Tag: Nirmala Sitharaman

Nirmala Sitharaman

  • Budget 2024: ষষ্ঠতম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কোথায় শুনবেন তাঁর ভাষণ

    Budget 2024: ষষ্ঠতম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কোথায় শুনবেন তাঁর ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি, বুধবার শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন। চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Budget 2024) পেশ হবে। লোকসভা নির্বাচন থাকায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। নির্বাচনের পর নয়া সরকার গঠিত হলে পেশ হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

    বাজেট অধিবেশন

    বুধবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণ দিয়ে শুরু হবে অধিবেশন। পরের দিন বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটি তাঁর ষষ্ঠতম বাজেট। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সচরাচর বড় কোনও ঘোষণা করে না কোনও সরকারই। তবে আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা হতে পারে। তাই বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত। বৃহস্পতিবার লোকসভায় বাজেট (Budget 2024) পেশ করবেন নির্মলা। তাঁর বক্তৃতা শুরু হবে বেলা ১১টায়।

    কোথায় দেখবেন?

    সম্প্রচারিত হবে সংসদ টিভি এবং দূরদর্শন নিউজে। অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা শেয়ার করবে পিআইবি। এনডিটিভি এবং এর সমস্ত নেটওয়ার্ক চ্যানেলেও সম্প্রচারিত হবে নির্মলার বাজেট ভাষণ। এনডিটিভির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলেও সম্প্রচারিত হবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ভাষণ। বাজেট বক্তৃতা শেষে কেন্দ্রীয় বাজেটের সব নথি মিলবে অফিসিয়াল ওয়েবসইট এবং মোবাইল অ্যাপে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। যাঁরা আইওএস ব্যবহার করেন, তাঁরা এটি দেখতে পাবেন অ্যাপ স্টোরে।

    আরও পড়ুুন: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    চাকরিজীবীদের পাশাপাশি আসন্ন অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সুখবর পেতে পারেন কৃষকরা। দ্বিগুণ করা হতে পারে পিএম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে কেন্দ্রীয় অর্থ সাহায্য। মহিলাদের নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণাও করা হতে পারে আসন্ন ভোট অন অ্যাকাউন্টে। কমানো হতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

    ইতিমধ্যেই কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, পেট্রোলিয়াম, বিদ্যুৎ ও আবাসন খাতকে জিএসটির পরিকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব সহ বেশ কয়েকটি বিষয় সুপারিশ করেছে। ক্যাপেক্স ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকা করার পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ মিনিস্ট্রি অফ ইনভেস্টমেন্ট তৈরি করার বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • LIC: নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি! কেন্দ্রকে দিল লাভের কড়ি, পরিমাণ কত জানেন?

    LIC: নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি! কেন্দ্রকে দিল লাভের কড়ি, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিন্দকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি (LIC)! কেন্দ্রীয় এই সংস্থাকে মোদি সরকার বিক্রি করে দিচ্ছে বলে নানা সময় বাজার গরম করার চেষ্টা করেছেন বিরোধীরা। সস্তা জনপ্রিয়তায় ভর করে ভোট-বৈতরণী পার হতে লাভজনক এই সংস্থাকেই ধুঁকছে বলে দেগেও দিয়েছেন তাঁরা। এহেন এলআইসি লাভের কড়ির একটা অংশ তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের হাতে। এলআইসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মোহান্তি বৃহস্পতিবার ওই চেক তুলে দেন। যার অর্থমূল্য, ১,৮৩১.০৯ কোটি টাকা।

    ৬৭ পূর্ণ এলআইসির

    চলতি বছর ৬৭ পূর্ণ করল এলআইসি। ১৯৫৬ সালে মাত্র ৫ কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এই সংস্থা। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ এলআইসির সম্পত্তির পরিমাণ ৪৫.৫০ লক্ষ কোটি টাকা। এর সঙ্গে রয়েছে ৪০.৮১ লাখ কোটি টাকার লাইফ ফান্ডও। দু’দশক আগে ইন্স্যুরেন্স সেক্টর খোলে এলআইসি। তার পর থেকে ইন্স্যুরেন্সের সিংহভাগ বাজার রয়েছে এলআইসির পকেটে।

