Tag: Nirmala

Nirmala

  • Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬–২৭ পেশ করে তিনি এদিন একটি বিস্তৃত স্বদেশি-প্রথম (Swadeshi First Strategy) অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরেন। এতে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এবং ভ্যালু-চেন সংহতকরণ। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ছ’দফার একটি কাঠামোর কথা ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য স্বদেশি শিল্পকে প্রধান চালিকাশক্তি করে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা। এই কাঠামোর মাধ্যমে কেবল সংযোজন বা আমদানি-বিকল্পের বাইরে গিয়ে গভীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, রফতানি প্রতিযোগিতা ও দেশীয় মেধাস্বত্ব (IP) গড়ে তোলার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ছ’টি স্তম্ভ (Nirmala Sitharaman)

    অর্থমন্ত্রী যে ছ’টি স্তম্ভের কথা বলেছেন, সেগুলি হল, সাতটি কৌশলগত ও অগ্রগামী খাতে স্বদেশি উৎপাদনের ব্যাপক সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও আঞ্চলিক অর্থনীতি রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী শিল্পক্ষেত্রের পুনরুজ্জীবন, লক্ষ্যভিত্তিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে ‘চ্যাম্পিয়ন’ এমএসএমই গড়ে তোলা, পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং নগরভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রথম তিনটি স্তম্ভে স্বদেশি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যা প্রযুক্তিগত গভীরতা (Swadeshi First Strategy), দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং কর্মসংস্থাননির্ভর বৃদ্ধির প্রতি সরকারের অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দেয়। স্বদেশি উদ্যোগের অন্যতম বড় ঘোষণা হল ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) ২.০, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০,০০০ কোটি টাকা। আইএসএম ১.০–এর মাধ্যমে ভারতে সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি (Nirmala Sitharaman) ও ফ্যাব্রিকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছিল। নতুন পর্যায়ে শিল্পনির্ভর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি

    এই পর্যায়ে ভারতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। লক্ষ্য হল, পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্বভিত্তিক যন্ত্র ও উপকরণ উৎপাদন। এর মাধ্যমে কেবল অ্যাসেম্বলির সীমা ছাড়িয়ে সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু-চেনের প্রতি স্তরে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতকে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাজেটে বায়োফার্মা শক্তি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা (Swadeshi First Strategy)। এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে তিনটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফার্মাসিউটিক্যাল  (Swadeshi First Strategy)এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (NIPER) স্থাপন, সাতটি এনআইপিইআরের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ১,০০০টি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্র গঠন এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)–কে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা।

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি

    স্মার্টফোন, অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল গভীর করা এবং স্বদেশি উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।গুরুত্বপূর্ণ খনিজের কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে রেয়ার আর্থ করিডর স্থাপনের কথা (Nirmala Sitharaman) ঘোষণা করা হয়েছে। এই করিডরগুলিতে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা ও স্থায়ী চুম্বক উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া হবে, যা বৈদ্যুতিক যান, উইন্ড টারবাইন ও প্রতিরক্ষা খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Swadeshi First Strategy)। বিশেষায়িত ও বাল্ক কেমিক্যাল উৎপাদনে ভারতের অবস্থান মজবুত করতে তিনটি বিশেষ কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিপিং কন্টেইনার উৎপাদনের জন্য নতুন একটি প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক স্বদেশি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

    উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচি

    বস্ত্র খাতে বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে (Swadeshi First Strategy)। ‘চ্যালেঞ্জ মোড’-এ বড় টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলা হবে, যেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলি দরপত্রের মাধ্যমে পার্ক নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বস্ত্র খাতের জন্য পাঁচ দফার সহায়তা প্যাকেজ। এগুলি হল, প্রাকৃতিক, কৃত্রিম ও আধুনিক ফাইবারে আত্মনির্ভরতা (Nirmala Sitharaman), টেক্সটাইল এক্সপ্যানশন অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট স্কিমে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষণের সুবিধা, ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প কর্মসূচি, টেক্স-ইকো উদ্যোগে (Swadeshi First Strategy) পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন, সামারাথ ২.০ (SAMARTH 2.0) শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন। এছাড়াও মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পকে ব্র্যান্ডিং, বাজার সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও মান নির্ধারণের মাধ্যমে শক্তিশালী করা।

    ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার

    আঞ্চলিক বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সমস্যা মোকাবিলায় ২০০টি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার পুনরুজ্জীবনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এমএসএমইদের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার ‘চ্যাম্পিয়ন ফান্ড’, এবং দুটি হাই-টেক টুল রুম স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মজবুত উৎপাদনের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (CCUS) প্রযুক্তির জন্য (Nirmala Sitharaman)। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা ও ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই স্বদেশির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ আগেই ইলেকট্রনিক্স ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজে (Swadeshi First Strategy) আমদানি নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিল (Swadeshi First Strategy)। বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা বলেন, “আত্মনির্ভরতাকে পথপ্রদর্শক হিসেবে রেখে আমরা দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কমিয়েছি।” পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্ব, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিকাঠামো, রেয়ার আর্থ প্রক্রিয়াকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর দিয়ে সরকার ভ্যালু-চেনের উচ্চ স্তরে ওঠার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

  • Budget 2026: বাজেট পেশ নির্মলার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই লক্ষ্য অর্থমন্ত্রীর

    Budget 2026: বাজেট পেশ নির্মলার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই লক্ষ্য অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট (Budget 2026) পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। এটি তাঁর টানা নবম বাজেট। ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশে’র সরকারি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত ও মজবুত করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করা হয়েছে এই বাজেটে।

    বাজেটে বিশেষ জোর (Budget 2026)

    এই বাজেটে পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক খাত সংস্কার, রাজস্ব সংহতি এবং বাজারের গভীরতার (market deepening) ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও নীতিগত ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সীতারামনের বাজেট বক্তৃতার প্রধান দিকগুলি হল, পরিকাঠামোকে প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে অর্থমন্ত্রী ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে মূলধনী ব্যয় বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেন। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে এই বরাদ্দ ছিল ১১.২ লক্ষ কোটি টাকা। ক্রিসিলের তথ্য অনুযায়ী, এটি বছরে ৮.৯ শতাংশ বৃদ্ধি, যা বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিবহণ খাতে বড় উদ্যোগ হিসেবে সাতটি নয়া হাই-স্পিড রেল করিডরের কথাও ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। এগুলি হল, মুম্বই–পুণে, পুণে–হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ–বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ–চেন্নাই, চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, দিল্লি–বারাণসী এবং বারাণসী–শিলিগুড়ি। এই করিডরগুলির লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব যাত্রী পরিবহণে উৎসাহ দেওয়া এবং শহরগুলির মধ্যে সংযোগ আরও মজবুত করা।

    ভারতের বন্ড বাজার

    ভারতের বন্ড বাজারকে শক্তিশালী করতে কর্পোরেট বন্ড সূচকের ওপর তহবিল ও ডেরিভেটিভ ব্যবহারের সুযোগ-সহ একটি মার্কেট-মেকিং কাঠামোর প্রস্তাবও করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে মূল্য নির্ধারণ আরও স্বচ্ছ হবে এবং সংস্থাগুলির দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে (Budget 2026)। ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য পূরণে সহায়তার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যাঙ্কিং কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটি গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থার পর্যালোচনা করে আগামী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পর্যায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশ করবে (Nirmala Sitharaman)। বিদেশি পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারতীয় শেয়ারবাজারে ব্যক্তিগত এনআরআই বিনিয়োগ সীমা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি মোট বিনিয়োগ সীমা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৪ শতাংশ করা হয়েছে।

    বন্ড বাজার সংস্কার

    অর্থমন্ত্রী রাজস্ব শৃঙ্খলার প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে জানান, ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৪.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে (Budget 2026)। তুলনায়, ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে সংশোধিত অনুমান ছিল ৪.৪ শতাংশ। এই ধাপে ধাপে ঘাটতি কমানোর রূপরেখা প্রবৃদ্ধি ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ইঙ্গিত দেয়। কর সংক্রান্ত প্রস্তাবের অংশ হিসেবে অপশন ট্রেডিংয়ের ওপর সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) ০.১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর প্রভাব ডেরিভেটিভস ব্যবসায়ীদের ওপর পড়তে পারে, তবে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। রেলওয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সরকারের বিশ্বাস, সরকারি বিনিয়োগ বেসরকারি পুঁজিকে আকৃষ্ট করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে (Nirmala Sitharaman)। বন্ড বাজার সংস্কার এবং এনআরআই বিনিয়োগ সীমা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপগুলি ভারতীয় আর্থিক বাজারকে আরও গভীর, দক্ষ এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ (Budget 2026)।

