Tag: Oath Taking Row

  • Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নতুন করে অস্থিরতায় পড়ল বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণ। এদিন নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণ (Oath Taking Row) নিয়ে বিরোধ বাঁধে। বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগে রাজপথে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় (Bangladesh)। এদিন অনুষ্ঠান শুরু হয় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণের মাধ্যমে। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। ওই নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

    দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার (Bangladesh)

    বিএনপির সাংসদরা প্রচলিত সংসদীয় শপথ নেন। যদিও তাঁরা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার করেন। এই পরিষদটি সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের এই অস্বীকৃতির ফলে শপথগ্রহণের ধারাবাহিকতা সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত হয়ে যায়। কারণ পরবর্তী পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামি ও ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-এর সাংসদদের শপথ নেওয়ার কথা ছিল। দ্বিতীয় পর্বের শপথের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই সনদ গণভোট থেকে উদ্ভূত একটি সংস্কার প্রক্রিয়ায় সাংসদদের ভূমিকা আনুষ্ঠানিক করা। ওই গণভোটে প্রায় ৬২ শতাংশ সমর্থন মেলে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ ১৮০ দিনের জন্য কার্যত একটি সাংবিধানিক সংস্কার সংস্থার ভূমিকা পালন করত। বিএনপি জানায়, পরিষদের কোনও বিধান এখনও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি এবং তাদের সংসদ সদস্যরা কেবল আইনপ্রণেতা হিসেবেই নির্বাচিত হয়েছেন (Bangladesh)।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে

    এই মতবিরোধের জেরে শাসক জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও প্রকাশ্যে চলে আসে। জামায়াতে ইসলামি এবং এনসিপি বিএনপির অস্বীকৃতির বিরোধিতা করে যুক্তি দেয় যে, গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী অবিলম্বে সাংবিধানিক পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রয়োজন। বিএনপি সংস্কার-সংক্রান্ত অঙ্গীকার না করলে তারা শপথগ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়ে দেয় (Bangladesh)। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি প্রবীণ নেতাদের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, জুলাই সনদ নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে এবং প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। দলটি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের আগে সংস্কারের পরিবর্তে আগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছিল, যদিও তাদের মিত্ররা ভোটের আগে সংস্কারের দাবি জানিয়েছিল (Oath Taking Row)।

    শপথ গ্রহণ

    অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর জামায়াত ও এনসিপির আইনপ্রণেতারা দিনটির পরবর্তী সময়ে উভয় শপথই গ্রহণ করেন। তবে বিএনপির কোনও সাংসদ সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় শপথ নেননি। ফলে সংসদের ভেতরে সংস্কার কাঠামো আংশিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তারেক রহমানের বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের প্রায় ১,২০০ অতিথির উপস্থিত থাকার কথা ছিল। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল-সহ অনেকে।

    সংসদের বাইরের উত্তেজনার আঁচ এসে আছড়ে পড়ে রাজপথেও। জামায়াত নেতারা নির্বাচনে অনিয়ম, ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং এনসিপি-সমর্থক এক নারীকে নোয়াখালিতে গণধর্ষণের অভিযোগ তুলে নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। নতুন সরকার (Oath Taking Row) দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এই সতর্কবার্তা জনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে (Bangladesh)।

     

LinkedIn
Share