Tag: Nepal Plane Crash

Nepal Plane Crash

  • Nepal Plane Crash: ১৯ যাত্রী নিয়ে কাঠমান্ডুতে ভেঙে পড়ল বিমান, ১৮ জনের মৃত্যু, বেঁচে একমাত্র পাইলট

    Nepal Plane Crash: ১৯ যাত্রী নিয়ে কাঠমান্ডুতে ভেঙে পড়ল বিমান, ১৮ জনের মৃত্যু, বেঁচে একমাত্র পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে নেপালে (Nepal Plane Crash)। বুধবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সূর্য এয়ারলাইনসের একটি বিমান, ‘টেক অফ’-এর কিছু সময় পরেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। মোট ১৯ জন যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বিমানটি। এরপর আগুন ধরে যায় ক্রু। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা বিমান। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসে বিমান বন্দরের কর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীর কর্মীরা। এরপর শুরু হয় উদ্ধার কাজ, আপাতত বন্ধ করা হয়েছে বিমান পরিষেবা।

    সকাল ১১টার সময় ঘটনা ঘটেছে (Nepal Plane Crash)!

    ঘটনা যখন ঘটেছিল, সেই সময় নেপালের (Nepal Plane Crash) আবহাওয়া খারাপ ছিল। ‘টেক অফ’-এর একটু পরেই আগুন ধরে যায় এই যাত্রীবাহী বিমানটিতে। সূত্রে জানা গিয়েছে, রানওয়ে থেকে পিছলে গিয়েছিল চাকা। সকাল ১১টার সময় এই ঘটনা ঘটেছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়,  রানওয়ে ছাড়তেই বিমানটি বাঁক নিয়ে আছড়ে পড়ল পাহাড়ি এলাকায়। তার পরই একটা বিস্ফোরণ হয়। দু’টুকরো হয়ে যায় বিমানটি। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সাউথ এশিয়া টাইমের সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ জন যাত্রীর এবং ক্রু সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। একমাত্র বিমান চালককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে পাইলটের অবস্থাও সঙ্কটজনক। তাঁকে শিনামঙ্গলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।” 

    আরও পড়ুনঃ প্যারিস অলিম্পিক্সে পর্যটকের সংখ্যা কমের আশঙ্কা! হোটেল ভাড়া ক্রমশ নিম্নমুখী

    আগেও হয়েছে নেপালে বিমান দুর্ঘটনা

    ২০১০ সাল থেকেই নেপালে (Nepal Plane Crash) একেরপর এক বড় বিমান দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। গত ১৪ বছরে অন্তত ১২টি এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এবার আরও একটি ঘটল। এই বছরের জানুয়ারি মাসে ইয়েতি এয়ারলাইনসের একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। আগুন ধরে পোখরায় পড়ে গিয়েছিল বিমানটি। ওই বিমানে মোট ৭২ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সকলেই প্রাণ হারিয়েছিলেন। বার বার কেন এই রকম বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal Plane Crash: বাবাকে দেওয়া কথা রাখতে পারলেন না মেয়ে! কী বলেছিলেন বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ওশিন?

    Nepal Plane Crash: বাবাকে দেওয়া কথা রাখতে পারলেন না মেয়ে! কী বলেছিলেন বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ওশিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার নেপালের পোখরা বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে ভেঙে পরে নেপালের ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমান। সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে ভারতীয় যুবক সোনুর ফেসবুক লাইফ থেকে। সেদিন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ওই বিমানে ছিলেন বিমান সেবিকা ওশিন আলে মাগার। সেদিন ২৪ বছরের এই তরুণীও প্রাণ হারিয়েছেন ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। জানা গিয়েছে, তাঁকে ওইদিন তাঁর বাবা বলেছিলেন, সেদিনের মত কাজে না গিয়ে বাড়ির উৎসবে অংশ নিতে। কিন্তু ওশিন বলেছিলেন, ফ্লাইটটি শেষ করেই তিনি ফিরে আসবেন। কিন্তু বাবাকে দেওয়া কথা রাখতে পারলেন না তিনি।

