Tag: NIA Chargesheet

NIA Chargesheet

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১৭ থেকে ২৩ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ইসলামিক সংগঠনের দাবি (Hindus Under Attack)

    প্রায় ৪৮টি ইসলামিক সংগঠন ১৭ মে বেঙ্গালুরুর টাউন হলে একজোট হয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের কাছে সম্প্রদায়ভিত্তিক একাধিক দাবি পেশ করেছে। ঘটনায় কর্নাটকে সূত্রপাত হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কের। ফেডারেশন অফ কর্নাটক মুসলিম অর্গানাইজেশন্সের ব্যানারে আয়োজিত এই সম্মেলনে মুসলিমদের জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ, সংরক্ষণ কোটা পুনর্বহাল ও সম্প্রসারণ, ধর্মান্তর-বিরোধী ও গবাদি পশু জবাই সংক্রান্ত আইন বাতিল, এবং ইসলামিক সম্প্রদায়ের জন্য আরও বেশি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়। এইচআর অ্যান্ড সিই (HR&CE) প্রশাসনের অধীনস্থ রামেশ্বরমের অরুলমিগু রামনাথস্বামী মন্দিরে অভ্যন্তরীণ তদন্তে লাড্ডু প্রসাদম প্রস্তুতি, বিক্রি এবং বিনামূল্যে বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ছ’জন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমান, এর ফলে ৩.৪০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

    গাড়ি বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএর চার্জশিট

    দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট দাখিল করেছে। ওই ঘটনায় ১১ জন নিহত ও বহু মানুষ জখম হয়েছিলেন। এনআইএর চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ‘অপারেশন হেভেনলি হিন্দ’ নামে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতে শরিয়া শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের।মহারাষ্ট্রের মিরা রোড এলাকায় এক হিন্দু দম্পতির ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে (Hindus Under Attack)। অভিযোগ, ওলা-উবার চালক অজয় রাজেন্দ্র চৌধুরী এবং তাঁর বান্ধবী রোমা জয়ভগবান কাগদাকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিবাদের জেরে হিলাল খানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি আক্রমণ করে। এফআইআর অনুযায়ী, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    মন্দির চত্বরের ভেতরে হিজাব পরে!

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলার ঐতিহাসিক বাদামি মন্দির কমপ্লেক্সে এক মুসলিম কর্মীকে মন্দির চত্বরের ভেতরে স্যান্ডেল ও হিজাব পরে দেখা যায়। ঘটনায় প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত হিন্দু ভক্ত ও পর্যটকদের আপত্তির পর ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ধর্মীয় রীতি ও উপাসনালয়ের মর্যাদা নিয়ে তীব্র জনমতও তৈরি হয় (Roundup Week)। মাদিকেরির কোদাগু জেলার হেরুর এলাকায়ও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এলাকার একটি আদিবাসী কলোনিতে নির্মিত একটি ভবন থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপ চালানোর তোড়জোড় করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, তামিলনাড়ু থেকে একদল খ্রিস্টান ওই ভবনের উদ্বোধনে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানান। প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি মান্ডোডি জগন্নাথের নেতৃত্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ

    পুনের ধানোরি এলাকার একটি ঘটনা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত জমি অবৈধভাবে দখল এবং আদালতের নির্দেশে পুনর্দখল ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা এটি। অভিযোগ, জনৈক ইলাহি শেখ প্রায় ১০ বছর ধরে এক হিন্দু মালিকানাধীন জমি দখল করে রেখেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জমির মালিক ফের জমির দখল নিতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। অভিযোগ, শেখ ও তাঁর দলবল ওই হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ চালায়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন

    বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত বলে দাবি করা হয়। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে অনেকে মনে করেন। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য প্রায়ই চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে অনেকেই (Roundup Week) এর উদাহরণ হিসেবে দেখান। আপাতভাবে এটি দূষণ সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ (Hindus Under Attack) এবং সেই নিষেধাজ্ঞার যুক্তির অভাব নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগও ওঠে।

     

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতের প্রমাণ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ-র তরফে দাবি করা হয়েছে, গোটা হামলার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ এবং জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া—সবকিছুই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-এর সক্রিয় ভূমিকার তথ্যও।

    লাহোরে বসে হামলাকারীদের নির্দেশ দিচ্ছিল জঙ্গি-নেতা সইফুল্লাহ্

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে হামলার নেপথ্য মূলচক্রী হিসেবে কাজ করছিল সইফুল্লাহ্ ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’। সে লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-এর শীর্ষ জঙ্গি-নেতা। চার্জশিট অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের সঙ্গে সে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং রিয়েল-টাইমে অবস্থান, চলাচলের পথ, লুকিয়ে থাকার জায়গা ও পালানোর রুট সংক্রান্ত তথ্য পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামলার আগে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান থেকে তিন জঙ্গি— ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোটু এবং হামজা আফগানিকে— বৈসরণ উপত্যকা ও আশপাশের এলাকায় রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা পর্যটকদের আনাগোনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হামলার সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখে। এরপর হামলার দিন লাহৌর থেকেই সইফুল্লাহ্ জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে হামলা পরিচালনা করে।

