Tag: North bengal

North bengal

  • Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপের মধ্যে চলছে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। শুক্রবার সকাল থেকেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (phase 1 Voting) শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে পাখির চোখ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও ভোটগ্রহণ শুরু হতেই একাধিক জায়গায় বিজেপির ওপর তৃণমূলের হামলার অভিযোগ উঠে এসেছে। এলাকা অশান্ত করে বুথ দখল, ছাপ্পা এবং অপহরণের চিত্র উঠে এসেছে সর্বত্র।

    কোচবিহার-জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্ত অশান্তি (Lok Sabha Election 2024)

    ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণের দিনে সকাল থেকেই কোচবিহারের কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর উঠে এসেছে। বিজেপির (BJP) তরফ থেকে ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঁচটি অভিযোগ জমা পড়েছে। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, কোথাও বা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে (BJP Polling Agent) ঢুকতে বাধা। এমনকী অপহরণেরও অভিযোগ এসেছে বিজেপির তরফে। শিলিগুড়ির কাছে জলপাইগুড়ি লোকসভায় ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় ভালোবাসা মোড়ে ৮৬ নং বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আবার জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভার ১৮/৯৭ বুথের দুটি বিজেপি পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

    শীতলকুচির গোসাইহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় ধাপের চাত্রা এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে যাবার সময় এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এদিন তিনি বড় ধাপের চত্রায় এলাকায় ২০১ নং বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন সেই সময় তৃণমূল (TMC) কর্মীরা তাঁকে বাঁশ দিয়ে মারধর করে। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আবার শালবাড়িতে বিজেপির এক যুব নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে বক্সিরহাট থানার শালবাড়ির ঘটনা। রাজগঞ্জের ১৮/২৫৪ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ অফিসের সামনে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণ

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপির পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে বুথ (Lok Sabha Election 2024) থেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। শুকারুরকুটির কুরশারহাটের ২২১ নম্বর বুথের সামনে থেকে বিজেপির পোলিং এজেন্টকে তৃণমূলের বাইক বাহিনী অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কোচবিহার দক্ষিণের চারটি কেন্দ্রে বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর

    বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

    দক্ষিণ কোচবিহারের গিরিয়াকুঠিতে বিজেপি সমর্থক কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, বেছে বেছে তাদের সমর্থকদের বাড়ি চিহ্নিত করা হচ্ছে। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। সমস্ত ঘটনায় প্রথম পর্বের ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে ভোটের (Loksabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় যে একেবারে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর মতে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। রাম নবমীর অশান্তির কারণ মমতা। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ঠিক এমনটাই জানান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার উস্কানিমূলক ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট হারাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ যদি আগেভাগে ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই ঘটনা ঘটার কথাই নয়। হিংসা নিয়ে সাত দিন ধরে চিৎকার করে গেছেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” রাম নবমীর অশান্তির কারণ হিসেবে মমতার ষড়যন্ত্রকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যপালকে যে ভাবে উত্তরবঙ্গে আসা থেকে আটকেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দার্জিলিং-এর বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার (Raju Bista) সমর্থনে প্রচার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ। আগেভাগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাম নবমীতে হিংসা হবে। এরপরই দেখা যায় বুধবার রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয়। আশপাশের বাড়ি থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এবার গ্রাউন্ড জিরো থেকে কোচবিহারের ওপর সরাসরি নজর দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের

    Lok Sabha Election 2024: এবার গ্রাউন্ড জিরো থেকে কোচবিহারের ওপর সরাসরি নজর দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভোটের ময়দানে যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে শুক্রবার থেকে। ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব রয়েছে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এবার বাড়তি নিরাপত্তার জন্য কোচবিহারকেই (Coochbehar) পাখির চোখ করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটগ্রহণ পর্বের দিন সেখানেই দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) রাখছে নির্বাচন কমিশন।

