Tag: Nirmala Sitharaman

Nirmala Sitharaman

  • Finance Bill: লোকসভায় পাশ হল নয়া অর্থ বিল, এসেছে ৩৫টি বদল! জানেন কী কী?

    Finance Bill: লোকসভায় পাশ হল নয়া অর্থ বিল, এসেছে ৩৫টি বদল! জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  লোকসভায় পাশ হয়ে গেল নতুন অর্থ বিল ২০২৫ (Finance Bill)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) এই নয়া অর্থ বিলকে করদাতাদের ক্ষেত্রে সুবিধেজনক বলে দাবি করেছেন এবং তিনি জানিয়েছেন যে, ব্যক্তিগত আয়কর সংগ্রহে ১৩.১৪ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে বেশ কিছু তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই বিল পাশ করা হয়েছে যা বাস্তবসম্মত। লোকসভায় (Lok Sabha) মঙ্গলবার এছাড়াও একাধিক বিল পাশ করানো হয়েছে। ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ নিয়ে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির (JPC) সময়সীমা ২০২৫-এর বর্ষাকালীন অধিবেশন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নিম্ন কক্ষে বয়লার বিলও পাশ হয়ে গিয়েছে।

    নয়া অর্থ বিলে সুবিধা

    অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেছেন যে এই বিল করের স্থিতিশীলতা (Tax Certainty) নিশ্চিত করতে এবং ব্যবসা করার সুবিধা (Ease of Doing Business) বাড়াতে আনা হয়েছে। তিনি বলেছেন যে এই বিলে অভূতপূর্ব কর ছাড় (Tax Relief) দেওয়া হয়েছে এবং বিদেশি সম্পত্তির উপর কর সংগ্রহ বাড়ানোর জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। সীতারামন বলেছেন যে, এই বিলটি (Finance Bill) ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত (Viksit Bharat 2047) গড়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর মাধ্যমে সরকার ট্যাক্স সংক্রান্ত একাধিক সংস্কার করেছে, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে।

    অর্থ বিলে নানা বদল (Finance Bill)

    নয়া অর্থ বিলে বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের উপর থেকে আমদানি কর বাতিল করা হয়েছে। এখন বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারির ৩৫টি যন্ত্রাংশ এবং মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ২৮টি যন্ত্রাংশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই পাওয়া যাবে। আয়কর রিটার্নের ১৪৩ (১) ধারায় নয়া নিয়ম চালু করা হয়েছে। আয়কর বিভাগ এখন থেকে গত বছরের জমা করা আয়কর রিটার্নে ভুল সংশোধন করবে এবং আগামী রিটার্নে এগুলি সংশোধিত হবে। নয়া বিল (Finance Bill) অনুযায়ী ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে অনলাইন বিজ্ঞাপনের উপরে ৬ শতাংশ ডিজিটাল ট্যাক্স বাতিল করা হবে।

    প্রয়োজনীয় সংশোধনী

    নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন যে, এবার থেকে করদাতারা তাদের বছরে ১২ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন। গত কয়েক বছরে ব্যক্তিগত আয়কর সংগ্রহের হার ২০ শতাংশ হারে বেড়ে গিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে অনুমান করা হয়েছে ব্যক্তিগত আয়কর সংগ্রহ হবে ১৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবর্ষের জন্য আয়কর সংগ্রহের পরিমাণ হতে পারে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে ১১ হাজার ১৬২ জন করদাতা তাদের রিটার্ন সংশোধন করে বৈদেশিক সম্পদের ফর্ম পূরণ করে ১১ হাজার ২৫৯ কোটি টাকার সম্পদের ঘোষণা করেছেন।

    নতুন আয়কর আইন নিয়ে বিতর্ক

    নতুন আয়কর আইন নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, ১৯৬১ সালের আয়কর আইনে পরিবর্তন করবে নতুন বিল (Finance Bill)। বিল পেশ করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘আয়কর আইনের ধারা কমিয়ে ৫৩৬-এ নামিয়ে আনা হবে।’’ আয়করের নিয়ম সরল করবে নতুন বিল, এমনটাই মত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। গত ১ এপ্রিল নির্মলা সীতারামন যে বাজেট পেশ করেছিলেন তাতে বেশ কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব এসেছিল। সেগুলির মধ্যে ৩৫টি গৃহীত হয়েছে। সেই সংশোধনী-সহ অর্থবিল (Finance Bill) হিসাবে বাজেটটি লোকসভায় পাশ হল। এর পর বাজেট রাজ্যসভায় পাশ হলেই বাজেট অধিবেশন শেষ হয়ে যাব। বাজেটে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে, যা চলতি অর্থবর্ষের তুলনায় ৭.৪ শতাংশ বেশি।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ 

    লোকসভায় ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নিয়ে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির (JPC) রিপোর্ট পেশ করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। JPC-র চেয়ারম্যান পিপি  চৌধুরী (PP Chaudhary) সংবিধান (১২৯তম সংশোধন) বিল ২০২৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধন) বিল ২০২৪-এর উপর রিপোর্ট পেশ করার জন্য সময়সীমা ২০২৫ সালের বর্ষাকালীন অধিবেশন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখেন, যা লোকসভা মঞ্জুর করেছে। সরকারের দাবি, এই বিল দেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুবিন্যস্ত করার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হবে, যার ফলে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে করানো সম্ভব হবে।

    বয়লার বিল 

    লোকসভায় বয়লার বিল-ও পাশ হয়েছে, যা এর আগে রাজ্যসভা (Rajya Sabha) থেকে অনুমোদন পেয়েছিল। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal) এই বিলটি পেশ করেন। সরকারের বক্তব্য, এই বিল ব্যবসা করার সুবিধা বাড়াতে আনা হয়েছে, যা এমএসএমই সেক্টরের বয়লার ব্যবহারকারীদের সুবিধা দেবে। এই বিলে একাধিক পুরনো নিয়ম বাতিল করা হয়েছে এবং জন বিশ্বাস অ্যাক্ট ২০২৩-এর অধীনে অপরাধের জন্য শাস্তির নিয়ম সরল করা হয়েছে।

  • PM Modi: মাখনা তাঁর ফিটনেসের রহস্য, নিজেই ফাঁস করলেন মোদি, জানেন এই খাদ্যের উপকারিতা?

