Tag: Nepal

Nepal

  • UPI Payment: নেপালে ইউপিআই দিয়ে পেমেন্ট! খুশি ভারতীয় পর্যটকরা

    UPI Payment: নেপালে ইউপিআই দিয়ে পেমেন্ট! খুশি ভারতীয় পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়রা নেপালে ইউপিআই-এর (UPI Payment) মাধ্যমে টাকার লেনদেন করতে পারবেন। শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স, মালদ্বীপের মতো এবার ভারতীয় পর্যটকরা নেপালে গিয়ে গুগল পে, ফোন পে, পেটিএম ব্যবহার করে লেনদেন করতে পারবেন। কোনও পর্যটকের কাছে নগদ টাকা না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে না। স্বাভাবিকভাবেই নেপালে ইউপিআই চালু হলে, নেপাল ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন সহজসাধ্য হবে।

    নেপালে ইউপিআই-এর সুবিধা

    এনসিপিসিআই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টস লিমিটেড (NIPCL), ন্য়াশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (NPCI) আন্তর্জাতিক শাখা ও ফোন পে পেমেন্টস সার্ভিস লিমিটেড, নেপালের পেমেন্ট নেটওয়ার্কের তরফে সম্প্রতি ঘোষণা করা হয় দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ইউপিআই-এর মাধ্যমে নগদের লেনদেনে আর বাধা রইল না। ভারতীয় নাগরিকরা বা ইউপিআই (UPI Payment) ব্যবহারকারীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নেপালি ব্যবসায়ীদের পেমেন্ট করতে পারবেন। এনআইপিএল-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারের কথায়, ‘আমরা নেপালে ইউপিআই পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করতে পেরে ও ফোন-পে-এর সঙ্গে হাত মেলাতে পেরে আনন্দিত। আমাদের এই উদ্যোগ একদিকে ডিজিটাল পেমেন্টে মানুষকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। অপরদিকে ব্যবসায়িক দিক থেকে সুবিধাজনক হবে। নতুন এক দিক খুলে দেবে। এর ফলে দুই দেশের বন্ধন আরও মজবুত হবে।’

    আরও পড়ুন: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    জনপ্রিয় মাধ্যম ইউপিআই

    বর্তমানে সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, কানাডা, ওমান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সহ একাধিক দেশে ইউপিআই অ্যাপ (UPI Payment) ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নগদের লেনদেনের সুবিধা মিলছে। ডিজিটাল পেমেন্টের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল ইউপিআই। টাকা পাঠানো, কেনাকাটা করা, ফোনের রিচার্জ কিংবা বিদ্যুতের বিল দেওয়া— সর্বত্রই এখন ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ‘ইউপিআই’-এর মাধ্যমে লেনদেন বাড়ছে। এনআইপিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিতেশ শুক্লা এ প্রসঙ্গে বলেন, “এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট সেক্টরে উদ্ভাবনের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিই প্রতিফলিত করে না, বরং বাণিজ্যের জন্য নতুন রাস্তা তৈরি করার, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রতি আমাদের উদ্দাম আগ্রহকেও প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, ফোনপে (Fonepay) এর প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক ডি কুমার দাবি করেছেন যে এর (UPI) ফলে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও পর্যটনের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। এটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    Nepal: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে (Nepal) ফের জোরালো হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি। এ আওয়াজ তোলা হচ্ছে সে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে। দেশজুড়ে বইছে হিন্দুত্বের হাওয়া। এমতাবস্থায় চার দিনের বৈঠকে বসে নেপালি কংগ্রেস ন্যাশনাল কাউন্সিল। রাজতন্ত্রের দাবিও তুলেছেন নেপালি জনতা।

    দাবিসনদ পেশ

    নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহলের কাছে ৪০টি দাবি সম্বলিত একটি সনদও পেশ করেছে নেপালের রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি। বুধবার নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করেন রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক। পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন দাবি সনদ। রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র লিংগডেন বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চালিয়ে যাবে। সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করলে বড়সড় আন্দোলনে নামব আমরা।” ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ ঘটে নেপালে। দেশকে ঘোষণা করা হয় অ-হিন্দু রাষ্ট্র। ২০১৫ সালে নয়া সংবিধানের মাধ্যমে সরকারিভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ প্রজাতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয় নেপাল।

    রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি

    নেপালে রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিনের। হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিও বহু পুরানো। জনতার এই দাবিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে সনাতন হিন্দু স্টেট নেপাল মেগা ক্যাম্পেন। এই সংগঠনের নেতা শঙ্কর ভাণ্ডারি। নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি এনসি পার্টিরও। এই দলের প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবা বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হন নেপালি কংগ্রেসে।

    ২০২২ সালে নেপালের (Nepal) সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জয়ী হয় ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে। দেশের পঞ্চম বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হিসেবে জায়গা করে নেয়। ভোটের পর রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জোট সরকারেরই অংশ ছিল। ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা বিরোধী বেঞ্চে বসে। নেপালের এই দলটিই দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ৯ পাতার ‘ইভেন্ট গাইড’! অম্বানী-পুত্রের বিয়েতে অতিথিদের জন্য চার্টার্ড বিমান

    হিন্দুত্বের দাবিতে সরব হয়েছে নেপালের জেনারেল রুকমানগুড় কাটাওয়াল। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নেপালের সেনাবাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের এই প্রচার দেশকে হিন্দুত্ববাদী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা নয়, সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টানদের এক ঘরে করে দেওয়াও নয়। আমাদের প্রচার শুধুমাত্র নেপালের (Nepal) হিন্দু পরিচয় ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়রি। এই দিন হবে শ্রী রামচন্দ্রের ‘অভিষেক’। রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, রামের শ্বশুরবাড়ি ছিল জনকপুরধাম। এই ধাম থেকে প্রভু রামলালার জন্য উপহার হিসাবে আসবে গয়না, জামাকাপড়, মিষ্টির নানান পসরা। এরপর তা দিয়ে করা হবে রামলালার অভিষেক এবং পুজো। সেই সঙ্গে নেপাল থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে একটি বিশেষ শোভা যাত্রাও আসবে বলে জানা গিয়েছে। 

    জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যায় যাত্রা (Ayodhya Ram Mandir)

    রামায়ণে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে, শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল জনকপুরের রাজকন্যা সীতা মাতার সঙ্গে। এই জনকপুর এখন বর্তমানে নেপালে। প্রভু রামের মন্দিরে অভিষেকের দিনে এই সীতার বাপের বাড়ি থেকে আসবে বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি সহ নানা উপহার। সেই সঙ্গে জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত সীতামায়ের বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রাও হবে। আগামী ২০ জানুয়ারিতে এই যাত্রা শেষ হবে। এরপর মন্দির ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) হাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসা নানা উপহার তুলে দেওয়া হবে।

    জানকী মন্দিরের পক্ষে বক্তব্য

    জনকপুরধামের জানকী মন্দিরের প্রধান মহন্ত রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে বিশেষ যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বর, মাংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকে যাত্রা করবে। এরপর বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরক্ষপুর হয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) পৌঁছাবে যাত্রা।” প্রভু রামের উদ্দেশে এই যাত্রা ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    মন্দির নির্মাণে নেপালের বড় অবদান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর তীর থেকে শালগ্রাম শিলা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। ইতিপূর্বে এই শিলা থেকেই প্রভু রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এই শিলা নির্মিত মূর্তি, মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: ভূমিকম্পে ফের কাঁপল কাঠমাণ্ডু, রবিবার আতঙ্কে কাটল নেপালবাসীর

    Earthquake: ভূমিকম্পে ফের কাঁপল কাঠমাণ্ডু, রবিবার আতঙ্কে কাটল নেপালবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কেঁপে উঠল নেপাল। শুক্রবার গভীর রাতে ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠেছিল কাঠমাণ্ডু। তার রেশ পুরোপুরি কাটার আগেই রবিবার ভোরে আবারও একবার কেঁপে উঠল নেপাল। শুক্রবার কম্পনের মাত্রা বেশি থাকলেও, রবিবার ভোরের কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৬। নেপালের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল কাঠমাণ্ডু থেকে ১৬৯ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এদিন পর পর বেশ কয়েকবার যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৩.৩।

    রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা

    শুক্রবার নেপালে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৬.৪। মাঝ রাতের ওই ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় শতাধিক মানুষের। এখনও চলছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে নেপালের সেনাবাহিনী, নেপালি সেন্টিনাল ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। আশপাশের এলাকা থেকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রীও সংগ্রহ করা হচ্ছে। ছুটি বাতিল করা হয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে (Earthquake) বলেই খবর।   

