Tag: nsa

nsa

  • Sahil Wakode Suicide: ‘দাঙ্গা উসকে দিতে ভুয়ো খবর ’, সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনায় আইআইটি বম্বের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    Sahil Wakode Suicide: ‘দাঙ্গা উসকে দিতে ভুয়ো খবর ’, সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনায় আইআইটি বম্বের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ছাত্রের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রে, আইআইটি বম্বের হিউম্যানিটিজ বিভাগের অধ্যাপক সূর্যকান্ত ওয়াঘমোরে, প্রবীণ আইনজীবী মিহির দেশাই, আইনজীবী নবনীত, ছাত্রী হুমা নামাল, অমরকান্ত ঠাকুর-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সামাজিক মাধ্যমে এমন কিছু তথ্য ও পোস্ট ছড়িয়েছেন, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ‘ভুয়ো খবর’ ছড়িয়ে জাতপাতের ভিত্তিতে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ উসকে দিতে পারে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে প্ররোচনামূলক পোস্টের মাধ্যমে হিংসা, সামাজিক অস্থিরতা এবং জাতপাতের ভিত্তিতে সমাজকে বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

    পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান

    অভিযোগে আইনজীবী মিহির দেশাইয়ের সঙ্গে এইচআরএলএন-এসএলটিসি নামে একটি সংগঠনের যোগসূত্রের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ওই সংগঠন জার্মান ক্যাথলিক চার্চ-সম্পর্কিত এক এনজিও-র কাছ থেকে অর্থসাহায্য পায়। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। আরও অভিযোগ, নবনীত মিহির দেশাইয়ের চেম্বারে কাজ করেন এমন এক ব্যক্তি সাহিল ওয়াকোড়ের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে থাকাকালীন তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি পরিবারকে অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করার জন্য উৎসাহিত করেন। এদিকে মুম্বই পুলিশের সূত্রের দাবি, সাহিল ওয়াকোড়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের ক্ষেত্রে আইআইটি বম্বের অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পুলিশ সূত্র আরও জানিয়েছে, সাহিলের বিরুদ্ধে জাতপাত সংক্রান্ত কটূক্তি করা হয়েছিল—পরিবারের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হলেও, সেই দাবিকে সমর্থন করার মতো কোনও প্রত্যক্ষদর্শী বা নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও তদন্তকারীদের হাতে আসেনি।

    পরীক্ষার হলের সিসিটিভি ফুটেজ

    তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে অধ্যাপক দুল্লা যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফুটেজে সাহিলকে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এরপর তাঁকে পরীক্ষার ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এরপর অধ্যাপক দুল্লা সাহিলকে একটি আলাদা ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আরও এক অধ্যাপক এবং বিভাগের একজন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় সাহিলকে পরে নিজের হস্টেল কক্ষে যেতে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেও দেখা যায় বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় তিন অধ্যাপককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাঁদের বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা দাবিগুলির সত্যতা আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া হয়নি।

  • BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস (BRICS) সদস্য দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানদের বৈঠকে অংশ নিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (Supreme National Security Council) উপ-সচিব গাদির নেজামি সোমবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্স (X)-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, ২২-২৩ জুন অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নেজামি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিদেশমন্ত্রক (MEA) সূত্রে খবর, ২২ ও ২৩ জুন অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। বৈঠকে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির নিরাপত্তা প্রতিনিধিরা ‘বর্তমান বিশ্বের অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ’ (Non-traditional Security Challenges) বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন। বিদেশমন্ত্রকের মতে, বৈঠকে দ্রুত পরিবর্তনশীল জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নতুন প্রযুক্তির কারণে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সাইবার ও তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক হুমকির মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়ে ব্রিকসের যৌথ কর্মগোষ্ঠীগুলির সাম্প্রতিক বৈঠকের ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

