Tag: NEET

NEET

  • PM Modi: যন্তর মন্তরে গালিগালাজ করা পড়ুয়াদের ক্ষমা করলেন প্রধানমন্ত্রী, শাস্তির বদলে ‘পথ দেখানোর’ বার্তা

    PM Modi: যন্তর মন্তরে গালিগালাজ করা পড়ুয়াদের ক্ষমা করলেন প্রধানমন্ত্রী, শাস্তির বদলে ‘পথ দেখানোর’ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ওঠা (PM Modi) পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত (Bharat) এক ভিডিয়ো বার্তায় তিনি জানান, ভুলের জন্য পড়ুয়াদের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে ঠেলে না দিয়ে তাঁদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। শাস্তির পরিবর্তে তাঁদের সঠিক পথ দেখানোর জন্য সমাজের কাছে আবেদন জানান তিনি।

    অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী জানান, যন্তর মন্তরের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েকজন পড়ুয়া অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। তাঁকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে উদ্দেশ্য করে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছিল, তা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যন্তর মন্তরে যা ঘটেছে… দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কিছু পড়ুয়া অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করেছে। তারা আমাকে গালিগালাজ করেছে, এমনকি আমার প্রয়াত মাকেও গালিগালাজ করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল।” তবে একই সঙ্গে পড়ুয়াদের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। তাঁর কথায়, “শিশুরা ভুল করে। আর শৈশব এমন একটি সময়, যখন তাদের সেই ভুল সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত।”

    ‘শাস্তি নয়, পথ দেখান’

    অভিযুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা আমাকে গালিগালাজ করেছে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিতে চাই। আমার এই সিদ্ধান্ত সমাজ মেনে নিক—এটাই আমার আবেদন।” নিজের বক্তব্য বোঝাতে একটি উদাহরণও দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কখনও কখনও আমরা নিজের দাঁত দিয়ে অসাবধানতাবশত নিজের জিভ কামড়ে ফেলি এবং রক্ত বের হয়। কিন্তু আমরা দাঁত ভেঙে ফেলি না। কারণ দাঁত এবং জিভ—দু’টিই আমাদের নিজের।” অভিযুক্ত পড়ুয়াদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাঁদের আপন করে নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “তারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছিল। তাদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব। তাদের শাস্তি দেওয়া, আদালতের চক্করে ঘোরানো বা সামাজিকভাবে হেনস্থা করা—কোনও কিছুতেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।”

    জিরো এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্যেই ঘটনাটি ঘিরে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টিও সামনে এসেছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে নয়ডার এক মহিলার বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (PM Modi)। গাজিয়াবাদের এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে “অশালীন ও আপত্তিকর” ভাষা ব্যবহার করেছেন। এর ফলে জনমনে বিরোধ তৈরি করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্য ছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২ নম্বর ধারা—শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান, ৩৫৩(১) নম্বর ধারা—জনমনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এমন বক্তব্য এবং ৩৫৬(১) নম্বর ধারা—মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের জন্য মামলাটি সংসদ মার্গ থানায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। অভিযোগের ঘটনাস্থল যে থানার আওতায়ই পড়ুক না কেন, দেশের যে কোনও থানায় জিরো এফআইআর দায়ের করা যায়। পরে সেটি সংশ্লিষ্ট এলাকার এক্তিয়ারভুক্ত থানায় তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করে মামলাটি সংসদ মার্গ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ‘ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ো’

    পড়ুয়াদের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দেশের অগ্রগতির সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, “আসুন, দেশের জন্য আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাই। নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিই এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলি (Bharat)। ভারত দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আমি চাই, আপনাদের প্রত্যেকেও একইভাবে এগিয়ে যান।”  ভিডিয়োর শেষে তিনি বলেন, “গালিগালাজ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান করে না। যারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে, তাদের সঠিক পথ দেখাই। একসঙ্গে কাজ করি। ভারতের জন্য কাজ করি।”

    নিট বিক্ষোভের অবসান

    দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলা বিক্ষোভ ২৫ জুলাই শেষ হয়। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা এই আন্দোলনে হাজার হাজার পড়ুয়া অংশ নেন। উদ্ভাবক-সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও ২৬ দিনের অনশনের সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদেই এই আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল (PM Modi)। আন্দোলনের সময় পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার বিক্ষোভকারীদের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিও পালন করা হয়েছিল। পরে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো-সহ একাধিক (Bharat) গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে কেন্দ্র সরকার সম্মতি জানালে আন্দোলন প্রত্যাহার করে (PM Modi) নেয় ককরোচ জনতা পার্টি।

