Tag: NSE

NSE

  • Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুরু নতুন সম্বৎ (Samvat) ২০৭৯। এই হিসেব বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের হিসেব নয়। এক সময় দিওয়ালিতে (Diwali 2022) বর্ষ গণনা শুরু হত। সেই হিসেবে এবারও দীপাবলির দিন শুরু হচ্ছে ২০৭৯ সম্বৎ। এদিন এক ঘণ্টার ট্রেডিং সেশনের মুহুরত হবে বিএসই (BSE) এবং এনএসইতে (NSE)। বিএসই এবং এনএসই হল দুটি প্রমিনেন্ট স্টক এক্সচেঞ্জ। এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের তরফে মুহুরতের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধে ৬টা ১৫ থেকে ৭ টা ১৫। শেয়ার কারবারিদের বিশ্বাস, এই মুহুরত মুহূর্তে কোনও শেয়ার কেনাবেচা করলে মিলবে কাঙ্খিত সাফল্য। সমৃদ্ধি আসবে উজিয়ে।

    দিওয়ালির (Diwali 2022) এই মুহুরত মুহূর্তে শেয়ার কেনাবেচা করলে যেহেতু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় বলে বিশ্বাস, তাই এই শুভক্ষণের অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকেন শেয়ার কারবারিরা। এই সময় তাঁরা কেনাবেচা করেন ইক্যুইটি শেয়ার, কমোডিটি ডেরিভেটিভস, কারেন্সি ডেরিভেটিভস, ইক্যুইটি ফিউচার্স অ্যান্ড অপশানস, সিকিউরিটিজ লেন্ডিং অ্যান্ড বরোয়িং। এই মুহুরতের সময় মাত্র এক ঘণ্টা। তাই এই সময় শেয়ার বাজার খেয়ালি বলেই বিবেচনা করা হয়। তাই শেয়ার বাজারে একেবারেই যাঁরা নতুন, তাঁরা সাবধানে শেয়ার কেনাবেচা করবেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক সাফল্যের চেয়ে কাজটা সুচারুরূপে করতে পারাই সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    যে কোনও শুভ কাজ দীপাবলিতে (Diwali 2022) করাই শুভ বলে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই দিনে নয়া সম্বৎ শুরু হয়, তাই কাজে সাফল্যও মেলে বেশি। তাই এদিন মুহুরতের সময়টা শেয়ার বাজার থাকে চাঙা। এই সময় সব ধরনের শেয়ার কেনাবেচা হয়। মুহুরতের সময় কোনও শেয়ার কেনা হলে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন বলেই লোক বিশ্বাস। কেবল এই দিনটিতেই তাঁরা যে লাভ করবেন তা নয়, বছর ভর ঘরে তুলবেন লাভের কড়ি। এক বাজার বিশেষজ্ঞ বলেন, দীপাবলির মুহুরতের সময় শেয়ার কেনাবেচা করাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ ফলদায়ক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NSE Phone Tapping: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    NSE Phone Tapping: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনএসই ফোন ট্যাপিং (NSE Phone Tapping) মামলায় মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় পান্ডেকে (Sanjay Pandey) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। বেআইনিভাবে এনএসইর কর্মচারীদের ফোন ট্যাপিং এবং রেকর্ড করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    গত ৩০ জুন মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের পদে ইস্তফা দেন সঞ্জয় পান্ডে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সঞ্জয় পান্ডে নিয়মিত এনএসই (NSE) কর্মীদের ফোন রেকর্ড করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এজন্যে তিনি মোটা টাকাও নিতেন বলে জানতে পেরেছেন ইডির আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, এজন্যে আইএসইসি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থার থেকে তিনি ৪.৫৪ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। বেশ কয়েকজনকে জেরা করে বিষয়টি জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সাক্ষীদের জেরা করার পরেই উঠে আসে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।   

    আরও পড়ুন: বাইকের নম্বর হবে ২৬/১১! বেশি টাকা দেয় উদয়পুরের হত্যাকারীরা    

    সোমবার দিল্লি আদালতে ইডি (ED) জানায়, ১৯৯৭ সাল থেকেই এনএসইর কর্মীদের ফোন ট্যাপিং চলছিল। এই সংক্রান্ত নথি এবং তথ্যও জোগাড় হয়েছে বলেও আদলতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। এর আগে সিবিআইয়ও ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি মামলায় সঞ্জয় পান্ডেসহ আরও এক পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিংকে দফায় দফায় জেরা করে। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিল দেশমুখ এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত। 

    এনএসই-তে আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করার সময় গোপনে ফোনে আড়িপাতার বেশ কিছু অভিযোগ পান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। তারপরেই বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে জানায় ইডি। সিবিআইকেমামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফোন ট্যাপিং মামলায় সিবিআই এবং ইডি উভয়ই সঞ্জয় পান্ডের বিরুদ্ধে মামলা করে। এই মাসেই প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে দফায় দফায় জেরা করে সিবিআই।

    অন্যদিকে আইএসইসি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডসহ এনএসইর প্রাক্তন এমডি রবি নারায়ণ এবং সিইও চিত্রা রামকৃষ্ণার (Chitra Ramakrishna) বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে সিবিআই (CBI)। তদন্ত চালাচ্ছে ইডিও। সিবিআইয়ের দাবি, নারায়ণ এবং রামকৃষ্ণ পুরো বিষয়টির ষড়যন্ত্র করে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জয় পান্ডে এই সংস্থাটি খুলেছিলেন বলেও জানতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জেরা করতে পারে ইডি।

