৩ জুলাই, শনিবার। সেদিনই জানা যাবে, ১৩টি আসনের সিংহভাগের রাশ যাবে কোন দলের হাতে। বাংলার যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে এদিন নির্বাচন (By Election 2024) হবে, সেগুলি হল নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং কলকাতার মানিকতলা। নির্বাচন হবে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার তিন আসনেও। বিহার বিধানসভার রুপৌলী আসনেও হবে উপনির্বাচন। ভোট হবে মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ায়ও। নির্বাচন হবে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথেও। এ রাজ্যেরই মঙ্গলৌরেও হবে উপনির্বাচন। অকাল নির্বাচন হবে তামিলনাড়ুর বিক্রবন্দি এবং পাঞ্জাবের জলন্ধর পশ্চিমে।

    ভোট পশ্চিমবঙ্গের ৪ আসনেও

    পশ্চিমবঙ্গের যে চার আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার মধ্যে মানিকতলায় উপনির্বাচন হচ্ছে বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর কারণে। রাজ্যের বাকি তিন আসনে অকাল ভোট হচ্ছে বিজেপির টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিন দলবদলু – কৃষ্ণ কল্যাণী, মুকুটমণি অধিকারী এবং বিশ্বজিৎ দাস, তাই। হিমাচল প্রদেশের দেহরা, হামিরপুর এবং নালাগড়ের তিন নির্দল বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। রুপৌলির জেডিইউ বিধায়ক বিমা দেবী আরজেডিতে যোগ দেওয়ায় নির্বাচন হচ্ছে সেখানেও।

    আর পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ার কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ প্রতাপ শাহ গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ায় সেখানেও হচ্ছে নির্বাচন। বদ্রীনাথের কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির। তাই সেখানে হচ্ছে উপনির্বাচন। মঙ্গলৌরে উপনির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের অকাল প্রয়াণে। বিক্রবন্দিতেও নির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের মৃত্যুর জেরে। আর জলন্ধর পশ্চিমে উপনির্বাচন হওয়ার কারণ আপ বিধায়ক শীতল অঙ্গুরল রিঙ্কু গেরুয়া খাতায় নাম লেখানোয় (By Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “লোকসভায় রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না”, এনডিএ-র বৈঠকে বললেন মোদি

    PM Modi: “লোকসভায় রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না”, এনডিএ-র বৈঠকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না।” মঙ্গলবার এনডিএ-র (NDA) পার্লামেন্টারি বৈঠকে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর এই প্রথম এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মোদি। সেখানেই লোকসভায় কী রকম আচরণ করতে হয়, নয়া সাংসদদের সেই বিষয়ে পরামর্শ দিতে গিয়ে রাহুলের প্রসঙ্গ টানেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির (PM Modi)

    একজন চা-বিক্রেতা কীভাবে পর পর তিনবার প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন, কীভাবেই বা তিনি ছুঁয়ে ফেললেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর রেকর্ড, এদিনের বৈঠকে সেই কাহিনিও শোনান নব নির্বাচিত এনডিএ সাংসদদের। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “বিরোধীপক্ষের সদস্যদের পূর্বপুরুষ (নিশানায় নেহরু-গান্ধী পরিবার) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাই তাঁরা নিজেদের বৃত্তের বাইরের লোকজনকে খুব একটা মান্যতা দেন না।”

    সাংসদদের কী পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “আপনারা সবাই পড়াশোনা করে এসে যে কোনও বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলুন, আলোচনায় অংশ নিন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সাংসদদের তাঁদের এলাকায় জনসাধারণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।” জনকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকার যেসব প্রকল্প চালু করেছে, সেগুলি সম্পর্কেও জনগণকে অবহিত করার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও না কোনও ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের পরামর্শও এনডিএ (NDA) সাংসদদের দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের পর সংসদের উভয় কক্ষে ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এরই মাঝে এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    বৈঠকের শেষে, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংসদদের অনেক পরামর্শ দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “পার্লামেন্টে রাহুল গান্ধীর ভাষা ঠিক ছিল না। তাই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সংসদে আমাদের এমন আচরণ করা উচিত নয়।” তিনি বলেন, “নিয়ম মেনে প্রত্যেক সাংসদকে হাউসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের কাজকে বেশি করে গুরুত্বও দিতে বলেছেন তিনি।”

