Tag: nizam palace

nizam palace

  • Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হল কালীঘাটের কাকুকে। এবার জেরার জন্য প্রস্তুত সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হেলন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। তবে যেহেতু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তাই চিকিৎসকদের যাবতীয় পরামর্শ মেনেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন সুজয় (Kalighater Kaku)

    জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর রাতে নিয়মমতো খাবার এবং ওষুধ খেয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গায়ে কালো রঙের সাল চাপিয়ে হুইল চেয়ারে বসে নিজাম প্যালেসে ঢুকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। এদিন সকালে ফের একবার তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় নিয়ম মেনে। অপর দিকে কালীঘাটের কাকুকে জেরা করার জন্য নথিপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআইয়ের অফিসাররা। আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই (CBI) হেফাজতে থাকবেন সুজয়। যেহেতু হাতে সময় কম, তাই তড়িঘড়ি করে তদন্তে নেমে পড়েছে তদন্তকারী দল। শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন এবং তথ্য জানার ছিল। এখনও অনেক প্রশ্ন বাকি রয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই সেই প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    সিবিআই কী কী জিজ্ঞাসাবাদ করবে?

    সিবিআই (CBI) অফিসাররা যা জানতে চাইতে পারেন, তা হল, প্রাথমিক মামলায় যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ওই টাকা পৌঁছেছে? মোট কতজন এজেন্ট টাকা তুলেছেন? তাঁদের কারা নিয়োগ করেছেন। কোন কোন জায়গা থেকে টাকা তোলা হয়েছে? তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অযোগ্যদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন এজেন্টরা। আর সেই টাকা পৌঁছে দেওয়া হতো কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) কাছেই। তবে এখনও জানা যায়নি কালীঘাটের কাকুর কাছে যে টাকা আসত তা তিনি কোথায় দিতেন।

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকেই গ্রেফতার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে। এরপর এই জেল থেকেই ভার্চুয়াল ভাবে আদলাতে পেশ করা হয়। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁকে জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়ক তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ ইতিকে ফের তলব সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়ক তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ ইতিকে ফের তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের সিবিআই-এর তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকার।  নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ইতিকে তলব করেছে সিবিআই।  নদিয়া জেলার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ ইতি আগেও গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছিলেন। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    কেন তলব ইতিকে

    বৃহস্পতিবার তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত ইতিকে সমন পাঠিয়েছে সিবিআই। কেন তাঁকে তলব করা হল তা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। অর্থের বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার মামলাতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে ইতিকে। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা মূলত চাকরি সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও তাপস সাহার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি জানতে চান। ইতি দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন সরকারি স্কুলে স্কুলের পোশাক সরবরাহের ব্যবসায় যুক্ত। এর পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও করে থাকেন। তাঁকে জেরা করে সিবিআই (CBI) কোনও নতুন তথ্যের সন্ধান করতে চাইছে বলেই অনুমান।

    আরও পড়ুন: নিজস্ব পেমেন্ট অ্যাপ চালু করল ফ্লিপকার্ট! জানেন কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    তাপসকে জেরা

    গত শুক্রবারই নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় তাপসকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে। সেই দিন তাপসের কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করে সিবিআই। তার সাত দিনের মধ্যেই তাপস-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রীকে তলব করায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথমবার তাপস সাহাকে সঙ্গে নিয়েই ইতি সরকারের বাপের বাড়ি বেতাইয়েরই কাছের বিআর আম্বেদকর কলেজে তল্লাশি চালিয়েছিল গোয়েন্দারা। তল্লাশি চলেছিল তাপসের বাড়িতেও। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখনও জেলেই রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্য, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যরা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও বেশ কয়েকজন ‘বড় নাম’-কে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তলব করতে পারে খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sujit Bose: সিবিআই দফতরে দেখা মিলল না সুজিত বসুর, কী যুক্তি দিলেন মন্ত্রীমশাই?