    পাকিস্তানের “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে দিল এনআইএ

    এনআইএ-র তদন্তে পাকিস্তানের তথাকথিত “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে গিয়েছে। হামলার পরপরই ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে টিআরএফ হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র নিন্দা শুরু হলে এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হামলার নিন্দা জানালে সংগঠনটি নিজেদের অবস্থান বদলায়। পরে দাবি করা হয়, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি নাকি “হ্যাক” হয়েছিল এবং হামলার সঙ্গে টিআরএফ-এর কোনও যোগ নেই। তবে এনআইএ-র প্রযুক্তিগত তদন্তে উঠে এসেছে, ‘কাশ্মীর ফাইট’ টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে পরিচালিত হত। এছাড়া ‘TheResistanceFront_OfFcial’ নামে আরেকটি চ্যানেল রাওয়ালপিন্ডি থেকে চালানো হত বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এবং হামলার দায় এড়াতে লস্কর ও টিআরএফ যৌথভাবে এই ভুয়ো প্রচার চালায়।

    নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অন্তত দুটি মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এনআইএ জানিয়েছে, একটি ফোন অনলাইনে কেনা হয়েছিল এবং সেটি লাহোরের কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। অন্য ফোনটি কেনা হয়েছিল করাচির শাহরা এলাকা থেকে। এই তথ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় দুই বাসিন্দা— পারভেজ এবং বশির আহমেদ— পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আশ্রয় দেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং পালানোর পথ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রত্যাঘাত ভারতের

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্করের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। গ্লাইড বোমা, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে বহু জঙ্গি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এনআইএ-র দাবি, এই চার্জশিটে থাকা তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ, যোগাযোগের নথি এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ফরেন্সিক বিশ্লেষণ পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পুরনো কৌশলই আবারও সামনে এল পহেলগাঁও হামলার ঘটনায়।

  • NIA: অসম বিস্ফোরণকাণ্ডে পরেশ বড়ুয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল এনআইএ-র

    NIA: অসম বিস্ফোরণকাণ্ডে পরেশ বড়ুয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে গত বছর একাধিক আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানোর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠন আলফা (আই) প্রধান পরেশ বড়ুয়াসহ (Paresh Baruah) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে শুক্রবার চার্জশিট দায়ের করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। শনিবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে এনআইএ (NIA)। অনেক নামে পরিচিত পরেশ বড়ুয়া নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম-ইন্ডিপেন্ডেন্ট (আলফা-আই) এর চেয়ারম্যান এবং স্বঘোষিত কমান্ডার-ইন-চিফ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় অভিযুক্ত পরেশ

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, পরেশ বড়ুয়ার (Paresh Baruah) সঙ্গে অভিজিৎ গগৈ এবং জাহ্নু বড়ুয়াকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন এবং বিস্ফোরক পদার্থ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসাম জুড়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ব্যাহত করার জন্য গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গুয়াহাটির দিসপুর লাস্ট গেটে পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এর সাথে এই তিনজনের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে বলে এনআইএ অভিযোগপত্রে জানিয়েছে।

    কোন কোন ধারায় অভিযুক্ত পরেশ

    গত বছর স্বাধীনতা দিবসের এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তদন্তের দায়িত্ব নেয় এনআইএ (NIA)। তদন্তে গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, মৃত্যু বা আহত করা, সম্পত্তি ধ্বংস করা, ভারতের ঐক্য, অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি তৈরি করা এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে আইইডিগুলো স্থাপন করা হয়েছিল। এই মামলার পরবর্তী শুনানি গুয়াহাটি আদালতে হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, আটের দশকের গোড়া থেকেই সার্বভৌম অসমের দাবিতে উত্তপ্ত হয়েছিল ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্য। পরেশ বড়ুয়ার (Paresh Baruah) নেতৃত্বে আগুন জ্বলেছিল অসমে। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০-এ আলফাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেও হামলা চালিয়ে গিয়েছে বিচ্ছিন্নবাদীরা। বছর চারেক আগে শোনা যায়, পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন আলফা জঙ্গিরা চিনের ইউনান প্রদেশে ঘাঁটি গেড়েছে। সেখান থেকেই ভারতে নাশকতার চক্রান্ত চলছে।

  • Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ (Rohingya Infiltration) করেছে বিভিন্ন সময়ে, তা আগেই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রোহিঙ্গারা যে এ রাজ্যে ঘাঁটি গেড়েছে, তা অনেক বার বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। তাঁদের দাবি যে নিছক গল্পকথা কিংবা কষ্টকল্পনা নয়, তার প্রমাণ মিলল এনআইএ রিপোর্টে।

