Tag: North 24 Parganas

North 24 Parganas

  • PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন শুভেন্দুও

    PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন শুভেন্দুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার প্রকাশিত ওই বার্তায় তিনি বলেন, আলোর উৎসব শুধু ঘরে ঘরে আলো জ্বালানোর উপলক্ষ নয়, অন্ধকারের বিরুদ্ধে দেশের সম্মিলিত সংকল্পেরও প্রতীক (Diwali Wishes)। দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করার পাশাপাশি জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদ্‌যাপনের কথাও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের মতো আমিও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি পালন করি। আপনারা জানেন, এই দিনটি দেশের জওয়ানদের সঙ্গে কাটানো আমার দীর্ঘদিনের রীতি। এই বছরও সেই পরম্পরা বজায় রাখব। সকলকে আবারও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা।” ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করে আসছেন মোদি। লাদাখের সিয়াচেন থেকে শুরু করে পঞ্জাব সীমান্ত, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, কার্গিল এবং গুজরাটের  সীমান্তবর্তী এলাকা—বিভিন্ন জায়গায় জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। গত বছর গোয়া-কারওয়ার উপকূলের কাছে ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরীতেও দীপাবলি উদ্‌যাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবারই উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মোদি।

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুভেন্দুও

    এদিকে, আলোর উৎসব দীপাবলিতে যখন আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে গোটা দেশ, তখনও কর্তব্যে অবিচল সীমান্তরক্ষীরা। পরিবারের কাছ থেকে দূরে থেকে দেশের নিরাপত্তায় দিনরাত পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা। সেই সমস্ত জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতেই এবার সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদ্‌যাপন করবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকার কথা রাজ্য পুলিশের ডিজিরও।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রীতির অনুসরণেই মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতি বছর দীপাবলিতে দেশের কোনও না কোনও সীমান্ত এলাকায় গিয়ে সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন মোদি। এবার সেই ধারাই অনুসরণ করতে চলেছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দীপাবলি। আর সেই বিশেষ উৎসবের দিনটি সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে (PM Modi) রাজনৈতিক মহল।

    শনিবার কলকাতা পুলিশের সদর দফতর লালবাজারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের এই কর্মসূচির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সীমান্তের নিরাপত্তায় যাঁরা নিজেদের পরিবার-পরিজন ছেড়ে দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের সঙ্গে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রবিবার রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতে যাব।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকি?

    উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকির গুরুত্ব অপরিসীম। নদী, খাঁড়ি এবং ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্যে ঘেরা এই অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম। ফলে এখানে সীমান্ত পাহারা দেওয়া নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধে দিনরাত নজরদারি চালান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা। জলপথে নজরদারি আরও জোরদার করতে আধুনিক ভাসমান সীমান্ত চৌকিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নদী ও খাঁড়ি বরাবর নিয়মিত টহলদারি চালানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির উপর দ্রুত নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে। এই হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৭৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধীন। এটি দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের কলকাতা সেক্টরের আওতাভুক্ত। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ জলপথ এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির মধ্যে দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এই চৌকির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনসংযোগেও জোর

    শুধু সীমান্ত পাহারা দেওয়াই নয়, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেও একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক কর্মসূচি, নাগরিক সহায়তা শিবির, সাইকেল মিছিল-সহ নানা উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততাও বাড়ছে (Diwali Wishes)। উল্লেখ্য, এর আগে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতেই জওয়ানদের সঙ্গে হোলি উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডিজি। ফলে এই সীমান্ত চৌকির সঙ্গে বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির যোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগের দিনই তমলুকে কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পুজোর সূচনা করার পাশাপাশি দেবী বর্গভীমার মন্দিরে পুজো দেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ (PM Modi) করেছিলেন তিনি।

     

  • Baranaga Death Case: উইপ্রো কর্মীর রহস্যমৃত্যু, সম্পর্কের পরিচয় গোপনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য

    Baranaga Death Case: উইপ্রো কর্মীর রহস্যমৃত্যু, সম্পর্কের পরিচয় গোপনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে বছর চব্বিশের এক (Baranaga Death Case) তরুণীর রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম ঈশা সাউ। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রোয় কর্মরত ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, এক মুসলিম যুবক নিজেকে হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে ওই যুবকের প্রকৃত ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে এই (Wipro Employee Murder Probe) অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। তরুণীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কীভাবে শুরু হয়েছিল সম্পর্ক? (Baranaga Death Case)

    পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত যুবক নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দেওয়ায় ঈশা তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে যুবকের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দু’জনের মধ্যে অশান্তি ও বিবাদের সূত্রপাত হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। তবে সম্পর্কের বিষয়ে ঠিক কী ঘটেছিল, তা এখনও জানা যায়নি।

    মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল?

