Tag: Odisha

Odisha

  • Coromandel Express Accident: এআই পোর্টাল ‘সঞ্চার সাথী’র সাহায্যে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় বহু মৃতদেহ শনাক্ত

    Coromandel Express Accident: এআই পোর্টাল ‘সঞ্চার সাথী’র সাহায্যে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় বহু মৃতদেহ শনাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালাসোরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) নিহত অনেক মানুষের পরিচয় এখনও মেলেনি। দুর্ঘটনার পর ৯ দিন কেটে গেলেও এখনও বেওয়ারিশ লাশের মত পড়ে রয়েছে বহু দেহ। এমন পরিস্থিতিতে ওড়িশা সরকারের সাহায্যে এই মৃতদেহগুলি শনাক্ত করতে রেলওয়ে নতুন প্রযুক্তি কাজে লাগাচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সিম ট্রায়াঙ্গুলেশনের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। রেলওয়ে এআই (AI) চালিত ওয়েবসাইট ‘সঞ্চার সাথী’ এবং সিম কার্ডের ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কী ভাবে দেহগুলিকে শনাক্ত করা হল 

    রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, মোট ৮৩টি দেহ এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু, তাতেও অধরা অনেকের পরিচয়। ফলে এবার আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে রেল। কী ভাবে মৃতদেহগুলিকে (Coromandel Express Accident) শনাক্ত করল এআই পোর্টাল? জানা গিয়েছে, এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স মূলত গ্রাহকদের নামে ইস্যু হওয়া মোবাইল নম্বরগুলিকে ট্র্যাক করে। এরপর নম্বর ব্লক করে স্মার্টফোনের লোকেশন খুঁজে বের করে। এক রেল আধিকারিকের কথায়, “নিরুপায় হয়ে আমরা শেষ পর্যন্ত সঞ্চার সাথী এআই পোর্টালের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ৬৪টি দেহের শনাক্তকরণের জন্য এই পোর্টালের সাহায্য নেওয়া হয়। ৪৫টি ক্ষেত্রে সফল হয়েছে সেটি।”

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    এআই পোর্টাল কী?

    রেল প্রাথমিকভাবে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) এর একটি দলকে ডেকেছিল এই মৃতদের পরিচয় জানতে। তাঁদের আঙুলের ছাপ নিতে ডাকা হয়। কিন্তু এটি শেষ পর্যন্ত কাজ করেনি। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বুড়ো আঙুলের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ছাপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্যে, এই সঞ্চার সাথী পোর্টাল সম্প্রতি উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, যিনি দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রীও বটে। মৃতদেহের ছবির সাহায্যে এই এআই পোর্টাল তাঁদের ফোন নম্বর এবং আধার কার্ডের তথ্য বের করে ফেলছে। আর সেই তথ্যের সাহায্য়েই দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু, এই এআই পোর্টালের সাহায্যে মৃতদেহের চিহ্নিতকরণও দুর্বিসহ কাজ। কারণ অধিকাংশ মৃতদেহে ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। দুর্ঘটনার জেরে বহু মানুষের মুখ বিকৃত হয়ে গিয়েছে। অধিকাংশের মুখ পুড়ে ঝলসে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bahanaga Bazar Station: ওড়িশার বাহানগা বাজার স্টেশনে আর দাঁড়াবে না ট্রেন, কেন জানেন?

    Bahanaga Bazar Station: ওড়িশার বাহানগা বাজার স্টেশনে আর দাঁড়াবে না ট্রেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার এক অখ্যাত রেলস্টেশন বাহানগা বাজার (Bahanaga Bazar Station)। করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পরে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল এই স্টেশন। ২ জুনের অভিশপ্ত সেই রাতের সাক্ষী ছিল অখ্যাত এই স্টেশনই। এই স্টেশনেই আপাতত আর কোনও ট্রেন থামবে না। শালিমার চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। সেই তদন্ত শেষ না হওয়া ইস্তক আর কোনও ট্রেন থামবে না বালাসোর জেলার বাহানগা বাজারে।

