Tag: North bengal

North bengal

  • Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেল আরও একটি চা বাগান (Tea Garden)। শ্রমিক দিবসের দিনই কাজ হারালো প্রায় হাজারের কাছাকাছি শ্রমিক। ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কর্মহীন শ্রমিকদের (Unemployed Workers) কপালে। মে দিবসের দিন সকালেই ডুয়ার্সের (Dooars) এক চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে চা বাগানের মালিক কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই মে দিবসে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় ৮৩০ জন শ্রমিক।  

    ঠিক কী ঘটেছিল (Unemployed Workers)?

    জানা গিয়েছে, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই পাওনাগন্ডা নিয়ে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষ চলছিল। পিএফ, গ্র্যাচুইটির মতো বিভিন্ন পাওনা বাকি ছিল। শুধু তাই নয়, শ্রমিকদের ৩ পাক্ষিক সপ্তাহের মজুরিও বকেয়া ছিল বলে অভিযোগ। যার জেরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কর্মরত শ্রমিকরা। এরপর ২৭ এপ্রিল নিজেদের বকেয়া অর্থ বুঝতে চেয়ে শ্রমিকদের (Unemployed Workers) একাংশ বানারহাট থানায় গিয়ে অবস্থানে শামিল হন। বানারহাট বিডিও অফিসে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও ডাকা হয়। তবে মালিকপক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সেই বৈঠক ভেস্তে যায়। কিন্তু মালিকপক্ষের তরফে একটি চিঠি দিয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়, মঙ্গলবার বকেয়া মজুরির এক কিস্তির টাকা তাঁরা মিটিয়ে দেবেন। সেই টাকা গতকাল দিয়েও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরই রাত্রিবেলা কর্মবিরতির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পুলিশ-প্রশাসনকেও মালিক পক্ষ জানিয়ে দেয় নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা। বাগানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। এরপর সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখেন বাগানে তালা ঝুলছে।

    চা শ্রমিক নেতার বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে চা শ্রমিক নেতা অজয় মাহালি বলেন, “কোন সমস্যা থাকলে মালিকপক্ষ তা আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে পারতেন। সেটা না করে শ্রমিক দিবসের ঠিক আগের রাতে এভাবে বাগান বন্ধ করে চলে যাওয়ার ঘটনার ঘোর নিন্দা জানাই। হাজার শ্রমিক কর্মহীন (Unemployed Workers)।”

    আরও পড়ুন: জানেন কি কেন পালন করা হয় মে দিবস? কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই দিনটিতে!

    মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার পরেই এল কাজ বন্ধের নোটিশ

    প্রসঙ্গত, শ্রমিক দিবস (International labour day) উপলক্ষে সকালেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুখ্যমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বার্তায় লেখেন,”আমাদের সকল শ্রমিক (Unemployed Workers) ভাই বোনকে জানাই আন্তর্জাতিক  শ্রমিক দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শ্রমিকরা আমাদের সমাজের সম্পদ। তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আমি সব সময় তাদের পাশে থাকি। বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার মত যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করা থেকে, কেন্দ্রের কাছ থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত রাজ্যের ৫৯ লক্ষ গ্রামীণ শ্রমিকের টাকা রাজ্যের নিজস্ব তহবিল থেকে মিটিয়ে দেওয়া, বরাবর আমরা সকল ক্ষেত্রে শ্রমিক ভাই বোনদের পাশে থেকেছি আগামীতেও থাকবো।” আর মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তার পরেই জানা গেল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি মহাকুমার বারানহাট (Banarhat) ব্লকের তোতাপাড়া চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote 2024: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    Lok Sabha Vote 2024: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে দ্বিতীয় দফার ভোট (Second Phase Vote) গ্রহণ। গরমের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ সকাল সকাল ভোট দিতে চাইছেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে লম্বা হচ্ছে ভোটারদের লাইন। আর ভোট শুরু হতেই অশান্তির ছবি রায়গঞ্জে। এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল খোদ তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের বিরুদ্ধে। গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জের (Raiganj) দেবীনগর ২৫নং ওয়ার্ডে। আহত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম শ্রীবাস ঢালি। ঘটনার পর তাকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    শুক্রবার সকালে রায়গঞ্জের দেবীনগর ২৫নং ওয়ার্ডে ভোটগ্রহন চলাকালীন তৃণমূল কর্মী শ্রীবাস বাবু স্থানীয় বুথের পাশে থাকা বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসেছিলেন। এরপর শ্রীবাস বাবুকে বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসতে দেখেই তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর (TMC Coordinator) অসীম অধিকারী ও তার অনুগামীরা। তৃণমূল কর্মী হয়ে বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসার অপরাধে অসীম অধিকারী ও তার অনুগামীরা শ্রীবাস বাবুকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অসীম অধিকারী।

