Tag: nsg

nsg

  • Sniper Rifle: নিখুঁত নিশানা! দেড় কিমি দূর থেকেই লক্ষ্যভেদ, ভারতীয় সাবর হারাল মার্কিন ব্যারেট-কে

    Sniper Rifle: নিখুঁত নিশানা! দেড় কিমি দূর থেকেই লক্ষ্যভেদ, ভারতীয় সাবর হারাল মার্কিন ব্যারেট-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের হাত ধরে অস্ত্রের জগতে ভারত ক্রমাগত শক্তি বাড়াচ্ছে। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া পুলিশ কমান্ডো প্রতিযোগিতায় (All India Police Commando) কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং রাজ্যগুলির কমান্ডো শাখাকে পরাজিত করে স্নাইপার (Sniper Rifle) বিভাগে জিতেছে। দেশে তৈরি স্নাইপার রাইফেল এবার টেক্কা দিয়েছে তার বিদেশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের।

    রাইফেলের নিখুঁত নিশানা

    সর্বভারতীয় পুলিশ কম্যান্ডো প্রতিযোগিতার স্নাইপার (Sniper Rifle) ক্যাটেগরিতে ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড’ (এনএসজি) বাহিনী ‘সাবার’ ব্যবহার করেই ছিনিয়ে এনেছে সেরার সম্মান। এর পোশাকি নাম .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম। এই অস্ত্র প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পারে শত্রুকে! শুধু নিখুঁত লক্ষ্যভেদই নয়, প্রাণঘাতী আঘাত-সহ সমস্ত মাপকাঠিতেই ‘নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী’ আমেরিকায় তৈরি ৫০ ক্যালিবারের ‘ব্যারেট’কে পিছনে ফেলেছে ‘সাবার’। ওই স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করে দ্বিতীয় হয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ সন্ত্রাসদমন কম্যান্ডো বাহিনী ‘ফোর্স ওয়ান’।

    চাহিদা বাড়বে

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ইছাপুর রাইফেল (Sniper Rifle) ফ্যাক্টরিতে প্রায় দেড় দশক আগে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছিল প্রথম স্নাইপার রাইফেল ‘ঘাতক’। বিভিন্ন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা ব্যবহার করে। রাইফেল সাবার সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি। এর ডিজাইনও শুধুমাত্র ভারতে করা হয়েছে। এই রাইফেল দিয়ে দেড় কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নির্ভুল নিশানা করা যায়। বেঙ্গালুরুর ছোট আগ্নেয়াস্ত্র প্রস্তুতকারক এসএসএস ডিফেন্সের তৈরি .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম ইতিমধ্যেই বিদেশের কয়েকটি কম্যান্ডো বাহিনী ব্যবহার করে। উৎকর্ষের নতুন মাত্রায় পৌঁছোনোর ফলে তার চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশীয় প্রযুক্তির গর্ব

    ‘সাবার’ ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি স্নাইপার রাইফেল (Sniper Rifle) । এর সাফল্য দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন। এটি প্রমাণ করে যে ভারত এখন আন্তর্জাতিক মানের সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করতে সক্ষম। সাবার’-এর সাফল্য ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দেশের সামরিক সক্ষমতাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।

  • Kumbh Mela 2025: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    Kumbh Mela 2025: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঁটসাঁট করা হচ্ছে প্রয়াগরাজের কুম্ভমেলা (Kumbh Mela 2025)। মেলায় (Prayag) হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন কানাডাবাসী খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরুপতবন্ত সিংহ পান্নুন। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েকটি ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের নিশানায়ও রয়েছে এই মহাকুম্ভ। তাই মহাকুম্ভের নিরাপত্তায় এনএসজি কমান্ডো বাহিনী ও স্নাইপার প্লাটুন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কুম্ভমেলার ইতিহাসে এই প্রথম বার এমন আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নাশকতা দমন টিম (Kumbh Mela 2025)

