Tag: no confidence motion

no confidence motion

  • Rajya Sabha: ‘সম্মান নষ্টের অভিপ্রায়’! ধনখড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে জানালেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান

    Rajya Sabha: ‘সম্মান নষ্টের অভিপ্রায়’! ধনখড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে জানালেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) সম্মান নষ্ট করতে চেয়ে রাজ্যসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনেন ইন্ডি জোটের সাংসদেরা (Rajya Sabha)। বিজেপিবিরোধী দলগুলির আনা সেই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করা হল। অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করার কারণ হিসেবে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান তথা জেডিইউ সাংসদ হরিবংশ নারায়ণ সিং জানিয়েছেন যে সেখানে ত্রুটি রয়েছে। শুধু তাই নয়, ধনখড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আসলে উপরাষ্ট্রপতির সম্মান নষ্টের অভিপ্রায়ে আনা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান। তাই এত তাড়াহুড়ো করে ইন্ডি জোটের সাংসদরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    উপরাষ্ট্রপতির পদ হল দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ

    প্রসঙ্গত, উপরাষ্ট্রপতির পদ হল দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। নিয়ম অনুযায়ী দেশের উপরাষ্ট্রপতি (Rajya Sabha) সংসদের রাজ্যসভায় অধিবেশন পরিচালনা করেন। সংবিধান অনুযায়ী, অনাস্থার আগে ১৪ দিনের নোটিশ দিতে হয়। এক্ষেত্রে সেটাও করা হয়নি। জানা গিয়েছে, সেই নিয়ম তো মানা হয়ইনি, উপরন্ত ইন্ডি জোটের সাংসদেরা জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) নামের বানানটাও ভুল লিখেছিলেন। চলতি মাসের ১০ তারিখ রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়।

    আরও পড়ুন: লোকসভায় ধস্তাধস্তি! ‘‘রাহুল গান্ধী ধাক্কা মেরেছেন”, বললেন রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ

    সাংবিধানিক পদকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে

    পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের মধ্যে যারা বিরোধিতা দেখায় সেই কংগ্রেস-তৃণমূল উভয়েই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করে। তারা ছাড়াও সমাজবাদী পার্টি সহ বিজেপিবিরোধী সব শরিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব জমা দেয়। তবে এদিন তা খারিজ করে দিলেন ডেপুটি চেয়ারম্যান (Rajya Sabha)। অপসারণের প্রস্তাব খতিয়ে দেখার পর ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবটির মাধ্যমে দেশের সাংবিধানিক পদকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, শুধু তাই নয় বর্তমান উপরাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে এর মাধ্যমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকি পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই চলছিল। যত দিন যাচ্ছে, সেই সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর-সহ একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনলেন ভাইস চেয়ারম্যান। শুধু অভিযোগ নয়, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) বসিরহাট মহকুমার টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি-সহ তৃণমূলের ১২ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন। বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।

    মহকুমা শাসকের দফতরে জমা পড়ল অনাস্থা প্রস্তাব (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) টাকি পুরসভায় মোট আসন সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে ১৪টি আসন তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর ২টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ১৪টি আসনের মধ্যে ১২জন তৃণমূল কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। স্বাভাবিকভাবে চেয়ারম্যান আসন সংখ্যার বিচারে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। ফলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে না পারলে চেয়ারম্যানের সরে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে, অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান কোনও মন্তব্য করতে চাননি। টাকি পুরসভা তৃণমূলের কাউন্সিলারদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল এদিন। বসিরহাট মহকুমা শাসকের দফতরে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করলেন ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক  শরৎ কুমার দ্বিবেদীর দফতরে তা পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বসিরহাট বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘টাকি পৌরসভায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর থেকে চুরি করে সরকারি জমি দখল করা, এমনকী স্বজনপোষণ-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূলের এক পক্ষের বিরুদ্ধে আর এক পক্ষ অনাস্থা এনেছে। এবার আপনারাই ভাবুন এই দলটা কেমন। আমরা চাই, দুর্নীতিমুক্ত টাকি পুরসভা।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jhalda: ঝালদার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Jhalda: ঝালদার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ মেনে ৮ ডিসেম্বর পুরুলিয়ার ঝালদা (Jhalda) পুরসভায় আস্থা ভোট হওয়ার কথা ছিল। জেলা শাসকের উপস্থিতিতে এই ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিলেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এবার সেই ঝালদার পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে।

