Tag: Niti Aayog

Niti Aayog

  • NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-শাসিত ওড়িশা এগিয়ে। এগিয়ে রয়েছে ছত্তিশগড়ও। তাদের পিছনে রয়েছে গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডও। সব শেষে রয়েছে তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সাম্প্রতিক ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স প্রতিবেদন থেকেই এই তথ্য মিলেছে।

    পিছিয়ে বাংলা 

    ন’টি মানদণ্ডের নিরিখে করা হয়েছে বিচার। তাতেই দেখা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডের ঢের পিছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা এবং পাঞ্জাব। এই চার রাজ্যকে পিছিয়ে পড়া এবং সব চেয়ে খারাপ পারফর্মিং রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি গত কয়েক বছরে কোনও উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) মতে, পশ্চিমবঙ্গকে অবিলম্বে পরিকাঠামো তৈরি-সহ মূলধনী খাতে খরচে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নিজের রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। কর বাবদ আয় ও কর ছাড়া অন্যান্য আয়– দুই ক্ষেত্রেই। এই রাজ্যগুলিকে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে বলেও বলা হয়েছে নীতি আয়োগের রিপোর্টে।

    দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে (NITI Aayog)

    দেশের বড় রাজ্যগুলির মধ্যে কার রাজকোষের অবস্থা ২০২২-’২৩ সালে কেমন ছিল, তা নিয়ে রাজকোষের স্বাস্থ্য সূচক প্রকাশ করেছে নীতি আয়োগ। রাজকোষের স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে মোট ১৮টি রাজ্যকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সারিতে রয়েছে ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড এবং গুজরাট। আর চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শেষ সারির রাজ্যগুলির রাজকোষ ঘাটতি ও রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হিমশিম খাচ্ছে। রাজ্যের নিজস্ব আয় খুবই কম। দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে। সেই ঋণ শোখ করার ক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তুলনায় সামনের সারিতে থাকা রাজ্যগুলির পরিকাঠামো তৈরিতে রাজ্যের জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ খরচ করছে। রাজস্ব আয়ের সামান্য অংশ ঋণের সুদ মেটাতে খরচ হচ্ছে তাদের।

    আরও পড়ুন: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্টে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাঁড়ির হাল। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের মোট খরচের মধ্যে পরিকাঠামো তৈরিতে খরচের হার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তিন শতাংশে নেমে এসেছে। যা জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেও পাঁচ শতাংশের বেশি ব্যয় হত। মূলধনী খাতেও খরচের ভাগ কমেছে। সেটাও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। সেই তুলনায় সামাজিক খাতে খরচের হার বেশি হলেও, তা-ও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। বিরোধীদের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে (West Bengal) গিয়ে রাজ্যের হাঁড়ির হাল করে দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার।

    জানা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং গোয়া আর্থিক সতর্কতা, সঠিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা, অধিক রাজস্ব সংগ্রহ এবং নিম্ন দেনার ভার প্রভৃতি কারণে ঠাঁই করে নিয়েছে তালিকার ওপরের দিকে। ঝাড়খণ্ডের অনেক সূচকে উন্নতি, বিশেষত মূলধনী ব্যয় ও রাজস্ব সংগ্রহের গুণগত মানে অগ্রগতি, তার আর্থিক দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের আরও ভালো বরাদ্দের চেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলি ক্রমবর্ধমান ঋণ, অযৌক্তিক ব্যয় এবং অদক্ষ রাজস্ব সংগ্রহের সমস্যায় জর্জরিত রয়েছে। পাঞ্জাবের ভর্তুকি নির্ভরতা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি তাদের আর্থিক চাপে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে।

    একইভাবে, কেরালার কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ভর্তুকির ওপর উচ্চ ব্যয় এবং অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অব্যবস্থাপনা তাদের ঠেলে দিয়েছে তালিকার চতুর্থ সারিতে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটেছে, যা বাড়তি রাজস্ব ঘাটতি এবং হ্রাসপ্রাপ্ত রাজস্ব সংগ্রহের জন্য দায়ী। তবে, ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ড তাদের আর্থিক স্থায়িত্ব উন্নত করতে যেসব সংস্কার করেছে, তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে তহবিলের উপযুক্ত ব্যবহার এবং উন্নয়ন ব্যয়ের বৃদ্ধিও।

