Tag: Odisha FC

Odisha FC

  • ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে অপরাজেয় মোহনবাগান (ISL 2024)। সোজাসুজি আইএসএল সেমিফাইনালে ফিরতি লেগের ম্যাচে রবিবার যুবভারতীতে ওড়িশাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মোহনবাগান। সমর্থকদের আনন্দে ভেসে আইএসএল ফাইনালে চলে গেল সবুজ মেরুন। এবার ট্রফি জয়ের অপেক্ষা। জেসন কামিংস এবং সাহাল আব্দুল সামাদ গোল করলেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-২ জিতে ফাইনালে উঠে গেল হাবাসের ছাত্ররা। প্রথম পর্বে তারা হেরেছিল ১-২ গোলে।

    ম্যাচে মেহনবাগান

    এদিন ঘরের মাঠে ৬৬ হাজার দর্শকের সামনে প্রাধান্য বেশি ছিল মোহনবাগানেরই (ISL 2024)। দিমিত্রি পেত্রাতোসের পাশাপাশি কামিংসকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। কামিংস গোল করে আস্থার দাম রেখেছেন। চোট সারিয়ে দীর্ঘ দিন পরে নেমে গোল করেছেন সাহালও। এদিন ২২ মিনিটে গোলের দরজা খুলে দেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেসন কামিন্স। বক্সের বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের দূর্গ লক্ষ্য করে একটা শট নিয়েছিলেন পেত্রাতোস। কিন্তু, অমরিন্দরের কাছে তা প্রতিহত হয়। বাগানের ভাগ্য ভালো যে অমরিন্দর বলটা তালুবন্দি করতে পারেননি। তিনি ঠেলে সামনের দিকে পাঠিয়ে দেন। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন কামিংস। এরপর আক্রমণ বাড়াতে থআকে ওড়িশা। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ফের আক্রমণের ঝড় ওঠে। ৭১ মিনিটে অনিরূদ্ধ থাপার পরিবর্তে মাঠে নামলেন আবদুল সাহাল। হাবাস যেন কোনওক্রমে ম্যাচটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে চাইছিলেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর আরও ৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। ৯৩ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। 

    সাহালের স্বপ্ন

    জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন। সেই চোট সারতে লেগে গেল প্রায় তিনটে মাস। অপেক্ষা ছিল কবে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন তিনি। মাঠে তো নামলেনই, গোল করে মোহনবাগানকে আইএসএলের ফাইনালে তুলে দিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ম্যাচের পর সাহাল বলেন, “মাঠে নেমে যে ভাবেই হোক দলকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কোচ বলেছিলেন, বুদ্ধি দিয়ে খেলো। মাঠে খোলা মনে থাকো। কোনও রকম চাপ মাথার মধ্যে নেবে না। আমি সেটাই করেছি। এত দিন ধরে এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে আমাকে। চোট-আঘাত ফুটবলেরই অংশ। আমি ধৈর্য রেখেছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করেছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা ফাইনালে উঠেছি।” সাহাল বলেন, “মাঠে আসার পর একটাই লক্ষ্য ছিল, বক্সের মধ্যে যতটা সম্ভব থেকে সুযোগের অপেক্ষা করা। মনবীর অসাধারণ খেলেছে। আমার নয়, ওটা ওর গোল। আমরা একটা দল হিসাবে খেলি। এটা দলেরই গোল।”

    আরও পড়ুন: আগামী তিন দিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কী বলছে আলিপুর?