    রায়গঞ্জের প্রার্থী কে কে?

    প্রসঙ্গত, আজ, ২৬ এপ্রিল দেশে দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ বাংলার ৩ কেন্দ্রেও। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, বালুরঘাট রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট (Lok Sabha Vote 2024) চলছে। এ বার রায়গঞ্জে প্রার্থী বদল করেছে বিজেপি। রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থী করেছে কার্তিকচন্দ্র পালকে। তৃণমূল প্রার্থী করেছে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে। আর কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা আলি ইমরান (ভিক্টর)-কে। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে এই ৩টি আসনই বিজেপির দখলে ছিল। এবারে ৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশ হলেই দেখা যাবে এই তিন কেন্দ্রে জয় কার হয়।

    আরও পড়ুন: ৩৭০ বিলোপের সুফল পাচ্ছে কাশ্মীর, পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় টিউলিপ বাগানে

    মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করানোর লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (Election commission) আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি নির্বিঘ্নে ভোট করাতে মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিক্ষিপ্ত কয়েকটি অশান্তির ঘটনা ছাড়া এখন পর্যন্ত বড় কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে কমিশনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Lok Sabha Election 2024: সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে শীতলকুচি। গণতন্ত্রের ভোট (Lok Sabha Election 2024) উৎসবে রেহাই পেলেন না সাধারণ ভোটারও। লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় ‘রক্তারক্তিকাণ্ড’ ঘটল। শীতলকুচিতে (Sitalkuchi) ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত ভোটার (Voter), পাথরে ক্ষতবিক্ষত হল চোখ। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। ভোট দিতে আসাই যেন কাল হল কোচবিহারের ওই বাসিন্দার।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    স্থানীয় জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন এক ভোটার। হঠাৎ অতর্কিতে হামলা হয়। দুষ্কৃতীদের আঘাতে চোখ ফেটে যায় ওই ভোটারের। এরপর যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, ক্ষত গভীর। আপাতত ওই ব্যক্তির চোখে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। ছেলের এই অবস্থা দেখে চোখে জল এসে গিয়েছে মায়ের। ভোট দিতে এসে এভাবে আক্রান্ত হতে হবে, ভাবেননি তাঁরা। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা তো চাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। কিন্তু সেটা আর ওরা কোথায় হতে দিল! ভোট দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়, মার খায়!’

    আক্রান্ত ভোটারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে শীতলকুচির আক্রান্ত ভোটার বলেন, “আমি সকালবেলা ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে গিয়েছিলাম। তখন ভোট কাউন্টার খোলেনি। আমি ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। কাউন্টার খোলার পর আমরা ভোট (Vote) দিই। বাড়ি ফেরার সময় পিছনে চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ শুনতে পাই। তৃণমূলের (TMC) লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি করছিল। আওয়াজ শুনে পিছন ফিরে দেখি পাথর ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। সেই পাথর এসেই আমার চোখে লাগে।” তৃণমূলের লোকেরাই সেই পাথর মেরেছে বলে দাবি করেন আক্রান্ত ভোটার। এছাড়াও তিনি বলেন, “তাঁকে পুলিশ কিংবা কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) কেউ হাসপাতালে নিয়ে যায়নি।”

