Tag: Nitin Gadkari

Nitin Gadkari

  • Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকড়ির উদ্যোগে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে সারাদেশে। পুজোর আগেই এই রাজ্যের কলকাতার সঙ্গে শিলিগুড়ির অন্যতম প্রধান জাতীয় সড়ক ৩৪ নম্বর সম্প্রসারণের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রীকে আবেদন করেছিলেন। আর তার ফলে মহালয়ার দিনে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে শহরের যানজট কমাতে বাইপাস খুলে দেওয়া হল। রাস্তা সম্পূর্ণ না হলেও একটা অংশ খুলে উদ্বোধন করলেন এলাকার সাংসদ। পুজোর আগে বহরমপুরবাসীর কাছে এক আনন্দের খবর। এলাকাবাসী বলছেন, যানজটের কবল থেকে শহরের মানুষ অনেকটাই মুক্তি পাবে।

    খোলা হল বহরমপুর বাইপাস (Murshidabad)

    উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর শহরের মধ্যপথ দিয়ে গিয়েছে। শহরে জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। তাই জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ এবং পুনঃনির্মানের মধ্যে দিয়ে বহরমপুর শহরের বাইরে দিয়ে একটি বাইপাস রাস্তা করা হয়। যদিও, এখনও জাতীয় সড়কের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এই উৎসবের মরশুমে শহরবাসী তথা সারা বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং অধীর চৌধুরীর অনুরোধে জাতীয় সড়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে পুজোর কিছুদিন সাময়িক ভাবে বাইপাস খোলা হল। রাস্তা চালু হওয়ায় উপকৃত হলেন অগণিত মানুষ।

    বাইপাসের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রক

    কেন্দ্রীয় সরকার ১৪ বছর আগে বহরমপুর বাইপাস রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু জমিজট এবং নানা জটিলতা মিটিয়ে শেষ হওয়ার পথে। বাইপাস সড়কটি সারগাছি থেকে বহরমপুরের দিকে এসে, বলরামপুর থেকে মানকরা হয়ে ভাগীরথীর উপর দিয়ে বাসুদেবখালি হয়ে খাগড়াঘাট স্টেশনের পশ্চিম দিক দিয়ে ফতেপুরের কাজ পর্যন্ত, প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য ২০০৯ সালে বাইপাস রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ত দপ্তর। এই দপ্তরের মন্ত্রী নীতিন গডকড়ী বহরমপুর বাইপাসের কাজ শুরু হওয়ার বরাত দেন।

    সাংসদের বক্তব্য

    সাংসদ (Murshidabad) অধীর চৌধুরী নিজেই, ওই রাস্তায় নিজের সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালালেন এবং সেই সঙ্গে বাইকে হাত ছেড়ে সোজা হয়ে একপ্রকার চমক দেখালেন। আজ বলেন তিনি, “পুজোর আগে বহরমপুরকে যানজট মুক্ত করা আমার লক্ষ্য, সেজন্য আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিনজির কাছে গিয়েছিলাম এবং সরকারি আধিকারিক, ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে, আজ মহালয়ার দিনে খুলে দেওয়া হল নতুন বাইপাস ও দ্বিতীয় সেতু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    Narendra Modi: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার নয়াদিল্লিতে মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের আটটি রাজ্যের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে ১২ দিন ধরে ধারাবাহিক বৈঠক করে ২০২৪-এর দিশা স্পষ্ট করার যে উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, সেই পর্বেই আজ অসম, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা এবং সিকিমের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, কিরেন রিজিজু এবং নীতিন গড়করিরও৷

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট’-এ জোর মোদির

    ৯ বছর আগে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছিলেন, দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সার্বিক উন্নয়নকে তাঁর সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে। তাই ইউপিএ সরকারের দেওয়া ‘লুক ইস্ট’ নাম পরিবর্তন করে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ঘোষণা করেছিলেন তিনি৷ উত্তর-পূর্বের আট রাজ্যকে একযোগে ‘অষ্টলক্ষ্মী’ নামও দিয়েছিলেন মোদি৷ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যগুলি তাদের স্বতন্ত্র সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। এই রাজ্যগুলি তাদের রান্নায় অনন্য স্বাদের জন্য গর্ব করে। তাই এই আটটি রাজ্যের প্রতিনিধিদের জন্য মেন্যুতে থাকছে হরেক বাহার।

