Tag: netaji

netaji

  • Netaji Subhash Chandra Bose: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৭তম জন্মদিনে নেতাজির নানা কথা

    Netaji Subhash Chandra Bose: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৭তম জন্মদিনে নেতাজির নানা কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কদম কদম বাড়ায়ে যা…” এখনও শত কোটি ভারতবাসীর অনুপ্রেরণা। মহান দেশপ্রেমিক, বাঙলার বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৭ তম জন্মদিনে ভারতীয় যুব সমাজের কাছে আদর্শ তিনি। সুভাষচন্দ্র বসু থেকে নেতাজি উপাধি নিয়ে আপামর দেশবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠার নেপথ্যে রয়েছে নানা কাহিনী। তাঁর কথা স্মরণ করেই আজ সারা দেশে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস। 

    শিশু সুভাষ ও শিক্ষাজীবন

    ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি বেলা ১২টা বেজে ১০মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল ভারতের বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর। বাবা জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী দেবী। জানকীনাথ বসু একজন প্রসিদ্ধ আইনজীবী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সুভাষ পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন। অন্যান্য ভাই-বোনেদের মতো সুভাষকে প্রথমে কটকের প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপীয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল। স্কুলেই ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন পালন করে সাহেবদের বিষনজরে পড়েন তিনি। এরপর বারো বছর বয়সে তিনি কটকের র‌্যাভেনশা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তারপর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজ জীবন থেকে দেশের জন্য লড়াই করার ইচ্ছা জাগে সুভাষের মনে।

    দেশের জন্য চাকরি ত্যাগ

    ১৯২০ সালে নেতাজি ইংল্যান্ডে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশ করেনস। কিন্তু ভারতীয় স্বতন্ত্রতা সংঘর্ষে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। সিভিল সার্ভিস ছেড়ে দেওয়ার পরে দেশকে ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নেতাজিকে অত্যন্ত বিচলিত, মর্মাহত করে।

    স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ

    অসহযোগ আন্দোলনের সময়, জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের হরিপুরা অধিবেশনে কংগ্রেসের বাম গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ সমর্থনে তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের ত্রিপুরী অধিবেশনে গান্ধীজি মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সিতারামাইয়াকে ২০৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সভাপতির নির্বাচিত হন তিনি।

    কংগ্রেস ত্যাগ

    তরুণ সুভাষের রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। তাঁর হাত ধরেই সুভাষ প্রথম প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এমনকী দেশবন্ধুর স্ত্রী বাসন্তী দেবীও সুভাষকে খুবই স্নেহ করতেন এবং সুভাষ তাঁকে ‘মা’ বলে ডাকতেন। দেশবন্ধুর মতোই স্বরাজ অর্থাৎ পূর্ণ স্বাধীনতার সমর্থক ছিলেন নেতাজি। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন চরমপন্থীর নায়ক। তাই তাঁর চরমপন্থী চিন্তাধারার সঙ্গে কংগ্রেসের নরমপন্থীদের মতবিরোধ হয়। এমনকী কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে নরমপন্থীরা বিক্ষুব্ধ হলে সুভাষ অসন্তুষ্ট হয়ে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। এরপরই নেতাজির হাত ধরে তৈরি হয় “ফরওয়ার্ড ব্লক’। নতুন দলের হয়ে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য দেশবাসীকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন সুভাষচন্দ্র বসু।

    দেশ ত্যাগ- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই

    কিন্তু স্বাধীন ভারত গড়ার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই ব্রিটিশ পুলিশের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে ১৯৪১ সালে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে ছদ্মবেশ ধারণ করে আফগানিস্তানের কাবুল হয়ে জার্মানিতে যান এবং জার্মানির বার্লিনে একনায়কতন্ত্রের প্রতীক হিটলারের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য প্রার্থনা করেন। যদিও এখানে তাঁর উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় ডুবো জাহাজে করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসেন জাপানে। জাপান সরকারের সাহায্যে এবং রাসবিহারী বসুর সহায়তায় সুভাষচন্দ্র বসু গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। ভারতকে ইংরেজের হাত থেকে মুক্ত করতে নেতাজি ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর ‘‌আজাদ হিন্দ সরকার’‌-এর প্রতিষ্ঠা করার সময়ই ‘‌আজাদ হিন্দ সেনা’‌ গঠন করেন। এরপর সুভাষচন্দ্র বসু নিজের সেনা নিয়ে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই বর্মা (‌এখন মায়ানমার)‌ পৌঁছান। এখানে নেতাজি তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ‘‌তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ বলেছিলেন।