    বিধানসভা ভোটে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এই কেন্দ্র। চলেছিল গুলি। আর সেখানেই এবার ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত হলেন ভোটার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভোটের মরশুমে এমন ঘটনায় হইচই পড়ে গেছে এলাকায়। কিন্তু এত বড় একটা ঘটনা ঘটল কীভাবে? কোথায় ছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা? কেন এগিয়ে এল না কেন্দ্রীয় বাহিনী? তা নিয়ে উঠছে বিস্তর প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে কার্যত পালিয়ে বাঁচলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার (Dinhata) বিধায়ক উদয়ন গুহ। এদিনের ছবি মনে করিয়ে দেয় সন্দেশখালির স্মৃতি। কোচবিহারের (Cooch Behar) ভেটাগুড়ি এলাকায় মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পুলিশকে সঙ্গী করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান উদয়নবাবু (Udayan Guha)। ঘটনায় সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা নিশীথ প্রমাণিক।

    উদয়নের বিরুদ্ধে মহিলাদের প্রতিবাদ (Cooch Behar)

    এলাকার (Cooch Behar) এক পঞ্চায়েত সদস্যকে আটক করার প্রতিবাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। ওই পঞ্চায়েত সদস্য আবার বিজেপি (BJP) নেতা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর পরেই প্রতিবাদ শুরু করেন স্থানীয় মহিলারা। উদয়ন গুহর অঙ্গুলিহেলনে এসব করা হয়েছে বলে তাঁদের মত। উদয়নবাবু এরপর জোর দেখাতে ওই এলাকায় এসেছেন বলে চেঁচাতে শুরু করেন প্রতিবাদীরা। তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

    মহিলাদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Cooch Behar) মহিলাদের বক্তব্য, “এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছিল। উদয়ন গুহ নিজের মতো ভোট করানোর জন্য পুলিশকে বলে পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসার পরেই এলাকার পরিস্থিতি অশান্ত হতে শুরু করে। প্রসঙ্গত ভোটের আগে দাপিয়ে বেরিয়েছিলেন উদয়ন গুহ। এদিনও বিভিন্ন জায়গায় তিনি দাপিয়ে বেড়ান। কিন্তু এলাকার মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে যেভাবে পালিয়ে গেলেন, তাতে তাঁর কতটা ইজ্জত শেষ রইল তা প্রশ্নাতীত।”

    নিশীথের বক্তব্য

    পাল্টা কোচবিহার (Cooch Behar) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কয়েকদিন আগে বলেছিলেন মা-বোনেদের ঝাঁটা হাতে তৈরি থাকতে। মা-বোনেরা তৈরি আছেন। এবার তিনি দেখুন মা-বোনেরা এগিয়ে এলে কেমন লাগে। গোটা বাংলা ধীরে ধীরে সন্দেশখালি হয়ে উঠছে। উদয়ন গুহ যেখানেই যাচ্ছেন অশান্তি করছেন। তাই মহিলারা বিক্ষোভ দেখাবেনই।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে

    কী বললেন উদয়ন?

    যদিও দিনহাটার (Cooch Behar) বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, “বিজেপির সাজানো বিক্ষোভ। কাউকেই গ্রেফতার করার নির্দেশ দিইনি। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা ভেবে গ্রেফতার করেছে বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা (Siliguri) কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে পুলিশের গ্রেফতারির চেষ্টায় উত্তেজনা ছড়াল শিলিগুড়িতে। বিজেপি বিধায়ককে আটকে দেয় পুলিশ। প্রথম দফার ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) উত্তরবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি আসন। শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র জলপাইগুড়ি আসনের অন্তর্গত। এর মধ্যে রয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত এলাকার ১৪ টি ওয়ার্ড। পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব পুলিশ লেলিয়ে অনৈতিকভাবে তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ শিখ চট্টোপাধ্যায়ের। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। উত্তেজনা ছড়ায়।

