Tag: Northeast Frontier Railway

Northeast Frontier Railway

  • Railway Recruitment: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে ৫,৬৪৭টি অ্যাপ্রেনটিস পদে নিয়োগ হচ্ছে, কী যোগ্যতা লাগবে?

    Railway Recruitment: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে ৫,৬৪৭টি অ্যাপ্রেনটিস পদে নিয়োগ হচ্ছে, কী যোগ্যতা লাগবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে (Railway Recruitment) অ্যাপ্রেনটিস পদে প্রচুর পরিমাণে কর্মী নিয়োগ হতে চলেছে। চাকরিতে কারা আবেদন করতে পারবেন তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কত কর্মী নিয়োগ করা হবে তাও উল্লেখ রয়েছে। অধিকাংশ টেকনিক্যাল বিভাগে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যে আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ চলছে। কতদিন পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কত কর্মী নিয়োগ করা হবে? (Railway Recruitment)

    রেল (Northeast Frontier Railway) সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে ৫ হাজার ৬৪৭টি অ্যাপ্রেনটিস (Railway Recruitment) পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ম্যাট্রিকুলেশন (দশম শ্রেণি) এবং আইটিআই নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে। যোগ্য প্রার্থীরা এনএফআর-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নভেম্বর ৪ তারিখ থেকে আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া চলবে।  

    আরও পড়ুন: ভারতে আগেই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’! নিজ্জর-ঘনিষ্ঠ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গ্রেফতার কানাডায়

    কোথায় কত কর্মী নিয়োগ?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে (Railway Recruitment) একাধিক বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে। জানা গিয়েছে, কাটিহার (KIR) এবং তিন্ধরিয়া (TDH) কর্মশালা: ৮১২টি পদ রয়েছে। আলুপুরদুয়ার (APDJ): ৪১৩টি পদ রয়েছে।  রাঙ্গিয়া (RNY): ৪৩৫টি পদ, লুমডিং (এলএমজি): ৯৫০টি পদ রয়েছে। তিনসুকিয়া (TSK): ৫৮০টি পদ রয়েছে। নতুন বোঙ্গাইগাঁও ওয়ার্কশপ (NBQS) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ (EWS/BNGN): ৯৮২টি পদ রয়েছে। ডিব্রুগড় ওয়ার্কশপ (DBWS): ৮১৪টি ​​এবং মালিগাঁওয়ে এনএফআর-এর সদর দফতর (HQ): ৬৬১টি পদ রয়েছে।

    যোগ্যতা কী?

    এনএফআর শিক্ষানবিশ নিয়োগে (Railway Recruitment) যোগ্যতার জন্য আবেদনকারীদের আবেদনের শেষ তারিখ অনুযায়ী ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে। প্রার্থীদের অবশ্যই কমপক্ষে ৫০ শতাংশ মোট নম্বর সহ তাদের ম্যাট্রিকুলেশন পাশ হতে হবে। আর চাহিদা মতো ট্রেডে আইটিআই সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

    নির্বাচন প্রক্রিয়া

    নির্বাচন প্রক্রিয়া (Railway Recruitment) মেধা-ভিত্তিক এবং ইউনিট। আর সম্প্রদায় বিভাগ বিবেচনা করে। প্রতিটি ইউনিটে ম্যাট্রিকুলেশন এবং আইটিআই-তে প্রার্থীদের স্কোরের ভিত্তিতে একটি মেধা তালিকা তৈরি করবে। চূড়ান্ত নির্বাচন উভয় স্কোরের গড় হিসেবে গণনা করা হবে। আবেদন ফি? আবেদনের ফি হল ১০০ টাকা। তবে, এসসি, এসটি, বিডব্লুবিডি, ইবিসি বিভাগ এবং মহিলাদের প্রার্থীদের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা প্রতি পরিবর্তনের জন্য ৫০ টাকা ফি দিয়ে জমা দেওয়ার পরে তাদের আবেদন সংশোধন করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অবহেলিত বুনিয়াদপুর স্টেশনের শ্রী ফেরাতে উদ্যোগী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অবহেলিত বুনিয়াদপুর স্টেশনের শ্রী ফেরাতে উদ্যোগী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে রেল প্রকল্পকে সামনে রেখে প্রচারে নামলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যেই অর্থ বরাদ্দ করেছে রেল। লোকসভা নির্বাচনের আগে জেলায় রেলের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে প্রচারে নেমেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের হস্তক্ষেপে খুব শীঘ্রই রেলের উন্নয়নমূলক কাজের শুভারম্ভ হবে, এমনটাই প্রচার চলছে জেলাজুড়ে।

    বুনিয়াদপুরে কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে?