    আটটি রাজ্যের হরেক খাবার

    বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতিটি রাজ্যের বিশেষত্ব ধরে রেখে খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি রাজ্যই প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সামনে তাদের বিশেষত্ব তুলে ধরতে চায়। উত্তর-পূর্বের প্রবেশ দ্বার অসমের প্রতিনিধিধিরা ঐতিহ্যবাহী জোহা ভাত, আলু পিটিকা এবং সতেড ঢেকিয়া জাক পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। জোহা চাল হল অসমের একটি বিশেষ চাল। যা এর স্বাদ এবং সুগন্ধের জন্য পরিচিত। আলু পিটাকা হল মূলত সরষের তেল, সবুজ মরিচ, ধনে এবং পেঁয়াজ দিয়ে মাখা আলু সেদ্ধ। ঢেকিয়া জাক, বেহালা ফার্ন নামেও পরিচিত, জনপ্রিয় প্রোটিন-সমৃদ্ধ সবুজ শাক যা রান্না করা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    সিকিমের মোমো থেকে মণিপুরের ক্ষীর 

    হিংসায় জর্জরিত মণিপুর। সেখানে শান্তি ফেরাতে মরিয়া সরকার। সেই মণিপুর থেকে সিংজু এবং চক হাও ক্ষীর পরিবেশন করা হবে। সিংজু ছানার গুঁড়ো, লবণ, মরিচ এবং সবুজ শাক দিয়ে তৈরি করা হয়। ক্ষীর হল খাঁটি কালো চালের তৈরি একটি পুডিং, যা মণিপুর থেকে শুধু ভারতের মধ্যেই নয়, সারা বিশ্বে রফতানি করা হয়। নাগাল্যান্ড রাতের খাবারের জন্য তার ঐতিহ্যবাহী সেদ্ধ সবজির কথা বলেছে। মিজোরাম থেকে অতিথিদের পরিবেশন করা হবে পুরুন জুং বাই, বসন্ত পেঁয়াজ সহ কিছু শিকড় দিয়ে তৈরি একটি খাবার। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ ফোরোন (প্রথাগত পাঁচ-মশলা পাউডার দিয়ে টেম্পারিং) সহ একটি বাংলা-শৈলীর মিশ্র উদ্ভিজ সবজি পরিবেশন করা হচ্ছে। সিকিম সবসময়ের প্রিয় খাবার মোমো তৈরি করবে। মেঘালয়ের প্লেটে থাকবে ভাজা বীটরুট পাতার রেসিপি। অরুণাচল প্রদেশ থেকে খাইসা ফ্রাই পরিবেশন করা হবে। এটি ভাজা কাঁচা বাঁশের ডালের একটি খাবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Election 2024: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯৫জনের নাম। বুধবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এতে নাম রয়েছে ৭২জনের। পদ্ম শিবিরের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বেশ কিছু হেভিওয়েট নেতার নাম।

    কোন কেন্দ্রে কত আসনে প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024)

    এদিন দিল্লির ২টি, গুজরাটের ৭টি, হরিয়ানার ৬টি, কর্নাটকের ২০টি, মহারাষ্ট্রের ২০টি, হিমাচল প্রদেশের ২টি, মধ্যপ্রদেশের ৫টি, তেলঙ্গনার ৬টি, উত্তরাখণ্ডের ২টি এবং ত্রিপুরার ১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউয়েরও (Lok Sabha Election 2024)। প্রথম দফায় বাংলার ২০টি কেন্দ্রে প্রার্থীর তালিকাও প্রকাশ করেছিল বিজেপি। বাংলায় লোকসভা আসন রয়েছে ৪২টি। তবে আসানসোলের প্রার্থী ভোজপুরী গায়ক-নায়ক পবন সিংহকে নিয়ে অসন্তোষ দানা বাঁধতেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় তাঁর নাম। তাই বাংলায় এখন বিজেপিকে ঘোষণা করতে হবে ২৩জন প্রার্থীর নাম।

