Tag: Nobel Peace Prize

Nobel Peace Prize

  • PM Narendra Modi: ‘‘নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নরেন্দ্র মোদি’’, দাবি জার্মান বিনিয়োগকারীর

    PM Narendra Modi: ‘‘নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নরেন্দ্র মোদি’’, দাবি জার্মান বিনিয়োগকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) কি নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize) পাবেন? এই প্রশ্নকে ঘিরে এখন জোর জল্পনা চলছে। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন ৮৮ বছরের জার্মান বিনিয়োগকারী মার্ক মোবিয়াস। সেখানেই তিনি মোদির নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পক্ষে জোরদার সওয়াল করেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে লাগাতার নির্বাচিত হয়ে আসছেন মোদি। তাঁকে নিয়ে একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতাদের মুখেও এই প্রশংসার বাণী শোনা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে এক সেতু বন্ধনের কাজ করছেন মোদি।

    সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারেন মোদি (PM Narendra Modi)

    জার্মান বিনিয়োগকারী মার্ক একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) একজন মহান নেতার পাশপাশি একজন অসাধারণ ব্যক্তি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি শান্তির মধ্যস্থতাকারী হওয়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারেন মোদি। নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize) পাওয়ার যোগ্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক এই পুরস্কারের জন্য নিজেকে প্রমাণ করেছেন মোদি।”

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে শান্তির বার্তা

    উল্লেখ্য, গত আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। ইতিমধ্যে ফুলের মতো সুন্দর এক একটি জনপদ কার্যত যুদ্ধের বলি হয়েছে। আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ভারত দুই দেশের কাছেই আবেদন করেছে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেই বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ১৯৯২ সালে ভারত-ইউক্রেনের কূটনৈতিক বন্ধনের পর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চলতি বছরের অগাস্টে ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন তিনি। মিত্র দেশ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উভয় পক্ষের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে শান্তির বার্তা দেন মোদি। ফলে এই পরিস্থিতিতে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gandhi Jayanti 2024: পাঁচবার মনোনয়নেও পাননি শান্তিতে নোবেল, জানুন গান্ধীজির অজানা কথা

    Gandhi Jayanti 2024: পাঁচবার মনোনয়নেও পাননি শান্তিতে নোবেল, জানুন গান্ধীজির অজানা কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচবার মনোনয়নেও পাননি শান্তি নোবেল পুরস্কার (Nobel Peace Prize)। অথচ, তাঁর নামে বিশ্বজুড়ে রয়েছে ১০১টি রাস্তা। আবার তিনিই পেয়েছেন টাইম ম্যাগাজিনের ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ শিরোপা। তিনি আর কেউ নন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। তাঁর অহিংসার আদর্শ এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে গান্ধীর জন্মদিন ২ অক্টোবরকে (Gandhi Jayanti 2024) আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আসুন জেনে নিই মহাত্মা গান্ধীর জীবনের নানা জানা-অজানা কাহিনি।

    আইনজীবী হিসেবে আন্দোলন শুরু (Gandhi Jayanti 2024)

    দক্ষিণ আফ্রিকার সামন্ততান্ত্রিক দাস প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন দিয়ে নিজের রাজনৈতিক সংঘর্ষময় জীবন শুরু করেছিলেন গান্ধীজি। আইনজীবী হিসেবে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের হয়ে লড়াই করে ছিলেন। এরপর ভারতে এসে পরাধীন ব্রিটিশ ইংরেজ শাসকের বিরুদ্ধে সরব হন। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলনের মূলমন্ত্র ছিল অহিংসা। তাঁর (Gandhi Jayanti 2024) আদর্শের কথা দেশ-বিদেশের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান করা হয়ে থাকে। গোটা বিশ্বকে আন্দোলন, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ভাষা হিসেবে অহিংসা দ্বারা কীভাবে সাফল্য পেতে হয়, সেই ভাবনাকে ভারত থেকে বিশ্বের কাছে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশ্ব তাঁর মতকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণও করেছে। কিন্তু তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার (Nobel Peace Prize) পাননি। তবে একবার-দুবার নয়, পরপর পাঁচ-পাঁচবার তাঁকে মনোনীত করা হলেও, শেষ পর্যন্ত এই সম্মান প্রাপকের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অবশ্য এই গল্প অনেকের কাছেই অজানা।

