Tag: netaji subhas Chandra bose birth anniversary

netaji subhas Chandra bose birth anniversary

  • Netaji Jayanti 2026: আজ নেতাজির ১২৯ তম জয়ন্তী, ফিরে দেখা তাঁর স্মরণীয় উক্তিগুলি যা আজও অনুপ্রেরণা জোগায়

    Netaji Jayanti 2026: আজ নেতাজির ১২৯ তম জয়ন্তী, ফিরে দেখা তাঁর স্মরণীয় উক্তিগুলি যা আজও অনুপ্রেরণা জোগায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ‘‘তোমরা আমাকে রক্ত ​​দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’’— তাঁর এই উক্তি আজও দেশবাসীকে প্রেরণা জোগায়, উদ্দীপ্ত করে। আজ নেতাজির (Netaji) ১২৯ তম জয়ন্তী। ১৮৯৭ সালে আজকের দিনেই ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন দেশের এই মহান সন্তান। ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর জন্মবৃত্তান্ত পাওয়া গেলেও, মৃত্যু সম্পর্কে আজ পর্যন্ত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি অমর হয়ে আছেন ভারতবাসীর মনে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji) জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    এক কঠিন সংকল্প!

    ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৭ই জানুয়ারি ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে কলকাতার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বের হন। এক কঠিন সংকল্প! যে কোনও মূল্যে মাতৃভূমির শৃঙ্খল মোচন করতেই হবে। বাইরে থেকে আঘাত করতে হবে অত্যাচারী ব্রিটিশকে। দেশের সীমানা ত্যাগ করেন ২৬ জানুয়ারি। তারপর জার্মানি সেখান থেকে সাবমেরিনে জাপান। দায়িত্ব নেন আজাদ হিন্দ বাহিনীর। ১৯৪৩ সালে তৈরি করেন আজাদ হিন্দ সরকার। জাপান, জার্মানি , ইতালি সমেত মোট ৮টি দেশ স্বীকৃতি দেয় এই সরকারকে। তাঁর বাহিনীর ভারত ভূখন্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাজী (Netaji) ওই দ্বীপের নতুন নাম শহীদ ও স্বরাজ দ্বীপ।

    নেতাজি সুভাষ বসুর (Netaji) কিছু স্মরণীয় উক্তি—

    • ● সংগ্রাম আমাকে মানুষ করে তুলেছে এবং আত্মবিশ্বাস দিয়েছে, যা আগে আমার ছিল না।
    • ● জীবনে সংগ্রাম না থাকলে, ভয় না পেলে জীবনের অর্ধেক স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।
    • ● আপনার নিজের শক্তিতে বিশ্বাস করুন, ধার করা শক্তি আপনার জন্য মারাত্মক।
    • ● উঁচু চিন্তা দ্বারা দুর্বলতা দূর হয়। আমাদের সর্বদা উঁচু চিন্তাই করা উচিত।
    • ● সাফল্য সবসময় ব্যর্থতার স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। তাই ব্যর্থতাকে কেউ ভয় পাবেন না।
    • ● মনে রাখবেন, সবচেয়ে বড় অপরাধ হচ্ছে অন্যায়কে সহ্য করা এবং অন্যায়ের সঙ্গে আপস করা।
    • ● যার ‘পরমানন্দ’ নেই সে কখনও মহান হতে পারে না।
    • ● যারা ফুল দেখে উত্তেজিত হন, তাঁরা কাঁটাও দ্রুত অনুভব করেন।
    • ● সর্বদাই কিছু না কিছু আশার আলো থাকে, যা আমাদের জীবন থেকে বিচ্যুত হতে দেয় না।
    • ● যদি কখনও মাথা নত করতে হয়, বীরের মতো মাথা নত করুন।
    • ● একজন আদর্শ সৈনিকের সামরিক প্রশিক্ষণ যেমন প্রয়োজন তেমনি আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণও প্রয়োজন।
    • ● স্বাধীনতা কেউ কাউকে দেয় না তা ছিনিয়ে নিতে হয়।
    • ● টাকা এবং যে কোনও সম্পদের দ্বারা কখনও স্বাধীনতা আসে না। স্বাধীনতা আসে সাহসিকতা, শক্তি এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে।
    • ● জাতীয়তাবাদের আদর্শ হল তিনটি সত্যম, শিবম, সুন্দরম।
    • ● রক্তমূল্য ছাড়া কখনও স্বাধীনতা আসে না, তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।
  • Netaji Jayanti 2026: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৯ তম জন্মদিনে নেতাজির নানান কথা

    Netaji Jayanti 2026: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৯ তম জন্মদিনে নেতাজির নানান কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। মহান দেশপ্রেমিক, বাঙলার বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯ তম জন্মদিন। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি জয়ন্তী। ভারতীয় যুব সমাজের কাছে আদর্শ তিনি। “কদম কদম বাড়ায়ে যা…” আজও শত কোটি ভারতবাসীর অনুপ্রেরণা। সুভাষচন্দ্র বসু থেকে নেতাজি উপাধি নিয়ে আপামর দেশবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠার নেপথ্যে রয়েছে নানা কাহিনী। তাঁর কথা স্মরণ করেই আজ সারা দেশে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস।