    এখনও দেশের বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী বিনিয়োগের জন্য ভরসা করেন এলআইসির ওপর। লাভের কড়ি সরকারকে দেওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি, নিজেদের হাতে থাকা সান ফার্মার দু’ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছে এলআইসি। এজন্য এলআইসির হাতে এসেছে ৪,৬৯৯ কোটি টাকা।

    এলআইসি কর্মীদের জন্য সুখবর 

    এলআইসির (LIC) বাড়বাড়ন্তে খুশি কেন্দ্র। অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এলআইসি এজেন্টদের গ্র্যাচুইটির সীমা তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। এলআইসি কর্মীদের ৩০ শতাংশ হারে ফ্যামিলি পেনশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। পুনরায় নিযুক্ত হওয়া এলআইসি এজেন্টরা রিনিউয়াল কমিশনের সুবিধাও পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

    সংসদে নানা সময় এলআইসির প্রশংসা শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে। তিনি নিজেও টাকা রেখেছেন এলআইসিতে। ২০১৯ সালের হলফনামা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ করেছেন দু’টি পলিসিতে। ২০১০ সালে তিনি একক প্রিমিয়াম বাবদ দিয়েছিলেন ৪৯,৬৬৫ টাকা। ২০১৩ সালে অন্য একটি পলিসিতে একক প্রিমিয়াম (LIC) বাবদ তিনি দিয়েছেন ১,৪০,৬৮২ টাকা।

    আরও পড়ুুন: স্পেনের পর ‘কুমিরছানা’ বিজনেস সামিট! এবারও কি কোটি কোটি টাকা কার্যত জলেই যাবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত (Sanatana Dharma Row) মন্তব্য করায় এবার তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধিকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। শনিবার স্ট্যালিনপুত্রর উদ্দেশে নির্মলা বলেন, “রাজ্যের একজন মন্ত্রী হয়ে ডিএমকে নেতা উদয়নিধির মনে রাখা প্রয়োজন ছিল, তিনি কী বলছেন।” সনাতন ধর্ম হিংসায় বিশ্বাস করে না বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “উদয়নিধি যদি মনে করেন সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলেও, কোনও প্রতিক্রিয়া হবে না, তাহলে তিনি ভুল করছেন।”

    কী বললেন নির্মলা?

    চেন্নাইয়ের ওই সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা বলেন, “সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত ডিএমকে নেতা উদয়নিধির বক্তব্যকে ঘিরে। এই ডিএমকে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিয়ায় রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফয়দা তুলতেই তারা এমন মন্তব্য করেছে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিতর্ক শুরু করিনি। আপনারাই শুরু করেছেন। প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু একজন মন্ত্রী হয়ে তাঁর একথা বলা ঠিক হয়নি। তিনি যে মন্ত্রী, তা মাথায় রাখা উচিত ছিল তাঁর।”

