Tag: nrs hospital

nrs hospital

  • NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (NRS) কর্মরত নার্সের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয় রূপালি বর্মণের। প্রাথমিকভাবে তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন (Nurse Death) মেলেনি। কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। তাই অনুমানের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধরে নিয়ে তদন্ত এগোতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশ। পরিবারের দাবি মেনে রূপালির দেহের ময়নাতদন্ত হচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে করা হচ্ছে।

    হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী (NRS)

    বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি মৃত নার্সের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ওয়ার্ডের রোগী এবং অন্য কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। কয়েক ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বামী ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওঁরা চেয়েছিলেন, তাই মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হবে। আমার ফোন নম্বর বাড়ির লোককে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও ঘটনারই তদন্ত হবে, আলাদা কিছু নয়। কেউ কোনও সন্দেহ করছেন না।”

    তদন্ত কমিটি

    জানা গিয়েছে, সাতটি বিভাগের প্রধানকে নিয়ে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। নার্সিং, স্ত্রীরোগ-সহ সংশ্লিষ্ট সাতটি বিভাগের প্রধানরা কমিটিতে থাকবেন। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে রূপালি কোনও ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। মানসিক বিভাগের প্রধানকেও তদন্ত কমিটিতে রাখার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালে ময়নাতদন্ত না করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে কেন ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “মৃত মহিলার স্বামী চেয়েছেন, তাই করা হচ্ছে। এ নিয়ে কোনও কথা নয়। তিনটের মধ্যে ময়নাতদন্ত শুরু হবে। বিভাগীয় তদন্তও করা হবে।”

    পুলিশ দেখবেন পুলিশ

    বুধবার নাইট শিফটে ছিলেন রূপালি। স্ত্রীরোগ বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর আর খোঁজ মিলছিল না। সহকর্মীরা খোঁজ করতে গিয়ে বাথরুমের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। ভিতর থেকে কোনও সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে রূপালিকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতালের তরফে খবর দেওয়া হয় তাঁর পরিবারকে। রূপালির আচরণ নিয়ে সহকর্মীদের বক্তব্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সহকর্মী ও রোগীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তিনি হাসিখুশি স্বভাবের ছিলেন। রূপালির আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মীরাও। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সকলেই বলেছেন, উনি খুবই হাসিখুশি ছিলেন। কী হয়েছে হঠাৎ, তদন্ত করে তা খুঁজে দেখা পুলিশের কাজ। তাঁরা বিষয়টি দেখবেন (NRS)।”

    তদন্তে সব সম্ভাবনাই!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার খবর পেয়ে বুধবারই হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পরে এন্টালি থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের হত্যাকাণ্ড শাখার তদন্তকারী দলও সেখানে যায়। প্রাথমিক তদন্তে রূপালির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হয়নি কোনও সুইসাইড নোটও। তাই আত্মহত্যার সম্ভাবনা সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে না পুলিশ। রূপালির বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। বছরখানেক আগে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। স্বামী রাহুল দাসের সঙ্গে দমদম থানা এলাকায় থাকতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Nurse Death), ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, পুলিশের তদন্ত এবং (NRS) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট—এই তিন দিকের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।

     

  • Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    Barasat: ‘‘বারাসত মেডিক্যালকে আরজি কর হতে দেব না’’, অধ্যক্ষকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান পড়ুয়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা মেডিক্যালের আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল এবার বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আরজি করের সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুহৃতা পালকে বারাসত মেডিক্যালে বদলি করা হয়েছে। বারাসতে অধ্যক্ষ হিসেবে কাজে যোগ দিতেই তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। আরজি করে শীর্ষ পদাধিকারীদের যে সব মেডিক্যালে বদলি করা হচ্ছে, সেখানেই আন্দোলন হচ্ছে। ফলে, চরম বিড়ম্বনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

    বারাসতকে আরজি কর হতে দেব না (Barasat)

    বুধবার রাতের দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছিলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অধ্যক্ষের পাশাপাশি নবনিযুক্ত সুপার-কাম-ভাইস প্রিন্সিপাল (এমএসভিপি), চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান এবং অ্যাসিসট্যান্ট সুপারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বারাসত (Barasat) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বুধবারই সুহৃতা পালের নাম ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি জানার পরই তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়ারা। ফলে, বৃহস্পতিবার তিনি কাজে যোগ দেননি। শুক্রবার সকালের দিকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজে এসে অধ্যক্ষ হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। কিন্তু, বিকেল গড়াতেই তাঁর অপসারণ চেয়ে একদল পড়ুয়া প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হয়ে যান হাসপাতালের গেটের সামনে। আওয়াজ তোলেন, ‘‘বারাসত মেডিক্যাল কলেজকে আরজি কর হতে দেব না। সুহৃতা পাল গো-ব্যাক। বারাসত ছেড়ে চলে যাক।’’ যদিও এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়াই দিতে চাননি অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল।