    নীতি আয়োগ (NITI Aayog) কর্তৃক প্রকাশিত ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স রিপোর্টটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যা মূলত নীতিগত সংস্কারকে পথ দেখানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে। এটি রাজ্যগুলোকে টেকসই আর্থিক অনুশীলন গ্রহণে উৎসাহিত করে এবং পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম বলেন, এটি একটি বিশ্লেষণমূলক রিপোর্ট যা দেখায় যে কোন রাজ্য কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি মনে করি, এটি একটি সূচক হিসেবে কাজ করে, যা সমস্ত মানদণ্ডে তথ্য প্রদান করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NITI Aayog Panel: ১৭৯টি সম্প্রদায়কে এসসি, এসটি এবং ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ নীতি আয়োগের

    NITI Aayog Panel: ১৭৯টি সম্প্রদায়কে এসসি, এসটি এবং ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ নীতি আয়োগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতি আয়োগ প্যানেলের সিদ্ধান্তে উপকৃত হতে চলেছে দেশের ১৭৯টি সম্প্রদায়। সারা দেশে তিন বছর ধরে জাতিগত গবেষণা চালিয়ে ভারতে নথিভুক্ত, আধা-যাযাবর এবং যাযাবর ২৬৮টি আদিবাসী গোষ্ঠী প্রথমবার সংরক্ষণের আওতায় আসতে চলেছে। ভারত সরকারের নীতি আয়োগ প্যানেলের পক্ষ থেকে এই গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণায় ভারতীয় সংরক্ষণ নীতির আওতায় অনেক অনুন্নত জাতিগোষ্ঠীর প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে।

    নয়া গবেষণার ফল

    নয়া গবেষণায়, নীতি আয়োগ প্যানেল ১৭৯টি সম্প্রদায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের এসসি, এসটি, এবং ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করেছে। বিশেষভাবে, ৮৫টি নতুন সম্প্রদায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি সম্প্রদায়কে ওবিসি, ২৯টি এসসি, এবং ১০টি এসটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সবচেয়ে বেশি নতুন অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে, যেখানে ১৯টি সম্প্রদায়ের নাম যুক্ত হয়েছে, এর পরই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান। প্রতিটি রাজ্যে আটটি করে সম্প্রদায়ের নাম সুপারিশ করা হয়েছে। নতুন অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি, এই গবেষণায় বর্তমান শ্রেণিবিন্যাসে অসঙ্গতিগুলিও চিহ্নিত করা হয়েছে। নয়টি সম্প্রদায়কে পুনরায় শ্রেণিবদ্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এবং অনেক সম্প্রদায়কে আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তারা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রীয় রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখযোগ্যভাবে, ৬৩টি সম্প্রদায়, বা ২০ শতাংশের বেশি, “অনুসন্ধানে অনুপস্থিত” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সম্ভবত তারা বৃহত্তর গোষ্ঠীতে মিশে গিয়েছে, নাম পরিবর্তন করেছে অথবা অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়েছে।

    গবেষণার প্রভাব

    এই জাতিগত গবেষণাটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছিল। ওড়িশা, গুজরাট এবং অরুণাচল প্রদেশের আদিবাসী গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সহযোগিতায় এই গবেষণা চালানো হয়েছে। ২০২২ সালের অগাস্টে এই গবেষণার প্রাথমিক কাজ শেষ হয়। তবে এখনও অনেক সম্প্রদায়ই নীতি আয়োগ প্যানেলের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রক এখনও অনেক সম্প্রদায়েরই সুপারিশ চূড়ান্ত করেনি। যখন জাতিগত ভিত্তিতে সংরক্ষণের বিতর্কগুলো তীব্র হচ্ছে, তখন এই গবেষণার প্রভাব গভীর। কারণ সামগ্রিক আদমশুমারি ছাড়া এই পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই গবেষণার ফলস্বরূপ, এসসি, এসটি, এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। যা বর্তমানে চলমান কোটা নীতি পর্যালোচনার আহ্বানকেও শক্তিশালী করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-শাসিত ওড়িশা এগিয়ে। এগিয়ে রয়েছে ছত্তিশগড়ও। তাদের পিছনে রয়েছে গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডও। সব শেষে রয়েছে তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সাম্প্রতিক ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স প্রতিবেদন থেকেই এই তথ্য মিলেছে।

    পিছিয়ে বাংলা 

    ন’টি মানদণ্ডের নিরিখে করা হয়েছে বিচার। তাতেই দেখা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডের ঢের পিছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা এবং পাঞ্জাব। এই চার রাজ্যকে পিছিয়ে পড়া এবং সব চেয়ে খারাপ পারফর্মিং রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি গত কয়েক বছরে কোনও উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) মতে, পশ্চিমবঙ্গকে অবিলম্বে পরিকাঠামো তৈরি-সহ মূলধনী খাতে খরচে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নিজের রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। কর বাবদ আয় ও কর ছাড়া অন্যান্য আয়– দুই ক্ষেত্রেই। এই রাজ্যগুলিকে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে বলেও বলা হয়েছে নীতি আয়োগের রিপোর্টে।

    দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে (NITI Aayog)

    দেশের বড় রাজ্যগুলির মধ্যে কার রাজকোষের অবস্থা ২০২২-’২৩ সালে কেমন ছিল, তা নিয়ে রাজকোষের স্বাস্থ্য সূচক প্রকাশ করেছে নীতি আয়োগ। রাজকোষের স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে মোট ১৮টি রাজ্যকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সারিতে রয়েছে ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড এবং গুজরাট। আর চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শেষ সারির রাজ্যগুলির রাজকোষ ঘাটতি ও রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হিমশিম খাচ্ছে। রাজ্যের নিজস্ব আয় খুবই কম। দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে। সেই ঋণ শোখ করার ক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তুলনায় সামনের সারিতে থাকা রাজ্যগুলির পরিকাঠামো তৈরিতে রাজ্যের জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ খরচ করছে। রাজস্ব আয়ের সামান্য অংশ ঋণের সুদ মেটাতে খরচ হচ্ছে তাদের।

    আরও পড়ুন: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্টে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাঁড়ির হাল। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের মোট খরচের মধ্যে পরিকাঠামো তৈরিতে খরচের হার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তিন শতাংশে নেমে এসেছে। যা জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেও পাঁচ শতাংশের বেশি ব্যয় হত। মূলধনী খাতেও খরচের ভাগ কমেছে। সেটাও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। সেই তুলনায় সামাজিক খাতে খরচের হার বেশি হলেও, তা-ও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। বিরোধীদের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে (West Bengal) গিয়ে রাজ্যের হাঁড়ির হাল করে দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার।

    জানা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং গোয়া আর্থিক সতর্কতা, সঠিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা, অধিক রাজস্ব সংগ্রহ এবং নিম্ন দেনার ভার প্রভৃতি কারণে ঠাঁই করে নিয়েছে তালিকার ওপরের দিকে। ঝাড়খণ্ডের অনেক সূচকে উন্নতি, বিশেষত মূলধনী ব্যয় ও রাজস্ব সংগ্রহের গুণগত মানে অগ্রগতি, তার আর্থিক দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের আরও ভালো বরাদ্দের চেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলি ক্রমবর্ধমান ঋণ, অযৌক্তিক ব্যয় এবং অদক্ষ রাজস্ব সংগ্রহের সমস্যায় জর্জরিত রয়েছে। পাঞ্জাবের ভর্তুকি নির্ভরতা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি তাদের আর্থিক চাপে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে।

    একইভাবে, কেরালার কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ভর্তুকির ওপর উচ্চ ব্যয় এবং অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অব্যবস্থাপনা তাদের ঠেলে দিয়েছে তালিকার চতুর্থ সারিতে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটেছে, যা বাড়তি রাজস্ব ঘাটতি এবং হ্রাসপ্রাপ্ত রাজস্ব সংগ্রহের জন্য দায়ী। তবে, ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ড তাদের আর্থিক স্থায়িত্ব উন্নত করতে যেসব সংস্কার করেছে, তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে তহবিলের উপযুক্ত ব্যবহার এবং উন্নয়ন ব্যয়ের বৃদ্ধিও।

    নীতি আয়োগ (NITI Aayog) কর্তৃক প্রকাশিত ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স রিপোর্টটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যা মূলত নীতিগত সংস্কারকে পথ দেখানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে। এটি রাজ্যগুলোকে টেকসই আর্থিক অনুশীলন গ্রহণে উৎসাহিত করে এবং পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম বলেন, এটি একটি বিশ্লেষণমূলক রিপোর্ট যা দেখায় যে কোন রাজ্য কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি মনে করি, এটি একটি সূচক হিসেবে কাজ করে, যা সমস্ত মানদণ্ডে তথ্য প্রদান করে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    Union Budget 2024: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে ফিরেই কাজ শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আসন্ন বাজেট (Union Budget 2024) নিয়ে পরামর্শ নিতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক একথা জানান৷ অর্থনীতিবিদরা ছাড়াও এই জরুরি বৈঠকে ছিলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা৷ নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্য়ান সুমন বেরি ও অন্য সদস্য়রা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    কী নিয়ে বৈঠক (Union Budget 2024) 

