Tag: NIA Raid

NIA Raid

  • NIA Raid: মাওবাদী যোগে রাজ্যে এনআইএ তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল, হার্ডডিস্ক

    NIA Raid: মাওবাদী যোগে রাজ্যে এনআইএ তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল, হার্ডডিস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে মাওবাদী-যোগের (Maoist) তদন্তে আসানসোলের ডিসেরগড়, পানিহাটির পল্লিশ্রী এলাকা সহ রাজ্যের ১০টি জায়গায় হানা দিয়েছিল এনআইএ (NIA Raid) । ২০২২ সালে প্রশান্ত বসু নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। সেই সূত্র ধরেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি অভিযান বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসবাদও করা হয় বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তল্লাশিতে কী কী মিলল তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল (NIA Raid)

    প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর সোদপুরের পানিহাটি ও আসানসোলের দু’টি বাড়ি থেকে বেরোলেন এনআইএ-র (NIA Raid)  আধিকারিকরা। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির পর দু’টি বাড়ি থেকেই ফোন, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিস্ক বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। বেশকিছু নথি সহ মোট পাঁচটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ উঠেছে দুই সমাজকর্মী সুদীপ্তা পাল এবং শিপ্রা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। বছর পাঁচেক আগে শিপ্রা আসানসোল থেকে চলে যান। তাঁর আসল বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির পল্লিশ্রী এলাকায়। এদিন সকাল ৬টা থেকে প্রায় ১০টা পর্যন্ত দু’টি ঠিকানায় তল্লাশি চলে। আসানসোলের বাড়িতে এনআইএ তল্লাশির পর সুদীপ্তা বলেন, “তল্লাশির নামে ঘর তছনছ করেছেন তদন্তকারীরা। হার্ডডিস্কটা নিয়ে যাওয়ার ফলে আমার খুব ক্ষতি হয়ে গেল। কারণ আমার একটাই কম্পিউটার ছিল। আমি সেখানেই লেখালিখি করতাম।” অন্যদিকে, পানিহাটিতে শিপ্রার বাড়ি থেকেও ফোন এবং ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় এনআইএ।

    আরও পড়ুন: ‘শিরদাঁড়া’য় আপত্তি, কোথাও পুজোর থিমের ঠাঁই হল আস্তাকুঁড়ে, কোথাও ঢাকল ত্রিপলে!

    রাঁচিতে তলব

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, তদন্তকারী আধিকারিকদের (NIA Raid) কথা শুনে মনে হয়েছে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তদন্ত করা হচ্ছে। ১৫ অক্টোবর রাঁচিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে, আমরা তদন্তকারী অধিকারিকদের জানিয়েছি, কলকাতায় অফিসে ডেকে পাঠালে যাবেন, রাঁচি যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

    কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত

    বেহালার ফিলিপস আবাসন বা পরমা আবাসনে ৮০ নম্বর বাড়ি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর। পেশায় ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেন প্রসেনজিৎ। ঘটনাস্থলে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। সকাল ছয়টা নাগাদ এনআইএ (NIA Raid) আধিকারিকরা প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর বাড়িতে আসেন। প্রায় সাত ঘণ্টা তল্লাশি শেষে বেরিয়ে যান এনআইএ আধিকারিকরা। যাওয়ার সময়ে কিছু কাগজপত্রও নিয়ে যান তাঁরা। প্রসঙ্গত, মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এমন বেশ কিছু ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণ করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। ইতিমধ্যে রাঁচিতে এনআইএ-র পক্ষ থেকে একটি মামলা রুজু করা হয়। সেই মামলার তদন্তে যোগসূত্র পাওয়া যায় পশ্চিমবঙ্গে। অসমে মাওনেতা সব্যসাচী গোস্বামী গ্রেফতার হওয়ার পরে নির্মলা নামে এক মাও নেত্রী কলকাতায় এসে বৈঠক করে আবার অন্যত্র চলে যান বলে সূত্র মারফত খবর পান এনআইএ গোয়েন্দারা। পানিহাটি, বীরভূম, যাদবপুর- সহ শহর কলকাতা জুড়ে সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযানে নামে এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভেস্তে গেল প্রজাতন্ত্র দিবসে নাশকতার ছক, এনআইএ হানায় ধৃত ৮ জঙ্গি