    একুশের বিধানসভা ভোট

    একুশের বিধানসভা ভোটের সময় তপ্ত হয়েছিল কোচবিহার। এবারও লোকসভা ভোটের আগে নিশীথ-উদয়নের মধ্যে বাকবিতণ্ডা লেগে রয়েছে। তাই অনেকেই মনে করছেন এমন অবস্থায় এবার গ্রাউন্ড জিরোয় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে চাইছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকরা।

    থাকবেন কমিশনের দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক

    বর্তমানে সময় বদলেছে। আর সময়ের সঙ্গে বদলেছে পরিস্থিতিও। আগে লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা ভোটের দিন দূর থেকেই অপারেশন করতেন। তবে এবার প্রথম ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) পর্বের দিন জেলায় হাজির থাকছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভোটের দুদিন আগে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে থাকবেন কমিশনের দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক। তারপর ভোটগ্রহণের দিন কোচবিহারে থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক।

    বিজেপি ভরসা রেখেছে নিশীথের ওপরেই

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। সেবার তৃণমূল কংগ্রেসের পরেশচন্দ্র অধিকারীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। এমনকী একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও এই কেন্দ্রের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্র দখলে রাখতে সফল হয়েছিল বিজেপি (BJP)। তাই এবারেও বিজেপির বিশ্বাস উত্তরবঙ্গে তাদের গড়ে ছক্কা হাঁকাবেন নিশীথ প্রামাণিক। উল্লেখ্য, রাজবংশীদের ভোট যেদিকে যাবে, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে সেই দলই জিতবে। এমন একটা সমীকরণ হয়ে রয়েছে এখানে। আর এই রাজবংশী সম্প্রদায়কে কাছে টানতে কোনও খামতি রাখছেনা তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবির। রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নিশীথ প্রামাণিককে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে এবং অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিজেপি(BJP)। ফলে বোঝাই যাচ্ছে এবারের লোকসভা নির্বাচনে নিশীথের ওপরেই ভরসা করে আছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছলে বলে কৌশলে চলছে তৃণমূলের রাজনীতি। রাজনীতি কথাটায় যে নীতি আছে, তার তোয়াক্কা অনেকেই করেন না। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির (jalpaiguri) একটি ঘটনাকে ঘিরে এমনই অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপির অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। ভোটের দুদিন আগে আবাস (PM Awas) যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন মমতার এই দূতেরা। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ এলাকার পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। টেবিল-চেয়ার পেতে রীতিমতো শিবির খুলে আবাস যোজনার ফর্ম পূরণ করানোর প্রক্রিয়া চলছে। উদ্যোক্তা পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) নেত্রী পাপিয়া দে। শিবির খোলার আগে এলাকায় প্রচার করা হয় আবাস যোজনার বাড়ি পেতে আগ্রহীরা শিবিরে যোগাযোগ করুন।

    রাজনৈতিক তরজা কেন?

    এই ঘটনা আদর্শ আচরণ (MCC) বিধি ভঙ্গের শামিল বলে দাবি বিজেপির। ভোটের মুখে এই ধরনের কাজ করা যায় না। যারা শিবিরে আসছে না তাদের বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণ করানো হচ্ছে। বাড়িতে পৌঁছে তৃণমূল কর্মীরা বলছেন, “আমরা দিদির হয়ে এসেছি। এবার দিদিই ঘর দেবেন। বাংলার আবাস যোজনার একটা ফর্ম দিয়ে যাচ্ছি। ভোটের পর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ এবছরের মধ্যেই আপনি ঘরের টাকা পেয়ে যাবেন। এবার কেন্দ্রের ভরসায় থাকতে হবে না।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী পাপিয়া দে সরকার বলেন, “২০১৮ সালে একটি সার্ভে করা হয়েছিল। ২০২৪ সাল হয়ে গেলেও কেন্দ্রের টাকা আটকে থাকায় অনেকে ঘর পাননি। মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছেন রাজ্যই এবার থেকে বাড়ি বানিয়ে দেবে। সেই মতোই স্থানীয়দের মধ্যে যারা ঘর পায়নি তাদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দিদি যেমন ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছেন, লোকসভা ভোট মিটে গেলে আবাস যোজনার টাকাও দেবেন। ২০১৮ সালে যাদের তালিকা নাম ছিল, যারা প্রকৃত দরিদ্র সীমার নীচে, তারা ঘর যাতে পায় সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রী’র

