Tag: NRC

NRC

  • Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলায় এনআরসি চালুর দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে নানা কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে জঙ্গিযোগের উদাহরণ দিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি ভোটার রয়েছে। না হলে শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে? তিনি বলেন, উত্তরাখণ্ডে, গুজরাটে এনআরসি হয়েছে।মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। এনডিএ শাসিত রাজ্যে এনআরসির কাজ চলেছে।’’

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমি তো মনে করি সমস্ত দল মিলে এনআরসির দাবি তোলা দরকার। আসুন না সবাই মিলে বলে… উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, অন্য স্টেট করছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে কাজ। আপনাকে আমি জিজ্ঞাসা করছি, শাদ রাদি ভোট দিল কীভাবে! হরিহরপাড়া থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ অসম, বাংলার পুলিশ নয়, সে দুবার ভোট দিল। বাংলাদেশের জঙ্গি সে দুবার ভোট দিল কীভাবে? স্বাভাবিকভাবে এই রাজ্যে অবৈধ ভোটার আছে। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনও ভূমিকা নেই।’’

    গতকাল রবিবার ভবানীপুরে হাজির ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    গতকাল রবিবার অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সম্মেলন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। সেখানেই হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এখানেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘সমস্ত দল মিলে এনআরসি-র (NRC) দাবি করা উচিত। ভারতীয় নাগরিক হলেই ভোটার লিস্টে নাম উঠবে। আধার কার্ড থাকবে। এটাই করুন না। উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। অন্য রাজ্যও করছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এই কাজ শুরু করেছে। আমাদের বাংলা বর্ডারিং স্টেট। আমাদের পাশেই বাংলাদেশ-নেপাল-ভূটান। আমরা এনআরসি করে কে ভারতীয় নাগরিক আর কে নয় তা চিহ্নিত করে দিই।’’ প্রসঙ্গত, বিজেপি অনেক দিন ধরেই দাবি করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এখানে ভোটার লিস্টে নাম তুলে দিচ্ছে তৃণমূল। এবার সেই ইস্যুতে ফের একবার সরব হলেন শুভেন্দু।

  • No NRC No Aadhaar: এনআরসির আবেদন না করলে, বাতিল হবে আধার কার্ডের আবেদন, বড় সিদ্ধান্ত হিমন্তর

    No NRC No Aadhaar: এনআরসির আবেদন না করলে, বাতিল হবে আধার কার্ডের আবেদন, বড় সিদ্ধান্ত হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআরসির জন্য আবেদন না করলে, বাতিল হয়ে যাবে আধার কার্ডের আবেদন (No NRC No Aadhaar)। বুধবার এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে অশান্তির জেরে নিত্য বাড়ছে অনুপ্রবেশের ঝুঁকি। তাই নাগরিকত্ব নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে অসম সরকার (Assam Govt)।

    অনুপ্রবেশের চেষ্টা (No NRC No Aadhaar)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সম্প্রতি অশান্ত বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ অনুপ্রবেশের (Bangladeshi Infiltration) চেষ্টা করেছে। গত দু’মাসে বহু অনুপ্রবেশকারীকে আটক করেছে অসম পুলিশ, ত্রিপুরা পুলিশ এবং বিএসএফ। তাই বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ আমাদের কাছে উদ্বেগের। আমাদের নিজস্ব সিস্টেম আরও শক্তিশালী করতে হবে।” তিনি বলেন, “সেই কারণেই আধার কার্ডের প্রক্রিয়া (No NRC No Aadhaar) আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” অসম সরকারের (Assam Govt) সিদ্ধান্ত, এবার থেকে জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট ও রাজ্য সরকার আধার কার্ডের (Aadhaar Card) আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নোডাল এজেন্সি হিসেবে কাজ করবে। তারাই যাবতীয় আবেদন খুঁটিয়ে দেখবে। আবেদনপত্র যাচাইয়ের জন্য প্রতিটি জেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা কমিশনার নিযুক্ত থাকবেন।

