Tag: Om Birla

Om Birla

  • Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছে। দীর্ঘ বিতর্ক এবং রাজনৈতিক উত্তাপের পর শাসক দল ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি খারিজ করতে সক্ষম হয়। বিজেপির দাবি বিরোধিরা কাজ করার জন্য সংসদে আসেন না। রাজনীতি আর সংসদের ভাবমূর্তি খারাপ করতেই সংসদে আসছেন।

    প্রস্তাব পেশ (Lok Sabha)

    লোকসভার (Lok Sabha) বিরোধী দলগুলো স্পিকারের (Om Birla) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, সংসদীয় কার্যপ্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না এবং কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “স্যার, ওরা আচরণের কথা বলছে। যখন তাদের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই চোখ টিপে, গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে, আর উড়ন্ত চুম্বন দেন, স্যার, তখন বোঝা যায় তিনি উস্কানি দিচ্ছেন।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের দাবি, স্পিকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এবং সংসদীয় নিয়ম মেনেই সভা (Lok Sabha) পরিচালনা করছেন। বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সংসদে বিরোধীদের ২৩৮ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে ৯৯ জন কংগ্রেসের এবং বাকিরা সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যান্যরা।পাশাপাশি সরকারের পক্ষে ২৯৩ জন সাংসদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ছিলেন বিজেপির ২৪০ জন, জেডিইউর ১৬ জন, টিডিপির ১২ জন এবং অন্যান্য এনডিএ দলের সাংসদরা।

    বিতর্কের শেষে যখন প্রস্তাবটি ভোটের জন্য তোলা হয়, তখন সরকারি পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা অনায়াসেই বাতিল হয়ে যায়। স্পিকারের প্রতি সংসদের আস্থা অটুট রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় সংসদে।

    সংসদে নৈতিক জয়

    সংসদে (Lok Sabha) এই জয়কে সরকার পক্ষ তাদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা জানিয়েছে যে সংখ্যাতত্ত্বে হারলেও তারা স্পিকারের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তির কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে পেরেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার পদের মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার ফলে বর্তমান স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন জারি রাখবেন। তবে এই ঘটনাটি শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ততাকে আরও একবার প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

    ঘটনা কি ঘটেছিল?

    বিরোধীরা লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিল। অবাধ্য আচরণের জন্য বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করার পর তিক্ততা চরমে পৌঁছেছিল। বাজেট অধিবেশনের সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লেখা একটি অপ্রকাশিত বই থেকে কিছু অংশ পড়তে দেননি। সেই সঙ্গে আটজন বিরোধী সাংসদকে পুরো বাজেট অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা করেন। এরপর থেকেই বিরোধীরা শোরগল করতে শুরু করে এবং অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

  • Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর মঙ্গলবার শপথ নেন তিনি। দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়ের পাঁচ দিন পর হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি এদিন সকালেই ঢাকায় পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

    বিএনপির জয়জয়কার (Tarique Rahman)

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়। এক সময়ের মিত্র এবং বর্তমানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামে পরিচিত) পেয়েছে ৬৮টি আসন। অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে নির্বাচনে অংশই নিতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দলের ওপর জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী-সহ ৫০ জন

    এদিন তারেক ছাড়াও শপথ নিয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির মন্ত্রিসভায় মোট ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন টেকনোক্র্যাট। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৭ জনই নতুন (Bangladesh) মুখ, এবং সব প্রতিমন্ত্রীই প্রথমবারের মতো এই দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রহমান নিজেও প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন (Tarique Rahman)।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। সম্প্রতি প্রয়াত হন তিনি। ২০০৬ এর পর থেকে বাংলাদেশের রশি ছিল দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের হাতে। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় (Bangladesh) সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গড়ল বিএনপি (Tarique Rahman)।

  • Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    Bangladesh: তারেকের শপথগ্রহণে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার, সঙ্গী বিদেশ সচিবও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় কূটনীতিকদের উপস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিংও স্পিকারের সঙ্গে ঢাকা যেতে পারেন।

    কেন যাচ্ছেন না মোদি ?