    সেদিনের ঘটনায় এখনও ব্যথা পাই

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন (Sanatana Dharma Row), “যে সব মন্তব্য হিংসা ছড়াতে উৎসাহ দেয় কিংবা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, সে সব কথা বলা ঠিক নয়।  সংবিধানেও বলা হয়েছে, যে সব কথায় অশান্তি ছড়ায়, তা বলা ঠিক নয়।” উদয়নিধি বলেছিলেন, তাঁর দল শতবর্ষ ধরে সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করবে। সে প্রসঙ্গ তুলে নির্মলা বলেন, “আপনি বলতেই পারেন। তবে যে সব কথা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, তা কারওরই বলা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুুন: বিশ্বকর্মা ও গণেশ পুজোতে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, তিনি একটি তামিল পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। একদিন শোভাযাত্রা করার সময় রামের প্রতিকৃতিতে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল জুতোর মালা। সেদিনের সেই ঘটনায় খারাপ লেগেছিল তাঁর। সে কষ্ট আজও (Sanatana Dharma Row) ব্যথা দেয় তাঁকে। নির্মলা বলেন, “এই হল সনাতন ধর্ম। আমরা সেদিন দাঁতের বদলে দাঁত, চোখের বদলে চোখের নীতি গ্রহণ করিনি। কিন্তু এটা যদি অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ঘটত, তাহলে কী হত, তা বুঝতেই পারছেন। জীবন কীভাবে যাপন করতে হয়, সেই শিক্ষা দেয় সনাতন ধর্মই।”

     

         

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) যে ১৩টি বিশেষ নাগরিক সম্মান পেয়েছেন, তার মধ্য়ে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। রবিবার, এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর মতে, শুধুমাত্র দেশের শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে ভারতে মুসলিমদের পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচারের চালানো হচ্ছে, পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ হিসেবে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে।

    বারাক ওবামার মন্তব্য নিয়ে নির্মলা

    ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে ওবামার (Barak Obama) দুশ্চিন্তা সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বিষয় বলে দাবি করেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ‘‘এটা পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ। বিশেষ করে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় রয়েছেন, সে সময়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশের ঘটনা স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো।’’ নির্মলার কথায়, ‘‘যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ভারত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর শাসনকালে ছ’টি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ২৬ হাজার বোমা বর্ষণ করেছিল আমেরিকা (America)। এই ধরনের লোকেদের অভিযোগকে কী ভাবে বিশ্বাস করবে আমজনতা?’’

    আরও পড়ুন: ভোগের পদ আড়াইশো! ইসকনে মাসির বাড়িতে পরম আদরে প্রভু জগন্নাথ

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) আমেরিকান ‘স্টেট ভিজিট’ (PM Modi US Visist) চলা অবস্থাতেই গত বৃহস্পতিবার তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘ভারত যদি মুসলিম-সহ তার সংখ্যালঘু নাগরিকদের রক্ষা করতে না পারে, তা হলে সে দেশের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ ভারতের এথনিক মাইনরিটিদের নিয়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এই মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না বহু ভারতীয়ই।

    মুসলিম দেশে মোদির জনপ্রিয়তা

    নির্মলা (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) হিসাবে মোদিকে যে ১৩টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। কোনও তথ্য ছাড়াই শুধু অপপ্রচারের জন্য নানা কথা বলা হচ্ছে। আসলে ভোটের মাধ্যমে মোদি ও বিজেপিকে হারাতে পারছে না কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। সে কারণে এখনও এ সব ভিত্তিহীন প্রচার করছে। গত কয়েকটি ভোটে কংগ্রেস এই ভূমিকা নিয়েছিল। বিজেপি সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশের কথা বলে। কোনও সম্প্রদায়কে নিয়ে আলাদা করে কোনও বৈষম্য করে না।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: পাকিস্তানের চেয়ে ভারতীয় মুসলিমদের অবস্থা অনেক ভাল, বললেন নির্মলা সীতারমন

    Nirmala Sitharaman: পাকিস্তানের চেয়ে ভারতীয় মুসলিমদের অবস্থা অনেক ভাল, বললেন নির্মলা সীতারমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের থেকে ভারতের মুসলমানদের অবস্থা ভাল। পশ্চিমী দুনিয়ার মিডিয়া ভারতের সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে নেতিবাচক প্রচার করছে, সোমবার ওয়াশিংটনে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। সেখানকার পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকনমিক্সের এক আধিকারিকের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন মোদি সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। ওই আধিকারিকের প্রশ্ন ছিল ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর হিংসার ঘটনা বাড়ছে, এমনটাই বলছে পশ্চিমী মিডিয়াগুলি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেন এদিন নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী?

    নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) বর্তমানে মার্কিন সফরে গিয়েছেন। সেখানে ওয়াশিংটনে ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও জি ২০ এর দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের কথাও রয়েছে তাঁর। এদিন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পৃথিবীর মধ্যে ভারত হল দ্বিতীয়, যেখানে সব থেকে বেশি মুসলিম বসবাস করেন। এবং এই সংখ্যা ক্রমাগতই বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, যদি সংখ্যালঘুদের ওপর হিংসার ঘটনা ঘটে থাকে ভারতে, তবে ১৯৪৭ সাল থেকে এদেশে মুসলিম জনসংখ্যা কেন বাড়বে?

    আরও পড়ুন: আগামী ৫ দিন আরও চড়বে পারদ! তাপপ্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কলকাতায় কী হবে?

    পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বেশি হয়েছে

    তিনি এই প্রসঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, ইসলামিক দেশ হিসেবেই পাকিস্তান আত্মপ্রকাশ করেছিল। এবং সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা এত বেশি অত্যাচারিত হয়েছিল যে দলে দলে তাদের ভারতে এসে আশ্রয় নিতে হয়। আসলে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারকে অপদস্থ করার জন্যই একটা অংশ সক্রিয়। তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হিংসার তত্ত্ব বারবার তুলে ধরা হচ্ছে। ২০১৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের সার্বিক অবস্থা খারাপ হয়নি। যাঁরা এমন অপপ্রচার করছেন ভারতের বিরুদ্ধে, তাঁদের তিনি এদেশে এসে সেগুলো প্রমাণ করতে চ্যালেঞ্জও করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: রাজ্যগুলির বকেয়া ক্ষতিপূরণ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস নির্মলা সীতারামণের

    Nirmala Sitharaman: রাজ্যগুলির বকেয়া ক্ষতিপূরণ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস নির্মলা সীতারামণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যগুলির বকেয়া ক্ষতিপূরণ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। জিএসটি (GST) কাউন্সিলের ৪৯তম বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি। তবে যে সব রাজ্য অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে কেবল তারাই পাবে ক্ষতিপূরণ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, যে সব রাজ্য এখনও পর্যন্ত তাদের রাজ্যের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণ বাবদ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ অডিট রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় এখনই বকেয়া টাকা পাবে না রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২০১৭-’১৮ এবং ’১৮-’১৯ অর্থবর্ষের অডিট রিপোর্ট দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    নির্মলা সীতারামণ…

