Tag: Nepal

Nepal

  • Kho Kho World 2025: খো-খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পুরুষ ও মহিলা দল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Kho Kho World 2025: খো-খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পুরুষ ও মহিলা দল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ল ভারতের ছেলে ও মেয়েরা। জিতল উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ। প্রথমে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দেশের মেয়েরা। তার পর চ্যাম্পিয়ন হল পুরুষরাও। ফাইনালে নেপালকে ৫৪-৩৬ পয়েন্টে হারায় ভারতের ছেলেরা। তার আগে রবিবার নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালকে ৭৮-৪০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় মেয়েরা। প্রতিবেশী নেপালের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা, দুরন্ত গতি এবং দক্ষতার মিশেলে এক দাপুটে পারফরম্যান্সে খেতাব এল ভারতের ঘরে।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    প্রথম খো খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের। খো খো-তে উড়ল টিম ইন্ডিয়ার বিজয় পতাকা। ঐতিহাসিক জয়ের পরে ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প এবং দলগত প্রচেষ্টার কারণে দেশ গর্বিত হয়েছে। এই জয় ভারতের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলির মধ্যে একটিকে আরও আলোকিত করেছে, যা সারা দেশে অগণিত তরুণ ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করবে। এই কৃতিত্ব পরবর্তী প্রজন্মকে এই খেলা অনুসরণ করার রাস্তা সুগম করবে।’

    ছেলেদের একাধিপত্য

    পুরুষদের ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ডিফেন্স করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। কিন্তু প্রথম টার্নেই ২৬-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় টার্নে ব্যবধান ছিল ২৬-১৮। তৃতীয় টার্নে সুরেশ ওয়াইকাররা পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৫৪-১৮। অবশ্য চতুর্থ টার্নে নেপাল কিছুটা লড়াই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাতে পারেনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নেপালকে ৪২-৩৭ পয়েন্টে হারিয়েছিল ভারত। শাসন ধরে রেখেছিল পরের ম্যাচগুলিতেও। সেমিফাইনালে দারুণ লড়াই করেও ভারতের পুরুষ দলের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ফাইনালেও সেই দাপট ধরে রেখে নেপালের বিরুদ্ধে  মাঠে নেমেছিল তারা। 

    ভারতের মহিলা দলের দাপট

    অপরাজিত হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছে মেয়েরা। ফাইনালের আগে হারিয়েছে, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে। আর আজ নেপালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে ভারতীয় মহিলা দল। শুরু থেকেই ভারতীয় অ্যাটাকাররা দাপট দেখাতে শুরু করেন। তিন ব্যাচ পর নেপালের মহিলারা সাত বার আউট হন। ভারতের ঝুলিতে আসে ১৪টি পয়েন্ট। অধিনায়ক প্রিয়াঙ্কা ইংলে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন। তিনি একের পর এক টাচ পয়েন্ট আনতে থাকেন। এর জেরেই ভারতীয় দলের পয়েন্ট হু হু করে বাড়তে থাকে। ভারতীয় দল ৩৪ পয়েন্টে পৌঁছে যায়। প্রথম টার্নের মাত্র ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে নিজেদের তিন ডিফেন্ডারকে হারিয়ে ফেলে নেপাল। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের গতি কিছুটা কমানোর চেষ্টা করে নেপাল। দায়িত্ব দেওয়া হয় পুনম, নিশাদের। কিন্তু তাঁরা খুব একটা কার্যকর হননি। বরং ভারতীয় মেয়েরা নিজেদের ছন্দ বজায় রাখেন। নেপালকে কার্যত দাঁড়াতেই দেননি। 

    অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা

    ঐতিহাসিক জয়ের পরে ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি বলেন, ‘অপরাজিত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় মহিলা খো খো দলকে আন্তরিক অভিনন্দন।’ ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুবরাজ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। 

    ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের সকালে কেঁপে (Earthquake) উঠল কলকাতা। মঙ্গলবার যখন ভালো করে ঘুম ভাঙেনি শহরবাসীর, তখনই আচমকা কেঁপে ওঠে কলকাতা ও আশপাশের এলাকা। শুধুমাত্র দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও অনুভূত হয়েছে প্রবল কম্পন। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল তিব্বত। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি। প্রথম কম্পনটি হয় সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.১।