    আগামী ২৩ জুলাই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করবেন লোকসভায় ৷ তাঁর আগে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এদিনে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ মতোই বাজেটে বরাদ্দ করা হবে বলে জানান, নির্মলা। ওই বৈঠকে ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিং, মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণ ৷ অর্থনীতিবিদের মধ্যে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল সুরজিৎ ভাল্লা ও অশোক গুলাটি ৷ বর্ষীয়ান ব্যাংকার কেভি কামাথও এ দিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন৷

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটের অপেক্ষা (Union Budget 2024) 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) রাশিয়া ও অস্ট্রিয়া, দুই দেশের সরকারি সফর শেষ করে এদিন সকালেই নয়া দিল্লি পৌঁছন। বাজেট (Union Budget 2024) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা শুরু করেছে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনও এই নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন৷ তিনিও অর্থনীতিবিদ ও শিল্পজগতের লোকজনের সঙ্গে বৈঠক করেন ৷ বিভিন্ন মহল থেকে সাধারণ মানুষকে সুরাহা দেওয়ার জন্য করছাড়ের দাবি জানানো হয়েছে৷ এর মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানা যাবে ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধি গতি পাবে বলে বিশেষজ্ঞদের মত৷ তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিয়ে দেশবাসীর আকাঙ্খা সীমাহীন। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার দিকনির্দেশ এই বাজেটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা ৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Corona: শহরে ফের করোনা সংক্রমণ! আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ সত্তরোর্ধ্ব

    Corona: শহরে ফের করোনা সংক্রমণ! আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ সত্তরোর্ধ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা শহরে আবার করোনার (Corona) আতঙ্ক! ইতিমধ্যে শহরে চারজনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্ত চারজনেই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যেই নতুন করে করোনা ফের মানুষের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করেছে। উল্লেখ্যে গত দুবছর আগে কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে মহামারি তৈরি করেছিল। ভারতের মত দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বর্তমানে সারা দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৯ এবং নতুন জেএন-১ উপ-প্রজাতিতে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১০৯। এর মধ্যে গুজরাটে ৩৬, কর্নাটকে ৩৪, গোয়াতে ১৪, মহারাষ্ট্রে ৯, কেরলে ৬, তেলঙ্গানায় মোট ২ এবং রাজস্থান-তামিলনাড়ুতে একজন করে রোগী আক্রান্ত হয়েছেন।

    আক্রান্ত চার রোগী (Corona)

    জানা গিয়েছে, কলকাতা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনায় (Covid) আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেনে এক বৃদ্ধা। কয়েকদিন আগে তাঁর রিপোর্টে করোনা পজেটিভ আসে। এরপর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একই ভাবে আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনজনকেই বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাঁদের হাসপাতলে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসা চলার সময় কোভিডে আক্রান্ত হন। রোগীদের মধ্যে হলেন, একজন বালিগঞ্জের, অপর আরও দুইজন সন্তোষপুর এবং হাওড়ার দানেশ শেখ লেনের বাসিন্দা। তবে আক্রান্ত রোগীদের কোমর্বিটির লক্ষণ রয়েছে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর

    করোনা (Corona) আক্রান্ত রোগীদের সম্পর্কে হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, হাওড়ার রোগী কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। বর্তমানে তাঁর শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যাও রয়েছে। সন্তোষপুরের রোগী এখন নিম্ন রক্তচাপ এবং রক্তবমির সমস্যায় চিকিৎসাধীন। আনন্দপুরের রোগী করোনার লক্ষণ নিয়েই ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে যদি কোনও সমস্যা আর না হয় তাহলে তাঁকে ছেড়েও দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইটিআই (স্বাস্থ্য) ডক্টর ভিকে পল বলেছেন, “করোনার নতুন সংস্করণকে বিশেষ ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সব রাজ্য জুড়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলা হয়েছে।”

    গত সপ্তাহেও আক্রান্ত ছিল ৮

    উল্লেখ্য, শীতের সময় করোনার (Corona) প্রকোপ নতুন করে কলকাতায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। গত সপ্তাহে পরপর দুইদিনে মোট আক্রান্ত হয়েছিল মোট ৮ জন। এর মধ্যে ছিল ছয় মাসের এক শিশুও। তাঁদের প্রত্যেকের নমুনা, বিশেষ পরীক্ষা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি করোনার নতুন সংস্করণ জেএন-১ সারা বিশ্বে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করেছে। ফলে এখানেও এই রোগের সংস্করণ পাওয়া গেল কিনা তা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছ থেকে উদ্বেগের কথা তেমন শোনা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Union Budget: চলছে প্রস্তুতি, জেনে নিন কেন্দ্রীয় বাজেটের সাত সতেরো

