Tag: North-East

North-East

  • Mizoram: ভারতের সবথেকে সুখী রাজ্য মিজোরাম! কেন জানেন?

    Mizoram: ভারতের সবথেকে সুখী রাজ্য মিজোরাম! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সর্বাধিক সুখী রাজ্য মিজোরাম (Mizoram)। সম্প্রতি একটি গবেষণার রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। গুরুগ্রামের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক রাজেশ কে পিলানিয়ার সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে অনেকের মনে হতেই পারে, কোনও দেশ বা রাজ্য কতটা সুখী, তা কীভাবে পরিমাপ করা যায়। তবে জানিয়ে রাখা উচিত, সেই নির্দিষ্ট দেশের মানুষের জীবনধারার উপর নির্ভর করেই এই সুখ পরিমাপ করা হয়।

    সব কাজই সমান

    সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুসারে, মিজোরাম (Mizoram) ১০০ শতাংশ সাক্ষরতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভারতের দ্বিতীয়। ভারতের সবচেয়ে শিক্ষিত রাজ্যের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কেরল। সুখের খোঁজ ছটি প্যারামিটারে করা হয়েছে। পরিবারের সম্পর্ক, কাজ, সামাজিক কাজ, মানবপ্রীতি, ধর্ম, কোভিডের কতটা প্রভাব পড়েছিল এই রাজ্যে, রাজ্যবাসীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা-এসবের নিরিখেই রাজ্যটি একেবারে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মিজোরামে সবাই কাজ করেন। মিজো সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েরা ১৬-১৭ বছর থেকেই কোনও না কোনও পেশার সঙ্গে যুক্ত। মানুষ এখানে কোনও কাজকেই ছোট মনে করেন না। এর জন্য তারা আরও বেশি অনুপ্রাণিত হয়। এছাড়াও এখানে ছেলে-মেয়ের মধ্যেও কোনও ভেদাভেদ নেই। একইসঙ্গে মিজো সমাজের পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই নিজেদের জীবন উপভোগ করার শিক্ষা দেওয়া হয়। ফলে এখানে মানুষ সুখে থাকেন।

    আরও পড়ুন: আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন কলকাতা পুলিশের সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার

    ছাত্র-শিক্ষক বন্ধুত্ব

    গবেষণায় মিজোরামের (Mizoram) এক ছাত্র জানিয়েছেন, সেখানকার শিক্ষকরা ছাত্রদের সেরা বন্ধু। এক ছাত্রের কথায়, “আমরা শিক্ষকদের সাথে কোনও কিছু ভাগ করতে ভয় পাই না বা লজ্জিত নই। আমাদের শিক্ষকরা নিয়মিত অভিভাবকদের সাথে দেখা করেন। যে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে তা সমাধান করতে এগিয়ে আসেন।” পড়াশোনার জন্য পিতামাতারা চাপ কম দেন। মিজোরামের সামাজিক কাঠামোও সেখানকার যুব সম্প্রদায়ের খুশি থাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা জানিয়েছেন, সেখানে পারিবারিক শিক্ষার জন্য যুব সম্প্রদায় সুখে থাকে। শুধু তাই নয়, তাদের সমাজে জাতিগত ভেদাভেদ নেই। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের অভিভাবকরাও কোনও নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নিতে জোর করেন না। এর ফলে তারা সুখে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Meghalaya Rainfall: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন?

    Meghalaya Rainfall: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে জলের নিচে আসামসহ উত্তর-পূর্ব (North-East) ভারতের একাধিক রাজ্য। বৃষ্টিপাত (Rainfall) থামার নামই নেই সেখানে। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে আসাম (Assam) ও মেঘালয়ে (Meghalaya)। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মেঘালয়ের দুই জায়গাতেই। এমনিতেই চেরাপুঞ্জি (Cherrapunji) এবং মৌসিনরামে (Mawsynram) দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এই বছর সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। আবহাওয়া দফতর এবং মেঘালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারে ১৯৯৫ সালের পরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে চেরাপুঞ্জির সহরা এলাকায়। আর ১৯৬৬ সালের পরে সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মৌসিনরামে। আধিকারিকরা জানান, সহরায় একদিনে ৯১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বুধবার, চেরাপুঞ্জিতে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮১১.৬ মিলিমিটার।    

