Tag: New YOrk

New YOrk

  • Protest Against Muhammad Yunus: “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন?” নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    Protest Against Muhammad Yunus: “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন?” নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। বাংলাদেশি প্রবাসীদের একাংশ তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে আক্রমণ করে। তাঁদের অভিযোগ, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ইউনূসকে লক্ষ্য করে এক বিক্ষোভকারী চিৎকার করে বলছেন, “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন? আপনি আমার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন!” অন্য এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, “বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন।” বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনের অভিযোগ, তাঁর আমলে বহু বাংলাদেশি পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূসকে ‘ফিরে যান’ স্লোগান দেন।

    ইউনূসের ১৮ মাসের শাসন নিয়ে প্রশ্ন

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের বিমানে নিউইয়র্কে পৌঁছন ইউনূস। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৮-এ পৌঁছনোর পরই একদল বাংলাদেশি প্রবাসী তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। ভিডিওয় তাঁকে হুইলচেয়ারে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ইউনূসের প্রায় ১৮ মাসের মেয়াদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, যথেচ্ছ গ্রেফতার, সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমবর্ধমান হামলা এবং আইনজীবী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক কর্মীদের দীর্ঘদিন আটক রাখার অভিযোগ উঠেছে। ডেইলি সান-এর একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ওই সময়ে কত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কত জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং কত জনের বিচার হয়েছে, তার প্রকাশ্য নথির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক সংস্কার করা। কিন্তু সমালোচকদের দাবি, বাস্তবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পরিবর্তে অনির্বাচিত নাগরিক সমাজের ব্যক্তিত্ব, একটি প্রভাবশালী ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ এবং বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর প্রভাব বেড়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, এই ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহি যথেষ্ট ছিল না।

    রাষ্ট্রযন্ত্রের রাজনৈতিক ব্যবহার

    অন্তর্বর্তী প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা আরেকটি বড় অভিযোগ হল, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা হয়েছে। ডেইলি সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমালোচকদের একাংশের দাবি, ওই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) প্রশাসনের কিছু অংশ ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। সমালোচকদের মতে, প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণের পরিবর্তে ওই সময়ে পৃষ্ঠপোষকতা, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি এবং দুর্নীতি নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। সব মিলিয়ে, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ইউনূসকে ঘিরে এই বিক্ষোভ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকলাপ ও তার উত্তরাধিকার নিয়ে চলতে থাকা রাজনৈতিক বিতর্ককে ফের সামনে নিয়ে এসেছে।

  • Albanese Praised PM Modi: মোদির আমলে ভারতে জ্বালানি সংযোগের বিস্তার নজিরবিহীন, দাবি অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রীর

    Albanese Praised PM Modi: মোদির আমলে ভারতে জ্বালানি সংযোগের বিস্তার নজিরবিহীন, দাবি অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতে জ্বালানি পরিষেবার প্রসারের প্রশংসা করলেন অস্ট্রেলিয়ার (India Australia Relation) প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ (Albanese Praised PM Modi)। তাঁর দাবি, ভারতের যত মানুষ গত এক দশকে বিদ্যুৎ, রান্নার গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি পরিষেবার আওতায় এসেছেন, মানব ইতিহাসে কোনও দেশ, অঞ্চল বা কোনও দশকে এত বড় পরিসরে এমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (UNGA) পার্শ্ববৈঠকে প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী কেভিন রাডের সঙ্গে এক আলোচনায় এই মন্তব্য করেন আলবানিজ। ২৪ সেপ্টেম্বরের ওই আলোচনায় মোদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন তিনি।

    উজ্জ্বলা থেকে সৌরবিদ্যুৎ—বেড়েছে জ্বালানি পরিষেবার পরিধি

    আলবানিজ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। তাঁর নেতৃত্বে ভারতে যত মানুষ জ্বালানি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, মানব ইতিহাসে কোনও দেশ, অঞ্চল বা কোনও দশকে এত মানুষকে এভাবে সংযুক্ত করার নজির নেই।” মূলত ভারতে বিদ্যুৎ সংযোগ, রান্নার গ্যাস এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির প্রসারের প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মধ্যে ১০.৫৭ কোটিরও বেশি এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ২০১৭ সালে চালু হওয়া সৌভাগ্য যোজনা-র মাধ্যমে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ২.৮৬ কোটি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রেও দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা (PM Surya Ghar Muft Bijli Yojana)-র আওতায় ২০২৬ সালের আগস্টে উপকৃত পরিবারের সংখ্যা ৫০ লক্ষ ছাড়িয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। PM-KUSUM প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২১.৭৭ লক্ষেরও বেশি কৃষক উপকৃত হয়েছেন। এই প্রকল্পের আওতায় সৌরচালিত কৃষি পাম্প-সহ বিভিন্ন বিকেন্দ্রীভূত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসার ঘটানো হচ্ছে।

    ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে, আলবানিজ

    আলোচনায় ভারতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ভারত ভবিষ্যতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ভারত ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ। গত এক দশকে ভারত তার জ্বালানি আমদানির উৎসও বৈচিত্র্যময় করেছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, আগে যেখানে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত, এখন সেই সংখ্যা বেড়ে ৪১টি দেশ হয়েছে। এর ফলে কোনও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা দেশের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে নানা ধরনের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে পেট্রল, ডিজেল ও এলপিজি-এর সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়েছে ভারত।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা

    পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক অস্থিরতার জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হলে অস্ট্রেলিয়াও ভারতকে এলএনজি সরবরাহ করেছে বলে আলোচনায় উঠে আসে।

    ‘আরও অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে’

    ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেন আলবানিজ। তাঁর কথায়, দুই দেশের সম্পর্ক “ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে”। তবে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে আরও অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি। আলবানিজ জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দু’বার ভারত সফর করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদিও দু’বার অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। মেলবোর্নের একটি স্টেডিয়ামে মোদিকে ঘিরে বিপুল জনসমাগমের কথাও স্মরণ করেন তিনি। হালকা মেজাজে আলবানিজ বলেন, কোনও রাজনৈতিক সম্মেলনে নেতাদের জন্য যতটা উচ্ছ্বাস দেখা যায়, “মোদির স্টেডিয়াম অনুষ্ঠান না দেখলে সেই উচ্ছ্বাসের প্রকৃত মাত্রা বোঝা কঠিন।” তিনি জানান, ডিসেম্বরে আমেরিকায় আয়োজিত নির্ধারিত জি২০ বৈঠকের পর তিনি মুম্বই সফর করবেন। সেখানে ব্যবসা-কেন্দ্রিক ‘গুড ডে নমস্তে’ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সফরের শেষে চেন্নাইয়ে একটি ক্রিকেট ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি। রাজনীতি ও ক্রিকেটের বাইরেও ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন আলবানিজ। কমনওয়েলথের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ইংরেজি ভাষার যোগাযোগ এবং দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আলবানিজের কথায়, ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের সম্ভাবনাকে এতদিন পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। আগামী দিনে দুই দেশের সরকারই এই অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী।

  • OIC: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির মন্তব্য, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই’, কড়া জবাব ভারতের

    OIC: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির মন্তব্য, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই’, কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসি (অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন) গোষ্ঠীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাল ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ নিয়ে মন্তব্য করার কোনও অধিকার ওআইসির (OIC) নেই। একই সঙ্গে পাকিস্তানকে ভারতবিরোধী প্রচারের মঞ্চ (Kashmir References) করে না দেওয়ার জন্যও ওআইসিকে পরামর্শ দিয়েছে ভারত।

    বুধবার এক বিবৃতিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ওআইসির জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত মন্তব্যকে অপ্রয়োজনীয় এবং তথ্যগত ভাবে ভুল বলে অভিহিত করেছে। মন্ত্রকের বক্তব্য, “ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার কোনও এখতিয়ারই নেই ওআইসির।”

    ভারত আরও একবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দু’টি দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ। আন্তর্জাতিক কোনও মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীরের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তা পরিবর্তনের চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না বলেও নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি।

    নিউ ইয়র্কে ওআইসির বৈঠক (OIC)

    মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির যোগাযোগ গোষ্ঠীর বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ওআইসি জানায়, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বলে তারা যে বিষয়টিকে উল্লেখ করেছে, তার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে যোগাযোগ গোষ্ঠী। এর পরেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ওই মন্তব্যের বিরোধিতা করে বিবৃতি দেয়।

    ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ভারতের

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বারবার মন্তব্য করার কারণে ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য, “এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যকে বারবার সমর্থন করা ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।”

    ভারত দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপনের বিরোধিতা করে আসছে। নয়াদিল্লির অবস্থান হল, বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে তা নিয়ে হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই।

    পাকিস্তানকে ‘পরামর্শ’ দেওয়ার কথা ওআইসিকে

    ওআইসির বৈঠকে পাকিস্তানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছে ভারত। নয়াদিল্লির অভিযোগ, ভারত যে বিষয়গুলিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মনে করে, পাকিস্তান সেগুলিকেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার জন্য ওআইসিকে ব্যবহার করছে (OIC)।

    বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, “পাকিস্তানকে তার মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানোর জন্য মঞ্চ দেওয়ার পরিবর্তে, ওআইসির উচিত পাকিস্তানকে পরামর্শ দেওয়া।”

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও মদত দেওয়ার সুপ্রতিষ্ঠিত ও নথিবদ্ধ রেকর্ড রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসবাদের যে হুমকি তৈরি হচ্ছে, ইসলামাবাদের উচিত প্রথমে সেই সমস্যার মোকাবিলা করা।

    ওআইসি বৈঠকে কী বললেন ইশাক দার?