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির দাবি, তৃণমূল নির্বাচনে বিধি ভেঙে এসব কাজ করছে। স্থানীয় বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য নিতাই কর বলেন, “ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে এসব করা যায় না। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এসব কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু তার দলের লোকেরা পাড়ায় পাড়ায় এসব করে বেড়াচ্ছে। আসলে তৃণমূল হতাশায় ভুগছে। তারা জানে উত্তরবঙ্গে তারা ভালো ফল করতে পারবে না। তাই এসব করছে ওরা। একাধিক এলাকায় পঞ্চায়েতেও হেরেছে তৃণমূল। ঘর দেবে বলে সাধারণ মানুষকে দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো হচ্ছে। আর বাড়ি যখন আসবে তখন পঞ্চায়েত প্রধানের আত্মীয়, স্বজনেরা বাড়ি পাবে। যারা ঘর পাওয়ার যোগ্য তারা বঞ্চিত হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: উত্তরবঙ্গে শেষ বেলায় মনোজ টিগ্গার হয়ে জমকালো রোড শো-তে মহাগুরু  

    Mithun Chakraborty: উত্তরবঙ্গে শেষ বেলায় মনোজ টিগ্গার হয়ে জমকালো রোড শো-তে মহাগুরু  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের শেষ বেলার প্রচারে সোমবার আলিপুরদুয়ারে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। সকাল থেকেই ৮ থেকে ৮০ বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস নিয়ে আলিপুরদুয়ারের রাজপথে ভিড় জমিয়েছিলেন। ডিআরএম চৌপথী থেকে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) শহরের চৌপথী পর্যন্ত দলমত নির্বিশেষে বিএফ রোডের দু ধারে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। বিজেপির মেগা প্রচারে মহাগুরুর যোগদান এক অভূতপূর্ব মাত্রা যোগ করেছিল।

    কড়া গরমেও রোড-শো

    প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাজার হাজার মানুষ একবার তাঁদের প্রিয় নায়ককে দেখার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। কড়া গরমেও রোড-শো দেখলেন মানুষ। তবে মাধবমোড় এলাকায় এসে মিঠুন চক্রবর্তী প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত বোধ করায় হুডখোলা গাড়ি থেকে নেমে যান। এরপর তাঁর কনভয় আলিপুরদুয়ার চৌপথীর দিকে রওনা হয়।

    জনসংযোগে মিঠুন

    এদিন মিঠুনের রোড শো দেখতে বাড়ির ছাদে, রাস্তার ধারে ভক্তরা হাত নেড়েছেন। পাল্টা মিঠুন নমস্কার করেছেন সকলকে। তাঁর সঙ্গে হুড খোলা গাড়িতে ছিলেন বিজেপির (BJP)  প্রার্থী মনোজ টিগ্গা। মহাগুরু গাড়ি থেকে নেমে যেতেই বাকি পথ হেঁটেছেন বিজেপি প্রার্থী মনোজও (Manoj Tigga)। তবে মিঠুন গরমে একটু অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর রাস্তার পাশে বিজেপি কর্মীরা প্রার্থীকে হাওয়া করতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর স্থিতিশীল হন মিঠুন।

    লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    রাজনীতির উর্ধ্বে অন্য ছবি

    অন্যদিকে শহরের কালীবাড়ি এলাকায় জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শ্যামল রায় মিঠুন চক্রবর্তীর কনভয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়েন, তাঁর সঙ্গে হাত মেলাতে আসায় মিঠুন চক্রবর্তীও পাল্টা হাত এগিয়ে দিয়েছেন। রাজনীতির উর্ধ্বে এ যেন অন্য ছবি ধরা পড়ল আজ। মিঠুনের আলিপুরদুয়ার শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে প্রচার বেশ জমজমাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে মেগা প্রচারে নামছেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী

    Mithun Chakraborty: লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে মেগা প্রচারে নামছেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পরামর্শে এবার ফের ভোট প্রচারের ময়দানে মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এবার তাঁর প্রচার শুরু হবে উত্তরবঙ্গ থেকে। তাঁর অবতরণে বিজেপির প্রচারে এখন হাইভোল্টেজ গতি লাভ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী রবিবার ১৪ এপ্রিল আসন্ন লোকসভা ভোটে বিজেপির হয়ে আরও একবার মোদি সরকার গঠনের জন্য প্রচার শুরু করবেন তিনি। এরপর টানা তিন দিন উত্তরবঙ্গ সফরে থাকবেন তিনি। প্রথম দাফায় লোকসভার প্রচার এই রাজ্যে বেশ জমজমাট।

    র‍্যালি ও সভা করবেন মিঠুন

    আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ও কোচবিহারে (Coochbihar) দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে মিঠুনের র‍্যালি ও সভা রয়েছে। স্থানীয় দলীয় কর্মীদের আহ্বানে বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি, এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন পাখির চোখ বিজেপির। সেই লক্ষ্যেই উত্তরবঙ্গে বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে দলের উঁচুতলা থেকে নিচুতলার সমস্ত নেতা-কর্মীরা। কারণ উত্তরবঙ্গ এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। তবে দক্ষিণবঙ্গেও তারা প্রচারে হেলাফেলা করতে রাজি নয়। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি আসনে তাদের বাড়তি সুবিধা রয়েছে। সেই সমস্ত আসনেও মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামানো হবে এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। যেহেতু দক্ষিণবঙ্গে পরবর্তী দফাগুলিতে ভোট রয়েছে তাই আগেভাগে উত্তরবঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামাচ্ছে পদ্ম শিবির। প্রথম দফায় আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ভোট রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই সমস্ত আসনে আগেভাগেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রচার করে গিয়েছেন। শেষ বেলার প্রচারে মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামিয়ে বাজিমাত করতে চায় বঙ্গ বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে ঢাক বাজিয়ে ভোট প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    বিজেপির তারকা প্রচার মিঠুন

    রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই প্রচারে তারকা প্রচারক হিসেবে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপির হয়ে সুর চড়িয়েছেন। শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তাঁর ঠাসা কর্মসূচি ছিল এবারে। আবার লোকসভার ময়দানে তারকা প্রচারক হিসেবে দেখা যাবে এই মহাগুরুকে। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে বাংলার আবেগ জড়িয়ে আছে। সেই আবেগকেই কাজে লাগাতে চায় পদ্মফুল শিবির। শেষ বেলায় বাজিমাত করতে নিশীথ প্রামাণিক, মনোজ টিগ্গা এবং জয়ন্ত রায়ের সমর্থনে জনসভা, রোড শো সহ একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুরে দাঁড়ানো দূরের কথা, উঠে দাঁড়ানোই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে বামেদের পক্ষে। তাদের রক্তক্ষরণ অব্যাহত। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে লাল পতাকাধারীদের। একদিকে জোট নিয়ে জটিলতা, অন্যদিকে কর্মীরা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। এবার এসএফআইয়ের (SFI) প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা সিপিআইএমের (CPIM) জেলা কমিটির সদস্য সুরজিৎ সরকার দলবল সহ যোগ দিলেন বিজেপিতে। বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি (BJP) জেলা কার্যালয়ে এই যোগদান পর্ব আয়োজিত হয়।

    সুকান্তের উন্নয়নেই আকৃষ্ট হয়ে দলত্যাগ (Balurghat)

    দল ছাড়ার পর সিপিএমের তরফে দাবি করা হয়, সুরজিৎ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেউ দল ছেড়ে অন্য দলে গেলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কারের রেওয়াজ রয়েছে সিপিএমে। দলের তরফে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। ছিলেন জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। প্রসঙ্গত এই লোকসভা আসনে বালুরঘাট থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনিই এলাকার বর্তমান সাংসদ। যোগদানকারীদের দাবি, সুকান্ত মজুমদার যেভাবে বালুরঘাট জুড়ে উন্নয়ন করেছেন, তা দেখেই আকৃষ্ট হয়েছেন সুরজিৎ সরকার।