    Sujit Bose: সিবিআই দফতরে দেখা মিলল না সুজিত বসুর, কী যুক্তি দিলেন মন্ত্রীমশাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁকে সিবিআই তলব করেছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা নাকি সম্পূর্ণ ভুয়ো। বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন গত ২৪ অগাস্ট দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose) খবর পেয়েছিলেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে সিবিআই ‘তলব’ করেছে। তার কিছুক্ষণ পরেই বিবৃতি দিয়ে সুজিত ঘোষণা করেন, সিবিআইয়ের তরফে কোনও তলবি চিঠি তিনি নাকি পানইনি।

    সুজিতের দাবি, চক্রান্ত

    বৃহস্পতিবারই ছিল ৩১ অগাস্ট। এদিন দুপুরে নিজের ক্লাব শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে সুজিত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি কোনও সিবিআইয়ের চিঠি পাননি। সুজিত সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘আমি এ রকম কোনও নোটিসই পাইনি। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের একাংশ থেকে ধারাবাবিক ভাবে বলা হচ্ছে, আমাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আমি মানসিক ভাবে আহত।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই যে র‌্যাগিং নিয়ে এত কথা হচ্ছে, আমার সঙ্গে যেটা হচ্ছে সেটাও র‌্যাগিং। একটা ভুয়ো খবরকে বার বার বলা হচ্ছে।’’

    গত সপ্তাহে সিবিআই সূত্রে জানা যায়, ৩১ অগাস্ট সকাল ১১টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে মন্ত্রীমশাইয়ের হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন নির্দিষ্ট সময় হাজির হননি তিনি। এর পরই তিনি আদৌ হাজির হবেন কি না তা নিয়ে জল্পনা ছড়ায়। এরই মধ্যে বেলা দেড়টা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে সুজিত বসু জানান, তিনি সিবিআইয়ের কোনও নোটিসই পাননি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তের জাল গুটিয়ে আনছে ইডি, নোটিশ ১২টি পুরসভাকে

    সুজিতের আমলেই দুর্নীতি

    সুজিত এক সময়ে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তখনই এই পুর দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের পাশাপাশি তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-ও। ইডি সূত্রে খবর, যে ১২টি পুরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে তারা নথি চেয়ে পাঠিয়েছে, তার মধ্যে দমদম, কামারহাটি, পানিহাটির মতো কলকাতা সংলগ্ন একাধিক পুরসভাও রয়েছে। ইডি ওই পুরসভাগুলির কর্তৃপক্ষকে বলেছে, ২০১৪ সাল থেকে সমস্ত নিয়োগের তথ্য পাঠাতে। এক সপ্তাহের মধ্যে ওই তথ্য এবং যাবতীয় নথি পাঠাতে হবে বলে নোটিসে জানিয়েছে ইডি। সিবিআইয়ের নোটিস দেওয়ার খবর নিয়ে বলতে গিয়ে এদিন সুজিতের দাবি, ‘এই খবর ছড়ানোর পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে। কালি ছেটানোর চেষ্টা হচ্ছে। কে বা কারা জড়িত রয়েছে, সেটাই তদন্ত করে দেখতে হবে। দোষীদের শাস্তি হোক।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মলয় পিটকে জেরা সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মলয় পিটকে জেরা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) ফের সক্রিয় হল সিবিআই। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার সিবিআই দফতরে আসেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী মলয় পিট (Malay Pith)। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগেও একাধিক বার বোলপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের কর্ণধার মলয়কে ডাকা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। 

    কেন জিজ্ঞাসাবাদ মলয়কে

    সিবিআই সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ১১টার নাগাদ নিজাম প্যালেসে আসেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী মলয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় মিডলম্যানের কাজ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বুধবার মলয়কে তলব করা হয়েছিল। মলয় একাধিক বিএড কলেজের সঙ্গে যুক্ত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য পেয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। সেই সব তথ্য সামনে রেখেই বুধবার মলয়কে জেরা করে সিবিআই। সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার গোয়েন্দারা তাঁকে নিজাম প্যালেসের ১৩ তলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন। 