    কারা কারা রয়েছে এই জোটে

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে ভারত চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত এই দায়িত্ব পালন করেছিল। এবারে ভারতীয় সভাপতিত্বের মূল প্রতিপাদ্য “ বিল্ডিং ফর রেসিলেন্স, ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি ” (Building for Resilience, Innovation, Cooperation and Sustainability), যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০২৫ সালের রিও শীর্ষ সম্মেলনে উত্থাপিত ‘মানবকেন্দ্রিক ও মানবতার অগ্রাধিকার’ দর্শনের প্রতিফলন বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ব্রিকস জোটে ১১টি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ রয়েছে— ব্রাজিল (Brazil), রাশিয়া (Russia), ভারত (India), চিন (China), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa), মিশর (Egypt), ইথিওপিয়া (Ethiopia), ইরান (Iran), ইউনাইটেড আরব এমিরেটস (United Arab Emirates), সৌদি আরব (Saudi Arabia) এবং ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)।

    কোন কোন বিষয়ে সহযোগিতা

    ব্রিকসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জোটটির কার্যক্রম এখন শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, অর্থনীতি ও অর্থায়ন, এবং সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ—এই তিনটি মূল স্তম্ভকে কেন্দ্র করে ব্রিকসের কার্যপরিধি ক্রমাগত বিস্তৃত হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-সংক্রান্ত বিষয়েও ব্রিকস সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।

  • India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির সরকার (Modi Govt) কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তিতে যেতে রাজি নয়। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের তপ্ত পর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে নীরবে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে এ কথা বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি (India US Relation)। ভারত–আমেরিকার সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রেক্ষাপটে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে এই তথ্য। ভারত যে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে, তাও বুঝিয়ে দেওয়া হয় ঠারেঠোরে।

    ভারতের বার্তা (India US Relation)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউস যদি শত্রুতাপূর্ণ ভাষা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল থেকে সরে না আসে, তবে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময়টুকু অপেক্ষা করতে ভারত প্রস্তুত। এই বার্তাটি দেওয়া হয় সেপ্টেম্বরের শুরুতেই, যে সময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তীব্র চাপের মধ্যে ছিল। একদিকে আমেরিকার আরোপিত দণ্ডমূলক শুল্ক, অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া প্রকাশ্য মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সেই সময় ট্রাম্প ভারতের অর্থনীতিকে অবজ্ঞাসূচক ভাষায় কটাক্ষ করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা অব্যাহত রেখে ভারত পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে অর্থ জোগাচ্ছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ভারতীয় রফতানির (India US Relation) ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করে। ডোভাল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত এই তিক্ততা কাটিয়ে আবারও বাণিজ্য আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী, তবে তা হতে হবে প্রকাশ্য অপমান ও চাপমুক্ত পরিবেশে। তিনি আরও জানান, অতীতেও ভারত কঠিন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করেছে এবং প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করার সামর্থ্য তার রয়েছে (Modi Govt)।

    সুর নরম ট্রাম্প প্রশাসনের

    এই আলোচনার অল্প সময়ের মধ্যেই সুর নরম হতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসনের। ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে তাঁকে ফোন করে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন—যা আগের বক্তব্যগুলির তুলনায় এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। পরবর্তীকালে দুই নেতা একাধিকবার কথা বলেন, যার ফলে ধীরে ধীরে নতুন করে সম্পর্ক জোরদারের পথ তৈরি হয়। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি একটি বাণিজ্য সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার ফলে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমে আসবে এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনার সঙ্গে যুক্ত পৃথক ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি বাড়াবে এবং মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে। তবে মোদি সরকার এখনও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি বা কোনও লিখিত (India US Relation) চুক্তি প্রকাশ করেনি।

    একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

    এই ঘোষণা নয়াদিল্লির কিছু শীর্ষ আধিকারিককেও বিস্মিত করে, যা প্রমাণ করে যে কূটনৈতিক আলোচনা কতটা নীরবে এগিয়েছে (Modi Govt)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হঠাৎ এই চুক্তি বৃহত্তর কৌশলগত প্রেক্ষাপটের দিকেও ইঙ্গিত করে, যা ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ২০২৫ সালে ভারত ব্রিটেনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে। চলতি বছরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গেও একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিও চূড়ান্ত হয়। গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। এর পরই ট্রাম্প আক্ষেপের সুরে স্বীকার করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো ভারতকে চিনের কাছে হারিয়ে ফেলছে।