    রেলের বক্তব্য

    দুর্ঘটনাস্থলটি দক্ষিণ পূর্ব রেলের জোনের মধ্যে পড়ে। এই জোনের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আদিত্য কুমার চৌধুরী বলেন, “সিবিআই ইতিমধ্যেই বাহানাগা বাজার স্টেশন সিল করে দিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে লগ বুক, রিলে প্যানেল এবং অন্যান্য সরজ্ঞাম। রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম সিল করে দেওয়ার ফলে রেলকর্মীদের পক্ষে সিগন্যালিং পয়েন্ট অপারেট করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও প্যাসেঞ্জার বা মালগাড়ি এই স্টেশনে থামবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সিবিআই পরবর্তী নোটিশ দিচ্ছে, ততক্ষণ এই নির্দেশ জারি থাকবে।”

    বাহানগা বাজার (Bahanaga Bazar Station)

    বালাসোর জেলার এই স্টেশনে (Bahanaga Bazar Station) এক্সপ্রেস, লোকাল কিংবা মালগাড়ি নিয়মিত দাঁড়াত না কোনওকালেই। তবে সিগন্যাল না পেলে দাঁড়িয়ে পড়ত। অপেক্ষা করতে হত সবুজ সংকেতের। দুর্ঘটনার পর এবার আর সেটাই হবে না। বাহানগা বাজারের নিকটবর্তী সোরো এবং খান্তাপাদা স্টেশনেই আপাতত সিগনালের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ট্রেনগুলিকে।

    আরও পড়ুুন: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    ২ জুন দুর্ঘটনার করলে পড়েছিল চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মৃত্যু হয়েছিল ২৮৮ জন যাত্রীর। জখম হয়েছিলেন ১১০০-র বেশি মানুষ। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। নেমেছিল বায়ুসেনা, এনডিআরএফের ৯টি দল। হেলিকপ্টারের সাহায্যে চলছিল উদ্ধারকাজ। ট্রেনের দরজা ভেঙে, গ্যাস কাটারের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছিল জীবিত ও মৃত যাত্রীদের। উদ্ধারকাজে গতি আনতে অকুস্থলে (Bahanaga Bazar Station) পাঠানো হয়েছিল মালদহ ডিভিশনের ২২৪ জন আরপিএফ জওয়ানকে। দুর্ঘটনার জেরে বাহানাগা বাজারে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল ৫১ ঘণ্টা। লাইনচ্যুত হওয়া ১৫টি কামরা সরিয়ে ফেলে ফের চালু করা হয় ট্রেন চলাচল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • Donor Saves Life: সফল অঙ্গদান! ওড়িশায় ব্রেন ডেড মহিলার কিডনি প্রতিস্থাপন করে বাঁচল দুজনের জীবন

    Donor Saves Life: সফল অঙ্গদান! ওড়িশায় ব্রেন ডেড মহিলার কিডনি প্রতিস্থাপন করে বাঁচল দুজনের জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় এক ব্রেন ডেড মহিলার কিডনি প্রতিস্থাপন করে দুজনের জীবন বাঁচানো গেল। কটকের এসসিবি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (MCH) ইউরোলজি এবং নেফ্রোলজি বিভাগে এই প্রতিস্থাপন করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, মৃত দাতা, কটকের জগৎপুরের তারোলের বাসিন্দা তনুজা কর। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁকে বাঁচানোর সমস্ত রকম চেষ্টা করার পর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন ওই মহিলার ব্রেন ডেড হয়েছে। এরপরই তাঁর কিডনি দানের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

    ওড়িশায় অঙ্গদান

    সরকারি সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রাপক তালিকা অনুসারে, উচ্চ অগ্রাধিকার স্কোর সহ দুই জন প্রাপককে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বেছে নেওয়া হয়। ভুবনেশ্বরের অ্যাপোলো হাসপাতাল প্রয়োজনীয় সমস্ত সহযোগিতা করেছে। দাতা এবং গ্রহীতার ক্রস ম্যাচের পর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিস্থাপনের পর গ্রহীতারা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। প্রাপকরা হলেন ঝাড়সুগুড়ার ব্রজরাজ নগরের অলোক বোদক (৩৬) এবং কটকের সিডিএ-র সৌরজ্য রঞ্জন সাহু (৪৮)৷

    অঙ্গদান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ওড়িশায় প্রথম ক্যাডেভারিক কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছিল ২০২০ সালে। মরণোত্তর অঙ্গদান প্রক্রিয়া মসৃণ করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারাদেশে এই নিয়ে অভিন্ন নীতি চালুর পথে হাঁটছে সরকার। রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর অঙ্গদানের জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘গ্রাহকদের কাছে অঙ্গদানকারীরা ঈশ্বরতুল্য। এতে বহু মানুষের জীবন রক্ষা করা যায়।’  