    প্রার্থী তালিকায় হেভিওয়েট

    দ্বিতীয় দফার তালিকায় অবশ্য বাংলার কেউ নেই। তবে এবারের তালিকায় নাম রয়েছে কয়েকজন হেভিওয়েট পদ্ম প্রার্থীর। এঁরা হলেন, মনোহরলাল খট্টর (কার্নাল, হরিয়ানা), অনুরাগ সিং ঠাকুর (হামিরপুর, হিমাচলপ্রদেশ), অশোক তানওয়ার (সিরসা, হরিয়ানা), বাসবরাজ বোম্মাই (হাভেরি, কর্নাটক), প্রহ্লাদ জোশী (ধারওয়াড়, কর্নাটক), নীতিন গডকরী (নাগপুর, মহারাষ্ট্র), পীযূষ গোয়েল (মুম্বই উত্তর, মহারাষ্ট্র), তেজস্বী সূর্য (বেঙ্গালুরু দক্ষিণ, কর্নাটক), মহারানি কৃতী সিংহ দেববর্মা (ত্রিপুরা পূর্ব, ত্রিপুরা) এবং পঙ্কজা মুন্ডে (বীড়, মহারাষ্ট্র)।

    আরও পড়ুুন: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় যে ১৯৫ জনের নাম ছিল, তাঁরা লড়বেন ১৬টি রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে। এদিন দ্বিতীয় দফায় যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, তা ১০টি রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রের।এদিনের তালিকায় তিন রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম রয়েছে। এঁরা হলেন, হরিয়ানার সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তির্থ সিং রাওয়াত এবং কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। তির্থ প্রার্থী হচ্ছে হরিদ্বার কেন্দ্রে (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্ত ঘেঁষা অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির বিকাশের জন্য, সড়ক যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদি সরকার এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিকাশের জন্য বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত মহাসড়ক হিসেবে মনোনীত জাতীয় মহাসড়ক-৯১৩ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই ৬ হাজার ৬২১ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের ফ্রন্টিয়ার হাইওয়ের বিভিন্ন অংশের জন্য মোট ১৭,০০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    কোন কোন জায়গা দিয়ে যাবে এই সড়ক

    এই প্রকল্পের অন্তর্গত মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ১৭০০ কিলোমিটার। অরুণাচল প্রদেশের জনবসতিহীন বা অল্প জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্য দিয়ে এই রাস্তা যাবে। এতে ভারত-চিন সীমান্তে নতুন টানেল এবং সেতু ছাড়াও ৮০০ কিলোমিটার গ্রিনফিল্ড সেকশন থাকবে। এটি বোমডিলা থেকে শুরু হয়ে নাফরা, হুরি ও মনিগং হয়ে যাবে। কিছু পয়েন্টে, রাস্তাটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছাকাছি— চিন সীমান্ত থেকে ২০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্ব দিয়ে যাবে। রাস্তাটি শেষ হবে বিজয়নগরে— ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে। এই সড়ক তৈরি হলে যেমন একদিকে চিনের সীমান্তবর্তী অরুণচলে ভারতীয় (India-China Border) সেনা জওয়ানদের যাতায়াতে সুবিধা হবে। তেমনি পর্যটন শিল্পেরও প্রসার ঘটবে। অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নতি হবে।

    কবে শেষ হবে এই রাস্তা

    ২০২৭ সালের মধ্যে এই রাস্তা তৈরির কাজ শেষ করা যাবে বলে আশা করছে কেন্দ্র। রাজ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান— তাওয়াং, মেচুকা, টুটিং, কিবিথু এবং ডং-কে সংযুক্ত করবে এই নতুন রাস্তা। এটা তৈরি করতে মোট খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। গত কয়েক সপ্তাহে, সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক এই মহাসড়কের ৭৭০ কিলোমিটারের জন্য তহবিল অনুমোদন করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি বলেছেন এখনও পর্যন্ত হুরি-তালিহা বিভাগ, বিলে-মিগিং বিভাগ, খারসাং-মাইও-গান্ধীগ্রাম-বিজয়নগর বিভাগ এবং বোমডিলা-নাফরা-লাদা বিভাগের জন্য ছয়টি প্যাকেজের জন্য তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    চিনকে ঠেকাতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব

    গালওয়ানকাণ্ডের পরে লাদাখ, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের এলএসি-তে চিনা ফৌজের সক্রিয়তার কথা মাথায় রেখে জরুরি ভিত্তিতে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে ভারত। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম চিন সীমান্তে পাঠানোর জন্য বিশেষ ভাবে সড়কপথ (Arunachal Pradesh) নির্মাণে গুরুত্ব দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। কিছুদিন আগেই, অরুণাচলেই সেলা টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। জওয়ানরা যাতে সীমান্তের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছে যেতে পারেন, যাতে অস্ত্রশস্ত্র তাড়াতাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়, তার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে এই সেলা টানেল।  ঠিক একইভাবে, নতুন সড়ক পথও কেন্দ্রের সেই ভাবনার প্রতিফলন ঘটাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    সামরিক সরঞ্জাম এবং রসদ পরিবহণের পাশাপাশি এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হল স্থানীয় পর্যটন শিল্পে উন্নতি আনা। এই সড়ক পথের ফলে বহু দুর্গম জায়গায় সহজে পৌঁছনো যাবে। প্রকৃতির কোলে লুকিয়ে থাকা দূরবর্তী গ্রামগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে পর্যটন শিল্পও প্রসার পাবে।

    আরও পড়ুন: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    চিনকে গুরুত্ব নয়

    সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে তিনি ৮২৫ কোটি টাকার সেলা টানেল উদ্বোধন করেন। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে বরাবর দাবি করে আসছে চিন। ফলে অরুণাচল প্রদেশে যে কোনও ভারতীয় কর্মকাণ্ডকে নিশানা করে বেজিং। তবে চিনের সমস্ত কৌশল, সওয়ালকে বারংবার নস্যাৎ করেছে কেন্দ্র। দিল্লির তরফে বলা হয়েছে, বাস্তব অবস্থার কোনও পরিবর্তন হবে না অরুণাচল, ভারতের অংশ ছিল ও থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সারা দেশে জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি একথা জানিয়েছেন। দেশের হাইওয়ের টোলপ্লাজগুলিতে বর্তমানে যে ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন এনে এবার থেকে জিপিএস নির্ভর টোল আদায়ের পদ্ধতি চালু করা হবে। দেশের সড়ক এবং পরিবহণ দফতরের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই ব্যবস্থায় অপেক্ষাকৃত কম যানজট হবে। তাছাড়া নিরাপত্তা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও রকম অনুসন্ধান করতে এটি ব্যাপক কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বছরের আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করার ইঙ্গিত মিলেছে।

    কী বলেন নিতিন গড়করি (GPS Based Toll)?

    কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি জানিয়েছেন, “ফাস্ট ট্যাগের সঙ্গেই জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে তা প্রথম চালু হবে। হাইওয়েতে ট্রাফিক জ্যাম কমাতেই এই নতুন পদ্ধতির কথা ভাবা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে টোল আদায়ও আরও বাড়বে।” এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও আশা প্রকাশ করে বলেন, “ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়ার বর্তমান রাজস্বের পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। আগামী ২ থেকে ৩ বছরে এই এই রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়াবে ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকা।”

    নতুন টোল আদায় ব্যবস্থা

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “সরকার নতুন প্রযুক্তির বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা গোটা দেশে চালু করতে চায় সরকার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই প্রকল্প আসবে।” যদিও গত দশ বছরে হাইওয়ের টোল প্লাজার ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০১৮ সালে হাইওয়ের টোল প্লাজাতে গড়ি দাঁড়ানোর সময় ছিল ৮ মিনিট। ফাস্ট ট্যাগ পদ্ধতির ফলে টোলপ্লাজায় এখন গাড়ি দাঁড়ানোর সময় কমে হয়েছে মাত্র ৪৭ সেকেন্ড। জিপিএস নির্ভর পদ্ধতি চালু হলে আগামী দিনে আরও সময় কম হবে বলে জানা গিয়েছে।