    ১৫৯ বার কেঁপেছিল নেপালের মাটি

    ভূমিকম্পের পর পর হয় আফটার শক। সেদিনও ১৫৯ বার কেঁপেছিল নেপালের মাটি। শুক্রবারের ওই কম্পনের আঁচ এসে লেগেছিল ভারতের একটি অংশেও। কম্পন অনুভূত হয়েছিল দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের একাংশে। রবিবার যে ভূমিকম্প হয়, তার জেরে ফের একপ্রস্ত আতঙ্ক ছড়ায়। এদিন নেপালের পাশাপাশি ভূমিকম্প হয়েছে আফগানিস্তানেও। গভীর রাতে কম্পন অনুভূত হয় ফয়জাবাদে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। তবে কম্পন অনুভূত হলেও, ক্ষয়ক্ষতি তেমন কিছু হয়নি।

    আরও পড়ুুন: “মহাদেবের নামেও লুট করতে ছাড়ছে না কংগ্রেস”, ছত্তিশগড়ে তোপ মোদির

    এদিন গোটা ভারতে কোনও কম্পন অনুভূত না হলেও, উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় অনুভূত হয় কম্পন। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, অযোধ্যায় কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৬। উৎসস্থল ছিল অযোধ্যা থেকে ২১৫ কিলোমিটার উত্তরে, ভূপৃষ্ট থেকে ১০ কিমি গভীরে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালেও একবার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেবার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বলি হয়েছিলেন ৯ হাজার জন। শুক্রবার ভোরের কম্পন উসকে দেয় আট বছর আগের ওই স্মৃতি। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা পার করেছে (Earthquake) ১৫০র গণ্ডী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তার হড়পা বানের (Flash Flood) জেরে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে জাতীয় সড়ক। তাই সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সিকিমের। মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের একটা বড় অংশের। তবে সিংহভাগ বিজ্ঞানীর দাবি, সিকিমের এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে রয়েছে নেপালের মঙ্গলবারের ভূমিকম্প।

    পাড় ভাঙল লোনকের

    বিষয়টি তবে খুলেই বলা যাক। বুধবার কাকভোরে ফেটে যায় উত্তর সিকিমের পাহাড়ি হ্রদ লোনকের পাড়। হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে বিশাল জলরাশি। পড়ে তিস্তায়। একলপ্তে তিস্তার জলস্তর বেড়ে যায় ১৫-২০ ফুট। হড়পা বান চলে আসায় লন্ডভন্ড হয়ে যায় উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশ। কোথাও ভেঙে গিয়েছে সেতু, কোথাও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সড়ক। বাড়িঘরের পাশাপাশি ভেসে গিয়েছে মানুষ ও তাঁদের পোষ্যরা। বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। নিখোঁজ শতাধিক।

    নেপালে ভূমিকম্প

    সিকিমের এই বিপর্যয়ের কারণ কেবল হড়পা বান (Flash Flood) নয়। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে নেপালের ভূমিকম্প। গত মঙ্গলবার ভূমিকম্প হয় নেপালে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। এদিন ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানে পরপর চারবার কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেই কম্পনের আঁচ পেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, চণ্ডীগড়, জয়পুর এবং উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশের বাসিন্দারা। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভূকম্পনের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়। এর পর মেঘভাঙা বৃষ্টির জল এসে পড়ায় জলের চাপ সহ্য করতে পারেনি দুর্বল বাঁধ। যার জেরে দেখা দেয় বিপর্যয়।

    আরও পড়ুুন: হড়পা বানে বিধ্বস্ত সিকিম, চারদিকে ধ্বংসলীলার ছবি, আটকে ৩ হাজার পর্যটক

    সম্প্রতি লোনকের একটি উপগ্রহচিত্র প্রকাশ করেছে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার। তাতে দেখা গিয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর হ্রদের যা বিস্তৃতি ছিল, তা কমে গিয়েছে। ১৬৮ হেক্টর এলাকা নিয়ে লোনক হ্রদ। তা কমে গিয়ে বর্তমানে হ্রদের আয়তন দাঁড়িয়েছে ৬০ হেক্টরে। যার অর্থ, জল ডাঙায় উঠে এসেছে। জলস্তরের সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন।