    বিশ্বজুড়ে রয়েছে ১০১টি রাস্তা তাঁর নামে

    গুজরাটের পোরবন্দর এলাকায় ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী (Gandhi Jayanti 2024)। ভারত তথা বিশ্বের যে কোনও স্থানে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং মানবাধিকার হরণ হলে অহিংসার পথে আন্দোলনে নেমেছেন তিনি। নিপীড়িত, শোষিত মানুষের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সব সময় অধিকার নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ঔপনিবেশিক পরাধীন ভারতেকে মুক্ত করতে একাধিক স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বদেশী আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলন, আইন অমান্য আন্দোলন, লবণ সত্তাগ্রহ আন্দোলন, ভারত ছাড়ো আন্দোলন, অগাস্ট আন্দোলন সহ একাধিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ব্রিটিশ সরকার একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার পর্যন্ত করেছিল। এমনকী পূর্ণ স্বরাজের দাবিতে আমরণ অনশন পর্যন্ত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “চোখের বদলে চোখ নিলে গোটা বিশ্বটাই একদিন অন্ধ হয়ে যাবে।” তাঁর জন্মদিনকে স্মরণে রেখে ইউনাইটেড নেশনস আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। গান্ধীজির নামে বিশ্বজুড়ে রয়েছে ১০১টি রাস্তা। ভারতের বিভিন্ন অংশ জুড়ে ৫৩টি এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আরও ৪৮টি রাস্তা রয়েছে তাঁর নামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিলেন। তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, ফোর্ড মোটরসের কর্ণধার হেনরি ফোর্ড।

    আরও পড়ুনঃ তাঁর আওয়াজই তাঁর পরিচয়! জন্মদিনে স্মরণ ‘নাইটিঙ্গল অফ ইন্ডিয়া’ লতাজিকে

    নানা মহলে সমালোচনা

    তবে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে যেমন ইতিবাচক প্রভাব ছিল তাঁর, ঠিক তেমনিই দেশভাগে নেতিবাচক প্রভাবের কথাও সামালোচকরা করে থাকেন। যদিও দেশভাগের আগে নিজের শরীরকে দুই টুকরোর কথা বললেও শেষ পর্যন্ত নিজের ভাবনায় স্থির থাকতে পারেননি গান্ধী (Gandhi Jayanti 2024)। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট পাকিস্তান এবং ভারত বিভাজন হয়। মুসলিম লিগের লাহোর প্রস্তাবের দ্বিজাতিতত্ত্বের ভাবনাকে শেষ পর্যন্ত পরোক্ষভাবে মান্যতা দিয়েছিলেন তিনি। সশস্ত্র বিপ্লবীদের সমর্থন করেননি। ব্রিটিশদের কাছে তাঁর আবেদনে অনেক বিপ্লবীদের ফাঁসির সাজা মুক্ত হয়ে যেতে পারত। কিন্তু সদর্থক ভূমিকা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে, দেশভাগের পর পাকিস্তানের সংখ্যালঘু হিন্দুদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে পারেননি তিনি। নেহরুর থেকে বেশি ভোট পেয়েও সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল কেন প্রধানমন্ত্রী হতে পারলেন না, এইসব প্রশ্ন তোলেন সমালোচকরা। অবশেষে ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি গান্ধীজিকে গুলি করে হত্যা করেন নাথুরাম গডসে। তবে বর্তমান সময়ে তাঁর অহিংসার আদর্শ একান্তভাবে প্রয়োজনীয়। তাই তাঁকে এখনও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    PM Modi: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মতো শক্তিশালী নেতাদের মধ্যেই শান্তি স্থাপনের ক্ষমতা থাকে। কথাগুলো যিনি বললেন তিনি আর কেউ নন, তিনি নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি আসলে তোজে (Asle Toje)। সম্প্রতি ভারতে (India) এসেছেন নোবেল প্রাইজ কমিটির সদস্যরা। এই দলে রয়েছেন ওই কমিটির ডেপুটিও। শান্তি স্থাপনে তিনিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Nobel Peace Prize) পক্ষে সওয়াল করেছেন। তোজের কথায় আশায় ভারতবাসী।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ…

    নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ যুদ্ধ থামাতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি কেবল ভারতের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন এমনটা নয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। তোজে বলেন, মোদি ও ভারতের এক পদক্ষেপ বিশ্বের বাকি দেশগুলির অনুসরণ করা উচিত। আগামিদিনে ভারত সুপার পাওয়ার হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি।