    কারা অনাস্থা প্রস্তাব আনল? (Jhalda)

    তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঝালদার (Jhalda) পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন সাত পুরপ্রতিনিধি। সাত পুরপ্রতিনিধির সই করা অনাস্থা প্রস্তাবের চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে ঝালদার মহকুমাশাসক এবং পুরুলিয়ার জেলাশাসকের দফতরেও। সাতজনের মধ্যে শাসকদলের পাঁচ পুরপ্রতিনিধি। আর কংগ্রেসের দুই পুর প্রতিনিধি রয়েছেন। তপন কান্দু খুনে শাসক দলের একাংশ জড়িত রয়েছে বলে তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু অভিযোগ করেছিলেন। সেই পূর্ণিমাও এবার অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূলের পুর প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাত মেলানোয় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি পূর্ণিমা। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, যা বলার তা দলীয় নেতৃত্বই বলবেন। কংগ্রেসের পুরপ্রতিনিধি বিপ্লব কয়ালের বক্তব্য, সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার পরে নৈতিকতার খাতিরে পুরপ্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত ছিল। তিনি তা করেননি। হাই কোর্ট জানায়, আস্থা না থাকলে যা করণীয় সেটা পুরআইন অনুযায়ী করতে হবে। আমরাও সেটাই করেছি। অনাস্থাকারীদের অন্যতম ঝালদার প্রাক্তন তৃণমূল পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল বলেন, আলোচনা করেই পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

    পুরপ্রধান কী বললেন?

    অনাস্থা প্রসঙ্গে ঝালদা (Jhalda) পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায় বলেন, সাত জনের সই করা অনাস্থার একটি চিঠি পুরসভার অফিসে জমা পড়েছে বলে শুনেছি। এর বেশি কিছু আমি জানি না।

    পুর প্রধানকে সরাতে মামলা হয় আদালতে

    কংগ্রেস ও নির্দল জোটের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় শীলা পুরপ্রধান হলেও তাতে সিলমোহর দেয়নি রাজ্য সরকার। এনিয়ে আদালতে মামলা হয়। হাই কোর্ট জানিয়েছিল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত শীলার পুরপ্রধান পদে থাকতে সমস্যা নেই। ইতিমধ্যে শীলা ও চার কংগ্রেস পুরপ্রতিনিধি তৃণমূলে যেতেই সমীকরণ বদলায়। তৃণমূলের আদি পাঁচ পুরপ্রতিনিধি শীলাকে পুরপ্রধান হিসেবে মানতে নারাজ। শীলা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন দাবি করে তৃণমূলের ওই পাঁচ পুরপ্রতিনিধি ও কংগ্রেসের দুই পুরপ্রতিনিধি তাঁকে পুরপ্রধান পদ থেকে সরাতে দু’টি পৃথক মামলা করেছিলেন। সেখানে সিঙ্গেল বেঞ্চের একটি রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার জানায়, পুরপ্রধানের প্রতি আস্থা না থাকলে পুরআইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪ সালে প্রত্যাবর্তন করবে বিজেপি (BJP)।” বৃহস্পতিবার অনাস্থা-বিতর্কের জবাবি ভাষণে অংশ নিয়ে একথা বলেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি এবং এনডিএর জন্য শুভ বলেও মনে করেন তিনি।