    রিজিজু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্র দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের সেবা করতেই জনগণ নির্বাচন করেছেন সাংসদদের। তাই দলমত নির্বিশেষে দেশের কাজকেই তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত।” পরিবেশ, সমাজ, রাজনীতি – যাঁর যে বিষয়ে আগ্রহ, তাঁর সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মঙ্গলে এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কী বার্তা দেবেন?

    PM Modi: মঙ্গলে এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কী বার্তা দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর নেতৃত্বে তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসেছে এনডিএ (NDA)। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন তিনি (PM Modi)। তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদিকে সর্বসম্মত নেতা ঘোষণা করেছিল এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এহেন এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠকে বক্তৃতা দিতে পারেন তিনি। এই মিটিং হওয়ার কথা মঙ্গলবার।

    এনডিএ-র সাংসদদের বৈঠক

    তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর এটাই হবে এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক। তৃতীয়বারের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি প্রথমে বৈঠক করেছেন প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে। পরে বৈঠক করেছেন বিভিন্ন মন্ত্রকের আমলা ও শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে। এবার তিনি যোগ দিতে (PM Modi) চলেছেন এনডিএর সংসদীয় দলের বৈঠকে। সূত্রের খবর, বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়েছেন এমন সব সাংসদ এবং এনডিএতে রয়েছে যেসব দল, সেই পার্টগুলির সাংসদদের মঙ্গলবারের বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকে এনডিএর ২৯৩ জন সাংসদই যোগ দেবেন।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে এনডিএ

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে ভোট হয়েছে ৫৪৩টি আসনে। এর মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। এনডিএর শরিক দলগুলির ঝুলিতে গিয়েছে ৫৩টি আসন। তাই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে এনডিএ। সেই কারণেই সরকার গড়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। যে সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে প্রথমবার কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। উনিশের লোকসভা নির্বাচনেও দেশ শাসন করেছে মোদি সরকার। হ্যাটট্রিক করে তৃতীয়বারও ক্ষমতায় এসেছে মোদির নেতৃত্বে এনডিএ (NDA) সরকার। যার জেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছুঁয়ে ফেলেছেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড।

    আর পড়ুন: বদলাল ধর্ষণের সংজ্ঞা, বাড়ল সাজার মেয়াদ, নয়া আইনে মৃত্যুদণ্ড কোন অপরাধে?

    চলছে অষ্টাদশ লোকসভার বিশেষ অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দুদিন হয়েছে সাংসদদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তার পরের দিন সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রথা মেনে তাঁর ভাষণের ওপর হবে মোশন অফ থ্যাংকস। এই আবহেই এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যসভা ও লোকসভা দুই সভায়ই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভাষণ দিতে পারেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে জল্পনা সত্যি করে এবারের লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত হলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মঙ্গলবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে একথা জানালেন সি বেণুগোপাল। এদিন নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৯ সালে পরপর দুবার লোকসভা ভোটে ন্যূনতম ১০ শতাংশ আসনও কংগ্রেসের অধরা ছিল। ফলে লোকসভার বিরোধী দলের মর্যাদা পায়নি কংগ্রেস। তবে এবারের ছবিটা উল্টো। 

    লোকসভায় একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ কংগ্রেসের 

    ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেস একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। ইন্ডি জোটে যে সব দল রয়েছে তাদের মধ্যে কংগ্রেসই সর্বাধিক আসনে জিতেছে। স্বাভাবিকভাবেই বিরোধী শিবিরে এবার তাদের জোরও বেশি হওয়ার কথা, এমনই বলছে রাজনৈতিক মহল। তাছাড়া লোকসভা বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক দলের ৫৫টির বেশি আসনে জয়লাভের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে রাহুলের (Rahul Gandhi) লোকসভা বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) পদে নিয়োগ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে কারণ হচ্ছে। কারণ, বুধবার লোকসভার স্পিকার পদে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই স্পিকার পদ নিতে বিস্তর প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গেছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের।  

