Tag: nimta

nimta

  • Fraud: চাকরির হাহাকার রাজ্যে, ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত শিক্ষিত যুবক!

    Fraud: চাকরির হাহাকার রাজ্যে, ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত শিক্ষিত যুবক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের হাতে এরাজ্যে কাজ নেই। আগে টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ধরে কিছুটা সরকারি চাকরি হলেও নিয়োগ-দুর্নীতি সামনে আসতেই এখন সরকারি নিয়োগও খুব কম হচ্ছে। ফলে, ভালো চাকরি পাওয়ার আশায় শিক্ষিত অনেক বেকার ছেলেমেয়ে খপ্পরে পড়ে প্রতারণার (Fraud) শিকার হচ্ছেন। শুধু সরকারি নয়, টাকার বিনিময়ে বেসরকারি চাকরি পেতেও মরিয়া হয়ে উঠেছেন শিক্ষিত বেকার যুবকরা। এরকমই একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এক যুবকের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানা এলাকায়। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম সুদীপ ভট্টাচার্য। উত্তর ২৪ পরগণার নিমতা থানার ২ নম্বর শ্রীকৃষ্ণপল্লিতে তাঁর বাড়ি। বর্ধমান শহরের বাদামতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে শক্তিগড় থানার গাংপুরের যুবক অর্ঘ্য দাস একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। পরের দিন তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন নথিপত্র চাওয়া হয়। তারপর নানা অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে টাকা চাওয়া হয়। চাকরি পাওয়ার আশায় ওই বেকার যুবক প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দেন। তিনি বাবা-মা এবং পরিচিতদের কাছ থেকে ধারদেনা করে ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৫৮ টাকা প্রতারকদের দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করেন। কিন্তু, চাকরি হয়নি। উল্টে আরও ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা জমা করার জন্য বলা হয়। টাকা জমা না করলে চাকরি হবে না বলে তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। বারবার টাকা চাওয়ায় সন্দেহ হয় অর্ঘ্যের। প্রতারিত (Fraud) হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি ঘটনার কথা জানিয়ে গত ১২ অক্টোবর শক্তিগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ। শক্তিগড় থানা ঘটনার কিনারা করতে সাইবার থানা থেকে প্রযুক্তিগত সাহায্য নেয়। অভিযুক্তদের ফোন নম্বর এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে সাইবার থানা জানতে পারে, কলকাতার বিরাটি থানা এলাকার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় অর্ঘ্যর দেওয়া টাকা জমা পড়েছে। ব্যাঙ্কের নথি দেখে সেটি সুদীপের বলে নিশ্চিত হন তদন্তকারীরা। তাঁর অ্যাকাউন্টে ৪ দফায় টাকা জমা পড়ার নমুনা পান তদন্তকারীরা। তারপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, এর পিছনে বড় প্রতারণা (Fraud) চক্র কাজ করছে। এর সঙ্গে অনেকেই রয়েছে। কারণ, এতবড় চক্র একজনের পক্ষে চালানো সম্ভব নয়। টাকা কার কার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় আমরা একজনকে ধরতে পেরেছি। ৬ দিনে হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই চক্রের সঙ্গে যারা রয়েছে তাদের সকলকে ধরা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nimta: তোলা না দেওয়ায় নিমতায় নির্মীয়মাণ বহুতলে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Nimta: তোলা না দেওয়ায় নিমতায় নির্মীয়মাণ বহুতলে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রোমোটারের কাছে তোলা না পেয়ে তাঁর নির্মীয়মান বহুতলে তাণ্ডব চালানোর  অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নিমতা (Nimta) থানার বিরাটি এলাকায়। নির্মাণ শ্রমিকদের হুমকি,অস্থায়ী ঘর, সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রোমোটার। নির্মীয়মাণ বহুতলে হামলার পাশাপাশি নগদ ৯৮ হজার টাকা লুটেরও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nimta)

