Tag: Nobel Prize

Nobel Prize

  • BJP: ‘হিন্দুদের কসাই’ ইউনূসের নোবেল সন্মান প্রত্যাহারের দাবিতে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ

    BJP: ‘হিন্দুদের কসাই’ ইউনূসের নোবেল সন্মান প্রত্যাহারের দাবিতে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার বাংলাদেশে আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগাম ছাড়া অত্যাচার চলছে। পাশাপাশি চিন্ময়কৃষ্ণ দাস প্রভুর গ্রেফতারি এবং ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা, এই সবকিছু বিষয়ে চুপ সে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস (Md Yunus)। এই আবহের মধ্যে ইউনূসের নোবেল সম্মান প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে নোবেল কমিটিতে চিঠি দিলেন পুরুলিয়ার বিজেপি (BJP) সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। শুধু জ্যোতির্ময় সিং নন, বিভিন্ন মহল থেকে ইউনূসের নোবেল সম্মান ফেরত নেওয়ার দাবি উঠেছে।

    চিঠিতে তিনি কী লিখেছেন?(BJP)

    ইউনূসকে নিয়ে নোবেল কমিটিকে পাঠানো চিঠিটিও বিজেপি (BJP) সাংসদ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ওখানকার হিন্দুদের ওপর অকথ্য অত্যাচার করা হচ্ছে এবং তাঁদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। গণহত্যা থেকে শুরু করে খুঁজে খুঁজে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হানার পাশাপাশি দুর্গাপুজোয় ব্যাঘাত ঘটানো এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’’ চিঠিতে ইউনূসকে ‘হিন্দুদের কসাই’ বলে উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘‘এক সময় সমাজ সংস্কারক হিসেবে সম্মনিত ইউনূসকে এখন অনেকে হিন্দুদের কসাই বলে উল্লেখ করছেন। শুধু তাই নয় নিজের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য ভারত বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন তিনি। তাই, মহম্মদ ইউনূসকে শান্তির জন্য যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতে তা কতটা যথাযথ সেই বিষয়টির পুনর্মূল্যায়ন করা হোক।’’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘নোবেল সম্মান প্রত্যাহার করা যায় না। কিন্তু আপনাদের নৈতিক দায় সেখানে শেষ হয়ে যায় না। আমার আবেদন তাঁর কৃতকর্মের প্রকাশ্যে নিন্দা করা হোক।’’

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছিলেন। মহম্মদ ইউনূসের এই অবদানের জন্য তাঁকে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে ইউনূসের যা অবদান, তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি নোবেল কমিটিকে পর্যালোচনা করে দেখার আবেদন জানান বিজেপি (BJP) সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nobel Prize: অর্থনীতিতে নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন তিন মার্কিন

    Nobel Prize: অর্থনীতিতে নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন তিন মার্কিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অর্থনীতিতে (Economics) নোবেল প্রাইজ (Nobel Prize) পাচ্ছেন তিনজন। সোমবার তাঁদের নাম ঘোষণা করল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। এবার অর্থনীতিতে যাঁদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হবে তাঁরা হলেন, তুরস্ক বংশোদ্ভূত ড্যারন অ্যাসেমোগলু, ইংল্যান্ডের সাইমন জনসন এবং আমেরিকার জেমস এ রবিনসন। এঁরা প্রত্যেকেই আমেরিকার নাগরিক। ড্যারন ও সাইমন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণারত। আর জেমস শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক।

    নোবেল কমিটির বক্তব্য (Nobel Prize)

    নোবেল কমিটির (অর্থনীতি) চেয়ারম্যান জ্যাকব সভেনসন বলেন, “দুই দেশের মধ্যে আয়ের পার্থক্য কমানো এই সময়ের একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই তিন অর্থনীতিবিদ দেখিয়েছেন, সেই অসাম্য দূর করতে সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে। যে সব দেশের সামাজিক রীতিনীতিগুলি শোষণমূলক, সেই সব সমাজ বিশেষ সমৃদ্ধিশালী হয়ে উঠতে পারে না। গবেষণার মাধ্যমে তা-ই দেখিয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। অর্থনীতিতে ২০২৪ সালের নোবেল প্রাপক তিনজনের গবেষণার বিষয় – দেশীয় সমৃদ্ধিতে সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলি কীভাবে তৈরি হয়, সামগ্রিক সমৃদ্ধিকে কীভাবে প্রভাবিত করে, তা নিয়েই গবেষণা করেছেন এই তিন অর্থশাস্ত্রবিদ (Nobel Prize)।