    নেতাজি অন্তর্ধান

    ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইপেইতে একটি বিমান দুর্ঘটনার পরই নেতাজির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর থেকেই নেতাজির নিখোঁজ নিয়ে একাধিক রহস্য ঘনীভূত হতে থাকে। মৃত্যু, অন্তর্ধান নাকি অন্য কিছু? আজও নেতাজির মৃত্যু কিংবা অন্তর্ধান নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোনও বিশেষ আদর্শের জন্য একজন মৃত্যুবরণ করতে পারেন। কিন্তু সেই আদর্শের মৃত্যু হয় না। সেই আদর্শ একজনের মৃত্যুর পর হাজার জনের মধ্যে ছড়িয়ে যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Book: স্বামীজি, নেতাজি ও প্রভুপাদের স্পর্শ পাওয়া দর্শনের পুস্তক এবার ডিজিটাল ফর্মে

    Digital Book: স্বামীজি, নেতাজি ও প্রভুপাদের স্পর্শ পাওয়া দর্শনের পুস্তক এবার ডিজিটাল ফর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিংশ শতাব্দীর তিন উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীল প্রভুপাদ ও নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু। আর এক অদ্ভুত সমাপতন এই যে তিন দেশনায়ক উত্তর কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্র ছিলেন। এই কলেজে অধ্যয়ন কালে তাঁদের মধ্যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও চেতনার  উন্মেষ ঘটতে শুরু করে। কলেজের দিনগুলিতে গ্রন্থাগারে গিয়ে তাঁরা মাঝে মধ্যেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা দর্শনের বিভিন্ন গ্রন্থের মধ্যে ডুবে থাকতেন। আর এমনই সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে কলেজের তৎকালীন ইতিহাস থেকে। এবার এই তিন মহাপুরুষের হাতের স্পর্শ পাওয়া দর্শনের সেই সব গ্রন্থের ডিজিটাইজেশনের (Digital Book) কাজ শুরু করল স্কটিশ চার্চ কলেজ। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘দর্শন এষণা’।

    কী বললেন কলেজের অধ্যক্ষ (Digital Book)?

    এই কাজে আর্থিক‌ ও কারিগরী‌ সহযোগিতা দিয়ে সাহায্য করেছে কলকাতার ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার। কলেজের গ্রন্থাগারে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ডিজিটাইজেশন প্রজেক্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষা ডক্টর মধুমঞ্জুরি মণ্ডল। তিনি বলেন, কলেজের জন্ম লগ্ন অর্থাৎ ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দ থেকে সংরক্ষিত প্রায় ১০০০ এর বেশি দুষ্প্রাপ্য দর্শনের বই রয়েছে কলেজের গ্রন্থাগারে। এই সব মহাপুরুষদের হাতের স্পর্শ পাওয়া গ্রন্থ সমূহ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নষ্ট হতে বসেছে। তাই অনেক দিন থেকেই এই সমস্ত বই ডিজিটাইজ (Digital Book) করার পরিকল্পনা চলছে। সম্প্রতি কলেজের গভর্নিং বডি সিদ্ধান্ত নেয় এই কাজ শুরু করার এবং সেই কাজ বর্তমানে চলছে। ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তাঁরা খুবই উপকৃত হলেন। এর ফলে মূল্যবান ইতিহাস রক্ষিত হতে পারল।

    সাহায্য করছে ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার (Digital Book)

    ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন সুমন্ত রুদ্র বলেন, প্রায় এক হাজার বই ডিজিটাইজ (Digital Book) করতে ৮ মাস সময় ধরা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দর্শনের বই ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। পরবর্তীকালে অন্যান্য দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের ডিজিটাইজেশনের কাজে তাঁরা কলেজের পাশে থাকবেন।  ভবিষ্যতে কলেজের ওয়েবসাইট থেকেই এইসব পুস্তক পাঠ করার সুযোগ পাওয়া যাবে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Netaji: নেতাজী জয়ন্তীতে জানুন তাঁর কিছু স্মরণীয় উক্তি 