    NIA: ভেস্তে গেল প্রজাতন্ত্র দিবসে নাশকতার ছক, এনআইএ হানায় ধৃত ৮ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ন’ দিনের মাথায় ফের গ্রেফতার ৮ আইএস জঙ্গি। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে ফের একবার ইসলামিক স্টেটসের (isis) নাশকতার ছক ভেস্তে দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ (NIA)। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সোমবার কর্নাটকের বল্লারি সহ জঙ্গিদের বিভিন্ন ডেরায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেহভাজন ওই জঙ্গিদের।

    জঙ্গি ডেরায় কী মিলল জানেন?

    জঙ্গিদের খোঁজে এদিন অভিযান চালানো হয়েছে মুম্বই, পুণে এবং দিল্লিরও কয়েকটি ঠিকানায়। উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ পটাশিয়াম ও সালফার নাইট্রেট, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, গান পাউডার, চারকোল, সুগার, ইথানল, ধারাল অস্ত্র, নগদ টাকা, স্মার্টফোন, একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস এবং বিভিন্ন নথিপত্র। ন’ দিন আগেই মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকের ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ (NIA)। সেই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল ১৫জন জঙ্গি।

    গ্রেফতার এক চাঁই

    ওই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল আইএসের এক মাথাও। সোমবার এনআইএ হানা দিয়েছিল জঙ্গিদের ১৯টি ডেরায়। গ্রেফতার করা হয়েছে আরও ৮জনকে। এদের মধ্যে রয়েছে বল্লারি মডিউলের ওই জঙ্গিদের নেতা মহম্মদ সুলেমান ওরফে মিনাজও। ধৃতদের মধ্যে বল্লারি ছাড়াও ছিল বেঙ্গালুরু, পুণে, মুম্বই, দিল্লি ও বোকারোর বাসিন্দারা। এনআইএ জেনেছে, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল শহরের ব্যস্ততম এলাকায় নাশকতার ছক কষেছিল ধৃত জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এনআইএ-র তরফে জারি করা বিবৃতিতে মুখপাত্র জানিয়েছেন, “আজ আমরা মিনাজ ওরফে মহম্মদ সুলেমান ও সঈদ সমীরকে বল্লারি থেকে গ্রেফতার করেছি। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আনাস ইকবাল শেখকে। বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ মুনিরুদ্দিন, সঈদ সামিউল্লা ওরফে সামি এবং মহম্মদ মুজাম্বেলকে। দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সঈদ রহমানকে। আর জামশেদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহঃ শাহবাজ ওরফে জুলফিকার গুড্ডুকে।”

    তিনি বলেন, “এদিনের অভিযানে যে আট জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই আইএসের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। মিনাজ ওরফে মহঃ সুলেমানের নেতৃত্বে তারা কাজকর্ম করছিল।” এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, দেশে ইরাক ও সিরিয়ার ইসলামিক স্টেটের মেরুদণ্ড ভাঙতে অভিযান চালানো হয়েছে। নিষিদ্ধ এই সংগঠন ভারত-বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যেসব রাজ্যে এদিন হানা দেওয়া হয়েছে, সেখানকার পুলিশকেও শামিল করা হয়েছিল অভিযানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • NIA Raid: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

    NIA Raid: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে সক্রিয় মানব পাচার চক্র (Human Trafficking)। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী বেশ কয়েকজনকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। বুধবারই মানব পাচার চক্রের হদিস পেতে দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে এনআইএ (NIA)। ১০ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলা থেকে ধরা হয়েছে ৩ জনকে।

    ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে অভিযান

    বাংলাদেশ থেকে বিগত কয়েক বছরে বহু রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে ভারতে। তাদের মধ্যে অনেকেই উত্তরপূর্ব হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। আবার বাংলা দিয়েও কয়েকজন ঢোকে। এরপর তারা গা ঢাকা দিতে চলে যায় ভারতের অন্যান্য বিভিন্ন রাজ্যে। এদেরকেই পাচার করে দেওয়া হয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই আবহে বুধবার দেশের ১০টি রাজ্যে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ। এর মধ্যে ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গেও অভিযান চলে। দেশ জুড়ে মোট ৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় গতকাল। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জনকে ধরা হয়েছে ত্রিপুরা থেকে। 

    কী বলল এনআইএ

    এনআইএ-র তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১০ রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলজুড়ে চলা মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য। বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতায় এনআইএ বুধবার সকালে দেশজুড়ে নানা জায়গায় অভিযান চালায়। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে অনুপ্রবেশ ও বেআইনি মানব পাচার রোখা।” বুধবারের এনআইএ অভিযানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩ জন, ত্রিপুরা থেকে ২১ জন, কর্নাটক থেকে ১০ জন, অসম থেকে ৫ জন, তামিলনাড়ু থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তেলঙ্গানা, পুদুচেরি ও হরিয়ানা থেকেও ১ জন করে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে নকল আধার কার্ড ও প্যান কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। নগদ ২০ লক্ষ টাকা ও ৪৫৫০ মার্কিন ডলারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    অসম পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রিপুরা থেকে আগত একটি ট্রেনে একদল রোহিঙ্গাকে দেখতে পেয়েই আটক করে করিমগঞ্জ পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই মানব পাচার চক্রের খোঁজ মেলে। এখনও অবধি ৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহায়তায়। অনুপ্রবেশকারীদের পাচারের সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করতে বাংলাদেশের কাছ থেকেও সাহায্য় চাওয়া হয়েছে, বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • PFI: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক দেশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছিল পিএফআই, চার্জশিটে এনআইএ

    PFI: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক দেশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছিল পিএফআই, চার্জশিটে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নিষিদ্ধ পিএফআই বা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। তবুও ভারতের বেশ কিছু জায়গায় এই সংগঠনের কার্যক্রমের খবর সামনে এসেছে। রাজস্থানে এই সংগঠনের কিছু উগ্রবাদী কার্যকলাপের একটি মামলায় এবারে চার্জশিট পেশ করেছে এনআইএ। এই মামলায় পিএফআই-এর দুজন সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পিএফআই একটি উগ্রপন্থী ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা, অপহরণ, খুন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো, দাঙ্গা, লাভ জিহাদের মত একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

    এনআইএ-র চার্জশিট দাখিল

    সূত্রের খবর, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পিএফআই-এর (PFI) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ, এই সংগঠন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। এর পাশাপাশি মুসলিম যুবকদের মগজ ধোলাই করে তাঁদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এসব করে ২০৪৭ সালের মধ্যে ইসলামিক জাতি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। আর এই মামলাতেই পিএফআই-এর সদস্য মোহাম্মদ আসিফ ওরফে আসিফ ও সাদিক সরফকে অভিযুক্ত করেছে এনআইএ। এই দুই অভিযুক্তই শুধু মুসলিম যুবকদের প্রশিক্ষণই দিচ্ছিল না, ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ শিবিরেরও আয়োজন করে আসছিল। এই দুজনের বিরুদ্ধে আইপিসির ১২০বি, ১৫৩এ ধারা, ১৩, ১৭, ১৮,  ১৮এ  এবং ১৮বি  ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    চার্জশিটে কী বলা হয়েছে?

    এনআইএ-এর দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, এই অভিযুক্তরা প্রশিক্ষিত পিএফআই-এর (PFI) সদস্য, যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য মুসলিম যুবকদের নিয়োগ করত এবং নিজেরাও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও এই অভিযুক্ত দুজন অস্ত্র ও বিস্ফোরক পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করত, পিএফআই ক্যাডারদের অস্ত্র তুলতে এবং হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করত। এরা ভারতে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা তৈরি করতে এবং দেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের প্ররোচিত করত। তাদের প্রধান লক্ষ্য, ইসলাম বিপদে রয়েছে, মুসলিম যুবকদের মধ্যে এমন ভয় সৃষ্টি করা। সেই ভয়ে তারা নিজেদের প্রসারিত করার চেষ্টা করছিল ও দেশ ভাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ইসলামিক জাতি গঠনের কথাও ছিল। কিন্তু এনআইএ তাদের (PFI) এই ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে সক্ষম হয়েছে ও তাদের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিটও দাখিল করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত হিন্দুরাষ্ট্রই, পৃথক ঘোষণার দরকার নেই’’, বললেন সঙ্ঘনেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    জম্মু কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি এনআইএ-র