    বিজেপির সংগঠন মজবুত হল (Balurghat)

    সুরজিৎ যোগদানপর্ব শেষে বলেন, “সুকান্তবাবু বিরোধী দলে থেকেও নিজের এলাকার উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজনীতির রং দেখেননি। রাজ্যের শাসকের শত বাধা সত্ত্বেও একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করে তিনি অন্যদের কাছে উদাহরণ তুলে ধরেছেন। সবেচেয়ে বড় ব্যাপার তিনি সেরা সাংসদের পুরস্কার পেয়েছেন।” প্রসঙ্গত এদিনের যোগদানের ফলে এলাকায় বিজেপির সংগঠন মজবুত হল। অন্যদিকে আঞ্চলিক স্তরে তৃণমূল ও সিপিএমের সংগঠন অনেকটাই ধাক্কা খেল। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে এই জেলার চিত্রটা যে অনেকটাই বিজেপির অনুকূলে চলে এল, তা বলাই যায়। যদিও বামেদের দাবি, এতে তাদের কোনও ক্ষতি হবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Shah in Bengal: লক্ষ্য ৪০০ পার, ঝড় তুলতে মোদির পর বঙ্গে আসছেন শাহ

    Modi Shah in Bengal: লক্ষ্য ৪০০ পার, ঝড় তুলতে মোদির পর বঙ্গে আসছেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন জলপাইগুড়ির ধুপগুড়িতে (Dhupguri) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। উনিশে এপ্রিল লোকসভার (Loksabha Election 2024) প্রথম দফায় রাজ্যের তিনটি আসন জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও কোচবিহারে (Coochbehar) ভোটে রয়েছে। প্রথম দফার নির্বাচনে ইতিমধ্যেই প্রচারে ঝড় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তিনি জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সভা করে নতুন করে ঝড় তুলে দিয়ে যাবেন।

    প্রচার কর্মসূচি তৈরি (Modi Shah in Bengal)

    বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও ঝড় তোলার জন্য প্রচার কর্মসূচি তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রথম দফায় রাজ্যে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী এলেও দ্বিতীয় দফায় তাঁর দোসর হবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দ্বিতীয় দফায় ২৬শে এপ্রিল উত্তরবঙ্গের অপর তিনটি আসন দার্জিলিং (Darjeeling), রায়গঞ্জ(Rayganj) ও বালুরঘাটে (Balurghat) ভোট রয়েছে। যার জন্য দুটি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একটি সভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইতিমধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানিয়েছেন, ১৬ এপ্রিল দিনাজপুরে (South Dinajpur) দুটি সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। একটি সভা হবে রায়গঞ্জে ও অন্যটি বালুরঘাটে। শাহের সভা হবে বুনিয়াদপুরে। ১৬ই এপ্রিল বালুরঘাটের রেল স্টেশন মাঠে দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ সভা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তবে রায়গঞ্জের সভা কখন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই বিজেপির সূত্রের দাবি।

    শাহের সভা কোথায়? (Modi Shah in Bengal)

    শাহের সভা বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনের মাঠে দুপুর বারোটা নাগাদ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে শুধু অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি নয়, এই সভাগুলিতে রাজ্য বিজেপির তারকা প্রচারকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বক্তব্য রাখার জন্য। পাশাপাশি দ্বিতীয় দফার ভোটে বেশ কিছু মেগা র‍্যালির কথাও চিন্তাভাবনা করছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গ বিজেপির গড়। উত্তরবঙ্গ থেকেই সব থেকে বেশি সাংসদ, বিধায়ক পেয়েছে বিজেপি। সে কারণেই প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চায় না বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও উত্তরবঙ্গ থেকে ভালো ফলাফল হবে, এমনটাই ধারণা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উত্তরবঙ্গের গড় যাতে বেদখল না হয় তার জন্য সর্বোচ্চ শক্তিতে ময়দানে নামছে বিজেপি।