    তিব্বতই কম্পনের উৎস

    সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, নেপালের লোবুচে থেকে ৯৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এই কম্পনের (Earthquake) উৎসস্থল। গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পর পর কম্পন অনুভূত হয়েছে একই অঞ্চলে। দ্বিতীয় কম্পনটি হয় সকাল ৭টা ২ মিনিটে। তীব্রতা ছিল ৪.৭। এর পাঁচ মিনিট পরে আবার তৃতীয় কম্পন, সকাল ৭টা ৭ মিনিটে। তৃতীয় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৯। প্রথম দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তৃতীয়টি ৩০ কিলোমিটার গভীরে। ছ’মিনিট পরে আরও একটি কম্পন অনুভূত হয়, যার তীব্রতা ছিল ৫.০। তিব্বতের অপর একটি শহর শিগাতসে শহরে ৬.৮ তীব্রতার ভূমিকম্প হয়েছে বলে দাবি করেছে চিন। শিগাতসে হল তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে কম্পনের পর আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অনেকে। ভুটান এবং চিনের কিছু অঞ্চলেও কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে।

    ভারতে বিভিন্ন জায়গায় কম্পন

    মঙ্গলবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বিহার পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও টের পাওয়া গিয়েছে কম্পন। উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। কেঁপেছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। এছাড়া জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, দুই দিনাজপুরের মানুষও এদিন কম্পন অনুভব করেছেন। সিকিম, অসমের কিছু অঞ্চলেও ভূমিকম্প টের পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepals PM Oli: ভারতে আসতে মুখিয়ে ওলি, ‘পাত্তা’ই দিচ্ছে না দিল্লি, কেন জানেন?

    Nepals PM Oli: ভারতে আসতে মুখিয়ে ওলি, ‘পাত্তা’ই দিচ্ছে না দিল্লি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ভারতে আসার জন্য মুখিয়ে ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি (Nepals PM Oli)। প্রথাগতভাবে নেপালের প্রধানমন্ত্রীরা প্রথম ভারত সফর করেন (India)। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের বিষয়ে ওলি আগ্রহী ছিলেন। তাঁর অফিস ও নেপালের বিদেশ মন্ত্রক নয়াদিল্লির কাছে আমন্ত্রণ চেয়ে যোগাযোগও করেছিল। তবে নিউ দিল্লি ওলিকে গ্রহণে তেমন আগ্রহ দেখায়নি।

    ওলিকে এড়াচ্ছে ভারত! (Nepals PM Oli) 

    বেশ কয়েকবার অনুরোধের কোনও উত্তর না পাওয়ায়, ওলি বেজিংয়ের আমন্ত্রণ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং এই মাসের শুরুর দিকে চিন সফর করেন। আশ্চর্যজনকভাবে, ওলির প্রথম সরকারি বিদেশ সফর চিনে নয়, বরং নিউ ইয়র্কে ৭৯তম রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ছিল। ওলির চিন সফরের জেরে নেপালে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওলির ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেতে আর একটি চেষ্টা করেছিল নেপাল। ওলি যাতে ভারতের আমন্ত্রণ পান, তাই নেপালের বিদেশমন্ত্রী আর্জু রানা দেবুবার গত সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে চিকিৎসা করাতে আসেন। সেই সময় তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সময় চান (Nepals PM Oli)। জয়শঙ্করের ব্যস্ততার কারণে সেই সাক্ষাৎও হয়নি। তিনি অন্য কোনও প্রবীণ মন্ত্রী বা বিদেশমন্ত্রকের কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি।

    প্রশ্ন

    প্রশ্ন হল, কেন ওলিকে স্বাগত জানাচ্ছে না ভারত? জানা গিয়েছে, ওলি কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছিলেন, যা পূরণ করা অসম্ভব বলে মনে করেছিল ভারত। ওলির অফিস জানিয়েছিল, তাঁর সফরের সময় ভারতকে লিম্পিয়াধুরা-কালাপানি-লিপুলেখ ত্রিজংশের বিষয়ে ‘বিবাদ’ সমাধানের প্রক্রিয়া ঘোষণা করতে হবে। নয়াদিল্লির মনে হয়েছিল, ওলি এই বিতর্কটি উত্থাপন করেছিলেন তার নিজের দলের মধ্যেই বাড়তে থাকা অভ্যন্তরীণ বিরোধের মোকাবিলা করতে। তারপর থেকে, ভারতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ওলির প্রতি গভীর বিরক্তি এবং সন্দেহ জন্মেছে। ভারতের ধারণা, ওলি বারবার ভারতকে চিনের বিপরীতে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। ওলি বেজিংয়ের প্রতি অনুগত। তিনি সব সময় চিনের পক্ষে কাজ করবেন। সেই কারণেই ওলির ডাকে (Nepals PM Oli) ভারত সাড়া দেয়নি বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (India)।

