Tag: North India

North India

  • Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বাংলা নয়, তীব্র তাপপ্রবাহে কাহিল দেশের একাধিক রাজ্য। বুধবার ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতাও। সেই তালিকায় প্রথমেই আছে উত্তরপ্রদেশ। লখনউ, বারাণসীর মতো এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি।

    ভারতের কোথায় কোথায় গরম

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের পূর্বাংশ, গুজরাতের কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পুদুচেরী, কর্নাটকে তাপপ্রবাহ হতে পারে। তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ডেও। গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না দিল্লিবাসীরও। বুধবার থেকেই তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে সেখানে। তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি। আগামী তিন দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই রাজধানীতে।

    উষ্ণতম বছর

    ২০২৩ সাল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছরের তকমা পেয়েছিল। তবে মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সেই রেকর্ড হেসেখেলে ভেঙে ফেলবে। নয়া রেকর্ড তৈরি হতে পারে চলতি বছর। সমস্ত রেকর্ড চুরমার করে সর্বকালের সর্বাধিক উষ্ণ বছর হতে চলেছে এটি। এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০২৩ সালের থেকেও বেশি গরম পড়বে ২০২৪ সালে। গত বছর বিজ্ঞানীদের গণনা অনুযায়ী, ০.২ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল পৃথিবীতে। পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে এই ২০২৪ সালে। এর কারণ এল নিনো।

    দগ্ধ এপ্রিলের পর মে মাসেও গরমের লাল সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার বেশ কিছু অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কর্ণাটকের বেশ কিছু অঞ্চলে। আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতাও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে কাঁপছে সমগ্র উত্তর ভারত। কিন্তু ভোগান্তি এখানেই শেষ না। উত্তর ভারতের জন্যে আরও খারাপ খবর দিল হাওয়া অফিস। আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের (Cold Wave) পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। একজন আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের সমতলের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা -৪ ডিগ্রি অবধি নামতে পারে।

    লাইভ ওয়েদার অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, নবদীপ দাহিয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, ১৪ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা (Cold Wave) পড়তে পারে উত্তর ভারতে। ১৬-১৮ জানুয়ারির মধ্যে পারদ পতন হতে পারে সব থেকে বেশি। 
     
    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ট্যুইটে লেখেন, “১৪-১৯ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ (Cold Wave) চলবে। ১৬-১৮ জানুয়ারি তাপমাত্রা হবে সর্বনিম্ন। আমি আমার কর্মজীবনে তাপমাত্রায় এমন পতন দেখি নি। সমতলেই তাপমাত্রা থাকবে -৪ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।” ট্যুইটে আগামী সপ্তাহে উত্তরের সমভূমিতে শৈত্যপ্রবাহ কীভাবে চলবে তার গ্রাফিকও আপলোড করেছেন তিনি।

     


     

    তীব্র শৈত্যপ্রবাহে (Cold Wave) কাহিল উত্তর ভারত। দিল্লির সাফদারজংয়ে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পালামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পালাম এলাকায় সকালে দৃশ্যমানতা ছিল ৫০০ মিটার। সেই সময় সাফদরজং-এ দৃশ্যমানতা ছিল ২০০ মিটার ছিল। এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে মালা পরাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন যুবক

    এদিন ভোরে পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম রাজস্থান, জম্মু, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং ত্রিপুরার কিছু অংশে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা দেখা গিয়েছে। 

    হাওয়া অফিস (Cold Wave) ট্যুইট করে জানিয়েছে, “বর্তমান পশ্চিমী ঝঞ্জা এবং ফলস্বরূপ শক্তিশালী বাতাসের কারণে, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে কুয়াশার অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হয়েছে। যদিও পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা অব্যাহত রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত (India)। টানা চার দিন ধরে বৃষ্টি চলছে হিমাচল প্রদেশে (Heavy Rain)। নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে জনজীবন বিপর্যস্ত দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরাখণ্ডে। শোচনীয় অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে মৃতের সংখ্যা ৮০। ধস, হড়পা বান, জলের তোড়ে জাতীয় সড়ক এবং সেতুও ভেসে গিয়েছে এ রাজ্যে।

    শোচনীয় অবস্থা হিমাচলের

    গোটা হিমাচলের মধ্যে সব চেয়ে করুণ দশা উনা, মান্ডি, হামিরপুর, বিলাসপুর, চম্বা, কাংড়া, কুলু, সিমমুর, কিন্নৌর এবং শিমলার। ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে ইরাবতী, শতদ্রু, বিতস্তা এবং চন্দ্রভাগা নদী। রাজ্যের অন্য (Heavy Rain) নদীগুলির জলও বইছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে সোলান উপত্যকায়। কেবল রবিবারই সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৫ মিলিমিটার। রাজ্যের ২৯টি জায়গায় হয়েছে হড়পা বান। ধস নেমেছে ৪১টি জায়গায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে হিমাচলের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে রয়েছেন ৩০০ পর্যটক।