    Netaji: নেতাজী জয়ন্তীতে জানুন তাঁর কিছু স্মরণীয় উক্তি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নেতাজী (Netaji) জয়ন্তী। ১৮৯৭ সালে আজকের দিনেই তিনি ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইতিমধ্যে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji) জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের উৎসব নেতাজী সুভাষ বসুর (Netaji) জন্মদিন থেকেই আয়োজন করা হয়েছিল এবং পরপর তিনদিন তা চলেছিল।

    আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৭ই জানুয়ারি ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে কলকাতার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বের হন। এক কঠিন সংকল্প!যে কোনও মূল্যে মাতৃভূমির শৃঙ্খল মোচন করতেই হবে। বাইরে থেকে আঘাত করতে হবে অত্যাচারী ব্রিটিশকে। দেশের সীমানা ত্যাগ করেন ২৬ জানুয়ারি। তারপর জার্মানি সেখান থেকে সাবমেরিনে জাপান। দায়িত্ব নেন আজাদ হিন্দ বাহিনীর। ১৯৪৩ সালে তৈরি করেন আজাদ হিন্দ সরকার। জাপান, জার্মানি , ইতালি সমেত মোট ৮টি দেশ স্বীকৃতি দেয় এই সরকারকে। তাঁর বাহিনীর ভারত ভূখন্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাজী (Netaji) ওই দ্বীপের নতুন নাম শহীদ ও স্বরাজ দ্বীপ।  
     

    নেতাজী সুভাষ বসুর (Netaji) কিছু স্মরণীয় উক্তি আজকে আমরা জানবো

     

    একজন আদর্শ সৈনিকের সামরিক প্রশিক্ষণ যেমন প্রয়োজন তেমনি আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণও প্রয়োজন।

    স্বাধীনতা কেউ কাউকে দেয় না তা ছিনিয়ে নিতে হয়।

    টাকা এবং যেকোনও সম্পদের দ্বারা কখনও স্বাধীনতা আসেনা। স্বাধীনতা আসে সাহসিকতা, শক্তি এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে।

    জাতীয়তাবাদের আদর্শ হল তিনটি সত্যম, শিবম, সুন্দরম।

     রক্তমূল্য ছাড়া কখনও স্বাধীনতা আসে না, তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।

    আরও পড়ুন: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। নেতাজির জন্মদিন। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস। এদিন দেশের সব চেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি হবে লালকেল্লায়। সন্ধেবেলায় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী ‘ভারত পর্ব’ লঞ্চ করবেন জানুয়ারির ২৩ থেকে ৩১ এর মধ্যে।

    ট্যাবলো

    প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোর মাধ্যমে দেশের বৈচিত্র ও সাংস্কৃতিক ভিন্নতা তুলে ধরা হবে। এই ট্যাবলোগুলি তৈরি করেছেন কেন্দ্রের ২৬টি মন্ত্রক। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমেই তুলে ধরা হবে ভোকাল ফর লোকাল, সিটিজেন সেন্ট্রিক ইনিসিয়েটিভস এবং বিভিন্ন ট্যুরিস্ট আকর্ষণগুলি। লালকেল্লার সামনে মাধব দাস পার্ক ও রামলীলা ময়দানে এই ট্যাবলোগুলি প্রদর্শিত হবে। নেতাজি যেভাবে জনগণমনে ছিলেন, সেভাবেই তাঁকে তুলে ধরা হবে। তুলে ধরা হবে তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজকেও। এই দিনগুলিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ও তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজের আর্কাইভ, পুরোনো (PM Modi) বিরল ছবি এবং ঐতিহাসিক নথিপত্র তুলে ধরা হবে প্রদর্শনীর মাধ্যমে।   

    পরাক্রম দিবস

    ২০২১ সালে নেতাজির জন্মদিনটিকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকে দিনটি পরাক্রম দিবস বা বীরত্বের দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি দুপুর ১২টা বেজে ১০ মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল সুভাষের। তাঁর বাবা আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী থাকতেন কটকেই। যেহেতু কর্মসূত্রে জানকীনাথ থাকতেন কটকে, তাই কলকাতার এলগিন রোডে নয়, সুভাষ জন্মেছিলেন কটকে।

