Tag: Noida

Noida

  • Ice Cream: আঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    Ice Cream: আঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই আইসক্রিম (Ice Cream) থেকে বেরিয়েছিল কাটা আঙুল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আইসক্রিমের প্যাকেট থেকে বের হল আরও এক মারাত্মক জিনিস। কার্যত ঢাকনা খুলতেই দেখা গেল মস্ত একটি বিছে। যিনি অর্ডার করেছিলেন দেখেই ভয়ে চিৎকার করে ওঠেন। এরপর ভিডিও করে সামজিক মাধ্যমে বিনিময় করেন।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Ice Cream)?

    চলতি সপ্তাহেই মুম্বইতে এক মেয়ে আইসক্রিম (Ice Cream) বক্স খুলে কাটা আঙুল পেয়েছিলেন। ঠিক তার কয়েকদিন যেতে না যেতেই আইসক্রিমের মধ্যে দেখা গেল বিছে। ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের নয়ডার সেক্টর ১২ এলাকায়। দীপা নামে এক মহিলা ব্লিনকিট থেকে আমূলের একটি আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বক্সের ঢাকনা খুলতেই দেখা যায় ভিতরে বরফে রয়েছে একটি বড় মাপের বিছে। এরপর তিনি দেখেই কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন। তারপর অনলাইনে ব্লিনকিটে অভিযোগ করেন। যদিও ডেলভারি সংস্থার তরফ থেকে আইসক্রিমের দাম ফেরৎ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দীপা নিজের পাঁচ বছরের ছেলেকে ম্যাংগো শেক খাওয়ানোর জন্য অর্ডার করেছিলেন আইসক্রিম। কিন্তু ছেলের বায়না মেটাতে যা ঘটল তা দেখে ভীষণভাবে স্তম্ভিত পরিবার।

    মহিলার বক্তব্য

    দীপা বলেছেন, “ব্লিনকিটের তরফে আমাকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে আমূল সংস্থাকে (Ice Cream) অভিযোগ জানানো হবে। তবে এখনও পর্যন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা হয়নি। কিন্তু এই রকম ঘটনা আমাদের দারুণ ভাবে আতঙ্কিত করছে। অনলাইনে অর্ডার দিয়ে খাবার খাওয়াটা বিপদজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ“পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা”, জেলখাটা জীবনকৃষ্ণের পোস্টে শোরগোল

    আগে আঙুল পাওয়া গিয়েছিল

    দিন কয়েক আগেই মুম্বইয়ে এক যুবতী আইসক্রিমের (Ice Cream) ভিতর থেকে মানুষের আঙুল পান। চিকিৎসক ওই যুবতী পশ্চিম মালাডের বাসিন্দা ছিলেন। একটি দোকান থেকে আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন। যখন কামড় বসাতে গেলেন তখন চোখে পড়ল আইসক্রিমের মধ্যে নখ সমেত কাটা আঙুল। ঘটনার ভিডিও করে সামজিক মধ্যমে পোস্ট করতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই যুবতী মালাড থানায় গোটা বিষয়টি জানান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Noida Twin Tower: নয়ডায় ট্যুইন টাওয়ারের সেই জমিতে ফের বহুতল সুপারটেকের? আদালতে যাবেন বাসিন্দারা

    Noida Twin Tower: নয়ডায় ট্যুইন টাওয়ারের সেই জমিতে ফের বহুতল সুপারটেকের? আদালতে যাবেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে ভাঙা হয়েছে দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডার (Noida) সেই ট্যুইন টাওয়ার (Twin Tower)। তার পর কেটে গিয়েছে এক সপ্তাহ। এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যেখানে এক সময় ট্যুইন টাওয়ার গড়ে উঠেছিল, সেখানে এবার কী হবে?  বেআইনিভাবে জোড়া ওই টাওয়ার বানিয়েছিল সুপারটেক (Supertech) নামে এক সংস্থা। এই সংস্থা চায়, ওই জায়গায় ফের নতুন করে হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলতে। তবে এমারেল্ড কোর্টস (যে চত্বরে জোড়া টাওয়ার ছিল) রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (Emerald Court’s Residents’ Association) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সুপারটেক যদি ফের ওই জায়গায় হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলতে চায়, তাহলে তারা আবারও দ্বারস্থ হবে আদালতের। এমারেল্ড কোর্টস রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে উদয়ভান সিংহ টিওটিয়া (Uday Bhan Singh Teotia) বলেন, নির্মাতা সংস্থা এমন কিছু করে কিনা, তা আমরা লক্ষ্য রাখছি। যদি প্রয়োজন হয়, তবে আমরা আদালতে যাব।