     

  • Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের (NEET Protest) প্রতিবাদে কলকাতার মিছিলে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি-সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের (Sreelekha Mitra) বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। বিধাননগর সাইবার থানা ও আনন্দপুর থানার পর সোমবার আরও তিন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরুলিয়া সদর থানা, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এবং মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ঠাকুরপুকুর থানায়ও।

    একের পর এক থানায় দায়ের এফআইআর (Sreelekha Mitra)

    পুরুলিয়া সদর থানায় জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলার নেতারাও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এর আগে রবিবার আনন্দপুর ও বিধাননগর সাইবার থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে এই ঘটনায় আদালতেরও দ্বারস্থ হবেন। মুখ্যমন্ত্রীর “জিরো টলারেন্স” নীতির প্রসঙ্গ টেনে কেয়া বলেন, “দরকার হলে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব।” শুক্রবার কলকাতায় নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন শ্রীলেখা। অভিযোগ, সেই মিছিলে তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক কুরুচিকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় এবং একের পর এক থানায় অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে।

    শ্রীলেখার বক্তব্য

    যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রীলেখা। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির ফল। তাঁর কথায়, “রাজনৈতিকভাবে আমি বিজেপির বিরোধিতা করলেও, প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার অভিযোগ ঠিক নয়।” অভিনেত্রীর দাবি, তিনি সেদিন শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়েছিলেন (Sreelekha Mitra)। ভিড়ের মধ্যে তাড়াহুড়োয় একটি পোস্টার হাতে তুলে নিতে হয়েছিল। তিনি আরও জানান, সেদিন চশমা সঙ্গে নিতে ভুলে গিয়েছিলেন। তাঁর কাছে শুধু সানগ্লাস ছিল। তাই পোস্টারে কী লেখা বা কী ছবি ছিল, তা ঠিকঠাক দেখতে পারেননি। শ্রীলেখাকে ঘিরে বিতর্ক এই প্রথম নয়। অতীতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি চর্চায় এসেছেন। তবে (NEET Protest) বর্তমান ঘটনায় একাধিক জেলায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের (Sreelekha Mitra)।

     

  • Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নফাঁস রুখে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেছেন। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং আধার প্রকল্পের অন্যতম রূপকার নন্দন নিলেকানিকে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সরকার ইতিমধ্যেই ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ করেছে। তবে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থাকেই আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা ফেরানো যায়।

    নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের রূপরেখা

    ১৯৫৫ সালের ২ জুন কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে জন্ম নন্দন নিলেকানির। পরিবারের আদি বাড়ি কর্নাটকের সিরসিতে। বেঙ্গালুরুর বিশপ কটন বয়েজ স্কুল এবং ধারওয়াড়ের সেন্ট জোসেফস্ হাই স্কুলে পড়াশোনার পর তিনি আইআইটি বম্বে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক সম্পন্ন করেন। ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিলেকানি আধার ডিজিটাল পরিচয় প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি হিসেবে পরিচিত। এবার তাঁর নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স পরীক্ষা ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল যাচাই এবং ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার সুপারিশ করবে।

    মহাকাশ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা নিয়ে এস সোমনাথ

    ১৯৬৩ সালে কেরলের আলাপ্পুঝা জেলার থুরাভুরে জন্ম এস সোমনাথের। তিনি কোল্লামের টিকেএম কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক এবং বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি) থেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এম.টেক সম্পন্ন করেন। পরে আইআইটি মাদ্রাজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইসরোর চেয়ারম্যান ও মহাকাশ দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞ এই মহাকাশ বিজ্ঞানী বৃহৎ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা ও জটিল প্রকল্প পরিচালনায় বিশেষ দক্ষ।

    নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করবেন তপন কুমার ডেকা

    অসমের বরপেটা জেলার সারথেবাড়িতে ১৯৬৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম তপন কুমার ডেকার। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের এই আইপিএস অফিসার ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) ডিরেক্টর ছিলেন। সন্ত্রাসবাদ দমন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার তদন্ত, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা অভিযানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

    আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটির প্রযুক্তিগত পরামর্শ

    চেন্নাইয়ে ১৯৬৮ সালে জন্ম ভি কামাকোটির। তিনি শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিই এবং আইআইটি মাদ্রাজ থেকে এমএস (রিসার্চ) ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। ২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। কম্পিউটার আর্কিটেকচার, তথ্য নিরাপত্তা এবং ভিএলএসআই ডিজাইনের বিশেষজ্ঞ কামাকোটি জাতীয় স্তরের মাইক্রোপ্রসেসর উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের গঠিত এআই টাস্ক ফোর্সেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

    শিক্ষা নীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে অনিতা কারওয়াল

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে ১৯৮৮ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন অনিতা কারওয়াল। গুজরাত ক্যাডারের এই আইএএস অফিসারের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ৩৬ বছরেরও বেশি। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি সিবিএসই-র চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতরের সচিব হিসেবে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে অমৃত লাল মীনা

    ১৯৬৫ সালে রাজস্থানে জন্ম অমৃত লাল মীনার। ১৯৮৯ ব্যাচের বিহার ক্যাডারের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিহারে প্রায় ২৫ বছর এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২৪-২৫ সালে বিহারের মুখ্যসচিব এবং ২০২২-২৪ সালে কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সচিব ছিলেন। প্রশাসন, সমন্বয় এবং বৃহৎ পরিসরের লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর অভিজ্ঞতা পরীক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগবে।

    কী করবে এই টাস্ক ফোর্স?

    কেন্দ্রের গঠিত এই বহুমুখী বিশেষজ্ঞ কমিটি দেশের সরকারি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করবে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, পরীক্ষা পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ করার সুপারিশ করবে এই টাস্ক ফোর্স। একই সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-র কাঠামোগত সংস্কার এবং ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর স্থায়ী সমাধানের রূপরেখাও তৈরি করবে কমিটি। কেন্দ্রের দাবি, এই টাস্ক ফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে দেশের উচ্চঝুঁকির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে একাধিক সংস্কার কার্যকর করা হবে।

  • BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ (Student Protest) শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্তত এমনই দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (BJP)। তাঁর বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই তখন ইস্তফা দেননি প্রধান। পরে দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করেন।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি (BJP)

    শনিবার ইন্দোরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়বর্গীয় বলেন, “ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়েছিলেন, যদি দলের মনে হয় তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত।” বিজয়বর্গীয়র দাবি, সেই সময় বিজেপি সভাপতি প্রধানকে ইস্তফা দিতে বারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করাই ভালো। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর দাবি, পরে যখন দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়া উচিত, তখন তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে পদত্যাগ করেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

    “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে

    একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে সেই সব “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে, যারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে চেয়েছিল। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে, যারা হিংসা ছড়িয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।” শনিবার নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং (BJP) নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    দায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে। বর্তমানে তিনি ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বের পাশাপাশি ওই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। নিট বিতর্কের পর পরীক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক সংস্কার কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন জোশী। দায়িত্ব নিয়ে জোশী বলেন, “আমি কর্তব্যবোধ এবং বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। গত চার থেকে (Student Protest) পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করব (BJP)।”

     

  • Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেই কারণে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান, বিজেপির কাছে কোনও পদ নয়, দেশ, যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বাগ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে শাহ লেখেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের কাছে দেশ, আমাদের যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যে কোনও পদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই আদর্শেরই প্রতিফলন।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা (Amit Shah)

    তিনি আরও বলেন, “মোদি সরকার দেশের যুবসমাজের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত, এই পদক্ষেপ নিট পরীক্ষায় সফল সমস্ত পড়ুয়ার জন্য পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।” শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন শাহ। তাঁর কথায়, “জাতীয় শিক্ষানীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী বিদ্যালয়গুলির সম্প্রসারণ, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে ধর্মেন্দ্র প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছেন। উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প বাস্তবায়নে তাঁর মেয়াদ স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Amit Shah)।”

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর “মন ভারাক্রান্ত”। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় আমার মন ভারাক্রান্ত। জনজীবনে অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু দেশ গঠনে তাঁর অবদান বহু প্রজন্ম মনে রাখবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছেন, যা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্তিশালী করে, বহুমাত্রিক শিক্ষাকে উৎসাহ দেয় এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষতায় দেশের যুবসমাজকে গড়ে তোলে। তাঁর লক্ষ্য শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়, ভারতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি করা।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে (Dharmendra Pradhan) এবং পরীক্ষায় অনিয়ম নিয়ে চলা আন্দোলনকে যাতে “দেশবিরোধী শক্তি” কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন (Amit Shah)।

     