    মাঝারি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস

    সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, ২০২৬ সালের বাজেটে বড় কোনও নীতিগত পরিবর্তনের বদলে ধারাবাহিকতা ও পরিমিত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মাঝারি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক সম্প্রসারণ, রাজস্ব সংহতি এবং আর্থিক খাত শক্তিশালী করার পথ বেছে নিয়েছে। সব মিলিয়ে, নির্মলা সীতারামনের নবম বাজেট উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সতর্কতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে পরিকাঠামো, বাজার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে ভারতের মধ্যমেয়াদি (Nirmala Sitharaman) প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে (Budget 2026)।

     

  • GST Reforms: জিএসটি সংস্কারের ফলে মানুষের হাতে আসবে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, বললেন সীতারামন

    GST Reforms: জিএসটি সংস্কারের ফলে মানুষের হাতে আসবে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, বললেন সীতারামন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া একাধিক জিএসটি সংস্কারের (GST Reforms) ফলে মোট ২ লক্ষ কোটি টাকা মানুষের হাতে পৌঁছবে। এতে ঘরোয়া ভোগব্যয় আরও বেড়ে যাবে।” তামিলনাড়ু ফুডগ্রেইন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    কী বললেন নির্মলা (GST Reforms)

    পূর্বের চারটি স্তর থেকে পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) সহজ করে দুটি স্তরে আনার পরে নির্মলা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান যাতে গরিব ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ, মধ্যবিত্ত পরিবার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলি (MSME) মূলত এই জিএসটি সংস্কার থেকে উপকৃত হয়।” প্রসঙ্গত, সংশোধিত কর কাঠামোর সঙ্গে নতুন জিএসটি সংস্কার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “প্রস্তাবিত জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে দেশীয় বাজারে ভোগ বা খরচ বৃদ্ধি পাবে। অর্থমন্ত্রক জনগণের কাছ থেকে যে ২ লাখ কোটি টাকা কর হিসেবে পায়, তা তাদের কাছে থেকে যায় না, বরং তা ফের অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং ডোমেস্টিক কনজাম্পশনে সাহায্য করে।”

    নির্মলার ব্যাখ্যা

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নির্মলা বলেন, “দ্বিস্তরীয় কাঠামোর কারণে কোনও পণ্যের দাম, যা একজন ক্রেতা সাধারণত (GST Reforms) কেনেন, তা কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একই পণ্য, যেমন সাবান বেশি পরিমাণে কেনেন, তাহলে প্রস্তুতকারক উৎপাদন বাড়ায়। উৎপাদন বাড়াতে গেলে, তিনি অনেক মানুষকে কাজে নেন। যখন অনেক মানুষ কাজ পান, তারা আয়কর দেন। আবার এই সময় সরকারও পরোক্ষ কর বাবদ রাজস্ব পায়। এই চক্রটি যখন চলতে থাকে, তখন তা অর্থনীতির জন্য ভালো।” সীতারামনের বক্তব্যের নির্যাস হল, যখন জনসাধারণ বেশি খরচ করেন, তখন চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়ানো হলে কর্মসংস্থান বাড়ে। আর যখন বেশি কর্মসংস্থান হয়, তখন করদাতার ভিত্তি আরও বিস্তৃত হয়। তিনি বলেন, “২০১৭ সালে জিএসটি চালুর আগে যখন কর দানকারী উদ্যোক্তার সংখ্যা ছিল ৬৫ লাখ, তখন তা কমে ১০ লাখে নামেনি। বরং (Nirmala Sitharaman) উদ্যোক্তারা এর সুবিধা বুঝতে পেরেছেন এবং গত ৮ বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৫ কোটিতে (GST Reforms)।