    এর আগে একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, লোনক হ্রদের আয়তন ক্রমেই বাড়ছিল। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে হিমবাহ গলে সেই জল জমছিল হ্রদে। বুধবার যখন এই এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়, তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেনি লোনক। বিশাল জলরাশি হুড়মুড়িয়ে এসে পড়ে তিস্তায় (Flash Flood)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Asian Games 2023: এশিয়ান গেমস আর্চারিতে সোনা-রুপো নিশ্চিত! যশস্বীর শতরানে ক্রিকেটে শেষ চারে ভারত

    Asian Games 2023: এশিয়ান গেমস আর্চারিতে সোনা-রুপো নিশ্চিত! যশস্বীর শতরানে ক্রিকেটে শেষ চারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যশস্বীর শতরান, রিঙ্কুর ঝড়ো ব্যাটে ভর করে এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2023) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। নেপালকে ২৩ রানে হারিয়ে দিল তারা। প্রথমে ব্যাট করে ২০২ রান করে ভারত। নেপাল করে ১৭৯ রান। এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মঙ্গলবার তিনি টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ঋতুরাজের সঙ্গে এদিন ওপেন করেন যশস্বী। ১০০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। এর মধ্যে মাত্র ২৫ রান করেন ঋতুরাজ। ৪৯ বলে ১০০ রান করে আউট হন যশস্বী। আটটি চার এবং সাতটি ছক্কা মারেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তাঁর দ্বিতীয় শতরান। প্রথম শতরান করেছিলেন টেস্টে। ভারতের রঙিন জার্সিতে এটাই তাঁর প্রথম শতরান। যশস্বী আউট হওয়ার পরে মাঠে নামেন রিঙ্কু। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে নজর কাড়া ব্যাটার নেপালের বিরুদ্ধে ১৫ বলে ৩৭ রান করেন। চারটি ছক্কা মারেন রিঙ্কু। দু’টি চার মারেন তিনি। শেষ বেলায় দ্রুত রান তুলে দলকে ২০০-র গণ্ডি পার করান রিঙ্কু।

    হকিতে দাপট ভারতের মেয়েদের

    মেয়েদের হকিতেও সেমিফাইনালে পৌঁছেছে ভারত। এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) মঙ্গলবার হংকংকে ১৩ গোল দেন সবিতা পুনিয়ারা। গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে জায়গা পাক করে ফেললেন ভারতের মেয়েরা। ছেলেরা আগেই পৌঁছে গিয়েছিল সেমিফাইনালে। ভারতীয় ছেলেদের সেমিফাইনাল বুধবার। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে তারা। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি চিন এবং জাপান। 

    এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) মঙ্গলবার অর্জুন সিং, সুনীল সিং জুটি ব্রোঞ্জ তুলে নিলেন ১ হাজার মিটার ক্যানো ডাবলস থেকে। কোরিয়ার জে হুনজুনকে সেমিফাইনালে মাত্র ২ পয়েন্টে হারিয়ে আর্চারির কম্পাউন্ড বিভাগের ফাইনালে পৌঁছলেন ভারতের অভিষেক ভার্মা। রুপো নিশ্চিত করলেন তিনি। 

    মেয়েদের ইভেন্টেও ফাইনালে উঠেছেন ভারতের জ্যোতি সুরেখা। ভারতেরই অদিতি গোপীচাঁদকে হারিয়ে আর্চারি কম্পাউন্ডের ব্যক্তিগত ইভেন্টের ফাইনালে ওঠেন জ্যোতি। ১৩তম শট পর্যন্ত ১ পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন জ্যোতি। কিন্তু শেষ সিরিজে তিনটে পারফেক্ট টেন শট নিয়ে ফাইনালে উঠে পড়লেন জ্যোতি। অদিতি শেষ সিরিজে চাপ রাখতে পারেননি। আর্চারিতে সোনার ম্য়াচে নামবেন জ্যোতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে ভলিবল দল! টেবল টেনিসে জয় বাংলার সুতীর্থার

    Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে ভলিবল দল! টেবল টেনিসে জয় বাংলার সুতীর্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে  এশিয়াডের টিম ইভেন্টগুলি। আজ, শনিবার বিকেলে ১৯তম এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2023) শুভ উদ্বোধন। ভারতের মোট ৬৫৫ জন অ্যাথলিট (কর্তাদের দল আলাদা) এবার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েছেন। এত বড় দল এর আগে কোনওদিন গেমসে অংশ নেয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবার দেশের হয়ে দু’জন পতাকা বইবেন। একজন নামী মহিলা বক্সার লভলিনা বারগোঁহাই (Lovlina)। অন্যজন পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং (Harmanpreet Singh)।