    নিউ ইয়র্কে ওআইসির যোগাযোগ গোষ্ঠীর বৈঠকে বক্তব্য রাখেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির সদস্য দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্টের পর ভারত যে পদক্ষেপগুলি নিয়েছে, সেগুলি প্রত্যাহারের দাবিও জানান দার। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার দাবিও তোলেন (Kashmir References) তিনি।

    পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ নিয়মিত আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে আসছে। আর, ভারত বরাবরই এই ধরনের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর (OIC) দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এই বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।

     

  • Mohan Bhagwat: ভাগবতের ভাষণের প্রতিবাদ, আমেরিকায় ভারতের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ

    Mohan Bhagwat: ভাগবতের ভাষণের প্রতিবাদ, আমেরিকায় ভারতের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কের (New York) ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) ভাষণ ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ভাগবত সেখানে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তাঁর সফরের প্রতিবাদে খালিস্তানপন্থী শিখদের একাংশ ভারতের জাতীয় পতাকা অবমাননা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা (Mohan Bhagwat)

    ঘটনার কয়েকটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, এক খালিস্তানপন্থী ব্যক্তি ভারতের জাতীয় পতাকা নিজের পায়ের চারপাশে বেঁধে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এবং পতাকা নিয়ে অবমাননাকর আচরণ করছেন। অন্য একটি ভিডিয়োতে কয়েকজন প্রতিবাদকারী ভারতের তেরঙ্গা পতাকা ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলছেন এবং নাচতে নাচতে উল্লাস করছেন দেখা যায়।ভাগবতের আমেরিকা সফরের প্রতিবাদে খালিস্তানপন্থীদের একটি দল ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনের বাইরে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের হাতে থাকা ব্যানার ও পোস্টারে ভারতের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বার্তা দেখা যায়। এমনই একটি পোস্টারে লেখা ছিল, “মোদি হিন্দু সন্ত্রাসের মুখ।” পাশাপাশি তারা খালিস্তানের সমর্থনে এবং ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। বিক্ষোভকারীরা মোহন ভাগবতের একটি প্রতিকৃতি-সহ পোস্টারও প্রদর্শন করেন। সেই প্রতিকৃতির গলায় জুতোর মালা পরানো হয় বলে অভিযোগ।

    মোহন ভাগবতকে আমেরিকান হিন্দুদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও সংলাপ বিষয়ক সংগঠনের পক্ষ থেকে “সার্বজনীন একাত্মতা উদ্‌যাপন” শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনের ভিতরের ইনফোসিস থিয়েটারে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    খালিস্তানপন্থীদের অতি সক্রিয়তা

    আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তিনটি দেশ সফরে বেরিয়েছেন ভাগবত। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার তিনি আমেরিকায় পৌঁছন। তবে তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে একাধিক ভারতবিরোধী ও খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং এই সুযোগে তারা নিজেদের ভারতবিরোধী প্রচার চালায় বলে অভিযোগ (Mohan Bhagwat)।

    ভারত সরকার ‘শিখস ফর জাস্টিস’কে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সংগঠনটির বিরুদ্ধে অতীতেও ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার এবং ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    ভাগবতের আমেরিকা সফরের আগে মার্কিন আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনও আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানায়। কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন পাকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন নাগরিক চিকিৎসক আসিফ মাহমুদ।

    ভাগবতের সফরকে ঘিরে প্রতিবাদ এবং পাল্টা প্রতিবাদের ঘটনায় আমেরিকার মাটিতে ভারতীয় জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে, এই ঘটনাকে (New York) কেন্দ্র করে ভারতবিরোধী ও খালিস্তানপন্থী প্রচার কতটা সক্রিয় হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে (Mohan Bhagwat)।

     

  • Mohan Bhagwat:  নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে মোহন ভাগবতের ছবি, ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ

    Mohan Bhagwat:  নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে মোহন ভাগবতের ছবি, ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে আজ, শুক্রবার আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) ছবি সম্বলিত বিশাল ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়েছে। এ দিনই নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যও রাখবেন তিনি।

    সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যানহাটনের ঐতিহাসিক এই সংযোগস্থলের একটি ডিজিটাল পর্দায় ভাগবতের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। আজ, ২৯ অগাস্ট আয়োজিত হতে চলা “বিশ্ব ঐক্য উদ্‌যাপন” অনুষ্ঠানের আগে এই প্রচার চালানো হয়েছে।

    তিনটি দেশ সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন ভাগবত। তাঁর সফরসূচিতে কানাডা এবং ব্রিটেনও রয়েছে। আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের বছরেই তাঁর এই বিদেশ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

    ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে বক্তব্য রাখবেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)

    “বিশ্ব ঐক্য উদ্‌যাপন” অনুষ্ঠানে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনের ইনফোসিস থিয়েটারে বক্তব্য রাখার কথা আরএসএস প্রধানের। আমেরিকান হিন্দুদের মধ্যে সম্পৃক্ততা ও আলোচনার লক্ষ্যে গঠিত সংগঠন অ্যাহেড এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

    স্থানীয় সময় দুপুর ২টো থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি চলবে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী তা আজ, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে পরদিন ভোর ৩টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক, সঙ্গীত ও শিল্পকলার বিভিন্ন পরিবেশনাও থাকবে।