    তোজে বলেন, ভারত থেকে নোবেল পিস প্রাইজের জন্য অনেক মনোনয়ন রয়েছে। আমি মনে করি, বিশ্বের সব নেতাই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যা প্রয়োজন, তা করবেন। তিনি বলেন, আমি মোদির (PM Modi) প্রচেষ্টা লক্ষ্য করেছি। মোদির মতো শক্তিশালী নেতার শান্তি প্রতিষ্ঠার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এমন একটি শক্তিশালী দেশ থেকে এসেছেন, যাকে বিশ্বের দরবারে খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি বলেন, ভারতীয়দের মধ্যে এক অপরিসীম ক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে। আশা করি, ভয়ানক যুদ্ধ থামাতে এই বিশ্বাসযোগ্যতা ও শক্তি ব্যবহার করবে ভারতীয়রা।

    আরও পড়ুুন: শিল্প বৈঠকে বিপুল কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, বাস্তবে হবে কি?

    ফি বছর নরওয়ের নোবেল কমিটি আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরস্কারের সঙ্গে সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়। তামাম বিশ্ব থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হয় প্রতি বছর। ২০০২ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। পেয়েছিলেন আর এক প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ২০০১ সালে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব কোফি আন্নান পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। ১৯৯৭ সালে পেয়েছিলেন মাদার টেরেসা। ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী। এবার বিবেচনায় চলে এল মোদির নাম।

    গত বছরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মোদি (PM Modi) বলেছিলেন, এটা যুদ্ধের যুগ নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে আপ্লুত হয়েছিল তামাম বিশ্ব। সেই কারণেই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তোজেও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, এখন যুদ্ধের সময় নয়, শান্তির সময়। নোবেল কমিটির ডেপুটি বলেন, বিশ্বের উচিত ভারতের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nobel Peace Prize 2022: নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন বেলারুশের মানবাধিকার কর্মী আলেস বিলিয়াতস্কি ও রাশিয়া-ইউক্রেনের সংগঠন

    Nobel Peace Prize 2022: নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন বেলারুশের মানবাধিকার কর্মী আলেস বিলিয়াতস্কি ও রাশিয়া-ইউক্রেনের সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর কাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize 2022) দেওয়া হবে, তাঁর নাম ঘোষণা করা হল। এবার যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন বেলারুশের মানবাধিকার কর্মী তথা আইনজীবী আলেস বিলিয়াতস্কি (Ales Bialiatski), রাশিয়ান মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল (Russian Human Rights organization Memorial) এবং ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিস (Center for Civil Liberties)। এবার ব্যক্তিদের সঙ্গে সংস্থাকেও শান্তি প্রচারে প্রচেষ্টার জন্য এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। শুক্রবার নোবেল কমিটির তরফ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

    নাম ঘোষণা করতে গিয়ে এদিন নোবেল কমিটির তরফে বলা হয়েছে, “এই তিন পুরস্কার প্রাপক বিশ্বের দরবারে তাঁদের দেশের সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন করার অধিকারকে বারবার সমর্থন করেছেন এই তিন প্রাপক। সেই সঙ্গে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করতেও লাগাতার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তাঁরা। যুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষের দুর্দশার কথা যথাযথভাবে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন। শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় সাধারণ মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য, সেই বিষয়টি বারবার তুলে ধরেছেন তাঁরা।”

    আলেস বিলিয়াতস্কি বেলারুশে গণতন্ত্র আন্দোলনের অন্যতম সূচনাকারী ছিলেন। গণতন্ত্রের প্রচার, শান্তিপূর্ণ উন্নয়নে তিনি তাঁর সারা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। যার জন্য তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থা ‘সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিস’ ইউক্রেনে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। ইউক্রেনের নাগরিক সমাজকে শক্তিশালী করতে এই সংগঠনের অবদান অপরিসীম। ইউক্রেনকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রে পরিণত করার জন্য কাজও করে চলেছে এই সংগঠন। আবার নোবেল শান্তি পুরস্কারে বিজয়ী হয়েছে রাশিয়ার মানবাধিকার সংস্থাও। মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল ১৯৮৭ সালে প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের মানবাধিকার কর্মীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। ফলে এই মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠন দুটি নিজ নিজ দেশে বহু বছর ধরে ক্ষমতার সমালোচনা করার অধিকার এবং দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রচার করার পাশাপাশি দেশের শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে চলেছে।

LinkedIn
Share