    এনআরসির আবেদন

    জানা গিয়েছে, প্রাইমারি ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাইয়ের পর ইউআইডিএআই সেই আবেদনপত্র পাঠাবে রাজ্য সরকারের কাছে, যাচাইয়ের জন্য। স্থানীয় সার্কেল অফিসার প্রথমেই দেখবেন, যিনি আধার কার্ডের জন্য আবেদন করছেন, তাঁর মা-বাবা এনআরসিতে (NRC) অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন কিনা। যদি এনআরসির কোনও আবেদন না পাওয়া যায়, তাহলে আধার কার্ডের আবেদন বাতিল করে দেওয়া হবে (No NRC No Aadhaar)। ওই ব্যক্তি আর কখনও আধার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। কেন্দ্রের কাছেও রিপোর্ট জমা পড়বে। যদি কারও এনআরসিতে আবেদন করা থাকে, তবে বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের পর আধার কার্ড তৈরি করে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই নিয়ম থেকে ছাড় পাবেন ভিন রাজ্য থেকে আসা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। এনআরসিতে আবেদন করার কোনও প্রয়োজনই তাঁদের নেই।

    আরও পড়ুন: এবার এটিএম থেকেই তোলা যাবে পিএফের টাকা! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের, জানুন প্রক্রিয়া

    অসমের (Assam Govt) মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যদি এমন দেখা যায় যে এনআরসির জন্য আবেদন করা হয়েছে, সিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে ক্ষেত্র পর্যায়ে যাচাইয়ের জন্য যাবেন। সংশ্লিষ্ট অফিসার সম্পূর্ণরূপে আশ্বস্ত হওয়ার পরে আধার অনুমোদন করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই নতুন নির্দেশ সেই সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যাঁরা অন্য রাজ্যে কাজ করছেন এবং যাঁরা এনআরসির জন্য আবেদন করেননি (No NRC No Aadhaar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি করার আশ্বাস দিল বিজেপি (BJP)। ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Bangladeshi Infiltration) এখন বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে জনবিন্যাসের পরিবর্তনও দেখা গিয়েছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের কারণে। বিজেপির অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকে বরাবরই ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। তাই এই নির্বাচনে বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডকে রক্ষা করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শিবরাজ সিং চৌহানের মতে, ‘‘অনুপ্রবেশ শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাসের পরিবর্তন করেনি, এর পাশাপাশি উপজাতিদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাঠামোকেও তা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।’’

    কী বললেন শিবরাজ

    শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘‘বিজেপির (BJP) বিস্তারিত ইস্তেহার শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। তবে এই নির্বাচন শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আমাদের জমি, আমাদের কন্যা এবং আমাদের জীবিকাকে রক্ষা করতে পারি। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কারণে সাঁওতাল পরগনার জনবিন্যাসের পরিবর্তন উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা সময় উপজাতিদের জনসংখ্যা ৪৪ শতাংশ ছিল, যা বর্তমানে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অবিরাম অনুপ্রবেশের কারণেই এটা হয়েছে।’’

    নিশানা হেমন্ত সোরেনকেও 

    এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে নিশানা করে শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেন, ‘‘ভোট ব্যাঙ্কের লোভে সোরেন সরকার আধার কার্ড থেকে শুরু করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা, সবটাই করে দিয়েছে এদের। অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration) আমাদের জমি দখল করছে, আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করে তাদের শোষণ করছে এবং আমাদের মেয়েদের নির্মমভাবে হত্যা করছে।’’ প্রসঙ্গত, গত মাসে ঝাড়খণ্ড সফরের সময় প্রায় একই ধরনের কথা বলতে শোনা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও এবং তিনিও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NRC: “এনআরসি হবেই, নাম না থাকলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে”, বললেন হিমন্ত

    NRC: “এনআরসি হবেই, নাম না থাকলে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এনআরসি(NRC) চালু হবে বলে ঠিক চারদিন আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। চারদিন পরে আজ শনিবার একই কথা বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