    স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla) বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবর্তে বাংলাদেশে (Bangladesh) যাবেন। ঢাকার তরফে রবিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।  কিন্তু পূর্ব-নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না তিনি। কারণ, ওই দিনই মুম্বইয়ে ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে মোদির বিশেষ বৈঠক রয়েছে।

    বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মাননীয় স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের উপর জোর দেওয়া হবে। আমাদের দুই দেশকে আবদ্ধ করে এমন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে ভারত। একটি অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার দ্বারা ঐক্যবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত তারেক রহমানের নেতৃত্বকে স্বাগত জানায়।’’

    সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে আগ্রহী ঢাকা

    তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যারা ২০২৬ সালের নির্বাচনে ২৯৭টি ঘোষিত আসনের মধ্যে ২১২টি আসন পেয়ে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছে। নির্বাচনে জয়লাভের পর তারেককে পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি। সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমান ঘোষণা করে বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ আমাদের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করবে। ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ককে পুনর্নির্মাণে ঢাকা ভীষণ ভাবে আগ্রহী।”

  • BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে একেবারে ধুয়ে দিলেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী। বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, রাহুল (Rahul Gandhi) যাচাই না করেই অভিযোগ করেছেন এবং সংসদে অশোভন আচরণ করেছেন।

    রাহুলের বিষাক্ত মিথ্যা কথা (BJP)

    সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী অভিযোগ  করেন, রাহুল বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন। ত্রিবেদী বলেন, “বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী যেন বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন। সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ ঠিকঠাক ছিল না। লোকসভায় কংগ্রেসের আচরণ কলতলার ধারে দেখা আচরণের চেয়ে ভালো নয়। এ ধরনের আচরণ সংসদের পক্ষে অশোভন।” রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময়কার সাম্প্রতিক বিতর্কের কথাও উল্লেখ করেন ত্রিবেদী, যখন কংগ্রেসের মহিলা সাংসদরা লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে প্রতিবাদ জানান। পরে স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লোকসভায় না আসার অনুরোধ জানান, কারণ তিনি আগেই জেনেছিলেন, কংগ্রেস সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে গিয়ে “অভূতপূর্ব ঘটনা” ঘটাতে পারেন।

    মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার

    ত্রিবেদী বলেন, “আমরা দেখেছি কীভাবে মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন কিছু সদস্য ব্যানার হাতে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগোচ্ছিলেন। এটি শাহিনবাগের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছিল।” অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীও (BJP) বাজেট বিতর্কে কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “কোনও অভিযোগ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। তাঁর নিয়ম বা প্রমাণীকরণের অর্থ সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই। তাই তিনি যা খুশি বলে যান (Rahul Gandhi)।” তাঁর অভিযোগ, রাহুল তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর মনোযোগ দেননি, বরং অসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিষয় উত্থাপন করেছেন। মন্ত্রী বলেন, “তাঁদের (কংগ্রেস) ইতিহাস সম্পর্কে কোনও জ্ঞান নেই। তিনি বাজেট নিয়ে কথা বলেননি।”

    বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদা

    অধিবেশনের সময় সভাপতির আসন নিয়ে করা মন্তব্যের বিরোধিতা করে জোশী বলেন, “যখন কোনও সদস্য সভাপতির আসনে থাকেন, তখন তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন, কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না। সভাপতির আসনে বসলে তিনি কোনও দলের নন। তাঁকে তাঁর আগের দলীয় পরিচয় উল্লেখ করে অপমান করা বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদাকে খাটো করে। রাজনৈতিক লাভের জন্য তিনি বাজেট ছাড়া সব বিষয়ে কথা বলেছেন (Rahul Gandhi)।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর এই মন্তব্যগুলি করা হয়। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর (BJP), স্পিকার অপসারণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন, ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী সাংসদদের জমা দেওয়া অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে কিছু ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নোটিশে ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর ঘটনার উল্লেখ চারবার করা হয়েছিল, যা নিয়ম অনুযায়ী বাতিলের কারণ হতে পারত। তবে স্পিকার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিশের ত্রুটি সংশোধন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ আসে এমন এক প্রেক্ষাপটে, যখন বিরোধী দল অভিযোগ করে যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রাহুলকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। রাহুল ২০২০ সালের চিন-ভারত সংঘাত প্রসঙ্গে জেনারেল এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র উল্লেখ করেন। স্পিকার তাঁকে অপ্রকাশিত সাহিত্য উদ্ধৃত না করার নির্দেশ দেন (Rahul Gandhi)। এদিন লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ করেন। প্রশ্ন করেন, তারা কি ভারত বিক্রি করতে লজ্জা পান না? তাঁর অভিযোগ, “ভারতমাতাকে কার্যত বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে (BJP)।”

