Tag: new barrackpore

new barrackpore

  • New Barrackpore: দম্পতিকে বেধড়ক মার! তিনদিন পরও অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    New Barrackpore: দম্পতিকে বেধড়ক মার! তিনদিন পরও অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষবরণের রাতে পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন এক দম্পতি। তৃণমূলের ছাত্র নেতার হাত ধরে দম্পতিকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে নিউ বারাকপুরের (New Barrackpore) সতীন সেন নগর এলাকায়। আতঙ্কিত দম্পতি সোমবার রাতে নিউ বারাকপুর থানায় ওই ছাত্র নেতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, ঘটনার পর তিনদিন কেটে গেলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (New Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দম্পতি নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) সতীন সেন নগরের বাসিন্দা। ৩১ ডিসেম্বর গভীর রাতে পারিবারিক অনুষ্ঠান সেরে স্বামী আশিস পাত্রের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন পায়েল ঘোষ পাত্র। পায়েল দেবীর অভিযোগ, বাড়ির কাছে গলির মুখে কয়েকজন যুবক রাস্তার মধ্যে বাইক রেখে রাস্তা আটকে মদ্যপান করছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন নিউ বারাকপুর সাজিরহাট এপিসি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দে ওরফে কালা। ওই দম্পতি যাতে রাস্তা দিয়ে যেতে পারেন সেজন্য তাঁদের রাস্তা কিছুটা ছাড়তে বলেন। অভিযোগ, তখনই পায়েল দেবীর স্বামী আশিস পাত্রকে মারধর করে মদ্যপ যুবকদের দল। পায়েল দেবী বাঁচাতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। বেগতিক বুঝে তিনি চিৎকার করতে করতে পাশেই বাড়িতে ছুটে যান। পরিবার ও পাশের বাড়ির লোকজনদের ডেকে নিয়ে গিয়ে কোনওমতে স্বামীকে উদ্ধার করেন।

    আক্রান্ত বধূ কী বললেন?

    আক্রান্ত বধূ পায়েল দেবীর অভিযোগ, রাস্তা ছাড়তে বলায় এভাবে হামলা চালাবে তা বুঝতে পারিনি। ঘটনার পর থেকে আমরা রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছি। সোমবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে তাঁদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, ‘যদি সত্যিই এরকম হয়ে থাকে এবং আমাদের ছাত্র সংগঠনের কেউ জড়িত থাকে তাহলে তা যথেষ্ট নিন্দনীয়। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে। আইন আইনের পথে চলবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Barrackpore: প্রকাশ্যে মদ্যপানের বিরোধিতা করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ, চাঞ্চল্য

    New Barrackpore: প্রকাশ্যে মদ্যপানের বিরোধিতা করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে কালীপুজোর চাঁদা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আক্রান্ত হন। ক্লাবের ছেলেরা মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেন। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকেও মারধর করা হয়। এবার প্রকাশ্যে মদ খাওয়ার বিরোধিতা করার জন্য ক্লাবের ছেলেদের হাতে আক্রান্ত হলেন এক মহিলা পুলিশ কর্মী সহ এক পুলিশ অফিসার। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডে জনকল্যাণ পাড়া এবং ৪ নং ঝিলের সামনে একটি গলিতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। বার বার এরকম হামলার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (New Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডে জনকল্যাণ পাড়ায় চলছিল স্থানীয় ক্লাবের শ্যামা পুজো উপলক্ষে বিচিত্রানুষ্ঠান। তারপর রাত ১২ টায় পাশের ঝিলে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। থানার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা এলাকায় ডিউটি করছিলেন। রাতে গলিতে কয়েকজন যুবক প্রকাশ্যে মদ্যপান করছিলেন। প্রতিবেশীরা মদ্যপানের প্রতিবাদে করলে তাঁরা হুমকি দেন। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন প্রতিবেশীদের। শেষে নিউ বারাকপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন প্রতিবেশীরা। ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত টহলদারি পুলিশ কর্মীরা গেলে যুবকদের হাতে তাঁরা আক্রান্ত হন। কর্তব্যরত মহিলা পুলিশকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে  ওই যুবকরা। নিগৃহীত করা হয় মহিলা পুলিশ কর্মীকেও। হামলার জেরে থানার সাব ইন্সপেক্টর আশিস গুহ গুরুতরভাবে জখম হন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে নিউ বারাকপুর থানার অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে চারজন যুবককে আটক এবং পরে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের বারাকপুর আদালতে হাজির করা হয়। এর আগেও এই থানা এলাকায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বারাকপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দীপ দাসের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা অভিযান চালান। জয়দীপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। টানা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে চলে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, সকাল ন’টায় ওই নেতার বাড়িতে আসে সিবিআই (CBI)। বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁরা বেরিয়ে যান। তবে, সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কোনও কথা বলতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূলের কাউন্সিলর?

    সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা চলে যাওয়ার পর জয়দীপ দাস বলেন, ঘুম থেকে উঠেই দেখি বাড়িতে সিবিআই (CBI) এসেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সূত্র ধরেই তারা এদিন আমার বাড়িতে এসেছিল। আসলে তৃণমূল করি বলেই এসব হচ্ছে। আমি সমস্তরকমভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি। আমার বাড়িতে এবং অফিসে ওরা তল্লাশি চালায়। সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। আমার দুটি ফোন আর আমার স্ত্রীর একটি ফোন তারা খতিয়ে দেখেছে। আর বাড়ি থেকে দুটি কাগজ নিয়ে গিয়েছে। তাতে পাড়ার দুজনের বায়োডেটা ছিল। এর বেশি কিছু তারা নিয়ে যায়নি।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে নিউ বারাকপুরের দক্ষিণ মাসুন্দার জগদীশ বসু রোডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যের বাড়িতেও সিবিআই (CBI) হানা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের এই হানা বলে এই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় সুকান্তবাবু বাড়িতেই ছিলেন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সুপারিশ নথি সহ বিভিন্ন কাগজপত্র সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। সকাল থেকে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করা হয়। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত সিবিআই তল্লাশি চালায়। তাঁর আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পত্তির পরিমাণ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য সুকান্ত আচার্যকে। এর আগেও দুর্নীতিকাণ্ডে নিজাম প্যালেসে ইডি হেফাজতে একাধিকবার জেরা করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন এই আপ্ত সহায়ককে। সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা সুকান্তবাবুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সামনে কোনও কিছু বলতে চাননি। সুকান্তবাবুর পরিবারের এক সদস্য বলেন, সিবিআইকে (CBI) সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share