    “বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছা এবং আশীর্বাদে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। ২০১৮ সালেও আমি তা-ই বলেছিলাম। আসলে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদেরই পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালের শেষেও দেখা গেল ভোটাভুটিতে নিজেদের হাতে থাকা সব ভোট বিরোধীরা পাননি। জনতাও ২০১৯-এ বিরোধীদের ওপর অনাস্থা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। বিজেপি, এনডিএ আগের তুলনায় বেশি আসন পেয়েছিল। অর্থাৎ বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ হয়। আমি (PM Modi) দেখছি এনডিএ এবং বিজেপি পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪-এ জনতার আশীর্বাদ নিয়ে ফেরত আসবে।”

    “বিজেপিকে জিতিয়ে আনার সিদ্ধান্ত”

    তিনি বলেন, “আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এনডিএ এবং বিজেপিকে রেকর্ড ভোটে জিতিয়ে আনবেন।” তিনি বলেন, “এর পর ২০২৮ সালে বিরোধীরা যখন অনাস্থা প্রস্তাব আনবেন, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার তিন নম্বরে থাকবে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা যখন বলি, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে থাকবে, তখন দায়িত্বশীল বিরোধীদের উচিত ছিল কীভাবে তা সম্ভব, সে প্রশ্ন করা। এটাও কী আমাকে শিখিয়ে দিতে হবে?”

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিরোধীদের সমস্যা হল তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে এনডিএর সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ‘আমিত্বে’র ঔদ্ধত্য তাঁদের ছেড়ে যায় না। সেই কারণে ঔদ্ধত্যের প্রতীক হিসেবে তাঁরা এনডিএতে দু’-দুটো ‘আই’ যোগ করেছেন। প্রথম ‘আই’ ২৬ দলের ঔদ্ধত্য, আর দ্বিতীয় ‘আই’ একটি পরিবারের ঔদ্ধত্য। তাঁরা এনডিএকেও চুরি করেছেন। তাঁরা ‘এনডিএ’কে ভেঙে ‘আইএনডিআইএ’ করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই ঔদ্ধত্যের কারণেই তাঁরা বাস্তবটাকে দেখতে পাচ্ছেন না। ১৯৬২ সালে তাঁরা জিতেছিলেন তামিলনাড়ুতে। তারপর থেকে তামিলনাড়ুর বাসিন্দারা বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।” পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা জিতেছিলেন ১৯৭২ সালে। তার থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসী বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’। ১৯৮৫ সালে তাঁরা জিতেছিলেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং গুজরাটে। তার পর থেকে এই তিন রাজ্যের বাসিন্দারাও বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়, তাতে ওঁর দাপট রয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই খোঁচার অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর দিকে। এদিন ছিল অনাস্থা বিতর্কের শেষ দিন। সংসদে এই বিতর্কে অংশ নেন অধীর। অগ্নিবাণ তাক করেন বিজেপির দিকে। অন্য দু’দিন সংসদে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা বিতর্ক শুনলেও, এদিন অধীরের ভাষণ শুরু হতেই সংসদে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মন দিয়ে শোনেন অধীরের বক্তৃতা।