    অন্যদিকে জম্মু কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে এনআইএ। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে কে বা কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে, সেই খোঁজ করতেই জম্মু কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করে এনআইএ। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের সহায়তায় এনআইএ মঙ্গলবার জম্মু কাশ্মীরের কুলগাম, পুলওয়ামা, অনন্তনাগ এবং সোপিয়ানে তল্লাশি শুরু করে। কুলগাম, সোপিয়ানের জয়নাপোরা এলাকায় একজন দুধওয়ালা, একজন কৃষক এবং একজন চালকের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। একইভাবে শ্রীনগরেও অভিযান চালানো হয়। উল্লেখ্য, এই তল্লাশি অভিযান ছাড়াও এনআইএ বহু ক্ষেত্রে তদন্ত চালাচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশের পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান এনআইএ-র

    NIA Raid: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশের পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ফের একবার বড়সড় তল্লাশি অভিযানে নেমেছে এনআইএ (NIA Raid)। দেশে এক সন্ত্রাসবাদের পর্দা ফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, দেশে সন্ত্রাসের জাল পেতে চলেছে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্স (Islamic State-Khorasan Province) বা আইএসকেপি। ফলে গোপন সূত্রে খবর পেতেই দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত শনিবার মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় এনআইএ (NIA Raid)। রবিবার এনআইএ-র তরফে বিবৃতি জারি করে এই তল্লাশি অভিযানের কথা জানানো হয়েছে।

    এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান

    একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে এনআইএ (NIA Raid) জানিয়েছে যে, তদন্তকারীরা শনিবার মধ্যপ্রদেশের সেওনির চারটি স্থানে এবং পুণেতে একটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। তথ্যের ভিত্তিতে, এনআইএ টিম সন্দেহভাজনদের বাড়িতেও তল্লাশি চালায়। পুণেতে তালহা খান ও মধ্য প্রদেশের সেওনিতে আক্রম খান নামক দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালান এআইএ-র আধিকারিকরা। এনআইএ সূত্রে খবর, দেশজুড়ে আইএসকেপির গতিবিধি ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রচেষ্টার তথ্য জানতে পেরেই শনিবার মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।

    আইএসকেপির সদস্য গ্রেফতার

    সম্প্রতি আইএসকেপির সঙ্গে যুক্ত এক দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দিল্লির ওখলা থেকে জাহনসিব সামি ওয়ানি ও তাঁর স্ত্রী হিনা বসির বেগ নামক ওই কাশ্মীরী দম্পতিকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। এনআইএ বলেছে, “এই দম্পতিকে আইএসকেপি-র সঙ্গে যুক্ত বলে পাওয়া গেছে।” এছাড়াও তদন্তে জানা গিয়েছে, আবদুল্লাহ বাসিথ নামক আরও এক ব্যক্তি আইএসকেপি-র সঙ্গে যুক্ত। যদিও এনআইএ-র তদন্তাধীন অন্য একটি মামলায় বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি ওই ব্যক্তি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির বাজার মূল্য ১১১ কোটি! বিস্ফোরক দাবি ইডির