    আরও পড়ুন: হরিয়ানায় ১৭ অক্টোবর শপথ নেবে বিজেপি সরকার, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    কমিটির ব্যাখ্যা

    নোবেল পুরস্কার কমিটির ব্যাখ্যা, যখন ইউরোপিয়রা বিশ্বের নানা দেশে উপনিবেশ বিস্তার করা শুরু করেছিল, তখন সেই সব সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলিতে বদল আসে। সুবিধার জন্য সে সব দেশে নয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলে ইউরোপিয়রাই। কিন্তু দেখা গেল, যে উপনিবেশগুলি সেই সময় সমৃদ্ধ ছিল, সেগুলি এখন দরিদ্র, আর যে উপনিবেশগুলিতে সেই সময় দারিদ্র ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। নোবেল কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, সংঘবদ্ধ সমাজের ক্ষমতা কখনও একচেটিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। এই পরিস্থিতি এড়াতে শাসক নানা স্বল্প মেয়াদি অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেয়। তাই দীর্ঘ মেয়াদি পরিবর্তন হয় না। তখন অসাম্য ঘোচানোর একটাই বিকল্প, সেটা হল, শাসক যদি নিজেই জনগণের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয় (Economics) অর্থাৎ ক্ষমতার হস্তান্তর ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা (Nobel Prize)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nobel Prize 2024: জিনের নিয়ন্ত্রক নিয়ে গবেষণা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পাচ্ছেন অ্যামব্রোস ও রুভকুন

    Nobel Prize 2024: জিনের নিয়ন্ত্রক নিয়ে গবেষণা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পাচ্ছেন অ্যামব্রোস ও রুভকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই বছর নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2024) পেলেন আমেরিকার দুই বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। জীবকোষের মাইক্রো আরএনএ আবিষ্কার এবং জিনের ট্রান্সক্রিপশনের পর কীভাবে তাদের ভূমিকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা নিয়েই গবেষণা করছিলেন এই দুই বিজ্ঞানী। ডায়াবেটিস থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত মানব-শরীরের নানা ধরনের রোগের পিছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জিনই দায়ী। ভিক্টর এবং গ্যারির গবেষণার ফলে জিনের নিয়ন্ত্রক সম্পর্কে বিশদে জানা গিয়েছে। 

    নোবেলজয়ীদের পরিচয়

    সুইডেনের নোবেল অ্যাসেমব্লি অ্যাট ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট সোমবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বছরের নোবেল প্রাপক হিসেবে আমেরিকার দুই বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, এই দুই মার্কিন বিজ্ঞানীর যুগান্তকারী আবিষ্কার জিন নিয়ন্ত্রণের একটি সম্পূর্ণ নতুন নীতির খোঁজ দিয়েছে। এই নীতি বহুকোষী জীবদের জন্য অপরিহার্য। যার মধ্যে মানুষ-ও রয়েছে। পোলিশ বংশোদ্ভূত জীব রসায়নবিদ ভিক্টর আমেরিকার নাগরিক। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তনী। জিন বিশেষজ্ঞ গ্যারি ম্যাসাচুসেটস হাসপাতালের জৈব অনুবিদ্যার গবেষক তথা বোস্টনের হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের জিনবিদ্যার অধ্যাপক। 

    নোবেল জয়ীদের কাজ

    ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি আরও জানিয়েছে, কীভাবে মানুষের ডিএনএর মধ্যে থাকা একই জেনেটিক তথ্য থেকে মানুষের হাড়, স্নায়ু, ত্বক এবং হৃদপিণ্ডের কোষ-সহ বিভিন্ন ধরণের বিশেষ কোষের জন্ম হয়, সেই সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করেছে অ্যামব্রোস এবং রুভকুনের গবেষণা। অভিন্ন জেনেটিক উপাদান থাকা সত্ত্বেও, কীভাবে এই বিভিন্ন টিস্যুগুলি বিকাশিত হয়, সেই জটিল প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করেছে তাঁদের কাজ। আর্থিক পুরস্কার হিসেবে মার্কিন বিজ্ঞানী জুটি ১ কোটি ১০ লক্ষ সুইডিশ ক্রাউন (প্রায় ৯,২৩,৬৭,৫০১ টাকা) পাবেন, যা তাঁদের মধ্যে সমানভাগে ভাগ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন কবিগুরু, প্রকাশ্যে সেই পাণ্ডুলিপি