    ছক্কা হাঁকালেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন যে প্রধানমন্ত্রী জবাবি ভাষণ দেবেন, তা ঠিকই ছিল। সেই মতো বলতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই হাঁকান ছক্কা। শান্ত এবং রসিকতার সুরে অধীরকে লক্ষ্য করে একের পর এক গোলা ছুড়তে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস। সেবার বলেছিলেন বিরোধী দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর এবার সব থেকে বড় বিরোধী দলের লোকসভার নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর নাম বলার সূচিতেই ছিল না। কেন অধীরবাবুকে কোণঠাসা করা হল? মনে হয় কলকাতা থেকে কোনও ফোন এসেছিল। আমি অধীরবাবুর প্রতি পূর্ণ সমবেদনা জানাচ্ছি। এটা অমিত শাহের উদারতা যে তিনি অধীরবাবুকে সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস ওঁকে বারবার অপমান করে। অধীরবাবুকে কেন ঠিক মতো কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দেশের মানুষ বারবার আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এজন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ। ঈশ্বর অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি কোনও না কোনও উপায়ে তাঁর ইচ্ছে পূরণ করেন। আমি এটাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করি যে ঈশ্বর বিরোধীদের পরামর্শ দিয়েছেন এবং তাঁরা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। ২০১৮ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় আমি বলেছিলাম যে এটি আমাদের জন্য ফ্লোর টেস্ট নয়, এটি তাদের জন্য একটি ফ্লোর টেস্ট এবং ফলস্বরূপ তারা নির্বাচনে হেরেছে। একভাবে বিরোধীদের অবিশ্বাস আমাদের জন্য ভাল। আজ আমি দেখছি যে আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জনগণের আশীর্বাদে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ এবং বিজেপি আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে ফিরে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: অনাস্থা বিতর্কে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আজ কোন অস্ত্রে বধ বিরোধীদের?

    PM Modi: অনাস্থা বিতর্কে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আজ কোন অস্ত্রে বধ বিরোধীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দুদিন ধরে লোকসভায় চলছে অনাস্থা বিতর্ক। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বাগ্মিতায় তিনি যতটা না মাত দিতে পেরেছেন সরকার পক্ষকে, তার চেয়েও বেশি ফাউল করে ফেলেছেন রাহুল। অভিযোগ, মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ফ্লাইং কিস ছুড়েছেন রাহুল। এ নিয়ে স্পিকারের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন বিজেপির জনা কুড়ি মহিলা সাংসদ।

    সকালে একপ্রস্ত বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    আজ, বৃহস্পতিবার অনাস্থা বির্তকে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি যে রীতিমতো প্রস্তুত হয়েই লোকসভায় যাচ্ছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছে এদিন দিনের শুরুতেই। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও অর্জুন রাম মেঘওয়ালের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত দুদিন ধরে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা-বিতর্ক শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার দেবেন জবাবি ভাষণ। বুধবারই রাজনাথ জানিয়েছিলেন, অনাস্থা প্রস্তাবের জবাবি ভাষণ দিতে ১০ অগাস্ট সংসদে আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

    “শেষ বলে ছক্কা মারব”

    কংগ্রেসের তরফে অনাস্থা প্রস্তাবটি এনেছিলেন গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) মৌনব্রত ভাঙতে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বাধ্য হয়েছিলেন বিরোধীরা।” প্রধানমন্ত্রী যে এদিন ছক্কা হাঁকাবেন, মঙ্গলবার বিজেপির সংসদীয় বৈঠকে  সেই ইঙ্গিত দিয়েই রেখেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “শেষ বলে ছক্কা মারব।” তাই এদিন তিনি কী ছাক্কা মারেন, তা-ই দেখতে মুখিয়ে গোটা দেশ।

    মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়েছিল আগেও একবার, ২০১৮ সালে। তবে সেবার আনা অনাস্থার সঙ্গে এবার আনা অনাস্থার বিস্তর ফারাক। কারণ সেবার বিরোধীরা সংঘবদ্ধ ছিলেন না। এবার তাঁরা গড়েছেন বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন ‘ইন্ডিয়া’র নানা দুর্নীতিকেই নিশানা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব ধোপে টিকবে না। মঙ্গলবার তাই বিজেপি সাংসদদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেই দিয়েছিলেন, “অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল পাঠিয়ে দিতে হবে মাঠের বাইরে।” ৯ অগাস্ট ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের দিন ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, পরিবারতন্ত্র কুইট ইন্ডিয়া, তোষণের রাজনীতি কুইট ইন্ডিয়া।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এদিনও প্রধানমন্ত্রীর তুরুপের তাস হতে পারে ‘কুইট ইন্ডিয়া’র এই তিন ‘মন্ত্র’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও ছুটি না নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশবাসীর নয়, মোদি সরকারের ওপর অবিশ্বাস কেবল বিরোধীদের।” বুধবার সংসদে অনাস্থা বিতর্কে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মোদি সরকারের প্রশংসার পাশাপাশি তিনি আক্রমণ শানালেন বিরোধীদেরও।  