    আরও পড়ুুন: মমতার দফতরেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ! ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    সারা দেশে অঙ্গদান নিয়ে যেভাবে সচেতনতা বাড়ছে, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মরণোত্তর অঙ্গদান নিয়ে কী ধরনের নীতি আসছে, তিনি সেব্যাপারেও আভাস দিয়েছেন। তাঁর কথায়, অঙ্গদানের জন্য যে স্টেট ডোমিসাইল নীতি রয়েছে, তা তুলে দিতে চলেছে সরকার। এতে একজন রোগী দেশের যে কোনও রাজ্যে গিয়ে অঙ্গ পেতে পারেন। এখন অঙ্গদানের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৬৫ বছর। বয়সের সেই উর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার কথাও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে মরণোত্তর অঙ্গদান করেছিলেন ৫ হাজারেরও কম মানুষ। ২০২২ সালে তা ১৫ হাজার ছাপিয়ে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha: প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কাঠগড়ায় খোদ পুলিশই  

    Odisha: প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কাঠগড়ায় খোদ পুলিশই  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ ওড়িশার (Odisha) স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস (Naba Das)। রবিবার সকালে দলীয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। গাড়ির দরজা খুলে নামতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রীকে (Health Minister) উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। কী কারণে মন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হল, তা এখনও জানা যায়নি।

    চলল গুলি…

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঝাড়সুগুদা জেলার বজরঙ্গ নগরের গান্ধী চকে নতুন দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গাড়ির দরজা খুলে নামতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মন্ত্রীর বুকে দুটি গুলি লাগে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়সুগুদা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় ভুবনেশ্বরে। মন্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    এদিকে, প্রথমে হামলাকারীর পরিচয় না জানা গেলেও, পরে জানা গিয়েছে যিনি গুলি চালিয়েছেন, তিনি পুলিশের এএসআই। তাঁর নাম গোপাল চন্দ্র দাস। সূত্রের খবর, ওই পুলিশ অফিসার গান্ধী চক পোস্টে (Odisha) ডিউটিতে ছিলেন। মন্ত্রী আসার খবর পেয়েই তিনি ওই দলীয় কার্যালয়ের কাছে যান। মন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। মন্ত্রী লুটিয়ে পড়লে তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। ঘটনার জেরে ওড়িশা সরকারের তরফে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ত্রুটি কীভাবে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে রাহুলকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    মহারাষ্ট্রের একটি মন্দিরে এক কোটি টাকারও বেশি মূল্যের স্বর্ণ কলস দান করে সম্প্রতি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন ওড়িশার (Odisha) এই মন্ত্রী। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানে না তাঁর দলও। বিজেডি-র প্রবীণ নেতা প্রসন্ন আচার্য বলেন, টেলিফোনে খবরটি পেয়ে আমরা স্তম্ভিত। কে জড়িত, কেনই বা এই ঘটনা ঘটল, তা জানি না। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, এই কামনা করি। আমরা এই ঘটনার নিন্দে করি। পুলিশ তদন্ত করে খুনের মোটিভ জানতে পারবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Odisha: হল না শেষরক্ষা, বুকে গুলি লেগে প্রয়াত ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস

    Odisha: হল না শেষরক্ষা, বুকে গুলি লেগে প্রয়াত ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ওড়িশার (Odisha) স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস। বুকে গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এদিন দুপুরে ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজরাজনগরের কাছে গান্ধী চকে রাজ্য পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর দুটি গুলি ছোঁড়েন। সেখানেই মাটিতে পড়ে যান তিনি। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এয়ারলিফট করে ভুবনেশ্বরেও নিয়ে যাওয়া হয়। এত কিছুর পরেও হল না শেষরক্ষা। এদিকে হামলাকারী পুলিশকর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে।

    আজ দুপুর একটার দিকে ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজনগরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন নব দাস (Odisha) । সেই সময় নিজের সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালায় ওড়িশা পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর। ব্রজরাজনগরের এসডিপিও গুপ্তেশ্বর ভোই জানিয়েছেন, হামলাকারী এএসআই-এর নাম গোপাল দাস। স্থানীয়রাই গোপাল দাসকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তারপরে হামলাকারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন গাড়ি থেকে নামার সময় গুলি চালানো হয়। গুলি চালানোর কারণ এখনও জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ব্রিটিশ কন্যাদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয় ছিনিয়ে নিল ভারতীয় তরুণীরা

    কী জানা গেল?