    নয়ডার সেক্টর ৯৩এ-তে সুপারটেক তৈরি করেছিল জোড়া টাওয়ার। নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাপেক্স (Apex) ও সিয়ানে (Ceyane)। অ্যাপেক্সে ছিল ৩২টি ফ্লোর, আর সিয়ানে ছিল ২৯টি। দেশের উচ্চতম বহুতল এই জোড়া টাওয়ার। দুটি টাওয়ারে ছিল ৯১৫টি ফ্ল্যাট, ২১টি দোকান এবং দুটি বেসমেন্ট। জোড়া এই বহুতল দিল্লির কুতুব মিনারের চেয়েও উঁচু ছিল। জোড়া ওই টাওয়ার বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এর পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সপ্তাহখানেক আগে ভেঙে ফেলা হয় ওই জোড়া টাওয়ার।

    আরও পড়ুন : মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ নয়ডার সেই টুইন টাওয়ার!

    জানা গিয়েছে, জোড়া টাওয়ারের ওই জমিতে কী করা হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে শীঘ্রই আলোচনায় বসতে চলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই জমিতে মন্দির গড়ার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উদয়ভান বলেন, এতে কোনও সন্দেহ নেই যে আমরা ওখানে একটি পার্ক বানাব। আরও কিছু প্রস্তাব এসেছে। কেউ কেউ মন্দির নির্মাণের প্রস্তাবও দিয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা আলোচনায় বসতে চলেছি। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে, ওই জমিতে কী করা যায়। যদিও সুপারটেক চেয়ারম্যান আরকে অরোরা জানান, ওই জমিতে হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলব। প্রয়োজনে স্থানীয়দের অনুমতি নেব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Noida Twin Towers: মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ নয়ডার সেই টুইন টাওয়ার!

    Noida Twin Towers: মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ নয়ডার সেই টুইন টাওয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটিতে মিশে যেতে সময় লাগল মাত্র ৯ সেকেন্ড। সেই সময়ের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নয়ডার (Noida) টুুইন টাওয়ার (Twin Towers)। মুহূর্তে ধুলোয় ঢাকল এলাকা। জোড়া এই টাওয়ার তৈরি করেছিল সুপারটেক লিমিটেড (Supertech Ltd.)। এদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তার পরেই কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় টুইন টাওয়ার।

    নয়ডার সেক্টর ৯৩এ-তে সুপারটেক তৈরি করেছিল ওই জোড়া টাওয়ার। নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাপেক্স (Apex) ও সিয়ানে (Ceyane)। অ্যাপেক্সে ছিল ৩২টি ফ্লোর, আর সিয়ানে ছিল ২৯টি। দেশের উচ্চতম বহুতল এই জোড়া টাওয়ার। দুটি টাওয়ারে ছিল ৯১৫টি ফ্ল্যাট, ২১টি দোকান এবং দুটি বেসমেন্ট। জোড়া এই বহুতল দিল্লির কুতুব মিনারের চেয়েও উঁচু ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এদিন ভেঙে ফেলা হয় ওই জোড়া টাওয়ার। এদিন সকাল থেকেই এলাকায় ছিল সাজ সাজ রব। দুপুর ২ টো ১৫ মিনিট থেকে ২ টো ৪৫ পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় নয়ডা-গ্রেটার নয়দা এক্সপ্রেসওয়ে। টাওয়ারের চারপাশে মোতায়েন করা হয় ৫০০ পুলিশ কর্মী। তার ঢের আগেই এলাকাটিকে ঘোষণা করা হয় নো-ফ্লাই জোন। সরিয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার লাগোয়া দুটি বহুতলের হাজার পাঁচেক বাসিন্দাকে। সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় পথকুকুরদের। ঘড়ির কাঁটা ২.৩০ ছুঁতেই ঘটানো হয় বিস্ফোরণ। ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ হয়ে যায় জোড়া টাওয়ার।