    মেয়েকে সেদিন আটকাতে না পেরে আক্ষেপ বাবার

    রবিবার ছিল মাঘে সংক্রান্তি উৎসব। মকর সংক্রান্তির দিনটিকে এই নামেই উদযাপন করেন নেপালের মানুষ। উৎসবের দিনে মেয়েকে কাজে যেতে নিষেধ করেছিলেন ওশিনের বাবা মোহন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মোহন আলে মাগার। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, রবিবার তাঁর কেমন যেন মনে হয়েছিল। তাই তিনি তাঁর মেয়ে ওশিনকে খুব সকালে বলেছিলেন, কাজে যাওয়ার দরকার নেই। বরং সে যেন বাড়ির অনুষ্ঠানে আসে। কিন্তু ওশিন বলেছিলেন, দুটি ফ্লাইট শেষ করেই তিনি উৎসবে যোগ দেবেন। বাবার কথা না রাখতে পারলেও বাবাকে ওশিন কথা দিয়েছিলেন, তিনি ফিরে এসে মাঘে সংক্রান্তি উদযাপন করবেন। কিন্তু নিয়তি তা হতে দিল না।

    ওশিনের বাবা আরও জানিয়েছেন, বাড়িতে যখন উৎসবের আয়োজন চলছিল, ঠিক সেই সময় এই বিমান দুর্ঘটনার খবর পান তাঁরা। ফলে সেদিন তাঁর মেয়েকে আটকাতে না পারার আক্ষেপ তো রয়েছেই, সঙ্গে মেয়েকে হারিয়ে শোকে আকুল তিনি। ওশিনের বাবা-মায়ের শুধু মনে হচ্ছে, সেদিন ছুটি নিলে তাঁদের মেয়ে আজ বেঁচে থাকত।

    মৃত্যুর আগের টিকটক ভিডিও ভাইরাল

    প্রকাশ্যে এসেছে বিমানসেবিকা ওশিনের টিকটক ভিডিও। গতকাল থেকেই তাঁর মৃত্যুর আগে করা ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। সেদিন বিমানযাত্রা শুরুর আগেই বিমানের ভিতর থেকে ভিডিও বানিয়ে নিজেকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে হাসিমুখে ভিডিও করতে দেখা যায়। ভিডিওটি পোস্টও করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ভিডিওই এখন নেটপাড়ায় ভাইরাল, যা দেখে চোখে জল নেটিজেনদের।

    চিতওয়ানের মাদির বাসিন্দা তাঁরা। ওশিন কাঠমাণ্ডুতে থেকে পড়াশোনা করেছেন। নেপালের অক্সফোর্ড কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন তিনি। তাঁর উচ্চশিক্ষা ভারতে। স্নাতক হয়ে সাহারা এয়ার হোস্টেস অ্যাকাডেমি থেকে পাশ করেন। দু’বছর হল বিয়ে হয়েছে ওশিনের। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে ব্রিটেনে থাকেন। দুই বোন এবং এক ভাই আছে ওশিনের। মোহন জানিয়েছেন, মেয়ের অনেক স্বপ্ন ছিল। কেরিয়ারে অনেক এগিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ওশিন। সব শেষ হয়ে গেল। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভেঙে পড়েছে ওশিনের পরিবার। তাঁর বাবা এবং মা গিয়ে মেয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করে এসেছেন।

  • Nepal Plane Crash: মানত করে পুত্রলাভ! পশুপতিনাথে পুজো দিতে গিয়ে আর ফেরা হল না উত্তরপ্রদেশের সোনুর