    আরও পড়ুন: জনসভায় মোদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, রাহুলকে ফের সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

    অনুব্রতর (Anubrata Mondal) সঙ্গে যোগ

    অতীতে গরুপাচার মামলাতেও নাম জড়িয়েছিল ব্যবসায়ী মলয় পিটের। তখন সিবিআইয়ের (CBI) জেরার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam)  মামলায় এই প্রথম কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হলেন। বর্তমানে জেলবন্দি বীরভূমের জেলা তৃণমূল (TMC) সভাপতি অনুব্রত ওরফে কেষ্টর সঙ্গে মলয়ের ঘনিষ্ঠতার কথা অনেকেই জানেন। শোনা যায়, অনুব্রত (Anubrata Mondal) যে গাড়িতে চেপে ঘুরতেন, সেটিও এই ব্যবসায়ীর নামেই ছিল। প্রসঙ্গত, বীরভূম জেলার বড় ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ নামডাক আছে মলয়ের। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ১০ বছরে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে তাঁর। রাজ্যে প্রচুর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসাতেও প্রতিপত্তি বেড়েছে মলয়ের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ‘‘তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি, আপনাদের কিছু বলব না’’! মেজাজ হারালেন ‘কালীঘাটের কাকু’

    SSC Scam: ‘‘তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি, আপনাদের কিছু বলব না’’! মেজাজ হারালেন ‘কালীঘাটের কাকু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও কুন্তল তো কখনও তাপস, নিয়োগ দুর্নীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই এর ওর মুখে উঠে আসছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের নাম। বুধবার অবশেষে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছিল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। এদিন তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। সূত্রের দাবি, গোটা ছয়েক কোম্পানি রয়েছে তাঁর নামে। আরও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতর থেকে বেরোন ‘কালীঘাটের কাকু’।

    টানা ৩ ঘন্টা জেরা

    এদিন সকাল ১১ টায়  সিবিআই দফতরে হাজির হন সুজয়কৃষ্ণ।  টানা ৩ ঘন্টা জেরা চলার পর তিনি বাইরে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি পড়েন এবং তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে মেজাজ হারান সুজয়কৃষ্ণ। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি দাবি করেন যে, তাঁর কাছে সিবিআইয়ের তরফে কোনও নোটিস যায়নি। তাঁকে আবার তদন্তকারীরা ডেকে পাঠিয়েছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমাকে আবার ডাকা হয়নি।”  তিনি কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছেন কিনা? প্রোমোটিংয়ের টাকা কোথা থেকে আসে? এইসব প্রশ্ন শুনে বিরক্ত হন সুজয়। তিনি বলেন,“হ্যাঁ, আমি সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি। আপনাদের কিছু বলব না।”

    কুন্তল, শান্তনুকে চিনি

    উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অনেকেই দাবি করেন, কুন্তল ঘোষের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের যোগ ছিল। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের মুখে শোনা গিয়েছিল ‘কালীঘাটের কাকু’র কথা। সেই কুন্তল এবং বলাগড়ের আর এক যুবনেতা শান্তনুকে তিনি চেনেন বলে জানান সুজয়।  তাঁর কথায়, “আমি অন্তত ৪০ বার বলেছি কুন্তল, শান্তনুকে চিনি। রাজনৈতিক যোগসূত্রে চিনি।” নিয়োগ দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে গিয়েছে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে সুজয় বলেন, ‘‘টাকা নিয়েছি কি না ওঁরা (তদন্তকারী) আমায় জিজ্ঞাসা করেছে। নিলে ওঁদের বলতাম।”