    এই সব পদক্ষেপ মিলিয়ে স্পষ্ট হয়, ভারত তার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করছে এবং কেবল ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল নয়।এই বিস্তৃত কৌশলই সম্ভবত আমেরিকার ওপর সম্পর্ক মেরামতের চাপ বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির পরিণতি এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই অচলাবস্থা থেকে ভারত আরও (Modi Govt) শক্তিশালী দরকষাকষির অবস্থানে বেরিয়ে এসেছে এবং সম্ভবত (India US Relation) চুক্তির ভালো দিকটিই আদায় করেছে।

     

  • Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) দেশান্তরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে। এহেন আবহে বুধবার দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) খলিলুর রহমান। বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভে অংশ নিয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    ডোভালকে আমন্ত্রণ বাংলাদেশে (Bangladesh)

    রহমান অজিত ডোভালকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের (CSC) সপ্তম এনএসএ স্তরের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আজ দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও তাঁর দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। তাঁরা কনক্লেভের কাজকর্ম ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান ডোভালকে।” রহমান সপ্তম এনএসএ সিএসসি বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড

    গণআন্দোলনের জেরে বাংলাদেশছাড়া হতে হয়েছিল সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। তারপরেই দেশের রশি যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। তার পর এটি দু’দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক। দিন চারেক আগে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। দেশ ছেড়ে হাসিনা আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। তার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলছে টানাপোড়েন। পড়শি এই দুই দেশের মধ্যে রয়েছে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি। সেই চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশের (Bangladesh) পক্ষ থেকে ভারতের কাছে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বৈঠক

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়ের বিষয়ে (NSA) অবগত এবং ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত সব সময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকবে। ভারতের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়টির নোট নিয়েছে। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতা-সহ সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে সব সময় গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব (Bangladesh)।”

    একাধিক চ্যালেঞ্জ

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে বাংলাদেশের একটি আদালত পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের জুলাই–অগাস্ট বিদ্রোহের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে (NSA)। এদিকে, দুই দেশের দুই জাতীয় উপদেষ্টার বৈঠকটি এমন একটা সময়ে হয়েছে, যার মাস তিনেক পরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ভারত প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছে যাতে নির্বাচন স্বাধীন, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যে চলা সম্পৃক্ততাকেই প্রতিফলিত করে। ভারত বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে, আর বাংলাদেশ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিষয়ে সহযোগিতা চায় (Bangladesh)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ

    অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সদস্য রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন বলে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অজিত ডোভাল যে সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাবেন, সেগুলি হল মলদ্বীপ, মরিশাস, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ। পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অংশ নেবে সিশেলস এবং মালয়েশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অতিথি দেশ হিসেবে (NSA)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের লক্ষ্য

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ গঠিত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যও রয়েছে এই কনক্লেভের (Bangladesh)। এই জোড়া উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের ৭ম বৈঠকটি হবে বিভিন্ন সহযোগিতা স্তম্ভ—যেমন সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা – এসবের কার্যকলাপ পর্যালোচনা করার একটি সুযোগ। ২০২৬ সালের রোডম্যাপ এবং কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হবে এই কনক্লেভে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাই এ বারের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে প্রথমে জানানো হয়েছিল বুধবার দিল্লি পৌঁছবেন খলিলুর। সেই সফরসূচি বদলে ফেলে মঙ্গলবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে যান তিনি (Bangladesh)।

  • Bangladesh: ডোভালের আমন্ত্রণে বুধে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা

    Bangladesh: ডোভালের আমন্ত্রণে বুধে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা নিয়ে উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি মোতাবেক হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়া কথা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। এহেন ডামাডোলের বাজারে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের আমন্ত্রণে নয়াদিল্লিতে আসছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA)। ১৯ নভেম্বর, বুধবার ভারতে আসছেন সে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে খলিলুরের ভারত সফরের বিষয়টি জানানো হয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্তও বাংলাদেশের তরফে কিছু জানানো হয়নি আনুষ্ঠানিকভাবে।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সম্মেলন (Bangladesh)

    ২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে হবে ভারত মহাসাগরীয় এলাকার পাঁচটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগ দিতেই অক্টোবর মাসে খলিলুরকে নয়াদিল্লিতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ডোভাল। সেই আমন্ত্রণেই সাড়া দিয়ে দু’দিনের ভারত সফরে আসছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। দুই দেশের দুই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনার সীমা নেই। তবে, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কিছুক্ষণের জন্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন ডোভাল ও খলিলুর। ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    হাসিনা সরকারের পতন

    গত বছরের ৫ অগাস্ট ব্যাপক বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ান আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পর থেকে তিনি রয়েছেন ভারতেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাশ যায় অন্তর্বর্তী সরকারের (NSA) হাতে। তার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক খুব একটা মসৃণ নয়। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পড়শি বাংলাদেশের সঙ্গে কোনও টানাপোড়েন চায় না ভারত। তবে একই সঙ্গে সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকেও নিজের কথাবার্তার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন রাজনাথ। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওই মন্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ (Bangladesh)। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে দাবি করা হয়, রাজনাথের ওই মন্তব্য শিষ্টাচার ও কূটনৈতিক সৌজন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে সম্মানজনক নয়। ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যে হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হচ্ছে, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। এহেন আবহেই ভারতে আসতে চলেছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূ্র্ণ।

    শ্যেন দৃষ্টি খলিলুরের ভারত সফরে

    বাংলাদেশের পাশাপাশি এই কনক্লেভে যোগ দেবেন মলদ্বীপ, মরিশাস এবং শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিরাও। সূত্রের খবর, এই কনক্লেভে সমুদ্র, সীমান্ত, সন্ত্রাসবাদ দমনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। যদিও ভারত তো বটেই, বাংলাদেশবাসীরও শ্যেন দৃষ্টি খলিলুরের ভারত সফরের দিকে (NSA)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে দুই দেশের আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আবেদন ভারতের কাছে করতে পারে বাংলাদেশ। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, ডোভাল-খলিলুরের মুখোমুখি বৈঠকে আলোচনা হতে পারে দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে। ভারতে এসআইআর শুরু হতেই বাংলাদেশে পালাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সেই (Bangladesh) বিষয়টি নিয়েও হতে পারে আলোচনা। বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যকলাপও বাড়ছে বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় হতে চলেছে দুই দেশের দুই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক।

    ‘বিমসটেক’ সম্মেলন

    প্রসঙ্গত, এর আগে তাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে ‘বিমসটেক’ সম্মেলনের ফাঁকে খলিলুরের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল ভারতীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে। সেই সময় অবশ্য খলিলুর ছিলেন ইউনূসের প্রতিনিধি। তখনও বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি তাঁকে (NSA)। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমাগত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে পুশব্যাক করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে প্রথম দিকে ব্যাপক আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এখন আর সেরকম কোনও আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না। চোরাচালান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বাংলাদেশি পাচারকারীদের যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা গুলি করে, তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে ঢাকার।

    ডামাডোলের বাজার

    এসবের মধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্তের কাছেই ভারত তিনটি সামরিক ছাউনি স্থাপন করেছে। চিকেনস নেকের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ করেছে ভারতীয় সেনা। আবার আগামী কয়েক সপ্তাহে বেশ কয়েকদিন উত্তরপূর্ণ ভারতজুড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার মহড়া চলবে। যার জেরে জারি করা হয়েছে নোটাম। এই সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। এই আবহে দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার (NSA) বৈঠক যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য (Bangladesh)।

LinkedIn
Share