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) জানান, ডেটা লগার বা ট্র্যাকিং ডিভাইসের ওপর জিএসটির হার ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বার্ষিক জিএসটি রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি হলে তার জরিমানার অঙ্ক কমানোর সুপারিশও করেছে জিএসটি কাউন্সিল। নির্মলা সীতারামণ বলেন, মে মাসের ৩১ পর্যন্ত সব বকেয়া আমরা মিটিয়ে দিয়েছি। জুনের জন্য কিছু বকেয়া রয়েছে। সেটাও ক্লিয়ার করে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নিজস্ব রিসোর্স থেকে ওই বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে সেস বাবদ যে বকেয়া রয়েছে, কেন্দ্র সেটা মিটিয়ে দেবে। এই টাকার অঙ্ক ১৬ হাজার ৯৮২ টাকা। ২০১৭ সালে আইন মোতাবেক ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অর্থমন্ত্রীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ষীয়ান আধিকারিকরা এই বৈঠকে যোগ দেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) জানান, পানমশলা ও গুটখা শিল্পে যে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিনের বৈঠকে ঝোলা গুড়, পেন্সিল শার্পনার ও কিছু কিছু ট্র্যাকিং ডিভাইসে পণ্য এবং পরিষেবা করও কমিয়েছে জিএসটি কাউন্সিল। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জিএসটি আইন অনুযায়ী রাজ্যগুলির প্রাপ্য শুল্কের একটা পরিমাণ সরাসরি কেন্দ্রের কাছে যাচ্ছে। কিন্তু সেজন্য রাজ্যগুলির যে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেবে বলে স্থির হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, ফেল কড়ি, মাখো তেল। একথার দিন বোধহয় ফুরোতে চলেছে। এবার যা দাঁড়াতে চলেছে, তা হল আগে তেল মাখাতে হবে, তার পরেই মিলবে কড়ি। হেঁয়ালি ছেড়ে এবার আসল কথায় আসা যাক। কেন্দ্র-রাজ্য (Center- State) যৌথ প্রকল্পে এতদিন পর্যন্ত কাজ শুরু হওয়ার পরে পরেই মিলত অর্থ। তবে পরে দেখা যেত কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। অথচ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এই পদ্ধতিতে বদল আনার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র (Union Budget)। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা গ্রাম সড়ক যোজনার মতো যে সব কেন্দ্রীয় সাহায্যে চলা প্রকল্পে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারই অর্থ খরচ করে, তার মধ্যে বাছাই করা কিছু প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে মোদি সরকার। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও, পরে তা হয়ে যাবে পাকাপাকি।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Union Budget) পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (nirmala sitharaman) বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনীয় অর্থ ঠিকভাবে খরচ করতে কিছু বাছাই করা প্রকল্পে অর্থ মঞ্জুরির পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে বদলানো হবে। কাজের অগ্রগতির বদলে কাজ শেষে ফল মেলার ভিত্তিতে টাকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের যুক্তি, এর ফলে রাজ্যগুলি যে কোনও প্রকল্পের সুফল মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে উৎসাহিত হবে। দ্রুত কাজ শেষ হবে। কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ খরচ না করে রাজ্যগুলি বসে থাকে। সেই সমস্যাও দূর হবে। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রের ব্যাখ্যা, প্রাথমিকভাবে কাজ শুরুর জন্য রাজ্যকে পুঁজি হিসেবে কিছু অর্থ দেওয়া হবে। কিন্তু অধিকাংশ অর্থই মিলবে কাজের ফল মেলার পরে।

    আরও পড়ুুন: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের (Union Budget) যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থসচিব। যে কোনও প্রকল্পে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জনের মূল শর্ত দুটি। এক কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না। আর দুই, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা পাওয়ার জন্য ওই প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। রাজ্যের অর্থও সেই অ্যাকাউন্টে যাবে। এর ফলে সেই অ্যাকাউন্টে কেন্দ্র ও রাজ্য দু পক্ষই নজরদারি করতে পারবে। কোনওভাবেই সেই অর্থ রাজ্য অন্য কোনও প্রয়োজনে খরচ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় অনেক প্রকল্পেরই নাম বদলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এক খাতের অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়করের ক্ষেত্রে নতুন কর নীতিতেই ভরসা কেন্দ্রের৷ বাজেট পেশ করার পর সংবাদমাধ্যমকে নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেও সরল কর ব্যবস্থার পক্ষে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময় চেয়েছেন যাতে ব্যক্তিগত আয়কর ব্যবস্থা সরল হোক৷ প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন, কর দেওয়ার জন্য যেন প্রচুর কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন না হয়৷”

    কী বলেন অর্থমন্ত্রী? 

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ করদাতা নতুন আয়কর ব্যবস্থাকেই বেছে নেবেন৷ তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুব পরিষ্কার ছিল, করদাতাদের জানা উচিত তাঁরা ঠিক কত টাকা আয়কর দিচ্ছেন৷” 

    বাজেট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) আরও বলেন, “ভাল বাজেট সেটাই যা সমাজের সব স্তরের মানুষকে ছুঁয়ে যায়৷ বাজেটের সুফল আগামী দিনে বোঝা যাবে৷ সরকার নতুন কর পদ্ধতিকে সাধারণ করদাতাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেয়েছে৷ মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নতুন কর কাঠামো তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷”