    ভলিবলে দারুণ শুরু

    পদক জয়ের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দল। শনিবার প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপেকে ২৫-২২, ২৫-২২, ২৫-২১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলেন অমিত গুলিয়া, আশোয়াল রাইরা। গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক-আউটে জায়গা করে নেয় ভারত। প্রথম ম্যাচে হারিয়েছিল কম্বোডিয়াকে। তবে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের লড়াইটা ছিল বেশ কঠিন। কারণ, প্রতিপক্ষ দলটি ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। যারা তিন বার এশিয়ান গেমসে সোনা জিতেছে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার বাধা টপকে বড় চমক দেয় ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দল। সাফল্যের সেই ধারা অব্যাহত রইল শেষ ষোলোর লড়াইয়েও। 

    শক্তির নিরিখে এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই নেমেছিল ভারত। চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধ ৩-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিততে ভারতীয় পুরুষ ভলিবল দলের সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। আশোয়াল ছাড়াও ভারতের জয়ে বড় অবদান রয়েছে বিনীত কুমারেরও। একাই ১৪ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছেন আশোয়াল। বিনীত সংগ্রহ করেছেন ১২ পয়েন্ট। তবে প্রথম সেটে একটা সময় ১০-৬ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিল চাইনিজ তাইপে। সেখান থেকে দুরন্ত কামব্যাক করে ভারত। সেই সেট শেষ পর্যন্ত ২১-২১ হয়। যদিও শেষ হাসি হাসে ভারত।


    লড়াই হয় দ্বিতীয় সেটেও। একটা সময় স্কোর ছিল ১৭-১৭। তবে তৃতীয় সেটে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতে দেননি ভারতীয় খেলোয়াড়রা। সেট জেতার পাশাপাশি ম্যাচও পকেটে পুরে ফেলে ভারত। ২৪ সেপ্টেম্বর হবে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। এক্ষেত্রে ভারতের প্রতিপক্ষ হতে পারে শক্তিশালী জাপান কিংবা কাজাকিস্তান।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ জিতলে কত টাকা পাবে টিম ইন্ডিয়া? পুরস্কারমূল্য জানাল আইসিসি

    টেবিল টেনিসেও জয়-যাত্রা

    টেবিল টেনিসে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেলন বাংলার সুতীর্থা। পুরুষদের দলগত ম্যাচে জিতেছেন হরমীত, মানবও। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দিয়া পরাগ চিতালে ও নেপালের সিক্কা শ্রেষ্ঠা। ১১-১, ১১-৬, ১১-৮ ব্যবধানে জেতেন দিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলার ঐহিকা মুখোপাধ্যায় ১১-৩, ১১-৭, ১১-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দেন নবিতা শ্রেষ্ঠাকে। বাংলার আরও এক কন্যা সুতীর্থাও সহজ জয় পেয়েছেন ইভানা থাপা মাগারের বিরুদ্ধে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal Janata Party: আড়েবহরে বাড়ছে নেপাল জনতা পার্টি, প্রতিবেশী দেশে পক্ষ বিস্তার বিজেপির?

    Nepal Janata Party: আড়েবহরে বাড়ছে নেপাল জনতা পার্টি, প্রতিবেশী দেশে পক্ষ বিস্তার বিজেপির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় হিন্দুরাষ্ট্র ছিল নেপাল। পরে সংবিধান সংশোধন করে দেশ হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ। এর পরেই হিন্দুদের একাংশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁরাই এখন আশ্রয় নিচ্ছেন নেপাল জনতা পার্টির (Nepal Janata Party) ছাতার তলায়। যে কারণে হিমালয়ের কোলের এই দেশে নিত্য আড়েবহড়ে বাড়ছে নেপাল জনতা পার্টি।