    কেমন হবে ব্যবস্থা

    জিপিএস নির্ভর ইলেকট্রনিক টোল (GPS Based Toll) গ্রহণ ব্যবস্থায় হাইওয়েতে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে একটি স্বয়ংক্রিয় নম্বর প্লেট গণনার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে যানবাহনের কতটা দূরত্বের পথ অতিক্রম করছে সেই বিষয়ের উপর নির্ভর করে টোল ধার্য করা হব। এই পদ্ধতিতে গাড়ি চালানোর সময় গতিবিধি নিরীক্ষণ করে, সঠিকভাবে টোল করা অংশগুলিতে চালকদের প্রবেশ এবং প্রস্থানগুলিকে খুব সহজেই চিহ্নিত করা থাকবে। একই সঙ্গে গাড়ির যাত্রাপথের দূরত্বকে বিশ্লেষণ করবে। গাড়ির চালক যে টোল প্লাজাগুলি অতিক্রম করেছেন তাও সুনিশ্চিত করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এবার প্রত্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে ফের একবার সংসদে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার লোকসভায় গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ফোর বা সিক্স লেনে সম্প্রসারণ বিষয় নিয়ে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন সুকান্ত। গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের বিষয়টি কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, সড়ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না সেই সব জানতে চান তিনি। দ্রুত এই রাস্তা সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত।

    রাস্তা সম্প্রসারণ না হওয়া নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    গাজোল-হিলি ৫১২ জাতীয় সড়ক ফোর লেন করার ঘোষণা অনেক আগেই কেন্দ্রের তরফে করা হয়েছিল। এর জন্য প্রায় ২১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ঘোষণার পর এখনও কাজ শুরু হয়নি রাস্তা সম্প্রসারণের। এমতাবস্থায় পার্লামেন্ট এই রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে প্রশ্ন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করার আবেদন তিনি জানিয়েছেন। সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ নীতিন জয়রাম গডকড়ি বলেন, গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য এখন পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়নি। যার কারণে কাজ এখনও শুরু হয়নি বা কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে।

    রাস্তা সম্প্রসারণ না হওয়ার জন্য রাজ্যকে দায়ী করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ৪ অথবা ৬ লেন করার যে ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটা কী পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে পার্লামেন্টে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী কাছে প্রশ্ন করেছিলাম। কিন্তু রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার জন্য এখনও জমি অধিগ্রহণ হয়নি। যার ফলে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ দেরি হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: “২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের হাইওয়েগুলিকে আমেরিকার মত করার চেষ্টা করব”, বললেন নিতিন গড়কড়ি

    Nitin Gadkari: “২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের হাইওয়েগুলিকে আমেরিকার মত করার চেষ্টা করব”, বললেন নিতিন গড়কড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম পর্যায়ের আজ উদ্বোধন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বিশাল সড়ক প্রকল্পের অন্যতম অংশ দিল্লি-দৌসা-লালসট ২৪৬ কিলোমিটার অংশটির উদ্বোধন করলেন তিনি। আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং এবং অন্যান্য নেতারা। এই মঞ্চ থেকেই আরও এক চমক দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি। তিনি জানান, ২০২৪ সালের মধ্যেই ভারতের রাস্তা আমেরিকার রাস্তার মত গড়ে তোলা হবে।

    নিতিন গড়করি কী বললেন?

    রাজস্থানের দৌসায় এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিয়েছেন নিতিন গড়কড়ি। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ দেশের রাস্তার পরিকাঠামোকে আমেরিকার সমপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছে৷ তিনি বলেন, “আমরা ভারতের হাইওয়েগুলিকে আমেরিকার মত করার চেষ্টা করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতকে আত্মনির্ভরশীল করার কথা বলেছেন এবং বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো তৈরি করার কথা বলেছেন, যা তিনি বারবার আমাদের সামনে লক্ষ্য হিসাবে রেখেছেন। ২০২৪ সালের শেষের আগে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায়, আমরা ভারতের রাস্তার পরিকাঠামোকে আমেরিকার সমান করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”

    আরও পড়ুন: দিল্লি-জয়পুর এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, জানুন বিস্তারিত