    জানা গিয়েছে, এবার মহাকুম্ভে মোতায়েন করা হচ্ছে মোট ২৬টি নাশকতা দমন টিম। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কমান্ডো বাহিনী ও কেন্দ্রীয় আধাসেনার স্পেশাল ফোর্সের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে উত্তরাখণ্ড পুলিশের দুটি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট। ড্রোনের সাহায্যে নজরদারির ব্যবস্থাও থাকবে। থাকবে বুলেটপ্রুফ আউটপোস্টও। বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে শাহি স্নানের জায়গা, মন্দির এবং গাড়ির পার্কিং লটগুলিতে। কুম্ভমেলায় ব্যাপক ভিড় হয় সাধুদের। সেই সাধুর ছদ্মবেশে জঙ্গিরা যাতে হামলা চালাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আখড়া-সন্ন্যাসীদের আধারকার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    শাহি স্নান

    কুম্ভে বিশেষ পুণ্যতিথির স্নানকে শাহি স্নান বলে। এবার মেলা শুরু হবে ১৩ জানুয়ারি, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই ৪৪ দিনের মধ্যে শাহি স্নানের দিন রয়েছে ৬টি। এর মধ্যে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌনি অমাবস্যার শাহি স্নান। এই শাহি স্নানের দিনগুলিতে ব্যাপক ভিড় হবে বলে আশা উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের (Kumbh Mela 2025)। সেই ভিড়ের সুযোগ নিয়ে হানা দিতে পারে অশুভ শক্তি। তাই আঁটসাঁট করা হচ্ছে মেলা চত্বর।

    আরও পড়ুন: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রয়াগরাজের মেলাস্থলের আয়তন ৩২ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি। রয়েছে গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমের বিস্তীর্ণ জলরাশি। সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জল পুলিশের বিশেষ বাহিনীকে। প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর হয় পূর্ণকুম্ভ। ৬ বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভ। আর ১৪৪ বছর পর হয় মহাকুম্ভ। ২০১৩ সালে হয়েছে পূর্ণকুম্ভ। ২০১৯ সালে হয়েছে অর্ধকুম্ভ। এবার হতে চলেছে মহাকুম্ভ মেলা (Prayag)। সেই কারণেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা (Kumbh Mela 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu: উপত্যকায় সন্ত্রাস দমনে আরও সক্রিয় কেন্দ্র, জম্মুতে স্থায়ী মোতায়েন এনএসজি-র বিশেষ দল

    Jammu: উপত্যকায় সন্ত্রাস দমনে আরও সক্রিয় কেন্দ্র, জম্মুতে স্থায়ী মোতায়েন এনএসজি-র বিশেষ দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি জম্মুতে (Jammu) সন্ত্রাস ও জঙ্গি-হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, জাতীয় সুরক্ষা বাহিনীর (NSG’s Special Task Force) একটি বিশেষ দল স্থায়ীভাবে জম্মু শহরে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই দল জরুরি পরিস্থিতিতে বা সন্ত্রাসী হামলার সময় যে কোনও স্থানে দ্রুত পৌঁছতে পারবে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, চলতি বছর জম্মুতে (Jammu) সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মধ্যে ৮টি জেলায় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় মোট ৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন নিরাপত্তা কর্মী, ১৪ জন সাধারণ নাগরিক এবং ১৩ জন জঙ্গি রয়েছে। এরপরই এনএসজি-র বিশেষ টাস্ক ফোর্স (NSG Special Task Force) জম্মু শহরে স্থায়ীভাবে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। রাজৌরি-পুঞ্চ বেল্টেও বেড়েছে জঙ্গি হামলা। ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে এই অঞ্চলে সেনাবাহিনীর যানবাহনে আক্রমণের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে। যার ফলে একশোরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, এর মধ্যে ৪৭ জন নিরাপত্তা কর্মী, ৪৮ জন সন্ত্রাসী এবং ৭ জন সাধারণ নাগরিক।