    এনআইএর চার্জশিটে দাবি

    জানা গিয়েছে, মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে এ রাজ্যে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। এনআইএ-র চার্জশিটেই এই দাবি করা হয়েছে। চার্জশিটে আরও দাবি (Rohingya Infiltration) করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে মানবপাচার। এই পাচার চক্রের৩৬ জনের বিরুদ্ধে দু’রাজ্যের দু’টি মামলায় এনআইএ চার্জশিট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ জন বাংলাদেশি, একজন রোহিঙ্গাও। 

    মামলা দায়ের অসম পুলিশের

    ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। তার পরেই উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মায়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা (মায়ানমারের মুসলমানরা)। এর পরেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। সেই মামলায়ই অসমের এনআইএ আদালতে পেশ করা হয় ওই চার্জশিট। এনআইএর পেশ করা চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ভুয়ো পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ এবং জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে রোহিঙ্গারা। অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারও করা হয়েছে ৩৬ জনকে। এরা পশ্চিমবঙ্গের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল ও যশোর দিয়ে এবং ত্রিপুরার কাছে বাংলাদেশের আখাউড়া দিয়ে ভারতে ঢুকেছে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর ভুয়ো নথি, ব্যাঙ্কের নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস।

    আরও পড়ুুন: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ভালো কাজ ও উন্নত জীবন যাপনের টোপ দিয়ে রোহিঙ্গাদের ঢোকানো হচ্ছে এ দেশে। কয়েকজন রোহিঙ্গা মহিলাকে বিয়ের নামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বয়স্ক পুরুষদের কাছে। পাচার চক্রের লোকজনই অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিচ্ছে। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা (Rohingya Infiltration)।

    ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে যে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনেক আগেই দাবি করেছিল এনআইএ। এদের মূলে পৌঁছতে ১১টি রাজ্যে তল্লাশি চালায় এনআইএ। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল (Rohingya Infiltration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Tablighi Jamaat: পয়গম্বর মন্তব্যের বদলা নিতে অমরাবতীর কেমিস্ট খুন করেছে তাবলিঘি জামাত, চার্জশিটে দাবি এনআইএ- র

    Tablighi Jamaat: পয়গম্বর মন্তব্যের বদলা নিতে অমরাবতীর কেমিস্ট খুন করেছে তাবলিঘি জামাত, চার্জশিটে দাবি এনআইএ- র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে কেমিস্ট উমেশ কোলহে খুনের মামলায় চার্জশিট (NIA Chargesheet) পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদীদের হাতে খুন হয়েছে উমেশ। তদন্তকারীদের দাবি, নুপূর শর্মার পয়গম্বরকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন উমেশ। সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয় বলে দাবি গোয়েন্দাদের। এনআইএ তদন্তকারীদের অভিযোগ, উমেশের উপর বদলা নিতে রীতিমতো সন্ত্রাসবাদী গ্যাং পরিকল্পনা করে খুন করে। ধৃত ১১ জনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ- এর আওতায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি এই খুনে যোগ রয়েছে ইসলাম মৌলবাদী দল তাবলিঘি জামাতের। জুন মাসে অমরাবতীতে খুন হয়ে যান কেমিস্ট উমেশ কোলহে। 

     কী জানিয়েছে এনআইএ? 

    নুপূর শর্মার পয়গম্বরকে নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ পোস্টে নুপূরের মন্তব্যের সমর্থন করেন উমেশ কোলহে। ২১ জুন সাড়ে দশটা নাগাদ ওষুধের দোকন বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। অমরাবতীর শ্যামচক এলাকায় গলা কেটে খুন করা হয়েছিল উমেশকে। তদন্তে নেমে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিষয়টি সামনে আসে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা যায় বেশ কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মেসেজ শেয়ার করেন উমেশ। এর পরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এই তদন্তের দায়িত্ব পায়।

    উমেশ কোলহে খুনের মামলায় ইতিমধ্যেই ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট (NIA Chargesheet) দায়ের করেছেন গোয়েন্দারা। দুই অভিযুক্ত পলাতক। তাদের এখনও ধরা যায়নি বলে জানিয়েছে এনআইএ। চার্জশিটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ করেছে শুধু ওই কেমিস্টকে খুন নয়, স্থানীয়দের মনে ভীতি তৈরি করাও ওই মৌলবাদী গোষ্ঠীর লক্ষ্য ছিল। সেই কারণে রীতিমতো পরিকল্পনা করে এই খুন করা হয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই রাজস্থানের উদয়পুরে কানহাইয়ালালকে খুন করা হয়।  

    আরও পড়ুন: ‘সমলিঙ্গে বিয়ে সামাজিক বন্ধন ছিন্ন করবে’, সুশীল মোদি 

    ২ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে অমরাবতীর উমেশ হত্যা (NIA Chargesheet) মামলার তদন্তের দায়িত্ব নেয় এনআইএ। সেই তদন্তেই ধৃতদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। খুন, প্রমাণ লোপাট, অপরাধমূলক ষড়য়ন্ত্রের অভিযোগ দায়ের হয়েছে ১১ জনের বিরুদ্ধে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter 

LinkedIn
Share