    PM Modi: মাখনা তাঁর ফিটনেসের রহস্য, নিজেই ফাঁস করলেন মোদি, জানেন এই খাদ্যের উপকারিতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাখনাকে ‘সুপারফুড’-এর তকমা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানালেন, ছিয়াত্তর বছর বয়সেও তাঁর ঝলমলে ও ফিট স্বাস্থ্যের অন্যতম কারণ মাখনা (Makhana)। বছরে কমপক্ষে ৩০০ দিন পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই মাখনা খান তিনি। দাবি করেন, গোটা বিশ্বের জন্যই স্বাস্থ্যকর মাখনার উৎপাদন জরুরি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রবিবার ভাগলপুরের সভায় মোদি জানান, আজ গোটা ভারত জলখাবারে মাখনা খচ্ছে। এদিন মাখনার (Makhana) মালা দিয়েই প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) স্বাগত জানান স্থানীয় বিজেপি নেতারা। ভাষণে মোদি বলেন, “আজ গোটা দেশের শহরগুলিতে জলখাবারের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে মাখনা। কেন্দ্রীয় বাজেটে মাখনা বোর্ডের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মাখনা এবার গোটা বিশ্বের খাদ্য বাজারকে শাসন করবে।”

    কোথায় কোথায় হয় মাখনার উৎপাদন

    পদ্ম ফুলের বীজ থেকেই তৈরি হয় মাখনা। কেউ কেউ আবার একে ফক্স নাট বলেও ডাকেন। মূলত, বিহারের মিথিলা এলাকায় তিন জেলা জুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় চাষ হয় মাখানা। এই চাষের জন্য জলাজমি দরকার হয়। দেশে ধীরে ধীর এই মাখানার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ভারতে তৈরি মাখনা সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়, আমেরিকা, কানাডা, ইউকে, অস্ট্রেলিয়া, আমিরশাহি। কারণ এই সমস্ত জায়গায় বহু প্রবাসী ভারতীয়ের বাস রয়েছে। গত ২ দশক ধরে এই মাখনা বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

    বাজেটে মাখনা বোর্ড গঠন

    চলতি বাজেটে বিহারে মাখনা বোর্ড গঠনের কথা বলেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। লক্ষ্য হল মাখনার (Makhana) উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিপুল হারে মাখনার বাণিজ্য থেকে অর্থ উপার্জন। উল্লেখ্য, বিহার দেশের ৮০ শতাংশ মাখনা উৎপাদন হয়। যদিও বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ও বাণিজ্যে যথেষ্ট কম। সেই কারণেই বোর্ড গঠনের ভাবনা কেন্দ্রের। তিনি জানান, ‘মাখনা চাষিদের ট্রেনিং দেওয়া হবে, এবং নিশ্চিত করা হবে, তাঁরা যাতে সমস্ত সরকারি স্কিমের সুবিধা পান।’ আইএমএআরসি অনুযায়ী, মাখনা ২০২৩ সালে ভারতের মাখনা মার্কেটের দর ৭.৮ বিলিয়ন ছিল। ২০২২ সালের এপ্রিলে জিআই ট্যাগ পেয়েছে ‘মিথিলা মাখনা’। ধীরে ধীরে মিথিলা অঞ্চল থেকে মাখানার চাষ কোশী উপত্যকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে সাহারসা, সুপৌলেও চাষ চলছে মাখনার। বিহারের পূর্ণিয়া, কাটিহার, আরারিয়া, কিষাণগঞ্জ জেলাতেও চলছে এই মাখনার চাষ।

    মাখনার উপকারিতা

    মাখনা (Makhana) বা পদ্মবীজ অনেকেই ডায়েট চার্টে রেখে থাকেন। বলা হচ্ছে, এটি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ফসফরাসের উৎস। এরমধ্যে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস থাকে। বহু গবেষণার দাবি, হার্টের সমস্যা থাকলে, মাখানা উপকার দিয়ে থাকে। থাকে অ্যান্টি এজিং প্রপার্টি। ওজন কমাতেও এটি সাহায্য করে থাকে। অনেকেই মাখনা ভেজে বা সেঁকে মুড়ি কিম্বা ভেলপুরীর সঙ্গে খান। আবার অনেকে ডালে মাখনা দিয়ে থাকেন। অনেকে স্ন্যাকস হিসাবেও মাখনা খান। বিশেষজ্ঞরা জানান, মাখনা শুধু খেতেই ভালো এমন নয় কিন্তু। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে।

    ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাখনায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উপকারী উপাদান। স্বাস্থ্যের নানা ঘাটতি পূরণ করতে এর জুড়ি মেলা ভার। এতে থাকা ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাস, ক্যালশিয়াম হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। পেশি সচল রাখে। স্নায়ুর নানা সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ভর্তি

    মাখনায় (Makhana) রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। স্ট্রেস থেকে নানা মানসিক সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত খাবাররে তালিকায় মাখনা রাখলে বিভিন্ন জটিল অসুখ দূরে থাকে। বিভিন্ন প্রকার হৃদরোগ, ক্যানসার, টাইফ টু ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    রক্তে শর্করার মাত্রা

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে মাখনা। তেমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যাঁদের মধুমেহ রোগ রয়েছে, তাঁদের জন্য তো অবশ্যই দারুণ উপকারী। এছাড়াও, যাঁদের মধুমেহ নেই, তাঁরা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে

    ওজন কমানোর জন্য অনেকেই মাখনা খেয়ে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়ই অহেতুক খিদে পাওয়ার কারণে শরীরে অবাঞ্ছিত মেদ জমা হয়। মাখনা (Makhana) এই অহেতুক খিদে পাওয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি এতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি উন্নত করে। শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না মাখনা। ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ত্বকে টানটান ভাব বজায় রাখে, ত্বক উজ্জ্বল করে। হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রেখে বিভিন্ন প্রকার হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে মাখনা। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং আরও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

  • New Income Tax Bill: রয়েছে সাড়ে পাঁচশোরও কম ধারা, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ নির্মলার

    New Income Tax Bill: রয়েছে সাড়ে পাঁচশোরও কম ধারা, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান, বৃহস্পতিবার, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ (New Income Tax Bill) করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সংশোধন নয়, বরং পুরনো আইনকে ভুলে নতুন আয়করের বিধানে দেশকে চালাতে চান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নতুন বিলে ‘করবর্ষ’ চালু করার কথা বলেছে সরকার। আর্থিক বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই করবর্ষ আনা হচ্ছে বলে খবর সূত্রের।

