Tag: nrega

nrega

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের জব কার্ডের বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। শনিবার দিন করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবেনিয়া এলাকায় কুলপি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিনিধিরা ১০০ দিনের জব কার্ডের লিস্ট নিয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। সরকারি কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বেনিয়ম। যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই নাম নেই, আবার যাঁরা কাজ করেননি এমন অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় নাম রয়েছে, বরণ হালদার। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে যায়। কখনও কোদাল হাতে ধরেনি। অথচ তার নাম রয়েছে। আর চন্দনা সরকার, প্রভুরানি শিকারির মতো বাসিন্দার তালিকায় নাম নেই। আর তালিকার বিষয়টি জানতে পেরেই মহিলারা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা কাজ করেছেন অবিলম্বে তাঁদেরকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এই তালিকা মানি না।

    দলের প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে সরব পঞ্চায়েত সদস্য

    করঞ্জলী পঞ্চায়েতেরই কাটাবেনিয়া এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যার পাশাপাশি তাঁর  স্বামী বুবুন চক্রবর্তী বলেন, প্রাক্তন প্রধান ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে নিজের স্বার্থে লাগিয়েছে। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত কাজ এই ১০০দিনের মাধ্যমে তিনি করিয়েছেন। আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির টাকাও আমরা পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করেও তিনি দেননি। পরে,  ঘটনাস্থলে কুলপি থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ ওঠে। করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শান্তনু কয়াল বলেন, এলাকার মানুষ যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী  আম্বিয়া বিবি বলেন, তৃণমূল টাকা লুটের জন্য এই তালিকা তৈরি করেছে। প্রশাসন ওদের হয়ে কাজ করছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিচ্ছে না। তাই, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যারা এই তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের ন-বছরের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে এক সাংবাদিক বৈঠক (Asansol) করলেন পঞ্চায়েতের রাষ্ট্রমন্ত্রী কপিল মরেশ্বর পাটিল। বুধবার আসানসোলের এক বেসরকারি হোটেলে তিনি ওই সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, বিগত ৯ বছরে মোদিজির নেতৃত্বে আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি উজ্জ্বলা যোজনায় কয়েক লক্ষ গরিব মানুষকে গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা ক্ষেত্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে প্রচুর সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তবে আবাস যোজনায় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এছাড়া ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও তিনি বলেন, হিসাব না দেওয়ার কারণেই ১০০ দিনের কাজের টাকা বাকি রয়েছে।

    পরিদর্শন করলেন ইএসআই হাসপাতাল (Asansol)

    ন বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে যে সব উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেই উপলক্ষে আজ আসানসোলে (Asansol) এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রথমে তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। পরে আসানসোলের ইএসআই হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। এছাড়া ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, জেলা সভাপতি দিলীপ দে। এখানে যে হসপিটাল বিল্ডিং তৈরির পর পড়ে আছে, সেটা তিনি পরিদর্শন করেন। এখানে ৩৮ একর জায়গা পড়ে আছে। সেই জায়গাতে জেলার একটি মেডিক্যাল কলেজ বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেবেন বলে জানান। এছাড়া এখানে আরও ৫০ বেড বাড়িয়ে ৩২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু কেন ২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, কেন এই কাজ পড়ে রয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নেন। ভুপেন্দ্র কুমারজির সঙ্গে কথা বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    কী বললেন আসানসোল পুর নিগমের চেয়ারম্যান (Asansol)?

    অপরদিকে সাংবাদিক বৈঠকে করা মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে রাজ্য সরকার। বর্তমান কেন্দ্রের সরকার কর্মসংস্থানের জন্য কোনও বড় প্রজেক্ট তৈরি করতে পারেনি। উল্টে কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NREGA: একশো দিনের কাজে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন গ্রামোন্নয়ণ মন্ত্রকের

    NREGA: একশো দিনের কাজে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন গ্রামোন্নয়ণ মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজে (NREGA) ১.১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছে গ্রামোন্নয়ণ মন্ত্রক। আগামী অর্থবর্ষের জন্য ওই টাকা বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে এই খাতে বরাদ্দ হয়েছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সেটাই বেড়ে দ্বিগুণ হতে চলেছে।

    কাজের চাহিদা বেড়েছে

    কাজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারেন্টি স্কিমে ২০২৫ অর্থবর্ষে ব্যয় বাড়তে পারে। এর পাশাপাশি রয়েছে মজুরি বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতিও। সেই কারণেই বাড়বে ব্যয়। যা সামাল দিতে বাড়াতে হবে বরাদ্দও। অর্থমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, ২০২৫ অর্থবর্ষের বাজেট এস্টিমেটে যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে, তা দেওয়া যায় কিনা, সে ব্যাপারে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই প্রকল্পে (NREGA) যথাযথ পরিমাণ টাকাই বরাদ্দ করা হবে। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তাই নির্বাচনের আগে পুরো বাজেট পেশ করা যাবে না।

    অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট

    নির্বাচনের কারণে করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ। নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করবে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এপ্রিল-মে মাসে নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর যাঁরাই সরকার গড়ুন না কেন, তাঁরা বাজেট পেশ করবেন জুলাই মাসে। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সে পর্যন্ত ব্যয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থমন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, ২০২৪ অর্থবর্ষে ব্যয় গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৮৮ হাজার কোটি টাকায়। ২০২৩ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা। কাজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তে পারে খরচ।

    আরও পড়ুুন: ধর্মতলায় বিজেপির ‘বঞ্চিত’ সমাবেশ, যোগ দেবেন অমিত শাহও!

    মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারেন্টি স্কিমে অর্থমন্ত্রক ১০ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। অস্বাভাবিকভাব খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৪ অর্থবর্ষে যে ২৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, এই বরাদ্দ তার অংশ নয়, বাড়তি। অর্থমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, প্রাক-বাজেট বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রক অর্থমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি জানিয়ে রাখেন। যাতে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ে। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকও এই আবেদন জানিয়েছে। অর্থমন্ত্রক পুরো বিষয়টি বিবেচনা করবে। তার পরেই হবে বরাদ্দ (NREGA)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Agitation: লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, চোর না ধরে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল!

    TMC Agitation: লুট হয়েছে ১০০ দিনের কাজের টাকা, চোর না ধরে দিল্লিতে ধর্নায় তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একপ্রস্ত নাটক দিল্লিতে! ঘাসফুলের ব্যানারে এ (কু)নাট্যরঙ্গের কুশীলব অবশ্যই তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সোমবার শুরু হওয়া এই নাট্যানুষ্ঠান (TMC Agitation) চলবে দু দিন ধরে। তৃণমূলের দাবি, একশো দিনের কাজে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। প্রশ্ন হল, কেন দিচ্ছে না? এক কথায় এর পাল্টা উত্তর পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। বলা হয়েছে, ‘চোর ধরো, জেল ভরো’ কর্মসূচি পালন করলেই মিলবে টাকা!

    টাকা পাওয়ার শর্ত

    একশো দিনের প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা দেওয়ার আগে একটি শর্ত দিয়েছিল। সেটি হল, একশো দিনের যে টাকা পাঠানো হচ্ছে, তার প্রতিটি পাই-পয়সা জনগণের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তা তো হচ্ছেই না, অথচ নেপোয় মারছে দই। এই নেপোদের ধরে ধরে জেলে ভরতে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, কেন্দ্রের সেই শর্ত না মেনে দুর্নীতিবাজদের প্রশ্রয় দিয়ে দিল্লি অভিযানে গিয়েছে তৃণমূল। দলীয় কর্মীদের এই ঝাঁকের কইয়ের মাঝে রয়েছেন সেই কালপ্রিটরাও, যাঁরা জনগণের অর্থ ভোগ করছেন নির্লজ্জের মতো। সোমবার তৃণমূলের কর্মসূচির পাল্টা জবাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

    কী অভিযোগ বিজেপির?

    বিজেপির অভিযোগ, গত বছর সেন্ট্রাল টিমের ভিজিটে (TMC Agitation) যে দুর্নীতিগুলো উঠে এসেছিল, তার রিকভারি অ্যামাউন্ট তারা ঠিক করে দিয়েছিল। কোনও পঞ্চায়েত এখনও সেই অর্থ জমা করেনি। আর্থমুভার দিয়ে পুকুর কাটিয়ে ভুয়ো মাস্টাররোল তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছে একশো দিনের কাজে। দলের পেটোয়া কর্মীদের নামে বানানো ওই মাস্টাররোল থেকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। নামেই একশো দিনের কাজ। অভিযোগ, জবকার্ড হোল্ডারদের সিংহভাগই কাজ পেয়েছেন, কেউ ১০ দিন, কেউবা ২০ দিন, কেউ আবার ৩০ দিন। হাতে গোণা দলীয় কর্মীদের মধ্যে যাঁরা একশো দিনই কাজ পেয়েছেন, তাঁদের থেকেও জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে একটা মোটা অঙ্কের টাকা। আধার জবকার্ড সিডিং হওয়ার আগে একই শ্রমিককে বিভিন্ন জব কার্ডে ঢুকিয়েও অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    একশো দিনের কাজ প্রকল্পে একটি পরিবারের একটি মাত্র জব কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ দেখা যাচ্ছে, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে জবকার্ড তৈরি করে লুটে নেওয়া কাঁড়ি কাঁড়ি হয়েছে টাকা। যেখানে কাজ (TMC Agitation) হয়েছে, সেখানে স্থায়ী ডিসপ্লে বোর্ড নেই। সেন্ট্রাল টিম রাজ্যে এলেই তড়িঘড়ি লাগানো হচ্ছে ডিসপ্লে বোর্ড। চাষযোগ্য জমিকে পুকুরে পরিণত করা হয়েছে একশো দিনের কাজে। যদিও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির চরিত্র বদল করা হয়নি। একশো দিনের আইবিএস স্কিমগুলি কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রাম সভায় আলোচনা কিংবা বেনিফিশিয়ারি কমিটি তৈরি না করেই দলীয় কর্মীদের জায়গায় স্কিমগুলি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূলের ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে’’! চাঞ্চল্যকর দাবি শুভেন্দুর

    শুধু তাই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতে যে কনট্রাকচুয়াল ওয়ার্কাররা কাজ করেন, তাঁদের কন্ট্রাক্ট পরের বছর পুনর্নবিকরণ না করার ভয় দেখিয়ে কেন্দ্রের বিভিন্ন স্কিমে দুর্নীতি করতে বাধ্য করা হয়। সর্বোপরি, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ডেভেলপমেন্ট মিটিংয়ে সরকারি আধিকারিকরা গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীদের অপমান, মাইনে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, চোখ রাঙানি ইত্যাদি হাতিয়ার ব্যবহার করে তৈরি করতে বলেছেন শ্রম দিবস। এঁদের দিয়েই ভুয়ো মাস্টাররোল বানিয়ে এবং কর্মদিবস সৃষ্টি করে লুটে নেওয়া হয়েছে সরকারি অর্থ।

    এত অভিযোগ সত্ত্বেও (TMC Agitation) দলীয় কর্মীদের দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে ধর্নায় বসিয়ে ভোটের আগে সস্তা জনপ্রিয়তা কুড়োনোর ফিকির কতটা কাজে দেবে, তা বলবে সময়। তবে দুর্নীতি থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরানোর যে ফন্দি তৃণমূল কর্তারা এঁটেছেন, তাতে চমক আছে বইকি!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share