  • Nirmala Sitharaman: “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে আসবে’’, ভবিষ্যতে হতে পারে জিএসটি ৩.০, ইঙ্গিত সীতারামনের

    Nirmala Sitharaman: “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে আসবে’’, ভবিষ্যতে হতে পারে জিএসটি ৩.০, ইঙ্গিত সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা এক সময় জিএসটিকে গব্বর সিং ট্যাক্স বলেছিলেন, তাঁরাই আজ আবার সংস্কারের কৃতিত্ব দাবি করছেন।” কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের নিশানা করে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, “জিএসটির (GST) প্রথম পর্যায় ছিল ঐক্যের জন্য, দ্বিতীয় পর্যায় সরলতার জন্য।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, এখন তিনি মূলত সবার কাছে সহজে বোধগম্য করার দিকেই নজর দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের জিএসটি সংস্কারকে নিয়ে নানা সময় বিজেপিকে নিশানা করেছে কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই কর ব্যবস্থায় তাদের দলের কৃতিত্ব রয়েছে।

    সীতারামনের সাফ কথা (Nirmala Sitharaman)

    শুক্রবার সীতারামন বলেন, “আমার কাছে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল জিএসটিকে সহজ করা। সেই সহজতার প্রভাব প্রত্যেক ভোক্তাই অনুভব করবেন। আমি সেই দিকেই কাজ করছি।” রাহুল গান্ধীর দলকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেস এতদিন ক্ষমতায় থেকেও কেন এই সংস্কার কার্যকর করতে পারেনি? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে ভারতে আয়করের হার ছিল বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চগুলির মধ্যে একটি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, বর্তমান সরকারের কাছে এই সংস্কার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, যা দেশব্যাপী একক কর ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব প্রক্রিয়াকে অনায়াস করেছে।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিত, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জিএসটির তৃতীয় পর্যায়ের কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে কেমন হতে পারে সেই তৃতীয় ধাপ, সে বিষয়ে এখনই কিছু খোলসা করেননি নির্মলা। তিনি বলেন, “ব্যবসায়ী ও সংস্থাগুলিকে অবশ্যই কর হ্রাসের সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ২২ সেপ্টেম্বরের পর আমাদের বড় নজরদারির কাজ শুরু হবে। কম করের সুবিধা যেন সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছয়। সরকারি সংস্থাগুলির ওপরও কড়া নজর রাখা হবে।”

    জিএসটি ৩.০-র ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নির্মলা (Nirmala Sitharaman) বলেন, “তৃতীয় পর্যায় হবে সরলীকরণকে ধরে রাখা এবং আরও কার্যকর করে তোলা। জিএসটি ১.০-র উদ্দেশ্য ছিল ঐক্যমত হওয়া, জিএসটি ২.০ তে সহজ করা হল, আর জিএসটি ৩-র মূল লক্ষ্য হবে স্থিতিশীলতা, ন্যায়সঙ্গত কর হার এবং ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ব্যবস্থা।” তিনি বলেন, “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে (GST) আসবে। এই সংস্কারের উদ্দেশ্যই হল অর্থনীতিকে রক্ষা ও চাঙা রাখা (Nirmala Sitharaman)।”

  • Union Budget 2025: এবারের বাজেটে চার শ্রেণিকে গুরুত্ব দিলেন নির্মলা, কী কী ঘোষণা করলেন?

    Union Budget 2025: এবারের বাজেটে চার শ্রেণিকে গুরুত্ব দিলেন নির্মলা, কী কী ঘোষণা করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। শনিবার বাজেট পেশের শুরুতেই তিনি বলেছিলেন, “সবার উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। বিশ্বে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি (Union Budget 2025)।” তিনি এও বলেছিলেন, “বাজেটে মধ্যবিত্তদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। গরিব, যুব, কৃষক, মহিলাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ৭০ শতাংশ মহিলা যাতে আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘আমরা আগামী ৫ বছরকে ‘সবকা বিকাশ’ বাস্তবায়নের একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে দেখি, যা সমস্ত অঞ্চলের সমতামূলক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করবে।’’

    নারীদের জন্য প্রকল্প (Union Budget 2025)