    আরও পড়ুন: বরফ ঘেরা সিয়াচেন, দৌলত বেগ ওলডিতে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ স্থাপন

    অনুপ্রবেশ প্রতিরোধই লক্ষ্য

    সন্ত্রাসী হামলার মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী তাদের অভিযান বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে, বিশেষ করে ঘন বনাঞ্চলে চলমান কাউন্টার-টেরোরিজম অপারেশন এবং সীমান্ত গ্রামগুলিতে রাতের প্যাট্রলিং বাড়ানো হয়েছে যাতে সীমান্ত পার হয়ে সন্ত্রাসী অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করা যায়। কাশ্মীরে জঙ্গি সন্ত্রাসের চক্র ভাঙার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে সেনা। অনেক নতুন অস্ত্র কেনা হচ্ছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ-বিরোধী গ্রিড পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি বিএসএফের কাশ্মীর রেঞ্জের আইজি অশোক যাদবের। এই আবহে জম্মুতে (Jammu) সন্ত্রাস দমনের জন্য এনএসজির বিশেষ দল (NSG Special Task Force) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। যা জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বাহিনীর (NSG) নিরাপত্তা পাবেন না দেশের ৯ ভিভিআইপি (VIP Security)। এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড), এরাই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো নামে পরিচিত)-র পরিবর্তে এঁদের প্রহরায় থাকবে সিআরপিএফের বিশেষ দল। আগামী মাস থেকেই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোর বদলে ওই ৯ জন ভিভিআইপির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সিআরপিএফ। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে কয়েক বছর আগেই। এবার তা কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    যাঁদের এনএসজি প্রত্যাহার করা হল (NSG)

    যে ৯ জন ভিআইপির এনএসজি  প্রত্যাহার করা হল, তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএসপি সভানেত্রী মায়াবতী, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা, জম্মু-কাশ্মীরের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। এঁদের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ ও সোনোয়ালের জন্য থাকবে সিআরপিএফের উন্নত সুরক্ষা যোগাযোগ (অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়েজন) প্রোটোকলও। বর্তমানে এই প্রোটোকলের আওতায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং গান্ধী পরিবারের তিন সদস্য – সোনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা।

    এনএসজি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, এনএসজিকে (NSG) পুরোপুরি কাজে লাগানো হবে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে। এদেরই বিকল্প হিসেবে সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি উইংয়ের একটি ব্যাটেলিয়ান গড়া হয়েছে। সেই ব্যাটেলিয়নই প্রহরায় থাকবে ওই ৯ জন ভিভিআইপির।

    আরও পড়ুন: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    প্রায় তিন দশক ধরে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন এই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোরা। ১৯৮৪ সালে যখন এই বাহিনী গড়ে তোলার কথা ভাবা হয়েছিল, তখন তাদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়নি এনএসজিকে। পরে ভিআইপি প্রহরার দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোদের। যেসব নেতার প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের সুরক্ষার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষিত জওয়ানদের নিয়ে গড়া হয়েছিল স্পেশাল রেঞ্জার গ্রুপ। অন্যদিকে, সন্ত্রাস দমন, বিমান ছিনতাই মোকাবিলা ও ঝটিকা হানাদারির জন্য (VIP Security) সেনার কমান্ডোদের নিয়ে এনএসজি (NSG) গড়েছিল স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (অবশ্য গ্রেফতার হতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়) গড়ে (Sandeshkhali Violence) অভিযান শেষে শুক্রবার একটি ব্যাগ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল এনএসজি। সেই ব্যাগে কী ছিল, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত ছিল না। তবে এনএসজির নিয়ে যাওয়া ব্যাগে কী ছিল, তা জানা গেল এবার, এনএসজি রিপোর্ট দেওয়ার পর। সিবিআইকে দেওয়া রিপোর্টে এনএসজি জানিয়েছে, ওই ব্যাগে দুটি বিদেশি আগ্নায়াস্ত্র ছিল। বেশ কিছু কার্তুজ ও বিস্ফোরকও মিলেছে। এনএসজির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই মামলায় প্রায় দশজনকে তলব করা হচ্ছে। এনএসজি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সিবিআই তা আদালতে দেবে বলেও জানা গিয়েছে।