    অনাস্থা বিতর্কে রাহুল

    ২০১৮ সালের পর এবার ফের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেসের পক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন সাংসদ গৌরব গগৈ। সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবার সংসদে যোগ দিয়ে বুধবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তৃতার আগাগোড়াই ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে শানিত আক্রমণ। রাহুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মণিপুরে যাননি, কারণ তিনি এটাকে ভারতের অংশ বলে মনেই করেন না।”

    রাহুলকে নিশানা শাহের 

    এর পর অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়ে নাম না করে রাহুলকে নিশানা করেন শাহ (Amit Shah)। বলেন, “এই হাউসে একজন সাংসদ রয়েছেন, যাঁকে রাজনীতিতে ১৩ বার নামানো হয়েছে। ১৩ বারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। সেরকম এক শুরুর সাক্ষী ছিলাম আমি, যখন তিনি বুন্দেলখণ্ডে কলাবতী নামে এক গরিব মহিলার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি তাঁর জন্য কী করেছিলেন? তাঁকে বাড়ি, রেশন, বিদ্যুতের জোগানও দিয়েছিল মোদি সরকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইউপিএ জমানার কলঙ্কজনক অধ্যায় দেখেছে গোটা দেশ। ইউপিএর চরিত্রটাই দুর্নীতিতে ভরা। এনডিএ সিদ্ধান্তের রাজনীতি করে। মোদি সরকারের ওপর দেশবাসীর অগাধ আস্থা রয়েছে। ইউপিএ জমানার দুর্নীতি সবাই দেখেছে। অনাস্থা ঠেকাতেও নরসিংহ রাওয়ের সময় দুর্নীতি হয়েছিল। নরসিংহ রাওয়ের সময় অনাস্থা ঠেকাতে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময় অনাস্থায় এক ভোটে হেরে গিয়েছিল সরকার। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ী বলেছিলেন, আমরা সংসদের আদেশ মেনে নেব।”

    আরও পড়ুুন: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “মণিপুরে হিংসার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক, সরকার কোনওভাবেই সমর্থন করে না। দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করাটা আরও লজ্জার।” তিনি বলেন, “মণিপুরে বিজেপি সরকারের আমলে একদিনও সেখানে কারফিউ জারি করতে হয়নি। মায়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা রয়েছে। গুজব থেকেই মণিপুরে হিংসার সূত্রপাত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • No Confidence Motion: অনাস্থা বিতর্কে ছক্কা হাঁকাল বিজেপি, মুখে কুলুপ রাহুলের

    No Confidence Motion: অনাস্থা বিতর্কে ছক্কা হাঁকাল বিজেপি, মুখে কুলুপ রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে অনাস্থা নিয়ে আলোচনা (No Confidence Motion)। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে মূল সুরটি বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, “অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে।” সেই মতো এদিন অনাস্থা বিতর্কের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বিজেপি।

    “এটা কোনও অনাস্থা নয়”

    সাড়ে চার মাস পরে এদিন সংসদে এলেও, মুখ খোলেননি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের তরফে প্রথমে মুখ খোলেন সাংসদ গৌরব গগৈ। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেন, “ভুল স্বীকার করতে হবে বলেই মৌন রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।” প্রসঙ্গত, এই গৌরবই নিয়ে এসেছিলেন অনাস্থা প্রস্তাব। গৌরবের পরেই বক্তৃতা করতে ওঠেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। তিনি বলেন, “এটা কোনও অনাস্থা ভোট নয়। এটা আসলে বিরোধীদের আস্থা পরীক্ষার ভোট। বিরোধীরা আসলে দেখতে চান, কে কে তাঁদের সমর্থন করছেন। বিরোধীরা (No Confidence Motion) নিজেদের মধ্যে লড়াই করছেন।” নিশিকান্ত বলেন, “ইন্ডিয়ার যতজন সাংসদ রয়েছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করুন, তাঁদের মধ্যে মাত্র কয়েকজনই এর পুরো নাম বলতে পারবেন। এটা কোনও অনাস্থা নয়। এটা আসলে বিরোধীদের আস্থা পরীক্ষার ভোট।”