    তৃণমূলে তারকা প্রচারক কোথায়? (Modi Shah in Bengal)

    একদিকে উত্তরবঙ্গে যেখানে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও অমিত শাহ প্রচারে নামছেন, তখন তৃণমূলের প্রচার অনেকটাই ফিকে মনে হচ্ছে। রাজ্যের শাসক দলের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ছাড়া অন্য কোনও নেতার সেই প্রভাব নেই। তৃণমূলের নম্বর দুই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) উত্তরবঙ্গে ময়দানে নামালেও তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় তাকে প্রচারে নামালে অনেকটাই ব্যাকফুটে যাওয়া্র সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ সেক্ষত্রে  দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাসকের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়াবে বিজেপি। এমনিতেও মমতা ও অভিষেক ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রচারক বলতে আর কাউকেই উত্তরবঙ্গে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির হাতে অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীর মতো তারকা প্রচারক রয়েছেন। সুকান্ত মজুমদার নিজে বালুরঘাট আসন থেকে লড়লেও তিনি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন আসনে প্রচারের জন্য ছুটে যাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ মাস থেকেই শুরু হবে লোকসভা নির্বাচন। আর লোকসভা নির্বাচনের (Central Force for Election) প্রায় এক মাস আগে থেকেই রাজ্যে এসে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প করা হয়েছে তাঁদের। আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের জন্য প্রায় ৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়েছে। সেখানে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনে ক্যাম্প করে রয়েছেন তাঁরা। আর ক্যাম্পের রান্নাঘরে সিআরপিএফ জাওয়ানদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় জায়গায় করে নিয়েছে টাটকা তাজা সজনে ডাঁটা।

    সজনে ডাটার বিভিন্ন পদ

    বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। নির্বাচনী ডিউটি (Central Force for Election) করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে বংলায়। আর বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। তাই সজনে ডাঁটা, আলু, বেগুন ও বড়ি দিয়ে পাতলা ঝোল হোক কিংবা আলু, কাঁচকলা, উচ্ছে, বেগুন দিয়ে সজনে ডাঁটার শুক্তো অথবা সজনে ডাঁটার সর্ষে-পোস্ত বিভিন্ন স্বাদে জমিয়ে চলছে সজনে ডাটা খাওয়া।

    গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে বাংলায়

    গরমে টাটকা তাজা সবজির মধ্যে সজনে ডাঁটা অন্যতম। গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে (Central Force for Election) বাংলায়। আর সজনে ডাঁটার পুষ্টিগত গুণও নেহাত কম নয়। শরীর সতেজ এবং সুস্থ রাখতে তাই সজনে ডাঁটাকে আপন করে নিয়েছেন জওয়ানরাও। পাঞ্জাবের সুরিন্দর সিংই হোক বা ঝাড়খণ্ডের যশ পান্ডে অথবা বিহারের রাজেশ কুমার, রাজ্যের বাইরে থেকে আসা এই জাওয়ানদের কাছে সজনে ডাঁটার স্বাদ অবশ্য একেবারেই নতুন। তাই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনের সামনের বাজারে সকাল হলেই ভিড় জমিয়ে নানা শাক সবজি ব্যাগ ভর্তি করে কিনছেন তাঁরা। লাল শাক, বেগুন, পাট শাকের সঙ্গে বাজারের তালিকায় অবশ্যই থাকছে সজনে ডাঁটাও।

    ৮৬ জনের কোম্পানিতে রয়েছে, নাপিত-ধোপা-রাঁধুনিও

    প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারে জওয়ানদের মধ্যে ২ জন রাঁধুনি, একজন সাফাইকর্মী, একজন ধোপা ও একজন নাপিত রয়েছেন (Central Force for Election)। সকলে মিলে ৮৬ জনের কোম্পানি। কোম্পানি কমান্ডান্ট  হিসেবে আছেন সুরিন্দর। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে রয়েছেন  বিহারের বাসিন্দা রাজেশ কুমার। তাঁর হাতেই এখন বাংলার নিজস্ব সজনে ডাঁটা এবং অন্য শাকসবজি সুস্বাদু হয়ে উঠেছে। টাটকা রান্না করা সবজিতেই এখন মজেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই জওয়ানরা।