    উদ্ধার অস্ত্র (Sandeshkhali Violence)

    শুক্রবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Violence) প্রথমে অভিযান চালায় সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। সিবিআইয়ের তরফে খবর দেওয়া হয় এনএসজিকে। ক্যালিবার যন্ত্র নিয়ে এসে দিনভর সন্দেশখালিতে অস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালায় এনএসজি। নিষ্ক্রিয় করা হয় বেশ কিছু অস্ত্র। বন্দুক, পিস্তল, কার্তুজ ও কয়েকটি রশিদও পায় সিবিআই। সেই রশিদে নাম ছিল শাহজাহানের। কলকাতার একটি দোকান থেকে কেনা হয়েছিল ওই কার্তুজ। সিবিআইয়ের দাবি, সেদিন যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল, তার মধ্যে একটি আবার শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগিরের।

    সিবিআইয়ের অভিযান

    শুক্রবার সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali Violence) দুটি ঠিকানায়। সেখানে তিন দিক ভেড়ি দিয়ে ঘেরা একটি পাকা বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বিভিন্ন মাপের সাতটি রিভলভার পেয়েছিল তারা। এর মধ্যে তিনটি রিভলভার ও পিস্তল বিদেশি। এর মধ্যে একটি পিস্তল রয়েছে, যেটি ব্যবহার করে পুলিশ। দেশি একটি রিভলভারও রয়েছে। কার্তুজ মিলেছিল সাড়ে তিনশোর মতো।

    আরও পড়ুুন: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট বসিরহাট মহকুমা আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নিজেদের কাছে রাখার আবেদনও জানানো হয়েছিল। সিবিআইয়ের আবদেন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। জানা গিয়েছে, আবুল স্ত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Seikh Sahajahan: আরও বিপাকে শেখ শাহজাহান! অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের ধারা যুক্ত হবে মামলায়

    Seikh Sahajahan: আরও বিপাকে শেখ শাহজাহান! অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের ধারা যুক্ত হবে মামলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরও বিপদে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Seikh Sahajahan)। রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে তাঁর বাহিনী আক্রমণ করে। এরপর থেকে পলাতক হয়ে যান তিনি। ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় এই পালতক নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর হাইকোর্টের রায়ে তদন্তভার নেয় সিবিআই। এবার নতুন করে আরও একবার মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সিবিআই সূত্রে খবর (Seikh Sahajahan)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিকাণ্ডে আগামীকাল সোমবার বসিরহাট আদালতে শাহজাহানের (Seikh Sahajahan) বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও বিস্ফোরক আইন যুক্ত করার আবেদন করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একে আগেই ইডি রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করছিল, এরপর ইডির উপর আক্রমণের মামলা, এবার অস্ত্র আইনের মামলা যোগ করা হবে। ফলে এই নতুন মামলায় সন্দেশখালির এই শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে আরও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে সেই বিষয়ে সন্দেহ নেই।

    আবু তাহেরের বাড়িতে উদ্ধার অস্ত্র

    গতকাল শুক্রবার যখন একদিকে রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন চলছে ঠিক সেই দিন সন্দেশ খালিতে তদন্তে নামে সিবিআই। গোপন সংবাদ পেয়ে শাহজাহানের (Seikh Sahajahan) ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে লুকিয়ে রাখা প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়। এরপর একই সঙ্গে নামে কমান্ডো। মাটি খনন করে উদ্ধার করা হয় বিপুল অস্ত্র। উদ্ধার করা হয় প্রচুর বিস্ফোরক। এরপর সেগুলিকে নিস্ক্রিয় করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের উৎস কী? শাহজাহানের সঙ্গে সম্পর্ক কী তাই নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রশ্ন। তাই এবার অস্ত্র আইনের ধারায় মামলা গ্রহণ করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

    রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়

    উল্লেখ্য সন্দেশখালিতে সন্ধান মিলেছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার এবং বিস্ফোরক। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের (Seikh Sahajahan) ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বোমা, বন্দুক এবং বিস্ফোরক। ইতিমধ্যেও ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে এনএসজি কমান্ডো এবং রবোর্ট। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ জানিয়েছেন এলাকায় ভোটে আতঙ্ক তৈরি করতে আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে। তৃণমূলের নেতার গ্রামের মহিলাদের সাদা থান দেওয়ার নিদান দিচ্ছেন। ঘটনায় রাজ্য বিজেপি তীব্র তোপ দেগেছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। পাল্টা মমতার বক্তব্য ছিল সব বিজেপির চক্রান্ত, এনএসজি ইচ্ছে করে বোমা বন্দুক বিস্ফোরক মজুত করেছে। ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে মিলল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভান্ডার, কে এই আবু তালেব?

    Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে মিলল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভান্ডার, কে এই আবু তালেব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) লোকসভা ভোটের আবহের মধ্যেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হল। উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় শাসক দলের যোগ আরও সুস্পষ্ট হয়েছে। তবে, কে এই আবু তালেব। শাহজাহানের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই আবু তালেব? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবু তালেবের বাড়ি ন্যাজাট থানার বাউনিয়া গ্রামে। তাঁর বয়স ৩০ বছর। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর অল্পদিনের মধ্যে তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। সেই সূত্রে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিক পাড়ার বাসিন্দা তাসমিনা বিবির সঙ্গে আবু তালেবের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত পাঁচ বছর ধরে মল্লিক পাড়ায় তিনি থাকতে শুরু করেন। এলাকায় তিনি টোটো চালাতেন। শাহজাহানের ভেড়ি দেখতেন। শাহজাহানের সঙ্গে তাঁর একাধিক ছবিও রয়েছে। অনেকে তাঁকে শাহজাহানের ডান হাত বলতেন। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বেপাত্তা হয়ে যান তিনি।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তালেবের বাড়ি থেকে অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার হতেই হতবাক এলাকাবাসী