    শিবমোগা আইএস ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযান

    জানা গিয়েছে, ওই দিনেই শিবমোগা আইএস ষড়যন্ত্র মামলায় সেওনির আরও তিনটি স্থানে তল্লাশি চালায় এনআইএ। সেদিন আব্দুল আজিজ সালাফি ও শেওব খান নামক অপর দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, শিবমোগা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি মোহাম্মদ শারিক, মাজ মুনির খান, ইয়াসিন এবং অন্যান্যরা তাদের হ্যান্ডলারের নির্দেশের ভিত্তিতে, মদের দোকান, হার্ডওয়্যারের মত সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে। এরপর একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সদস্যদের মালিকানাধীন দোকান, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার মত ২৫ টিরও বেশি ঘটনা ঘটিয়েছে। এমনকী তারা আইইডিও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এনআইএ সূত্রে খবর, এই সমস্ত সন্ত্রাস সংগঠনকে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশ থেকে আর্থিক মদত দেওয়া হত।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: পাকিস্তান থেকে অস্ত্রপাচার, রয়েছে আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগ! দেশের ৭২ টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএর

    NIA Raid: পাকিস্তান থেকে অস্ত্রপাচার, রয়েছে আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগ! দেশের ৭২ টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড় ধরণের অভিযানে নামল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি। এবারে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসএআই এবং গ্যাংস্টারদের যোগসাজশের পর্দা ফাঁস করল এনআইএ। গোপন সূত্রে খবর পেতেই দেশের একাধিক জায়গায় হানা দেয় এনআইএ। উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান সহ দেশের ৭২টি জায়গায় মঙ্গলবার একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।

    আটটি রাজ্যে এনআইএ অভিযান

    এনআইএ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের পিলিভিটে তল্লাশির সময় একটি বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তাদের দাবি, এই অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং নীরজ বাওয়ানা গ্যাংয়ের বেশ কয়েক জন সদস্যকে দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর তাঁদের জেরা করেই দেশের বেশ কয়েকটি জায়গার হদিশ পেয়েছিল এনআইএ। আর তার পরই আজ, মঙ্গলবার তল্লাশি অভিযানে নেমেছে তদন্তকারী সংস্থাটি।

    এদিন সকালে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি, চণ্ডীগড়, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে এনআইএ অভিযান শুরু করে। পাঞ্জাবের অন্তত ৩০ টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাঞ্জাবের গিদ্দারবাহায় তল্লাশি চালাচ্ছেন এনআইএ আধিকারিকরা।

    উল্লেখ্য, আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগসাজশের মামলায় এই নিয়ে চতুর্থ বার অভিযানে নামল এনআইএ। তদন্তকারী সংস্থাটির এক সূত্রের দাবি, ধৃতদের জেরা করে আইএসএআই এবং গ্যাংস্টারদের যোগসাজশের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। ইতিমধ্যেই ধৃত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও ওই সূত্রের দাবি।

    এর আগেও গত বছরের অক্টোবর মাসে সন্ত্রাসী, গ্যাংস্টার এবং মাদক পাচারকারীদের যোগসাজশ লক্ষ্য করে দেশের পাঁচটি রাজ্যের ৫০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালায় এনআইএ। এনআইএর তরফে তখনই জানানো হয়েছিল যে, এই নেটওয়ার্ক যত দিন না ভেঙে ফেলা হচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।

  • NIA Raid: আইসিস সমর্থকদের খোঁজে তিন রাজ্যের ৬০ জায়গায় তল্লাশি চালাল এনআইএ

    NIA Raid: আইসিস সমর্থকদের খোঁজে তিন রাজ্যের ৬০ জায়গায় তল্লাশি চালাল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসআইএস সমর্থকদের খোঁজে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং কেরলের ৬০টি জায়গায় তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA Raid)। নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আইএসআইএসের সঙ্গে জড়িত   সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানে নামল এনআইএ। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর এবং কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালুরুতে গত বছরের যে বিস্ফোরণগুলি ঘটেছিল, তারও তল্লাশি চালানো হচ্ছে এই অভিযানে। উল্লেখ্য, কোয়েম্বাটুরে বিস্ফোরণে জামেজা মুবিন নামে এক সন্দেহভাজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। তাকে ২০১৯ সালে আইএস-এর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কেন্দ্রীয় সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ইঞ্জিনিয়ারিং- এ স্নাতক ছিল ওই জঙ্গি। বিস্ফোরণের পর সেই জঙ্গির বাড়িতে তল্লশি চালিয়ে প্রায় ৭৫ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে তামিলনাড়ু পুলিশ।

    কী জানা গেল?        