    Rabindranath Tagore: জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন কবিগুরু, প্রকাশ্যে সেই পাণ্ডুলিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন-গণ-মন’ ইংরেজিতেও লেখা হয়েছিল। আর সেটা লিখেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) স্বয়ং। এই তথ্য অনেকের কাছেই হয়তো অজানা। বৃহস্পতিবার ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সঙ্গীতের একটি পাণ্ডুলিপির ছবি পোস্ট করল নোবেল পুরস্কার কমিটি। পাণ্ডুলিপিটি ইংরেজি ভাষায়। শিরোনাম ‘দ্য মর্নিং সং অফ ইন্ডিয়া’। অর্থাৎ ‘ভারতের প্রভাতী’। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, ওই ইংরেজি পাণ্ডুলিপি আদতে ‘জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটিরই ইংরেজি তর্জমা।

    গানটির ইংরেজিতে অনুবাদ হয় অন্ধ্রপ্রদেশে (Rabindranath Tagore)

    রবীন্দ্র গবেষকেরাই জানাচ্ছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মদনপল্লিতে বিশ্বকবির বন্ধু আইরিশ ভাষার কবি জেমস এইচ কাজিন্স থাকতেন। তিনি ছিলেন সেখানকার বেসান্ত থিওজফিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ। তাঁর আমন্ত্রণে কবি সেখানে গিয়েছিলেন। কবিগুরু (Rabindranath Tagore) তাঁকে গানটি বাংলায় গেয়ে শোনান। পরে, তাঁর অতিথি হয়ে থাকাকালীনই গানটির ইংরেজি অনুবাদও করেন। কবিগুরুর হস্তাক্ষরে সেই অনুবাদ এখনও ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখা আছে মদনপল্লির ওই কলেজের গ্রন্থাগারে। নোবেল কমিটি ভারতের স্বাধীনতা দিবসে তারই ছবি প্রকাশ করেছে। তারা লিখেছে, “জনগণমন হল ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। যা প্রথমে বাংলায় লিখেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যাঁকে ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল।”

     

    style=”text-align: justify;”> 

    ‘জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটি প্রথম কবে গাওয়া হয়?

    জানা গিয়েছে,’জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয় ১৯৫০ সালে। রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) মৃত্যুর ন’বছর পরে। তবে, গানটি প্রথম গাওয়া হয় ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর। কলকাতায় জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে। সমবেত কণ্ঠে গাওয়া ওই গানটির পরিচালনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের বড় দাদার পৌত্র দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার পরের দিন ‘দ্য বেঙ্গলি’ পত্রিকায় ওই অধিবেশনের খবরের পাশাপাশি গানটির ইংরেজি অনুবাদও প্রকাশিত হয়।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    নেটিজেনরা কী বললেন?

    ইংরেজিতে লেখা এই কপি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন- আমরা সবাই ছোটবেলায় জাতীয় সঙ্গীত মুখস্ত করে রেখেছিলাম এবং আজ পর্যন্ত আমরা তা ভুলতে পারিনি, এটা গুরুদেবের (Rabindranath Tagore) লেখার জাদু মাত্র। তৃতীয় ব্যবহারকারী লিখেছেন, যে আমি একজন ভারতীয় এবং আমি গর্বিত যে আমি সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো একজন মহান ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nobel Prize: চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন সুইডেনের বিজ্ঞানী সভান্তে পাবো

    Nobel Prize: চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন সুইডেনের বিজ্ঞানী সভান্তে পাবো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব বিবর্তনের জিনোম সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize in Medicine) পেলেন সুইডিশ জিনতত্ত্ববিদ ও বিজ্ঞানী সভান্তে পাবো (Svante Paabo)। সোমবার বিকেল ত টের সময় সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট চিকিৎসা বিজ্ঞানে চলতি বছরের বিজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নোবেল পুরস্কার সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রথম নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বরাবরের মতো এবারও পুরস্কারের ১ কোটি সুইডিশ ক্রোনার পাবেন এই নোবেল বিজয়ী। 