    আয়োজকদের দাবি, বিভিন্ন সম্প্রদায় ও দেশের মধ্যে ঐক্যের বার্তা তুলে ধরাই এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। এর ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে “বসুধৈব কুটুম্বকম” বা “সমস্ত পৃথিবী এক পরিবার”—এই প্রাচীন ভারতীয় ভাবনাকে। আয়োজকদের মতে, ২০০-রও বেশি হিন্দু-আমেরিকান সংগঠন এই কর্মসূচিকে সমর্থন করছে।

    ঐতিহাসিক ইসকন মন্দিরে মোহন ভাগবত

    ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনের অনুষ্ঠানের আগে এদিন নিউইয়র্কের ২৬ সেকেন্ড অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইসকন মন্দির পরিদর্শন করেন ভাগবত।

    সেখানে ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল প্রভুপাদের প্রতিকৃতিতে মাল্য দান করেন তিনি। অংশ নেন গৃহহীনদের মধ্যে খাবার বিতরণের একটি কর্মসূচিতেও।

    ইসকনের পরিচালন পর্ষদের কমিশনার গৌরাঙ্গ দাস এই স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালে স্বামী প্রভুপাদ এই স্থানেই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    ভাগবতের অনুষ্ঠান ঘিরে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ

    ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে ভাগবতের অনুষ্ঠান ঘিরে নিউইয়র্কে বিরোধিতাও শুরু হয়েছে। হিন্দুস ফর হিউম্যান রাইটস এবং তাদের সহযোগী কয়েকটি সংগঠন শনিবার অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

    সংগঠনটির দাবি, ৬১টি আন্তঃধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ সংগঠন ভাগবতের অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে (Mohan Bhagwat)।

    নিউইয়র্কের মেয়রও এই অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস একটি “বর্জনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির” ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আন্দোলন।

    তবে একই সঙ্গে মেয়র জোহরান মামদানি স্বীকার করেছেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত কোনও অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার মতো (RSS) আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক প্রশাসনের নেই।

    মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের হস্তক্ষেপ

    ভাগবতের অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কে হস্তক্ষেপ করেছে মার্কিন আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনও।

    কমিশনের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ মার্কিন সরকারের কাছে আরএসএসের সদস্যদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ভাগবতের ভিসা বাতিলের দাবিও তুলেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি জানান, আলোচনার জন্য আরএসএস প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তিনি প্রস্তুত।

    কমিশনের এই সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলে বলেছে, ভারতকে নিয়ে ওই সংস্থা বারবার “ভুল ও উসকানিমূলক বক্তব্য” দিয়েছে।বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সংস্থাটিকে পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিশ্বাসযোগ্যতাহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই ভারত সম্পর্কে ভুল এবং উসকানিমূলক মন্তব্য করে আসছে এবং নিজস্ব উদ্দেশ্য রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব না দেওয়াই উচিত।

    নিউ ইয়র্কের মেয়রের বক্তব্য

    এদিকে, নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানি মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলেন, তিনি ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনের এই অনুষ্ঠানকে সমর্থন করেন না। তবে একই সঙ্গে তিনি কবুল করেন, একটি বেসরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন বাতিল করার আইনি ক্ষমতা শহর প্রশাসনের আদৌ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে (Mohan Bhagwat)।

    মামদানি আরও বলেন, তিনি নিউ ইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান মেয়র। তাঁর মায়ের পরিবারের অধিকাংশ সদস্য এখনও ভারতে রয়েছেন। নিজের পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত সম্পর্কে তাঁর পরিবারের ধারণা ছিল একটি বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশের, যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে (RSS) একটি বর্জনমূলক রাজনৈতিক ভাবনার উত্থান তাঁকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে এবং তিনি সেই মতাদর্শের বিরোধী (Mohan Bhagwat)।

     

  • Mohan Bhagwat in New York: নিউ ইয়র্কের ইসকন মন্দিরে মোহন ভাগবত, জোর দিলেন ‘কৃষ্ণ চেতনা’য়

    Mohan Bhagwat in New York: নিউ ইয়র্কের ইসকন মন্দিরে মোহন ভাগবত, জোর দিলেন ‘কৃষ্ণ চেতনা’য়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা সফরে গিয়ে নিউ ইয়র্কের ইসকন মন্দিরে (ISKCON) গেলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat in New York)। শুক্রবার ২৬, সেকেন্ড অ্যাভিনিউয়ের ঐতিহাসিক ইসকন মন্দিরে গিয়ে তিনি শ্রীল প্রভুপাদের মূর্তিতে মাল্যদান করেন। পাশাপাশি গৃহহীনদের জন্য খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। ইসকনের গভর্নিং বডি কমিশনার গৌরাঙ্গ দাস ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে জানান, ভাগবতের উপস্থিতিতে ‘জিরো হাঙ্গার নিউ ইয়র্ক’ উদ্যোগের আওতায় খাবার বিতরণ করা হয়। ১৯৬৬ সালে শ্রীল প্রভুপাদ এই স্থান থেকেই ইসকনের যাত্রা শুরু করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু সনাতন ধর্ম