    গতবছরের অক্টোবর মাসে কোয়েম্বাটুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ (NIA Raid) হয়। সেই সময় এই ঘটনায় জড়িত অনেকের খোঁজ পায় পুলিশ। জেরা করা হয়েছিল সন্দেহভাজনদের। কোয়েম্বাটুর বিস্ফোরণে ধৃতদের একজন নাকি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছিল যে শ্রীলঙ্কার ইস্টার হামলার সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন এইএস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল এই হামলার জন্য। ফিরোজ ইসমাইল নামে এক অভিযুক্ত জেরায় জানিয়েছিল যে, কেরলে জেলে গিয়ে সে আজহারুদ্দিন এবং রশিদ আলি নামে দু’জনের সঙ্গে  দেখা করে।

    আরও পড়ুন: শীতের বিদায় বেলায় ফের পতন তাপমাত্রায়, জানুন আবহাওয়া আপডেট   

    নভেম্বরে এক রাতে ম্যাঙ্গালুরুতে এক চলন্ত অটোতে বিস্ফোরণ (NIA Raid) ঘটে। ঘটনায় আহত হন অটোচালক ও অটোর যাত্রী। পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে, অটো রিক্সায় বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত শরিক এক আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠির সমর্থক। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বোমা বাঁধত শরিক। তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম। জানা যায়, এই বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তের নাম অন্যান্য মামলাতেও জড়িয়েছে। পুলিশের দাবি, ম্যাঙ্গালুরুর পাশাপাশি, মাইসোর ও শিবমোগাতেও বিস্ফোরণের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল শরিক। গতবছর ১৫ অগস্ট শরিক পালিয়ে প্রথমে কোয়েম্বাটুর ও পরে কেরলে যায়। নাম বদলে ভুয়ো আধারকার্ডও বানায় সে। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরও ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

                   

  • NIA: কেরলে পিএফআইয়ের ৫৬টি গোপন ডেরায় হানা এনআইএ-র, কেন জানেন?

    NIA: কেরলে পিএফআইয়ের ৫৬টি গোপন ডেরায় হানা এনআইএ-র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। এই পিএফআইয়ের ষড়যন্ত্র মামলায় তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার কেরলের (Kerala) ৫৬টি স্থানে অভিযান চালাচ্ছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। এদিন ভোর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে চলছে অভিযান। এনআইএর এক পদস্থ কর্তা বলেন, পিএফআই নেতারা অন্য কোনও নামে কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    পিএফআই…

    এদিন অভিযান চালানোর সময় এনআইয়ের সঙ্গে ছিল রাজ্য পুলিশও। তারা বেছে বেছে পিএফআইয়ের সেই সব নেতাদের ডেরায় হানা দেয়, যাঁরা সন্ত্রাসবাদী নানা কাজকর্মে জড়িত এবং যাঁদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে। যাঁরা খুন হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেরলের সঞ্জিথ, তামিলনাড়ুর ভি রামলিঙ্গম, কেরলের নান্ডু, কেরলের অভিমন্যু, কেরলেরই বিপিন, কামাটকের সারাথ, কামাটকের আর রুদ্রেশ, কর্নাটকের পারভিন পুয়ারি এবং তামিলনাড়ুর শশী কুমার। বিদেশ মন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, ক্রিমিনাল কাজ এবং নৃশংস খুনের ঘটনায় পিএফআই ক্যাডাররা জড়িত। শান্তি নষ্ট করে আমজনতার মনে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতেই পিএফআই নেতারা একের পর এক খুন করেছে।

    আরও পড়ুন: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে শুরু হওয়া এনআইএর (NIA) অভিযান চলেছে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তও। কেরলের এর্নাকুলামের ৪টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান চলছে তরুবনন্তপুরমের ৬টি জায়গায়ও। এছাড়াও এনআই তল্লাশি চালাচ্ছে নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া পিএফআইয়ের নেতাদের বাড়ি ও অফিসে।