    পরিবারের অভিযোগ, গত ৪ অক্টোবর ভোরে বরানগরের নবীনচন্দ্র দাস রোডে তাঁদের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৩টে থেকে ৪টের মধ্যে অভিযুক্ত যুবক আরও তিন-চার জনকে সঙ্গে নিয়ে ওই আবাসনে আসেন। তাঁদের বাড়িতে ঢুকতে বাধা দিলে ঈশার মাকে মারধর ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ।

    পরিবারের আরও দাবি, এরপর অভিযুক্ত ও তাঁর সঙ্গীরা ঈশার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁকে পাঁচতলা ভবনের ছাদের দিকে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবন থেকে পড়ে যান তরুণী।

    তবে কীভাবে তিনি নীচে পড়ে গেলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    বিকট শব্দ শুনে ছুটে আসেন আবাসিকরা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিকট শব্দ শুনে আবাসনের বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এসে ভবনের নীচে রক্তাক্ত অবস্থায় ঈশাকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর অভিযুক্ত ও তাঁর সঙ্গীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তাঁদের ব্যবহৃত কয়েকটি মোটরবাইক ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে (Baranaga Death Case)।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বরানগর থানার পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় ঈশাকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ

    তরুণীর মৃত্যুর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্ত করছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মৃত্যুর আগে ঈশাকে কোনও ধরনের ভয় দেখানো বা জোরজবরদস্তি করা হয়েছিল কি না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত নিজের পরিচয় ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিলেন কি না। ছাদে যাওয়ার পর ঠিক কী ঘটেছিল। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ সরাসরি জড়িত ছিলেন কি না। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং আবাসনের নজরদারি ক্যামেরার ছবি থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া যায় কি না।

    ঘটনার ধারাবাহিকতা পুনর্গঠন করতে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ফোনের তথ্য, নজরদারি ক্যামেরার ছবি এবং ফরেনসিক প্রমাণ পরীক্ষা করা হতে পারে।

    নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পরিবারের

    ঈশার মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তাঁর পরিবার। ঘটনাটি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিচয় গোপনের অভিযোগ এবং তরুণীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে আনার দাবিও উঠেছে (Wipro Employee Murder Probe)।

    তবে এখনও পর্যন্ত তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ্যে আসেনি। মৃত্যুর কারণ কিংবা কারও অপরাধমূলক দায় সম্পর্কে পুলিশ কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে পরিবারের অভিযোগ ও প্রকৃত ঘটনা—দু’টি বিষয়ই তদন্তের ফলের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি (Baranaga Death Case)।

     

  • Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে খাবারে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং খাদ্য লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর (Food Safety Raids)। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে ‘স্পেশাল ফুড সেফটি উইক’। সেই কর্মসূচির প্রথম তিন দিনেই রাজ্যের ২,৩৩৭টি খাদ্য ও পানীয় সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২,০৫৬টি প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের হদিশ মিলেছে। অর্থাৎ, পরিদর্শন করা (West Bengal) প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনও না কোনও বড় ধরনের অসঙ্গতি সামনে এসেছে।

    সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ (Food Safety Raids)

    দফতর সূত্রে খবর, অনিয়ম ধরা পড়ার পর ২,০৩৯টি ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ বা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,২৭৭টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ৪২৮টি, ২ সেপ্টেম্বর ৪৭৩টি এবং ৩ সেপ্টেম্বর ৩৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুধু নজরদারি নয়, অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপও করা হয়েছে। ১৬টি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১৭টি প্রতিষ্ঠান সিল করে দেওয়া হয়েছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। ১৭টি ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১ সেপ্টেম্বর ৯০৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। পরের দিন ৮২৪টি এবং তার পরের দিন আরও ৬০৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

    মালদায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    তিন দিনের অভিযানে মালদায় একাধিক খাদ্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ‘টেস্টি ফুড প্রোডাক্টে’র ক্ষেত্রে বৈধ ও আপডেট খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে না পারার অভিযোগ ওঠে। তার উপর কেক তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দেয়। পরিস্থিতির জেরে সেখানে খাদ্যপণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    একই জেলায় ‘হায়দরাবাদি বিরিয়ানি’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৈধ খাদ্য লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশনের নথি দেখাতে না পারার পাশাপাশি খোলা জায়গায় নর্দমার উপর রান্না করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে ওই প্রতিষ্ঠানেও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মালদার পানীয় জল প্রস্তুতকারী ‘পিওর বুন্দ’ এবং ‘পাইলট পানি’র ক্ষেত্রেও লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়ে। খাদ্য সুরক্ষা বিধিতে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য আবশ্যিক শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুই সংস্থার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Food Safety Raids)।