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে গৌরাঙ্গ দাস জানান, মোহন ভাগবতের এই সফর ‘ঐতিহাসিক’। তাঁর কথায়, বিশ্বজুড়ে ইসকনের (Mohan Bhagwat Visits ISKCON) প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে ১২০টি দেশে ইসকনের প্রায় ১,৩০০টি মন্দির রয়েছে। শ্রীল প্রভুপাদের হাত ধরেই হিন্দু সনাতন ধর্ম বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছেছে বলেও দাবি করেন তিনি। ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাতে বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আরএসএস এবং ইসকন কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান গৌরাঙ্গ দাস। ইসকনের যোগাযোগমন্ত্রী তথা গভর্নিং বডি কমিশনার অনুত্তম দাসও আরএসএস প্রধানের সফরকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও মেরুকরণের এই সময়ে বিশ্বজুড়ে ঈশ্বরচেতনা ও কৃষ্ণচেতনার মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কীভাবে আরও কাজ করা যায়, তা নিয়ে ইসকন ভাবনাচিন্তা করছে।

    কৃষ্ণ চেতনা-ই মানুষকে একত্রিত করে

    মন্দিরে নিজের অভিজ্ঞতা লিখতে গিয়ে ভাগবত ইসকনকে একটি ‘অনুপ্রেরণাদায়ী স্থান’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বকে ‘শ্রীকৃষ্ণ চেতনা’-র এক গুরুত্বপূর্ণ উপহার দিয়েছে। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, সেখানে এসে তিনি ‘বিশুদ্ধ সাত্ত্বিক ভালোবাসা’-র অনুভূতিতে আপ্লুত হয়েছেন। মন্দিরে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, বিশ্বে মতপার্থক্য, সংঘাত ও বিভাজন থাকলেও মানুষকে একত্রিত করতে পারে চেতনা। তাঁর কথায়, “আজকের পৃথিবীতে এত সংঘাত, এত দ্বৈততা। একমাত্র যে জিনিস মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, তা হল চেতনা। সেই চেতনা হল কৃষ্ণ চেতনা।” উল্লেখ্য, আরএসএস-এর শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোহন ভাগবত বর্তমানে তিন দেশ—আমেরিকা, কানাডা ও ব্রিটেন সফর করছেন। আজ, শনিবার ২৯ আগস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে। ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস সেলিব্রেশন’-এর অংশ হিসেবে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat in US: গোটা বিশ্ব একটি পরিবার! ম্যাডিসন স্কোয়্যারে ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস’ অনুষ্ঠানের আয়োজন, নিউইয়র্কে মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat in US: গোটা বিশ্ব একটি পরিবার! ম্যাডিসন স্কোয়্যারে ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস’ অনুষ্ঠানের আয়োজন, নিউইয়র্কে মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ ইয়র্কে পা রাখলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat in US)। সংগঠনের শতবর্ষ উদযাপনে তিনটি দেশে সফর করছেন তিনি। তাঁর ১৭ দিনের সফরের প্রথম পর্বে মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে পৌঁছলেন ভাগবত। ‘তিলক’ পরিয়ে আমেরিকার মাটিতে অভ্যর্থনা জানানো হয় তাঁকে। আমেরিকা ছাড়াও কানাডা এবং ইউকে-তেও যাবেন তিনি। আগামী শনিবার নিউ ইয়র্কের ‘ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন’-এ ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস সেলেব্রেশনস’ (Universal Oneness Celebrations) নামে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মোহন ভাগবত। সংঘের তরফে জানানো হয়েছে, আরএসএস-এর শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে আয়োজিত নানা কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ভাগবতের এই সফর। সফরকালে তিনি প্রবাসী ভারতীয় এবং বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    রাখি বন্ধনের আবহে ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস’ অনুষ্ঠান

    ‘আমেরিকান হিন্দুস ফর এনগেজমেন্ট অ্যান্ড ডায়ালগ’ (AHEAD) ফোরাম’-এর তরফে রাখিবন্ধন উৎসবের প্রেক্ষাপটে এক বিশাল কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেওয়া হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন আধ্যাত্মিক বিষয়েও বক্তব্য রাখবেন অনেকে। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও থাকবে। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সঙ্গে ঐক্য, নাগরিক দায়িত্ব এবং বিশ্বশান্তির বার্তা তুলে ধরা হবে বলে আয়োজকদের দাবি।

    ভাগবতের সফরের উদ্দেশ্য

    আরএসএস-এর (RSS Chief Event in US) প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর ‘এক্স’-এ পোস্ট করে জানান যে, প্রবাসীদের আমন্ত্রণে ২৫ অগাস্ট থেকে আমেরিকা, কানাডা ও ইউকে সফর করছেন আরএসএস প্রধান। আরএসএস সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সফরের উদ্দেশ্য হল, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারত, হিন্দু সমাজ এবং আরএসএস সম্পর্কে সঠিক ও ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরা। ‘আমেরিকান হিন্দুস ফর এনগেজমেন্ট অ্যান্ড ডায়ালগ’ (AHEAD) ফোরাম’-এর দাবি, গোটা বিশ্ব একটি পরিবার, এই কালজয়ী এবং সর্বজনীন বার্তা দিতেই তরা নিউ ইয়র্কের সভাটি করছে। কৃত্রিম বিভাজন, ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিকতার বন্ধন, পারস্পরিক সম্মান, সম্প্রীতি এবং ঐক্যের চেতনাকে জোরাল করে তোলাই লক্ষ্য।