    মৌসম ভবনের পূর্বাভাস

    দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, হিমাচল প্রদেশে সামান্য কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। তবে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বিহার, উত্তরাখণ্ড এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশে। এদিকে, পঞ্জাবের সাঙ্গরুরে ঘর্ঘরা নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আট জনের। হরিয়ানায় মৃতের সংখ্যা ৭। হিমাচল প্রদেশের (Heavy Rain) পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় ধস নেমেছে উত্তরাখণ্ডের বহু জায়গায়। আজ, বুধবার নৈনিতাল, চম্পাবৎ, পৌড়ি এবং উধম সিংহ নগরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। দুর্যোগের জেরে ফের স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে কেদারনাথ যাত্রা। প্রবল ধারাপাতের জেরে বহু দর্শনার্থী আটকে পড়েছন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে।

    আরও পড়ুুন: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, চলল গুলি, মৃত তিন আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    শোচনীয় অবস্থা দিল্লিরও। বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা নদীর জল। হরিয়ানার হাতিকুণ্ড বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় প্লাবিত হয়েছে দিল্লির নিচু এলাকাগুলি। বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির জেরে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। বন্যা পরিস্থিতি ও যমুনার জলস্তরের ওপর নজরদারি করতে ১৬টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ বিলির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৫০টি মোটরবোট। প্রয়োজনীয় ওষুষ সহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডুবুরি এবং মেডিক্যাল টিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লির মাটি, কাঁপল উত্তরাখণ্ডও

    Delhi Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লির মাটি, কাঁপল উত্তরাখণ্ডও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Delhi Earthquake) কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ উত্তরভারতের বেশ কিছু এলাকা। উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে কম্পন অনুভূত হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুন, পিথোরাগড় ও আলমোড়াও আজ দুপুরের ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। কম্পন এতটাই জোড়ালো ছিল যে অনেকেই ভয়ে বাড়ি এবং অফিসের বাইরে বেরিয়ে আসেন। প্রায় ২৫ সেকেন্ড অনুভূত হয় কম্পন। এখনও অবধি ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর আসেনি।   

    ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির মতে, মঙ্গলবার দুপুর ২.২৮ মিনিটে ভূমিকম্প (Delhi Earthquake) হয়েছিল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৮। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নেপালের ভূপৃষ্ট থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

     


      

    সম্প্রতি বার বার কেঁপেছে ভারত 

    এর আগে ৫ জানুয়ারিও দিল্লি-এনসিআরে বেশ জোড়ালো ভূমিকম্প (Delhi Earthquake) অনুভূত হয়েছিল। সেই সময় জম্মু-কাশ্মীরও কেঁপে ওঠে। তখন ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৯। সেই সময় ভূমিকম্পের উৎস ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চল।   

    বছরের প্রথম দিনেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প (Delhi Earthquake) অনুভূত হয়েছিল। পয়লা জানুয়ারি রাত ১১টা ২৮ মিনিটে, মেঘালয়ের নংপোহে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৩.২। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নংপোহ ভূমি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে। এর আগে বছরের শেষে ২৭-২৮ ডিসম্বর রাতে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী থেকে নেপাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রথম কম্পন অনুভূত হয় নেপালের বাগলুং জেলায়। এরপর দ্বিতীয় কম্পন অনুভূত হয় খুঙ্গার আশেপাশে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩।

    আরও পড়ুন: যখন বিশ্বজুড়ে চলছে ছাঁটাই, তখনই স্রোতের বিপরীতে গিয়ে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জোম্যাটোর     

    প্রসঙ্গত, ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) ভূমিকম্পের (Delhi Earthquake) ভিত্তিতে গোটা দেশকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করেছে। দেশের ৫৯ শতাংশই ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। পঞ্চম জোনটি ভূমিকম্পের জন্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং সক্রিয় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই জোনের রাজ্য এবং অঞ্চলগুলিতে ধ্বংসের সম্ভাবনা সর্বাধিক। পঞ্চম জোনের মধ্যে রয়েছে দেশের ১১ শতাংশ। চতুর্থ জোনে রয়েছে ১৮ শতাংশ। তৃতীয় ও দ্বিতীয় জোনে ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকি প্রবণ হল চতুর্থ ও পঞ্চম জোনের এলাকাগুলি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share