    Nepal Plane Crash: মানত করে পুত্রলাভ! পশুপতিনাথে পুজো দিতে গিয়ে আর ফেরা হল না উত্তরপ্রদেশের সোনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের পোখরা বিমানবন্দরে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান পাঁচ ভারতীয় যুবক। এই পাঁচ ভারতীয় যুবকের মধ্যে একজন ছিলেন গাজিপুরের সোনু জয়সওয়াল, যিনি এই দুর্ঘটনা ঘটার আগে ভিডিও করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল তিন বন্ধুও। তবে জানেন কি সোনু কেন গিয়েছিলেন নেপাল? এবার তাঁর নেপাল যাওয়ার পিছনের কারণও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, সোনু ও তাঁর তিন বন্ধু কাঠমাণ্ডুর পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। ছেলে হলে পুজো দেবেন। নেপালের পশুপতিনাথ মন্দিরে এমনই মানসিক করে এসেছিলেন উত্তর প্রদেশের গাজিপুরের বাসিন্দা সোনু জয়সওয়াল। কিন্তু তাঁর আর বাড়ি ফেরা হল না।

    পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন সোনু

    উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলার চক জিনাব গ্রামের বাসিন্দা সোনু। একটি মদের দোকান চালাতেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও তিন বন্ধু নেপালে গিয়েছিলেন। চক জিনাব গ্রামের প্রধান বিজয় জয়সওয়াল জানান, সম্প্রতি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সোনুর স্ত্রী। ৬ মাস আগে তাঁর কোল আলো করে এসেছে পুত্র। সোনুর দুই মেয়ে ছিল। তৃতীয় বার পুত্র সন্তান কামনা করেছিলেন। মানসিক ছিল, পুত্র সন্তান ঘরে এলে পশুপতিনাথের মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে আসবেন। সেই মতই বন্ধুদের সঙ্গে পাড়ি দিয়েছিলেন হিমালয়ের উদ্দেশে।

    আরও পড়ুন: দুর্ঘটনার মুহূর্তে ফেসবুক লাইভ করছিলেন এক ভারতীয় যাত্রী! দেখুন সেই ভিডিও

    গত ১০ জানুয়ারি নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সোনুরা। মঙ্গলবারই ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নিয়তি তাঁর জন্য অন্য কিছু লিখেছিল, জানান গ্রামপ্রধান। তাঁর কথায়, “সোনুদের অন্য একটি বাড়ি আছে। ওর স্ত্রী এবং সন্তানেরা সেখানেই রয়েছেন। তাঁদের এখনও এই দুর্ঘটনার কথা জানানো হয়নি।”

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, সোনু ও তাঁর বন্ধুদের পোখরা ঘুরতে যাওয়ারও পরিকল্পনা ছিল। পোখরার টুরিস্ট হাবে প্যারাগ্লাইডিং করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তাঁরা। দক্ষিণ নেপালের এক বাসিন্দা অজয় কুমার শাহ জানিয়েছেন, পোখরা পর্যটন সমৃদ্ধ জায়গা। চারজনই সেখানে প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্য যাচ্ছিলেন। পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছে তাঁরা ছিলেন। তারপর তাঁরা পোখরার জন্য বেরিয়ে যান। পোখরা থেকে গোরক্ষপুর হয়ে তাঁদের ভারতে ফেরার কথা ছিল। প্রসঙ্গত, সোনুর সঙ্গে আরও যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হলেন অভিষেক কুশওয়াহা, বিশাল শর্মা এবং অনিল কুমার রাজভর। সোনুরা চার জন ছাড়া পঞ্চম ব্যক্তিকে সঞ্জয় জয়সওয়াল নামে শনাক্ত করা গিয়েছে।  

  • Nepal Plane Crash: দুর্ঘটনার মুহূর্তে ফেসবুক লাইভ করছিলেন এক ভারতীয় যাত্রী! দেখুন সেই ভিডিও