    নারী ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের উদ্যোক্তাদের জন্য নয়া প্রকল্প চালু করা হবে বলেও এদিন বাজেটে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার নিবন্ধিত ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য ৫ লাখ টাকার সীমাযুক্ত কাস্টমাইজড ক্রেডিট কার্ড চালু করবে। তিনি বলেন, ‘‘ঋণ প্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর জন্য, ক্রেডিট গ্যারান্টি কভার বাড়ানো হবে। ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগগুলির জন্য এটি ৫ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা করা হবে, যার ফলে আগামী ৫ বছরে অতিরিক্ত ১.৫ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হবে। স্টার্টআপগুলির ক্ষেত্রে, এটি ১০ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।’’

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’

    নির্মলা বলেন, ‘‘২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ঋণের জন্য গ্যারান্টি ফি ১% নির্ধারণ করা হবে, যা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভালোভাবে পরিচালিত রপ্তানিকারক এমএসএমই-গুলির জন্য, মেয়াদি ঋণের সীমা ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও, ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য, উদ্যম পোর্টালে নিবন্ধিত উদ্যোগগুলির জন্য ৫ লাখ টাকার সীমাযুক্ত কাস্টমাইজড ক্রেডিট কার্ড চালু করা হবে।’’ নয়া কর ব্যবস্থায় ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য কোনও কর দিতে (Union Budget 2025) হবে না। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার বেতনভোগীদের বছরে ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে করের পরিমাণ শূন্য রাখা হয়েছে। টিডিএস ও টিসিএস সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে সম্মতি সংক্রান্ত বোঝা হ্রাস পেয়েছে। রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্য জিডিপির ৪.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০২৫ অর্থবর্ষের ৪.৮ শতাংশ থেকে কমানো হয়েছে। বাজার থেকে ঋণ গ্রহণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১১.৫৪ লাখ কোটি টাকা। মোট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ১৪.৮২ লাখ কোটি টাকা।’’

    ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’

    কৃষিক্ষেত্রে চালু হচ্ছে ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, এই যোজনায় উপকৃত হবেন দেশের মোট ১০০টি জেলার ১.৭ কোটি কৃষক। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে মিলে ওই জেলাগুলিতে কৃষি উন্নয়নে কাজ করবে কেন্দ্র। তিনি জানান, যেসব জেলায় উৎপাদনের হার কম, সেরকমই ১০০টি জেলাকে চিহ্নিত করা হবে। ওই জেলাগুলির পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে আলাদা আালাদা ফসল চিহ্নিত করা হবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ (Nirmala Sitharaman) দেওয়া হবে। ব্যবস্থা করা হবে উৎপাদিত ফসল বিক্রির। প্রক্রিয়াকরণও হবে ওই জেলাগুলিতে।

    ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা

    ভোজ্য তেল এবং ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বিহারে তৈরি হবে মাখনা বোর্ড। কিষান ক্রেডিট কার্ডে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করা (Union Budget 2025) হবে বলেও বাজেটে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগে এই ঋণের পরিমাণ ছিল তিন লাখ টাকা। সেটাই এবার বাড়িয়ে করা হবে পাঁচ লাখ। তুলো উৎপাদনের ক্ষেত্রে ৫ বছরের বিশেষ পরিকল্পনাও নিয়েছে কেন্দ্র। কৃষকদের জন্য ইউরিয়া প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে।

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণ

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণ গ্যারান্টির সীমা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। গভীর প্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতে স্টার্টআপের জন্য চালু করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল। এমএসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু করা হয়েছে। এটির সাহায্যে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধা পাবেন। প্রথমবারের মতো উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। এখানে নারী ও তফশিলি জাতি ও উপজাতির লোকজন ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। রাজ্যগুলির জন্য মূলধনী প্রকল্পে ১.৫ লাখ কোটি টাকা সুদমুক্ত ঋণ বরাদ্দ করা (Union Budget 2025) হয়েছে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, সব এমএসএমইর শ্রেণিবিন্যাসের জন্য বিনিয়োগ ও টার্নওভার যথাক্রমে ২.৫ গুণ ও ২ গুণ বাড়ানো হবে (Union Budget 2025)। এটি তাদের বৃদ্ধি পেতে ও আমাদের যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। ৮ কোটি শিশু ও মহিলাকে পুষ্টিগত সহায়তা দিতে “সক্ষম আঙ্গনওয়াড়ি এবং পোষণ ২.০” কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)।