    Union Budget: চলছে প্রস্তুতি, জেনে নিন কেন্দ্রীয় বাজেটের সাত সতেরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই হবে বর্তমান মোদি (PM Modi) সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget)। আগামী বছর পেশ হওয়ার কথা ভোট অন অ্যাকাউন্ট। বাজেট পেশ হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। জেনে নিনি বাজেটের সাত সতেরো।

    বাজেট…

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রক এবং নীতি আয়োগের সঙ্গে কথা বলে প্রস্তুত করেন অ্যানুয়েল বাজেট। সংসদে বাজেট পেশ হওয়ার আগে কতগুলি ধাপ পেরতে হয়। অর্থমন্ত্রকের বাজেট ডিভিশনই মূলত বাজেট প্রস্তুত করে। পূর্ববর্তী বছরগুলির মতো বাজেট পেশ হয় ১ ফেব্রুয়ারি। এবারও সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট পেশের পর নয়া অর্থবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই সংসদের উভয় কক্ষে তা পাশ করাতে হবে। অর্থমন্ত্রক একটি সার্কুলার জারি করে সমস্ত মন্ত্রী, রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং স্বয়ংশাসিত সংস্থাগুলিকে আগামী অর্থবর্ষের এস্টিমেট সম্পর্কে জানতে চাইবেন। এই এস্টিমেট ছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রক পূর্ববর্তী অর্থবর্ষের রাজস্ব এবং ব্যয় নিয়ে ডিটেলস তথ্য দেবে।

    আরও পড়ুুন: ‘রাহুলের উচিত আরএসএসের শাখায় উপস্থিত হওয়া’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    এর পর অর্থমন্ত্রক সেই তথ্য বিশ্লেষণ করবে, ঘাটতি কত, তাও দেখবে। এর পর কেন্দ্র মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করবেন। ঘাটতি মেটাতে সরকারকে কতটা ঋণ নিতে হবে, তা স্থির করবে। এর পর খরচের (Union Budget) জন্য বিভিন্ন দফতরের কাছে রেভিনিউ অ্যালোকেশন দেখে অর্থমন্ত্রক। এর পরে হবে প্রাক-বাজেট পর্বের বৈঠক। এই বৈঠকে রাজ্যগুলির প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ব্যাঙ্কার, কৃষিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা। এখানে আলোচনার পর অর্থমন্ত্রী আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। তার পরেই চূড়ান্ত হবে বাজেট। বাজেট (Union Budget) চূড়ান্ত হয়ে গেলেই প্রথা মেনে হবে অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠান ‘হালুয়া সেরিমনি’ নামে পরিচিত। এই অনুষ্ঠানে হালুয়া রান্না হবে। তার পরেই বাজেট যাবে ছাপাখানায়, ছাপার জন্য। অর্থমন্ত্রকের সমস্ত কর্মীকে এদিন দেওয়া হবে রান্না করা হালুয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Niti Aayog: নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান সুমন কে বেরি

    Niti Aayog: নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান সুমন কে বেরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০১৭ সালের অগস্টে অরবিন্দ পানাগড়িয়ার পরে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান পদে বসেছিলেন অর্থনীতিবিদ রাজীব কুমার। আগামী ৩০ এপ্রিল তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু সূত্রের খবর, তার আগেই ওই পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। রাজীবের এ ভাবে সরে যাওয়ার কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। তবে তড়িঘড়ি নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে অর্থনীতিবিদ সুমন কে বেরি-কে নিয়োগ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদ, স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশন এবং রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের ঋণনীতি বিষয়ক টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজ়রি কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। দায়িত্ব নেবেন ১ মে থেকে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করাচ্ছে, রাজীবের পূর্বসূরী পানাগড়িয়া তিন বছরের মাথায় নীতি আয়োগ ছেড়েছিলেন। ক্ষমতার অলিন্দে জল্পনা দানা বেঁধেছিল, মূলত মোদী সরকারের সঙ্গে মতের অমিল হওয়ার কারণেই সরকারের এই উপদেষ্টা সংস্থার দায়িত্ব ছেড়ে তিনি মার্কিন মুলুকে পড়াশোনার জগতে ফিরছেন।

    এ দিন সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কুমারের ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে এবং ৩০ এপ্রিল ওই পদ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

LinkedIn
Share