    হলুদে মেটানিল ইয়েলো, বন্ধ দুধঘর

    উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের ‘দুধ ঘরে’ বৈধ খাদ্য লাইসেন্স না থাকার অভিযোগের পাশাপাশি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সন্ধান মেলে। স্পট টেস্টে হলুদ গুঁড়োয় ‘মেটানিল ইয়েলো’ নামে অননুমোদিত রং শনাক্ত হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকেও খাবারের মেশানো রং উদ্ধার হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, খাদ্য বিক্রির উপর জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।

    হুগলিতে বন্ধ পানীয় জল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    হুগলির পুইনানে ‘নূর এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি পানীয় জল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ হয়েছে। খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত পক্ষের তরফে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা এনফোর্সমেন্ট শাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    লাইসেন্স নেই, জল পরীক্ষার রিপোর্টও অনুপস্থিত

    ৩ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জের দেবগ্রামের ‘তারা মা হোটেল’ এবং চাপড়ার ‘জনপ্রিয় হোটেলে’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। দুই প্রতিষ্ঠানই বৈধ খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি পানীয় জলের পরীক্ষার রিপোর্ট অনুপস্থিত ছিল এবং খাবার সংরক্ষণ ও রান্নার পরিবেশও স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত বাসনপত্রের ঘাটতিও নজরে আসে (Food Safety Raids)।

    পশ্চিম বর্ধমানে জরিমানা

    পশ্চিম বর্ধমানেও অভিযান চালিয়ে সাতটি খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট রুলস অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, কলকাতার তাজ বেঙ্গলে পরিদর্শনের সময় বড় কোনও নিয়মভঙ্গ নজরে আসেনি বলেও রিপোর্টে উল্লেখ (West Bengal) করা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল খাদ্যপণ্যের গুণমান বজায় রাখা, খাদ্য সুরক্ষা বিধি কার্যকর করা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ নজরদারি। ফলে আগামী দিনগুলিতে আরও বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠানে অভিযান এবং নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে (Food Safety Raids)।

     

  • ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) আগে ফের সক্রিয় ইডি। শনিবার সাতসকালে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় (ED Raid Habra) পৌঁছে গেল ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার শিকড় খুঁজতে এবার এলাকার একাধিক প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন ভোররাতেই অভিযানে (Enforcement Directorate) নামেন গোয়েন্দারা, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলছে অভিযান। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় অনেকের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    দুই চাল ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ

    ইডি সূত্রে খবর, শনিবার সকালে গোয়েন্দাদের বিশেষ টিমটি প্রথম হানা দেয় হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডের বাসিন্দা সমীর চন্দের বাড়িতে। পেশায় চাল ব্যবসায়ী সমীরবাবু দীর্ঘদিন ধরেই হাবড়া চালপট্টি এলাকায় কারবার চালান। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে। এদিন সকালে যখন আধিকারিকরা তাঁর দরজায় কড়া নাড়েন, তখন বাড়ির সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। বারবার ধাক্কা দেওয়ার পর অবশেষে দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। হাবড়ার আরও এক ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও চলে ইডি অভিযান। হাবড়া শ্রীনগর রোডে সাগর সাহার বাড়িতে শনিবার ভোর হতে না হতেই আসেন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। এদিন সকালে ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারকদের। তবে অবশেষে ভিতরে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছেন তাঁরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজনদের।

    এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিন সকালে ইডির আধিকারিকদের সঙ্গেই ময়দানে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে।  তল্লাশি চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ব্যবসায়ীদের বাড়ির গেট ও আশপাশের এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে। বাড়ির ভেতরে ব্যবসায়ীদের নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি বয়ান রেকর্ড করছেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন হাবড়ায় চার জায়গায় যায় ইডির দল। দক্ষিণ হাবড়ার সুভাষ রোডে চাল ব্যবসায়ী রাজীব সাহা ও পার্থ সাহার বাড়িতেও হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।

    কেন চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় মূলত অভিযোগ উঠেছিল যে রেশনের সামগ্রীর কালোবাজারি করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার মতো অভিযোগও উঠেছে। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে এর আগেও রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি ও সিবিআই। মূলত রেশনের সামগ্রী খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা, কালোবাজারি এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে এখন চালের উৎস এবং তার লেনদেনের গতিপ্রকৃতি। ব্যবসায়ী সমীর চন্দ অনেকদিন ধরেই চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে ইডি সূত্রে খবর। কোথা থেকে তিনি চাল কেনেন, কী দামে কেনেন, মান্ডিতে কী দামে যায় – এই সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।