    আরও পড়ুন: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নোটিস পাঠানো হয়। তিনি বলেন, ‘‘কাল সন্ধ্যাবেলা নোটিস পেয়েছি। বাড়িতে স্ত্রী অসুস্থ। তা-ও এসেছি। তার পরেও বলবে সহযোগিতা করছি না, আর কী বলব!’’ প্রথম বার গোপাল দলপতি সুজয়ের নাম করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কুন্তল ঘোষ বার বার কালীঘাটের কাকুর কাছে টাকা পাঠানোর কথা বলেছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তে বার বার সুজয়ের নাম উঠে এসেছে। তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে তলব করা হল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Chandan Mondal: হঠাতই উদয় ‘চন্দন’ এর! নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই জেরার জন্য নিজাম প্যালেসে বাগদার রঞ্জন

    Chandan Mondal: হঠাতই উদয় ‘চন্দন’ এর! নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই জেরার জন্য নিজাম প্যালেসে বাগদার রঞ্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Primary Teacher Recruitment Scam) সিবিআই জেরার সামনে চন্দন মণ্ডল (Chandan Mondal) ওরফে বাগদার রঞ্জন। শনিবার বেলা ১১টা নাগাদ আইনজীবীদের নিয়ে নিজাম প্যালেসে পৌঁছন তিনি। নিজাম প্যালেসে ঢোকার মুখে এদিন সরাসরি সিবিআইয়ের প্রাক্তন কর্তা উপেন বিশ্বাসের (Upen Biswas) নাম করে তিনি বলেন, ‘কাউকে চাকরি দিইনি। ভোটে উপেন বিশ্বাসকে সাহায্য না করায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’

    কী বললেন চন্দন

    ২০২১ সালের ২১ এপ্রিল প্রাক্তন সিবিআই কর্তা তথা বাগদার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক উপেন বিশ্বাসের মুখে উঠে আসে চন্দন মণ্ডলের নাম। চন্দনকে ‘বাগদার রঞ্জন’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোটা টাকার বিনিময়ে বহু মানুষকে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন চন্দন। এমনকী তাঁর সততার প্রশংসা করে তিনি বলেন, চাকরি না দিতে পারলে টাকা ফেরত দিয়েছেন তিনি। এর পরই আদালতে ওঠে বিষয়টি। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে চন্দনের বিরুদ্ধে FIR করে সিবিআই। এর পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিকবার তলব করা হয়। কিন্তু এতদিন চন্দনকে সামনে আসতে দেখা যায়নি। শনিবার সেই চন্দনই এলেন নিজাম প্যালেসে। বললেন, ‘আমি সহায়তা করতে এসেছি। আমাকে উনি (পড়ুন উপেন বিশ্বাস) ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন। যেহেতু উনি ওখানকার বিধায়ক ছিলেন। নির্বাচনের সময় ওনাকে সাহায্য করিনি তাই।’

    আরও পড়ুুন: ভাঙড়ে শাসক-আইএসএফ সংঘর্ষ, ইটের ঘায়ে মাথা ফাটল তৃণমূল কর্মীর

    টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও এই মামলায় মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে যে তাঁর পরিচয় রয়েছে সে কথা স্বীকার করেন চন্দন। কীভাবে চিনলেন প্রসন্নকে? সেই প্রশ্নের উত্তরে চন্দন বলেন, ‘উনি আমার সঙ্গে ব্যবসা করতেন তাই চিনি।’ তবে কী ধরনের ব্যবসা করতেন তাঁরা, সেবিষয়ে খোলসা করেননি ‘রঞ্জন’। এর আগে একবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে হাজির হন চন্দন। সেদিন তিনি দাবি করেছিলেন, কোনও টাকা তিনি নেননি। কোনও চাকরিও দেননি। তিনি জানান, একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে তদন্তে সহযোগিতা করতে এসেছেন। তবে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে কারা যুক্ত সেব্যাপারে কোনও ধারণা নেই তাঁর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Anubrata Mondal: অন্যদের গুড়-বাতাসা খাওয়াতেন! সিবিআই হেফাজতে কী খেলেন কেষ্ট?