    ভাগবতের অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি মেয়র মামদানির

    তবে ভাগবতের নিউইয়র্ক সফর এবং ম্যাডিসন স্কোয়্যারের অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আরএসএস-এর অনুষ্ঠানের প্রতি তাঁর সমর্থন নেই এবং তিনি ‘বিভাজনমূলক মতাদর্শ’-এর বিরোধী। অনুষ্ঠানটি বাতিল করা উচিত কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে মামদানি বলেন, কোনও বেসরকারি অনুষ্ঠান বাতিল করার ক্ষমতা শহর প্রশাসনের রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। মামদানির বক্তব্য, তিনি নিউইয়র্কের প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান মেয়র। তাঁর পরিবার তাঁকে এমন একটি বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের ধারণা দিয়েছে, যেখানে সকলের জন্য জায়গা রয়েছে। কোনও মানুষ বা গোষ্ঠীকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করে এমন মতাদর্শের তিনি বিরোধিতা করেন বলেও জানান। বিখ্যাত পরিচালক মীরা নায়ার এবং শিক্ষাবিদ মেহমুদ মামদানির ছেলে জোহরান। তাঁর মতে, নিউইয়র্কও জাতি, ধর্ম ও পরিচয় নির্বিশেষে সকলকে সমান সুযোগ দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী।

    আরএসএস নিয়ে ইউএসসিআরএফ-এর মন্তব্য

    ভাগবতের আমেরিকা সফরের আগে ‘ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম’ (USCIRF) আরএসএস-এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানায়। গত ১৯ অগাস্ট সংস্থাটি মার্কিন সরকারকে আরএসএস নেতাদের সরকারি পর্যায়ে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সৌজন্য না দেখানো এবং তাঁদের সঙ্গে সরকারি বৈঠক না করারও পরামর্শ দেয়। ইউএসসিআরএফ-এর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানায় ভারত। ২০ অগাস্ট বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ‘ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম’-কে ‘পক্ষপাতদুষ্ট সংগঠন’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সংস্থাটি ভারত সম্পর্কে ভুল ও উসকানিমূলক মন্তব্য করে আসছে। ফলে তাদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।

    মার্চের রিপোর্টেও আরএসএস নিয়ে সুপারিশ

    ইউএসসিআরএফ-এর মার্চ মাসে প্রকাশিত বার্ষিক রিপোর্টেও ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই রিপোর্টে আরএসএস এবং র (R&AW)-সহ কয়েকটি সংগঠন ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তবে ভারত সরকার সেই রিপোর্টকে ‘বিকৃত ও বেছে নেওয়া তথ্যনির্ভর’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। সরকারের বক্তব্য ছিল, রিপোর্টটি এমন কিছু সূত্রের উপর নির্ভর করেছে যাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং ভারতের পরিস্থিতির একটি একপেশে ছবি তুলে ধরা হয়েছে।

    ২০১৮ সালেও আমেরিকা সফর করেছিলেন ভাগবত

    এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরেও আমেরিকা সফর করেছিলেন মোহন ভাগবত। সে সময় শিকাগোয় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। ৭ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনে ৬০টি দেশের প্রায় ২,৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল বক্তব্যও রাখেন ভাগবত। এবারও আগামী ২৯ অগাস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে সভা রয়েছে ভাগবতের। সেখানে ৫০০০ মানুষের সামনে বক্তৃতা করার কথা তাঁর।

  • Trump Tariffs: ফের আদালতে ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, প্রভাব ভারতের পণ্যেও

    Trump Tariffs: ফের আদালতে ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, প্রভাব ভারতের পণ্যেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আদালতের চ্যালেঞ্জের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি (Trump Tariffs)। সোমবার ডেমোক্র্যাট-শাসিত ২৫টি মার্কিন অঙ্গরাজ্য একটি মামলা দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগ, ভারত-সহ ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর (India Tariffs) নতুন করে শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন ফের তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। একই ধরনের শুল্ক নিয়ে একাধিক আদালতের রায়ের পরেও প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওই রাজ্যগুলির।

    মার্কিন আদালতে দায়ের মামলা (Trump Tariffs)

    নিউইয়র্কের মার্কিন কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এতে গত মাস থেকে কার্যকর হওয়া ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ককে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ নম্বর ধারার আওতায় এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যেসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের রফতানি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসেবেই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্পের শুল্কনীতির জন্য নতুন এই মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরীক্ষা হতে চলেছে। কারণ, মার্কিন আদালতে একের পর এক ধাক্কা সত্ত্বেও, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের কৌশল এখনও বহাল রয়েছে।

    আদালতের রায় উপেক্ষা করছেন ট্রাম্প!