    ঠিক কী হয়েছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    ভোটের দিনে (Lok Sabha Election 2024) সকালে নিজের বিধানসভা (Siliguri) এলাকায় বুথে বুথে ঘুরে দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিচ্ছিলেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো তিনি দুপুরের পর শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছলে পুলিশ তাঁর গাড়ি আটকে সামনে বসে পড়ে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টাও করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন বিধি ভেঙে বুথের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন শিখাদেবী। পুলিশের এই ভূমিকায় বিজেপি নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ পিছু হটলে শিখাদেবীকে বের করে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান।

    “গৌতম দেবের নির্দেশেই পুলিশের এই কাজ”

    ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিনে এদিন দলীয় (Siliguri) কার্যালয়ে বসে শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি এলাকার বিধায়ক। কাজেই এই বিধানসভা কেন্দ্রের সব জায়গাতেই আমার যাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি এভাবে সকাল থেকে বুথে বুথে ঘোরায় শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব চিন্তায় পড়ে যান। তাঁর ওয়ার্ডে পৌঁছলে আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে লেলিয়ে দেন তিনি। কেননা আমি যেভাবে এলাকায় ঘুরছি, তাতে তাঁর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকবে। নিজের ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থীকে লিড দিতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে গৌতম দেবকে। সেই আতঙ্কে তিনি পুলিশকে দিয়ে আমাকে অনৈতিকভাবে গ্রেফতারের চেষ্টা করা করেন। পুরুষ পুলিশ আমাকে টানা-হ্যাঁচড়া করেছে, এটা শ্লীলতাহানির সমান। আমি নির্বাচন কমিশনকে পুরো ঘটনা জানাব।

    আরও পড়ুনঃ টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের বক্তব্য

    শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব বলেন, “এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ফুটেজে দেখেছি শিখা চট্টোপাধ্যায় বুথের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছেন নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিধি ভেঙে। উনি এভাবে নিজের বুথের বাইরে অন্য কোনও বুথের মধ্যে ঢুকতে পারেন না। আমরা সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    Jalpaiguri: টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার কার্ড নয়, এবার ভোটার স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির (Maynaguri) ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার ভোটাররা। গত ৩১ মার্চ বিধ্বংসী টর্নেডো ঝড়ে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি ব্লকের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ সর্বস্ব খুইয়েছেন। বহু মানুষের অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গে হারিয়ে কিংবা নষ্ট হয়ে গিয়েছে ভোটার কার্ড। তাই ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের যাতে ভোট দিতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য সেখানকার মানুষ ভোটের স্লিপ (voter slip) দেখিয়েই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্বাচন কমিশন আগেই ঘোষণা করেছিল।

    আগেই দেওয়া হয় ভোটের স্লিপ (Jalpaiguri)

    সেই মতো প্রশাসনের তরফ থেকে ভোটের আগে ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয় ভোটের স্লিপ। ঝড়ে ঘড়বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মন খারাপের মাঝেও ভোট নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে বিধ্বস্ত এলাকার বাসিন্দাদের। গ্রামের বাসিন্দা শিবু রায় বলেন, ‘ভোট দিতে কোনও সমস্যা হয়নি। আমি আধার কার্ড (Adhar card) দেখিয়ে ভোট দিয়েছি। অনেকের সব কাগজই হারিয়ে গিয়েছে। তাঁরা ভোটার স্লিপ দেখিয়ে ভোট দিচ্ছেন। অনেকে হাসপাতাল থেকে টোটো করে এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন।’

    ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার পাশে বিজেপি

    উল্লেখ্য ঝড়ের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ অন্যান্য বিজেপি (BJP) নেতারা ঝড়বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। পাশাপাশি ধুপগুড়ির (Jalpaiguri) সভায় এসে ঝড়বিধ্বস্ত মানুষদের পাশে থাকার কথা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) গলাতেও। তাই স্বাভাবিক ভাবেই ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার ভোটের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলেরও৷ গত ৩০ মার্চ বিকেলে বিধ্বংসী টর্নেডোয় তছনছ হয়ে গিয়েছিল জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার বেশ কিছু এলাকা। এই এলাকার মানুষ সম্পূর্ণ টিন দিয়ে নিজেদের বাড়ি তৈরি করে থাকেন। কয়েক মিনিটের ঝড়ের দাপটে খেলনার মতো উড়ে যায় একের পর এক বাড়ি। মানুষের সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলে ভাঙন! সুকান্তর হাত ধরে শয়ে শয়ে যোগদান বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলে ভাঙন! সুকান্তর হাত ধরে শয়ে শয়ে যোগদান বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে শুক্রবার যখন প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন চলছে, ঠিক সেই সময় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বোল্লা মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করলেন। এরপর এক যোগদান সভায় শয়ে শয়ে তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। এই ঘটনায় জেলা বিজেপি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    যোগদান কর্মসূচি (Sukanta Majumdar)

    ভোট প্রচারে বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের চকমাধব এলাকায় যান প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রায় ২৫০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে এদিনের যোগদান কর্মসূচি পালন করা হয়। বিজেপিতে যোগদান করে গ্রামবাসীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “চকমাধব গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ২ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা সমস্যায় রয়েছে। যার ফলে একবার ভোট বয়কটর ডাক দিয়েছিল গ্রামবাসীরা। রাস্তার সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এদিন ভোট প্রচারে গিয়ে সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন গ্রামবাসীরা।

    সুকান্তর বক্তব্য

    প্রচারে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আজ বোল্লা মায়ের কাছে পুজো দিয়ে বালুরঘাট ব্লকে ভোট প্রচার শুরু করলাম। প্রচারে লোকের উৎসাহ দেখে বুঝতে পারছি জয় নিশ্চিত। বালুরঘাট ব্লকের চকমাধব গ্রামে প্রচার করতে এসে প্রায় ২৫০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। কারণ তাঁদের গ্রামে যাবার রাস্তা বেহাল। আমি তাঁদের আশ্বাস দিলাম আমি জেতার পর সর্বপ্রথম এই রাস্তাটি সংস্কার করব।”

    শুট এন্ড সাইটের অর্ডার

    প্রসঙ্গত এদিন ছিল প্রথম দফার নির্বাচন। প্রথম দফাতেই অশান্তি শুরু। শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ডাবগ্রাম ফুলবাড়িতে বিজেপি নির্বাচনী বুথে আগুন সহ তিন জেলার অশান্তি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “ভোটে তৃণমূল কিছু করবে না, এটা হতে পারে না। সেই জন্য বারবার বলছি এই সিইও থাকলে নিরপেক্ষ ভাবে ভোট সম্ভব নয়। এই সিইও উস্কানিমূলক আচরণ করছে। ওনাকে সাসপেন্ড করা দরকার। স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে কমপক্ষে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া দরকার ছিল। তাঁদের শুট অ্যাট সাইটের অর্ডার দেওয়া দরকার ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে”, ভোট দিয়ে তোপ নিশীথের

    Nisith Pramanik: “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে”, ভোট দিয়ে তোপ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ভোটদান (Lok Sabha Election 2024) প্রক্রিয়া চলছে উত্তরবঙ্গের তিন আসনে। ইতিমধ্যেই নিজের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা কোচবিহার (Cooch Behar) লোকসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। এদিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭/২০৬ নং বুথে ভোট দিলেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বের হন তিনি। নিজের ভোট দিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে।”

    কী বললেন নিশীথ?