    রাহুলের অভিযোগ

    তিনি বলেন, “আপনারাই স্বীকার করছেন যে আমরা এক বৈশ্বিক ঝড়ের মুখোমুখি, একক পরাশক্তির যুগ শেষ, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ছে, এবং জ্বালানি ও অর্থব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবুও আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জ্বালানি ও আর্থিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছেন, যা আমাদের প্রভাবিত করছে। যখন আমেরিকা বলে আমরা কোনও নির্দিষ্ট দেশ থেকে তেল কিনতে পারব না, তখন এর মানে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাইরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আপনি কি এতে লজ্জিত নন? আমি বলছি, আপনি ভারতের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন। আপনি কি লজ্জা পান না? যেন আপনি ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছেন (Rahul Gandhi)।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে রাহুল জানান, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না যে প্রধানমন্ত্রী ভারত বিক্রি করবেন, তবে তাঁর ওপর যে বাহ্যিক চাপ রয়েছে তাও মনে করিয়ে দেন রাহুল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর চোখে ভয়ের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন এবং “এপস্টাইন ফাইলস” তালাবদ্ধ থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে (Rahul Gandhi) ইঙ্গিত করেন, কিছু অপ্রকাশিত চাপ কাজ করছে (BJP)।

     

  • Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, এমনই কথা বলতে শোনা গেল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে (Speaker Om Birla)। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয় ভারতের সংবিধান। আজ সোমবার ২৫ নভেম্বর শুরু হল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) বলেন, ‘‘সংবিধান দিবস থেকে আমাদের প্রত্যেককে প্রেরণা নিতে হবে এবং সেভাবেই বিতর্ক এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হবে।’’ ভাষা, ধর্ম ভেদে যে যে পার্থক্য দেখা যায় সংসদে, সেগুলিই গণতন্ত্রকে মজবুত করে বলে মন্তব্য করেন ওম বিড়লা (Om Birla)।

    দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি

    তিনি (Speaker Om Birla) আরও বলেন, ‘‘দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি। সংসদের উভয় কক্ষে বিতর্ক করার জন্য আমাদের মধ্যে মতামতের পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা সকলে এক হয়েছি দেশের কাজ করার জন্য।’’

    আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ

    এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) নিজের পূর্বসূরিদেরও কথা উল্লেখ করেন এবং তিনি জানান, তাঁর পূর্বসূরিরা প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি অত্যন্ত দায়বদ্ধ ছিলেন এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই তাঁরা কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই আমরা কাজ করি। কোনও সরকার অথবা কোনও রাজনৈতিক দলই, গণতন্ত্রের এই মহান আদর্শকে শেষ করতে পারবে না। নানা সময়ে সংবিধানের সংশোধন হয়েছে কিন্তু তারপরেও মজবুত থেকেছে জনগণের অধিকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhruv Rathee: ওম বিড়লার মেয়েকে নিয়ে ‘ভুয়ো খবর পোস্ট’ করায় ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    Dhruv Rathee: ওম বিড়লার মেয়েকে নিয়ে ‘ভুয়ো খবর পোস্ট’ করায় ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির (Dhruv Rathee) অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ায় সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সাইবার পুলিশ, এই জনপ্রিয় ইউটিউবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি সামজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডলে, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কন্যা সম্পর্কে একটি ভুয়ো খবর পোস্ট করেছেন। তবে এই পোস্ট ভুয়ো খবর, নিছক মজা করার উদ্দেশে অপর আরেকটি ভুয়ো প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে বিনিময় করা হয়েছে। শনিবার একজন সিনিয়র পুলিশকর্তা এই কথা জানিয়েছেন। ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    সাইবার বিভাগ সূত্রে খবর (Dhruv Rathee)

    মহারাষ্ট্র সাইবার বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধ্রুব রাঠি (Dhruv Rathee) নিজের এক্স হ্যান্ডেলের অ্যাকাউন্টে দাবি করেছেন, “লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার মেয়ে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC) পরীক্ষায় না বসেই পাস করেছেন।” তবে পোস্ট করার সময় অ্যাকাউন্টে ​​লেখা রয়েছে, “এটি কেবল মজা করার জন্য পোস্ট। এটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং ধ্রুব রাঠির আসল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।” ভুয়ো খবর প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়তে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ চিনা হেফাজতে মৃত্যু তিব্বতি তেনজিং ডেলেকের, কে জানেন?