    Anubrata Mondal: অন্যদের গুড়-বাতাসা খাওয়াতেন! সিবিআই হেফাজতে কী খেলেন কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে’ স্লোগান। কিন্তু সেই খেলার পরিণতি যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে তা হয়ত ভাবতেই পারেননি কেষ্ট। তাই কী এখন চুপ করে গিয়েছেন তিনি। শুধুই সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি তো বুঝতেই পারেননি, যে বীরভূমে নিজের একছত্র আধিপত্য গড়ে তুলেছিলেন সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করবে সিবিআই। তাঁর গড় থেকেই আটক হবেন তিনি। বৃহস্পতিবার সারাদিন ধকল সামলে রাত ২.৪৫ মিনিটে দীর্ঘ সাড়ে সাত ঘণ্টা যাত্রার পর নিজাম প্যালেসে পৌঁছন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ক্লান্ত কেষ্ট।

    সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাতে নিজাম প্যালেসে ঢুকে ‘ফ্রেশ’ হয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। ১৫ তলায় অফিসারদের একটি ঘরে রাখা হয়েছে অনুব্রতকে। ঘরে একটি ক্যাম্প খাটে গদি পেতে শুতে দেওয়া হয়। ঘুম ভাঙে সকাল নটার পর। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চা বিস্কুট খান অনুব্রত। একদা সকলকে গুড়-বাতাসা খাওয়ানো বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার এখন দিন শুরু হচ্ছে চা-বিস্কুট দিয়ে। বীরভূমকে বিরোধী-শূন্য করতে গিয়ে আজ তিনি নিজেই সিবিআই হেফাজতে। তিনি তো দূরের কথা তাঁর অনুগামীরাও এই দিন দেখতে হবে ভাবেননি।

    বৃহস্পতিবার গরু-পাচার কাণ্ডে বীরভূমে অনুব্রতের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল রাতে নিজাম প্যালেসে আসার পর কিছু হাল্কা খাবার দেওয়া হয় তাঁকে। সময় মেনে ওষুধও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুর্দিনে পাশে নেই দল, তাই কি কেষ্টর চোখে জল?

    শুক্রবার সকাল থেকেই জেরা শুরু করা হয়েছে অনুব্রতকে। অভিযোগ, বীরভূমকে পাচারের ট্রানজিট রুট হিসাবে ব্যবহার করেছেন অনুব্রত। সিবিআই জানতে চায়, কীভাবে গরু পাচারে মদত দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল? বিনিময়ে কত টাকা নিয়েছেন? সিবিআই অনুব্রতর কাছে জানতে চাইতে পারে, ইলামবাজারের গরুহাটের কথা। শেখ লতিফের কথা উঠে এসেছে ইতিমধ্যেই। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের মোবাইল ফোনে বার বার পাওয়া গিয়েছে এই শেখ লতিফ ও এনামুল হকের ফোন নম্বর। শেখ লতিফ ও এনামুল হকের সঙ্গে সায়গল হোসেনের যোগাযোগ কেমন, সেই বিষয়ে কতটা জানতেন অনুব্রত, তাই নিয়ে আজ অনুব্রতকে জেরা করতে পারে সিবিআই। এছাড়াও, অনুব্রত মণ্ডল সরাসরি শেখ লতিফ ও এনামুল হকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেন কি না, কেন গরু পাচারের টাকা তাঁর নাম করে আসত এই সমস্ত বিষয়ে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অনুব্রত মণ্ডল কি তদন্তে সহযোগিতা করবেন?

    আরও পড়ুন: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যে হেফাজত, রাতেই নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    অন্যদিকে, জেরার সময় অনুব্রতর মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য আলিপুর কমান্ড হাসপাতালকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে । দুপুরে বা বিকেলের পরে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁকে পাঠানো হতে পারে হাসপাতালে । পাঠানো হয়েছে কোর্টের নির্দেশনামার প্রতিলিপি। সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন অনুব্রতর আইনজীবীকে তাঁর সঙ্গে ৩০ মিনিটের জন্য দেখা করতে দেওয়া হবে।