    নয়া বিলে কী পরিবর্তন

    সংসদে বিলটি পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) জানান, ‘আয়কর আইনের ধারা কমিয়ে ৮১৯ থেকে নামানো হয়েছে ৫৩৬এ’। যার মাধ্যমে সাধারণের কাছে আগের তুলনায় আয়কর বিধিগুলি বুঝতে অনেকটা সহজ বলে মত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের। তবে আয়করের ধারা কমানো ছাড়াও আরও এক গুচ্ছ পরিবর্তন আনা হয়েছে এই নতুন আইনে। সূত্রের খবর, বিল আইনে পরিণত হলে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল আরও সহজ হবে। এই নয়া আইনের হাত ধরে আয়কর স্ল্যাব সম্বন্ধে সাধারণের ধারণা আরও স্পষ্ট হবে। অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, না বুঝে আয়কর নিয়ে আইনি সংঘাতে পড়ে যান বহু করদাতা। সেই সমস্যার সুরাহা করতেই নয়া বিলে আনা হয়েছে পরিবর্তন। আইনি সংঘাত কমাতে নেওয়া হয়েছে বড় পদক্ষেপ।

    কেন পরিবর্তন

    চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৫-’২৬ আর্থিক বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। বাজেট বক্তৃতাতেই নতুন আয়কর বিল আনার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর গত সপ্তাহে প্রথামাফিক বিলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভা। দেশের কর ব্যবস্থাকে সরল ও আধুনিক করতে নতুন বিলটি আনা হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকার। প্রসঙ্গত, নয়া বিল আনা হলেও নতুন করে কোনও আয়কর আরোপ করা হবে না বলে আগেই স্পষ্ট করেছিল কেন্দ্র। এ প্রসঙ্গে অর্থসচিব বলেন, ‘‘বিলটি আইনে পরিণত হলে আয়করের ক্ষেত্রে হ্রাস পাবে আইনি জটিলতা। করদাতারা সহজ সম্মতিতে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।’’ কেন্দ্রের দাবি, বর্তমানে চালু থাকা আইনের তুলনায় ৫০ শতাংশ ধারা কমিয়ে নতুন বিলটি তৈরি করা হয়েছে। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল মামলা-মোকদ্দমার সংখ্যা কমানো।

  • New Income Tax Bill: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, জানুন বিশদে

    New Income Tax Bill: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet)। আয়কর আইন ১৯৬১-এর বদলে আনা হচ্ছে এই বিল (New Income Tax Bill)। ভারতের কর ব্যবস্থাকে সরলীকরণ ও আধুনিকীকরণ করাই এর লক্ষ্য। নয়া বিলটি আইনি ভাষাকেও সহজ করবে যাতে করদাতারা সহজে বুঝতে পারেন বিধানগুলি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া আইনটি বর্তমানের চেয়ে ৫০ শতাংশ ছোট হবে। এর প্রধান লক্ষ্য হল মামলার সংখ্যা কমানো। বিলটিকে যাতে করদাতা-বান্ধব করে তোলা যায়, তাই বিলটিতে কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে কর জরিমানার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (New Income Tax Bill)

    ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট বক্তৃতায় তিনি এই বিলের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। সংশোধিত আয়কর আইনটি সরল, স্পষ্ট ও সহজে বোধগম্য হবে।” ২০২১-২৬ অর্থবর্ষ থেকে নয়া কর কাঠামো লাগু হবে। আয়করদাতারা এই সিস্টেমের আওতায় আসবেন ২০২৬-’২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে। এবারের বাজেটে বার্ষিক আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে পাঁচ লাখ টাকা বাড়িয়ে ১২ লাখ টাকা করার কথা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। অর্থাৎ, কারও আয়কর এক লাখ টাকার মধ্যে হলে এক পয়সাও আয়কর দিতে হবে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, এর ফলে সাধারণ মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়বে, ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। স্বাভাবিকভাবেই চাঙা হবে অর্থনীতি (New Income Tax Bill)।

    নয়া বিলের সুবিধা

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক নয়া বিলের সুবিধাগুলি –

    নতুন করের প্রয়োজন নেই: বিলটিতে কোনও নতুন কর প্রবর্তন করা হবে না। তবে চালু কর আইন সরলীকরণের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সরলীকৃত ভাষা: আইনি ভাষা আরও সহজলভ্য করা হবে। এতে করদাতারা জটিলতা ছাড়াই বিধানগুলি বুঝতে পারবেন।

    সংক্ষিপ্ত আইন: অপ্রয়োজনীয় বিধান বাদ দিয়ে এবং অস্পষ্টতা হ্রাস করে নতুন আইনটি বিদ্যমান আইনের চেয়ে ৫০ শতাংশ ছোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কম শাস্তি: কর ব্যবস্থাকে আরও করদাতা-বান্ধব করে তুলতে কিছু অপরাধের জন্য কম শাস্তি প্রবর্তনের বিধান থাকতে পারে।

    মামলা-মোকদ্দমা হ্রাস: অপব্যবহার-বিরোধী বিধানের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্তগুলি স্পষ্ট করে এবং পুরানো ধারাগুলি অপসারণ করে। নতুন বিলের লক্ষ্যই হল কর বিরোধ হ্রাস করা।

    নয়া আয়করের স্ল্যাব

    নয়া আয়কর স্ল্যাবটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    বার্ষিক ৪ লাখ পর্যন্ত কোনও কর দিতে হবে না।

    ৪ লাখ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে ৫ শতাংশ। ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে ১০ শতাংশ, ১২ লাখ থেকে ১৬ লাখ পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ লাখ থেকে ২০ লাখ পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ লাখ থেকে ২৪ লাখ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ, ২৪ লাখের ওপর হলে ৩০ শতাংশ।

    প্রত্যাশিত সংস্কার

    নয়া কর বিলে প্রত্যাশিত যে সব সংস্কার করা হয়েছে, সেগুলি হল –

    একীভূত কর ব্যবস্থা: বর্তমানে, ব্যক্তি, এইচইউএফ, এওপি, বিওআই এবং কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর ব্যবস্থা প্রযোজ্য। নয়া বিলটি এগুলিকে একটি একক কর কাঠামোর মধ্যে প্রবাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে কমবে সম্মতির বোঝা। নিশ্চিত করবে কর নিশ্চিতকরণ।