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঝাড়সুগুদা (Odisha) জেলার বজরঙ্গ নগরের গান্ধী চকে নতুন দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গাড়ির দরজা খুলে নামতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মন্ত্রীর বুকে দুটি গুলি লাগে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়সুগুদা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় ভুবনেশ্বরে। মন্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    এদিকে, প্রথমে হামলাকারীর পরিচয় না জানা গেলেও, পরে জানা গিয়েছে যিনি গুলি চালিয়েছেন, তিনি পুলিশের এএসআই। তাঁর নাম গোপাল চন্দ্র দাস। সূত্রের খবর, ওই পুলিশ অফিসার গান্ধী চক পোস্টে (Odisha) ডিউটিতে ছিলেন। মন্ত্রী আসার খবর পেয়েই তিনি ওই দলীয় কার্যালয়ের কাছে যান। মন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। মন্ত্রী লুটিয়ে পড়লে তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। ঘটনার জেরে ওড়িশা সরকারের তরফে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ত্রুটি কীভাবে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    মহারাষ্ট্রের একটি মন্দিরে এক কোটি টাকারও বেশি মূল্যের স্বর্ণ কলস দান করে সম্প্রতি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন ওড়িশার (Odisha) এই মন্ত্রী। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানে না তাঁর দলও। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি ৩-র (Agni 3) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। এটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। বুধবার ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় অগ্নি ৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে খবরটি। পরীক্ষাটি রুটিন পরীক্ষা বলেও জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তরফেও জানানো হয়েছে, এদিন ওড়িশা উপকূল থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি যাবতীয় মাপকাঠিও পেরিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে রুটিন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত দূরত্বের ভিত্তিতে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তারাও জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় যাবতীয় মাপকাঠি পূরণ করেছে অগ্নি ৩।

    অগ্নি প্রাইম…

    এর আগে অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। সেবারও উৎক্ষেপণ হয়েছিল ওড়িশা উপকূলের অদূরে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশও করে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পর এবার সাফল্য এল অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ অগ্নি ৩ (Agni 3) মিসাইলের ক্ষেত্রেও। ২০০৬ সালের ৯ জুলাই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সেবার অবশ্য মেলেনি কাঙ্খিত সাফল্য। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি সেই ক্ষেপণাস্ত্র। মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিল সমুদ্রে গিয়ে। তার পর ফের পরীক্ষামূলকভাবে অগ্নি ৩ মিসাইলের উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৭ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় পাশ করে ওই মিসাইল। তার পরের বছরই সফল হয়েছিল তৃতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও।

    আরও পড়ুন: সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের, আওতায় ভারতের প্রতিবেশীরা

    জানা গিয়েছে, অগ্নি ৩ (Agni 3) ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩ হাজার ৫০০ কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নির এই সফল উৎক্ষেপণ চিন এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ ভারতের এই দুই প্রতিবেশী দেশও চলে আসছে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায়।

    প্রসঙ্গত, অগ্নি ১-৫ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির নকশা এবং ডেভলপমেন্ট করেছে ডিআরডিও। নিয়োজিত করা হয়েছে দেশের সেবায়। প্রসঙ্গত, অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোট ও মাঝারি পাল্লার। আঘাত হানতে পারে ৭০০ থেকে ৫ হাজার কিমি পর্যন্ত দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত (India)। শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূলের অদূরে হয় এই উৎক্ষেপণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেই এ খবর জানা গিয়েছে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গেল ভারত। এদিন পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি (Agni) প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশ করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত আনতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি-৫ এর নেভিগেশন সিস্টেম অত্যাধুনিক। এই ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে দু’ধরনের নেভিগেশন সিস্টেম। প্রথমটি রিনস (RINS) এবং দ্বিতীয়টি মিনস (MINS)। ১ থেকে ৫ হাজার কিলোগ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর রক্ষণাবেক্ষণও ঢের কম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, অগ্নি (Agni) প্রাইমের পারফরমেন্স খুবই ভাল। উৎক্ষেপণের শুরু থেকে প্রতিটি মুহূর্তের জার্নি রাডার, টেলিমেট্রি এবং ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং স্টিস্টেম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর অগ্নি প্রাইমের পুরো গতিপথের ওপর নজর রেখেছিল দুটি ডাউন রেঞ্জ জাহাজ।

