Tag: Nepal

Nepal

  • PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ তারিখে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে। সরকারি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। বুধবারই বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নেতারা। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে এনডিএ জিতেছে ২৯২টি আসনে। সূত্রটি জানিয়েছে, মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল এবং মরিশাসের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

    কী বলছে শ্রীলঙ্কা? (PM Modi)

    শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহের অফিসের তরফে জানানো (PM Modi) হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিক্রমসিংহে আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন। মোদির জয়ে তাঁকে ফোনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। এই সময়ই বিক্রমসিংহকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট সেই আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন।

    আসছেন কারা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময়ই হাসিনাকেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান তিনি। জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জুগানাউথকেও। প্রচণ্ডের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলাদা করেও কথা হয়েছে। ফোনে আমন্ত্রণ জানানো হলেও, বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের অফিসিয়ালি নিমন্ত্রণ জানানো হবে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে। ২০১৪ সালে যখন প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি, সেই সময় উপস্থিত ছিলেন সার্কের (SAARC) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর যখন দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন মোদি, তখন উপস্থিত ছিলেন বিমস্টেক (BIMSTEC) দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা।

    আর পড়ুন: সরকার গড়ার সংখ্যা নেই, ‘ইন্ডি’ জোট বসবে বিরোধী আসনেই

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। এনডিএ পেয়েছে ২৯২টি কেন্দ্রের রাশ। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার জন্যই রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে এনডিএ (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমার (Seema Haider) আদব-কায়দা এবং সাজপোশাক দেখে মনে হতেই পারে একেবার প্রান্তিক ভারতীয় মহিলা। তবে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ঠিক এমনভাবে সাজতে পেশাদার পোশাকশিল্পীদের সাহায্য নিয়েছিলেন সীমা হায়দার! ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র মারফত আরও খবর মিলেছে, ভারতীয় প্রান্তিক মহিলাদের পোশাক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিলেন না সীমা (Seema Haider)। আর সেই কারণেই তাঁকে মেক-আপ নিতে হয়। শুধু তাই নয়, চার সন্তানের ড্রেস কোড কেমন, হবে তা ঠিক করেন পাবজি প্রেমিকা। গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, নেপাল সীমান্তে মানবপাচারের কাজে যুক্ত থাকা অনেক মহিলা এক বিশেষ পোশাক পরেন। সীমা সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আবার গোয়েন্দাদের ভাবাচ্ছে বিভিন্ন ভাষার ওপর সীমার দক্ষতা। নিজেকে ফাইভ পাশ পরিচয় দিলেও সীমা গড়গড় করে ইংরেজি বলছেন।

    ২০১৯ থেকে সীমা-সচিনের পরিচয় 

    সীমার (Seema Haider) দাবি অনুযায়ী, অনলাইন গেম পাবজি খেলার সময় ২০১৯ সালে সচিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেখান থেকেই নাকি প্রেম। ২২ বছরের সচিনের প্রেমে পড়ে পাকিস্তান থেকে ছুটে আসেন ৩০ বছরের সীমা। তাঁর সঙ্গে আসে চার সন্তান, যাদের সবার বয়সই সাত বছরের কম। ভিসা ছাড়া নেপাল হয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেন সীমা। এই অভিযোগে ৪ জুলাই গ্রেফতার হন সীমা। তাঁকে আশ্রয় দিয়ে গ্রেফতার হন সচিন এবং তাঁর বাবা নেত্রপাল। পরে জামিনে ছাড়াও পান তাঁরা।