    উইথহোল্ডিং ট্যাক্স রেশেনালাইজেশন: ব্যবসা ও ব্যক্তিদের জন্য সম্মতি সহজ করার জন্য একটি সরলীকৃত কর উইথহোল্ডিং কাঠামো চালু করা যেতে পারে (Union Cabinet)।

    ব্যবসা করা হবে সহজ: নতুন আইনে প্রকৃত লেনদেনের অপ্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই রোধ করতে অপব্যবহার বিরোধী বিধানের ব্যতিক্রম নির্দিষ্ট করা যেতে পারে (New Income Tax Bill)।

    অপ্রয়োজনীয় বিধান বাতিল: কর আইনকে আরও সুনির্দিষ্ট এবং বস্তুনিষ্ঠ করতে পুরানো এবং যেসব ধারা প্রয়োগ করা হয় না, সেগুলি অপসারণ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, নয়া কর ব্যবস্থা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ থেকে কার্যকর হবে। এটি ২০২৬-২৭ মূল্যায়ন বছর থেকে করদাতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

    এই আপডেটগুলির মাধ্যমে, সরকার আরও স্বচ্ছ এবং দক্ষ কর ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে একদিকে যেমন বিরোধ হ্রাস পাবে, তেমনি ব্যবসা এবং ব্যক্তি উভয়ের সম্মতির সহজতা উন্নত করবে (New Income Tax Bill)।

    প্রসঙ্গত, আয়কর আইনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে ২২টি বিশেষ সাব কমিটি গঠন করা হয়েছে। আয়কর আইন পর্যালোচনার জন্য বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে আয়কর বিভাগ সাড়ে ৬ হাজারটি পরামর্শ পেয়েছে (Union Cabinet)।

  • Union Budget 2025: মোবাইল থেকে গাড়ি, টিভি থেকে ওষুধ! বাজেটে কীসের দাম বাড়ল, কোনটার কমল?

    Union Budget 2025: মোবাইল থেকে গাড়ি, টিভি থেকে ওষুধ! বাজেটে কীসের দাম বাড়ল, কোনটার কমল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার তৃতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর অষ্টম বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। একাধিক জিনিসের উপর করছাড়ের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়করে ছাড় দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটে প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও বড় ঘোষণা রয়েছে। ষাটোর্ধ্বদের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশানের পরিমাণ এক লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছেন নির্মলা। তবে, কর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কিছু জিনিসের উপর।

    কী বললেন নির্মলা

    একাধিক জিনিসের দাম কমতে চলেছে। বৈদ্যুতিন জিনিসে শুল্ক কমানো হয়েছে। তার ফলে সস্তা হবে এলইডি এবং এলসিডি টিভি। মোবাইলের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমায় দাম কমবে মোবাইলের। ইলেকট্রনিক ব্যাটারির শুল্ক কমায় সস্তা হবে বৈদ্যুতিন গাড়ি। লেড এবং জিঙ্কের উপর থেকে প্রাথমিক শুল্ক প্রত্যাহার করায় ব্যাটারির দাম কমবে। সস্তা হবে মেডিক্যাল এবং সার্জিক্যাল সরঞ্জামও। চর্মজাত দ্রব্যের উপরে শুল্ক প্রত্যাহার করায় সস্তা হবে জুতো, বেল্ট, ব্যাগের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। দাম কমবে জাহাজের যন্ত্রাংশের। দেশে তৈরি পোশাকও সস্তা হবে। সামুদ্রিক মাছ–সহ একাধিক সিফুডের দামও কমবে।

    মেক ইন ইন্ডিয়ায় জোর

    এদিন নির্মলা সীতারামনের ঘোষণা মতো, মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগে জোর দিয়ে ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ ফ্ল্যাট প্যানেল’ ডিসপ্লে-তে শুক্ল (বেসিক কাস্টমস ডিউটি) ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হবে। মনে করা হচ্ছে, এতে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদনের প্রবণতা বাড়বে। বস্ত্রবয়নের ক্ষেত্রে সেলাই করা ফেবরিকের দাম বাড়তে পারে। কাপড় বোনার জন্য যে বিশেষ ফেব্রিক (নিটেড ফেব্রিক) ব্যবহার করা হয়, তার উপর শুল্ক বাড়িয়ে প্রতি কেজিতে ১১৫টাকা করা হয়েছে। আগে যা ১০ বা ২০ শতাংশ ছিল, এখন তা ২০ শতাংশ হবে।

    কোন জিনিসের দাম কমল

    ১. মোবাইল

    ২. এলইডি টিভি

    ৩. ইলেকট্রিক কার

    ৪. দেশে তৈরি কাপড়

    ৫. ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ

    ৬. সামুদ্রিক মাছ

    ৮. মেডিক্যাল সরঞ্জাম

    ৯. ইভি ব্যাটারি

    ১০. চামড়ার জিনিস

    কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ল

    ১. স্মার্ট মিটার

    ২. সোলার সেল

    ৩. বিদেশি (Imported) জুতো

    ৪. বিদেশি আলো

    ৫. বিদেশ থেকে আনা জলযান

    ৬. ইন্টার‌্যাকটিভ ফ্ল্যাট প্যানেল।

    ৭. বিদেশি মোটরসাইকেল

    ৮. নিটেড ফেব্রিক

  • Union Budget 2025: ওষুধ বিনা শুল্কে, সব জেলায় ক্যান্সার সেন্টার, বাজেটে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    Union Budget 2025: ওষুধ বিনা শুল্কে, সব জেলায় ক্যান্সার সেন্টার, বাজেটে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার নিরাময়ে জোর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বাজেটে (Union Budget 2025) স্বাস্থ্যখাতে বড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। এদিন কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় ক্যান্সার সেন্টার তৈরি করা হবে। দেশে আরও ২০০টি ডে কেয়ার ক্যান্সার সেন্টারও করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানান দাম কমতে পারে অনেক বহুমূল্য ক্যান্সারের ওষুধের। ক্যান্সার-সহ ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ পুরোপুরি শুল্কমুক্ত করল কেন্দ্র। আগামী দিনে ক্যান্সার রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসায় অনেকটাই সুবিধে দিতে পারে এই পদক্ষেপ।

