Tag: Nirmala Sitharaman

Nirmala Sitharaman

  • Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের অর্থমন্ত্রী। দেশের যাবতীয় প্রয়োজনে টাকা জোগান তিনি। সেই তিনিই কিনা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) লড়ছেন না টাকার অভাবে! শুনে যতই চোখ কপালে উঠুক না কেন, ঘোর বাস্তব এটাই। দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘টাইমস নাও সামিট ২০২৪’ এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আমায় অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই ওঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছি আমি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নাড্ডাজির প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন সময় নিয়েছিলাম। তারপর বললাম, না, নির্বাচনে লড়ার মতো অর্থ আমার নেই।”

    পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ

    বিজেপি তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোয় পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন নির্মলা। বলেন, “আমি কৃতজ্ঞ যে (Lok Sabha Elections 2024) তারা আমার যুক্তিগুলি মেনে নিয়েছে। তাই আমি এবার নির্বাচনে লড়ছি না।” দেশের অর্থমন্ত্রী হয়েও তাঁর কাছে নির্বাচনে লড়ার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই কেন? প্রশ্ন শুনে নির্মলা বলেন, “দেশের অর্থ আমার ব্যক্তিগত নয়। আমার বেতন এবং সঞ্চয় অল্প। সেটা দেশের অর্থ নয়।”

    আরও পড়ুুন: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মনে রাখতে হবে, নির্মলা রাজ্যসভার সদস্য। সেখানে দল কাউকে মনোনীত করে পাঠায়। আর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও, তিনি যে বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি অনেক মিডিয়া প্রোগ্রামে অংশ নেব। প্রার্থীদের সঙ্গেও থাকব। প্রচারেও থাকব।” লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার আরও একটি কারণ দেখিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য আরও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাকে ভাবতে হয়েছে অন্ধ্রে দাঁড়াব নাকি তামিলনাড়ুতে। এর বাইরেও বহু প্রশ্ন রয়েছে। আপনি এই সম্প্রদায়ের নাকি অন্য সম্প্রদায়ের। এই ধর্মের নাকি অন্য ধর্মের। এই জাতির নাকি অন্য জাতির। আমার মনে হল, এসব আমার দ্বারা হবে না (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Union Budget: কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর! কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা

    Union Budget: কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর! কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি লোকসভায় বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই ছিল মোদি সরকরারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তাই সব দিক মাথায় রাখতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। একাধারে তিনি যেমন আয়কর সীমা বাড়িয়েছেন, তেমনি প্রবীণ নাগরিক ও মহিলাদের জন্য দিয়েছেন একগুচ্ছ সুবিধা। তাই খুশি আম জনতা। একই সঙ্গে সীতারামন জোর দিয়েছে পরিকাঠামো উন্নয়নে। তার জন্য বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা। যা গত বাজেটের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আসলে আরও বেশি চাকরি দেওয়াই লক্ষ্য মোদি সরকারের।  

    মূলধন বৃদ্ধির হার

    বাজেটে বলা হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার চারগুণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই তথ্যে জানা গিয়েছে, ২০১১-১২ সাল থেকে ২০২১-২২ আর্থিক বছরের মধ্যে দেশের গড় মূলধনী ব্যয় বৃদ্ধির হার প্রায় ১৩ শতাংশ। ২০২২-২৩ সালের প্রথম আট মাসে দেশের বৃদ্ধির হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৩.৪ শতাংশ। অন্যদিকে,২০২১-২২ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের ত্রৈমাসিকে ব্যক্তিগত মূলধনের পরিমাণ লাফিয়ে বেড়েছে। এটি দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে। কেন্দ্রের এই মূলধনী ক্ষেত্রে রাস্তা, হাইওয়ে, রেলপথ এবং পরিকাঠামো নির্মাণের সেক্টরগুলিতে বিনিয়োগ দেখা যেতে পারে। এই ধরনের বিনিয়োগে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রয়েছে। এ বিষয়ে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, “মূলধনী ব্যয় সামগ্রিকভাবে চাহিদাকে শক্তিশালী করে। ঝুঁকি না নেওয়ার সময় এটি ব্যক্তিগত ব্যয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ক্ষমতাও বাড়ায়।”