    দায়ের মানহানি মামলা

    ওম বিড়লার এক আত্মীয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির (Dhruv Rathee) বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ধারায় মানহানি, শান্তি ভঙ্গ, ইচ্ছাকৃত অপমান এবং বিভ্রান্তিকর ভুয়ো খবর প্রচারের মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে আইটি আইনের অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ আরও বলেছেন, “পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো খবরটি একটি, ভুয়ো প্যারোডি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে। ভুয়ো অ্যাকাউন্টটি অভিযুক্তের নয়। ইতিমধ্যে আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছি।”

    আবার প্যারোডি অ্যাকাউন্টটি শনিবার আরেকটি পোস্ট করে বলা হয়েছে, “অঞ্জলি বিড়লার উপর আমার সমস্ত পোস্ট এবং মন্তব্য মুছে ফেলেছি, আমি ক্ষমা চাইতে চাই, কারণ আমি ঘটনা সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলাম এবং অন্য কারও পোস্ট কপি করে শেয়ার করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Om Birla: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন স্পিকার

    Om Birla: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন স্পিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে (BRICS Forum) ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। ১১-১২ জুলাই রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত হবে ১০তম ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরাম। এই ফোরামেই যোগ দেবে ভারতীয় সংসদীয় দল, যার নেতৃত্ব দেবেন লোকসভার স্পিকার।

    প্রতিনিধি দলে কারা থাকবেন? (Om Birla)

    ভারতীয় সংসদীয় এই প্রতিনিধি দলে থাকবেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, রাজ্যসভার সেক্রেটারি জেনারেল পিসি মোদি, রাজ্যসভার সাংসদ শম্ভুশরণ প্যাটেল, লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিং, লোকসভা সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব অঞ্জনি কুমার-সহ আরও কয়েকজন। ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ফি বছর একটি করে বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়। এবারের থিম হল, ‘রোল অফ পার্লামেন্টস ইন স্ট্রেনদেনিং মাল্টিল্যাটারালিজম ফর জাস্ট গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি’। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি হল ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, মিশর, ইথিওপিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    কী বললেন লোকসভার স্পিকার?

    এক্স হ্যান্ডেলে লোকসভার স্পিকার লিখেছেন, “সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত দশম ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে আইপিডির নেতৃত্ব দিচ্ছি। ব্রিকস এবং আমন্ত্রিত দেশগুলির সঙ্গে ইন্টার পার্লামেন্টারি সহযোগিতা মজবুত করতে মুখিয়ে রয়েছি। এই সফরে ভাইব্র্যান্ট ইন্ডিয়ান প্রবাসীদের সঙ্গে কখন সাক্ষাৎ করতে পারব, সেদিকেও তাকিয়ে রয়েছি।” এই ফোরামে (Om Birla) গিয়ে লোকসভার স্পিকার বিভিন্ন দেশের স্পিকারদের সঙ্গে যোগ দেবে পার্শ্ববৈঠকে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করবেন তিনি। মস্কোয় ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

    আর পড়ুন: “এটা যুদ্ধের সময় নয়, সমর্থনযোগ্য নয় সন্ত্রাসবাদও”, অস্ট্রিয়ায় বললেন মোদি

    এই ফোরামে মূলত দু’টি বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পেশ করবেন লোকসভার স্পিকার। একটি হল, ‘ব্রিকস পার্লামেন্টারি ডাইমেনশন – পসিবিলিটিজ অফ স্ট্রেনদেনিং ইন্টার পার্লামেন্টারি কো-অপারেশন’ এবং ‘রোল অফ পার্লামেন্টস ইন ওভারকামিং থ্রেটস রিলেটেড টু ফ্র্যাগমেন্টেশন অফ দ্য মিউচুয়াল ট্রেডিং সিস্টেম অ্যান্ড দ্য কনসিকোয়েন্সেস অফ গ্লোবাল ক্রাইসিস’। ব্রিকস সম্মেলনের শেষে পাশ হবে জয়েন্ট স্টেটমেন্ট।

    প্রসঙ্গত, এবারের ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Forum) আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কিরগিজ রিপাবলিক, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং তুর্কিমেনিস্তানের প্রতিনিধিরাও (Om Birla)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Adjourned: জরুরি অবস্থা নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য, হট্টগোলে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন

    Lok Sabha Adjourned: জরুরি অবস্থা নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য, হট্টগোলে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হট্টগোলের জেরে মুলতুবি হয়ে গেল লোকসভার অধিবেশন (Lok Sabha Adjourned)। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন এনডিএর নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি। স্পিকার মনোনীত হয়েছেন ওম বিড়লা। স্পিকার হিসেবে বুধবারই ছিল তাঁর প্রথম বক্তৃতা। আর এদিনই বিরোধীদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন নয়া স্পিকার।