    শুক্রবার ভোটদান সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস করবার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করছে। বহু জায়গায় দুষ্কৃতীরা বুথ এজেন্টদের, সাধারণ ভোটারদের আটকাবার চেষ্টা করছে। আমাদের এখানকার মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরসভা নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। তাই গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    উদয়ন গুহ প্রসঙ্গে নিশীথের বক্তব্য

    উদয়ন গুহ প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছিলাম, উদয়ন গুহর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন কর্মীদেরকে প্রভাবিত করছেন, উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়ে চলেছেন, তাই সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা হচ্ছে, গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যতদিন তৃণমূল আছে, হিংসা হবেই। তবে এবার জনগণই প্রতিরোধ করছে। ভোট কিছুটা শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। তবে তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হলে আরও শান্তিপূর্ণ ভোট হত। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পেয়ে গিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।” উল্লেখ্য, অন্যদিকে সকাল থেকেই রাস্তায় রাস্তায় দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে (Udayan Guha)। প্রার্থী না হওয়া সত্ত্বেও উপদ্রুত এলাকাগুলিতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে এই তৃণমূল নেতাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল সাতটা নাগাদ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। দেড় ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভোট দিতে পারেননি। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, আপনার নাম বাতিল হয়ে গিয়েছে। এবছর কিছু হবে না। পরে দেখা যাবে। তিনি কাকে যেন ফোন করলেন, তবু কিছুই হল না। ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ধূপগুড়ির (Dhupguri) একজন বৃদ্ধা ভোটার। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জীবিত ভোটার খাতায় কলমে ‘মৃত’!

    ভোট দিতে গিয়ে দেখেন ভোটার ‘মৃত’ (Dhupguri)

    এদিন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বৈরাতিগুড়ি হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রে যান বাসন্তী দাস। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ১৫/১৮৬ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তিনি নাকি খাতায় কলমে মৃত। তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ হয়ে গেছে। কাঁদতে কাঁদতে এই ভোটার বলেন, “আমাকে বলেছে আমি নাকি মরে গেছি। আমার নাম কেটে দিয়েছে ওরা। ভোট দিতে দেবে না বলে মৃত দেখিয়ে দিল।”

    ভোটারের বক্তব্য

    ধূপগুড়ির (Dhupguri) ভোটার বাসন্তী দাস বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে বলেছেন, তাঁর কিছু করার নেই। ভোটার তালিকায় নাম নেই। ডিলিট হয়ে গেছে। তাই ভোট দিতে পারবেন না। তাই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই আমাকে।” বৃদ্ধার ছেলে উজ্জ্বল দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, “মা একা ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওখানে বলে তোমার নাম নেই। তুমি মৃত। মা বাইরে এসে আমাদের জানায়। ফের কথা বললে জানায়, নামের জায়গায় মৃত লেখা আছে। আমরা পরে বুঝে নেব। মা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারপরেও ভোট দিতে পারেননি। আমরা তো প্রতিবার এখানেই ভোট দিই। এবারে কী হল জানি না।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    ভক্তিনগর এলাকায় একই ঘটনা ঘটেছে

    অন্যদিকে একই ভাবে খাতায় কলমে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৪ নং ওয়ার্ডের বাল্মীকি বিদ্যাপীঠ স্কুলে। জানা গিয়েছে ভক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ রায় নির্ধারিত সময়ে ভোট দিতে আসেন। লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি যখন বুথে ঢোকেন তখন জানতে পারেন তালিকায় তাঁর নাম নেই। তিনি নাকি মৃত! তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্যক্তি নিজের পায়ে হেঁটে ভোটার লাইনে আসেন সেই ক্ষেত্রে কী করে তিনি মৃত হতে পারেন। এদিন গোবিন্দ রায় বলেন, “সকাল সকাল এসে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বুথে পৌঁছাতেই জানতে পারি তালিকা অনুযায়ী আমি মৃত। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভোট দিয়েছে। শুধু আমি ভোট দিতে পারলাম না।” বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের ভোটার নন। এমন সন্দেহ হলেই নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।