    কাঠমাণ্ডুর হোটেলে থাকেন তাঁরা ভারতে আসার আগে

    গোয়েন্দারা আরও জানাচ্ছেন, ভারতে আসার আগে সীমা (Seema Haider) ও সচিন দু’জনেই বেনামে হোটেল ঘর বুক করে এক সপ্তাহ ছিলেন কাঠমাণ্ডুতে। স্থানীয় ‘নিউ বিনায়ক হোটেল’-এর ২০৪ নম্বর রুমে ছিলেন সীমা-সচিন। তবে এই হোটেলের রেজিস্টার থেকে যুগলের নাম কোথাও পাওয়া যাবে না। কারণ, বেনামে হোটেল বুক করেছিলেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে হোটেলের এক কর্মী গণেশ রোকামগারের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে রিল শ্যুট করেছিলেন সচিন ও সীমা! আর সেটাই প্রমাণ ওই হোটেলে তাঁদের উপস্থিতির। হোটেল কর্মী বলছেন, ‘‘সচিন একাই এসে প্রথমে রুম বুক করেছিলেন। বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী পরে আসবেন। হোটেল বুক করার সময় কোনও আইডি কার্ড জমা দেননি তাঁরা। শুধুমাত্র নিজেদের নাম রেজিস্টার খাতায় লিখে দিয়েছিলেন। যদিও সেটা নকল ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    Nepal: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর মধ্যে খ্রিস্টান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেপালে সবথেকে বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৬১ সালে যেখানে নেপালে মাত্র ৪৫৮ জন খ্রিস্টান বাস করতেন, সেখানে ২০১১ সালের সেনসাসে মোট জনসংখ্যার ১.৪ শতাংশ মানুষ খ্রিস্টান ছিলেন। আবার, ২০২২ সালে এই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে দেশের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ। নেপালের এই ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তনে বিপদ দেখছেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক এবং ধর্মীয় বিন্যাস ক্রমশই বদলে যাচ্ছে নেপালে। বিশেষজ্ঞদের মতে নেপালের সামাজিক এবং ধর্মীয় বিন্যাস স্থিতিশীল ছিল ২০০৬ পর্যন্ত। তখন নেপাল ছিল একটি হিন্দু রাষ্ট্র। কিন্তু পরবর্তীতে নেপাল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে যখন থেকে আত্মপ্রকাশ করে, তখন থেকে সুযোগটা নিতে থাকে মিশনারিরা।

    সেদেশে ৬৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছে United Mission নামের একটি সংগঠন

    সেদেশের হিন্দু বৌদ্ধরা এই ধর্মান্তকরণের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তবুও কাজ সেভাবে হচ্ছেনা বলেই জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে নেপালের সংবিধানে ধর্মান্তকরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারা রয়েছে, তবে তা শুধুমাত্র সংবিধানেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে তার কোনও প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়না। আন্তর্জাতিক খ্রীস্টান সংগঠনগুলি থেকে ব্যাপক ফান্ডিং আসে নেপালে। মিশনারিরা ধরেই নিয়েছেন যে নেপাল হল তাদের সহজ লক্ষ্যবস্তু। তারা প্রতি মুহূর্তে সক্রিয় ধর্মান্তকরণের কাজে। জানা যাচ্ছে সেদেশে ৬৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছে United Mission নামের একটি সংগঠন। খাতায় কলমে দেখায় যে তারা গরিব এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করে, কিন্তু আদতে তাদের লক্ষ্য নেপালকে খ্রীস্টান রাষ্ট্র বানানো। এই কাজে তাদের সাহায্য করে চলেছে বিভিন্ন খ্রীস্টান এনজিও।

    উত্তর নেপালে মিশনারিদের এই প্রভাব সবথেকে বেশি

    উত্তর নেপালে মিশনারিদের এই প্রভাব সবথেকে বেশি বলে জানা যাচ্ছে। গরিব মানুষদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে, তাদের ভাল জীবন ও জীবিকার স্বপ্ন দেখিয়ে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তকরণ করে চলেছে।  “to make Christ known by word and life”……. এই নামে চলছে প্রচার অভিযান। অন্যদিকে মুসলিম সংগঠনের নেতারা এবং খ্রীস্টান সংগঠনগুলি লাগাতার দাবি জানিয়ে আসছে ধর্ম পরিবর্তনের অধিকারকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দানের জন্য। ২০১৪ সালে সেদেশের ব্রিটিশ দূত বলেন, ব্যক্তির নিজ ইচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তনকে আমরা সর্বদাই সমর্থন করি। ধর্ম পরিবর্তনের অধিকারকে সদা সুরক্ষিত রাখব আমরা।