    নেপাল জনতা পার্টি

    ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা হয় নেপাল জনতা পার্টি। এর দু’ বছর পর থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভারতের পদ্ম-পার্টির মতো নেপাল জনতা পার্টিরও প্রতীক পদ্ম। দুই পার্টির নীতি, আদর্শ মায় ভাবধারাও প্রায় এক। নেপালে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের কথা বলে ওই দল। তুলে ধরছে অবিচ্ছেদ্য মানবতাবাদের আদর্শকেও। এহেন নেপাল জনতা পার্টি (Nepal Janata Party) চর্চায় এসেছে সম্প্রতি। গত বছর স্থানীয় নির্বাচনে ১৭টি আসনে জয়ী হয়েছিল ওই দল। ২০২৭ সালে নেপালে সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে কুর্সি দখল করা যায়, তাই এখন থেকেই কোমর কষে নেমেছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

    হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি

    নেপাল জনতা পার্টির কার্যনির্বাহী সভাপতি খেমনাথ আচার্য। তিনি বলেন, “নেপালের জনসংখ্যার ৮১ শতাংশই হিন্দু। এই ভোটব্যাঙ্ককেই টার্গেট করছি আমরা।” দলের সদস্য যোগী পুরিও জানান, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু নাগরিকের স্বার্থ রক্ষার্থেই হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা উচিত নেপালের। এজন্য বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাকও দিয়েছেন পুরি। নেপালের পার্লামেন্টের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ। আসন সংখ্যা ২৭৫টি। তাই ১৩৮টি আসন জয়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন নেপাল জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব। মাসখানেক আগে রাজধানী কাঠমান্ডুতে দলের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। তার পরেই শুরু হয়েছে সদস্য সংগ্রহের কাজ। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, ইতিমধ্যেই ৪০ হাজার মানুষ চলে এসেছেন পার্টির ছাতার তলায়। ঊর্ধ্বমুখী সদস্য সংগ্রহের গ্রাফ।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ফোন ভ্লাদিমির পুতিনের, কী কথা হল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের?

    জানা গিয়েছে, অগাস্টের প্রথম দিকেই দিল্লি সফরে এসেছিলেন খেমনাথ। তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন বিজেপির (Nepal Janata Party) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, লাদাখের সাংসদ জামইয়াং শেরিং নামগিয়ালের সঙ্গে। যোগগুরু বাবা রামদেবের সহযোগী বালকৃষ্ণের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। বিজেপির আরও অনেক শীর্ষ স্থানীয় নেতার সঙ্গেও কথা বলেন খেমনাথ। তিনি বলেন, “দেবভূমি নেপালের ৮০ শতাংশ নাগরিক হিন্দু। কিন্তু তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ নেতাদের ভয়ে নিজেদের হিন্দু বলে পরিচয় দিতে ভয় পান তাঁরা। এর ওপর রয়েছে ধর্মান্তরণের খাঁড়াও। তাই নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করার সময় এসেছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ন’ বছরে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুই-ই মজবুত করেছে ভারত। সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠকে একথাই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই দেশের উত্তরে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত করতেই এসব করছে মোদি সরকার। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই ভারত-কাঠমান্ডু রেলপথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। জয়শঙ্কর বলেন, শেষ পর্যায়ে রয়েছে রক্সৌল-কাঠমান্ডু ক্রস বর্ডার রেলওয়ে প্রজেক্ট। প্রজেক্টটি সম্পূর্ণ হলে ভারতের সঙ্গে কাঠমাণ্ডুর যোগাযোগ হবে সুগম। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “অসম থেকে ভুটান পর্যন্ত রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন করার কথাও ভাবছে মোদি সরকার।”

    ভারত-নেপাল যোগ

    জানা গিয়েছে, বিহারের চম্পারণের রক্সৌল থেকে বীরগঞ্জ, নিজগড়, সিন্সেনারি এবং খোকনা হয়ে পৌঁছবে রেলপথ পৌঁছবে কাঠমান্ডুর কাছের জেলা ললিতপুরে। নেপালে চিনের প্রভাব ঠেকাতেই এই রেললাইন গড়ায় তড়িঘড়ি করছে নয়াদিল্লি। এই পথে কার্গো এবং টু-টায়ার দু ধরণের ট্রেনই চালানো হবে। এতে যেমন কাঠমান্ডু যাওয়া অনায়াস হবে, তেমনি অন্য দেশে জিনিসপত্র পাঠানোও সহজ হবে। মোট রাস্তার ৪২ কিমি হবে টানেলের মধ্যে। পথে পড়বে ৪০টি বাঁক। তৈরি করতে হবে ১২৪টি ব্রিজ।