    আরও পড়ুন: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    কাজের সুযোগ

    কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর দিয়েছে কেন্দ্র। এবারের বাজেটে মেক ইন ইন্ডিয়া পণ্যের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তাতে মূলধন বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পের মাধ্য়মে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ করে দেওয়ার কথাও বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নতুন সংস্থা বা স্টার্টআপের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। অমৃতকালে প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হয়েছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনায় স্বনির্ভর মহিলা গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্য করা হবে। পিএম বিশ্বকর্মাস্কিল ডেভেলপমেন্ট স্কিম চালু করা হবে। শিল্পীদের স্কিলের উন্নয়েনর উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প নিয়ে আসা হবে। এর ফলে আরও প্রফেশনাল উপায়ে শিল্পীরা কাজ করতে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর নিয়ে শুধু কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’’, কলকাতায় এসে প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর নিয়ে শুধু কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’’, কলকাতায় এসে প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (SandeshKhali Incident) ইডির উপরে হামলার ৫৪ দিন অতিক্রান্ত। তবুও অধরা মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। সেখানকার মহিলারা নির্যাতনের শিকার। বিরোধীদের সেখানে কথা বলতে দেওয়া হয় না। সর্বত্র আতঙ্কের পরিবেশ। এবার রাজ্যে এসে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ‘বলা হচ্ছে ৭ দিনে গ্রেফতার হবে শেখ শাহজাহান। তা হলে শেখ শাহজাহান কোথায়, সবাই জানে?’ লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে মহানগরে দাঁড়িয়ে নির্মলা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে এত মৃত্যু হয়েছে। তার জবাব না দিয়ে শুধুই অন্যদের আক্রমণ। মণিপুর নিয়ে এত কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’

    কী বললেন নির্মলা

    জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নির্মলা (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, “ইন্ডিয়া জাস্টিস রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের পুলিশি ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলার তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ প্রায় নীচের দিকে।” তিনি বলেন, ‘‘গত জানুয়ারিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে কী ভাবে ইডি আধিকারিকরা উন্মত্ত জনতার দ্বারা আক্রান্ত হন। গুরুতর জখম হন। তার পরেও পুলিশ রাজনৈতিক প্রভুদের নির্দেশ মতো কাজ করে।’’ শাহজাহানের গ্রেফতার না হওয়া নিয়েও এ দিন সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন নির্মলা। তাঁর কথায়, ‘‘সন্দেশখালির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও গ্রেফতার হয়নি। প্রশাসনের ঔদ্ধত্য দেখে অবাক হতে হয়!” তাঁর অভিযোগ, “সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রীরা যাচ্ছেন। পুলিশের আচরণ তৃণমূলের গুন্ডাদের মতো।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    মণিপুর প্রসঙ্গ

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।  মণিপুর নিয়ে তৃণমূলের ভূমিকা মনে করিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, “সন্দেশখালির (SandeshKhali Incident) কথা বলতে গিয়ে আমার গা-হাত-পা কেঁপে ওঠে। আইন শৃঙ্খলার কেমন ছবি এটি? সংসদে মণিপুর নিয়ে কত প্রশ্ন! কেন গেলেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? তিনি তো সেখানে গিয়েছেন। শিবিরে থেকেছেন। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার, নিয়েছেন।” কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি চলতি মাসের মাঝামাঝিই সন্দেশখালির অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেছিলেন,”শুধু জমি নয়, সন্দেশখালির মহিলাদের সম্মান লুঠ করেছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএ ও এনডিএ আমলে দেশের আর্থিক অবস্থার তুলমূল্য বিচার করা হল। বৃহস্পতিবার লোকসভায় ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র  (White Paper  On Economy) প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজপেয়ী সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ‘সুস্থ অর্থনীতি’ পেয়েছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। কিন্তু, ১০ বছর আগে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট ভারতীয় অর্থনীতিকে শুধু খারাপ অবস্থায় নয়, ‘সঙ্কটাপন্ন’ অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল, বলে দাবি করা হয়েছে শ্বেতপত্রে।

    কী আছে শ্বেতপত্রে

    ‘শ্বেতপত্র’ এক ধরনের তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট। এতে কোনও বিষয় নিয়ে সরকারি নীতি, সরকারের কৃতিত্ব এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ২০০৪ সালে যখন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় আসে তখন দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি ছিল ৮ শতাংশ। শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে তা ছিল ৭ শতাংশ। কৃষিক্ষেত্রে তা ছিল ৯ শতাংশে। কিন্তু সেই পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে ব্যর্থ কংগ্রেস। শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪- এই এক দশকে গড় বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৮.২ শতাংশ। আর এই চড়া মুদ্রাস্ফীতি রুখতে ইউপিএ কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। এরই পাশাপাশি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, বৃহত্তর অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য বহু কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনডিএ সরকার। তৈরি করেছে শক্তিশালী পরিকাঠামো। 

    কী হয়েছে

    ভারতীয় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলিকে ‘সুস্থ’ করতে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল মোদি সরকার। সেই সময় বিশ্বের অন্যতম ভঙ্গুর অর্থনীতির একটি ছিল ভারতের অর্থনীতি। পরের দশ বছরে, মোদি সরকার ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। ইউপিএ আমলে ২জি কেলেঙ্কারি ছিল। এখন, ভারতের জনসংখ্যার অধিকাংশ সর্বনিম্ন মূল্যে ৪জি যোগাযোগের সুবিধা পান। ২০২৩-এ গোটা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে দ্রুত ৫জি রোলআউট হয়েছে। সেই সময় কয়লা কেলেঙ্কারি ছিল। আজ প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগাতে, স্বচ্ছ এবং উদ্দেশ্যমূলক নিলাম ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। সেই সময়, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ছিল। এখন, ভারতের ঘরে রেকর্ড পরিমাণ, ৬২০ বিলিয়নের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Interim Budget 2024: ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও, বাজেট-ঘোষণার প্রশংসা হু-র

