Tag: North America

North America

  • West Nile virus: কাদের বিপদ বাড়াচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? মৃত্যুর আশঙ্কা কতখানি?

    West Nile virus: কাদের বিপদ বাড়াচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? মৃত্যুর আশঙ্কা কতখানি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আতঙ্কের নতুন নাম ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস। এই ভাইরাসঘটিত (West Nile virus) জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে সাত থেকে সত্তর, সব বয়সের মানুষ। আফ্রিকার নীল নদের আশপাশের এলাকা থেকে এই জ্বরের উদ্ভব। কিন্তু সেই জ্বর এখন কেরলে প্রভাব বিস্তার করছে। তবে সংক্রমণের বিস্তার শুধু কেরলে নয়। এই সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। এর আগেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এ দেশে। তাই বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

    কীভাবে আটকানো‌ যাবে এই রোগ? (West Nile virus)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মশাবাহিত রোগ। কিউলেক্স মশা থেকে এই রোগ মানুষের শরীরে আসে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা এবং মধ্য এশিয়ায় এই রোগের প্রকোপ বেশি‌। তবে পাখির মাধ্যমে এই রোগ মশার শরীরে আসে‌। আর সেখান থেকেই এই রোগ মানুষের শরীরে ছড়ায়। তাই ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়ার মতো সরাসরি ভাইরাস মশা থেকে মানুষের শরীরে আসে না। বরং মাধ্যম হিসাবে মশা মানুষের শরীরে এই রোগ আনে। কিউলেক্স মশা এনসেফেলাইটিসর মতো একাধিক রোগের জীবাণু বহন করে। ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস রুখতেও তাই জরুরি মশার দমন। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মশাবাহিত রোগ (West Nile virus) রুখতে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। মশার বংশবিস্তার রুখতে পারলেই এই রোগের প্রকোপ আটকানো সম্ভব।

    কখন বিপদ বাড়ায় ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? (West Nile virus)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মস্তিষ্কে প্রকোপ ছড়ালে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের আলাদা বিশেষ কোনও উপসর্গ নেই। সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি এবং মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা যাবে। তবে গোটা শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কিন্তু অনেক সময়েই ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের প্রভাব মস্তিষ্কে পড়ে‌। এর জেরে মেরুদণ্ডের কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়‌। স্নায়ুতন্ত্র কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। তখন প্রাণসংশয় দেখা দেয়। তবে এই রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ এবং টিকা নেই। তাই এই রোগ (West Nile virus) মোকাবিলা কঠিন‌। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই তাঁদের পরামর্শ, প্রথম থেকেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। রোগ আটকানোর জন্য যেমন মশার বংশবিস্তার রুখতে হবে, তেমনি জ্বর হলে বা দেহে কোনও লাল রঙের দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যাতে দেহের তাপমাত্রা না বাড়ে।

    কাদের জন্য এই রোগ বাড়তি বিপজ্জনক? (West Nile virus)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে এই রোগ বিপদ বাড়ায়। কারণ এই ধরনের সমস্যায় আক্রান্তদের হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে। তাই ওয়েস্ট নাইল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্তদের স্নায়ুর সমস্যা হতে পারে। এই ভাইরাসও স্নায়ুর কার্যকারিতা নষ্ট করে। তাই এই রোগ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বাড়তি সমস্যা তৈরি করে। তাছাড়া, রোগ প্রতিরোধ শক্তি যাদের কম, তাদের জন্য এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই তাদেরও বাড়তি সাবধানতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (West Nile virus)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Total Solar Eclipse: বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য! ৫০ বছরে সবচেয়ে লম্বা সূর্যগ্রহণ-মাঝ আকাশে একসাথে শুক্র-বৃহস্পতি

    Total Solar Eclipse: বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য! ৫০ বছরে সবচেয়ে লম্বা সূর্যগ্রহণ-মাঝ আকাশে একসাথে শুক্র-বৃহস্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভর দুপুরেই অন্ধকার নেমে আসবে চারিদিকে। কারন ৫০ বছর পর বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ(Total Solar Eclipse) হতে চলেছে। গ্রহণের সময় চাঁদ ঢেকে ফেলবে সূর্যকে। দিনের আলো খুব কম পৌঁছবে পৃথিবীতে। এপ্রিলের শুরুতে বছরের প্রথম এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ(Total Solar Eclipse) হতে চলেছে।  মনে করা হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ ৭.৫মিনিট স্থায়ী হবে। পৃথিবীর(earth) পশ্চিম গোলার্ধের বেশ কিছু এলাকা থেকে গ্রহণ স্পষ্ট দেখা যাবে।  

    কোথায় কখন দেখা যাবে গ্রহণ?

    জানা গেছে, আগামী ৮ এপ্রিল, দুপুরে এই সূর্যগ্রহণ শুরু হবে৷ তবে ভারত থেকে এই বিরল দৃশ্য দেখার কোনও আশা নেই। মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয়(pacific ocean) উপকূল থেকে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৭ মিনিট নাগাদ সর্বপ্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।  চাঁদের ছায়া উত্তর-পূর্ব দিকে সরে যাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টেক্সাসে দুপুর ১:২৭ মিনিটে পূর্ণগ্রাস দেখা যাবে। বিড়লা তারামণ্ডল(birla planetarium) জানাচ্ছে, ভরদুপুরেই আকাশে ফুটে উঠবে শুক্রগ্রহ ও বৃহস্পতি। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময়ে চাঁদ যখন পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখনই সূর্যগ্রহণ হয়। আর চাঁদের ছায়া যেখানে যেখানে পড়ে, সেখান থেকেই দেখা যায় গ্রহণ। কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে- এটিই হবে দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ । এই গ্রহণ প্রাণী এবং মানুষের স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে । এই নিয়ে গবেষণা করবেন নাসার(NASA) বিজ্ঞানীরা । বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিষীরাও এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করেছেন ।

    ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্যগ্রহণ-

    জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রত্যেকটি গ্রহণের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তা সূর্যগ্রহণ হোক কিংবা চন্দ্রগ্রহণ। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে গেলে, সূর্যগ্রহণকে অশুভ বলেই মনে করা হয়। অন্যদিকে আবার বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্যগ্রহণের(Solar Eclipse) গুরুত্ব অনেক। কারণ এই গ্রহণের সময় তারা অনেক তথ্য পান। তবে গ্রহণ নিয়ে অনেক কুসংস্কার আছে বাঙালিদের মধ্যে। যেমন গ্রহনের সময় খাবার খাওয়া বা রান্না না করার রীতি রয়েছে। অনেকেই মনে করেন যেহেতু সূর্যদেব গ্রাস হওয়ার ফলে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে তাই সেই সময় খেতে নেই। আবার এই গ্রহনের নেতিবাচক প্রভাব কাটাতে উপায়ও রয়েছে। গ্রহণের হওয়ার আগে খাবার এবং জলে তুলসী পাতা দিলে গ্রহণের নেতিবাচক প্রভাব দূর হয় বলেও কুসংস্কার কথিত আছে। তবে, বৈজ্ঞানিকদের(scientist) ব্যাখ্যা অনুযায়ী খাবার না খাওয়ার প্রথাটির আসল বৈজ্ঞানিক কারন হল সূর্য গ্রহণের সময় অন্ধকার নেমে এলে বাতাসে প্রচুর জীবাণু বেড়ে যায় তাই অই সময় খলা খাবারে ধুলো ময়লার সাথে জীবাণুও জমার আশঙ্কায় গ্রহনের সময় না খাওয়ার প্রথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: আধার এবং ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক? কী বলছে কমিশন?

    আর কোন কোন দেশে দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ?

    তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখা যাবে পশ্চিম ইউরোপ প্যাসিফিক, আটলান্টিক, আর্কটিক মেক্সিকো, উত্তর আমেরিকা কানাডা, মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চল, ইংল্যান্ডের উত্তর পশ্চিম অঞ্চল এবং আয়ারল্যান্ডে। ইতিমধ্যেই এই গ্রহণকে কেন্দ্র করে কানাডায় জারি হল জরুরি অবস্থা। কানাডার অন্টারিয়োর নায়াগ্রা প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে প্রশাসন। কারন কানাডায়(canada) নায়াগ্রা জলপ্রপাতের(nayagra water falls) সামনে থেকে সূর্যগ্রহণ অত্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায়। নায়াগ্রার প্রশাসন জানিয়েছে, সূর্যগ্রহণ দেখতে জলপ্রপাতের সামনে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন। তাই ভিড় সামলাতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।উল্লেখ্য,মেক্সিকোয়(mexico) সূর্যগ্রহণ চলার সময় ভারতে রাত থাকবে৷ তবে চাইলে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গ্রহণ দেখা যেতেই পারে। আর যারা ওই দেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ দেখবে তারা এক্স-রে প্লেট বা সানগ্লাস ব্যবহার করেই দেখবেন। নাহলে চোখের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। তুষার ঝড়ে বিধ্বস্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। প্রবল তুষারপাতে (Bomb Cyclone)  সেখানকার রাস্তাঘাট সবকিছুই বরফের পুরু চাদরে ঢেকেছে। আমেরিকার জাতীয় আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে যে দেশে এমন পরিস্থিতির রেকর্ড অতীতে খুব কমই আছে। তারা আরও জানাচ্ছে এই বছর তাপমাত্রা যেভাবে নীচে নামতে শুরু করেছে তাতে মনে হচ্ছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে যাবে।

    কোথায় কোথায় তাপমাত্রার রেকর্ড পতন হল

    পশ্চিম কানাডায় ইতিমধ্যে তাপমাত্রার পারদের রেকর্ড পতন হয়েছে। তাপমাত্রার পারদ থেমেছে হিমাঙ্কের ৫৩ ডিগ্রি নিচে। মিনেসোটার তাপমাত্রা বর্তমানে মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ডালাসের তাপমাত্রা নেমেছে হিমাঙ্কের  ১৩ ডিগ্রি নীচে। তুষার ঝড়ের (Bomb Cyclone) কারণে আমেরিকার সম্পূর্ণ রাজপথ পুরু বরফের আস্তরণে ঢাকা পড়ে গেছে। এই কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা। বেশিরভাগ জায়গাতেই বরফের আস্তরণের উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট। জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ১৫ হাজার বিমান বাতিল করতে হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে,  এই মুহূর্তে আমেরিকাতে প্রায় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন ভাবে রয়েছেন এবং তাদের স্বাভাবিক গৃহকর্মও বন্ধ রয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তার কোন নিশ্চয়তা দিতে পারছে না আমেরিকার আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন এই পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতরে থাকতে হবে, তুষার ঝড়ে (Bomb Cyclone) আক্রান্ত হলে মৃত্যুও হতে পারে। এই নিয়ে টানা ৫ দিন এই তুষার ঝড়ের সাক্ষী থাকছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। তীব্র এই তুষারঝড় (Bomb Cyclone) কে স্থানীয় আমেরিকানরা বলছেন বোম সাইক্লোন বা সাইক্লোন বোমা (Bomb Cyclone)। ইতিমধ্যে এই প্রবল শৈত্যপ্রবাহে ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এরকম পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্য চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমেরিকার পরিস্থিতি বেশ ভয়ঙ্কর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
LinkedIn
Share