    জেলার মধ্যে দীর্ঘদিন থেকেই বুনিয়াদপুর রেল স্টেশন অবহেলিত। এখনও দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম না থাকার কারণে ট্রেন থেকে যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপ দিয়ে নামতে হয়। বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে ওয়াগন ফ্যাক্টরি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে। বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনই দুরপাল্লার ট্রেন ধরতে কুশমণ্ডি, হরিরামপুর ও বংশিহারি ব্লকের মানুষের একমাত্র ভরসা। রেল স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের খবর জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া জেলা জুড়ে। বুনিয়াদপুর স্টেশনের দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য ৩.৩২ কোটি ও ফুটব্রিজ তৈরির জন্য ৯.১৯ কোটি সহ প্রায় ১৩ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের তরফে এই উন্নয়নের কাজ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই স্টেশন উন্নয়নে কেউ উদ্যোগ নেয়নি। স্থানীয় সাংসদের (Sukanta Majumdar) উদ্যোগেই এবার শ্রী ফিরতে চলেছে স্টেশনের।

    রেল প্রকল্পের কাজ নিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এর আগে তৃণমূলের সাংসদ শুধু পার্লামেন্টে গিয়েছেন, জেলার মানুষের জন্য কিছুই করেননি। জেলার মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছে, আমি বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর এবং বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনের মানোনয়ন্ত্রের জন্য রেলমন্ত্রীর কাছে দরবার করি। আমার জেলার মানুষ যেন ভালো রেল পরিষেবা পান সেটা তুলে ধরি। রেলমন্ত্রী আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে বুনিয়াদপুর রেল স্টেশন উন্নয়নের জন্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। তৃণমূল একে লোকসভা ভোটের প্রচার বলছে। তাদের সাংসদ করতে পারেননি কেন? আর আমরা দায়িত্ব নিয়ে করে দেখিয়ে দিলাম। কেন্দ্রকে দিয়ে জেলায় রেলের আরও উন্নয়নমূলক কাজ করাব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সাংসদের এটা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। লোকসভা নির্বাচনের আগে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) এর কৃতিত্ব নিতে চাইছেন। আমরা আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি এতদিন করতে পারেননি কেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে এমন চমক দিয়ে কোনও লাভ নেই। জেলায় বিজেপির কোনও সংগঠন নেই। আর সাংসদ জেলায় থাকেন না। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা তিনি কী বুঝবেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: এবার রেল-সূত্রে ভারতের সঙ্গে বাঁধা পড়তে চলেছে ভুটানও?

    Indian Railways: এবার রেল-সূত্রে ভারতের সঙ্গে বাঁধা পড়তে চলেছে ভুটানও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৈত্রীর বন্ধনে বাঁধা গিয়েছে নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশকে (Bangladesh)। দু’দেশের মধ্যে চালু হয়েছে রেল যোগাযোগ। ঝমঝমিয়ে চলছে মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitree Express), বন্ধন এক্সপ্রেস (Bandhan Express) সহ আরও কয়েকটি ট্রেন। বাংলাদেশের পরে নেপালের (Nepal) সঙ্গেও হয়েছে রেল যোগাযোগ। এবার রেল-সূত্রে ভারতের সঙ্গে বাঁধা পড়তে চলেছে ভুটানও (bhutan)। অসমের (assam) কোকড়াঝাড় থেকে ভুটানের গেলেফু পর্যন্ত ৫৭.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ বসানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে শিগগিরই। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টিয়ার রেলকে (northeast frontier railway) প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    ২০০৫ সালে ভুটানের সঙ্গে ভারতের রেল যোগাযোগের চুক্তি হয়। ঠিক ছিল, মোট পাঁচটি রুটে চলবে ভারত-ভুটান ট্রেন। তবে পাঁচটি নয়, এখন একটি রুটেই রেল চালু হচ্ছে। ভারতের যে অংশে রেললাইন পাতা হবে তার সিংহভাগই সমতল। তবে ভুটানের দিকের বেশিরভাগটাই পাহাড়ি এালাকা। ভারত-ভুটান রেল পাতার জন্যে আপাতত হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল। গোটা পথটাই ব্রডগেজ হবে বলে রেল সূত্রে খবর।

    করোনা আবহে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সম্প্রতি ফের চালু হয়েছে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস (Kolkata-Dhaka Maitree Express)। খুলনা যাওয়ার বন্ধন এক্সপ্রেসও চালু হয়েছে। চালু হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকা মিতালি এক্সপ্রেসও (NJP-Dhaka Mitali Express)। ইতিমধ্যেই ট্রেনে চড়ে নেপালে যাওয়ার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে আইআরসিটিসি (IRCTC)। জুনেই যাওয়া যাবে নেপালের জনকপুরে। রামায়ণ খ্যাত রামজানকীর মন্দির রয়েছে এখানে।

    ভ্রমণরসিকদের সিংহভাগই রেলভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। ছবির মতো দেশ ভুটান যেতে এতদিন ভরসা ছিল কেবল বাস কিংবা প্রাইভেট কার। যাওয়া যেত আকাশপথে। তবে তাতে গাঁটের কড়ি খসত বেশি। এবার যাওয়া যাবে ট্রেনে করেই। এতে একদিকে যেমন ঘুঁচবে দূরত্ব, তেমন জার্নি হবে মসৃণ। সাশ্রয় হবে অর্থও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