    আরও পড়ুন: ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যের প্রতিশ্রুতি কেজরি সরকারের, দেখে নিন এক নজরে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘নেপাল-ভুটান সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে চিন্তিত নয় ভারত ’, কেন বললেন শাহ?

    Amit Shah: ‘নেপাল-ভুটান সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে চিন্তিত নয় ভারত ’, কেন বললেন শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হুমকি, হুঁশিয়ারিকে গুরুত্বই দিতে চাইছে না ভারত। শুক্রবার শিলিগুড়িতে এসএসবি (সশস্ত্র সীমা বল)-র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় করলেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নেপাল এবং ভুটান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারত যে একেবারেই চিন্তিত নয়, তাও জানালেন তিনি। তবে সেটাও সম্ভব হয়েছে সশস্ত্র সীমা বলের জন্য। এদিন অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী। মাওবাদী কার্যকলাপ প্রতিহত করা থেকে মানব পাচারকারীদের পাকড়াও, এসএসবি বা সশস্ত্র সীমা বলের জন্যই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে এবং হচ্ছে। শাহের কথায়, “শুধু ২০২৪ সালেই চার হাজার পাচারকারীকে পাকড়াও করেছে এসএসবি। উদ্ধার হয়েছে ১৬ হাজার কেজি মাদক।”

    কী বললেন শাহ?(Amit Shah)

    সশস্ত্র সীমা বলের ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবসে শুক্রবার এসএসবি-র শিলিগুড়ি (Siliguri) হেডকোয়ার্টারে উপস্থিত ছিলেন শাহ। মাওবাদী মোকাবিলায় সশস্ত্র সীমা বলের প্রশংসা করে তিনি (Amit Shah) বলেন, “বন্ধ সীমান্তে কাজ করা অনেকটা সুবিধার। সেই সীমান্ত দিয়ে কেউ পারাপার করতে পারে না। কিন্তু, যেখানে মুক্ত সীমান্ত রয়েছে, সেখানে জওয়ানদের কাজ অনেকটা কঠিন এবং জটিলও। সে দিক থেকে এসএসবি যে ভূমিকা পালন করছে, তা সত্যিই অনস্বীকার্য। আমার বলতে দ্বিধা নেই যে, আমরা আমাদের প্রতিবেশী দুই দেশ নেপাল এবং ভুটানের সীমান্ত নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নই।”বস্তুত, নেপাল এবং ভুটানের প্রায় ২,৪৫০ কিলোমিটার সীমান্তে ‘নো ম্যান্ডস ল্যান্ডে’ জ়িরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে এসএসবি। শাহ জানান, গত তিন বছরে ১১০০ অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে সশস্ত্র সীমা বল। ১০০০ একরের বেশি জমি জবরদখল মুক্ত করেছে তারা। চার হাজারের বেশি পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৮১ জন মানব পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছেন জওয়ানেরা। অভিযানে ৮০১ জনকে পাচারের আগেই উদ্ধার করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ২৩১ জন নাবালক-নাবালিকা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে এলেন অমিত শাহ, দিনভর কোন কোন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    শিলিগুড়ি করিডর ভৌগোলিক ভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ

    শিলিগুড়ি করিডর এবং জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “শিলিগুড়ি করিডর ভৌগোলিক ভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়িতে এসএসবির হেডকোয়ার্টার থাকায় তা আমাদের অনেকটাই নিশ্চিন্ত করেছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীদের প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা নিয়েছে এসএসবি।” শাহ জানান, ৬০০-র বেশি মাওবাদীকে গ্রেফতার করা, ১৫ জন মাওবাদী নেতাকে ‘এনকাউন্টার’ করতে সমর্থ হয়েছেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানেরা। একই ভাবে ১৯ সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছে সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানদের হাতে। এছাড়া বিহারকে মাওবাদী মুক্ত করার ক্ষেত্রেও এসএসবি বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল বলে উল্লেখ করেছেন শাহ।