    তিনি আরও বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বপ্ন ছিল যে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষাগতভাবে পিছিয়ে থাকা জেলাগুলির উন্নয়নকে আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে।” তিনি জানান, তিনি প্রায় ৫০০ টি ব্লক চিহ্নিত করেছেন, যেই জেলাগুলি সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষাগতভাবে পিছিয়ে রয়েছে এবং তাই, এই হাইওয়েটি সেই অঞ্চলগুলির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।”

    প্রসঙ্গত, আজ এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনের পর এটি নিয়েও বক্তব্য রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, “গত ৯ বছর ধরে কেন্দ্র পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে। রাজস্থানকে জাতীয় সড়কের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় এ বছরও রাজস্থানে বহু গুণ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। লাভ পাবে রাজস্থান, এখানকার গ্রাম, গরিবেরা।” তাঁদের আশ্বাস, পরিকাঠামোর যত উন্নয়ন হবে, ততই রোজগার বাড়বে। আর্থিক গতিও বাড়ে।

  • Delhi Mumbai Expressway: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের

    Delhi Mumbai Expressway: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার জন্য এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ সেই এক্সপ্রেসওয়ের কিছুটা অংশের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে৷ রবিবার ওই অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামীকাল এই এক্সপ্রেসওয়ের সোহনা-দাউনা অংশ উদ্বোধন করবেন মোদি। দিল্লি থেকে দৌসা হয়ে লালসট পর্যন্ত ২৪৬ কিলোমিটার রাস্তা আগামিকাল থেকে সাধারণ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে৷ নতুন এই রাস্তা দিয়ে দিল্লি থেকে জয়পুরে যেতে এখন থেকে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা। আগে লাগত ৫ ঘণ্টা। নতুন রাস্তার ফলে যাতায়াতের সময় এক ধাক্কায় দেড় ঘণ্টা কমবে বলে জানা গিয়েছে।

    সেজে উঠেছে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের একটা অংশ

    দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের মোট ১৩৮৬ কিলোমিটার পথ তৈরির কেন্দ্রীয় প্রকল্পটির জন্য ১২ হাজার ১৫০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। তবে এই এক্সপ্রেসওয়ের সব থেকে বড় বিষয় হল, রাস্তাটি সম্পূর্ণ হলে দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার জন্য এখন যেই সময় লাগে তার চেয়ে অন্ততপক্ষে ৫০ শতাংশ কম সময় লাগবে। আগে সড়ক পথে দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগত প্রায় ১ দিনের মত, ২৪ ঘণ্টা। নতুন রাস্তাটি খুলে গেলে সেটা নেমে আসবে ১২ ঘণ্টায়! তার মানে, এই পথে ১০-১২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।

    এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

    দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েটি মোট ছটি রাজ্যের মধ্যে দিয়ে যাবে। সেই রাজ্যগুলি হল দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট ও মহারাষ্ট্র। আবার এটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহরকেও নতুন করে যুক্ত করবে। যেমন–কোটা, ইন্দোর, জয়পুর, ভোপাল, ভদোদরা, সুরাট। এছাড়াও এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এয়ারপোর্টে পৌঁছনো হয়ে যাবে আগের থেকে সহজ। যুক্ত করবে ১৩টি বন্দরকে। আসন্ন গ্রিন ফিল্ড এয়ারপোর্ট, যেমন জেওয়ার এয়ারপোর্ট বা নাভি মুম্বই এয়ারপোর্টে পৌঁছনোটাও এর ফলে সহজ হয়ে উঠবে।

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি এই এক্সপ্রেস কিছু ছবি ও ভিডিও ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন৷ মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়েছে৷ অনেকেই গড়কড়ির সেই ট্যুইট রিট্যুইট করেছেন৷ সেই তালিকায় রয়েছেন আনন্দ মাহিন্দ্রাও৷

  • Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংক্রান্ত অগ্রগতিতেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায়, গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে ভারতের সড়ক পরিকাঠামো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হবে।

    কী বলেন নিতিন? 