    আরও পড়ুন: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    বিলুপ্ত হোমিনিন এবং মানব বিবর্তনের জিনোম সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য পাবোকে এবারের ফিজিওলজি বা মেডিসিন বিভাগে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। বর্তমান মানবজাতির বিলুপ্ত পূর্বসূরি নিয়ান্ডারথালের জিনোম সিকোয়েন্সের মতো অসম্ভব আবিষ্কার করেছেন তিনি। সভান্তে পাবো তাঁর গবেষণায় ৭০ হাজার বছর আগের আফ্রিকায় থাকা মানবজাতির পূর্বসূরিরা অভিবাসনের মাধ্যমে কীভাবে হোমিনিন থেকে হোমো সেপিয়েন্সের জিনের স্থানান্তর ঘটেছে তা দেখিয়েছেন। আধুনিক মানুষের কাছে জিনের এই প্রাচীন প্রবাহের শারীরবৃত্তীয় প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ- আমাদের ইমিউনো সিস্টেম যেকোনও  সংক্রমণে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে তার ওপর প্রভাব বিস্তার করে এই জিন। 

    আরও পড়ুন: সপ্তমীর রাতে পূজা প্যান্ডেলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, মৃত অন্তত ৫

    এদিকে আগামীকাল মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান, বুধবার রসায়ন এবং বৃহস্পতিবার সাহিত্যের নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার আগামী শুক্রবার ৭ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে এবং ১০ অক্টোবর অর্থনীতিতে বিজয়ী নাম ঘোষণা করা হবে।  

    এর আগের বছর, গত বছর তাপমাত্রা এবং স্পর্শের জন্য রিসেপ্টর আবিষ্কারের গবেষণায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী আর্ডেম পাতাপুতিয়ান ও মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড জুলিয়াস। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Nobel Prize 2023: ইরানি মেয়েদের স্বাধীনতার দাবিতে লড়তে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত নার্গিস, ‘শান্তি’র প্রলেপ নোবেল পুরস্কারে  

    Nobel Prize 2023: ইরানি মেয়েদের স্বাধীনতার দাবিতে লড়তে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত নার্গিস, ‘শান্তি’র প্রলেপ নোবেল পুরস্কারে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ব্যক্তিগত বহু ক্ষতি স্বীকার করে নার্গিস তাঁর লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। নারীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে, সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।” নোবেল (Nobel Prize 2023) কমিটির তরফে এই কথাগুলি যাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনিই এবার পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। শুক্রবার যখন তাঁর নাম ঘোষণা করা হল, তখনও তিনি বন্দি রয়েছেন ইরানের গারদে। এই মহীয়সী নারীর পুরো নাম নার্গিস মোহম্মাদিই।

    নার্গিস মোহম্মাদিই

    ১৯৭২ উত্তর-পশ্চিম ইরানের জানজানে জন্ম নার্গিসের। ফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর পড়েন ইঞ্জিনিয়ারিং। যোগ দিয়েছিলেন চাকরিতে। পরে চলে আসেন সাংবাদিকতায়। হয়ে যান সেন্টার ফর ইউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারের সদস্য। এই সময় তিনি ইরানের মহিলাদের পড়াশোনা, পোশাক মায় সার্বিক স্বাধীনতার প্রশ্নে সোচ্চার হন। ইরানের পর্দানসীন সমাজ তাঁর এই ‘বিপ্লব’ ভাল চোখে দেখেনি। যার পরিণতিতে আজও ভোগ করতে হচ্ছে নিদারুণ অত্যাচার।

    ইরান সরকারের অত্যাচার 

    ইরানি মহিলাদের সার্বিক স্বাধীনতার দাবিতে সরব হওয়ায় নার্গিসকে ১৩ বার গ্রেফতার করেছে ইরান সরকার (Nobel Prize 2023)। এর মধ্যে পাঁচবার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। জীবনের মূল্যবান ৩১টা বছর কেটেছে কারান্তরালে। এখনও মেলেনি কাঙ্খিত মুক্তি। ১৫৪ বার চাবুক মারা হয়েছে তাঁকে। তা সত্ত্বেও ইরানি-নারী মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নার্গিস, সেখান থেকে এক চুলও সরে আসেননি। যার জেরে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করা হল তাঁকে। এদিন নোবেল কমিটির তরফে নার্গিসের নাম ঘোষণা করে বলা হয়, “ব্যক্তিগত বহু ক্ষতি স্বীকার করে নার্গিস তাঁর লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। নারীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।”

    নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবরে নার্গিসের কী প্রতিক্রিয়া জেলবন্দি থাকায় তা জানা যায়নি। তবে তাঁর ভাই হামিদ্রেজা মোহাম্মদি বলেন, “আমার মনে হয়, এর ফলে ইরানের অবস্থা কিছুটা হলেও, ভাল হবে। ওখানকার অবস্থা ভয়ঙ্কর। যাঁরা প্রতিবাদী, আন্দোলনকারী, তাঁরা খুনও হয়ে যেতে পারেন ওখানে। নার্গিসের এই খবরে (Nobel Prize 2023) আমি খুশি।

    আরও পড়ুুন: রোগীর রক্তচাপ মাপছেন সিভিক ভলান্টিয়ার! রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কটাক্ষ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nobel Prize 2023: ঘোষণা করা হল পদার্থবিদ্যায় নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীদের নাম, কারা পাচ্ছেন জানেন?

    Nobel Prize 2023: ঘোষণা করা হল পদার্থবিদ্যায় নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীদের নাম, কারা পাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ঘোষণা করা হয়েছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাওয়া দুই বিজ্ঞানীর নাম। মঙ্গলবার ঘোষণা করা হল পদার্থবিদ্যায় নোবেলজয়ীদের নাম। এবার পদার্থবিদ্যায় নোবেল (Nobel Prize 2023) পেলেন তিন বিজ্ঞানী। নোবেল পুরস্কার দেয় রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। তারা জানিয়েছে, এবার নোবেল পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে আমেরিকার পিয়ের অগোস্তিনি, হাঙ্গেরির ফেরেঞ্চ ক্রাউৎজ এবং ফ্রান্সের আন লুইয়িয়ের হাতে।

    তিন বিজ্ঞানী

    ফরাসি বংশোদ্ভূত অগোস্তিনি আমেরিকার ওহায়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত হাঙ্গেরির নাগরিক ফেরেঞ্চ জার্মানির মিউনিখ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ফোটোনিক্সের সঙ্গে যুক্ত। আর সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান আন। পুরস্কারের অর্থ ভাগ করে দেওয়া হবে এই তিন বিজ্ঞানীকে।

    গবেষণার বিষয় ইলেকট্রন গতিবিদ্যা

    এবার যে তিন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2023) পেলেন, তাঁদের তিনজনেরই গবেষণার বিষয় ইলেকট্রন গতিবিদ্যা। রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমির তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তিন নোবেলজয়ী তাঁদের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অণু-পরমাণুর অন্দরে ইলেকট্রনের জগৎ অন্বেষণের জন্য নয়া হাতিয়ার দিয়েছেন। এদিন যে তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হল, তাঁদের মধ্যে আন আবিষ্কার করেছেন গ্যাসে থাকা অণুর ওপর লেজারের আলো কী প্রভাব ফেলতে পারে। অগোস্তিনি ও ক্রাউৎজ দেখিয়েছেন, গ্যাসীয় অণুর প্রভাব তুলনামূলক ছোট আলোর স্পন্দন তৈরিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    গত বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2023) পেয়েছিলেন অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, জন এফ ক্লাজার এবং অ্যান্টন জেইলিংগার। কোয়ান্টাম তথ্য বিজ্ঞানে কাজের জন্য সেবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, সোমবার চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য যে দুই বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে নোবেল পুরস্কারের জন্য, তাঁরা হলেন হাঙ্গেরি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাটালিন কারিকো ও ড্রু ওয়েইসম্যান। এমআরএনএ কোভিড ১৯ টিকা আবিষ্কারে বিশেষ অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: শবরীমালা মন্দিরে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল ধৃত ‘ইঞ্জিনিয়ার’ আইএস জঙ্গি শাহনওয়াজ?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share