    কী বলেছিলেন শিবরাজ (NRC)

    শিবরাজ বলেছিলেন, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশে এসে আধার কার্ড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করে ফেলছে। ভোটার কার্ডও তৈরি হচ্ছে। সেসব রুখতেই রাজ্যে এনআরসি চালু করবে বিজেপি। আর এদিন হিমন্ত বললেন, “এনআরসি হবে। তাতে যাদের নাম থাকবে না, তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর জেরে বদলে যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস।”

    কী বললেন হিমন্ত

    সে প্রসঙ্গেই এক প্রশ্নের উত্তরে হিমন্ত বলেন, “এনআরসি হবেই। তাতে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে না, তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এটাই আমাদের নীতি।” তিনি বলেন, “এনআরসি কার্যকর হলে সবাইকে তাদের বক্তব্য এবং নথি পেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এবং আপনি যদি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমরা আইনি পদ্ধতির মাধ্যমে আপনাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব।” হিমন্ত বলেন, “অসমে আমরা ১৪ লাখ লোককে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছি, যারা ভারতীয় নয়।”

    আরও পড়ুন: “এত ঔদ্ধত্য”! রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন ভাবিকা মঙ্গলানন্দন

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসমে আমাদের একটি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করেছি, যাতে এটা আর একবার করতে পারি। যদি সুপ্রিম কোর্ট আমাদের দ্বিতীয়বার সংশোধনের অনুমতি দেয়, তবে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে (NRC)।” বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা, পাকুড়, দেওঘর, জামতাড়া, সাহেবগঞ্জের মতো জেলায় বাড়ছে অনুপ্রবেশ। যার ফলে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। ঝাড়খণ্ড যখন বিহার থেকে আলাদা হল তখন এর জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশ ছিল আদিবাসী। এখন সেটা কমে গিয়ে হয়েছে ২৪ শতাংশ। সেই কারণেই অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। আর তা করতে গিয়েই এনআরসি (NRC) চালু করতে চায় বিজেপি (Himanta Biswa Sarma)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

     

  • NRC: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি হবে”, বললেন শিবরাজ সিং চৌহান

    NRC: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি হবে”, বললেন শিবরাজ সিং চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি (NRC) চালু হবে।” ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে বিজেপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথাই বললেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj singh Chouhan)। বিজেপি ক্ষমতায় এলে ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশও বন্ধ করা হবে। শিবরাজ বলেন, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশে এসে আধার কার্ড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নানা নথি তৈরি করে ফেলছেন। ভোটারকার্ডও তৈরি হচ্ছে। সেসব রুখতেই রাজ্যে এনআরসি চালু করবে বিজেপি।”

    বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস (NRC)

    বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা, পাকুড়, দেওঘর, জামতাড়া, সাহেবগঞ্জের মতো জেলায় বাড়ছে অনুপ্রবেশ। যার ফলে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। ঝাড়খণ্ড যখন বিহার থেকে আলাদা হল তখন এর জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশ ছিল আদিবাসী। এখন সেটা কমে গিয়ে হয়েছে ২৪ শতাংশ। সেই কারণেই অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। আর তা করতে গিয়েই এনআরসি চালু করতে চায় বিজেপি।