  • Coal Smuggling: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    Coal Smuggling: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক সওকত মোল্লাকে (Saokat Molla) তলব করল সিবিআই (CBI)। এই মর্মে, বিধায়কের কাছে বৃহস্পতিবারই হাজিরার নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    সূত্রের খবর, আগামীকাল, অর্থাৎ শুক্রবার সকাল ১১টায় কলকাতায় নিজাম প্যালেসে (NIzam Palace) সিবিআইয়ের আঞ্চলিক দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে সওকতকে। জানা গিয়েছে, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ককে তাঁর পাসপোর্ট, আধার কার্ড থেকে শুরু করে প্যান কার্ড ও ভোটার কার্ড নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া, তাঁর ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টও, বিধায়কের নামে কোনও কোম্পানি থাকলে তারও সমস্ত নথিও আনতে বলা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে এর আগে যাদের জেরা করেছিল সিবিআই তাদের কাছ থেকে সওকত মোল্লার নাম মিলেছে। সেই সূত্রেই তার কোম্পানি জড়িত বলে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই তথ্যের সঙ্গে সওকত মোল্লার বক্তব্য মিলিয়ে দেখতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    সাম্প্রতিককালে, বিভিন্ন মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC teachers recruitment scam) মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং পরেশ অধিকারীকে (Paresh Adhikary) তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। আবার, গরুপাচার মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডলকেও (Anubrata Mandal) জেরা করেছে সিবিআই। 

    দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ কয়লাপাচার কান্ডের তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। এই তদন্তে নাম জড়িয়েছে একাধিক তৃণমূল হেভিওয়েটের। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সওকত মোল্লাকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠাল সিবিআই। এর আগে, এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে (Rujira) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ফের তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

     

  • Coal Smuggling Case: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Coal Smuggling Case: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কলকাতায় (Kolkata) জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইডি (ED) আধিকারিকদের সবরকম সুরক্ষা দিতে হবে কলকাতা পুলিশকে (Kolkata Police)। রাজ্য সরকার (Mamata government) ইডি  আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। কয়লা পাচারকাণ্ডে (coal smuggling case) তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার (Rujira) আবেদনের ভিত্তিতে জানালো সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু, কখন কোথায় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক-রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়, তা ৭২-ঘন্টা আগে রাজ্য সরকারকে জানাতে হবে। 

    এর আগে বিচারপতি ইউ ইউ ললিত, এস রবীন্দ্র ভাট এবং সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ ইডির কাছে জানতে চায়, তৃণমূল সাংসদের দাবি মেনে কলকাতায় অভিষেক ও রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে অসুবিধা কিসের? তখন ইডির পক্ষ থেকে নারদকাণ্ডে (narada case) সিবিআইয়ের (CBI) তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

    ২০২১-এর ১৮ মে সিবিআইয়ের রিজিওনাল অফিস নিজাম প্যালেস (nizam palace) ঘেরাও করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা। যেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেন। দাবি জানান, মন্ত্রীদের গ্রেফতার করার আগে তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয় অভিষেক ও রুজিরা “রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী”। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, কয়লা পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কলকাতায় যাওয়া ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে কলকাতা পুলিশকে। রাজ্য সরকার তাঁর দায়িত্ব এড়াতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ইডি আধিকারিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। 

    কয়লা পাচারকাণ্ডে আর্থিক তছরুপ মামলায় তৃণমূল সাংসদ ও তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (Enforcement Directorate)। প্রতিবারই নানা অজুহাতে এড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা।

    শেষপর্যন্ত এবছর মার্চে দিল্লিতেই ইডির মুখোমুখি হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক। কিন্তু সেবারও জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যান, অভিষেক-পত্নী রুজিরা। গত ১১ মার্চ দিল্লি হাইকোর্টে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করেন অভিষেক ও রুজিরা। সাংসদের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। ফলে, ২১ ও ২২ মার্চ ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে, সেবারও জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যান রুজিরা। এরপরই দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান তৃণমূল সাংসদ ও তাঁর স্ত্রী। তারই শুনানি হল বৃহস্পতিবার। তৃণমূল সাংসদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিব্বাল।                                                                                                                                                                                                                                            

LinkedIn
Share