    এনডিএর প্রতিবাদ

    অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন সাংসদ কংগ্রেসের মণীশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, “৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের চার বছর পরেও জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করা হয়নি।” এর প্রতিবাদ করেন এনডিএ সাংসদরা। তাঁরা বলেন, “বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই সংসদে এ নিয়ে আলোচনা করা ঠিক নয়।” অনাস্থা (No Confidence Motion) বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির কিরেন রিজিজুও। তিনি বলেন, “মণিপুরে হিংসার জন্য দায়ী ইউপিএ জমানা। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্য কাজ করে আস্থা অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণেই টোকিও অলিম্পিকে সাতটি পদক জিততে পেরেছে ভারত।”

    আরও পড়ুুন: “চিনের কাছে অর্থ নিয়ে ভারতকে ভাগ করতে চায় কংগ্রেস”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কেও নিশানা করেন রিজিজু। বলেন, “ইন্ডিয়া নাম নিলেও, কিছু হবে না। কারণ ওরা কাজ করছে ভারতের বিরুদ্ধে।” উদ্ধব শিবিরের শিবসেনা সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত বলেন, “মণিপুর নিয়ে ৭০ দিন ধরে মৌন ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ওরা মৌন না থাকলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হত না।” এদিকে, বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব (No Confidence Motion) সমর্থন করেনি বিজেডি। দলের সাংসদ পিনাকী মিশ্র জানান, তাঁর দল কংগ্রেস বিরোধী। তাই এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেন না তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে”, অনাস্থা প্রসঙ্গে বললেন মোদি

    PM Modi: “বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে”, অনাস্থা প্রসঙ্গে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একে লোকসভা নির্বাচনের আগে সেমিফাইনাল মনে করুন। অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে।” মঙ্গলবার বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে বাদল অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই হট্টগোল করছেন বিরোধীরা। তার জেরে নষ্ট হয়েছে সংসদের মূল্যবান প্রচুর সময়।

    অনাস্থা প্রস্তাব

    প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন বিরোধীরা। আজ, মঙ্গলবার থেকে সেই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে অনাস্থায় সামান্যতম বিপদের সম্ভাবনাও নেই মোদি সরকারের। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে বিশেষ গুরুত্বও দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে তিনি বলেন, “এই অনাস্থা প্রস্তাব আমাদের বিরুদ্ধে নয়, বরং বিরোধীদের নিজেদের মধ্যে যে অবিশ্বাস রয়েছে, তার জন্যই এই প্রস্তাব। লাস্ট বলে যেভাবে ছক্কা হাঁকানো হয়, এটা বিরোধীদের কাছে সেই সুযোগ বলেই মনে করুন।”

    লোকসভা নির্বাচনের আগে সেমিফাইনাল

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “একে লোকসভা নির্বাচনের আগে সেমিফাইনাল মনে করুন। অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে। এই বিরোধী জোট হল ঔদ্ধত্যের জোট। বিরোধীদের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস রয়েছে।” বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিশানা করার নিদান দেন বলে সূত্রের খবর। দুর্নীতি, পরিবারবাদ এবং তুষ্টিকরণকে হাতিয়ার করতে বলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীদের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। নিজেদের বাধ্যবাধকতা থেকেই জোট করেছে বিরোধীদলগুলি।”

    আরও পড়ুুন: ধনখড়ের সঙ্গে তুমুল বিতণ্ডা, বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

