Tag: NIA Raids

NIA Raids

  • NIA Raids:  ৪০ জায়গায় হানা এনআইএ-র, জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহ গ্রেফতার ১৩

    NIA Raids:  ৪০ জায়গায় হানা এনআইএ-র, জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহ গ্রেফতার ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার ১৩। শনিবার সকাল থেকে কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের ৪০টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ (NIA Raids)। 

    দুই রাজ্যে হানা এনআইএ-র

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের ঠাণে গ্রামীণ এ শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে পুণে এবং মীরা ভায়ান্দরেও। দুই জায়গার এই সব জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ১৩ জনকে। জানা গিয়েছে, ঠাণের গ্রামীণ এলাকার ৩১টি জায়গায় হানা দিয়েছে এনআইএ। ঠাণে সিটির ৯টি জায়গায়ও চলছে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, অগাস্ট মাসে আইএস কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আকিফ আতিক নাচান নামে একজনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তাকে জেরা করে ধরা হয় আরও পাঁচজনকে।

    জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার 

    নভেম্বরে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাবিশ নাসের সিদ্দিকি নামের আরও একজনকে। জুবেইর নুর মহম্মদ শেখ ও আদনান সরকারকে গ্রেফতার করা হয় পুণে থেকে। ঠাণে থেকে গ্রেফতার করা হয় শরজিল শেখ ও জুলফিকার আলিকে। এদিকে, গত মাসেই একটি ষড়যন্ত্র মামলায় আইসিসের পুণে মডিউলের ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করেছিল এনআইএ (NIA Raids)। আইসিসের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলার ছক কষতে অর্থ সংগ্রহ করছিল অভিযুক্তেরা।

    এই সাতজনের কাছ থেকে আইইডি, অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সহ নানা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। এনআইএ-র দাবি, ওই সাতজন নানা জায়গায় শিবির করে তরুণদের আইসিসে যোগ দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করত। এর পাশাপাশি জঙ্গিদের গা ঢাকা দেওয়ার ব্যবস্থাও করত এই সাতজন।

    আরও পড়ুুন: ২৫০ কোটি পার…! কে এই ধীরজ সাহু, যার বাড়িতে মিলল ‘যখের ধন’!

    এনআইএ সূত্রে খবর, সাতজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ইউএপিএ, এক্সপ্লোসিভ সাবস্ট্যান্সেস অ্যাক্ট, আর্মস অ্যাক্টে অভিযোগ আনা হয়েছে। অক্টোবর মাসে দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল জঙ্গি শাহনওয়াজ আলমকে। সে পুণে আইসিস মডিউল সংক্রান্ত মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। এনআইএ-র খাতায় দীর্ঘদিন ধরেই ওয়ান্টেড ছিল এই (NIA Raids) জঙ্গি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: এদেশেই গোপনে গড়ে উঠেছে আইসিস-এর প্রশিক্ষণ শিবির! ৩০টি জায়গায় হানা এনআইএ-র

    NIA Raid: এদেশেই গোপনে গড়ে উঠেছে আইসিস-এর প্রশিক্ষণ শিবির! ৩০টি জায়গায় হানা এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবার অলক্ষ্যে ভারতের মধ্যেই গড়ে উঠেছে ইসলামিক স্টেটের আস্তানা! সেখানে গোপন চালানো হচ্ছে প্রশিক্ষণ শিবির! নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকেই বিশাল অভিযানে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ। একযোগে তামিলনাড়ু ও তেলঙ্গানার প্রায় ৩০টি জায়গায় হানা দিল এনআইএ-র দল (NIA Raid)। 

    দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেফতার আইএস-এর বড় মাথা!

    বৃহস্পতিবার, ওঁৎ পেতে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর এক বড় মাথাকে। এনআইএ সূত্রের খবর, আরাফত আলি নামে ওই জঙ্গি ওইদিন বিকেলেই কেনিয়ার নাইরোবি থেকে ভারতে আসে। দিল্লি বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেফতার করে এনআইএ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভারতে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর অন্যতম চক্রী আরাফত আলি। এবারেও ভারতে নাশকতা করার পরিকল্পনা করে দিল্লিতে আসে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।

    ৩০ জায়গায় একসঙ্গে অভিযানে এনআইএ

    এনআইএ সূত্রে খবর, আরাফত আলিকে দফায় দফায় জেরা করে প্রচুর তথ্য পান গোয়েন্দারা। এনআইএ জানতে পারে, এদেশে গোপনে চলছে আইএস জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ। আরও জানা যায়, ওই শিবিরেই যাওয়ার কথা ছিল আরাফতের। এর পর সময় নষ্ট না করে অভিযানে নেমে পড়ে এনআইএ-র একাধিক টিম (NIA Raid)। 