  • Union Budget 2025: কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’ ঘোষণা নির্মলার

    Union Budget 2025: কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’ ঘোষণা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেটে (Union Budget 2025) যে কৃষি, মহিলা এবং যুবসমাজকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বাজেট ভাষণের শুরুতেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ভাষণের শুরুটাও তিনি করলেন কৃষিক্ষেত্র দিয়েই। কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে ঘোষণা করলেন ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’।

    নির্মলার ঘোষণা (Union Budget 2025)

    নির্মলা জানান, এই যোজনায় উপকৃত হবেন দেশের মোট ১০০টি জেলার ১.৭ কোটি কৃষক। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে মিলে ওই জেলাগুলিতে কৃষি উন্নয়নে কাজ করবে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ব্যাখ্যা, যেসব জেলায় উৎপাদনের হার কম, সেরকমই ১০০টি জেলাকে চিহ্নিত করা হবে। ওই জেলাগুলির পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে আলাদা আালাদা ফসল চিহ্নিত করা হবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ব্যবস্থা করা হবে উৎপাদিত ফসল বিক্রির। প্রক্রিয়াকরণও হবে ওই জেলাগুলিতে। নির্মলার দাবি, এই প্রকল্পে বদলে যাবে ১.৭ কোটি কৃষকের জীবন।

    ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা

    ভোজ্য তেল এবং ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বিহারে তৈরি হবে মাখনা বোর্ড। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফুড টেকনোলজিও তৈরি হবে বিহারে। কিষান ক্রেডিট কার্ডে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করা (Union Budget 2025) হবে বলেও বাজেটে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগে এই ঋণের পরিমাণ ছিল তিন লাখ। সেটাই বাড়িয়ে করা হবে পাঁচ লাখ। তুলো উৎপাদনের ক্ষেত্রে ৫ বছরের বিশেষ পরিকল্পনাও নিয়েছে কেন্দ্র। কৃষকদের জন্য ইউরিয়া প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। কৃষকরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবেন বলেও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    বাজেট পেশের শুরুতেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “সবার উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। বিশ্বে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি।” এর পরেই তিনি  বলেন, “বাজেটে মধ্যবিত্তদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষক, নারী, ক্ষুদ্রশিল্পে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ৭০ শতাংশ মহিলা যাতে আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে । আমাদের কাছে আগামী পাঁচ বছর উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে (Union Budget 2025)।”

  • Nirmala Sitharaman: ‘প্রিমিয়ামের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত হলে বিমার খরচও কমবে’, বললেন সীতারামন

    Nirmala Sitharaman: ‘প্রিমিয়ামের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত হলে বিমার খরচও কমবে’, বললেন সীতারামন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জিএসটি পরিষদের (GST Council) বৈঠকে বিমার প্রিমিয়ামের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত হলে দেশে জীবন ও স্বাস্থ্য বিমার খরচ কমবে।” সোমবার লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী?

    তিনি জানান, জিএসটি পরিষদ (GST Council) গত ৯ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে এজন্য মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরি করেছে। সেখানে যদি পরিষদ কর কমানোর প্রস্তাব আসে, তা হলে খরচ কমার কথা। নির্মলা (Nirmala Sitharaman) বলেন, “প্রতিযোগিতাই খরচ কমানো নিশ্চিত করবে।” প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি বসে ১৮ শতাংশ। চলতি মাসের ২১ তারিখে রাজস্থানের জয়সলমিরে বৈঠকে বসতে চলেছে জিএসটি কাউন্সিল। ওই বৈঠকে জীবন বিমা ও স্বাস্থ্যবিমার ওপর জিএসটি কমানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

    জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক (GST Council) 