    শিশু সুভাষ ও শিক্ষাজীবন

    ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল ভারতের বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর। বাবা জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী দেবী। জানকীনাথ বসু একজন প্রসিদ্ধ আইনজীবী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সুভাষ পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন। অন্যান্য ভাই-বোনেদের মতো সুভাষকে প্রথমে কটকের প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপীয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল। স্কুলেই ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন পালন করে সাহেবদের বিষনজরে পড়েন তিনি। এরপর বারো বছর বয়সে তিনি কটকের র‌্যাভেনশা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তারপর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজ জীবন থেকে দেশের জন্য লড়াই করার ইচ্ছা জাগে সুভাষের মনে।

    দেশের জন্য চাকরি ত্যাগ

    ১৯২০ সালে নেতাজি ইংল্যান্ডে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশ করেনস। কিন্তু ভারতীয় স্বতন্ত্রতা সংঘর্ষে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। সিভিল সার্ভিস ছেড়ে দেওয়ার পরে দেশকে ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নেতাজিকে অত্যন্ত বিচলিত, মর্মাহত করে।

    স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ

    অসহযোগ আন্দোলনের সময়, জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের হরিপুরা অধিবেশনে কংগ্রেসের বাম গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ সমর্থনে তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের ত্রিপুরী অধিবেশনে গান্ধীজি মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সিতারামাইয়াকে ২০৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সভাপতির নির্বাচিত হন তিনি।

    কংগ্রেস ত্যাগ

    তরুণ সুভাষের রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। তাঁর হাত ধরেই সুভাষ প্রথম প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এমনকী দেশবন্ধুর স্ত্রী বাসন্তী দেবীও সুভাষকে খুবই স্নেহ করতেন এবং সুভাষ তাঁকে ‘মা’ বলে ডাকতেন। দেশবন্ধুর মতোই স্বরাজ অর্থাৎ পূর্ণ স্বাধীনতার সমর্থক ছিলেন নেতাজি। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন চরমপন্থীর নায়ক। তাই তাঁর চরমপন্থী চিন্তাধারার সঙ্গে কংগ্রেসের নরমপন্থীদের মতবিরোধ হয়। এমনকী কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে নরমপন্থীরা বিক্ষুব্ধ হলে সুভাষ অসন্তুষ্ট হয়ে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। এরপরই নেতাজির হাত ধরে তৈরি হয় “ফরওয়ার্ড ব্লক’। নতুন দলের হয়ে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য দেশবাসীকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন সুভাষচন্দ্র বসু।

    দেশ ত্যাগ- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই

    কিন্তু স্বাধীন ভারত গড়ার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই ব্রিটিশ পুলিশের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে ১৯৪১ সালে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে ছদ্মবেশ ধারণ করে আফগানিস্তানের কাবুল হয়ে জার্মানিতে যান এবং জার্মানির বার্লিনে একনায়কতন্ত্রের প্রতীক হিটলারের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য প্রার্থনা করেন। যদিও এখানে তাঁর উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় ডুবো জাহাজে করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসেন জাপানে। জাপান সরকারের সাহায্যে এবং রাসবিহারী বসুর সহায়তায় সুভাষচন্দ্র বসু গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। ভারতকে ইংরেজের হাত থেকে মুক্ত করতে নেতাজি ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর ‘আজাদ হিন্দ সরকার’-এর প্রতিষ্ঠা করার সময়ই ‘আজাদ হিন্দ সেনা’ গঠন করেন। এরপর সুভাষচন্দ্র বসু নিজের সেনা নিয়ে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই বর্মা (বর্তমান মায়ানমার) পৌঁছান। এখানে নেতাজি তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ বলেছিলেন।

    নেতাজির অন্তর্ধান

    ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইপেইতে একটি বিমান দুর্ঘটনার পরই নেতাজির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর থেকেই নেতাজির নিখোঁজ নিয়ে একাধিক রহস্য ঘনীভূত হতে থাকে। মৃত্যু, অন্তর্ধান নাকি অন্য কিছু? আজও নেতাজির মৃত্যু কিংবা অন্তর্ধান নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোনও বিশেষ আদর্শের জন্য একজন মৃত্যুবরণ করতে পারেন। কিন্তু সেই আদর্শের মৃত্যু হয় না। সেই আদর্শ একজনের মৃত্যুর পর হাজার জনের মধ্যে ছড়িয়ে যায়।’

  • PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত এই দ্বীপগুলির নামকরণ করেছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose) সুভাষচন্দ্র বসু স্বয়ং। নেতাজির দেওয়া সেই নামকে ব্রিটিশ সরকার কোনও মর্যাদা দেয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও মেলেনি স্বীকৃতি। আজ, ২৩ জানুয়ারি, নেতাজির ১২৭তম জন্মদিনে নামকরণ হল নামহীন দ্বীপগুলির। ভার্চুয়ালি নামকরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দ্বীপগুলির নাম রাখা হচ্ছে ২১জন পরমবীর প্রাপকের নামে। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য দিল্লির কুর্সি দখল করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনটিকে মোদি সরকার পরাক্রম দিবস বলে ঘোষণা করেছিল।

    সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ…

    এর আগে, রস আইল্যান্ডকে সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ এবং নীল ও হ্যাভলককে শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ নাম দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম ২১টি দ্বীপের নামকরণ হয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকদের নামে। নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এক সময় নেতাজিই এই সব দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় মর্যাদা দেওয়া হয়নি। নেতাজির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাই বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে এই ভাবনা। নেতাজির ভাবনা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক মিউজিয়ামও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১২৫তম জন্ম দিবস দেশে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়েছিল। বাংলা থেকে দিল্লি হয়ে আন্দামান সর্বত্র নেতাজিকে স্মরণ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে যত ফাইল রয়েছে, তা সকলের সামনে আনা হচ্ছে। যাতে মানুষ সব জানতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২১টি দ্বীপের নামকরণের পিছনে যে এক ভারত (India), শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা রয়েছে, এদিন তাও স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, যে ২১ দ্বীপের আজ নামকরণ হল, সেখানে এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা। অমৃতস্য পুত্রঃ। বীরদের পরাক্রম বার্তা। তিনি বলেন, মাতৃভূমির জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, আজকের দিন তাঁদের। সেনা থেকে সিপাহী, আজকের দিন তাঁদের জন্য উৎসর্গ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজির এই জন্মদিনে তাই পরাক্রম দিবস পালন করে চলেছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ জানুয়ারি। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhas Chandra Bose) ১২৬তম জন্ম বার্ষিকী। দিকে দিকে নানাভাবে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে বরেণ্য এই দেশনায়ককে। বালু শিল্পী (Sand artist) সুদর্শন পট্টনায়ক পুরীর (Puri) সমুদ্র সৈকতে বালি দিয়ে তৈরি করেছেন নেতাজির আবক্ষ মূর্তি। এজন্য তিনি ব্যবহার করেছেন সাড়ে চারশো স্টিলের বাটি। দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আন্দামান নিকোবর গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রিয়েল লাইফ হিরো…

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের রিয়েল লাইফ হিরোকে সর্বদা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে সব সময় অগ্রাধিকার দেন। সেই কারণে স্থির হয়েছে, দেশের ২১টি বৃহত্তম নামহীন দ্বীপের নামকরণ করা হবে ২১ জন পরমবীর চক্র পুরস্কার বিজয়ীর নামে। জানা গিয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে রয়েছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ঐতিহাসিক গুরুত্ব। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে কঠিন সময় কাটিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর সেই অবদানও মাথায় রাখা হয়েছে। ১৯৪৩ সালে সেলুলার জেল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose)। এখানেই ভারতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের বন্দি করে চরম অত্যাচার করত ব্রিটিশরা। এই দ্বীপগুলির নামকরণ করা হবে ক্রোনোলজিক্যাল স্টাইলে। যেমন, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে প্রথম পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। তার চেয়ে একটু ছোট দ্বীপের নামকরণ করা হবে দ্বিতীয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। এভাবেই হবে বাকি ১৯টি দ্বীপের নামকরণও।

    আরও পড়ুুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে মেজর সোমনাথ শর্মার নামে। পরেরটির নামকরণ করা হবে ল্যান্স নায়েক করণ সিংয়ের নামে। বাকি দ্বীপগুলির নামকরণ হবে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট রামরাঘব রানে, নায়েক যদুনাথ সিং, কোম্পানি হাবিলদার মেজর পিরু সিং, ক্যাপটেন জিএস সালারিয়া, মেজর ধন সিং থাপা, সুবেদার যোগিন্দর সিং, মেজর শাইতান সিং, সিকিউএমএইচ আবদুল হামিদ, লেফটেন্যান্ট কলোনেল আরদেশির বুরজোরজি তারাপোর, ল্যান্স নায়েক অ্যালবার্ট এক্কা, মেজর হোসেইর সিং, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ খেট্রাপল, ফ্লাইং অফিসার নির্মলজিৎ সিং শেখন, মেজর রামসময় পরমেশ্বরম, নায়েব সুবেদার বানা সিং, ক্যাপটেন বিক্রম বাটরা, লেফটেন্যান্ট মনোজ কুমার পাণ্ডে, সুবেদার মেজর সঞ্জয় কুমার, সুবেদার মেজর অবসরপ্রাপ্ত গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share