    পেট্রাপোলে বিএসএফ জওয়ানদের জন্য তৈরি ভবনের উদ্বোধন

    শিলিগুড়ি থেকে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে কর্মরত বিএসএফ জওয়ানদের জন্য একটি আধুনিক ভবনের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, সাড়ে তিন একর জমির ওপরে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট চারটি ভবন তৈরি হয়েছে। ওই ভবন উদ্বোধনের সময়ে পেট্রাপোল সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার, বনগাঁর কাউন্সিলর দেবদাস মণ্ডল-সহ বিভিন্ন দফতরের আধিকারিক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রাম (Lord Ram) ও মাতা সীতার বিবাহ-উৎসব বিবাহ পঞ্চমী নামে পরিচিত (Bibah Panchami)। চলতি বছরে তা পালিত হবে শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর। মাতা সীতার জন্মস্থান বলে পরিচিত নেপালের জানকী মন্দিরে ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ওড়না পাঠানো হল গুজরাট থেকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়, উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের, তারপরে এই প্রথমবারের জন্য বিবাহ পঞ্চমী পালিত হচ্ছে।

    জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা পাঠিয়েছে ওই ওড়না

    জানা গিয়েছে, ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ওড়নাটি লাল রঙের এবং তা পাঠিয়েছে জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা (Bibah Panchami)। অন্যতম উদ্যোক্তা মনোজ রানগাতা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আজকে প্রথমবারের জন্য গুজরাটের জিনমাতা ট্রাস্ট থেকে পাঠানো হল ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ওড়না। তা পাঠানো হয়েছে নেপালের জনকপুরে (Bibah Panchami)। সেখানকার মানুষজন অত্যন্ত খুশি মনে তা গ্রহণ করেছেন এবং এই ওড়না নিয়ে সেখানে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা শোভাযাত্রার মাধ্যমে সেই ওড়নাকে নেপালের জানকী মন্দির পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছেন।’’

    রাম-সীতার বিবাহ দেবেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ

    প্রসঙ্গত, মনে করা হয় নেপালের জনকপুরেই ছিল মাতা সীতার পিতা জনকের রাজ্য। সেখানেই বিবাহ পঞ্চমী (Bibah Panchami) ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, গত মাসের ৩ নভেম্বর ভগবান রামচন্দ্রের বারাত বা বরযাত্রীরা জনকপুরে পৌঁছান। সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচশোর বেশি। তাঁরা প্রত্যেকেই ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে গিয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ, যাঁরা প্রত্যেকেই তিরুপতি থেকে এসেছেন। এই ব্রাহ্মণরা মাতা সীতা এবং ভগবান রামচন্দ্রের প্রতীকী বিবাহ দেবেন জনপুরধামে। জানা গিয়েছে, এই ব্রাহ্মণরা সরাসরি জনকপুরে পৌঁছেছেন বিবাহ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে। পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান রাম (Lord Ram) ছিলেন রাজা দশরথের সন্তান এবং অযোধ্যার রাজপুত্র। তিনি বিবাহ করেন জনকপুর ধামের রাজা জনকের কন্যা সীতার সঙ্গে। এই বিবাহ অনুষ্ঠান জনপুর ধামে সম্পন্ন হয়েছিল বলেই মনে করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Deepawali: দীপোৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, নেপালের জনকপুরও

    Deepawali: দীপোৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, নেপালের জনকপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি (Deepawali) উৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা। চলতি বছরই জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। তার পর এবারই দীপাবলি উৎসবে মেতেছে অযোধ্যা। দীপোৎসবে (Deepotsav) মেতেছে রামলালার শ্বশুরবাড়ির দেশ নেপালও। সেখানকার জনকপুরে পালিত হচ্ছে দীপোৎসব। এই জনকপুরই মা সীতার জন্মস্থান বলে হিন্দুদের বিশ্বাস। কেবল দীপোৎসব নয়, উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটায়ও মেতেছেন জনকপুরবাসী।