    ক্যান্সার রোগীদের ওষুধে ছাড়

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) এই নিয়ে আটবার অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট (Union Budget 2025) পেশ করলেন। মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট এটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তাঁর অষ্টম কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের সময় জানালেন, এবার সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দিচ্ছে। এই বাজেট মধ্যবিত্তের কথা ভেবে, বলে জানান নির্মলা। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্যতম মাথা ব্যথার কারণই হল চিকিৎসা। ক্যান্সার বা অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে মধ্যবিত্তের মাথায় বাজ পড়ে যায়। তাই এই পরিস্থিতিতে মানুষকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধে দিল সরকার। ক্যান্সার ও অন্যান্য বেশ কয়েকটি বিরল রোগের ওষুধকে আরও সহজলভ্য করে দেওয়া হল। এর ফলে বিপদের সময়ও অনেকটা সাশ্রয় হতে পারে। অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এবার ক্যান্সার সহ ৩৬টি কঠিন রোগের ওষুধের ওপর থেকে মৌলিক শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেওয়া হল। এর ফলে ওষুধের দাম আরও সস্তা হবে। এটা নিঃসন্দেহে বড় সুরাহা।

    ক্যান্সার সেন্টার গড়ে তোলা

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, এদেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সার (মুখ এবং গলার ক্যান্সার সহ)। এছাড়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে স্তন ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা। সারভাইকাল ক্যান্সারেও আক্রান্ত হচ্ছেন বহু। সবাইকে সুন্দর, স্বাস্থ্যকর, পরিবেশে, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে যদি ভালভাবে ডে-কেয়ার সেন্টারগুলিতে কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসা দেওয়া যায়, তাহলে তা খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ হবে। সেই লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেন যে দেশের প্রতিটি জেলায় ক্যান্সার সেন্টার তৈরি করা হবে। আগামী ৩ বছরের মধ্যে সব জেলায় জেলা হাসপাতালগুলিতে ক্যান্সার সেন্টার তৈরি করা হবে। ২০০টি ক্যান্সার কেয়ার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। তৈরি করা হবে ডে-কেয়ার সেন্টার।

    গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়ন

    সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে ১ কোটি কর্মীকে স্বাস্থ্য এবং বিমার আওতায় আনা হবে। নির্মলা সীতারামন আজ বাজেটে ‘চিকিৎসা পর্যটনে’র উপর জোর দেওয়ার কথাও বলেছেন। সেক্ষেত্রে পিপিপি মডেলে কাজ হবে বলে জানান তিনি। তবে বারবার অভিযোগ ওঠে দেশের সরকারি হাসপাতালে রোগী এবং চিকিৎসকের সংখ্যার অনুপাত অনেক কম। তাই চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হবে। শনিবার বাজেট পেশের সময়ে নির্মলা সীতারামন বিশেষ করে গ্রামীণ এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামো উন্নত করার উপর জোর দেন। দেশের চিকিৎসকদের সংখ্যা বাড়াতেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ১০ হাজার আসন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে মেডিক্যাল পড়ার সুবিধা পাবে আরও ছাত্র-ছাত্রী। আগামী ৫ বছরে ৭৫ হাজারটি বেশি সিট বাড়ানো হবে মেডিক্যাল কলেজে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রয়োগ আরও বাড়াতে এআই সেন্টার তৈরি করা হবে। এর জন্য সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সবকটি পদক্ষেপই সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের উন্নয়ন ঘটাবে। সেটা চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা হোক বা চিকিৎসায় প্রযুক্তির ব্যবহার অথবা চিকিৎসার খরচ কমানো, সব ক্ষেত্রেই।

    বাজেটে খুশি স্বাস্থ্যক্ষেত্র 

    বাজেটে (Union Budget 2025)  কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর (Nirmala Sitharaman) ঘোষণায় খুশি স্বাস্থ্যক্ষেত্র। বাজেট পেশের পর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্যান্সার-সহ ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধকে পুরোপুরি শুল্কমুক্ত করা নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণা। ক্যান্সারের চিকিৎসার ব্যয়ভার বইতে বইতে ন্যুব্জ পরিবারগুলোকে অনেকটা স্বস্তি দেবে এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে কমতে পারে ক্যান্সারের ওষুধের দাম। এই বাজেটে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলকে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে দেশকে আত্মনির্ভর করে তোলার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এফআইসিসিআই ক্যান্সার টাস্ক ফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ গোর আইএএনএস-কে বলেন, এই শুল্ক অব্যাহতি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসার খরচ কমাবে । রোগীদের কাছে ওষুধ আরও সহজলভ্য করে তুলবে। মেডিকেল টেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ভারতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য অনেক ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়াটি সহজ করে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছেন।

  • Budget 2025: আগামী সপ্তাহে আসছে নয়া আয়কর বিল, কী কী সুবিধা মিলবে করদাতাদের?

    Budget 2025: আগামী সপ্তাহে আসছে নয়া আয়কর বিল, কী কী সুবিধা মিলবে করদাতাদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যক্ষ কর তথা ডাইরেক্ট ট্যাক্স ব্যবস্থায় এবার বড়সড় সংস্কার আনতে চলেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। আজ শনিবার ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Budget 2025) পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানেই প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থায় বড়সড় সংস্কারের কথা স্পষ্ট করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী এদিন সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন, নতুন আয়কর বিল তথা ডাইরেক্ট ট্যাক্স কোড (New Income Tax Bill) আগামী সপ্তাহে সংসদে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, নতুন এই কর আইনটি আয়কর সংক্রান্ত জটিলতা একেবারেই কমাতে সক্ষম হবে। এর পাশাপাশি, দেশের বিপুল সংখ্যক করদাতাদের জন্য এটি আরও সহজবোধ্য হবে। পাশাপাশি, নয়া এই আইনের লক্ষ্য হতে চলেছে কর সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা হ্রাস করা। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ক আইনের কিছু অস্পষ্টতা দূর করাও এই সংস্কারের অন্যতম লক্ষ্য বলেই মনে করছেন বিশেজ্ঞরা।

    কেন প্রয়োজন নতুন প্রত্যক্ষ কর বিধি (Budget 2025)?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে আমাদের দেশে ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী কর দেন দেশের নাগরিকরা। জানা গিয়েছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সংশোধনের মাধ্যমে অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে এই আইনটি (Budget 2025)। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে এই আইনে ২৩টি অধ্যায় ও ২৯৮টি ধারা রয়েছে, যা সাধারণ করদাতাদের জন্য বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন যে, নতুন আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে আয়কর আইনের পৃষ্ঠাসংখ্যা প্রায় ৬০ শতাংশ কমানো হবে। এছাড়া, নয়া আয়কর আইন আনার উদ্দেশ্য হল দেশের কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ এবং ডিজিটাল উপযোগী করে তোলা। নতুন প্রত্যক্ষ কর বিধির মূল বৈশিষ্ট্যগুলি ঠিক কী কী। সেই নিয়েই আমাদের আলোচনা।