    গসপেল অফ ট্রুথ কেন প্রচার করা হচ্ছে গরিব মানুষের সেবা কাজে 

    সেদেশের খ্রিস্টান মিশনারিরা অবশ্য এসব অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বলছে, আমরা কাউকে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ করছিনা। সবাই নিজেদের জীবনকে সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বানানোর জন্য খ্রিস্টান হচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সবাই যখন নিজের ইচ্ছায় খ্রিস্টান হচ্ছে, তবে বাইবেলের সঙ্গে তাদের টাকা কেন দেওয়া হচ্ছে? গসপেল অফ ট্রুথ কেন প্রচার করা হচ্ছে গরিব মানুষের সেবা কাজে?

    সবথেকে বেশি ধর্মান্তকরণের কাজ মিশনারিরা করেছে ২০১৫ সালে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের সময় 

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, সবথেকে বেশি ধর্মান্তকরণের কাজ মিশনারিরা করেছে ২০১৫ সালে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের সময়। সেসময় সেবা কাজের অজুহাতে তারা ব্যাপক ধর্মান্তকরণ চালাতে থাকে। ভূকম্প বিধ্বস্ত নেপালে তখন ঘরবাড়ি হারান বহু সংখ্যক মানুষ, তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে এগিয়ে আসে মিশনারিরা।

    একনজরে….

    ১৯৫১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা –  ০

    ১৯৬১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৪৫৮

    ২০১১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৩,৭৬,০০০

    ২০২২ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৫,৪৫,০০০

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়ার যুদ্ধে (War In Russia) ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান।” নরেন্দ্র মোদির দেশের কাছে এই কাতর আবেদন যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতের কেউ নন, বিদেশি। আরও স্পষ্ট করে বললে, নেপালি। রাশিয়ায় কাজের সন্ধানে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চার যুবক।

    ভারতের কাছে উদ্ধারের আর্তি

    অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে নিয়ে গিয়ে জোর করে তাঁদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধেই রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে হচ্ছে ওই চার কর্মপ্রার্থীকে। প্রাণে বাঁচতে ভারতের কাছে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন পড়শি দেশের ওই চার যুবক। মোটা অঙ্কের মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে রাশিয়া ‘ছেলে ধরছে’ বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে ভারতের কয়েকজন যুবকও রাশিয়ার কবল থেকে উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছিলেন। রাশিয়ায় যাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ধরে ধরে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে।

    টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ছেলে!

    রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের অনেক (War In Russia) জায়গায়ই রুশ সেনাদের পাশাপাশি ভারতীয় তরুণদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ করলেন নেপালের চার চাকরিপ্রার্থীও। কাজের খোঁজে রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন সঞ্জয়, রাম, কুমার এবং সন্তোষ নামে চার যুবক। এজেন্টের মাধ্যমে তাঁরা পৌঁছে যান রাশিয়ায়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রুশ সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী কিংবা পরিচারকের কাজ করতে হবে। অভিযোগ, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হতেই ট্রেনিং দিয়ে তাঁদেরও লাগিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধ করতে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁদের বাধ্য করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুুন: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় নেপালের ওই চার যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। এজেন্ট তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মিথ্যে কথা বলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাঁদের জীবন বিপন্ন বলেও জানান ওই চার নেপালি যুবক। সঞ্জয় বলেন, “আমাদের ভারতীয় সহকর্মীদের উদ্ধার করছে তাঁদের দেশের সরকার। কিন্তু নেপাল সরকার কিংবা দূতাবাসের তরফে কোনও সাহায্য পাচ্ছি না। ভারত সরকারের কাছে আমাদের বিরাট আশা। ভারত শক্তিশালী দেশ। তাই তাদের সাহায্য চাইছি। এখানকার (War In Russia) সব নেপালিই বাড়ি ফিরতে চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPI Payment: নেপালে ইউপিআই দিয়ে পেমেন্ট! খুশি ভারতীয় পর্যটকরা