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • PM On NEET: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে মধ্যরাতে ভিডিয়ো বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির, সরানো হল কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে

    PM On NEET: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে মধ্যরাতে ভিডিয়ো বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির, সরানো হল কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে (PM On NEET) কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আজ, শুক্রবারই ঘোষণা করা হবে সেই কথা। মধ্যরাতে একটি ভিডিয়ো বার্তায় তা জানালেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঘোষণা করা হবে।” তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার (ফাস্ট-ট্র্যাক) আদালত গঠন এবং আরও কঠোর শাস্তির বিধান থাকা একটি খসড়া আইন নিয়ে শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে। চলতি বাদল অধিবেশনেই যত দ্রুত সম্ভব সংসদে এই আইনটি পাস করাতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা প্রায় তিন মিনিটের একটি ভিডিয়ো বার্তায় মোদি বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের গভীর কষ্ট দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এও জানিয়েছেন, সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার ছিল যাতে কোনও শিক্ষার্থীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়। তিনি বলেন, “অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। ১৯ জুলাই, ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের খবর আসছে।” ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

    সরানো হল শিক্ষা সচিবকে

    নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিক্ষোভের মাঝেই বড় পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শিক্ষা সচিব পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় নয়া শিক্ষা সচিব (Education Secretary) হয়েছেন নরেশ গাঙ্গোয়ার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ২০২৫-এর জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব পদে দায়িত্ব নেন বিনীত যোশী। তাঁকে শিক্ষা দফতর থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে। অন্যদিকে, স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিব হলেন টি কে অনিল কুমার। গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন তিনি। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জেরেই শিক্ষা সচিবকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যাঁরা প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।”

  • Sonam Wangchuk Breaks Fast: কেন্দ্রের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক, দ্রুত সুস্থতা কামনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Sonam Wangchuk Breaks Fast: কেন্দ্রের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক, দ্রুত সুস্থতা কামনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস মিলতেই ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। গুরগাঁওয়ের মেদন্ত হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং-এর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি। ছবিতে দেখা যায়, অনশন প্রত্যাহারের সময় ওয়াংচুকের দিকে জলের গ্লাস বাড়িয়ে দিচ্ছেন জেপি নাড্ডা, তাঁকে উঠে বসতে সাহায্য করছেন জিতেন্দ্র সিং। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে সরকারের সঙ্গে তাঁর শর্তগুলির কথা জানিয়েছেন ওয়াংচুক।

    মূলত তিনটি আশ্বাসেই অনশন প্রত্যাহার

    ওয়াংচুক জানিয়েছেন, কেন্দ্রের তরফে মূলত তিনটি আশ্বাস পাওয়ার পরেই তিনি অনশন প্রত্যাহার করলেন। ওয়াংচুক বলেছেন, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দেওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা রুজু হবে না বলে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে শামিল হওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না-করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ওই ভিডিয়োবার্তায় ওয়াংচুক জানিয়েছেন, দেশে পরীক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির দিকগুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা করবে সরকার এবং দেশের বিরোধী দলগুলি। এই বিষয়েও কেন্দ্রের তরফে লিখিত আশ্বাস মিলেছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি কেন্দ্র জানিয়েছে, নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর যে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে ‘পর্যাপ্ত’ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি ‘ইতিবাচক ভাবে বিবেচনা’ করে দেখছে কেন্দ্র।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করার পরেই সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সোনমজিকে আমার অনুরোধ, আপনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলুন। দৈনন্দিন কাজে ফিরুন।” টানা অনশনে ক্রমশ ওজন কমে যাওয়া ওয়াংচুক দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলেও আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২৮ জুন থেকে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ও শিক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙার পর এক্স মাধ্যমে ওয়াংচুক লেখেন, “জেপি নাড্ডা, জিতেন্দ্র সিংহ ও লে লাদাখ অ্যাপেক্স বডির শীর্ষকর্তাদের উপস্থিতিতে আমি অনশন ভঙ্গ করলাম।” তিনি আরও জানান হাসপাতালে থাকাকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৫ জন সংসদ তাকে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন। ওয়াংচুক উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘ আলোচনার পর, হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কোথাও যাতে কোনওভাবে হিংসা ছড়িয়ে না পড়ে, এই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন এক্স মাধ্যমে।

  • PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের লাইব্রেরি ভবনের জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে (NDA Parliamentary Party Meet) তিনি বলেন, ‘‘দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অযথা রাজনীতি না করারও আহ্বান জানান তিনি।

    ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার বার্তা

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নিট বিতর্কের কারণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রিজিজু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি নিট ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারের লক্ষ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং ছাত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।’’

    কেন ডাকা হয়েছিল ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক?