    আরও পড়ুন: স্পিকার পদে ভোটাভুটি আজ, জয় নিশ্চিত বিড়লার, অতীতে তিনবার এই পদে নির্বাচন হয়েছে

    ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে রাহুল গান্ধীকেই (Rahul Gandhi) বিরোধী দলনেতার করার দাবি তুলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। এমনকী, এই মর্মে প্রস্তাবও পাস করা হয় দলের বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকে। এ প্রসঙ্গে বেনুগোপাল বলেছেন, “সিপিপি চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে একটি চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” এরপরে এদিন অধিবেশনের শেষদিকে রাহুলের নাম বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব। জানা গিয়েছে ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই রাহুলকে বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  
    প্রসঙ্গত, এবছর কেরলের ওয়ানাড থেকে ফের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। আবার সোনিয়া গান্ধীর ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলিতেও রেকর্ড  ৪ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার সদস্য দীনেশ প্রতাপ সিংকেও। পরে অবশ্য নিয়মাফিক ওয়ানাড কেন্দ্রটি ছেড়ে দিতে হয় তাঁকে। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনী কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala Lok Sabha Election: বাম দুর্গেও ফুটল পদ্ম, কেরল পদ্মময় হতে কত দেরি?

    Kerala Lok Sabha Election: বাম দুর্গেও ফুটল পদ্ম, কেরল পদ্মময় হতে কত দেরি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বার কেন্দ্রে সরকার গড়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ (Kerala Lok Sabha Election)। অষ্টাদশ লোকসভায় নির্বাচন হয়েছিল ৫৪৩টি আসনে। তার মধ্যে এনডিএর ঝুলিতে পড়েছে ২৯৩টি আসন। এর মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি কেন্দ্রের রাশ। অথচ এনডিএকে মাত দিতে কীই না করেছেন বিরোধীরা!

    মোদির রেকর্ড (Kerala Lok Sabha Election)

    পদ্ম বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল জোট বেঁধেছে। জোটের নাম ‘ইন্ডি’। তার পরেও বল্গাহীনভাবে এগিয়েছে এনডিএর জয়যাত্রা। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (Kerala Lok Sabha Election)। যে রেকর্ড ছিল কেবলমাত্র দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর। আজ পদ্ম পার্টি যে রেকর্ড গড়েছে, তা ছুঁতে পারেননি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও। কংগ্রেস তাঁকে সব চেয়ে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করত। মোদির এই সাফল্যকে অবশ্য ছোট করে দেখছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট পার্টিগুলি।

    বামদুর্গেও পদ্ম

    ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর এবার এই ২০২৪ সালের নির্বাচনে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে গেরুয়া পার্টি। সেটি হল বামদুর্গ বলে খ্যাত কেরলেও এবার ফুটেছে পদ্ম। আরব সাগরের তীরের এই রাজ্যে লোকসভা আসন রয়েছে ২০টি। এই আসনগুলির মধ্যে একটিতে এবার পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুরেশ গোপী। কেরলে দীর্ঘকাল যাবৎ বিজেপি- বিরোধী প্রচার চালিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট। তার পরেও সুরেশ পেয়েছেন চার লাখের কিছু বেশি ভোট। তিনি জয়ী হয়েছেন ৭৪ হাজার ভোটে। ত্রিশূর কেন্দ্রে জিতেছেন তিনি। তিনি পেয়েছেন ৩৭.৮ শতাংশ ভোট। ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন বাম প্রার্থী। কংগ্রেস পেয়েছে ৩০.১ শতাংশ ভোট। ২০০৪ সালে কেরলে জিতেছিলেন এনডিএ পার্টি। তখন কেরল কংগ্রেস ছিল এনডিএতে। তার পর এতদিন পরে রাজ্যে ফের ফুটল পদ্ম।