    ‘জরুরি অবস্থার কালো দিন’ (Lok Sabha Adjourned)

    স্পিকার হিসেবে প্রথম বক্তৃতায়ই ‘জরুরি অবস্থার কালো দিনে’র প্রসঙ্গ টানেন ওম। জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাংসদদের দু’মিনিট নীরবতা পালন করতেও বলেন। জনগণের জীবনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্বৈরাচারী শাসনের ক্ষতিকর প্রভাবও তুলে ধরেন তিনি। স্পিকার বলেন (Lok Sabha Adjourned), “এই হাউস ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা জারির তীব্র বিরোধিতা করছে। একই সঙ্গে যাঁরা জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করেছিলেন, ভারতের গণতন্ত্র রক্ষায় সচেষ্ট হয়েছিলেন, তাঁদের অ্যাপ্রিসিয়েট করছে।” তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাবে।”

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    স্পিকারের এহেন বক্তব্যের প্রবল বিরোধিতা করেন বিরোধীরা। ‘দেশ কো জেল বানা দিয়া হ্যায়’, ‘তানাশাহি বন্ধ কর’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’-র সাংসদরা। এদিকে, দেশে জরুরি অবস্থা জারির জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন এনডিএর সাংসদরা। বাদানুবাদের জেরে চরমে ওঠে হট্টগোল। তখনই এদিনের মতো সভা মুলতুবি করে দেন স্পিকার।

    এদিকে, লোকসভার অধ্যক্ষের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “মাননীয় স্পিকার জরুরি অবস্থার তীব্র নিন্দা করেছেন, সেই সময় ঘটনার বাড়াবাড়িগুলো তুলে ধরেছেন এবং যেভাবে গণতন্ত্রের শ্বাসরোধ করা হয়েছিল, তারও উল্লেখ করেছেন। এতে আমি আনন্দিত। সেই দিনগুলিতে যাঁরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাঁদের সম্মানে নীরবতা পালন করাও দুর্দান্ত পদক্ষেপ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৫০ বছর আগে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও, আজকের যুবকদের এই ঘটনা সম্পর্কে জানা উচিত।” তিনি জানান, সংবিধানকে উপেক্ষা করা হলে, জনমতকে দাবিয়ে দেওয়া হলে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হলে কী ঘটে, তার উপযুক্ত উদাহরণ হল জরুরি অবস্থা। তিনি লিখেছেন, “জরুরি অবস্থার সময় যা ঘটেছিল, তা স্বৈরাচারী শাসনের উদাহরণ (Lok Sabha Adjourned)।”

    আর পড়ুন: আয়কর দিতে হবে মন্ত্রীদেরই, বড় সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রদেশ সরকারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় টানা দ্বিতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় টানা দ্বিতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বারের বিজেপি সাংসদ ওম বিড়লা আজ টানা দ্বিতীয়বারের জন্য লোকসভার স্পিকারের পদে (Lok Sabha Speaker) নির্বাচিত হয়েছেন। এনডিএ প্রার্থীদের ভোটে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী, তাঁর কাছে গিয়ে অভিনন্দন জানান। স্পিকারকে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শাসক শিবির এবং বিরোধীদের মধ্যে বিরল বন্ধুত্বের একটি মুহূর্তের ছবি ধরা পড়েছে।

    মোদির অভিনন্দন (Lok Sabha Speaker)

    স্পিকার (Lok Sabha Speaker) পদে ওম বিড়লাকে নির্বাচনের পর, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলনেতা এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু একত্রিত হয়ে স্পিকারের চেয়ারে নিয়ে যান। নবনির্বাচিত লোকসভার স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেছেন, “তাঁর মিষ্টি হাসি পুরো হাউসকে খুশি রাখে। আমাদের কাছে এটি একটি সম্মানের বিষয় যে আপনি দ্বিতীয়বারের জন্য এই চেয়ারে নির্বাচিত হয়েছেন।”

    কী বলেন রাহুল গান্ধী

    বিরোধী দলের নেতারাও স্পিকারকে (Lok Sabha Speaker) অভিনন্দন জানিয়েছেন এদিন। তবে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের সঙ্গে একটি তীক্ষ্ণ বার্তাও যোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে আপনি আমাদের কথা বলার অনুমতি দেবেন। অধিবেশন চালানো বড় কথা নয়, বড় প্রশ্ন হল কতটা দক্ষতা এবং নিরপেক্ষতা থাকবে কাজে। বিরোধীদের কণ্ঠস্বর গণতন্ত্রের মূলস্তম্ভ। তাই আপনি নিরপেক্ষ হোন এবং সংবিধান রক্ষা করুন। এই নির্বাচন দেখিয়েছে যে ভারতের সংবিধানকে কীভাবে রক্ষা করতে হয়।”