    Nepal Plane Crash: দুর্ঘটনার মুহূর্তে ফেসবুক লাইভ করছিলেন এক ভারতীয় যাত্রী! দেখুন সেই ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুর আগেও এক যাত্রী ভিডিও করে গেলেন, আর সেই ভয়াবহ দৃশ্যই দেখতে পেল গোটা বিশ্ব। বিমানের ভিতরে থাকা সহযাত্রীদের শেষ মুহূর্ত ক্যামেরিবন্দি করেছেন এক জন যাত্রী।  নেপালের বিমান দুর্ঘটনার সেই চাঞ্চল্যকর মুহূর্তই সামনে এল এবার। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে হাসি মুখে এক ভারতীয় যাত্রী ফেসবুক লাইফ করছিলেন। কিন্তু পরক্ষণেই সেই দৃশ্য বদলে গেল কান্না-চিৎকারে। ভিডিওতে মনে হয়েছে, হঠাৎ এক ঝাঁকুনিতে সেই ফোনটি পড়ে যায় ও শেষ মুহূর্তে দেখা যায় ভয়াবহ আগুন। 

    বিমান ভেঙে পড়ার কিছু ভিডিও মাটি থেকেও নেওয়া হয়েছিল। সেই ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে বিমান আকাশেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল। তারপরই মুহূর্তের মধ্যে আছড়ে পড়ে মাটিতে। বিকট আওয়াজ করে মাটিতে আছড়ে পড়ে এটি। সেই ক্লিপে দেখা যায় কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে বিমান। এর পর আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভেঙে পড়া ফ্লাইটটি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, আর দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। 

    মৃত্যুর আগের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি!

    গতকাল, রবিবার সকাল ১০টা ৩২ মিনিটে কাঠমাণ্ডু থেকে ৬৮ জন যাত্রী নিয়ে পোখরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি। বিমানে ৪ জন বিমানকর্মীও ছিলেন। রবিবার সকালে পোখরা বিমানবন্দরে নামার ঠিক আগেই ৭২ জনকে নিয়েই মাটিতে আছড়ে পড়ে ইয়েতি বিমান সংস্থার একটি এটিআর-৭২ বিমান। ভেঙে পড়া সেই বিমানের ধ্বংসাবশেষের কাছ থেকে একটি মোবাইল খুঁজে পেয়েছেন উদ্ধারকারীরা। আর তাতেই প্রকাশ্যে এসেছে বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্ত। সেই ভিডিওই প্রমাণ যে, কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই কত কিছুই না ঘটে যেতে পারে। সেই ভিডিও দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, সেটি কতটা অসহনীয়! কতটা যন্ত্রনার!

    মৃত্যু ভারতীয়দের

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ফেসবুক লাইভ করা সেই ব্যক্তির নাম সোনু জয়সওয়াল। তিনি উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলার চক জিনাব গ্রামের বাসিন্দা। সোনু ছাড়াও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন যে চার ভারতীয় যুবক, তাঁরা হলেন – অনিল রাজভর, বিশাল শর্মা, অভিষেক কুশওয়া, সঞ্জয় জয়সওয়াল। জানা গিয়েছে, গত ১৩ জানুয়ারি তাঁরা নেপালে বেড়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বিমান মাটিতে আছড়ে পড়ার আগে তিনি ফেসবুক লাইফ করছিলেন। লাইফ করার প্রথমে তাঁর হাসি মুখ দেখা গেলেও সেই লাইফ শেষ হয় যাত্রীদের চিৎকার-কান্না ও আগুনের লেলিহান শিখায়। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সোনু সহ পাঁচ ভারতীয় যুবকের। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৭২ জন যাত্রীর মধ্যে সকলেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ৬৮টি দেহ উদ্ধার। তবে, কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ভীষণই ক্ষীণ বলে জানিয়েছে নেপাল সেনা। 

     

  • Nepal Plane Crash: কেন বারবার নেপালে ঘটে চলেছে বিমান দুর্ঘটনা? নেপথ্যে কারণ কী?