    UPI Payment: নেপালে ইউপিআই দিয়ে পেমেন্ট! খুশি ভারতীয় পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়রা নেপালে ইউপিআই-এর (UPI Payment) মাধ্যমে টাকার লেনদেন করতে পারবেন। শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স, মালদ্বীপের মতো এবার ভারতীয় পর্যটকরা নেপালে গিয়ে গুগল পে, ফোন পে, পেটিএম ব্যবহার করে লেনদেন করতে পারবেন। কোনও পর্যটকের কাছে নগদ টাকা না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে না। স্বাভাবিকভাবেই নেপালে ইউপিআই চালু হলে, নেপাল ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন সহজসাধ্য হবে।

    নেপালে ইউপিআই-এর সুবিধা

    এনসিপিসিআই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টস লিমিটেড (NIPCL), ন্য়াশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (NPCI) আন্তর্জাতিক শাখা ও ফোন পে পেমেন্টস সার্ভিস লিমিটেড, নেপালের পেমেন্ট নেটওয়ার্কের তরফে সম্প্রতি ঘোষণা করা হয় দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ইউপিআই-এর মাধ্যমে নগদের লেনদেনে আর বাধা রইল না। ভারতীয় নাগরিকরা বা ইউপিআই (UPI Payment) ব্যবহারকারীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নেপালি ব্যবসায়ীদের পেমেন্ট করতে পারবেন। এনআইপিএল-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারের কথায়, ‘আমরা নেপালে ইউপিআই পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করতে পেরে ও ফোন-পে-এর সঙ্গে হাত মেলাতে পেরে আনন্দিত। আমাদের এই উদ্যোগ একদিকে ডিজিটাল পেমেন্টে মানুষকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। অপরদিকে ব্যবসায়িক দিক থেকে সুবিধাজনক হবে। নতুন এক দিক খুলে দেবে। এর ফলে দুই দেশের বন্ধন আরও মজবুত হবে।’

    আরও পড়ুন: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    জনপ্রিয় মাধ্যম ইউপিআই

    বর্তমানে সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, কানাডা, ওমান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সহ একাধিক দেশে ইউপিআই অ্যাপ (UPI Payment) ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নগদের লেনদেনের সুবিধা মিলছে। ডিজিটাল পেমেন্টের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল ইউপিআই। টাকা পাঠানো, কেনাকাটা করা, ফোনের রিচার্জ কিংবা বিদ্যুতের বিল দেওয়া— সর্বত্রই এখন ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ‘ইউপিআই’-এর মাধ্যমে লেনদেন বাড়ছে। এনআইপিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিতেশ শুক্লা এ প্রসঙ্গে বলেন, “এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট সেক্টরে উদ্ভাবনের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিই প্রতিফলিত করে না, বরং বাণিজ্যের জন্য নতুন রাস্তা তৈরি করার, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রতি আমাদের উদ্দাম আগ্রহকেও প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, ফোনপে (Fonepay) এর প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক ডি কুমার দাবি করেছেন যে এর (UPI) ফলে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও পর্যটনের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। এটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    Nepal: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে (Nepal) ফের জোরালো হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি। এ আওয়াজ তোলা হচ্ছে সে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে। দেশজুড়ে বইছে হিন্দুত্বের হাওয়া। এমতাবস্থায় চার দিনের বৈঠকে বসে নেপালি কংগ্রেস ন্যাশনাল কাউন্সিল। রাজতন্ত্রের দাবিও তুলেছেন নেপালি জনতা।

    দাবিসনদ পেশ

    নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহলের কাছে ৪০টি দাবি সম্বলিত একটি সনদও পেশ করেছে নেপালের রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি। বুধবার নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করেন রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক। পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন দাবি সনদ। রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র লিংগডেন বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চালিয়ে যাবে। সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করলে বড়সড় আন্দোলনে নামব আমরা।” ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ ঘটে নেপালে। দেশকে ঘোষণা করা হয় অ-হিন্দু রাষ্ট্র। ২০১৫ সালে নয়া সংবিধানের মাধ্যমে সরকারিভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ প্রজাতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয় নেপাল।

    রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি

    নেপালে রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিনের। হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিও বহু পুরানো। জনতার এই দাবিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে সনাতন হিন্দু স্টেট নেপাল মেগা ক্যাম্পেন। এই সংগঠনের নেতা শঙ্কর ভাণ্ডারি। নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি এনসি পার্টিরও। এই দলের প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবা বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হন নেপালি কংগ্রেসে।