    এনআরসি চালুর দাবি

    ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণেই বাংলা, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে দ্রুত। তাই এই তিন রাজ্যেই এনআরসি চালু করতে চায় বিজেপি। বছরখানেক আগে সেই দাবি তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও। এই তিন রাজ্যের সরকারই এনআরসির ঘোরতর বিরোধী। তবে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি এনআরসিকে হাতিয়ার করেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    জানা গিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে (NRC) পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে বাংলাদেশিরা। পরে জাল নথিপত্র বানিয়ে ঢুকে পড়ছে পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে। স্থানীয় মহিলাদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। বিয়ে করে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে আদিবাসীদের জমি। যা বস্তুত অবৈধ। অনুপ্রবেশকারীদের এহেন বাড়বাড়ন্তে শঙ্কিত বিজেপি। আদিবাসীদের জমি যাতে কোনওভাবেই বেহাত হয়ে না যায়, তাই অনুপ্রবেশ বন্ধে জোর দিয়েছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ এবং এনআরসিকেই হাতিয়ার করেছে পদ্মশিবির। ১২ সেপ্টেম্বর ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে দাখিল করা একটি হলফনামায়ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বলেছে, কেন্দ্র ঝাড়খণ্ডের নানা অংশে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    এদিকে, সোমবার নির্বাচন কমিশনের প্রধান রাজীব কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা রাঁচি ঘুরে গিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে রাজ্য বিজেপি। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের নির্বাচনে যেন (Shivraj singh Chouhan) অনুপ্রবেশকারীরা কোনওভাবেই অংশ নিতে না পারে (NRC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুমকির-চিঠির ইস্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রবিবার পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার হুমকি চিঠি পেয়েছিলেন এই বনগাঁর বিদায়ী বিজেপি সাংসদ (Shantanu Thakur)। সোমবার দুপুরে চিঠির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। চিঠিটি দেগঙ্গা (Deganga) থেকে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। এবার ওই চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন তিনি।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)?

    মঙ্গলবার বিকেলে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, “এই হুমকি চিঠির ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও (PM Modi) বিষয়টি জানিয়েছি। আমি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সিবিআই তদন্ত চাই। পাশাপাশি ওই হুমকি চিঠির অভিযোগ নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকেও চিঠি পাঠিয়েছি।”

    হুমকির চিঠিতে কী লেখা ছিল?

    প্রসঙ্গত, সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Minister) শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে একটি চিঠি আসে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল, “শ্রদ্ধেয় শান্তনু বাবু। আশা করি ভালো আছেন। যাই হোক আপনাকে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি (NRC) এবং সিএএ-র ফলে যদি মুসলমানদের ওপর কোনও রকম অত্যাচার হয়, তাহলে গোটা বাংলা তথা সমগ্র ভারত জ্বলবে এবং আপনাদের ঠাকুরবাড়ি (Matua Thakurbari) উড়িয়ে দেওয়া হবে। কেউ আপনাদের ঠাকুরবাড়িকে বাঁচাতে পারবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো? আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। আপনাদের হাফিজ সইদের নির্দেশ মত আমরা পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি লাগু করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    ৫ এপ্রিল শুক্রবার চিঠি আসে

    চিঠির প্রেরক হিসেবে নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী ও ফজর আলীর নাম লেখা এবং ঠিকানা হাদিপুর, দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি যথেষ্ট সন্দেহজনক। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে টাইপরাইটারে টাইপ করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল শুক্রবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। যদিও চিঠির ভিতর ৭ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করা আছে। উল্লেখ্য মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম প্রধান মুখ হলেন শান্তনু ঠাকুর। আচমকা লোকসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে লস্কর-ই-তৈবার নাম করে এই হুমকি চিঠি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: এনআরসি চালু হলে ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে! ‘লস্কর-ই-তৈবা’র হুমকি চিঠি শান্তনুকে

    Shantanu Thakur: এনআরসি চালু হলে ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে! ‘লস্কর-ই-তৈবা’র হুমকি চিঠি শান্তনুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি চালু হয় তাহলে মতুয়াদের ঠাকুরবাড়িকে উড়িয়ে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ঠাকুরবাড়ির সব সদস্যকেও হত্যা করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে (Shantanu Thakur) এমনই হুমকি চিঠি পাঠিয়েছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা। সেই চিঠি সামনে আসতে দেখা গিয়েছে এমন হুমকির ভাষা। সোমবার দুপুর নাগাদ ডাক মাধ্যমে এই চিঠি পান শান্তনু ঠাকুর। যদিও সেই চিঠিটি হাতে লেখা হয়নি। পরিষ্কার বাংলা ভাষায় সেটিকে টাইপ করা হয়েছে।

    কী লেখা রয়েছে চিঠিতে?