    কী বলছেন জনৈক জওয়ান

    রান্নার দায়িত্বে থাকা জওয়ান রাজেশ কুমার জানায়, “রোজ মেনু চার্ট মেনেই রান্না করা হয়। তবে আলিপুরদুয়ারে কিছুদিন ধরে সজনে ডাঁটা এবং বিভিন্ন ধরনের শাকও রান্না করছি। এগুলো খেতেও খুব স্বাদ। জওয়ানরা চেটেপুটেই খাচ্ছেন।” উল্লেখ্য জওয়ানদের কেউ গুজরাট, কেউ পাঞ্জাব কেউ বা হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা। ফলে বাঙালি খাবারের সঙ্গে তাঁদের দূর দূরান্তে কোনও সম্পর্ক নেই। তবুও তপ্ত গরমে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীদের ক্যাম্পের হেঁসেলে জায়গা করে নিয়েছে সজনে ডাটা। অর্থাৎ অবাঙালি জাওয়ানদের কাছে এখন হিট টাটকা তাজা সজনে ডাটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটার স্লিপ দিয়েই ভোট দিতে পারবেন উত্তরবঙ্গের ঝড়ে বিপর্যস্তরা, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোটার স্লিপ দিয়েই ভোট দিতে পারবেন উত্তরবঙ্গের ঝড়ে বিপর্যস্তরা, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বাসিন্দারা ভোটার কার্ড ছাড়াই ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে পারবেন। আগামী ১৯ এপ্রিল নির্বাচন রয়েছে জলপাইগুড়িতে। ওই দিন ভোটের লাইনে শুধু ভোটার স্লিপ নিয়ে দাঁড়ালেই ভোট দিতে পারবেন ঝড়ে বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা। উত্তরবঙ্গের কালবৈশাখী-বিধ্বস্ত জেলাগুলির সামগ্রিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দুর্যোগ কবলিত এলাকার ভোটারদের আশ্বস্ত করে এ কথা জানানো হয়েছে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    গত রবিবার বিকেলে কয়েক মিনিটের ‘মিনি টর্নেডো-তে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রচুর কাঁচা বাড়ি ভেঙে ঘরছাড়া হয়েছে শতাধিক পরিবার। প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ঘরগুলিতে থাকা বিভিন্ন দরকারি কাগজপত্রও খুঁজে পাচ্ছেন না বেশিরভাগ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কোন পরিচয়পত্র নিয়ে লোকসভা ভোট দেবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন অনেকে। তাঁদের সেই চিন্তা দূর করতেই এই পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সোমবার এপ্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানালেন, বিপর্যস্ত এলাকার মানুষরা শুধুমাত্র ভোটার স্লিপ দেখিয়েই তাঁদের ভোটাধিকার (Lok Sabha Election 2024) প্রয়োগ করতে পারবেন।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    কী বলল নির্বাচন কমিশন

    আগামী ১৯ এপ্রিল দেশ তথা রাজ্যে প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন হতে চলেছে। প্রথম দফায় নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) হবে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে। এপ্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের একজন আধিকারিক সাংবাদিকদের জানান, এটা একটি বিপর্যয় এবং এর ফলে জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রচুর মানুষের ঘরবাড়ি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেমনি তাঁরা প্রায় সবকিছুই হারিয়ে ফেলেছেন। এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের ভোটার আইডেন্টিটি কার্ড হয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা হারিয়ে গেছে। আমরা তাঁদের আশ্বস্ত করতে চাই যে এর জন্য চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। তাঁরা শুধুমাত্র ভোটার স্লিপ দেখিয়েই ভোটদান করে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে এটা তখনই সম্ভব হবে যখন কমিশনের প্রকাশিত ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম থাকবে। কমিশনের ওই আধিকারিক আরও বলেন, গত রবিবারের ঝড়ের ফলে মোট ১১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পোলিং স্টেশনগুলি পুনরায় মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share