    তৃপ্ত হাবাস

    লিগ-শিল্ড (ISL 2024) আগেই জিতেছিল সবুজ-মেরুন। এ বার ফাইনাল জিতে ‘ডাবল’ করার সুযোগ তাদের সামনে। ম্যাচের পর তৃপ্ত স্যার হাবাস। সেমিফাইনালে পরিকল্পনা কী ছিল? হাবাসের সাফ জবাব, “আমি আর আমার দল হারার আগে হারতে জানে না। ৯০ মিনিট লড়াই করতে হবে এই বার্তা দিয়েছিলাম দলকে। দল সেটা করে দেখিয়েছে। দ্রুত সম্ভব গোল করার লক্ষ্য নিয়েই আমরা নেমেছিলাম। কিন্তু ম্যাচটা অনেক লম্বা হবে, এই আশঙ্কাও ছিল। শারীরিক ভাবে আমরা অনেক ভাল জায়গায় ছিলাম। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।” 

    রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল যুবভারতী। শিল্ড জয়ের দিন ৬১,৭৭৭ আর সেমিফাইনালে সেটাও ছাপিয়ে গিয়ে যুবভারতী গর্জন শুনল ৬২,০০৭ সমর্থকের। তারও ভুয়সী প্রশংসা শোনা গেল হাবাসের গলায়। জানালেন, “সমর্থকদের গর্জন ফুটবলারদের এনার্জি জুগিয়েছে। বিশ্বাস ছিল আমরা পারব। এত সমর্থক পুরো ম্যাচে আমাদের পাশে থেকেছে। চাপের ম্যাচে এটা অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: ব্যর্থ রক্ষণ, ক্ষুব্ধ কোচ হাবাস! সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা মোহনবাগানের

    ISL 2023-24: ব্যর্থ রক্ষণ, ক্ষুব্ধ কোচ হাবাস! সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ, লিগ শিল্ড জয়ের পর মোহনবাগানের পাখির চোখ আইএসএল (ISL 2023-24) খেতাব ধরে রাখা। সেই লড়াই ধাক্কা খেয়েছে ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে। ওড়িশার কাছে ২-১ গোলে হার মানতে হয়েছে সবুজ মেরুন শিবিরকে। কিন্তু এখনই আশাহত হতে নারাজ মোহন কোচ হাবাস। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে সমর্থকদের মন ভরানোর অপেক্ষায় মোহনবাগান। মঙ্গলবার ম্যাচ শেষে অবশ্য দলের ছেলেদের আত্মতুষ্টির কথাও বললেন হেড মাস্টার হাবাস।

    আত্মতুষ্টির ফল

    কোচ হাবাস বলেন, ‘‘ওড়িশার ম্যাচে একাধিক ফুটবলারের ব্যক্তিগত ভুলের জন্যই আমাদের হারতে হল। আমি কাউকে কাঠগড়ায় তুলতে চাই না। দলগত ভাবে ভুল করলে কঠিন হয়ে পড়ে লড়াই। আমাদের রক্ষণে অনেক ভুল হয়েছে। বোঝাপড়া ছিল না। ফুটবলারদের মধ্যে দূরত্ব প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। এই কারণেই দ্বিতীয় গোলটা খেতে হয়। ওই সময়ে হেক্তরের প্রয়োজন ছিল এক জন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের সাহায্য। কিন্তু ওর ২৫ মিটারের মধ্যে কেউ ছিল না।’’দলের আত্মতুষ্টি নিয়েও সরব হন হেডস্যার। তাঁর কথায়, ‘‘লিগ-শিল্ড জয়ের পরে সম্ভবত আমাদের শিবিরে একটু গা ছাড়া মনোভাব এসে গিয়েছিল। এটা অবশ্য খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। ফুটবলে এ রকম ঘটেই থাকে। প্রথমে গোল করে এগিয়ে গিয়েও ম্যাচে নিজেদের ধরে রাখতে পারিনি আমরা। ’’

    আরও পড়ুন: ওড়িশার কাছে ২-১ ব্যবধানে হার! আইএসএল ফাইনালে যেতে কী করতে হবে মোহনবাগানকে?