    এর আগে, আরজি করের এক অধ্যাপক চিকিৎসককে মালদা মেডিক্যালে বদলি করা হয়। আর ওই চিকিৎসক যাতে কাজে যোগ দিতে না পারে, তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সেখানকার পড়ুয়ারা। সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। মালদা মেডিক্যালে দেখা যায় একই চিত্র। এরার বারাসত মেডিক্যালও সেই ছবি।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন চলাকালীন মধ্যরাতে বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ঢুকে তাণ্ডব চালায় সেখানে। হামলায় রীতিমতো তছনছ হয়ে যায় আরজি কর হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ঘর। সেই সময় আরজি করের অধ্যক্ষ হিসেবে সবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুহৃতা পাল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের পরও সেদিন একবারের জন্যও হাসপাতালে দেখা যায়নি তাঁকে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। শুরু হয় তাঁর অপসারণ চেয়ে আন্দোলন। আন্দোলনের জেরে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বারাসত (Barasat) মেডিক্যালের আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘‘আমরা ওই অধ্যক্ষকে চাই না। আর জি করে এতবড় কাণ্ড হল। তাঁকে দেখা যায়নি। এরকম অধ্যক্ষ আসলে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হবে। আমরা তা হতে দেব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা

    South 24 Parganas: স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের বিধায়ক, মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি তুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের যুব নেতার বিরুদ্ধে। আর প্রতারিত হয়েছেন তৃণমূলেরই অন্য এক যুব নেতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি এলাকায়। প্রতারিত যুব নেতার নাম পৃথ্বীরাজ তাঁতি। তিনি রায়দিঘির কৌতলা অঞ্চলের যুব সভাপতি। আর প্রতারকের নাম প্রীতম কলা। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের মহেশপুর কেদারপুর এলাকার রবীন্দ্রপল্লির বাসিন্দা। তিনি নিজেকে তৃণমূলের বিধায়ক ঘনিষ্ঠ যুব নেতা বলতেন।

    কীভাবে প্রতারণা? (South 24 Parganas)

    পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য  সহ একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ফটো তুলে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রীতম কলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রীতমের সঙ্গে পরিচয় হয় পৃথ্বীরাজের। প্রতারক প্রীতম কলা বিভিন্ন মন্ত্রী, এমএলএ ও যুব নেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি দেখিয়ে যুব নেতাকে প্রভাবিত করেন বলে অভিযোগ। স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। প্রথম দফায় ১ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। ভুয়ো ডাক্তার ও তার সহকারি সাজিয়ে ইন্টারভিউয়ের নাম করে তিনি কয়েক দফায় যুব তৃণমূলের নেতার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেন। দেওয়া হয় ভুয়ো নিয়োগপত্র। প্রতারণার চক্রের খপ্পরে পড়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে এনআরএস হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে যান যুব তৃণমূলের নেতা পৃথ্বীরাজ। হাসপাতালের সুপার বুঝতে পারেন, নিয়োগপত্র জাল। গোপনে পুলিশকে খবর দেন সুপার। পুলিশ আসার আগে বুঝতে পেরে সেখান থেকে সরে পড়েন তিনি। এইভাবে প্রতারণার চক্রে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে হতাশায় ভুগছেন ওই যুবনেতা।

    প্রতারিত যুব নেতা কী বললেন?

    প্রতারিত যুব নেতা পৃথ্বীরাজ তাঁতি বলেন, দলের বড় বড় নেতাদের সঙ্গে প্রতারকের ছবি দেখে আমি প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম। আমি কয়েক দফায় ১ লক্ষ টাকা দিয়ে বুঝতে পারি, প্রতারকের খপ্পরে পড়েছি। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগীকে নিয়ে পরিবারের লোকজন চার-চারটি সরকারি হাসপাতালে ঘুরে বেড়ালেন। কোনও হাসপাতালেই মিলল না ঠাঁই। বাধ্য হয়ে রোগী নিয়ে ফের বাড়ি ফিরলেন পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কী বেহাল দশা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে, বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হতে সোমবার বিকেলে খড়দা (Khardah) বলরাম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) রহড়া আজমতলার বাসিন্দা তনুশোভা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীরে তিনি খিচুনি অনুভব করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। রোগীর অবস্থা দেখে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। রোগীকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্ক্যান করা হয়। পরে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক নয়, নিউরোর সমস্যা। এরপর এনআরএস হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোনও চিকিৎসা মেলেনি। সোমবার রোগীকে নিয়ে যেতে বলা হয়। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে তাঁরা বাঙ্গুর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যান। সেখানেও রোগীর কোনও চিকিৎসা না করেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে, চারটি হাসপাতাল ঘুরে কোথাও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। অবশেষে পরিবারের লোকজন দিনভর হাসপাতালে হাসপাতালে রোগী নিয়ে ঘুরে বাড়়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজন বলেন, রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু, চারটি বড় বড় সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও কোনও চিকিৎসা পেলাম না। সরকারি হাসপাতালে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কেউ নেই। কোনও চিকিৎসা পেল না রোগী। পরে, বিষয়টি জানাজানি হতে সোমবার খড়দা (Khardah) হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা হয়। আমাদের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বলে কি কিছু নেই? রোগী নিয়ে এত হয়রানি হওয়ার পর স্বাস্থ্য দফতরের টনক নড়েছে। এখন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী করছিল?

    বিএন বসু হাসপাতালের সুপারের কী বক্তব্য?

    বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালের সুপার এনামুল হক বলেন, কী রোগ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছিলেন জানি না। তবে, স্ট্রোক হয়ে থাকলে আমাদের চিকিৎসা করা হয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share