    নয়া বিধির মূল বৈশিষ্ট্য (Budget 2025)

    ১. আয়কর কাঠামো সরল করা

    বর্তমানে আয়কর ব্যবস্থায় (Budget 2025) দুই ধরনের কর ব্যবস্থা চালু রয়েছে (পুরনো কর ব্যবস্থা ও নতুন কর ব্যবস্থা) রয়েছে। তবে নতুন বিধি চালু হলে দুটি বিকল্প ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এরফলে দেশের সব নাগরিকদের করদাতাদের জন্য একটি অভিন্ন কর কাঠামো কার্যকর হবে।

    ২. অর্থবর্ষ ও হিসাববর্ষের বিভ্রান্তি দূর করা

    বর্তমান ব্যবস্থায় আর্থিক বছর (FY) এবং হিসাব বর্ষ (AY) রয়েছে। এটা নিয়ে অনেক করদাতাই বিভ্রান্ত হয়ে যান। নতুন প্রত্যক্ষ কর তথা ডাইরেক্ট ট্যাক্স ব্যবস্থায় খুব সম্ভবত এই আলাদা আলাদা বছরের ব্যাখা বিলুপ্ত করা হবে, এরফলে কর প্রদানের সময়ে করদাতাদের জন্য সুবিধাজনক হবে।

    ৩. করের হার সংক্রান্ত পরিবর্তন (Budget 2025)

    নতুন বিধি অনুযায়ী, উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য করহার বাড়ানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে আবার কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে করের হার কমানোও হতে পারে। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে? সম্ভাব্য পরিবর্তনগুলি হল—

    উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য করহার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে (বর্তমানে ৩০ শতাংশ + সারচার্জ রয়েছে)।

    ডিভিডেন্ড ইনকাম (যা বর্তমানে করদাতার আয়ের সঙ্গে যোগ করে স্ল্যাব অনুযায়ী কর নির্ধারণ করা হয়) ১৫ শতাংশ নির্দিষ্ট হার করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে

    ভিন্ন ভিন্ন সম্পদের জন্য পৃথক মূলধনী লাভ কর (Capital Gains Tax) কাঠামো বাতিল করে অভিন্ন করহার চালু করা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ৪. বিমা নীতির আয়ের ওপর বসতে পারে কর

    বর্তমানে এলআইসি-র মতো জীবন বিমা একেবারে আয় করমুক্ত। তবে নতুন বিধিতে এই আয়ের ওপর ৫ শতাংশ হারে কর বসানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ৫. কর নিরীক্ষার দায়িত্বে পরিবর্তন আসতে পারে

    বর্তমানে কর নিরীক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে (Tax Audit) শুধুমাত্র চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টরাই (CA) করতে পারেন। তবে নতুন আইনে কোম্পানি সেক্রেটারি (CS) এবং কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের (CMA) জন্যও কর নিরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সরকার কীভাবে নতুন আইন তৈরি করছে?

    জানা গিয়েছে, এই আইন প্রণয়নের আগে কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদ একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছিল। এই কমিটির অধীনে ছিল ২২টি সাব-কমিটি। এরাই বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করেছে। এছাড়া, গত বছরের অক্টোবর মাসে এবিষয়ে সরকার সাধারণ জনগণ ও বিশেষজ্ঞদের মতামতও আহ্বান করে। জানা গিয়েছে, সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে জানুয়ারি ২০২৫-এর মধ্যে ৭,০০০টির বেশি পরামর্শ জমা পড়ে।

    নতুন আয়কর আইন: কী প্রভাব ফেলবে?

    সাধারণ করদাতাদের জন্য সহজতর হতে চলেছে কর ব্যবস্থা

    কর দাখিলের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সরল হবে

    ব্যবসা ও করপোরেট সংস্থাগুলোর জন্য কম জটিলতা

    উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য কিছু ক্ষেত্রে করের বোঝা বাড়তে পারে

    এই পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়িত হলে ভারতের আয়কর ব্যবস্থায় বৃহৎ পরিবর্তন আসবে বলেই মনে করছেন অনেকে। এরফলে, করদাতাদের অভিজ্ঞতা সহজ করবে ও আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে।

  • Union Budget 2025: নতুন মহিলা, তফশিলি উদ্যোগপতিদের ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ, ঘোষণা নির্মলার

    Union Budget 2025: নতুন মহিলা, তফশিলি উদ্যোগপতিদের ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ, ঘোষণা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় এনিয়ে অষ্টমবার বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Union Budget 2025)। এবারের বাজেটে বড় ঘোষণা করলেন তিনি। বললেন (Nirmala Sitharaman), পাঁচ লাখ প্রথমবারের মহিলা, তফশিলি জাতি-উপজাতি অন্ত্রেপ্রেনারদের (উদ্যোগপতি) জন্য ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। তাঁর ঘোষণা, সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত রফতানিমুখী এমএসএমইগুলির জন্য ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদী ঋণ দেওয়া হবে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? (Union Budget 2025)

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণ গ্যারান্টি কভার দ্বিগুণ করে ২০ কোটি টাকা করা হবে এবং গ্যারান্টি ফি ১ শতাংশ কমানো হবে। তিনি বলেন, ‘‘ঋণে প্রবেশাধিকার উন্নত করতে, ঋণ গ্যারান্টি কভার বৃদ্ধি করা হবে। ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের জন্য এটি ৫ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে, যার ফলে আগামী পাঁচ বছরে অতিরিক্ত ১.৫ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে। স্টার্টআপগুলির ক্ষেত্রে এটি ১০ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে এবং ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের জন্য গ্যারান্টি ফি ১ শতাংশ করা হবে, যা আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’’