    ঘুরে দাঁড়াবে দল

    ভুবনেশ্বরে ২-১ গোলে জিতে ফাইনালে (ISL 2023-24) ওঠার দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে গিয়েছে ওড়িশ। মোহনবাগানকে ফাইনালে উঠতে হলে আগামী ২৮ এপ্রিল, রবিবার যুবভারতীতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে ওড়িশার বিরুদ্ধে জিততেই হবে। দু’গোলের ব্যবধানে জিতলে সরাসরি ফাইনালে চলে যাবে লিগ-শিল্ড জয়ীরা। ১-০ গোলে জিতলেও ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আশা বেঁচে থাকবে মোহনবাগানের। কারণ, সে ক্ষেত্রে সেমিফাইনালের দুই পর্ব মিলিয়ে ফল ২-২ হবে। তখন অতিরিক্ত সময় খেলা হবে। তাতেও ফয়সালা না হলে টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হবে। হাবাস বলছেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি, কলকাতায় ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আমাদের আছে।’’ একই সুর শোনা গিয়েছে অধিনায়কের গলাতেও। ম্যাচ শেষে কলিঙ্গ স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় শুভাশিস বলেন, ‘‘রবিবারের ম্যাচেই আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। কলকাতায় সকল দর্শকদের সামনে দাপটের সাথে খেলে আইএসএলের ফাইনালে পৌঁছাব। প্রথমদিকে আমরা এগিয়ে ছিলাম। তবে গোল হজম করার পর সমস্ত কিছু বদলাতে শুরু করেছিল। আমরা জেতার মতোই খেলেছিলাম। কয়েকদিন আগে মুম্বইকে হারিয়ে আমরা যেভাবে শিল্ড জিতেছি, ঠিক তেমনভাবেই সমস্ত ফ্যানসদের সামনে ওডিশা দলকে হারিয়ে আমরা ফাইনাল নিশ্চিত করব।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: রক্ষণাত্মক ফুটবল, ম্যাচ গোল শূন্য! ওড়িশা থাকল একেই, মোহনবাগান তিনে

    Mohun Bagan: রক্ষণাত্মক ফুটবল, ম্যাচ গোল শূন্য! ওড়িশা থাকল একেই, মোহনবাগান তিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই স্প্যানিশ কোচের বুদ্ধির লড়াই। দুই প্রথম সারির দলের লড়াই। ৯০ মিনিট ধরে রক্ষণাত্মক ম্যাচ শেষে খেলা ড্র। কোনও রকমে ১ পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরল মোহনবাগান। আইএসএল লিগ টেবিলে এক নম্বরেই থাকল ওড়িশা। তিন নম্বরে মোহনবাগান। জয়ের হ্যাটট্রিকে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিল সবুজ মেরুন শিবির। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচ। যদিও কেউ কাউকে ছাপিয়ে যেতে পারল না। শেষ অবধি গোলশূন্য ড্র। তবে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচ বলাই যায়। 

    গোল নষ্টের খেসারত

    দু’দলের প্রথম লক্ষ্যই ছিল গোল না খাওয়া।  গোল করতে পারল না কোনও দল। তবে ম্যাচে বেশি সুযোগ পেয়েছিল বাগান। আর্মান্দো সাদিকু সেই সব সুযোগ নষ্ট না করলে হয়তো এক নম্বরে থেকে শহরে ফিরতে পারত আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাসের দল।প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। হ্যাটট্রিক করে ফেলতে পারতেন আর্মান্দো সাদিকু। কিন্তু পারলেন না তিনি।  গোল মিসের খেসারত দিতে হল হাবাসের দলকে। শেষমেশ সাদিকুকে তুলে কোচ নামান কামিন্সকে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি, বরং ওই বিদেশিও গোল মিস করেছেন। জেসন কামিন্সের হেড ভাল বাঁচান অমরিন্দর। নইলে নায়ক হতে পারতেন অস্ট্রেলীয় ফুটবলার।