    বিমা শিল্প ও বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, নতুন ব্যবস্থা সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিমাকেও নিরুৎসাহ করবে। ফলে কর বাঁচলেও, ঝুঁকি তৈরি হবে মধ্যবিত্তের আর্থিক সুরক্ষা নিয়ে। এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত হয়ে বলেন, তেমন কোনও আশঙ্কা নেই। আয়কর সংক্রান্ত প্রস্তাব বিমার প্রসারে বাধা সৃষ্টি করবে না। নতুন কর ব্যবস্থা সঞ্চয়েও কোপ ফেলবে, এই অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “কর কমে যাওয়ায় হাতে থাকা টাকা দিয়ে করদাতা খুশি মতো সঞ্চয় প্রকল্প বাছবেন। আর করছাড়ের সুবিধা পেতে পুরনো প্রকল্প তো রইলই।”

    কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আরও বিভিন্ন ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে দেশের জনগণের মধ্যে। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে যে কোনও প্রকার সংশয় দূর করতে আমজনতাকে তা কীভাবে বোঝাতে হবে, তার রূপরেখা তৈরি করে দিলেন খোদ অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। কোন কোন বিষয়গুলির জোর দিতে হবে, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকে কে অভিনয় করবেন নাম ভূমিকায়? কবে থেকে শুটিং?

    দেশের মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়ের জন্য বাজেটে যে সমস্ত ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি মানুষের সামনে বেশি করে তুলে ধরার জন্য দলীয় সাংসদদের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। শুক্রবার সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি সাংসদদের বাজেট নিয়ে বোঝান নির্মলা। বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কী কী রয়েছে, তার সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরে কোন কোন বিষয়গুলিকে নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে সেই তালিকাও একপ্রকার ঠিক করে দেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের কারণে বড় ক্ষতির মুখে আদানি গ্রুপ। গৌতম আদানির সম্পত্তি মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই কার্যত অর্ধেকে এসে ঠেকেছে। শেয়ার বাজারে আদানি গ্রুপের সবকটি স্টকেরই দাম পড়েছে। আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দর শেষ ৫ দিনে ৫০ শতাংশ কমেছে। ভারতের শেয়ার বাজারের সূচকও নিম্নমুখী। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)।

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশের বাজার রয়েছে ‘যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, আদানি গ্রুপের বিতর্কের জেরে যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বিশ্বাসকে প্রভাবিত করবে, তা তিনি আশা করেননি। তিনি এও বলেন যে, এটা কেন্দ্রের উত্তর দেওয়ার মতো বিষয় নয়। নিয়ন্ত্রকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।  

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন আর্থিক রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। আর তাতেই ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্থ আদানি গ্রুপ। খোদ গৌতম আদানির সম্পত্তি ১২০ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৬১.৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বের তৃতীয় ধনীতম ব্যক্তি এক ধাক্কায় ছিটকে গিয়েছেন ২১ তম স্থানে। রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, আদানি গ্রুপ কারচুপি করে নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে। যদিও আদানি গ্রুপ হিন্ডেনবার্গের এই রিপোর্টকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে। 

    সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে স্বাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, দেশ ‘সম্পূর্ণ সুশাসনে’ রয়েছে। দেশের বাজার ‘খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত আর্থিক বাজার’ হিসেবে রয়েছে। সীতারমন এপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “গোটা বিশ্বে অনেক কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু ভারতীয় আর্থিক বাজারগুলি কতটা ভালোভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হচ্ছে না।”

    এসবিআই- এলআইসি নিয়ে কী বললেন অর্থমন্ত্রী? 