    ২০২২ সালে নেপালের (Nepal) সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জয়ী হয় ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে। দেশের পঞ্চম বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হিসেবে জায়গা করে নেয়। ভোটের পর রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জোট সরকারেরই অংশ ছিল। ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা বিরোধী বেঞ্চে বসে। নেপালের এই দলটিই দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ৯ পাতার ‘ইভেন্ট গাইড’! অম্বানী-পুত্রের বিয়েতে অতিথিদের জন্য চার্টার্ড বিমান

    হিন্দুত্বের দাবিতে সরব হয়েছে নেপালের জেনারেল রুকমানগুড় কাটাওয়াল। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নেপালের সেনাবাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের এই প্রচার দেশকে হিন্দুত্ববাদী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা নয়, সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টানদের এক ঘরে করে দেওয়াও নয়। আমাদের প্রচার শুধুমাত্র নেপালের (Nepal) হিন্দু পরিচয় ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়রি। এই দিন হবে শ্রী রামচন্দ্রের ‘অভিষেক’। রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, রামের শ্বশুরবাড়ি ছিল জনকপুরধাম। এই ধাম থেকে প্রভু রামলালার জন্য উপহার হিসাবে আসবে গয়না, জামাকাপড়, মিষ্টির নানান পসরা। এরপর তা দিয়ে করা হবে রামলালার অভিষেক এবং পুজো। সেই সঙ্গে নেপাল থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে একটি বিশেষ শোভা যাত্রাও আসবে বলে জানা গিয়েছে। 

    জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যায় যাত্রা (Ayodhya Ram Mandir)

    রামায়ণে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে, শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল জনকপুরের রাজকন্যা সীতা মাতার সঙ্গে। এই জনকপুর এখন বর্তমানে নেপালে। প্রভু রামের মন্দিরে অভিষেকের দিনে এই সীতার বাপের বাড়ি থেকে আসবে বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি সহ নানা উপহার। সেই সঙ্গে জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত সীতামায়ের বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রাও হবে। আগামী ২০ জানুয়ারিতে এই যাত্রা শেষ হবে। এরপর মন্দির ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) হাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসা নানা উপহার তুলে দেওয়া হবে।

    জানকী মন্দিরের পক্ষে বক্তব্য

    জনকপুরধামের জানকী মন্দিরের প্রধান মহন্ত রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে বিশেষ যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বর, মাংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকে যাত্রা করবে। এরপর বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরক্ষপুর হয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) পৌঁছাবে যাত্রা।” প্রভু রামের উদ্দেশে এই যাত্রা ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    মন্দির নির্মাণে নেপালের বড় অবদান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর তীর থেকে শালগ্রাম শিলা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। ইতিপূর্বে এই শিলা থেকেই প্রভু রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এই শিলা নির্মিত মূর্তি, মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: ভূমিকম্পে ফের কাঁপল কাঠমাণ্ডু, রবিবার আতঙ্কে কাটল নেপালবাসীর

    Earthquake: ভূমিকম্পে ফের কাঁপল কাঠমাণ্ডু, রবিবার আতঙ্কে কাটল নেপালবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কেঁপে উঠল নেপাল। শুক্রবার গভীর রাতে ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠেছিল কাঠমাণ্ডু। তার রেশ পুরোপুরি কাটার আগেই রবিবার ভোরে আবারও একবার কেঁপে উঠল নেপাল। শুক্রবার কম্পনের মাত্রা বেশি থাকলেও, রবিবার ভোরের কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৬। নেপালের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল কাঠমাণ্ডু থেকে ১৬৯ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এদিন পর পর বেশ কয়েকবার যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৩.৩।

    রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা

    শুক্রবার নেপালে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৬.৪। মাঝ রাতের ওই ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় শতাধিক মানুষের। এখনও চলছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে নেপালের সেনাবাহিনী, নেপালি সেন্টিনাল ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। আশপাশের এলাকা থেকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রীও সংগ্রহ করা হচ্ছে। ছুটি বাতিল করা হয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে (Earthquake) বলেই খবর।   