    কী বলছেন অযোধ্যার মহন্ত (Deepawali)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহন্ত রাম রোশন দাস চলতি বছরের দীপোৎসবের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “২২ জানুয়ারি রামলালা মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। এটি সারা বিশ্বের হিন্দুদের, সনাতনীদের কাছে একটা স্বপ্ন পূরণের মতো ছিল। যে মন্দিরে রামলালা প্রতিষ্ঠিত, সেখানে প্রথমবারের মতো দীপোৎসব পালিত হতে চলেছে। এটি সাধারণ দীপোৎসব নয়। কারণ কিশোরী (সীতা) ও রামজি দুজনকেই সজ্জিত করা হবে। কিশোরীজির রূপে লক্ষ্মী এবং রামলালার রূপে বিষ্ণুজি। এটি তাঁর নতুন গৃহ নির্মাণের পর প্রথম দীপোৎসব, যা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয় (Deepawali)।”

    আরও পড়ুন: ‘‘শেষের শুরু’’! হিজবুল্লার নতুন প্রধান কাশেমকে হুঁশিয়ারি ইজরায়েলের, বার্তা ইরানকেও

    দীপোৎসব রামের শ্বশুরবাড়ির দেশেও

    অযোধ্যার জন্মস্থানে যখন উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে, তখন বুধবার সরযূ নদীর তীরে দীপোৎসব উপলক্ষে ২৫ লাখ দীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে। দীপাবলি নিয়ে সমানভাবে উৎসাহী জনকপুরের বাসিন্দারাও। দীপাবলি উদযাপনের প্রস্তুতিতে শহরের রাস্তাগুলো আলোকিত করে রাখা হয়েছে। জনকপুরের বাসিন্দা অমর নাথ গুপ্ত বলেন, “অযোধ্যা এবং জনকপুরে রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো আমরা দীপাবলি উদযাপন করছি। জনকপুর হল ভগবান রামের শ্বশুরালয়। জনকপুরধামের মানুষদের মধ্যে এবার দীপাবলি নিয়ে প্রবল উচ্ছ্বাস রয়েছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে (Deepotsav) রাখতে আমরা বিভিন্ন স্থানে রং করার কাজ, নির্মাণ করার কাজ সম্পন্ন করেছি। দীপাবলির দিনে পুরো শহরকে আলোয় ভরিয়ে তোলার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। এবারের দীপাবলি সত্যিই এমন কিছু হবে যা সারা জীবনের জন্য মনে থাকবে (Deepawali)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electricity Trade Deal: ভারত-নেপাল-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হল

    Electricity Trade Deal: ভারত-নেপাল-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠমান্ডুতে গত ৩ অক্টোবর ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এর ফলে তিন দেশের আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যে (Electricity Trade Deal) আরও গতি আসবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। প্রসঙ্গত, এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতবর্ষে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশে তার অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎকে রফতানি করতে পারবে নেপাল। দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    এর ফলে নেপাল প্রতি বছর ৯২ লাখ মার্কিন ডলার আয় করতে পারবে

    এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতি বছর বর্ষাকালে, বিশেষত ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত নেপাল, বাংলাদেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ (Electricity Trade Deal)  করতে পারবে। ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে যাওয়া ধলকেবর-মুজাফফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি করবে নেপাল। প্রসঙ্গত, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে নেপাল প্রতিবছর ৯২ লাখ মার্কিন ডলার আয় করতে পারবে। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় হাজির ছিলেন নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (এনইএ) আধিকারিক কুলমান ঘিসিং, ভারতের এনটিপিসি-র সিইও ডিনো নারান এবং বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহম্মদ রিজওয়ান করিম। এছাড়াও হাজির ছিলেন নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী দীপক খাডকা এবং বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

    আগেই স্বাক্ষরিত হত, তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে যায়

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেপাল (Nepal), ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ এর মাধ্যমে শুধু অর্থনৈতিক সম্পর্কই নয়, তার সঙ্গে এই তিন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাও (Electricity Trade Deal)  শক্তিশালী হবে। নেপাল তার অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসের ২৮ তারিখে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তখনকার মতো তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এর পরবর্তীকালে তিন দেশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কাঠমান্ডুতে বিস্তারিত আলোচনা করেন এই নিয়ে। তারপরেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ নিয়ে পরবর্তীকালে তিন দেশের আধিকারিকদের মধ্যেই মউ সাক্ষরিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VHP: ভারত থেকে নেপালে নিয়ে গিয়ে শতাধিক হিন্দুকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, রুখল ভিএইচপি