    সরবেড়িয়া (Sandeshkhali) আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিক পাড়ায় একদা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে সিবিআই টিম সাতসকালে সিআরপিএফ জওয়ান নিয়ে হানা দেয়। বাড়িতে আবু তালেবের স্ত্রী তাসমিনা বিবিসহ আরও একজন সদস্য ছিলেন। ঘরে তল্লাশি চালাতেই কিছু বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়। তদন্তকারীরা দ্রুত এনএসজি-কে খবর দেয়। তারপর অত্যাধুনিক রোবটকে কাজে বোমার বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যে আবু তালেবের স্ত্রীকে আটক করে সিবিআই। সাধারণ টোটো চালক ও ভেরির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তির কাছে থেকে কীভাবে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেল তা সিবিআই খতিয়ে দেখছে।  স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তালেব খুব ভালো ছেলে। তাঁর বাড়িতে বাইরে থেকে কাউকে আসতে কেউ দেখেনি। তবে, তাঁর বাড়ি থেকে এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হল তা জেনে হতবাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    Sandeshkhali: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের গড়ে ইডি হানার পর থেকে খবরের শিরোনামে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর সন্দেশখালি নিয়ে চর্চা কিছুটা কমেছিল। তবে, শুক্রবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন সন্দেশখালিতে যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার হল তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা চলছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পুলিশের রিভলভার উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় সব থেকে বেশি চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    অস্ত্রভান্ডারে উদ্ধার হয়েছে পুলিশের রিভলভার (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়া গ্রাম থেকে যে অস্ত্রসম্ভার উদ্ধার হয়েছে, তার ছবি প্রকাশ করেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, শাহজাহাবন ঘনিষ্ঠের ডেরা ছেকে সিবিআই শুক্রবার ৭টি স্মল আর্মস, ৭টির মধ্যে ৪টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, বাকি দেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে। ২২৮ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সমস্ত বোমা দেশি। একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি পরিচয়পত্র, সোনার গয়নার ব্যাগ, বিল উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া অস্ত্রভান্ডারে পুলিশের রিভলভার উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে পুলিশের সার্ভিস রিভলভার সরবেড়িয়ার ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হল? অস্ত্রের ডেরায় কে বা কারা পুলিশের রিভলভার দিয়েছে তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। আর সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মতো প্রত্যন্ত এলাকায় বিদেশি অস্ত্রের জোগান কে দিল তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। জঙ্গি সংগঠনের যোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করতে হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    গ্রামবাসীদের সরিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ায় শেখ শাহজাহানের এক ঘনিষ্ঠের আত্মীয়র বাড়িতে মিলেছে অস্ত্রের খোঁজ। মাটির নিচে বিপুল অস্ত্র লুকিয়ে রাখার খোঁজ মেলে। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এনএসজি কমান্ডো টিম। নামানো হয় ‘ক্যালিবার’ রোবট, ডিটেকশন ডগ। নিয়ে যাওয়া বালিবোঝাই বস্তা। অত্যাধুনিক এই রোবটিক্স ডিভাইস সরবেড়িয়ার গ্রামের পথ ধরে পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। এরপর ওই বাড়ি থেকে একটি ব্যাগে নিয়ে বেরিয়ে আসে সেটি। গ্রামের আশপাশের লোকজনকে এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যবস্থা করে একের পর এক বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ভোটের বাংলায় সন্দেশখালিতে বেনজির ছবি, অস্ত্র উদ্ধারের সব তথ্য কমিশনে জানাবে সিবিআই

    Sandeshkhali: ভোটের বাংলায় সন্দেশখালিতে বেনজির ছবি, অস্ত্র উদ্ধারের সব তথ্য কমিশনে জানাবে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার ভোট পর্বের মধ্যেই ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) অভিযান সিবিআইয়ের। শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খায়ের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার তালাবন্ধ বাড়ি থেকে এদিন বিপুল অস্ত্রের খোঁজ পায় সিবিআই। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র। ভোটের বাংলায় বেনজির ছবি। সন্দেশখালির সরবেড়িয়া গ্রামে এনএসজি টিম। এলাকা খালি করছেন কমান্ডোরা। ভেড়ির আলপথে বেয়ে ঘুরছে রোবোটিক ডিভাইস। শুক্রবার এ গ্রামেরই এক বাড়িতে অস্ত্রসম্ভারের খোঁজ মেলে। এরপর কার্যত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে তল্লাশি।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তা জানাতে চলেছে সিবিআই (Sandeshkhali)

    সূত্রের খবর, এদিনের অভিযানে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে এসেছে বিদেশে তৈরি পিস্তল ও রাইফেল। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে অন্তত ১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনও পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে রয়েছে বিদেশি নাইন এম এম, দেশি সেভেন এমএম পিস্তল। বোমা ও কার্তুজও পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গ জুড়ে চলছে তল্লাশি অভিযান। মাটি খুঁড়ে চলছে তল্লাশি। সন্দেশখালিতে শুক্রবারের অভিযান প্রসঙ্গে এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট দিতে চলেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে এমনই জানা যাচ্ছে। আদর্শ আচারণবিধি জারি থাকাকালীন অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে সেখান, সেই কারণেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তা জানাতে চলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

    আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ!