    আরাফতের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ শিবিরের খোঁজে এদিন সকাল থেকে তামিলনাড়ুর চেন্নাই, কোয়েম্বত্তুরে হানা দেন এনআইএ আধিকারিকরা। এদিন তামিলনাড়ুর ২৫টি জায়গায় একযোগে হানা দেয় এনআইএ দল। এর মধ্যে কোয়েম্বত্তুরের ২১টি জায়গা, চেন্নাইয়ের ৩টি, তেনকাসির একটি জায়গা রয়েছে। এর পাশাপাশি, তেলঙ্গানা রাজ্যের অন্তর্গত হায়গরাবাদের পাঁচচি জায়গাতেও হানা দেয় এনআইএ (NIA Raid)। 

    জোড়া বিস্ফোরণে যোগসাজস

    এর আগে, কোয়েম্বত্তুর বিস্ফোরণকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চলতি মাসের গোড়ায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার করা হয় সৈয়দ নাবীল নামে আরও এক ব্যক্তিকে। এনআইএ-র অনুমান, আইএস-এর ত্রিশূর মডেলের সদস্য হল এই সৈয়দ। এর আগে, গত মার্চ মাসে ভয়েস অব খোরাসান নামে ওই সংগঠনের এক মুখপত্রে আইএস-এর তরফে উল্লেখ করা হয়েছিল যে দক্ষিণ ভারতে আইএস জঙ্গির অস্তিত্ব রয়েছে। তারা এও দাবি করে, কোয়েম্বত্তুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে তাদের হাত রয়েছে। যে কারণে, প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিকে খুঁজে বের করা খুবই জরুরি বলে মনে করছে এনআইএ (NIA Raid)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raids: গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, দিল্লি-সহ দেশের ৫০টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএ-র

    NIA Raids: গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, দিল্লি-সহ দেশের ৫০টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এবারে গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড়সড় তল্লাশি অভিযানে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। দেশের গ্যাংস্টারদের দৌরাত্ম্য থামাতে এবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্যাংস্টারদের ধরতে আজ সকাল থেকেই দিল্লি সহ পুরো উত্তর ভারত জুড়ে অভিযান শুরু করেছে এনআইএ। পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসেওয়ালার হত্যার কয়েক মাস পর থেকেই  জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) উত্তর ভারত জুড়ে প্রায় ৫০ টি স্থানে অভিযান চালিয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি সহ একাধিক রাজ্যের গ্যাংস্টারদের ধরতেই এই পদক্ষেপ। তবে শুধু ভারতই নয়, বিদেশ থেকেও যেসমস্ত গ্যাংস্টাররা নিজেদের কার্যকলাপ চালায় এদেশে, তাদের বিরুদ্ধেও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এমনকি যারা সিধু মুসেওয়ালার খুনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে, যেমন- কানাডা-ভিত্তিক গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার এবং জগ্গু ভগবানপুরিয়া, এদের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালানো হবে।

    আরও পড়ুন: ভারত-পাক সীমান্তে সিধু মুসেওয়ালার গান বাজাল পাকিস্তানি সেনা, নেচে উঠলেন ভারতীয় জওয়ানরা

    আরও জানা গিয়েছে দেশের কিছু গ্যাংস্টাররা সন্ত্রাসী মামলা ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই। সম্প্রতি পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসেওয়ালার খুনের মূল ষড়যন্ত্রী হিসাবে উঠে এসেছে এর নাম। লরেন্সকে রাজস্থান থেকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। তারপর দিল্লি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন তিনি। কিন্তু জানা গিয়েছে জেলের ভিতর থেকেও পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন দুষ্কর্ম।

    সিধু মুসেওয়ালার হত্যার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদী এবং পাঞ্জাব-ভিত্তিক গ্যাংস্টারদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নজরে এসেছিল। ফলে এই গ্যাংস্টারদের ধরতেই আজ অভিযান চালিয়েছে এনআইএ। এনআইএ-এর কর্মকর্তাকরা জানিয়েছেন, রাজ্য-ভিত্তিক গ্যাংস্টারদের ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কেন্দ্র গত দুই মাসে পাঞ্জাব পুলিশকে একাধিক সতর্কতা পাঠিয়েছিল।

    উল্লেখ্য, গত ২৯শে জুন পাঞ্জাবের মানসা জেলার মুসার গ্রামের কাছে গুলি করে হত্যা করা হয় গায়ককে। আর তাঁর মৃত্যুর পরেই গোল্ডি ব্রার একটি ফেসবুক পোস্টে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি অন্য গ্যাংস্টারের হত্যার প্রতিশোধ নিতে এটি পরিকল্পনা করেছিলেন। আর গোল্ডি ব্রার হলেন লরেন্স বিষ্ণইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ফলে এই গোল্ডি ব্রার সহ অন্যান্য গ্যাংস্টার ধরতে মরিয়া এনআইএ।

LinkedIn
Share