    ছাপা হরফে সেখানে লেখা হয়েছে, ‘‘শান্তনুবাবু (Shantanu Thakur) আশা করি ভাল আছেন। আপনাকে জানাচ্ছি যে, পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি হয় এবং এনআরসি-র কারণে মুসলমানদের উপর কোনও অত্যাচার হয় তা হলে পশ্চিমবঙ্গ তথা সারা ভারত জ্বলবে। আপনাদের ঠাকুর বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে। ঠাকুরবাড়ির কাউকে বাঁচতে দেওয়া হবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো। আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।’’

    কোথা থেকে এল এমন হুমকি চিঠি?

    প্রসঙ্গত, এই হুমকি চিঠি যেখান থেকে পাঠানো হয়েছে তা ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এনেছেন শান্তনু ঠাকুর নিজেই। ওই চিঠি অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গার হাজিপুর গ্রাম থেকে ওই হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। যে দুজন ব্যক্তি তা পাঠিয়েছে, তাদের নাম লেখা রয়েছে নজরুল ইসলাম সাহেব আলি এবং ফজর আলি।

    চলছে বারুনি মেলা

    বর্তমানে মতুয়া সমাজের মধ্যে চলছে বারুনি মেলা। মতুয়া সমাজে এটি অত্যন্ত পবিত্র উৎসব মানা হয়। এই মেলাকে কেন্দ্র করে ঠাকুরনগরে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় লেগেই রয়েছে। এই আবহে এমন হুমকি চিঠি আসায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তার। গতমাসের ১২ তারিখে লাগু হয়েছে সিএএ। এখনও ১ মাস পেরোয়নি, তারই মধ্যে লোকসভা ভোটের আগে এমন হুমকি চিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে আলোচনা।

     

    আরও পড়ুুন: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতর থেকে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নিপীড়িত হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি ধর্মের মানুষেরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিএএ-এর বিরুদ্ধে নিজের বিভ্রান্তিকর মতকে প্রচার প্রসার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বার মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি ইস্তফা দেব।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সিএএ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপপ্রচার করছেন। সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে আইনকে ভুল ব্যাখ্যা করছেন। এই নিয়ে তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় নিরপাত্তার বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেত্রী রাজনীতি করছেন। আপনি তোষণের রাজনীতি করছেন। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চাইলে আপনার পাশে কেউ থাকবে না। সিএএ চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবো। না হলে আপনি দেবেন তো? সিএএ লাগু হয়েছে কাউর নাগরিকত্ব যাবে না।”

    উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধিতা করেছেন বলে মমতাকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। মমতা হাবড়ার সভা থেকে বলেন, “সিএএ-এর সঙ্গে এনআরসি যুক্ত। আপনারা আবেদন করলেই নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাবে। এটা এনআরসির সঙ্গে সম্পর্কিত। আপনাদের ডিটেনশেন ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এই আবেদন করতে গেলে বারবার ভাববেন।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারের আমলে সংসদে রাজ্যের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পার্লামেন্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সিপিএম বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে রাজ্যে সরকার গড়ে, এই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার আগে উদ্বাস্তু মতুয়া নাগরিকদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বললেও, মা মাটির সরকার গঠনের পর নাগরিকত্ব নিয়ে একবারে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছেন বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar: আধার নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছেন মমতা! ব্যবস্থার আর্জি শুভেন্দুর, চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    Aadhaar: আধার নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছেন মমতা! ব্যবস্থার আর্জি শুভেন্দুর, চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আধার-বাতিল’ (Aadhaar) নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষকে ‘আতঙ্কিত’ করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চিঠিতে নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানিয়েছেন, তাঁর আশঙ্কা, বিষয়টি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে। এ বিষয়ে তাই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আর্জিও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    আসলে বিষয়টি ঠিক কী?