    নিমতার (Nimta) বিরাটির এমবি রোডের ধারে রাহুল বাড়ুই নামে এক প্রোমোটার বহুতল তৈরি করছেন। সাত বছর আগে এই বহুতল তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা স্বপন হালদার অর্থাৎ বর্তমানে উত্তর দমদম পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শেলি হালদারের স্বামীর ওই প্রোমোটারের কাছে তোলা চান। তোলা না পাওয়ায় এনিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে গন্ডগোল চলছিল। একবার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেও বছর দু’য়েক আগে এই বহুতলের কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে ফের তোলা চাওয়া নিয়ে প্রোমোটারের সঙ্গে ওই তৃণমূল নেতার গন্ডগোল হয়। এরপর ছয়- সাতজন দুষ্কৃতী এসে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। বহুতলের অফিসঘর ভাঙচুর করা হয়। বেশ কয়েকটি সিসি টিভি ছিল তা ভাঙচুর করে এবং সিসি টিভির হার্ডডিস্ক পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছু নগদ টাকা ছিল। তাও লুঠ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সমস্ত ঘটনা জানিয়ে ওই প্রোমোটার নিমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    কী বললেন প্রোমোটার?

    প্রোমোটার রাহুল বাড়ুই বলেন, বিরাটি সিদ্ধেশ্বরী বাজার এমবি রোডের ধারে এই নির্মীয়মাণ বহুতল। উত্তর দমদম পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্বামী স্বপন হালদারের লোকজন এসে নির্মাণ শ্রমিকদের হুমকি দেয়। ভাঙচুরের পাশাপাশি শ্রমিকদের টাকা মেটানোর জন্য অফিসে ৯৮ হাজার টাকা নগদ মজুত ছিল, তাও লুট করা হয়েছে। নিমতা (Nimta) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে প্রোমোটারের সঙ্গে স্থানীয় ওই তৃণমূল নেতার গন্ডগোল চলছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ক্যামেরার সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। কিন্তু, খোদ দলীয় কাউন্সিলারের স্বামীর বিরুদ্ধে তোলা চাওয়ার অভিযোগ, পাশাপাশি নির্মীয়মাণ বহুতলে ভাঙচুরের ঘটনায় অস্বস্তিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা বলেন, প্রোমোটার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আইন আইনের পথে চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায় জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার ভবানীপুরের বাসিন্দা এক ওষুধ ব্যবসায়ীর দেহ। তাঁকে খুন (Murder Case) করে জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে রেখে ইট গাঁথা হচ্ছিল। আর এই দৃশ্য দেখে ফেলেন এলাকার এক ব্যক্তি। এরপর নিমতা থানায় খবর দিলে পুলিশ তদন্তে নামে। হাজার চেষ্টা করেও ধামাচাপা দেওয়া গেল না। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় উঠে এল খুনের ঘটনার চিত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে অনির্বাণ গুপ্তা, সুমন দাস নামে দু’জন। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    কীভাবে করা হল খুন (Murder Case)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ ভবানীপুরের বাসিন্দা ভব্য লাখানিয়া তাঁর সহযোগী ব্যবসায়ী নিমতার বাসিন্দা অনির্বাণ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করতে নিমতারই প্রমোদ মিত্র লেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলার সময় বিবাদ হয়। এরপর আচমকাই অনির্বাণ, ভব্য লাখানিয়ার ওপর হামলা চালায়। একটি উইকেট দিয়ে মাথায় বাড়ি মারে ভব্যের। সেই ঘটনাতেই মৃত্যু (Murder Case) হয় ভব্য লাখানিয়া নামে ওই ব্যবসায়ীর। এরপরে তাঁর দেহ লোপাট করতে মৃতদেহকে বস্তায় বন্দি করে বাড়ির জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেই সেখানে দেওয়াল তুলে প্লাস্টার করা হচ্ছিল বলে জানা যায়।

    জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেহ

    এদিকে ভব্য লাখানিয়া বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের তরফ থেকে ভবানীপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। অপরে নিমতা থানার পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ অনির্বাণ গুপ্তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর জেরায় সে স্বীকার করে নেয় খুন (Murder Case) করেছে। তার কাছে নিমতার প্রমোদ মিত্র লেনের ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে হানা দিয়ে জলের ট্যাঙ্ক নীচে থেকে ভব্য লাখানিয়ার দেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত উইকেট উদ্ধার করা হয়। এর সাথেই বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাছ থেকে রক্ত মাখা জামা সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। সেগুলো সব ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভব্য লাখানিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই খুনের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share