    এমএসএমইদের জন্য ২০ কোটি টাকা

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভালোভাবে (Union Budget 2025) পরিচালিত রপ্তানিকারক এমএসএমইদের জন্য ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদী ঋণের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও, ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য, আমরা উদ্যম পোর্টালে নিবন্ধিত ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য ৫ লাখ টাকার সীমাবদ্ধতা-সহ কাস্টমাইজড ক্রেডিট কার্ড চালু করব।” তিনি জানান, সহজ কাস্টমস শুল্ক কাঠামোর জন্য ৭টি শুল্ক হার বাতিল করেছেন। মন্ত্রী বলেন, ‘‘জুলাই ২০২৪ সালের বাজেটে ঘোষিত কাস্টমস শুল্ক কাঠামোর ব্যাপক পর্যালোচনার অংশ হিসেবে, আমি ৭টি শুল্ক হার বাতিল করার প্রস্তাব দিচ্ছি – এটি ২০২৩-২৪ সালের বাজেটে বাতিল হওয়া শুল্ক হারগুলোর অতিরিক্ত।’’ তিনি বলেন, “সব এমএসএমইর শ্রেণিবিন্যাসের জন্য বিনিয়োগ ও টার্নওভার যথাক্রমে ২.৫ গুণ ও ২ গুণ বাড়ানো হবে। এটি তাদের বৃদ্ধি পেতে ও আমাদের যুব সমাজের (Nirmala Sitharaman) জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে আত্মবিশ্বাস জোগাবে (Union Budget 2025)।”

  • Union Budget 2025: এবারের বাজেটে চার শ্রেণিকে গুরুত্ব দিলেন নির্মলা, কী কী ঘোষণা করলেন?

    Union Budget 2025: এবারের বাজেটে চার শ্রেণিকে গুরুত্ব দিলেন নির্মলা, কী কী ঘোষণা করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। শনিবার বাজেট পেশের শুরুতেই তিনি বলেছিলেন, “সবার উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। বিশ্বে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি (Union Budget 2025)।” তিনি এও বলেছিলেন, “বাজেটে মধ্যবিত্তদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। গরিব, যুব, কৃষক, মহিলাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ৭০ শতাংশ মহিলা যাতে আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘আমরা আগামী ৫ বছরকে ‘সবকা বিকাশ’ বাস্তবায়নের একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে দেখি, যা সমস্ত অঞ্চলের সমতামূলক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করবে।’’

    নারীদের জন্য প্রকল্প (Union Budget 2025)

    নারী ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের উদ্যোক্তাদের জন্য নয়া প্রকল্প চালু করা হবে বলেও এদিন বাজেটে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার নিবন্ধিত ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য ৫ লাখ টাকার সীমাযুক্ত কাস্টমাইজড ক্রেডিট কার্ড চালু করবে। তিনি বলেন, ‘‘ঋণ প্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর জন্য, ক্রেডিট গ্যারান্টি কভার বাড়ানো হবে। ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগগুলির জন্য এটি ৫ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা করা হবে, যার ফলে আগামী ৫ বছরে অতিরিক্ত ১.৫ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হবে। স্টার্টআপগুলির ক্ষেত্রে, এটি ১০ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।’’

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’

    নির্মলা বলেন, ‘‘২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ঋণের জন্য গ্যারান্টি ফি ১% নির্ধারণ করা হবে, যা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভালোভাবে পরিচালিত রপ্তানিকারক এমএসএমই-গুলির জন্য, মেয়াদি ঋণের সীমা ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও, ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির জন্য, উদ্যম পোর্টালে নিবন্ধিত উদ্যোগগুলির জন্য ৫ লাখ টাকার সীমাযুক্ত কাস্টমাইজড ক্রেডিট কার্ড চালু করা হবে।’’ নয়া কর ব্যবস্থায় ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য কোনও কর দিতে (Union Budget 2025) হবে না। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার বেতনভোগীদের বছরে ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে করের পরিমাণ শূন্য রাখা হয়েছে। টিডিএস ও টিসিএস সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে সম্মতি সংক্রান্ত বোঝা হ্রাস পেয়েছে। রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্য জিডিপির ৪.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০২৫ অর্থবর্ষের ৪.৮ শতাংশ থেকে কমানো হয়েছে। বাজার থেকে ঋণ গ্রহণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১১.৫৪ লাখ কোটি টাকা। মোট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ১৪.৮২ লাখ কোটি টাকা।’’

    ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’

    কৃষিক্ষেত্রে চালু হচ্ছে ‘পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা’। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, এই যোজনায় উপকৃত হবেন দেশের মোট ১০০টি জেলার ১.৭ কোটি কৃষক। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে মিলে ওই জেলাগুলিতে কৃষি উন্নয়নে কাজ করবে কেন্দ্র। তিনি জানান, যেসব জেলায় উৎপাদনের হার কম, সেরকমই ১০০টি জেলাকে চিহ্নিত করা হবে। ওই জেলাগুলির পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে আলাদা আালাদা ফসল চিহ্নিত করা হবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ (Nirmala Sitharaman) দেওয়া হবে। ব্যবস্থা করা হবে উৎপাদিত ফসল বিক্রির। প্রক্রিয়াকরণও হবে ওই জেলাগুলিতে।

    ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা

    ভোজ্য তেল এবং ডালজাতীয় শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বিহারে তৈরি হবে মাখনা বোর্ড। কিষান ক্রেডিট কার্ডে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করা (Union Budget 2025) হবে বলেও বাজেটে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগে এই ঋণের পরিমাণ ছিল তিন লাখ টাকা। সেটাই এবার বাড়িয়ে করা হবে পাঁচ লাখ। তুলো উৎপাদনের ক্ষেত্রে ৫ বছরের বিশেষ পরিকল্পনাও নিয়েছে কেন্দ্র। কৃষকদের জন্য ইউরিয়া প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে।

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণ

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণ গ্যারান্টির সীমা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। গভীর প্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতে স্টার্টআপের জন্য চালু করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল। এমএসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু করা হয়েছে। এটির সাহায্যে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধা পাবেন। প্রথমবারের মতো উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। এখানে নারী ও তফশিলি জাতি ও উপজাতির লোকজন ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। রাজ্যগুলির জন্য মূলধনী প্রকল্পে ১.৫ লাখ কোটি টাকা সুদমুক্ত ঋণ বরাদ্দ করা (Union Budget 2025) হয়েছে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, সব এমএসএমইর শ্রেণিবিন্যাসের জন্য বিনিয়োগ ও টার্নওভার যথাক্রমে ২.৫ গুণ ও ২ গুণ বাড়ানো হবে (Union Budget 2025)। এটি তাদের বৃদ্ধি পেতে ও আমাদের যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। ৮ কোটি শিশু ও মহিলাকে পুষ্টিগত সহায়তা দিতে “সক্ষম আঙ্গনওয়াড়ি এবং পোষণ ২.০” কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)।