    প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু, আসল বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘ইউনিক আইডেন্টিটিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই)-র রাঁচির আঞ্চলিক দফতর থেকে আধার কার্ড বাতিল নিয়ে চিঠি পান পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকজন। সেই সংখ্যাটা প্রায় ২৫০।’’ শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বিষয়টি জানা মাত্র তিনি কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মন্ত্রী জানান, কোনও ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’-র কারণে এরকম হয়েছে। শুভেন্দুর মতে, যাঁদের আধার (Aadhaar) কার্ড বাতিল হয়েছে, তাঁদের কার্ড চালু করারও আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ইউআইডিএআইয়ের তরফে ইতিমধ্যে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, আধার ডেটাবেস আপডেট রাখার জন্য সময়ে সময়ে গ্রাহকদের অবগতির জন্য মেসেজ পাঠানো হয়। তবে কোনও কার্ড বাতিল করা হয়নি।

    ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছেন মমতা!

    শুভেন্দুর অভিযোগ, এত কিছুর পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি অকারণে খুঁচিয়ে তুলছেন। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘এত কিছুর পরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অকারণে খুঁচিয়ে চলেছেন। কেন্দ্রীয় সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত করার জন্য না জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আধার (Aadhaar) কার্ড বাতিল করছে বলে ভুয়ো গল্প বলছেন। শুভেন্দুর মতে, আধারকে-নিষ্ক্রিয় ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্যবাসীর মনে এনআরসি-র জুজু ঢোকানোই প্রধান উদ্দেশ্য মমতার। বিরোধী দলনেতার দাবি, মমতা মানুষকে এটা বলছেন যে, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) চালু করার জন্যই আধার কার্ড বাতিল করা হচ্ছে। যে কারণে তিনি (মমতা) পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি, ডিটেনশন শিবির চালু করতে দেবেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Nadia: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মিড ডে মিলের টাকা নিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাবেন। ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নিয়ে কম্বল বিতরণ এবং বিভিন্ন জনসভায় খরচ করেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।” শুক্রবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ২৯ নভেম্বর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক (Nadia)

    উল্লেখ্য, চাকরির দুর্নীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে দুর্নীতির প্রতিবাদে আগামী ২৯ নভেম্বর বিজেপির পক্ষ থেকে কলকাতা চলো ডাক দেওয়া হয়েছে। এই জনসভাকে সামনে রেখে এদিন একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয় নদিয়ার কৃষ্ণনগরের (Nadia) পোস্ট অফিস মোড়ে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, “এরাজ্যে এনআরসি খুব শীঘ্র চালু হচ্ছে। রাজ্যে যখন করোনার সময় চলছিল, তখন পিএম কেয়ারের টাকা লুট করেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এবং রাজিব সিন্‌হাকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করেছেন। মিড ডে মিলের টাকা নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জে কম্বল বিতরণ করেছেন। আমি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরে এবিষয়ে একটি চিঠি লিখব। তদন্ত শুরু হলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো দুজনেই জেলে যাবেন।”

    হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত শুভেন্দুর (Nadia)

    ২৯ নভেম্বরের সভা নিয়ে কৃষ্ণনগরে (Nadia) শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করলেও জয় আমাদেরই। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছেন। যে যুক্তি রাজ্য সরকার দেখিয়েছে, ঠিক একই যুক্তিতে ২১ শে জুলাইতে তৃণমূলের সভাও বাতিল হতে পারে। আমি এই নির্দেশকে স্বাগত জানাই।” এছাড়া শুভেন্দু আরও বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়াতে জাল পাসপোর্টের রমরমা চলছে। জেলার জনবিন্যাস পুরোপুরি বদলে যাচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাবড়ার তৃণমূল নেত্রী প্রকাশ্যে বলছেন জাকির নামক দুষ্কৃতীর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাম সরকারি তালিকায় তোলার কাজ হচ্ছে। খুব ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। মানব পাচারের বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে এনআইএ তল্লাশি চালিয়েছে। প্রয়োজনে আরও সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share