    ওরেগন ও নিউইয়র্ক-সহ ২৫টি অঙ্গরাজ্য এই মামলা করেছে। এসব রাজ্যের নেতৃত্বে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট গভর্নর অথবা অ্যাটর্নি জেনারেল। রাজ্যগুলির দাবি, আদালত যে ব্যাপক আমদানি শুল্ককে ইতিমধ্যেই বেআইনি বলে রায় দিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার ভিন্ন আইনি যুক্তি ব্যবহার করে কার্যত সেই শুল্কই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে (India Tariffs)। মামলায় বলা হয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ নম্বর ধারা ঐতিহাসিকভাবে নির্দিষ্ট দেশ বা শিল্পের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু এই ধারার মাধ্যমে আমেরিকায় আমদানি হওয়া প্রায় সব ধরনের পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপের নজির নেই। রাজ্যগুলির আরও অভিযোগ, জোরপূর্বক শ্রমের বিষয়টিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসন এমন শুল্ক ফের চালু করছে, যেগুলি ইতিমধ্যেই বাতিল করেছে আদালত। রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে এক বিবৃতিতে ওরেগনের অ্যাটর্নি জেনারেল ড্যান রেফিল্ড বলেন, “প্রতিটি ধাপে হেরে যাওয়ার পরেও ট্রাম্প আবারও কর্মজীবী পরিবার এবং ওরেগনের স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসার ওপর আরও বিশৃঙ্খলা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন (Trump Tariffs)।”

    ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের পণ্যে নয়া শুল্ক

    গত ২৪ জুলাই নতুন শুল্কের ঘোষণা করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারত-সহ ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের আমদানিতে এই শুল্ক কার্যকর হয়েছে। তবে কয়েকটি দেশ তাদের নজরদারি ও প্রয়োগব্যবস্থা জোরদার করায় তুলনামূলক কম শুল্কের সুবিধা পেয়েছে। একজন মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তার বক্তব্য, ভারতের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে সব পণ্যের ক্ষেত্রে এই শুল্ক প্রযোজ্য নয়। তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, সার এবং মার্কিন-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া পণ্যগুলিকে নতুন শুল্ক থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। নতুন শুল্ক ঘোষণার সময় মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেন। তিনি বলেন, “প্রায় এক শতাব্দী ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং আমরা তা কঠোরভাবে কার্যকর করি। আমাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও একই কাজ করার সময় অনেক আগেই এসেছে।”

    নতুন আইনি পথে ট্রাম্প

    আগের শুল্ক নীতিগুলি আদালতে বড় ধরনের আইনি বাধার মুখে পড়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন তার অর্থনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ—শুল্কনীতিকে টিকিয়ে রাখতে নতুন আইনি পথ বেছে নিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, International Emergency Economic Powers Act বা IEEPA প্রেসিডেন্টকে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। এর ফলে ট্রাম্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক উদ্যোগ আইনি ধাক্কা খায়।এরপর ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ নম্বর ধারার আওতায় সাময়িকভাবে বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প (Trump Tariffs)। পরে মার্কিন কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেই শুল্ককেও বেআইনি বলে রায় দেয়। যদিও প্রশাসন ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করায় শুল্কগুলি আপাতত কার্যকর রয়েছে (India Tariffs)। এই আইনি পথগুলিও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার পর এবার ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ নম্বর ধারার ওপর নির্ভর করছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিদেশি সরকারের অন্যায্য বা বৈষম্যমূলক বাণিজ্যিক নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঐতিহ্যগতভাবে এই ধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদেও চিনের ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে এই একই আইনি ধারা ব্যবহার করেছিলেন। সেই শুল্ক নির্দিষ্ট একটি দেশের বিরুদ্ধে লক্ষ্য করে আরোপ করা হয়েছিল বলে আইনি চ্যালেঞ্জের পরেও তা বহাল ছিল।

    শুল্কনীতিতে অনড় ট্রাম্প

    একাধিক আদালতের রায়ে ধাক্কা খেলেও ট্রাম্প আমেরিকার উৎপাদন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কাঠামো বদলে দেওয়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে শুল্কনীতিকে তুলে ধরছেন। গত বছর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আমেরিকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির সমান। সেই যুক্তিতে তিনি জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছিলেন। পরে আদালত সেই পদক্ষেপে বাধা দেয়। নতুন মামলার মাধ্যমে ফের স্পষ্ট হল, ট্রাম্প প্রশাসন শুল্কনীতিকে কার্যকর রাখতে একের পর এক আইনি পথ খুঁজছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট-শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলি আদালতের মাধ্যমে সেই নীতিকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে (India Tariffs)। ফলে ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি শুধু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নয়, মার্কিন (Trump Tariffs) প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমা নিয়েও ফের চলে এসেছে বড়সড় আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রে।

     

  • Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় বড় পদক্ষেপের কথা জানানো হল আমেরিকার তরফে। নিউ ইয়র্ক (New York) কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১৬ কোটি টাকা মূল্যের শত শত প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকগুলিই কুখ্যাত শিল্পদ্রব্য পাচারকারী সুভাষ কাপুরের আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ভারত সরকারের কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনার ফলেই এই কাজ সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নিদর্শনের সংখ্যা (Antiquities India)

    নিউ ইয়র্ক থেকে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জুনিয়ার (New York) মোট ৬৫৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল–

    অবলোকিতেশ্বর (Avalokiteshvara)

    ছত্রিশগড়ের সিরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি ব্রোঞ্জ মূর্তি, যার আনুমানিক মূল্য ২ মিলিয়ন ডলার। এটি ১৯৮২ সালে চুরি হয়, পাচার করা হয় আমেরিকায়।

    দণ্ডায়মান বুদ্ধ

    উত্তর ভারত থেকে পাচার হওয়া লাল বেলেপাথরের একটি বুদ্ধ মূর্তি, যা ‘অভয় মুদ্রা’য় রয়েছে (Antiquities India)। এর মূল্য প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। এটি সুভাষ কাপুর নিজের গুদামে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

    নৃত্যরত গণেশ

    মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে চুরি হওয়া বেলেপাথরের একটি গণেশ মূর্তি। এই মূর্তিটিও বহু প্রাচীন। এবার ভারতে ফিরে আসবে। নিউ ইয়র্কে (New York) ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল বিনয় প্রধান এই সহযোগিতার জন্য মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির অফিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ঘটনাটিকে বিশ্বজুড়ে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার লড়াইয়ে একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    পাচার চক্রের ভূমিকা

    তদন্তে জানা গিয়েছে, সুভাষ কাপুর এবং ন্যান্সি উইনারের মতো পাচারকারীরা জাল নথিপত্র তৈরি করে ভারতের মন্দির ও মিউজিয়াম থেকে এই মূল্যবান সম্পদগুলি বিদেশে পাচার করেছিলেন।

    কোহিনূর বিতর্ক

    এই অনুষ্ঠানের মাঝেই নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ব্রিটিশ রাজপরিবারের অধীনে থাকা ১০৫.৬ ক্যারেটের কোহিনূর হীরাটি (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত এই রত্নটির আসল মালিক ভারত। তাই ভারতের কাছেই ফিরে যাওয়া উচিত।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জানিয়েছেন, “ভারত থেকে সাংস্কৃতিক সম্পদ (Antiquities India) পাচারের জালটি অত্যন্ত বিস্তৃত। আজকের এই পদক্ষেপ একটি বড় সাফল্য হলেও, চুরি হওয়া বাকি সম্পদগুলি ফিরিয়ে আনতে আমাদের তদন্ত জারি থাকবে।”

  • US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (US Returns Indian Antiquities) রক্ষায় বড় সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরল ৬৫৭টি চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শন, যার মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দফতর ভারতে ফিরিয়ে দিল ওই চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শনগুলি। আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ তদন্তের পর এই বিরল সংগ্রহ উদ্ধার করা হয়। মোট মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। নিউ ইয়র্কে ভারতীয় কনস্যুলেটের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই নিদর্শনগুলি হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল কুখ্যাত পাচারকারী সুভাষ কপুর এবং দোষী সাব্যস্ত আর্ট ডিলার ন্যান্সি উইনার।

    উদ্ধার হওয়া উল্লেখযোগ্য নিদর্শন

    ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন এল ব্র্যাগ জুনিয়র বলেন, “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্য করে যে পাচারচক্র কাজ করেছে, তার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এই পুনরুদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ হলেও, হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর কাজ এখনও চলবে। ফিরিয়ে দেওয়া সামগ্রীগুলির মধ্যে রয়েছে বহু ঐতিহাসিক ও উচ্চমূল্যের শিল্পকর্ম—

    • ব্রোঞ্জ অবলোকিতেশ্বর মূর্তি: মূল্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার। রায়পুরের মহন্ত ঘাসিদাস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম থেকে চুরি হয়ে ১৯৮২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়। ২০২৫ সালে একটি ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে উদ্ধার করা হয়।
    • লাল বেলেপাথরের বুদ্ধ মূর্তি: মূল্য আনুমানিক ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। সুভাষ কপুরের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হয়ে নিউ ইয়র্কের একটি গুদাম থেকে উদ্ধার।
    • নৃত্যরত গণেশ মূর্তি: মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে ২০০০ সালে চুরি হয়। জাল নথির মাধ্যমে বিক্রি হয়ে ২০১২ সালে ক্রিস্টিজ নিলামে ওঠে। চলতি বছরে এক সংগ্রাহক তা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেন।

    আন্তর্জাতিক পাচারচক্রে বড় ধাক্কা

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সুভাষ কপুরের পাচারচক্রের (US Returns Indian Antiquities) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ২০২২ সালে ভারতে দোষী সাব্যস্ত হন কপুর এবং বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের কনসাল জেনারেল বিনয় প্রধন এই উদ্যোগের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই নিদর্শনগুলি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬,২০০টি নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার। এগুলি ৩৬টি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হস্তান্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

LinkedIn
Share