    Interim Budget 2024: ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও, বাজেট-ঘোষণার প্রশংসা হু-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সমস্ত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। বৃহস্পতিবারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে (Interim Budget 2024) এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। পাশাপাশি জরায়ু ক্যান্সার ঠেকাতে টিকাকরণের কথাও বলেছেন তিনি। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারত সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। ভারতে হু-র প্রতিনিধি ড: রডরিকো অফরিন জানান, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা একদম নীচু তলায় কাজ করেন, তাই তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ভারত সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অভূতপূর্ব।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্তা

    প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সকলে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পেতেন না। এবার তাঁদের সবাইকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হাসপাতালের চিকিৎসার খরচ দিয়ে থাকে কেন্দ্র। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ কোটি পরিবারের ৫৫ কোটি সদস্য আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সরকার। রডরিকো বলেন, “হু-র লক্ষ্য হল সর্বত্র সকলের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা। ভারত সরকার সকলের জন্য উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে কাজ করছে। সেই সঙ্গে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সক্রিয় ও সচল করে তোলার জন্য বাজেটে যে অর্থ বরাদ্দের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানায় হু। “

    আরও পড়ুন: সারভাইক্যাল ক্যানসার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান প্রকল্প। আয়ুষ্মান কার্ড থাকলে কেউ প্রতি বছর ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমা পেতে পারেন বিনামূল্যে। এই বিমার সুবিধা পেতে হলে যে কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এটি প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা নামেও পরিচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cervical Cancer: সারভাইক্যাল ক্যান্সার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    Cervical Cancer: সারভাইক্যাল ক্যান্সার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সারভাইক্যাল ক্যান্সার  (Cervical Cancer) প্রতিরোধে উদ্যোগী কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় এমনটাই জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেছেন, ‘‘সারভাইক্যাল ক্যান্সার  প্রতিরোধের জন্য ৯ থেকে ১৪ বছরের কিশোরীদের টিকা দেওয়া হবে।’’ তাঁর এই ঘোষণায় খুশি চিকিৎসক মহল। এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থাও। কিন্তু কেন এই উদ্যোগ? দেশে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার বা সারভাইক্যাল ক্যান্সার একটা চিন্তার কারণ। মেয়েরা সবচেয়ে বেশি এই রোগের শিকার হন। তাই এর প্রতিরোধে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ।

    সারভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা

    দেশের নারীশক্তির উন্নয়নের জন্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী একাধিক ঘোষণা করেন। তার মধ্যেই সারভাইক্যাল ক্যান্সারের  (Cervical Cancer) কথা উল্লেখ করেন নির্মলা সীতারামন। টিকা নিলে এই বিশেষ ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব। মেয়েদের ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সে সেই টিকা দিলে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। বাজেটে নির্মলা বলেন, সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকাকরণে উৎসাহ দেবে কেন্দ্র। তবে কীভাবে সেই উৎসাহ দেওয়া হবে, কত টাকা বরাদ্দ করা হবে, সে নিয়ে এখনই কিছু বলা হয়নি। পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের সময় এ নিয়ে ঘোষণা করা হতে পারে। 

    কী বলছেন চিকিৎসকরা

    এই ঘোষণায় খুশি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে, এটি নিঃসন্দেহে ভাল উদ্যোগ। এরকম একটি পদক্ষেপ খুব জরুরি ছিল। কারণ তরুণীদের মধ্য়ে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের কথায়, একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই টিকা খুবই কার্যকরী। সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রতিরোধে এটি খুব উপকারী টিকা। এই টিকা প্রাথমিকভাবে রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সারভাইক্যাল ক্যান্সার এইচপিভি ভাইরাসের জন্য হয়। টিকাটি নিলে ভাইরাস সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে যায়। বয়ঃসন্ধিক্ষণের সময় এই টিকা দেওয়া হলে তা সবচেয়ে কার্যকরী হয়। এই সময় দুটো ডোজ নিতে হয়।

    সারভাইক্যাল ক্যানসারের টিকা কেন জরুরি

    ভারতে মহিলাদের যে ধরনের ক্যান্সার (Cervical Cancer) বেশি হয়, তার মধ্যে এই জরায়ু-মুখের ক্যান্সার দ্বিতীয় স্থানে। দেশে প্রতি বছর অন্তত এক লক্ষ ২০ হাজার মহিলা এই রোগে আক্রান্ত হন। বছরে কমপক্ষে ৭৭ হাজার মহিলার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা বলেন, অল্প বয়সেই টিকা দিলে এই ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমানো যায়। সেই কারণেই টিকা কর্মসূচি শুরু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছিল, তিন বছরের জন্য তিন দফায় এই কর্মসূচি চালানো হবে। অন্তত সাত কোটি টিকার জোগাড় হলেই কর্মসূচি শুরু হবে। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে এই ক্যানসার হয়। এই ভাইরাসকে আটকানোর টিকা নিলে এবং প্রতিরোধবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকলে এই রোগটিকে নির্মূলও করা যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share