    ভোটের দিনেই অশান্তি

    প্রসঙ্গত এরকম একাধিক অভিযোগ উঠেছে তিন কেন্দ্রেই। বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এমনকি বিরোধী দলের এজেন্টকেও বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শাসক দল তৃণমূলের নেতারা বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক মারধর এবং অশান্তি করেছে খবর উঠে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিজেপি অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ধুপগুড়িতে (Dhupguri) জীবিত ভোটার এখন মৃত। ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। কোচবিহারের (Coochbehar) বিজেপি প্রার্থী (BJP) নিশীথ প্রামাণিক ভোট দিয়েই অভিযোগের সুরে বক্তব্য রেখে বলেন, উদয়ন গুহ যেখানে যাচ্ছেন অশান্তি পাকাচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমের গাড়িতেও হামলা করানো হচ্ছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু কোচবিহারে নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য কেন্দ্রেও উঠেছে রিগিং ও অনিয়মের অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে গেলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের উল্লাসে সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছন দিলীপ। দু’জনের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা হয়। প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটারও ব্যবস্থা করেছিলেন সুনীল। তবে বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছেন দুজনেই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন দলের কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না এই তৃণমূল নেতাকে। তিনি বলেন, “দল ডাকেনি তাই নামিনি।” অপর দিকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে প্রথম দফার ভোটে আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ।

    কী কারণে সুনীল-দিলীপের সাক্ষাৎ (Dilip Ghosh)?

    বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখেই দু-নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে সাংসদ সুনীল কুমার মণ্ডলের বাড়ি। তাঁর বাড়ির নাম অভিযান। কী কারণে সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সুনীলদা আমার পুরনো বন্ধু। আমার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হল। একই ভাবে সেই কেক খাওয়ানো হয়েছে আমাকে। কিছুই করছেন না তিনি। অনুরোধ না করতেই চলে এসেছি আমি। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। এখন দেখা যাক কী করেন তিনি, কোথায় যান।”

    প্রথম দফায় অশান্ত নির্বাচন! প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    প্রথম দফা নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের পুরনো অভ্যাস, কোথাও বোমা পাওয়া যাচ্ছে, বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। আমার যেটা মনে হচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গের ভোট শান্তিপূর্ণ হবে। যেমন রাম নবমীর মিছিল শান্তিপূর্ণ হয়েছে। টিএমসির অভ্যাস ঝগড়া করা, ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে থাকে। মানুষ বুঝে গিয়েছে, তাই জবাব দেবে মানুষ।” প্রসঙ্গত বর্ধমানের কার্জন গেট চত্বরে বিজেপির পতাকা ছেঁড়া হয়। এনিয়ে শুরু হয় অশান্তি। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “এসব ছিঁচকে চোরের মতো কোথাও দেওয়াল মুছে দিচ্ছে, পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছে। এসব করে ভোট হয়? যারা লড়তে পারে না, তারা এই ধরনের কাজ করে। তবে বেশিদিন চলবে না, ঠিক হয়ে যাবে। আমরাও দেখছি পুলিশ কী করছে, না হলে বাকিটা আমরাই করব।”

    আরও পড়ুনঃ কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে বক্তব্য

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা উদয়ন গুহর জায়গা, গন্ডগোল হবেই। ওরা যেকটা আছে গন্ডগোল করে। গতবারের শিতলকুচি, সীতাইয়ের প্রার্থী এবারের লোকসভার প্রার্থী হয়েছে, সে লোকসভা ভোটের পরে পালিয়ে গিয়েছিল এলাকা ছেড়ে, ছ’মাস আসেনি। আমরা বলেছিলাম কাউকে তাড়াব না আমরা। দিনহাটা, কোচবিহারে বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসা হয়, উৎপাত করা হয়। তারপরেও শীতলকুচি বিধানসভায় আমরা জিতেছি। এবার সব জায়গায় লিড পাবে বিজেপি।” অন্যদিকে প্রথম দফা ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অশান্তি। রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত ভোটের যা অভিযোগ, প্রায় সবই এই জেলা থেকে। রাজখরা, চান্দিমারি-সহ জেলার একাধিক জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। শীতলকুচি থেকেও তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share