    ১৫৯ বার কেঁপেছিল নেপালের মাটি

    ভূমিকম্পের পর পর হয় আফটার শক। সেদিনও ১৫৯ বার কেঁপেছিল নেপালের মাটি। শুক্রবারের ওই কম্পনের আঁচ এসে লেগেছিল ভারতের একটি অংশেও। কম্পন অনুভূত হয়েছিল দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের একাংশে। রবিবার যে ভূমিকম্প হয়, তার জেরে ফের একপ্রস্ত আতঙ্ক ছড়ায়। এদিন নেপালের পাশাপাশি ভূমিকম্প হয়েছে আফগানিস্তানেও। গভীর রাতে কম্পন অনুভূত হয় ফয়জাবাদে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। তবে কম্পন অনুভূত হলেও, ক্ষয়ক্ষতি তেমন কিছু হয়নি।

    আরও পড়ুুন: “মহাদেবের নামেও লুট করতে ছাড়ছে না কংগ্রেস”, ছত্তিশগড়ে তোপ মোদির

    এদিন গোটা ভারতে কোনও কম্পন অনুভূত না হলেও, উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় অনুভূত হয় কম্পন। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, অযোধ্যায় কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৬। উৎসস্থল ছিল অযোধ্যা থেকে ২১৫ কিলোমিটার উত্তরে, ভূপৃষ্ট থেকে ১০ কিমি গভীরে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালেও একবার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেবার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বলি হয়েছিলেন ৯ হাজার জন। শুক্রবার ভোরের কম্পন উসকে দেয় আট বছর আগের ওই স্মৃতি। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা পার করেছে (Earthquake) ১৫০র গণ্ডী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তার হড়পা বানের (Flash Flood) জেরে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে জাতীয় সড়ক। তাই সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সিকিমের। মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের একটা বড় অংশের। তবে সিংহভাগ বিজ্ঞানীর দাবি, সিকিমের এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে রয়েছে নেপালের মঙ্গলবারের ভূমিকম্প।

    পাড় ভাঙল লোনকের

    বিষয়টি তবে খুলেই বলা যাক। বুধবার কাকভোরে ফেটে যায় উত্তর সিকিমের পাহাড়ি হ্রদ লোনকের পাড়। হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে বিশাল জলরাশি। পড়ে তিস্তায়। একলপ্তে তিস্তার জলস্তর বেড়ে যায় ১৫-২০ ফুট। হড়পা বান চলে আসায় লন্ডভন্ড হয়ে যায় উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশ। কোথাও ভেঙে গিয়েছে সেতু, কোথাও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সড়ক। বাড়িঘরের পাশাপাশি ভেসে গিয়েছে মানুষ ও তাঁদের পোষ্যরা। বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। নিখোঁজ শতাধিক।

    নেপালে ভূমিকম্প

    সিকিমের এই বিপর্যয়ের কারণ কেবল হড়পা বান (Flash Flood) নয়। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে নেপালের ভূমিকম্প। গত মঙ্গলবার ভূমিকম্প হয় নেপালে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। এদিন ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানে পরপর চারবার কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেই কম্পনের আঁচ পেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, চণ্ডীগড়, জয়পুর এবং উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশের বাসিন্দারা। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভূকম্পনের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়। এর পর মেঘভাঙা বৃষ্টির জল এসে পড়ায় জলের চাপ সহ্য করতে পারেনি দুর্বল বাঁধ। যার জেরে দেখা দেয় বিপর্যয়।

    আরও পড়ুুন: হড়পা বানে বিধ্বস্ত সিকিম, চারদিকে ধ্বংসলীলার ছবি, আটকে ৩ হাজার পর্যটক

    সম্প্রতি লোনকের একটি উপগ্রহচিত্র প্রকাশ করেছে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার। তাতে দেখা গিয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর হ্রদের যা বিস্তৃতি ছিল, তা কমে গিয়েছে। ১৬৮ হেক্টর এলাকা নিয়ে লোনক হ্রদ। তা কমে গিয়ে বর্তমানে হ্রদের আয়তন দাঁড়িয়েছে ৬০ হেক্টরে। যার অর্থ, জল ডাঙায় উঠে এসেছে। জলস্তরের সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন।