    গোল নষ্টের খেসারত

    প্রথমার্ধে তা-ও একটু আক্রমণ প্রতি-আক্রমণের খেলা হলেও দ্বিতীয়ার্ধে পুরোটাই বন্ধ হয়ে যায়। দু’দলই মাঝমাঠে খেলতে থাকে। সে রকম ভাবে কোনও দলই আক্রমণ করতে পারছিল না। মিস্‌ পাস হচ্ছিল। ফলে খেলার ছন্দ নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।  টানা ১২ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে সাজি লোবেরোর দল। এই ম্যাচেও তারা আটকে দিল মোহনবাগানকে। তালিকায় ওড়িশা এফসি শীর্ষেই থাকল, মোহনবাগান দুই পয়েন্ট খুইয়ে তিনে চলে গেল দ্বিতীয় স্থানের বদলে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে ১২ বছর পর  ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সুপার কাপের ফাইনালে ৩-২ গোলে ওড়িশার বিপক্ষে জয়লাভ করে লাল-হলুদ শিবির। মশাল জ্বলে সমর্থকদের ঘরে ঘরে। ওডিশার হয়ে গোল করলেন দিয়েগো মরিশিও এবং জাহু। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন নন্দকুমার এবং সাউল ক্রেসপো এবং অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।

    কোচের পছন্দে নতুন প্লেয়ার

    ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতার দিনেই লাল-হলুদ থেকে সরে যাওয়া নিশ্চিত হল বোরহা হেরেরার। ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে এফসি গোয়া দলে যোগ দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্প্যানিশ বোরহার বদলে আর এক স্প্যানিশ ফুটবলারকে সই করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। গত বছর তিনি খেলেছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস), যে লিগে এখন খেলেন লিয়োনেল মেসি, লুই সুয়ারেসরা। বোরহার মতোই তিনি মিডফিল্ডার। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত এই ফুটবলারকে বেছে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    রবিবার সুপার কাপের ফাইনাল ম্যাচে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন দিয়েগো মরিশিয়ো। প্রথমার্ধে ওড়িশা ১-০ গোলে লিড নিয়ে নেয়। ৫২ মিনিটে ম্য়াচে সমতা ফেরান নন্দকুমার। মহেশ তাঁর দিকে গোল করার জন্য বলটা একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

    ৬২ মিনিটে ম্যাচের স্কোর কার্ড ২-১ করে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বোরহাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ফাউল করে মোর্তাদা ফল। সেকারণে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিন্দুমাত্র ভুল করলেন না সাউল ক্রেসপো। ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পেনাল্টি পায় ওড়িশা। সমতা ফেরান জাহু। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অবশেষে ১১০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেইটন সিলভা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: এএফসি কাপে দুরন্ত শুরু মোহনবাগানের! ওড়িশাকে ৪-০ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন

    Mohun Bagan: এএফসি কাপে দুরন্ত শুরু মোহনবাগানের! ওড়িশাকে ৪-০ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুরন্ত জয় দিয়ে এএফসি কাপ (AFC Cup 2023) অভিযান শুরু করল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। মঙ্গলবার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসিকে ৪-০ ব্যবধানে হারাল জুয়ান ফেরেন্দোর দল। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না সের্জিয়ো লোবেরার ফুটবলারেরা। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)।

    শুরু থেকেই আধিপত্য মোহনবাগানের

    ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের কেউ গোলমুখ খুলতে পারেনি। সবুজ মেরুন একটিমাত্র শট তেকাঠির মধ্যে রাখতে সক্ষম হয়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটের মাথায় মোড় ঘুরে যায়। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই হুগো বুমোসকে ফাউল করায় ওড়িশার ডিফেন্ডার মুর্তাদা ফল দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। সাহাল আব্দুল সামাদকে বাজে ফাউল করে ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথাতেই তিনি প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। 

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) এগিয়ে দেন সাহাল। দলের দ্বিতীয় গোলেও অবদান রয়েছে সাহালের। তাঁর শক্তিশালী শট ধরতে পারেননি অমরিন্দর। তাঁর হাত থেকে ছিটকে আসা বলে পা ঠেকিয়ে গোল করতে ভুল করেননি ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা পেত্রাতোস। মোহনবাগানের হয়ে তৃতীয় গোলটি ৭৯ মিনিটে করেন পরিবর্ত হিসাবে নামা লিস্টন কোলাসো। ৮১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন পেত্রাতোস।

    আরও পড়ুন: বধূ নির্যাতনের মামলায় মিলল জামিন, বিশ্বকাপের আগে স্বস্তি পেলেন মহম্মদ শামি