    VHP: ভারত থেকে নেপালে নিয়ে গিয়ে শতাধিক হিন্দুকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, রুখল ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ নেপালে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তকরণের (Christian Conversion) চেষ্টা রুখে দিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। যে একশো জনকে ধর্মান্তকরণ করতে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাদের মুখে মাখিয়ে দেওয়া হয় কালো রং। আর যে পাদ্রী এই একশোজন ভারতীয়কে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করতে এসেছিলেন, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ধর্মান্তকরণ নিয়ে ভারত কড়া হতেই ফিকির বের করছে ধর্মের কারবারিরা। তারা এখন ভারত থেকে ভিন দেশে লোক নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তকরণ করছে। দীক্ষা-পর্ব শেষ হওয়ার পর তাদের নিয়ে ফিরছে দেশে।

    ভেস্তে দিল ভিএইচপি (VHP)

    ঘটনার সূত্রপাত ১৪ সেপ্টেম্বর। এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের নেপালি শাখার কর্মীরা খবর পান মহারাজগঞ্জের থুথিবাড়ি শহর থেকে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় হিন্দুকে নেপালে ধর্মান্তকরণের জন্য নিয়ে যাচ্ছে একটি খ্রিস্টান গোষ্ঠী। দুটি বাসে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল নেপালে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েই বাস দুটি থামিয়ে দেয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের লোকজন। এনিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ধর্মান্তরিত হতে আসা লোকজনের হাতাহাতি হয়। পরে ধর্মান্তরিত হতে আসা লোকজনের মুখে কালো রং মাখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন, আমেরিকায় সাংবাদিককে নিগ্রহ কং সমর্থকদের

    পাদ্রী সাহেবকে মারধর

    জানা গিয়েছে, যাদের ধর্মান্তরিত করতে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাদের বেশিরভাগই মহিলা (VHP)। শিশুও ছিল বেশ কিছু। এঁদের অনেকেই দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। আর যে পাদ্রী তাদের দীক্ষিত করতে নিয়ে আসছিলেন, তাঁর নাম আমোস। নেপালের খৈরাহানি এলাকার একটি গির্জায় তাদের ধর্মান্তকরণ করতে তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আগাম খবর থাকায় পাদ্রী সাহেবের পুরো পরিকল্পনাটাই ভেস্তে যায়। ভারত থেকে যারা ধর্মান্তরিত হতে নেপালে গিয়েছিল, তাদের মুখে কালো রং মাখিয়ে দেওয়া হয়। পাদ্রীকে মারধর করা হয়। যে বাসে করে তারা নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল, সেই বাস দুটিকে ভারত-নেপাল সীমান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ৩১ অগাস্টও নেপাল সীমান্তে গ্রেফতার করা হয় কেরলের দুই ব্যক্তিকে। স্থানীয় চার্চে ধর্মান্তকরণ করানোর ধান্ধায় ছিল তারা। স্থানীয়রা তাদের ধরে তুলে দেয় (Christian Conversion) পুলিশের হাতে (VHP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nepal Ghar Wapsi: নেপালে ২০০০ খ্রিস্টানকে ‘ঘর ওয়াপসি’ করাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    Nepal Ghar Wapsi: নেপালে ২০০০ খ্রিস্টানকে ‘ঘর ওয়াপসি’ করাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নেপালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি, Vishva Hindu Parishad  Nepal) ২০০০ হিন্দুকে ‘ঘর ওয়াপসি’ (Nepal Ghar Wapsi) করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ধর্মান্তরের শিকার হওয়া হিন্দুদের আর একবার নিজের ধর্মে ফিরিয়ে এনে সামজিক ভারসাম্যকে রক্ষা করেছে ভিএইচপি। নিজের ধর্মে ফিরিয়ে পরিবর্তনশীল জনসংখ্যার আবহে, সনাতন ধর্মের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতিকে আর একবার পুনর্ব্যক্ত করেছে ভিএইচপি নেপাল। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাজার হাজার খ্রিস্টানকেও হিন্দু ধর্মে স্বাগত জানানো হয়েছে। বিপথগামী এই ব্যক্তিদের পুনরায় একত্রিত করতে এবং তাঁদের মধ্যে সনাতনী আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে শক্তিশালী করতে একটি হিন্দু আচার অনুষ্ঠানও এদিন পালিত হয়েছে। যাঁরা নিজের ধর্মে ফিরলেন, তাঁরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