    গত এক সপ্তাহে চেরাপুঞ্জিতে ৩৫৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগে ১৯৯৫ সালের ১৬ জুন এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছিল। পরিমাণ ছিল ১৫৬৩ মিলিমিটার। বিগত ১২২ বছরের বৃষ্টিপাতের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে চলতি বর্ষা।

    আরও পড়ুন: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ 

    আবহাওয়া দফতরের মতে, আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রবেশ করেছে। তার জেরেই এই বৃষ্টিপাত। বায়ুর গতিপথের দিকে চেরাপুঞ্জির অবস্থান হওয়ায় এই এলাকায় আদ্রতার পরিমাণ ভীষণ বেড়ে যায়। যদিও আবহাওয়া দফতরের মতে, প্রবল বর্ষার সময় যেতে শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে এবার বৃষ্টির পরিমাণও কমবে।

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪   

    এছাড়াও এই প্রবল বৃষ্টিপাতের আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। উত্তরের সমভূমি থেকে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত একটি খাদ রয়েছে। সেখান থেকেও প্রচুর জলীয় বাষ্প উত্তর-পূর্বে ঢুকেছে। ভৌগলিক কারণেই জলীয় বাষ্পকে ধরে রাখতে পারার মতো ক্ষমতা নেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যগুলির। তাই অন্যান্য জায়গার থেকে এমনিতেই এখানে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। আবহাওয়া দফতরের মতে, ধীরে এই মৌসুমি বায়ু পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের দিকে অগ্রসর হবে।   

     

  • Assam Flood: আসামে বন্যায় মৃত ৮২, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭ লক্ষ! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের

    Assam Flood: আসামে বন্যায় মৃত ৮২, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭ লক্ষ! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যা এবং ভূমিধস মিলিয়ে আসামে মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের। শেষ ২৪ ঘণ্টাতেই নিহত হয়েছেন ১১ জন। উত্তর-পূর্ব ভারতে (North East India) এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ১৩১ জনের। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (CM Himanta Biswa Sarma) সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। একটি ট্যুইট করে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister)।  কেন্দ্রের তরফ থেকে বন্যা কবলিত রাজ্যগুলিকে সাহায্যের বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ

    [tw]


       [/tw]

    আরও একটি ট্যুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করতে একটি আন্তঃমন্ত্রক কেন্দ্রীয় দল (IMCT) আসাম এবং মেঘালয়ের বন্যা কবলিত  এলাকা পরিদর্শন করবে। এর আগেও ২৬ থেকে ২৯ মে-র বন্যায় আইএমসিটি তাই করেছিল। 

    [tw]


    [/tw]

    আসামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। বন্যা কবলিত এলাকায় হেলিকপ্টারে করে ত্রাণ নিয়ে গিয়ে মাটিতে ছুঁড়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। উদ্ধারকাজে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না, এমন কড়া বার্তাও দেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

    আসাম বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের দৈনিক বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ওই রাজ্যে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। কাছাড় জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে বরপেটায়। বাজালি, কামরূপ, করিমগঞ্জ, উদলগুড়িতে এক জন করে মৃত্যুর খবর মিলেছে। ডিব্রুগড়ে চার জন নিখোঁজ হয়েছেন। কাছাড়, হোজাই, তমুলপুর, উদলগুড়িতে এক জন করে নিখোঁজ।

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪  

    আসাম বিপর্যয় মোকাবিলা সংস্থার (ASDMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেরাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮২। রাজ্যের ৩০ জেলায় অন্তত ৪৭ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বরপেটা, বক্সা, গোয়ালপাড়া আর কামরূপে।

    এদিকে মেঘালয়েও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তা নিয়ে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী সাংমা কনরাডের সঙ্গেও কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিকে আবহাওয়া দফতর সোমবার এই অঞ্চলের সাতটি রাজ্যে নতুন করে বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে। বুলেটিন অনুসারে, শুক্রবার পর্যন্ত আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

LinkedIn
Share