    আর পড়ুন: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    বামদুর্গ কেরলে ক্রমেই বাড়ছে বিজেপির ভোট। ত্রিশূরে যে কেবল বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, তাই নয়, থিরুভানন্তপুরমে দ্বিতীয় হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী। এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের শশী থারুরের বিরুদ্ধে লড়ে মাত্র ১৬ হাজার ৭৭ ভোটে হেরেছেন বিজেপির রাজীব চন্দ্রশেখর। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেরলে বিজেপি পেয়েছিল ১৫.৫৬ শতাংশ ভোট। পাঁচ বছর পরে এবার সেই ভোটের হার বেড়ে হয়েছে ১৯.২৪ শতাংশ। ভোট কমেছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্টের। লোকসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, কেরলের ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম হয়েছে বিজেপি। রাজ্যের আটটি কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গেরুয়া পার্টি।

    আরব সাগরের তীরের এই রাজ্য পদ্মময় হতে কী খুব বেশি দেরি আছে (Kerala Lok Sabha Election)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kiren Rijiju: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    Kiren Rijiju: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু মানে যে কেবল মুসলমান নন, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পার্সি, খ্রিস্টানরাও, তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই দেশবাসীকে সেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করা হয়েছে কিরেন রিজিজুকে (Kiren Rijiju)। ধর্মে বৌদ্ধ রিজিজুকে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করে এক ঢিলে একাধিক পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী। একদিকে যেমন মুসলমানদের বার্তা দিলেন, তেমনি অন্যদিকে বৌদ্ধ-সহ বাকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেও বার্তা দিলেন তিনি।

    সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতরে রিজিজু (Kiren Rijiju)

    ফেরা যাক খবরে। স্বাধীনতার পর থেকে এই জাতীয় কোনও দফতর ছিল না। ২০০৬ সালে প্রথম তৈরি হয় সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতর। তার পর থেকে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হতেন মুসলমান সম্প্রদায়ের কেউ (Kiren Rijiju)। মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে এই মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলাতেন মুখতার আব্বাস নাকভি। ব্যতিক্রম হল তৃতীয় টার্মে। এবার এই মন্ত্রকের দায়িত্বে বসানো হল রিজিজুকে। স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘদিন কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি!

    ২০০৬ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে এই মন্ত্রক তৈরি করা হয়। এই জমানায়ও সংখ্যলঘু বিষয়ক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের কেউ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়েই এই প্রথা চালু করেছিল কংগ্রেস। যার জেরে সংখ্যালঘু বলতে যে এদেশে মুসলমান ছাড়াও বৌদ্ধ, শিখ, পার্সি, জৈন, খ্রিস্টানদেরও বোঝায়, তা ভুলতে বসেছিলেন দেশবাসী। এহেন আবহে রিজিজুকে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করে মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের ভার যে মুসলমান ছাড়াও অন্যদের দেওয়া যেতে পারে, সেই সলতে পাকানোর কাজটি শুরু হয়েছিল ২০২২ সালেই। যখন স্মৃতি ইরানিকে এই দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন বার্লা। এর আগে রিজিজু ছিলেন আইনমন্ত্রী। এবার রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে সাহায্য করবেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের রাজনীতিবিদ কেরলের জর্জ কুরিয়েন।প্রসঙ্গত, ভারতে যে ক’টি সংখ্যলঘু সম্প্রদায় রয়েছে, তার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরাই। কাশ্মীরে অবশ্য তারাই সংখ্যাগুরু।

    ৯ জুন, রবিবার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। এদিনই শপথ নেন বাকি মন্ত্রীরাও। শপথ নেন বিজেপির অরুণাচলের সাংসদ রিজিজুও। ২০০৬ সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক তৈরি হওয়া ইস্তক এই প্রথম বসেছেন মুসলমান ছাড়া অন্য কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ (Kiren Rijiju)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share