    এনএসজির মূলত তিনটি শাখা রয়েছে। তার মধে একটি হচ্ছে বম্ব ডিসপোজাল এবং ডিটেকশন স্কোয়াড। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) এনএসজির এই বম্ব ডিসপোজাল এবং ডিটেকশনস স্কোয়াডকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কোথা থেকে কেনা হয়েছিল? এই অস্ত্রপাচার চক্রের সঙ্গে কি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ রয়েছে? শাহজাহানই বা কীভাবে জড়িত, কীভাবে হয়েছে অস্ত্র পাচার? শাহজাহানের বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার সঙ্গে কী এর যোগ আছে? তাহলে কী রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে শাহজাহান সরাসরি যুক্ত? উঠছে প্রশ্ন।

    রোবট-গাড়ির সাহায্যে উদ্ধার হল সাদা ব্যাগ

    শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খায়ের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ির দিকে পাঠানো হয় ওই রোবট-গাড়ি। যা ‘বখ ডিসপোজাল রোবট’ হিসাবে পরিচিত। দেখতে ছোটখাটো ট্যাঙ্কের মতো। রহস্যজনক ব্যাগ নিয়ে আবু তালেবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে রোবোটিক ডিভাইস। আবারও আলপথ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল পর্যবেক্ষক এই রোবট। কী রয়েছে এই সাদা ব্যাগে, উঠছে প্রশ্ন। সরবেড়িয়ার (Sandeshkhali) ঘিরে ফেলেছে এনএসজি। তার দিয়ে ঘেরা হচ্ছে নিাপত একটি জায়গা। সেখানে একের পর এক বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। এলাকার সমস্ত বাড়ি খালি করার নির্দেশ দিয়েছে এনএসজি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কালামাসেরি এলাকায় প্রার্থনা সভায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের (Kerala Blasts) ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। সোমবার ভোরে মৃত্যু হয়েছে বছর বারোর লিবিনার। এ নিয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওই প্রার্থনা সভায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩। জখম হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি। তদন্তকারীদের পাশাপাশি কেরল পুলিশেরও দাবি, ওই প্রার্থনা সভায় আইইডি ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে এনআইএ।

    একাধিক সংস্থার তদন্ত

    ঘটনার নেপথ্যে হামাসের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। তিনদিনের এই প্রার্থনা সভা শুরু হয়েছিল শুক্রবার। সেদিনই মুসলিম জঙ্গি সংগঠন হামাসের প্রাক্তন নেতা ভার্চুয়ালি প্যালেস্তাইনের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিল। বিস্ফোরণ ঘটে রবিবার। সেদিনই ছিল প্রার্থনাসভার শেষ দিন। বিস্ফোরণের নেপথ্যে কার হাত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। এনআইএ-র পাশাপাশি তদন্ত করছে এনএসজিও। এই সংস্থা ব্ল্যাক ক্যাট নামেই পরিচিত। কেরল সরকারের নির্দেশে ২০ সদস্যের একটি দলও তদন্ত করছে।

    নাড্ডার নিশানায় কেরল সরকার

    ঘটনায় (Kerala Blasts) কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে একহাত নিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, “আমূল রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষপাতী হওয়ায় কেরলে এমন বিস্ফোরণ ঘটছে।” সোমবার কালামাসারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। তিনি বলেন, “মৌলবাদ ও মৌলবাদীদের সঙ্গে বারংবার আপোস করছে কেরল সরকার। তার জেরে এমন ঘটনা ঘটছে।”

    আরও পড়ুুন: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির

    কেরলের ঘটনার দায় স্বীকার করে রবিবারই স্থানীয় থানায় আত্মসমর্পণ করেছে এক ব্যক্তি। ডমিনিক মার্টিন নামের ওই ব্যক্তির দাবি, সে জিহোবা সাক্ষী (এই গোষ্ঠীই প্রার্থনা করছিল) নামে খ্রিস্টানদেরই একটি গোষ্ঠীর সদস্য। তবে তার বক্তব্য কতটা সত্য, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    এদিকে, ঘটনার (Kerala Blasts) জেরে দিল্লি এবং বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দেশজুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আশঙ্কায় জনবহুল এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বাজার সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে মুম্বইও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share