    জানা গিয়েছে, অগ্নি (Agni) প্রাইম পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম। এটির প্রথম পরীক্ষা করেছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ২০২১ সালের জুন মাসে হয় প্রথম উৎক্ষেপণ। ওই বছরেরই ডিসেম্বরে হয় দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ। শুক্রবার হল তৃতীয় উৎক্ষেপণ। অগ্নি (Agni) সিরিজের নয়া প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) । এক থেকে দু হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম এই অগ্নি প্রাইম। অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নি ৩ এর থেকে এর ওজন প্রায় ৫০ শতাংশ কম। জানা গিয়েছে, অগ্নি প্রাইমের পাল্লার মধ্যে অনায়াসেই চলে আসছে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের অনেকটা অংশ।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Cyclone Sitrang: আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং! সতর্ক উপকূলরক্ষী বাহিনী, চলছে মাইকিং

    Cyclone Sitrang: আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং! সতর্ক উপকূলরক্ষী বাহিনী, চলছে মাইকিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এই ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসাবে শুক্রবার সকাল থেকেই মাঝসমুদ্রে গিয়ে মাইকিং শুরু করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে ব্যস্ত তাঁরা। সকাল থেকেই দেখা যায় মাইক হাতে চলছে কড়া নজরদারি৷ সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীরা যাতে বিপদে না পড়েন, তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য দফতর। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে তাঁর লাইসেন্সও বাতিল করা হতে পারে। কালীপুজোর পরের দিন মঙ্গলবার সিত্রাং এর প্রভাবে শুরু হয়ে যেতে পারে বৃষ্টি। বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব উপকূলে সর্বশক্তি দিয়ে  আগামী ২৬ অক্টোবর, বুধবার সকালে বা  বিকেলে ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৮৫ কিলোমিটার গতিবেগে আছড়ে পড়তে পারে সিত্রাং। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Alipore Weather Office)।

    আরও পড়ুন: ওড়িশা ও গুজরাট থেকে গ্রেফতার পাণ্ডে ভাইয়েরা! শিবপুর-কাণ্ডে ধৃতদের থেকে কী জানতে চায় পুলিশ?

    মৌসম ভবন জানায়, ইতিমধ্যেই উত্তর আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের সংলগ্ন এলাকায় একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এটি সোমবার নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আইএমডি সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। এই গভীর নিম্নচাপটি ২৪ অক্টোবরের মধ্যে পশ্চিমমধ্য এবং তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের  সতর্কতা হিসেবে মৎস্যজীবীদের রবিবারের মধ্যেই ফিরে আসতে বলা হয়েছে। মাঝসমুদ্রে সতর্কবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ঝড়ের কথা মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতিও শুরু করেছে বাহিনী।  নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে কিভাবে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বিরোধী শিবির এগোতেই রিটার্নিং অফিসার ‘বিরতি’ নিলেন, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 

    নদী উপকূল জুড়েও চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর মাইকিং ও টহলদারি। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও চলছে। সুন্দরবনে পর্যটনে ব্যবহৃত জলযানের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সবকিছু সামাল দিতে নদী ও সমুদ্রযানের পাশাপাশি কোস্টগার্ড আকাশযানও ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় কণ্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • QRSAM: পরীক্ষা সফল! সেনায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তৈরি কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল

    QRSAM: পরীক্ষা সফল! সেনায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তৈরি কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে বৈরিতা লেগেই আছে। তাই শত্রুপক্ষের মোকাবিলায় ক্রমশ নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। বিদেশি তৈরি মিশাইল বা যুদ্ধাস্ত্র নয়, দেশে তৈরি আধুনিক সমরাস্ত্রের উপরই ভরসা রাখছে সেনা। সেই মতো চলছে পরীক্ষা। একের পর এক সফল পরীক্ষা চালাচ্ছে ডিআরডিও (DRDO)। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে তাই এয়ার মিসাইলের শক্তি পরীক্ষা শুরু করেছে ডিআরডিও। বৃহস্পতিবার ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) থেকে মাঝারি পাল্লার কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইলের (QRSAM) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে ডিআরডিও। দুরন্ত গতির এই এয়ার মিসাইল ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ করা যায়। যে কোনও নিশানায় অতি দ্রুত লক্ষ্যভেদ করতে পারে এই মিসাইল।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা যতটা তার চেয়েও বেশি দূরে ছুটে গিয়ে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুর উপর আঘাতহানতে পারে। এই মিসাইল সিস্টেমে রয়েছে (QRSAM) অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিকালি-স্ক্যানড অ্যারে মাল্টিফাংশনাল রাডার সিস্টেম। এর ফলে বহুদূর থেকেও শত্রুসেনার এয়ারক্রাফ্টের সন্ধান পাওয়া যায়। দিনে ও রাতে য কোনও সময় এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো যাবে। আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতিতেও এই ক্ষেপণাস্ত্র কাজ করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: ‘নেতাজির আদর্শ অনুসরণ করলে আজ ভারত কোথায় পৌঁছে যেত…’, বললেন মোদি