    এর আগে একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, লোনক হ্রদের আয়তন ক্রমেই বাড়ছিল। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে হিমবাহ গলে সেই জল জমছিল হ্রদে। বুধবার যখন এই এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়, তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেনি লোনক। বিশাল জলরাশি হুড়মুড়িয়ে এসে পড়ে তিস্তায় (Flash Flood)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Asian Games 2023: এশিয়ান গেমস আর্চারিতে সোনা-রুপো নিশ্চিত! যশস্বীর শতরানে ক্রিকেটে শেষ চারে ভারত

    Asian Games 2023: এশিয়ান গেমস আর্চারিতে সোনা-রুপো নিশ্চিত! যশস্বীর শতরানে ক্রিকেটে শেষ চারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যশস্বীর শতরান, রিঙ্কুর ঝড়ো ব্যাটে ভর করে এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2023) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। নেপালকে ২৩ রানে হারিয়ে দিল তারা। প্রথমে ব্যাট করে ২০২ রান করে ভারত। নেপাল করে ১৭৯ রান। এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মঙ্গলবার তিনি টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ঋতুরাজের সঙ্গে এদিন ওপেন করেন যশস্বী। ১০০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। এর মধ্যে মাত্র ২৫ রান করেন ঋতুরাজ। ৪৯ বলে ১০০ রান করে আউট হন যশস্বী। আটটি চার এবং সাতটি ছক্কা মারেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তাঁর দ্বিতীয় শতরান। প্রথম শতরান করেছিলেন টেস্টে। ভারতের রঙিন জার্সিতে এটাই তাঁর প্রথম শতরান। যশস্বী আউট হওয়ার পরে মাঠে নামেন রিঙ্কু। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে নজর কাড়া ব্যাটার নেপালের বিরুদ্ধে ১৫ বলে ৩৭ রান করেন। চারটি ছক্কা মারেন রিঙ্কু। দু’টি চার মারেন তিনি। শেষ বেলায় দ্রুত রান তুলে দলকে ২০০-র গণ্ডি পার করান রিঙ্কু।

    হকিতে দাপট ভারতের মেয়েদের

    মেয়েদের হকিতেও সেমিফাইনালে পৌঁছেছে ভারত। এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) মঙ্গলবার হংকংকে ১৩ গোল দেন সবিতা পুনিয়ারা। গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে জায়গা পাক করে ফেললেন ভারতের মেয়েরা। ছেলেরা আগেই পৌঁছে গিয়েছিল সেমিফাইনালে। ভারতীয় ছেলেদের সেমিফাইনাল বুধবার। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে তারা। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি চিন এবং জাপান। 

    এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) মঙ্গলবার অর্জুন সিং, সুনীল সিং জুটি ব্রোঞ্জ তুলে নিলেন ১ হাজার মিটার ক্যানো ডাবলস থেকে। কোরিয়ার জে হুনজুনকে সেমিফাইনালে মাত্র ২ পয়েন্টে হারিয়ে আর্চারির কম্পাউন্ড বিভাগের ফাইনালে পৌঁছলেন ভারতের অভিষেক ভার্মা। রুপো নিশ্চিত করলেন তিনি। 

    মেয়েদের ইভেন্টেও ফাইনালে উঠেছেন ভারতের জ্যোতি সুরেখা। ভারতেরই অদিতি গোপীচাঁদকে হারিয়ে আর্চারি কম্পাউন্ডের ব্যক্তিগত ইভেন্টের ফাইনালে ওঠেন জ্যোতি। ১৩তম শট পর্যন্ত ১ পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন জ্যোতি। কিন্তু শেষ সিরিজে তিনটে পারফেক্ট টেন শট নিয়ে ফাইনালে উঠে পড়লেন জ্যোতি। অদিতি শেষ সিরিজে চাপ রাখতে পারেননি। আর্চারিতে সোনার ম্য়াচে নামবেন জ্যোতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share