    ভারত-ভুটান সেতুবন্ধন

    কেবল নেপাল নয়, ভুটানের সঙ্গেও রেলপথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। এজন্য অসমের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের জিলেপেউ পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইন পাতা হবে। খরচ ধরা হয়েছে হাজার কোটি টাকা। দুই দেশের এই সেতুবন্ধনে তৈরি করতে হবে ৫৭.৫ কিলোমিটার রেলপথ। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ভারত-ভুটান রেলপথ চালু হয়ে গেলে ভুটানে আরও বেশি করে পর্যটক যেতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে তলব করে চার-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    জানা গিয়েছে, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ভারতের পক্ষে যতটা সহজ, ততটাই কঠিন হয়েছে মায়ানমার সীমান্তে ত্রিস্তরীয় হাইওয়ে তৈরির কাজ শেষ করা। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “হাইওয়ের কাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। বাকি থাকা কাজ শেষ করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।” তিনি জানান, এই হাইওয়ের দৈর্ঘ দাঁড়াবে ১৪০০ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maoist Leader: এনআইএর জালে শীর্ষ মাওবাদী নেতা দীনেশ, শিখ সেজে ব্যবসা করছিলেন নেপালে!

    Maoist Leader: এনআইএর জালে শীর্ষ মাওবাদী নেতা দীনেশ, শিখ সেজে ব্যবসা করছিলেন নেপালে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপাল (Nepal) থেকে গ্রেফতার মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা (Maoist Leader) দীনেশ গোপ (Dinesh Gope) ওরফে কুলদীপ যাদব ওরফে বাদকু। ভারতের প্রতিবেশী এই দেশে শিখের ছদ্মবেশ ধারণ করে একটি ধাবা চালাচ্ছিলেন তিনি। রবিবার ঝাড়খণ্ডের খুন্তি জেলার বাসিন্দা দীনেশকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ।

    ছদ্মবেশে নেপালে ছিলেন দীনেশ (Maoist Leader)

    গত বছর ৩ ফেব্রুয়ারি ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় মাওবাদীদের। ওই সংঘর্ষে মাওবাদীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দীনেশ। তার পরেই গা-ঢাকা দেয় সে। যদিও দু দশক ধরে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন দীনেশ (Maoist Leader)। ছদ্মবেশে নেপালে গিয়ে বিরাটনগরে খুলেছিলেন একটি ধাবা। পুলিশের নাগাল এড়াতে মাথায় পাগড়ি পরে শিখ সেজে পরিচয় গোপন করে দিব্যি চালাচ্ছিলেন ব্যবসা। ব্যবসা চালানোর পাশাপাশি বিরাটনগর থেকেই বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে এরিয়া কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রতিবার ফোনে কথা বলার পর সেই সিম ও মোবাইল নষ্ট করে ফেলতেন দীনেশ। হঠাৎই একদিন ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন এই ছদ্মবেশী। পুলিশ ফোনের অবস্থান লোকেট করে। বিরাটনগরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    দীনেশের (Maoist Leader) বিরুদ্ধে মামলার পাহাড়

    সূত্রের খবর, শীর্ষ এই মাওবাদী নেতার (Maoist Leader) বিরুদ্ধে ১০২টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। ঝাড়খণ্ড, বিহার ও ওড়িশায় খুন, অপহরণ, হুমকি, তোলাবাজি এবং পিএলএফআইয়ের হয়ে তহবিল সংগ্রহ করা সহ ১০২টি মামলা দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দীনেশকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৩০ লক্ষ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে এনআইএ ঘোষণা করেছিল ৫ লক্ষ টাকা। আর ২৫ লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছিল ঝাড়খণ্ড সরকার। বিরাটনগরে আটক করার পর তাঁকে নিয়ে আসা হয় দিল্লিতে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    ২০০৭ সালে গঠিত হয় পিএলএফআই। তার পর থেকে মাওবাদী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে ওঠে খুন, জখম সহ নানা অভিযোগ। কয়লা ব্যবসায়ী, রেলের ঠিকাদার এবং শিল্পোদ্যোগীদের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার অভিযোগও রয়েছে দীনেশের (Maoist Leader) সংগঠনের একাংশের বিরুদ্ধে। বেকার যুবক-যুবতীদের বাইক, মোবাইলের প্রলোভন দেখিয়ে অস্ত্র শিক্ষা দিত দীনের ওই সংগঠন। পরে তাদেরই কাজে লাগানো হত জঙ্গি কার্যকলাপে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share