    রেশন দুর্নীতির সূত্র

    কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম। অভিযোগ এফসিআই থেকে যে গম পাঠানো হয় সেই গম হিসাবে কারচুপি করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে। ওই কেসে এক্সপোর্টার হিসাবে যাঁদের নাম উঠে এসেছিল তাতেই এই চার ব্যক্তির নাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পুরো কাণ্ডে প্রত্যেকেই মোটা টাকা কামিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এক্সপোর্টারদের চিহ্নিত করেই তাঁদের বাড়ি অফিস, বিভিন্ন সংস্থায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

    জ্যোতিপ্রিয়-যোগ, ১৭ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    আগামী ২৯ এপ্রিল হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েই এই এই গম এক্সপোর্টের জল গড়িয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ভোটের মুখে ফের এই কেসের তদন্ত যে বিশেষভাবে তাৎপর্যন্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন কলকাতা এবং বর্ধমানের কিছু জায়গাতেও ইডি গিয়েছে। সব মিলিয়ে অন্তত ন’টি জায়গায় শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে এই তল্লাশি অভিযান। আর্থিক তছরুপের সূত্রেই চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একাধিক দল রওনা দেয়। ৯ ব্যবসীয়র বাড়ি ছাড়াও একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

  • SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) ফলে পরিবারের মৃত ভাবা এক ব্যক্তি তিন দশক পর বাড়িতে ফিরলেন। জানা গিয়েছে ২৮ বছর ধরে তাঁর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না। পশ্চিমবঙ্গ নিবিড় তালিকা সংশোধনের কাজ চলার মধ্যে অবশেষে বাড়ি ফিরে এলেন। ভোটার তালিকায় তাহলে কেন জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলা হয়েছে, নির্বাচনী ভোটার তালিকায় এমন রেকর্ড কীভাবে বা এসেছে। এই রকম নানা প্রশ্নে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় (North 24 Parganas)।

    ১৯৯৭ সাল থেকেই নিখোঁজ

    সোমবার বিকেলে সুপ্রিয়া মণ্ডল নিজের বাড়িতেই দরজা খুলে দেখেন, যে পুরুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিলেন, সেই তাঁর স্বামী জগদ্বন্ধু মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত। তাঁর বয়স এখন ৫৫, তাঁর বাবা বিজয় মণ্ডল দেখেই তাৎক্ষণিক ভাবে দেখেই চিনতে পেরেছেন ছেলেকে। তবে নির্বাচনী ভোটার তালিকায় জগদ্বন্ধু মণ্ডলের নাম মৃত ঘোষণা করে বাদ দিয়ে দিয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শীতকালে জগদ্বন্ধু নিজের স্ত্রী এবং ছোট দুই সন্তানকে রেখে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ডায়েরি, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আবেদন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদও চলেছিল লাগাতার। পরে প্রশাসনের তরফে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করলে অসহায় পরিবারটি অবশেষে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়। প্রায় তিন দশক ধরে পরিবারের তরফে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে জগদ্বন্ধু আর কোনও দিন বাড়ি ফিরবেন না।

    জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা মহলে গুঞ্জন

    এলাকার (North 24 Parganas) বুথ কমিটির সদস্য সমীর গুহ (SIR) বলেন, “বুথ লেভেল অফিসারের কাছে গত ২৮ বছর ধরে জগদ্বন্ধু সম্পর্কে কোনও নথিপত্র এবং তথ্য ছিল না। ২০০২ সালের পর থেকে তাঁর নাম উধাও হয়ে যায়। এইবার এসআইআর আবহে তিনি আবার ফিরে এসেছেন।” তবে এসআইআর-এর জন্য যখন প্রত্যেকে ভোটার আইডি, জমির কাগজপত্র এবং বসবাসের প্রমাণপত্র দেখানোর বিষয় উঠে এসেছে তখনই জগদ্বন্ধুকে পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য করেছে।

    তবে এলাকাবাসীদের (North 24 Parganas) জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন বাঁকুড়ার ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। তবে সেখানে সুলেখা মণ্ডল নামক এক মহিলার সঙ্গে বসবাস করেন। সুলেখার স্বামীর নাম জগদ্বন্ধু মণ্ডল নামেই নথিবদ্ধ। আবার অপর আরেক মহলের মত, জগদ্বন্ধু নিজে সঠিক তথ্য দেননি। গুজরাট, মুম্বই, বাঁকুড়া এবং ছত্তিশগড়ে কাজ করেছেন। তবে সম্প্রতি কাজ হারিয়েছেন তাই ফিরে এসেছেন। এদিকে জগদ্বন্ধুর পুরনো ভোটার লিস্টে (SIR) নাম বাদ গেলেও এইবার সঠিক কাগজ বা উপযুক্ত নথি দিয়ে আবার নিজের নাম তালিকায় তুলতে পারবেন। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

LinkedIn
Share