    প্রত্যাশা জাগিয়েও হার

    এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) গ্রুপ এ-র প্রথম ম্যাচে মঙ্গলবার চিনের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারত। কার্যত বিনা প্রস্তুতিতেই নামতে হয় ব্লু টাইগার্সদের। সুনীল ছেত্রী এবং সন্দেশ ঝিঙ্গান শুরু থেকেই খেলেন।  প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স ভরসা দেওয়ার মতোই ছিল। পিছিয়ে পড়ে ভারত। তাতেও হার মানেনি। ২৪ মিনিটে আয়ুষ ছেত্রী ভুল পাসে বল পায় প্রতিপক্ষ। গোলকিপার গুরমিত তাঁকে আটকাতে মরিয়া চেষ্টা করেন। পেনাল্টি পায় চিন। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে অনবদ্য সেভ করেন গুরমিত। প্রথমার্ধের অ্যাডেড টাইমে রাহুল কেপির বিশ্বমানের গোল। ডান দিক থেকে প্রচণ্ড গতিতে উঠছিলেন। এমন জায়গা থেকে প্রথম পোস্টে বল রাখা! পোস্টের ইনসাইড লেগে জালে জড়ায় বল।দ্বিতীয়ার্ধে সব হিসেব ওলট-পালট হয়ে যায়। ১-১ স্কোর লাইন থেকে ১-৫ ব্যবধানে হার মানে ভারত। ২১ তারিখ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ সুনীলদের।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মধ্যেই এএফসি কাপে (afc cup) মোহনবাগানের (Mohun Bagan) খেলা  পড়ল। ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন যুবভারতীতে হোম ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে খেলবেন সবুজ মেরুন। গ্রুপ ডি-তে মোহনবাগানের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ওড়িশা এফসি, মাজিয়া স্পোর্টস এবং বসুন্ধরা কিংস।

    পাখির চোখ এএফসি কাপ

    এএফসি কাপে (AFC Cup 2023-24) দক্ষিণ এশিয়া জোনের মূলপর্বে চলে গিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি পর্বের ম্যাচে ব্যাক-টু-ব্যাক জিতেছে জুয়ান ফেরান্দোর শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে (Mohun Bagan Super Giant vs Machhindra FC) ৩-১ হারিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ম্যাচে মেরিনার্স ৩-১ গোলে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড ঢাকাকে (Mohun Bagan vs Abahani Dhaka) হারিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    মোহনবাগানের কাছে পাখির চোখ এএফসি কাপ। সেই জন্যেই ৭০ কোটি টাকা দিয়ে দল গড়া হয়েছে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন সে কথা। তার জন্যে ডার্বিতে হারের পরেও মন খারাপ হয়নি তাঁর। তবে গ্রুপ পর্ব নয়, মোহনবাগানের আসল লড়াই শুরু হবে নকআউট থেকে। সেই পর্বে এশিয়ার শক্তিধর ক্লাবগুলির বিরুদ্ধে খেলতে হবে তাদের।

    অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর

    মোহনবাগানের এএফসি-র গ্রুপ পর্বের অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর। খেলা আইএসএল ক্লাব ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচই অ্যাওয়ে ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচ ২ অক্টোবর মলদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টসের বিরুদ্ধে। বাগান সমর্থকরা এই ম্যাচ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসে দেখতে পারবেন। তৃতীয় ম্যাচও হোম ম্যাচ। সল্টলেক স্টেডিয়ামে ফেরান্দোর শিষ্যরা খেলবেন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। চতুর্থ ম্যাচ আবার অ্যাওয়ে। খেলা ৭ নভেম্বর, এবার মোহনবাগান বাংলাদেশ যাবে। খেলবে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। ২৭ নভেম্বর ফের খেলা কলকাতায়। প্রতিপক্ষ ওড়িশা। গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের শেষ ম্যাচ মাজিয়ার বিরুদ্ধে ১১ ডিসেম্বর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share