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে কেরলে জন্ম হয় পিএফআইয়ের। ২০০৯ সালে এরাই গঠন করেছিল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি। কেরলে প্রতিষ্ঠিত এই মৌলবাদী সংগঠন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় পিএফআই এবং তার শাখা সংগঠনগুলিকে। তার আগেই হাজার হাজার মানুষ এই সংগঠনে যোগ দিয়ে দেশবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। নভেম্বর মাসে কেরলেই পিএফআইয়ের তিনটি গোপন ডেরায় অভিযান চালায় এনআইএ (NIA)। পিএফআইয়ের সঙ্গে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NIA Raid: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    NIA Raid: সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের খুঁজতে তল্লাশি এনআইএ-র, আইনজীবী সহ গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা অপরাধী এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগকারীদের (Gangster Nexus) খুঁজে বের করা। তা করতে গিয়ে মঙ্গলবার একই সঙ্গে অন্তত ৫০টি জায়গায় অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA Raid)। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অভিযান চলেছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি সহ উত্তর ভারতের (India) পাঁচ রাজ্যে। এনআইয়ের (NIA) এক পদস্থ কর্তা বলেন, ভারত থেকে পালানো বেশ কয়েকজন গ্যাংস্টার এখন পাকিস্তান, কানাডা, মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশে থেকে ছক কষছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্তদের খোঁজে নেমেছে এনআইএ।

    এনআইএ সূত্রে খবর, এদিন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দুজন। একজন আইনজীবী আশিফ খান। তিনি দিল্লির (Delhi) বাসিন্দা। অন্যজন রাজেশ ওরফে রাজু মোটা। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে হরিয়ানা থেকে। এনআইএ-র এক মুখপাত্র জানান, চারটি অস্ত্র এবং গুলি সহ কয়েকটি পিস্তল বাজেয়াপ্ত হয়েছে ধৃত আইনজীবীর বাড়ি থেকে। তিনি জানান, তদন্ত (NIA Raid) চালানোর সময় এটা জানা গিয়েছে যে আইনজীবী আশিফ খান গ্যাংস্টারদের সংস্পর্শে ছিলেন। যেসব গ্যাংস্টার জেলে বন্দি রয়েছে কিংবা জেলের বাইরে রয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে তাঁর। বিভিন্ন অবৈধ কাজকর্ম করতে অপরাধীদের সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন ওই আইনজীবী। এনআইএ-র মুখপাত্র জানান, রাজেশের ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। তার নামে প্রচুর ক্রিমিনাল কেস রয়েছে।

    ওই আধিকারিক আরও জানান, রাজু অবৈধভাবে মদ-মাফিয়া নেটওয়ার্কও চালায় তার মহল্লায়। কয়েকজন সাগরেদকে নিয়ে এই কারবার চালায় সে। সে হরিয়ানার কুখ্যাত গ্যাংস্টার সন্দীপ ওরফে কালা জাঠেদির সহযোগী। এনআইএ সূত্রে খবর, মদের ব্যবসায় রাজু মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেছে। অবৈধ নানা উপায়েও রোজগার করে সে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর অভিযোগের তদন্তে জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি এনআইএ-র, গ্রেফতার ১

    এনআইএ এদিন তল্লাশি চালিয়েছে রাজস্থানের চুরুর সম্পত নেহ্রা চত্বরে। হরিয়ানার কুখ্যাত গ্যাংস্টার নরেশ শেঠীর ডেরাও তল্লাশি চালিয়েছে। হরিয়ানারই সুরেন্দর ওরফে চিকুর ডেরায়ও এদিন চালানো হয়েচছে তল্লাশি। উত্তর পূর্ব দিল্লির সন্দীপ ওরফে বান্দার এবং সেলিম ওরফে পিস্তলের বাড়িতেও হানা দেন এনআইএ-র গোয়েন্দারা। পাঞ্জাবের ভাতিন্দায়ও এক আইনজীবীর বাড়িতে হানা দেন গোয়েন্দারা। গুরপ্রীত সিং সিধু নামে ওই আইনজীবী তা স্বীকারও করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share