  • Union Budget 2025: মেডিক্যাল, আইআইটিতে আসন বৃদ্ধি, কৃত্রিম মেধায় গুরুত্ব, বাজেটে বড় ঘোষণা নির্মলার

    Union Budget 2025: মেডিক্যাল, আইআইটিতে আসন বৃদ্ধি, কৃত্রিম মেধায় গুরুত্ব, বাজেটে বড় ঘোষণা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেটে (Union Budget 2025) শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক সুবিধার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। দেশের সমস্ত সরকারি স্কুলে মাধ্যমিক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু করছে সরকার। স্কুলগুলিতে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা স্থাপন করা হবে। তার মাধ্যমে স্কুলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পড়াশোনা করতে পারবে পড়ুয়ারা। আসন সংখ্যা বাড়তে চলেছে ডাক্তারিতে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ৭৫ হাজার আসন বাড়ানো হবে, বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী। নির্মলা জানিয়েছেন, মেডিক্যাল শিক্ষা খাতে (Education Budget 2025) বিশাল বিনিয়োগ করা হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে সিট সংখ্যা।

    শিক্ষাখাতে বরাদ্দ

    গতবারের তুলনায় বাড়ল শিক্ষাখাতে (Union Budget 2025) ধার্যের পরিমাণ। চলতি বছরে ১ লক্ষ ২৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে কেন্দ্র। গত বছর এই টাকার পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা। দেশের চিকিৎসাশিক্ষার পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে শনিবার বাজেট বক্তৃতায় বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) জানিয়েছেন, আগামী এক বছরে ১০,০০০টি নতুন মেডিক্যাল স্নাতক (MBBS) ও স্নাতকোত্তর (PG) আসন সংযোজিত হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী পাঁচ বছরে মোট ৭৫,০০০টি আসন বাড়ানো হবে।

    মেডিক্যালে বাড়ছে আসন সংখ্যা

    দেশের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বর্তমানে মোট ১,১২,১১২টি এমবিবিএস সিট রয়েছে। ভর্তি হতে হয় নিট পরীক্ষার মাধ্যমে। প্রতি বছরই বিপুল প্রতিযোগিতা হয়। নির্মলার দাবি, কেন্দ্রে মোদি সরকার গঠনের পর গত দশকে ভারতের চিকিৎসাশিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৪ সালের আগে যেখানে দেশে এমবিবিএস-এ ৫১,৩৮৪টি আসন ছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,১২,১১২টিতে। একইভাবে, স্নাতকোত্তরে আসনের সংখ্যা ৩১,১৮৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭২,৬২৭-এ পৌঁছেছে। প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ক্যান্সার সেন্টার গড়ে তোলা সরকারের লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আইআইটি-তে অতিরিক্ত পরিকাঠামো

    বাজেট ভাষণে দেশের ৫টি আইআইটি-তে (Union Budget 2025) অতিরিক্ত পরিকাঠামো নির্মাণের ঘোষণাও করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি, আইআইটি পাটনার সম্প্রসারণের কথাও জানান। সেখানে ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হবে। আআইইটি-এর সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। আইআইটির আসনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে নির্মলা জানিয়েছেন, দেশের ২৩টি আইআইটিতে গত ১০ বছরে ১০০ শতাংশ আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০১৪ সালের পর থেকে দেশে যে পাঁচটি নতুন আইআইটি তৈরি করা হয়েছে, তাতে আগামী দিনে আরও সাড়ে ছয় হাজার ছাত্রছাত্রীকে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হবে। এই আইআইটিগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও জোর দেবে সরকার। পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য আলাদা করে অর্থ বিনিয়োগ করা হবে।

    আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে গুরুত্ব

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে বারবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (Artificial Intelligence) প্রসঙ্গ উঠে আসে। কীভাবে এআই (AI) কাজ করছে সেই সংক্রান্ত তথ্য বারবার তুলে ধরেছেন মোদি। এবার এই বিষয়ে বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, এআই শিক্ষার (Artificial Intelligence) জন্য ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ৩টি এআই এক্সিলেন্স সেন্টার স্থাপন করা হবে বলেও জানান। স্টার্টআপ ক্রেডিট গ্যারান্টি বাড়িয়ে ২০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

    ভারতীয় ভাষাপুস্তক প্রকল্প

    শিক্ষাক্ষেত্রে ‘ভারতীয় ভাষাপুস্তক প্রকল্প’ ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে (Union Budget 2025)। এর মাধ্যমে ভারতীয় আঞ্চলিক ভাষায় পড়াশোনায় জোর দেওয়া হবে। নির্মলা বলেছেন, ‘‘নিজস্ব ভাষায় বিভিন্ন বিষয় পড়া এবং বোঝার জন্য আমরা স্কুল-কলেজে ‘ভারতীয় ভাষাপুস্তক প্রকল্প’ চালু করছি। এ ছাড়া, সমস্ত সরকারি মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।’’

    স্কুলে স্কুলে ইন্টারনেট

    প্রযুক্তিবিদ্যায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ডিজিটাল ইন্ডিয়া গঠনের স্বপ্ন পূরণ করার লক্ষ্যে প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুলেও ব্রডব্যান্ড সার্ভিস চালুর কথা বলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি জানিয়েছেন আগামী পাঁচ বছরে ৫০,০০০ সরকারি স্কুলে আত্তল টিঙ্কারিং ল্যাব চালু করা হবে। সব সেকেন্ডারি স্কুলে দেওয়া হবে ব্রডব্যান্ড কানেকশন। সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতেও। পড়াতে সুবিধা হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও।

    প্রধানমন্ত্রী রিসার্চ ফেলোশিপ

    অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিহারে একটি জাতীয় প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা পূর্বাঞ্চলে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে উৎসাহিত করবে। এর ফলে কৃষকদের আয় বাড়বে, যুবকদের দক্ষতা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে এমএসএমই সেক্টরের উপর বাড়তি জোর দিয়েছেন নির্মলা। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য ১০,০০০ ফেলোশিপ দেওয়া হবে। চালু করা হবে ‘অঙ্গনওয়াড়ি ও পুষ্টি ২.০ প্রকল্প’।

LinkedIn
Share