    এফআইসিসিআই- এর ৯৫ তম বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে নিতিন গড়কড়ি বলেন, “আমরা দেশে বিশ্বমানের সড়ক পরিকাঠামো তৈরি করেছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে আমাদের সড়ক পরিকাঠামো আমেরিকার সমান মানের হবে।” পাশাপাশি, লজিস্টিকের খরচের বিষয়ে, নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটি ৯ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।” 

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী (Nitin Gadkari) বলেন, “আমাদের লজিস্টিক খরচ একটা বড় সমস্যা। বর্তমানে এই খরচ ১৬%। তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ আমরা সেই খরচ ৯ শতাংশে নামিয়ে আনব।” মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা অন্যান্য বিকল্পগুলি গ্রহণ করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি। আমরা জানি যে নির্মাণ শিল্প কেবল পরিবেশ দূষণই ঘটায় না বরং বিশ্বের ৪০ শতাংশেরও বেশি পণ্য ও সম্পদ ব্যবহার করে।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, মৃত্যু ৪০ জনের   

    নিতিন (Nitin Gadkari) বলেন, “আমরা সম্পদের ব্যয় কমানো এবং নির্মাণের মান উন্নত করার দিকে নজর দিচ্ছি। সিমেন্ট এবং ইস্পাত নির্মাণের প্রধান উপকরণ। তাই আমরা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি।”  

    তিনি (Nitin Gadkari) আরও বলেন, “বর্তমানে ভারত নিজেকে শক্তি রপ্তানিকারক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। সবুজ হাইড্রোজেন অদূর ভবিষ্যতে শক্তির একটি প্রধান উৎস হবে। এই সবুজ হাইড্রোজেন ভবিষ্যতে বিমান চলাচল, রেলপথ, সড়ক পরিবহণ, রাসায়নিক এবং সার শিল্পে শক্তির একটি প্রধান উৎস।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

       

  • Gujarat Oath: আজ গুজরাটে মেগা শপথ! থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

    Gujarat Oath: আজ গুজরাটে মেগা শপথ! থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে টানা সপ্তমবারের জন্য সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। আজ, সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel)। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আজ গান্ধীনগরে চাঁদের হাট।

    কে কে থাকছেন

    বিজেপি সূত্রে খবর, গান্ধীনগরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। বিজেপি শাসিত রাজ্য ও জোট সঙ্গী রাজ্যের ২০ জন মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন এই মেগা শো-য়ে। তালিকায় রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, হরিয়ানার মনোহর লাল খট্টর, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহান, কর্ণাটকের বাসবরাজ বোম্মাই, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং তাঁর উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। এছাড়াও ভূপেন্দ্র প্যাটেলের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ২০০ জন সন্ন্যাসীর উপস্থিত থাকার কথা। বিজেপি প্রধান জেপি নাড্ডা, প্রবীণ নেতা বিএল সন্তোষ থাকতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    শপথ অনুষ্ঠান

    গুজরাটে রেকর্ড গড়ে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫৬টি আসনে জয়ী হয় বিজেপি। সাধারণত নির্বাচনের আগে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম তুলে ধরে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই সমস্ত জায়গায় বিজেপির মুখ হিসাবে তুলে ধরা হয়। গুজরাট ভোটের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে আগেই  ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে মসনদে ফিরলে ভূপেন্দ্র প্যাটেলই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও নির্বাচনী প্রচারে ‘নরেন্দ্র-ভূপেন্দ্রের ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর পক্ষে সওয়াল করেন। সকলের বিশ্বাস অর্জন করেই রেকর্ড আসনে জয় পায় গেরুয়া শিবির। আজ, দুপুর ২টোয় গান্ধীনগরের হেলিপ্যাড ময়দানেই শপথ নেবেন ভূপেন্দ্র। মেগা শপথগ্রহণের জন্য  তিনটি বিশাল মঞ্চ থাকবে। মধ্যের প্ল্যাটফর্ম হবে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার জন্য। বাকি দুটি করা হয়েছে অতিথিদের জন্য। মূল মঞ্চের ডানদিকের প্ল্যাটফর্মে প্রধানমন্ত্রী ও ভিভিআইপিদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। বাম দিকে  রাজ্যের ২০০ জন সাধু বসবেন, যাদের অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

LinkedIn
Share