    ডিআরডিওর তরফে জানানো হচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম, মাল্টি  ফাংশনালরাডার ও সার্ভিল্যান্স। এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক নিক্ষেপে অনেক আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে। এই মিসাইলের গতি বাড়ানোর জন্য সলিড ফুয়েল ডাকটেড র‍্যামজেট (এসএফডিআর) টেকনোলজির প্রয়োগ করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে কোনওরকম যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াই এই মিসাইল তীরের বেগে উড়ে গিয়ে নিশানায় আঘাত করেছে। প্রতিরক্ষা বিশষজ্ঞদের মতো,  কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের এক বড় সাফল্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Dog Funeral: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    Dog Funeral: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : পোষ্যের প্রতি এক অপার ভালোবাসার সাক্ষী থাকল গোটা দেশবাসী। পোষ্যদের মধ্যে কুকুরকেই সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসী বলে মনে করা হয়। কুকুরের সঙ্গে মানুষের নানান ভিডিও ভাইরাল হতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এবারের ভাইরাল ভিডিওটিতে মানুষের সঙ্গে কুকুরের স্বার্থহীন ভালোবাসাকে দেখা গিয়েছে। যা নেটিজেনদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। তবে কী এমন আছে এই ভিডিওতে? দেখা গিয়েছে, এক পরিবারের পোষ্য কুকুরের হঠাৎ মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে সেই পরিবার। তাই সেই মৃত কুকুরের অন্তিম যাত্রায় কোনও খামতি না রেখে ধুমধাম করে ফুল দিয়ে সাজিয়ে, ড্রাম, বাজনা বাজিয়ে, আতসবাজি ফাটিয়ে তার শেষকৃত্য পালন করেছে। আর এই ভিডিও সামনে আসতেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    [tw]


    [/tw]

    ঘটনাটি ওড়িশার (Odisha) পারলেখমুন্ডি(Paralakhemundi)। পোষ্য কুকুরটির নাম অঞ্জলি। প্রায় ১৭ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে থেকে অঞ্জলি হয়ে উঠেছিল বাড়িরই সদস্য। এমন অবস্থায় কুকুরটির হঠাৎ মৃত্যু হলে টুন্নু গৌদা নামের ব্যক্তির পরিবারে শোকের ছায়া নেমে পড়ে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। অঞ্জলিকে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যই মনে করত না, তাকে Lucky-Charm বলে মনে করত। কারণ তার মালিক টুন্নু গৌদা বলেছেন “সে গত ১৬ বছর ধরে আমার সাথে ছিল। অঞ্জলি আমার বাড়িতে আসার আগে আমি বেশ কিছু সমস্যায় ভুগছিলাম। তাকে আনার পরে, সবকিছু বদলে গেছে, এবং আমি কখনই কোনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হইনি।“

    পোষ্যের মৃত্যু সকলের কাছেই হৃদয়বিদারক ঘটনা। তাই তো টুন্নু গৌদা মানুষের মতই অঞ্জলির মৃতদেহকেও ফুল দিয়ে সাজিয়ে গাড়িতে করে নিয়ে যায় ও আতসবাজি ফাটিয়ে, বাজনা বাজিয়ে শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। শুধু তাই নয়, সনাতন হিন্দু রীতি অনুযায়ী তার শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেছে এই পরিবার। গৌদা পরিবারের এদিন সকলকেই কান্না ভেজা চোখে বিদায় জানাতে দেখা গিয়েছে। অন্য পশুপ্রেমীদেরও এদিন এই শেষযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। মানুষ ও পোষ্যের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে সকলে আবেগে ভেসেছে।

LinkedIn
Share