    বৈদিক মন্ত্র পাঠ এবং যজ্ঞের প্রত্যাবর্তন (Nepal Ghar Wapsi)

    নেপাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad  Nepal) জাতীয় সংগঠন সম্পাদক, জাতীয় সভাপতি এবং অনেক সমাজকর্মী সম্মিলিত ভাবে এই ‘ঘর ওয়াপসি’ (Nepal Ghar Wapsi) অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এই অনুষ্ঠানে বৈদিক মন্ত্র পাঠ এবং যজ্ঞের মাধ্যমে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণকারীরা নিজের ইচ্ছায় সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন। হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে সকল নারী ও পুরুষেরর মুখে আনন্দ, হর্ষ এবং উল্লাসের চিত্র ধরা পড়েছে। এই বিষয়ে, ধর্মান্তরের শিকার ভীম পরাজুলি বলেন, “সনাতন ধর্ম থেকে খ্রিষ্টান ধর্মে রূপান্তরের জন্য প্রচুর প্রলোভন এবং আর্থিক সহযোগিতার কথা বলা হত। আর ঠিক সেই আবহের মধ্যে পড়ে গভীর ধর্মীয় মেরুকরণের শিকার হয় মানুষ। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে গোটা ষড়যন্ত্রের কুপ্রভাব সম্পর্কে বুঝতে পারেন সকলেই। যাঁরা অজ্ঞতার কারণে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে আমরাও ছিলাম। এখন স্বেচ্ছায় আমরা সনাতন ধর্মকে স্বীকার করেছি এবং হিন্দু ধর্মও আমাদের স্বাগত জানিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ মার্কিন মুলুকে হামলার ষড়ষন্ত্র, গণহত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার পাক তরুণ

    হনুমান চাল্লিশা দিয়ে বরণ করা হয়

    নেপালের সুনসারি, মোরাং এবং অন্যান্য জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ স্বেচ্ছায় স্বধর্মে (Nepal Ghar Wapsi) ফিরে আসতে শুরু করেছেন। এদিন যজ্ঞের পর সকল প্রত্যাবর্তনকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয় হনুমান চালিশা। ফলে মূল বিশ্বাসের শিকড় অন্বেষণ ও স্মরণ করার কাজ সহজ হয়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে খজরানা গণেশ মন্দিরে আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের আটজন ব্যক্তি হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। একই ভাবে ঝাড়খণ্ডেও ১৫০ জন মানুষ খ্রিষ্টান ধর্ম ছেড়ে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে (Vishva Hindu Parishad  Nepal) জানানো হয়েছে, সকলকেই সম্পূর্ণ আচার-অনুষ্ঠান, বিধি-নিয়ম মেনে সনাতন ধর্মে স্বাগত জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident) মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪১ জন মৃত বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন শুক্রবার রাতে এই কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাঁদের দেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার এ বিষয়ে দিল্লির (Indian Embassy) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি কপ্টারে উড়িয়ে আনবে। বাসটি উত্তরপ্রদেশ থেকে নেপালে গিয়েছিল। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    নেপালে বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident)  শোকপ্রকাশ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার বেলায় পোখরা  থেকে কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। তনহুঁ জেলার মারশিয়াংড়ি নদীতে আচমকা বাস উল্টে যায়। খরস্রোতা নদীতে বাসটিকে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কিন্তু যাত্রীদের অনেককেই বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। 

    হেল্পলাইন নম্বর বিদেশমন্ত্রকের

    ভারত থেকে নেপালে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের ওই বাসে (Nepal Bus Accident) অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানান, তিনি নেপালের বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্র মহারাষ্ট্র সরকারকে সবরকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি শনিবারই দেশে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে মহারাষ্ট্রের নাসিকে নিয়ে আসা হবে দেহগুলি। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তা তুলে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদেশমন্ত্রক। 

    নেপালের ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে (Indian Embassy) জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসের ভারতীয় যাত্রীরা নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলেন। পোখরা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা। কীভাবে বাসটি রাস্তা থেকে নদীতে পড়ে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপাল প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ভরা বর্ষায় নেপালে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। নানা জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share