    আরও পড়ুুন: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    কটকেই কেটেছে সুভাষের শৈশব-বাল্যকাল। সেখানকার প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপিয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল ছোট্ট সুভাষকে। এখানকারই একটি স্কুল থেকে পাশ করেন ম্যাট্রিক। এরপর সুভাষ চলে আসেন কলকাতায়। ভর্তি হন স্কটিশ চার্চ কলেজে। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন দর্শন নিয়ে। অনুপ্রাণিত হন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শেই। এই আদর্শের বলেই ছাত্রাবস্থায় সুভাষ জড়িয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। দেশমাতৃকার পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচন করতে গড়ে তোলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। স্বাধীনতা আন্দোলনে যে ফৌজের অবদান কম নয় (PM Modi)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Parakram Diwas: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Parakram Diwas: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অন্য সকাল। আর পাঁচটা দিনের তুলনায় চেনা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ একেবারেই অচেনা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে পরাক্রম দিবসে (Parakram Diwas) কলকাতায় সভা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের। তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য আরএসএস কর্মীরা মুখিয়ে ছিলেন। সভার শুরুতে কুচকাআওাজ করেন আরএসএস কর্মীরা। সভা মঞ্চে ছিল নেতাজির বিশাল ছবি। বাংলায় লেখা, ‘নেতাজি লহ প্রণাম’।

    নেতাজিই আদর্শ

    পরাক্রম দিবসের (Parakram Diwas) অনুষ্ঠানে এদিন সকাল দশটায় মঞ্চে ওঠেন মোহন ভাগবত। নেতাজিকে আদর্শ করেই এগিয়ে চলার বার্তা দেন তিনি। তুলে ধরেন নেতাজির কর্মকাণ্ড, তাঁর পরিশ্রম ও দেশের প্রতি আনুগত্যের কাহিনী তুলে ধরেন মোহন ভাগবত। তিনি আরও বলেন, ‘মেধা তো অনেরকই থাকে। কিন্তু সেই মেধাকে কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়। তা দেখিয়েছিলেন নেতাজি। তিনি সমষ্টির জন্য ভাবতেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশকে স্বাধীন করতে। কখনও নিজের জন্য ভাবেননি। এই পথ আমাদের সকলের মেনে চলা উচিত। ব্যক্তির উন্নতি নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের কথা ভাবতে হবে।’

    এখানেই থামেননি আরএসএস প্রধান। নেতাজির দেখানো পথেই সংঘ পরিবার যে এগিয়ে যাবে, সে কথাও বলেছেন ভাগবত। তাঁর কথায়, ‘সংঘের কাজকর্ম নেতাজির মতাদর্শে, তাঁর দেখানো পথেই চলছে। আমরাও সবাইকে নিয়ে চলতে চাই। নেতাজি জীবনে অনেক ত্যাগ করেছেন। আমরাও তাই নির্বাচনে লড়ি না। আমাদের আলাদা কোনও পরিচিতি দরকার নেই। আমাদের লক্ষ্য সবাইকে নিয়ে চলা, দেশকে আরও শক্তিশালী করা। নেতাজি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। চাইলেই তিনি ইংরেজ সরকারের অধীনে মোটা মাইনের চাকরি করতে পারতেন। কিন্তু সেই পথে তিনি যাননি। বরং বেছে নিয়েছিলেন কঠিন সংগ্রামের পথ। তিনি দেশ গঠনে ব্রতী হয়েছিলেন। দেশের জন্য তিনি সব কিছু ত্যাগ করেছিলেন। এটাই ছিল তাঁর জীবনের তপস্যা। নিজের নাম হবে ভেবে করেননি। বরং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংসারের মায়া ত্যাগ করে দেশের হয়ে কাজ করেছিলেন।’

    আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    দেশকে স্বাধীন করার লড়াইয়ে নেতাজিকে পরতে পরতে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। পরাক্রম দিবসে (Parakram Diwas) সেই প্রসঙ্গ টেনে মোহন ভাগবত বলেন, ‘নেতাজি দেশের জন্য লড়তেন। তার জন্য তাঁকে কম বিরোধীতার মুখে পড়তে হয়নি। কিন্তু নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে কখনও তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না। তাই তো কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দল গড়েছিলেন।’ উল্লেখ্য, শহীদ মিনারে আরএসএসের সভায় যোগ দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতাও। ছিলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি, দিলীপ ঘোষ, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Parakram Diwas: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    Parakram Diwas: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। নেতাজি (Netaji) সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৬তম জন্ম দিবস। ২০২১ সাল থেকে ফি বছর নেতাজির এই জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে। তিনি ছিলেন অসম সাহসী যোদ্ধা। স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর অবদান স্মরণে রেখেই তাঁর জন্মদিনটিকে পালন করা হয় পরাক্রম দিবস (Parakram Diwas) হিসেবে। ২০২১ সালে পালিত হয় নেতাজির ১২৪ তম জন্মবার্ষিকী। সে বারই প্রথম দিনটিকে পরাক্রম দিবস হিবেসে পালনের কথা ঘোষণা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ত্রিপুরা এবং অসমে দিনটি ছুটির দিন হিসেবে পরিচিত। এদিন ভারত সরকারও শ্রদ্ধা জানায় নেতাজিকে।

    নেতাজির জন্মদিন…

    নেতাজির জন্মদিনে বিভিন্ন জায়গায় ছুটি দেওয়া হয়। তার কারণ, দেশের প্রতি নেতাজির অবদান স্মরণ এবং তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে আস্ত একটা দিন। তাঁর নির্ভীক হৃদয় এবং লড়াই ত্বরান্বিত করেছিল দেশের স্বাধীনতা। তিনি ছিলেন প্রকৃত জাতীয়তাবাদী, রাজনীতিবিদ এবং স্বাধীনতা যোদ্ধা। দেশবাসী, বিশেষত তরুণদের মধ্যে সাহস জোগাতে দিনটিকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। নেতাজির শক্তি, দূরদৃষ্টি, নিঃস্বার্থপরতা এবং দেশপ্রেম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তামাম ভারতবাসী। স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর তৈরি আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানও কম নয়। আজাদ হিন্দ সরকারের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ছিলেন তিনিই।

    আরও পড়ুুন: কোথাও খাঁচায় বন্দী, কোথাও আবার দাঁড়িপাল্লায় সরস্বতী! দেবী বন্দনায় নিয়োগ দুর্নীতির ছোঁয়া শহরের মণ্ডপে

    ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন নেতাজি (Parakram Diwas)। দর্শনশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভ করার পর তিনি পাশ করেন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা। যেহেতু তিনি ব্রিটিশ সরকারের অধীনে চাকরি করবেন না বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন, তাই ইস্তফা দিয়ে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরে আসেন ১৯২১ সালে। এর ঠিক দু বছর আগে তিনি গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। ভারতে ফিরে তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের সংস্পর্শে আসেন। পরবর্তীকালে এই চিত্তরঞ্জনই তাঁর রাজনৈতিক মেন্টর হিসেবে কাজ করেন। তিনিই নেতাজিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রসে যোগ দিতে উৎসাহিত করেন। ১৯২১ সালেই কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। স্বামী বিবেকানন্দকে তিনি আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে বিবেচনা করতেন। ১৯৩৮ থেকে ১৯৩৯ পর্যন্ত তিনি অলঙ্কৃত করেছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ। তাঁর বিখ্যাত উক্তি, তোমরা আমাকে রক্ত দাও…আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত এই দ্বীপগুলির নামকরণ করেছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose) সুভাষচন্দ্র বসু স্বয়ং। নেতাজির দেওয়া সেই নামকে ব্রিটিশ সরকার কোনও মর্যাদা দেয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও মেলেনি স্বীকৃতি। আজ, ২৩ জানুয়ারি, নেতাজির ১২৭তম জন্মদিনে নামকরণ হল নামহীন দ্বীপগুলির। ভার্চুয়ালি নামকরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দ্বীপগুলির নাম রাখা হচ্ছে ২১জন পরমবীর প্রাপকের নামে। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য দিল্লির কুর্সি দখল করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনটিকে মোদি সরকার পরাক্রম দিবস বলে ঘোষণা করেছিল।

    সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ…

    এর আগে, রস আইল্যান্ডকে সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ এবং নীল ও হ্যাভলককে শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ নাম দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম ২১টি দ্বীপের নামকরণ হয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকদের নামে। নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এক সময় নেতাজিই এই সব দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় মর্যাদা দেওয়া হয়নি। নেতাজির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাই বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে এই ভাবনা। নেতাজির ভাবনা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক মিউজিয়ামও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১২৫তম জন্ম দিবস দেশে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়েছিল। বাংলা থেকে দিল্লি হয়ে আন্দামান সর্বত্র নেতাজিকে স্মরণ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে যত ফাইল রয়েছে, তা সকলের সামনে আনা হচ্ছে। যাতে মানুষ সব জানতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২১টি দ্বীপের নামকরণের পিছনে যে এক ভারত (India), শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা রয়েছে, এদিন তাও স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, যে ২১ দ্বীপের আজ নামকরণ হল, সেখানে এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা। অমৃতস্য পুত্রঃ। বীরদের পরাক্রম বার্তা। তিনি বলেন, মাতৃভূমির জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, আজকের দিন তাঁদের। সেনা থেকে সিপাহী, আজকের দিন তাঁদের জন্য উৎসর্গ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজির এই জন্মদিনে তাই পরাক্রম দিবস পালন করে চলেছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ জানুয়ারি। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhas Chandra Bose) ১২৬তম জন্ম বার্ষিকী। দিকে দিকে নানাভাবে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে বরেণ্য এই দেশনায়ককে। বালু শিল্পী (Sand artist) সুদর্শন পট্টনায়ক পুরীর (Puri) সমুদ্র সৈকতে বালি দিয়ে তৈরি করেছেন নেতাজির আবক্ষ মূর্তি। এজন্য তিনি ব্যবহার করেছেন সাড়ে চারশো স্টিলের বাটি। দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আন্দামান নিকোবর গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রিয়েল লাইফ হিরো…

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের রিয়েল লাইফ হিরোকে সর্বদা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে সব সময় অগ্রাধিকার দেন। সেই কারণে স্থির হয়েছে, দেশের ২১টি বৃহত্তম নামহীন দ্বীপের নামকরণ করা হবে ২১ জন পরমবীর চক্র পুরস্কার বিজয়ীর নামে। জানা গিয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে রয়েছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ঐতিহাসিক গুরুত্ব। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে কঠিন সময় কাটিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর সেই অবদানও মাথায় রাখা হয়েছে। ১৯৪৩ সালে সেলুলার জেল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose)। এখানেই ভারতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের বন্দি করে চরম অত্যাচার করত ব্রিটিশরা। এই দ্বীপগুলির নামকরণ করা হবে ক্রোনোলজিক্যাল স্টাইলে। যেমন, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে প্রথম পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। তার চেয়ে একটু ছোট দ্বীপের নামকরণ করা হবে দ্বিতীয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। এভাবেই হবে বাকি ১৯টি দ্বীপের নামকরণও।

    আরও পড়ুুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে মেজর সোমনাথ শর্মার নামে। পরেরটির নামকরণ করা হবে ল্যান্স নায়েক করণ সিংয়ের নামে। বাকি দ্বীপগুলির নামকরণ হবে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট রামরাঘব রানে, নায়েক যদুনাথ সিং, কোম্পানি হাবিলদার মেজর পিরু সিং, ক্যাপটেন জিএস সালারিয়া, মেজর ধন সিং থাপা, সুবেদার যোগিন্দর সিং, মেজর শাইতান সিং, সিকিউএমএইচ আবদুল হামিদ, লেফটেন্যান্ট কলোনেল আরদেশির বুরজোরজি তারাপোর, ল্যান্স নায়েক অ্যালবার্ট এক্কা, মেজর হোসেইর সিং, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ খেট্রাপল, ফ্লাইং অফিসার নির্মলজিৎ সিং শেখন, মেজর রামসময় পরমেশ্বরম, নায়েব সুবেদার বানা সিং, ক্যাপটেন বিক্রম বাটরা, লেফটেন্যান্ট মনোজ কুমার পাণ্ডে, সুবেদার মেজর সঞ্জয় কুমার, সুবেদার মেজর অবসরপ্রাপ্ত গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share