     

     

  • Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে আসামে (Assam)বন্যা (Flood)পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার নিয়েছে। টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি (Heavy Rain) চলছে। আসামে ৬ মে থেকে ৫৪৫.৬৬ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জাতীয়সড়ক এবং পাঁচটি রাজ্যসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও মোবাইল সংযোগ নেই। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামের পর গ্রাম। আসামের ২০টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত লাখ দুয়েক বাসিন্দা। প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ বাড়ি-ঘর ছেড়ে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরগুলিতে (Relief Camps) আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিটি এলাকা এক-একটা দ্বীপের চেহারা নিয়েছে। জেলাসদর হাফলঙের সঙ্গে মাইবাঙের যোগাযোগ নেই। কারণ ধসের পর ধস নেমেছে আসামের ওই পাহাড়ি জেলায়। এমনকি শহরতলি জাটিঙ্গায়ও যাওয়া-আসা বন্ধ। বহু জায়গায় রেল ট্র্যাক মাটির তলায়,সড়কের ওপর দিয়ে বইছে জলস্রোত।

    জেলার প্রতিটি রেলস্টেশনের চেহারা বদলে গিয়েছে। হাফলঙ স্টেশনে হাঁটুসমান কাদা। একটি ফাঁকা ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। পাহাড় ভেঙে জল-কাদা গড়িয়ে যাওয়ার সময় এর পাঁচ-ছয়টি কামরাকে সরিয়ে দিয়েছে। সেগুলি কাত হয়ে দূরে পড়ে আছে। সেখানে অনেকটা জায়গা জুড়ে ট্র্যাক নিশ্চিহ্ন। আরও বহু জায়গায় ট্র্যাকের নীচে থেকে মাটি সরে গিয়েছে। দাওতুহাজা ও ফাইডিংয়ের মধ্যবর্তী তিনশো মিটার এলাকা রেললাইন ঝুলন্ত সেতুর চেহারা নিয়েছে। নিউ হাফলঙে টানা বর্ষণের রেললাইনে ধসের জেরে ট্রেনের মধ্যেই আটকে পড়েছিলেন প্রায় ২৮০০ যাত্রী। কোনওরকমে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। বায়ুসেনার কপ্টারে করে অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিমা হাসাও জেলায় লুমডিং শাখায় দুটি ট্রেন আটকে পড়েছিল। ওই দুটি ট্রেনের মধ্যে ছিলেন বেশ কয়েকজন যাত্রী। বন্যা পরিস্থিতি ও ধসের জেরে প্রাণ হাতে নিয়ে কার্যত আতঙ্কের প্রহর গুনছিলেন তাঁরা। শেষমেশ তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     এই পরিস্থিতিতে ২৫ জোড়া ট্রেন বাতিল করল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। আসামের Dima Hasao এলাকায় ভূমিধসের কারণে ত্রিপুরা, মিজোরাম ও দক্ষিণ অসমের এলাকায় চলাচলকারী ওই ট্রেনগুলিকে বাতিল করেছে Northeast Frontier Railway। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে রেললাইন মেরামতির কাজ। যে সমস্ত ট্রেন বাতিল ও আংশিক বাতিল করা হয়েছে সেগুলির মধ্যে আছে Agartala–Anand Vihar Tejas Rajdhani এক্সপ্রেস, Bangalore Cant –Agartala এক্সপ্রেস, Agartala – Secunderabad এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। 

    [tw]


    damaged because of the heavy-rain induced flash flood and landslide.#AssamFloods #AssamFloodUpdates #AssamNews #haflongflood @RailNf @RailMinIndia pic.twitter.com/PatgR9U0eC— Farhan Ahmed (@farhan_assam) May 16, 2022

    [/tw]

    আসামের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (Assam Disaster Management Department) তরফে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে কাছাড় (Kachar) এলাকা। ওই জেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ। কাছাড়ের সাড়ে ছ’শোরও বেশি গ্রাম বন্যার কবলে। বাড়ছে বন্যার জলে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা। করিমগঞ্জ জেলায়ও নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।  বন্যা পরিস্থিতিতে অসমে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। কয়েকজন নিখোঁজ বলেও জানা গিয়েছে। প্রায় ৬৬ হাজার ৬৭১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ১৬ হাজার হেক্টর জমি জলে ডুবে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। জলের তোড়ে তমালপুর জেলায় বোরোলিয়া নদীতে ভেসে গিয়েছে বাঁশের সেতু। অসমের জোরহাট (Jorhat), নওগাঁ (Naugaon ) জেলার পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগের। নগাঁও জেলায় কপিলি নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ব্রহ্মপুত্রের জলও বিপদসীমার উপরে। এর মধ্যে জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ নেই। বিঘ্নিত হচ্ছে জল সরবরাহ। মিলছে না ইন্টারনেট পরিষেবাও।

    আরও পড়ুন : সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকল আন্দামানে, রাজ্যেও বৃষ্টির পূর্বাভাস

LinkedIn
Share