    এদিনের ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan) বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো। সম্প্রতি তিনি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। পাশাপাশি সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্যদেরও স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, জি. কিষাণ রেড্ডি এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি মোদির এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্বীকৃতি জানিয়ে একটি অভিনন্দন প্রস্তাবও গ্রহণ করে।

    প্রথম বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত অশোক মিত্তল

    প্রথমবার এনডিএ–বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ অশোক মিত্তল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলের নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার সুযোগ পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান বলে মনে করছেন। তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায় এবং একজন সাংসদ হিসেবে নিজের দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    এনডিএ বৈঠকে অনুপস্থিত এনসিপিআই

    অন্যদিকে, সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ২০ জন সাংসদ এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে গঠিত এই দলটি বর্তমানে এনডিএ-কে সমর্থন করছে। তবে লোকসভার স্পিকার এখনও পর্যন্ত এনসিপিআই-এর একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় তারা যৌথ বৈঠক থেকে দূরে থাকে। এর আগে রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এনসিপিআই তাদের প্রথম পৃথক সংসদীয় দলের বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সংসদে দলের বসার ব্যবস্থা, ডিভিশন নম্বর এবং পৃথক আইনসভার ব্লক অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সংসদে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের সমস্যা নিয়ে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছেই বিষয়গুলি তুলবেন।

    ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন অধিবেশন

    উল্লেখ্য, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অধিবেশনে নিট বিতর্ক-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Tribal Students: জনজাতি পড়ুয়াদের জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, কেরিয়ার তৈরিতে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ

    Tribal Students: জনজাতি পড়ুয়াদের জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, কেরিয়ার তৈরিতে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের (Tribal Students) জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রীয় আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রক অধীনস্থ সংস্থা ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস (NESTS), টাটা মোটরস লিমিটেড এবং ইউনিসেফ-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, দেশের একলব্য মডেল রেসিডেনশিয়াল স্কুলে পাঠরত প্রায় ১,৩৮,০০০ জন আদিবাসী ছাত্রছাত্রী উচ্চশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ পাবে।

    কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং দেওয়া হবে (Tribal Students)

    ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস একটি স্বশাসিত সংস্থা, যা আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে। এই সংস্থার আওতায় পরিচালিত হয় একলব্য মডেল রেসিডেনশিয়াল স্কুলসমূহ। জানা গেছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের জন্য NEET এবং JEE-এর মতো সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি, তাদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং দেওয়া হবে (Tribal Students)।

    চুক্তিটি ২০২৫ সালের ৯ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়েছে (Tribal Students)

    এই চুক্তিটি ২০২৫ সালের ৯ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি আগামী পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে। এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা—ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস (NESTS), টাটা মোটরস লিমিটেড, এবং এক্স-নবোদয়ান ফাউন্ডেশন একত্রে অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার লক্ষ্য হল, আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য টেকসই ও পেশাগত উন্নয়নের পথ তৈরি করা।

    এই প্রকল্পের ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেকেই উপকৃত হবেন

    এই চুক্তির মাধ্যমে আদিবাসী সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, যেমন মেডিক্যাল (NEET), ইঞ্জিনিয়ারিং (JEE) ও অন্যান্য পেশাদার কোর্সে ভর্তির জন্য নিখরচায় কোচিং-এর সুযোগও প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের কর্মজীবনে প্রবেশের আগে প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষাগত সচেতনতা, আত্মবিশ্বাস এবং আগামীর জন্য প্রস্তুতির একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে থাকা এই সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীরা (Tribal Students) এর মাধ্যমে মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। এই প্রকল্পের ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এমন অনেক পড়ুয়া উপকৃত হবেন, যাঁরা ভৌগোলিক বা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উন্নত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। এই চুক্তি শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয় বরং একটি বৃহৎ সামাজিক পরিবর্তনের সূচনা, যা ভবিষ্যতে আদিবাসী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখনও পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশের চিন্তাপল্লি এবং মহারাষ্ট্রের চানকপুরে দুটি কোচিং কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও এই কোচিং অনলাইনের মাধ্যমেও প্রদান করা হবে, যাতে দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে (Industry)।

LinkedIn
Share