  • RBI: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস 

    RBI: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষ তো বটেই দেশে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আতঙ্কিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কও। এই পরিস্থিতিতে এদিন রেপো রেট (Repo Rate) বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন আরবিআই (RBI)-এর গভর্নর শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। তিনি জানিয়েছেন, রেপো রেট (যে হারে অন্য ব্যাঙ্কের থেকে সুদ নেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক) ৪০ বেসিস পয়েন্ট বা বৃদ্ধি করে ৪.৪০% করা হয়েছে।  

    গত মাসেই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সেই সময় অনেকেরই মনে হয়েছিল যে, এই মুহূর্তে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জমা টাকায় সুদের হার বৃদ্ধি করা উচিৎ। সেই কাজটিই একমাস পর করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শক্তিকান্ত দাস জানান, রেপো রেট ৪০ বেসিস পয়েন্ট (BPS) বৃদ্ধি করে ৪.৪০ শতাংশ করা হচ্ছে। 

    ২০১৮-র অগাস্টের পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে এই ধরনের বৃদ্ধি এই প্রথম। রেপো রেট বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়ল। কারণ, এর ফলে ব্যাঙ্ক ঋণে সুদের হার আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতির চাপের কথাও এদিন অনলাইন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর। এই বৃদ্ধি না হলে অর্থনীতি সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেপো রেট নিয়ে আরবিআই-এর পরবর্তী আলোচনার দিন জানানো হয়েছে ৮ জুন। সেই সময় পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    এদিন ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (CRR) ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে। ব্যাঙ্কের যে পরিমাণ টাকা আরবিআই-এ গচ্ছিত থাকে সেটাই ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও। এই মুহূর্তে ব্যাঙ্ক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আরও বেশি ০.৫০% টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা থাকবে। নতুন ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও হল ৪.৫%।  

    বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন আরবিআই- এর মতোই রেপো রেট ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়াতে পারে  ইউএস ফেডারাল ব্যাঙ্ক (US Federal Bank)। আর এই জোড়া আশঙ্কাতেই ব্যাপকভাবে ধাক্কা খেয়েছে শেয়ার বাজার। সেনসেক্সে ১৩০৭ পয়েন্ট বা ২.২৯% পতন হয়ে দাঁড়ায় ৫৫,৬৬৯। আর নিফটিতে ৩৯২ পয়েন্ট বা ২.২৯% পতন। দিনশেষে তা দাঁড়ায় ১৬,৬৭৮-এ।   

    যেখানে মার্চের মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৬.৯৫%, সেই সময় এপ্রিলে আরবিআই-এর কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার সমালোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। আরবিআই-এর মুদ্রাস্ফীতির সহনশীলতার মাত্রা ছয় শতাংশ। পরপর তিন মাস যা ছয় শতাংশের ওপরে রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আগামী কয়েক মাসে দাম বৃদ্ধির চাপ আরও বাড়বে।

     

  • Phone Tapping Case: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    Phone Tapping Case: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে নতুন করে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (NSE) প্রাক্তন প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণ, রবি নারায়ণ এবং মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার (Ex Mumbai Police Commissioner) সঞ্জয় পাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। তাঁদের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ (Phone Tapping Case)  দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ।

    আগেই চিত্রাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বর্তমানে তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নারায়ণকে জেরা করা হয়েছে। আর পান্ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মুম্বই এবং দিল্লি সহ দেশের ১৮টি জায়গায় ফোনে আড়িপাতার অভিযোগে তল্লাশি করেছে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এই সূত্রেই জানা গিয়েছে, পাণ্ডের ফার্মে এনএসই কর্মীদের ওপর অবৈধভাবে নজরদারি চালাতেন এনএসইর প্রাক্তন প্রধানরা। এই অভিযোগেরও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন : রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার পাণ্ডেকে টানা পাঁচ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগও রয়েছে। পাণ্ডে ১৯৮৬ সালের আইপিএস অফিসার। জুন মাসের ৩০ তারিখে অবসর নেন তিনি। পাণ্ডেকে দিল্লির ইডি অফিসে ডেকে জেরা করা হয় চলতি মাসের পাঁচ তারিখে।

    সূত্রের খবর, সিবিআই কো-লোকেশন কেলেঙ্কারির তদন্ত চালানোর সময় আইসেক সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছে। এর সঙ্গে পাণ্ডের পরিবারের লোকজনও যুক্ত। এই কো-লোকেশন কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এ ব্যাপারে অবশ্য পাণ্ডের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন : ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে পাণ্ডেকে যখন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করে এমভিএ সরকার, তখন তাঁকে একবার সিবিআই ডেকেছিল। সেই সময় মহারাষ্ট্রের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে। এখন ফের পাণ্ডেকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই। এখন অবশ্য অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধেই। তদন্তকারী এক আধিকারিক বলেন, পাণ্ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করাটা খুবই জরুরি। তাঁকে জেরা করলেই বহু তথ্য সামনে আসবে। 

     

LinkedIn
Share