    নির্মাতা সংস্থা সুপারটেকের তরফে জানানো হয়, নয়ডা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্ল্যান অনুমোদন করার পরে প্ল্যান মেনেই তৈরি করা হয়েছিল টুইন টাওয়ার। সুপার টেকের চেয়ারম্যান আরকে অরোরা বলেন, টাওয়ার তৈরিতে কোনও বিচ্যুতি ঘটেনি। দেশের শীর্ষ আদালতের রায়কে সম্মান জানাতেই ভেঙে ফেলা হল টুইন টাওয়ার। টাওয়ার ভাঙার কাজ করছিল মুম্বইয়ের ইডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং। কন্ট্রোলড ইমপ্লোশান পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয় দেশের সর্ব্বোচ্চ ওই টাওয়ারকে। এলাকায় ক্ষতি যাতে কম হয়, তাই কাজে লাগানো হয় এই পদ্ধতি।

    আরও পড়ুন : চোখের পলকে ধূলিসাৎ! ১০০ মিটার উচ্চতার ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supertech Twin Tower: চোখের পলকে ধূলিসাৎ! ১০০ মিটার উচ্চতার ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Supertech Twin Tower: চোখের পলকে ধূলিসাৎ! ১০০ মিটার উচ্চতার ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা সেক্টর ৯৩এ-তে (Noida Sector 93-A) অবস্থিত ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’ (Supertech twin Tower) ভেঙে ফেলার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। ঠিক করা হয়েছে, ২৮ অগাস্ট দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ও়ড়ানো হবে ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’। এটি একটি গ্রেটার নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ৪০ তলা উঁচু জোড়া বহুতল। ইতিমধ্যই টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার প্রাথমিক কাজগুলো সেরে ফেলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে ২৮ অগাস্ট এই টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে টাওয়ার ধ্বংস করা হবে

    জানা গিয়েছে, ১০০ মিটার লম্বা টুইন টাওয়ার ভাঙার জন্য ব্যবহার করা হবে ৩৫০০ কেজি বিস্ফোরক। এই বিল্ডিংয়ে প্রায় ৯৪০০ টি জায়গায় গর্ত করে সেখানে ওই বিস্ফোরক ভরে দেওয়া হবে। তারপর এক ঝটকায় এটিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হবে। ইতিমধ্যেই সেই বিস্ফোরক পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাইড্রোজেনে চলবে বাস! লঞ্চ করা হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাস

    কেন ভেঙে ফেলা হচ্ছে

    সুপারটেকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। গ্রেটার নয়ডায় নির্মাণ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করে ওই বিশালাকৃতির জোড়া টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে। ফলে গত বছরেই টাওয়ার দুটি গুঁড়িয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, সেক্টর ৯৩এ-তে অবস্থিত টাওয়ারটির কাছাকাছি বসবাসকারী প্রায় ৫ হাজার বাসিন্দাদের সকাল ৭টার দিকেই তাদের বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। এরপর তারা বিকেল ৪ টের পরেই সেই জায়গায় যেতে পারবেন। ২ হাজার ৫০০ টি যানবাহন সেই জায়গা থেকে সরানো হবে। নয়ডা-গ্রেটার নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে দুপুর ২টা ১৫ থেকে ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে। সেখানে নিরাপত্তা কর্মীও ওই দিন প্রচুর পরিমাণে এলাকায় মোতায়েন করা থাকবে। জরুরি পরিষেবার মধ্যে ফায়ার টেন্ডার এবং অ্যাম্বুলেন্স সেখানে রাখা হবে। এর পাশাপাশি, কাছাকাছি এলাকায় মানুষ, যানবাহন এবং এমনকি পশুদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হবে। 

LinkedIn
Share