Tag: NUH VIOLENCE

NUH VIOLENCE

  • Nuh Violence: ছন্দে ফিরছে নুহ, দু’ সপ্তাহ পরে চালু ইন্টারনেট পরিষেবা

    Nuh Violence: ছন্দে ফিরছে নুহ, দু’ সপ্তাহ পরে চালু ইন্টারনেট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ সপ্তাহ পরে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হল হরিয়ানার নুহতে (Nuh Violence)। সাম্প্রদায়িক হিংসার জেরে দু সপ্তাহ আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। সাম্প্রদায়িক হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল ছ’ জনের। জখমও হয়েছিলেন অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নুহতে ইন্টারনেট, এসএমএস এবং ব্রডব্যান্ড পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    নুহতে অশান্তি 

    ৩১ জুলাই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি শোভাযাত্রায় হামলা হয়। তার জেরেই শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। দু’জন হোমগার্ড এবং মসজিদের একজন ধর্মগুরু সহ হিংসায় মৃত্যু হয় মোট ছ’ জনের। তার পরেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে গুরগাঁও, পালওয়াল, ফরিদাবাদ সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলায়। হিংসার জেরে উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় যানবাহন, রেস্তঁরা, দোকানদানিতে। অভিযোগ, মনু মানেসার (Nuh Violence) নামে এক যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে। সে-ই জানায় নুহতে যে ধর্মীয় শোভাযাত্রা হতে চলেছে, সে ব্যাপারে। সে তার সমর্থকদের দলে দলে চলে আসতে বলে। তার জেরেই অশান্তির সূত্রপাত বলে অভিযোগ। নুহতে হিংসায় মানেসরের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল, বা সিট।

    মহা পঞ্চায়েত

    এদিকে, রবিবার পাওয়েল জেলায় কয়েকজন উগ্র হিন্দুবাদী মহাপঞ্চায়েতের ডাক দেয়। তারা নুহ জেলা ধ্বংস করে দেওয়ার ডাক দিয়েছিল। ৫১ জনের একটি কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় এলাকাটি গো-হত্যা মুক্ত এলাকা করা হবে। ২৮ অগাস্ট নুহতে ফের জালাভিষেক যাত্রা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি। অন্যান্য জেলা থেকে যেসব লোকজন নুহতে (Nuh Violence) আসবেন, তাঁদের জন্য কড়া আইনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয় মহাপঞ্চায়েত। নুহর ঘটনায় ৩৯০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হিংসার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে ১১৮ জনকে। পুলিশ জানিয়েছে, ১০০ জনেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। সপ্তাহখানেক বন্ধ থাকার পর স্কুল, কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে গত সপ্তাহেই। চালু হয়েছে বাস সার্ভিসও।

    আরও পড়ুুন: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Haryana Violence: ফের উত্তেজনা হরিয়ানায়,  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ গুরুগ্রামের সাংসদের

    Haryana Violence: ফের উত্তেজনা হরিয়ানায়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ গুরুগ্রামের সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে ফের নতুন করে হিংসা ছড়ায় হরিয়ানায় (Haryana Violence)। নুহ জেলায় ঘটা সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করলেন গুরুগ্রামের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিং। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে, গোটা পরিস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে আনেন গুরুগ্রামের সাংসদ। তিনি বলেন, যদি দুই সম্প্রদয়ের হাতেই অস্ত্র থাকে, তাহলে কে তাদের অস্ত্রের যোগান দিচ্ছে, হরিয়ানা সরকার তা খতিয়ে দেখবে। যদিও হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর বলেন, নুহ-এর হিংসায় মদত দেওয়া হচ্ছে। কারা এর পিছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    অশান্ত হরিয়ানার বিভিন্ন অঞ্চল

    একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আবার মঙ্গলবার রাতে গুরুগ্রামের (Haryana Violence) সেক্টর ৭০-তে একাধিক দোকান এবং বস্তিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যেখানে আগুন ধরানো হয়, সেটার ঠিক পাশেই একটি আবাসন আছে। তবে শুধু রাতে নয়, মঙ্গলবার অন্ধকার নামার আগেও গুরুগ্রামে অশান্তি ছড়ায়। বাদশাপুরে কমপক্ষে তিনটি দোকানে লুঠপাট চালানো হয়। পতৌদি চকের কাছে একের পর এক দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হরিয়ানার ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দিল্লি (Delhi) ও সংলগ্ন এনসিআর (NCR) এলাকা, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানাতে বিক্ষোভ মিছিলের (rallies) আয়োজন করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) ও তাদের শাখা সংগঠন বজরঙ্গ দল (Bajrang Dal)। এই মিছিল আটকাতে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত মিছিলের অনুমতি দিলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে কোনও অশান্তি না ছড়ায় তা প্রশাসনকে সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়।  বিক্ষোভ মিছিল থেকে যাতে কোনও ঘৃণ্য ভাষণ (hate speeches) বা হিংসা (violence) না ছড়ায় তা দেখার। প্রয়োজনে পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানোর কথাও বলে শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: ‘‘যুদ্ধ কোনও বিকল্প নয়’’! ফের ভারতের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ পাক প্রধানমন্ত্রীর

    দিল্লিতে জারি হাই অ্যালার্ট

    হরিয়ানার হিংসা (Haryana Violence) ছড়িয়ে পড়তে পারে দিল্লিতেও। আগাম সাবধানতা হিসেবে রাজধানী দিল্লিতেও জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। গত তিনদিন ধরে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হরিয়ানা। ১১৬ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ঘটনায় ৪১টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। হরিয়ানার নুহ-তে গত পরশু থেকে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। নূহ-র সাইবার ক্রাইম থানা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। একাধিক পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠছে হরিয়ানার একাধিক এলাকা। গুরুগ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে ঘটনা। ইতিমধ্যেই হরিয়ানার একাধিক জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নূহ এবং গুরুগ্রামের একাধিক জায়গায় স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share