    Nepal Plane Crash: কেন বারবার নেপালে ঘটে চলেছে বিমান দুর্ঘটনা? নেপথ্যে কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কাঠমান্ডু থেকে পোখরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল বিমানটি। আকাশপথে এই দূরত্ব ১৪৬ কিলোমিটার, যেতে সময় লাগে ৩০ মিনিট মতো। ৭২ জন যাত্রী নিয়ে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের এই বিমানটি কাঠমান্ডু থেকে রওনা হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে ভেঙে পড়ে। ৭২ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। 

    নেপালে কেন বারবার বিমান দুর্ঘটনার (Nepal Plane Crash) ঘটনা ঘটছে

    নেপালে বিমান দুর্ঘটনা (Nepal Plane Crash) নতুন কিছু নয় বারবার সেখানে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বিমান। ২০১৮ সালের একটি রিপোর্ট বলছে গত ৩০ বছরে ২৭টি বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে সেদেশে অর্থাৎ প্রতিবছরে গড়ে একটি বিমান দুর্ঘটনা হয়েই থাকে নেপালে কিন্তু কেন বারবার এমন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের উচ্চতা ১,৩৩৮ মিটার। তারপর আবার অপ্রশস্থ উপত্যকার উপর গড়ে উঠেছে বিমানবন্দর।

    নেপালের র‍্যাডার প্রযুক্তির অবস্থাও খুব খারাপ। তাই বিমানচালকে নিজের দৃষ্টির উপরেই নির্ভর করতে হয়। আবার সে দেশে বাজেট কম থাকায়, কম বিমানচালক  নিয়োগ করা হয়ে থাকে। গত কয়েক বছরে একের পর এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে নেপালে। গত ৬ মাসে পোখরায় এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কোনও বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ল। 

    ভৌগলিক ও আবহাওয়া জনিত কারণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাদ দেওয়া যাচ্ছে না নজরদারির অভাব, পুরনো বিমানের ব্যবহার, ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এয়ারলাইন্সের মতো প্রসঙ্গও। নেপালের মতো পাহাড়ি এলাকায় বিমান চালানোর জন্য বিমানচালকেরা পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ পান কি না বা এয়ারলাইন্সগুলি উপযুক্ত বিমানচালক নিয়োগ করেন কি না,তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। 

    গত কয়েক বছরে নেপালে কতগুলি বিমান দুর্ঘটনার (Nepal Plane Crash) নজির 

    ২০২২ সালের ২৯ শে মে তারা এয়ারের একটি বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। নেপালে সবার ছিলেন ২২ জন যাত্রী সকলেরই মৃত্যু হয়েছিল।
     
    ২০১৯ সালে কাঠমান্ডু ফিরছিল এয়ার ডায়নাস্টি সংস্থার একটি হেলিকপ্টার, পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে সেটি পড়ে। সাতজন যাত্রীরই মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেপালের পর্যটন মন্ত্রী রবীন্দ্র অধিকারী।

     ২০১৮ সালের ১২ই মার্চ নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নামার সময় ভেঙে পড়ে বোম্বাদিয়ার কিউ ৪০০ বিমান। সমস্ত যাত্রীর মৃত্যু হয়।

    ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পোখরা থেকে জমসম যাচ্ছিল ছোট একটি বিমান। মাঝ আকাশে বিমানটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে ২৩ জনেরই মৃত্যু হয়। 

    ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে সীতা ইয়ার সংস্থার একটি বিমান। যাত্রী ছিল ১৯ জন, সবার মৃত্যু হয়।

    ২০১২ সালের জমসম যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় একটি বিমান। ২১ জন যাত্রী সওয়ার ছিলেন। ২১ জনের মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

    ২০১১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ভেঙে পড়ে বুদ্ধ এয়ারের একটি বিমান। সবারই মৃত্যু হয়েছিল।

    ২০১০ সালের ডিসেম্বরে তারা এয়ার সংস্থার আরও একটি বিমান ভেঙে পড়ে। মোট ২৫ জনের মৃত্যু হয়।