    প্রসঙ্গত, মণিপুর ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে ২৬ জুলাই অনাস্থা প্রস্তাব আনেন লোকসভার সাংসদ গৌরব গগৈ। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন স্পিকার ওম বিড়লা। লোকসভার বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির তরফে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য ধার্য করা হয় ৮-১০ অগাস্ট। পরপর দুদিনই আলোচনা শুরু হবে বেলা ১২টায়, চলবে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত। ১০ অগাস্ট ফের হবে আলোচনা। বিকেল ৪টেয় জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। উল্লেখ্য, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এর আগে বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন ২০১৮ সালে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Parliament Monsoon Session: হুবহু মিলে গেল মোদির ‘ভবিষ্যদ্বাণী’! সেই বাদল অধিবেশনেই অনাস্থা পেশ বিরোধীদের

    Parliament Monsoon Session: হুবহু মিলে গেল মোদির ‘ভবিষ্যদ্বাণী’! সেই বাদল অধিবেশনেই অনাস্থা পেশ বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ন’বছরে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই নিয়ে দ্বিতীয় বার। বুধবার বিরোধী দলগুলির জোট ‘ইন্ডিয়া’র হয়ে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ। বিআরএসের হয়ে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস জমা দেন সাংসদ নামা নাগেশ্বর রাও। ইতিমধ্যে এই অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। বিরোধীদের আনা অনাস্থার আবহেই সংসদে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি পুরনো বক্তৃতা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী জানাচ্ছেন যে, ২০২৩ সালে আবারও অনাস্থা প্রস্তাব আনার ‘সুযোগ পাবেন’ বিরোধীরা। ভিডিওটি ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।

    মোদির ‘ভবিষ্যৎ বাণী’ 

    বিজেপির দাবি, ২০১৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে সংসদের বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক চলছিল। সেই সময় মোদি বলেছিলেন, “আমি (আপনাদের) শুভেচ্ছা জানাতে চাই। প্রস্তুত থাকুন, কারণ আপনারা আবার ২০২৩ সালে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সুযোগ পাবেন।” সেই দিনের বক্তব্যে কংগ্রেসের নাম না করেই মোদী বলেছিলেন, “অহঙ্কারের কারণে আপনারা ৪০০ (লোকসভার সাংসদ) থেকে ৪০-এ এসে পৌঁছেছেন।” এই ভিডিওটি তুলে ধরেই বিজেপির তরফে মোদির ‘নির্ভুল অনুমান’-এর প্রশংসা করা হচ্ছে। 

    ভাবতে নারাজ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সংসদের বাদল অধিবেশনেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল চন্দ্রবাবু নায়ডুর তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি)। সেই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছিল কংগ্রেস-সহ কয়েকটি বিজেপি-বিরোধী দল। বিজেপির সংখ্যাধিক্যের জোরে বিরোধীদের আনা প্রস্তাব খারিজ হয়ে গিয়েছিল। সেবারও বিরোধীরা পরাস্ত হয় ৩২৫- ১২৫-এর ব্যবধানে। এবারও একই ঘটনা ঘটবে, দাবি বিজেপির। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব সম্পর্কে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং বিজেপির উপর মানুষের আস্থা রয়েছে। বিরোধীরা আগেও অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন। কিন্তু মানুষ ওদের উচিত শিক্ষা দিয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘শ্যালিকার মত উনিও দেশের বাইরে পালাতে চাইছেন..’, অভিষেককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সংসদীয় বিধি অনুযায়ী লোকসভার স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস গ্রহণ করার ১০ দিনের মধ্যেই তা নিয়ে সংসদে বিতর্কের সূচনা হওয়ার কথা। এ বিষয়ে দিন নির্ধারণের ক্ষমতা এক মাত্র স্পিকারের। কবে কখন এই মর্মে ভোটাভুটি হবে তা নির্ধারিত সময় জানাবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share