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “৯ সেপ্টেম্বর জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের সময় জীবন বিমা ও স্বাস্থ্য বিমার ওপর জিএসটির বিষয়টি সার্বিকভাবে খতিয়ে দেখতে একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরির সুপারিশ করা হয়।” তিনি বলেন, “জীবন ও স্বাস্থ্যবিমার জিএসটি হার সংক্রান্ত বিষয়টি মন্ত্রিগোষ্ঠীর কাছে পর্যালোচনার জন্য পড়ে রয়েছে। জিএসটি কাউন্সিল (GST Council) যদি বিমা প্রকল্পের জিএসটি হার কমানোর সুপারিশ করে, তা হলে বিমা গ্রাহকের প্রকল্প কেনার খরচ কমে যাবে।” নির্মলা (Nirmala Sitharaman) বলেন, “গ্রাহক টানতে বিভিন্ন বিমা সংস্থা প্রকল্পের ওপর প্রিমিয়ামের যে দর নির্ধারণ করবে, তা-ই সার্বিক ভাবে বিমার খরচ কমানোয় সহায়ক হবে।” তিনি বলেন, “বিমার প্রিমিয়ামের ওপর জিএসটি হার বসানো হয়। কাজেই জিএসটির (GST Council)  হার কমানো হলে তা সরাসরি বিমা গ্রাহকের উপকারে লাগবে।”

    আরও পড়ুন: “কেবল সংখ্যালঘু তোষণের চেষ্টা”, ওয়াকফ বিল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা জগদম্বিকার

    অর্থমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের স্বাস্থ্য বিমা কেনা প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা ছিল ২.৮৬ লাখ। ২০২৩-২৪ সালে সেটা বেড়ে ৯.০৩ লাখ হয়েছে। সেই সময়ে জীবন ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি (GST Council) খাতে সরকারের ঘরে এসেছে মোট ১৬ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: নারীরা এগিয়ে এসে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিন, আর্জি সীতারামনের

    Nirmala Sitharaman: নারীরা এগিয়ে এসে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিন, আর্জি সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীরা এগিয়ে আসুন। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিন। শনিবার এমনই (Women Benefits Schemes) আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। মহিলারা যাতে আরও সক্ষম ও ক্ষমতাশালী হতে পারেন, তাই তাঁদের এগিয়ে আসা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

    ক্রেডিট আউটরিচ প্রোগ্রাম (Nirmala Sitharaman) 

    এদিন মধুবনীতে অনুষ্ঠিত একটি ক্রেডিট আউটরিচ প্রোগ্রামে বক্তব্য রাখছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেখানে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ১ হাজার ১২১ কোটি টাকার ঋণ বিলি করা হয়েছে। পেয়েছেন ৫০ হাজার ২৯৪ জন। সেই অনুষ্ঠানেই মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে ‘লাখপতি দিদি’ থাকা উচিত… এবং এজন্য, নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাংকগুলি বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে।”

    কী বললেন সীতারামন?

    সীতারামন বলেন, “বিহারের প্রতিটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) মাধ্যমে নারীদের আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমি নারীদের আহ্বান জানাই যে তাঁরা যেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অংশ হোন… যাতে তাঁরা আরও সক্ষম এবং ক্ষমতাশালী হতে পারেন।” তিনি (Nirmala Sitharaman) বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারতের লক্ষ্য অর্জনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে ভারতের উন্নয়ন নারীদের নেতৃত্বে হওয়া উচিত। এনডিএ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট… গরিব, নারী, যুব এবং কৃষকরা সরকারের শীর্ষ চারটি অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী বিহারের উদাহরণ দেন এবং বলেন যে অন্য রাজ্যগুলিরও উচিত একই উন্নয়ন এবং বৃদ্ধির পথ অনুসরণ করা।”

    আরও পড়ুন: জাল নথির চক্র ফাঁস! পার্ক স্ট্রিটের হোটেল থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি

    অর্থমন্ত্রী ক্রেডিট আউটরিচ প্রোগ্রামের সময় মধুবনী, বিহারে সম্প্রতি সংবিধান দিবসে প্রকাশিত মৈথিলি এবং সংস্কৃত ভাষায় ভারতের সংবিধানের প্রতিলিপি বিলি করেন। প্রোগ্রামের সময় অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। কথা বলেন সেন্ট্রাল ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে (Women Benefits Schemes) উপকৃত স্টল মালিকদের সঙ্গেও। এদিন তিনি (Nirmala Sitharaman) প্রায় ২৫টি স্টল মালিকের সঙ্গে কথা বলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে (Nirmala Sitharaman)। ১৭ নভেম্বর এক নেটিজেন তাঁকে ওই অনুরোধ করেন।

    অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে পোস্ট (Nirmala Sitharaman)

    জনৈক তুষার শর্মা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “সীতারামন আমরা আপনার প্রচেষ্টা ও দেশের প্রতি অবদানের গভীর প্রশংসা করি এবং আপনার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের (Inflation) বিষয় বিবেচনা করুন। আমি জানি এর সঙ্গে জড়িত বিশাল চ্যালেঞ্জগুলি, কিন্তু এটি কেবল একটি আন্তরিক অনুরোধ।”

    অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    পোস্টটি দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জগুলি স্বীকার করার জন্য শর্মাকে ধন্যবাদও জানান মন্ত্রী। জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সরকার একটি প্রতিক্রিয়াশীল সরকার। সীতারামন তাঁর উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন, “আপনার দয়ালু শব্দ এবং আপনার বোঝার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার উদ্বেগ স্বীকার করি এবং তার মূল্যায়ন করি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একটি রেসপন্সিভ সরকার। জনগণের কণ্ঠ শোনে এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেয়। আবার একবার আপনার বোঝার (চ্যালেঞ্জগুলো) জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত মূল্যবান।”

    জানা গিয়েছে, ভারতের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যের দর বৃদ্ধির কারণে ২.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, অক্টোবর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি হবে ২.২ শতাংশের কাছাকাছি। সেপ্টেম্বর মাসে এটাই ছিল ১.৮৪ শতাংশ। পাইকারি মূল্য সূচক, যা উৎপাদকের মূল্য সূচক হিসেবে কাজ করে, নভেম্বর ২০২৩ থেকে ইতিবাচকই ছিল। এক বছর আগে এটি ছিল -০.২৬ শতাংশ (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি, যা সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বার্ষিক ভিত্তিতে ১১.৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৪৭ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৩.২১ শতাংশ। উচ্চ খাদ্যমূল্যের কারণে ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি, যা উপভোক্তা মূল্য সূচক ভিত্তিক, অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.২১ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল শাকসবজি ও ফলমূলের দাম (Inflation), যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৬৩.০৪ ও ১৩.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা?” বুধবার (Budget 2024) রাজ্যসভায় এই ভাষায়ই তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    তৃণমূলকে জবাব সীতারামনের (Nirmala Sitharaman)

    মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই সংসদে প্রথমবারের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছে তৃতীয় মোদি সরকার। বাজেট পেশ করেছেন সীতারামন। এই বাজেট নিয়েই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাজেটকে ‘বিহার বাজেট’ বলেও কটাক্ষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বুধবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের ছোড়া তিরকে ফের ঘাসফুল শিবিরের দিকেই ছুড়লেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, বাজেটে কোনও রাজ্যকে বঞ্চনা করা হয়নি। বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

    তিনি বলেন, “প্রতিটি বাজেটে দেশের প্রতিটি রাজ্যের নাম বলার সুযোগ থাকে না।” এই প্রসঙ্গেই সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেন, “মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার বধাবনে সমুদ্র বন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেটে এর উল্লেখ নেই। তার মানে কি, মহারাষ্ট্রকে উপেক্ষা করা হয়েছে? বক্তৃতায় যদি একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের নাম বলা না হয়, তাহলে কি কেন্দ্রের প্রকল্পগুলো থেকে তারা উপকৃত হয় না?” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা।”

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    কংগ্রেসকে নিশানা করে নির্মলা বলেন, “উনি (মল্লিকার্জুন খাড়গে) বলছেন অনেক রাজ্যের নামই নেই বাজেটে। আমি শুধু নাকি দুই রাজ্যের কথাই বলেছি। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল। অনেক বাজেট ওরা করেছে। তাই ওদের জানা উচিত, প্রত্যেক বাজেটে সব রাজ্যের নাম রাখা সম্ভব হয় না।” এর পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “গতকাল তৃণমূল বাজেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বলা হচ্ছে, বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি। আমাকেও তাহলে বলতে হয় যে, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও (Budget 2024) চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা (Nirmala Sitharaman)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share