    ওই ২০১০ সালেই অগ্নি এয়ারের একটি বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়।

    ১৯৯২ সালে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস এর একটি বিমান কাঠমান্ডুতে ভেঙে পড়ে, ১৬৭ জন যাত্রীরই মৃত্যু হয়।

    নেপালের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে চিনের বাড়বাড়ন্ত

    এর উপরে রয়েছে চিন। সাম্প্রতিক অতীতে নেপালের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে সে দেশের নানা কাজে নানা ভাবে নাক গলাতে শুরু করেছে চিন সরকার। চিনা অর্থে তৈরি হচ্ছে সড়ক, বিমানবন্দর।

    পোখরার নবনির্মিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও চিনের ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের টাকাতেই তৈরি। তৈরি করেছে চিনা ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা CAMC Engineering Co. Ltd। যা,  চিনের সীমান্তবর্তী এলাকায় সড়ক এবং বন্দর তৈরির প্রকল্প China’s Belt and Road Initiative (BRI)-এর অংশ। তার উপরে কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই গত ১ জানুয়ারি তড়িঘড়ি সেই বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার পরে সেই বিমানবন্দরও সকলের প্রশ্নের মুখে।

    অনেকেই আবার অভিযোগ করেছেন পোখরার নতুন বিমানবন্দরেই গলদ রয়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই বিমানবন্দরটি খুলে দেওয়া হয়েছিল। গত ১ জানুয়ারি বিমানবন্দরটি খুলে দেওয়া হয়। একটি চিনা সংস্থা বিমানবন্দরটি নির্মাণ করছে। প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করেছিলেন ১ জানুয়ারি। তার কয়েকদিনের মধ্যেই এই বিপত্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nepal Plane Crash: নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা! নিহত ৬৮ জন, আগামীকাল রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

    Nepal Plane Crash: নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা! নিহত ৬৮ জন, আগামীকাল রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। এবারে নেপালের পোখরায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। আজ, রবিবার ৭২ জন যাত্রী নিয়ে নেপালের পোখরায় ভেঙে পড়ল ইয়েতি এয়ারলাইনসের ATR-72 বিমান। পোখরা বিমানবন্দরের রানওয়েতেই ভেঙে পড়ে এই বিমানটি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কাঠমাণ্ডু থেকে পোখরা যাচ্ছিল বিমানটি। বিমানে ছিলেন ৬৮ জন যাত্রী ও ৪ জন কেবিন ক্রু সদস্য। দুর্ঘটনার বেশ কিছু ছবি ইতিমধ্যই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এই দুর্ঘটনায় (Nepal Plane Crash )।

    নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা

    নেপালের সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে, পোখরার পুরনো অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল পৌঁছে গিয়েছে দুর্ঘটনাস্থলে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নেপালের বাসিন্দারা ছিলেন, ১০ জন বিদেশি পর্যটকরাও ছিলেন বিমানে। পাহাড়ে ধাক্কা লেগেই বিমানটি ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৬৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা হাত লাগিয়েছেন উদ্ধারকাজে। পাহাড়ের খাদে বিমানটি পড়ে গিয়ে আগুন ধরে গিয়েছে। ফলে উদ্ধারকাজে খুবই বেগ পেতে হচ্ছে। বিমানে ৫ জন ভারতীয় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।  

    ইতিমধ্যেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহল মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি তৈরি করেছে নেপাল সরকার। সোমবার ১ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে নেপাল সরকার।

    ইতিমধ্যেই সেই বিমান ভেঙে পড়ার পর আগুন ধরে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গিয়েছে, বিমানটি যেখানে পড়ে আছে সেখানে আগুন জ্বলছে এবং আশেপাশে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বিমানটি নীচে ভেঙে পড়তেই আগুন ধরে যায় তাতে। ফলে বিমানের প্রত্যেকেরই মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমিয়েছেন। আপাতত পোখরা বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

     

LinkedIn
Share