    এদিকে, আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম যত পড়ছে, তত দুশ্চিন্তা বাড়ছে আমজনতার। কারণ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং জীবন বিমা নিগমের সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে। এই দুই সংস্থাই আদানি গ্রুপকে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আবার আদানি গ্রুপে বিনিয়োগ করেছে এলআইসি। সেই উদ্বেগের মধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিলেন, এখনও আদানি গ্রুপে টাকা ঢেলে লাভ করছে এলআইসি এবং এসবিআই।

    অর্থমন্ত্রী সীতারামন (Nirmala Sitharaman )বলেন, “আদানি নিয়ে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং এলআইসি বিস্তারিত বিবৃতি জারি করেছে। আদানি গ্রুপে ওরা বেশি টাকা ঢালেনি। ওরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে অনুমোদিত সীমার মধ্যেই ওরা টাকা ঢেলেছে এবং লাভজনক অবস্থায় আছে।”

    শুক্রবার ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এসবিআইয়ের চেয়ারম্যান দীনেশ খারা দাবি করেছেন, আদানি গ্রুপে সার্বিকভাবে ২৭,০০০ কোটি টাকা ঢেলেছে এসবিআই। যা রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্কের মোট মূলধনের ০.৮৮ শতাংশ।

    এদিকে, গত ৩০ জানুয়ারি এলআইসির তরফে বিবৃতিতে (Nirmala Sitharaman) দাবি করা হয়, আদানি গ্রুপে যে পরিমাণ টাকা ঢেলেছে এলআইসি, তা মোট বিনিয়োগের এক শতাংশেরও কম। ৩৬,৪৭৪.৭৮ কোটি টাকা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদানি এন্টারপ্রাইজের ফলো-অন পাবলিক অফারিংয়ে বিনিয়োগ করেছিল এলআইসি। যদিও সেই এফপিও তুলে নিয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজ। টাকা ফিরিয়ে দেওয়া বলেও জানিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। স্কুল অফ লন্ডন ইকনোমিক্সের এই প্রাক্তনীর করা সেই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবার নির্মলার বাজেটের সুখ্যাতি শোনা গেল সুদূর আফগানিস্তানেও। এবং প্রশংসা করল খোদ তালিবান প্রশাসন। বুধবার ভারতের বাজেটের দেদার প্রশংসা করল তালিবানরা। তারা জানাল, বাজেটে ভারত আফগানিস্তানকে সাহায্যের জন্য যে বরাদ্দ করেছে তাতে দু দেশের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। মজবুত হবে দুই দেশের বিশ্বাসের সম্পর্কও। কেন্দ্রীয় এই বাজেটে আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই কারণেই নির্মলার পেশ করা বাজেটের স্তুতি শোনা গিয়েছে তালিবানের মুখে।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেন নির্মলা সীতারামণ। এটাই ছিল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, ওই বছর পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট, পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। চলতি বাজেটে আফগানিস্তানের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন নির্মলা। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর এটা আফগানিস্তানকে দ্বিতীয়বার সাহায্য ভারতের। প্রথমবার সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল গতবারের বাজেটে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটকে (Union Budget) স্বাগত জানিয়েছেন সোহেল শাহিন। তিনি তালিবানের আলোচনাকারী দলের প্রাক্তন সদস্য। শাহিন বলেন, আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ভারতের সাহায্যকে সমর্থন জানাচ্ছি। এটা দুই দেশের সম্পর্ক ও বিশ্বাসের জায়গাটিকে দৃঢ় করবে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এমন অনেক প্রকল্প চলছিল, যাতে অর্থায়ন করেছিল ভারত। ভারত যদি ফের এগুলি চালু করে, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক হবে মজবুত। অবিশ্বাসের প্রাচীর যাবে ভেঙে।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশেই কোনও না কোনও পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে ভারত। এখনও হাতে রয়েছে বেশ কিছু প্রকল্প। দেশটির রাশ তালিবানের হাতে চলে যাওয়ার পর আর সম্পূর্ণ করা যায়নি সেই সব প্রকল্প। সম্প্রতি তালিবান জানিয়ে দিয়েছে, ভারত আফগানিস্তানে তাদের অসমাপ্ত অন্তত যে ২০টি প্রকল্প রয়েছে, তা সম্পূর্ণ করার কাজ শুরু করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share