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের বাজারে উদীয়মান ভারত

    কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল

    স্বাধীনতার পর লোকসভা স্পিকারের (Lok Sabha Speaker) জন্য এটি ছিল তৃতীয় নির্বাচন। তবে কংগ্রেস জোর করে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আট বারের সাংসদ কে সুরেশকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে প্রার্থী করেছিল। অবশ্য সংখ্যা গরিষ্ঠতার বিচার স্পষ্টতই ওম বিড়লার পক্ষে ছিল। যদিও এনডিএ প্রার্থীর সমর্থন ছিল ২৯৭ জন সাংসদের। আর বিরোধীদের পক্ষে ছিল ২৩২ জন সাংসদ। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কংগ্রেসকে এদিন আক্রমণ করে বলেছেন, “আমরা তাঁদের কাছে স্পিকারের সমর্থনের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু তাঁর বলেছিল যে সমর্থন করবে কিন্তু বিনিময়ে ডেপুটি স্পিকারের পদ চাই। এরপর আমরা বলেছিলাম যে উভয় পদের নির্বাচনের প্রক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন। স্পিকার নির্বাচনের জন্য ডেপুটি স্পিকারের আগে কাজ করা হয়, তাই উভয়কে একত্রিত করা ঠিক হবে না।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সংসদীয় ইতিহাসের স্বর্ণালী সময়”, স্পিকার পদে ওম বিড়লাকে স্বাগত মোদির

    PM Modi: “সংসদীয় ইতিহাসের স্বর্ণালী সময়”, স্পিকার পদে ওম বিড়লাকে স্বাগত মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় ফের স্পিকার পদে নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা৷ বুধবার তাঁকে স্পিকার পদে নির্বাচন করেন নতুন লোকসভার সদস্যরা৷ তাঁকে এই পদে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, ওম বিড়়লার সভাপতিত্বে সপ্তদশ লোকসভা বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। হাসিমুখে যেভাবে ওম বিড়লা (Om Birla) সংসদ সামলান হাসির ছলে সেই প্রশংসাও করেন মোদি (PM Modi)।

    কী বললেন মোদি

    স্পিকার নির্বাচনের পর অভিনন্দন-ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন,”এটা সংসদের সৌভাগ্য যে আপনি দ্বিতীয়বার এই আসনে বিরাজমান হচ্ছেন। আপনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি। অমৃতকালের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দ্বিতীয়বার এই পদে বিরাজমান হওয়া মানে অনেক বড় দায়িত্ব। আপনার ৫ বছরের অভিজ্ঞতার সুফল পাবে সংসদ। আগামী ৫ বছর আমাদের মার্গদর্শন করবেন। এই সংসদ যাতে নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আপনার বড় ভূমিকা থাকবে।” স্পিকার পদে ওম বিড়লাকে (Om Birla) শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদি বলেন, ‘বিনম্র ও ভদ্র ব্যবহারের ব্যক্তি সহজে সফল হন। সেই সঙ্গে আপনার তো মিটিমিটি হাসিও রয়েছে। যা গোটা সংসদকে প্রসন্ন রাখে। আমার বিশ্বাস আপনি প্রতিটি পদে নতুন কীর্তি গড়বেন।”

    আরও পড়ুন: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    স্বর্ণালী অধ্যায়

    প্রধানমন্ত্রী জানান, অষ্টাদশ লোকসভায় দ্বিতীয়বার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে নতুন রেকর্ড তৈরি করলেন ওম বিড়লা। এর আগে বলরাম ঝাখড় দ্বিতীয়বার স্পিকার হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন,”সপ্তদশ লোকসভা সংসদীয় ইতিহাসের স্বর্ণালী সময় ছিল। ওই সময় যে সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে, তা ঐতিহাসিক।” ওম বিড়লার উদ্দেশে মোদি বলেন, ” ভবিষ্যতে যখন বিশ্লেষণ হবে, তখন লেখা হবে আপনার নেতৃত্বে সপ্তদশ লোকসভা বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ হয়েছে সপ্তদশ লোকসভায়। নারীশক্তি বন্দন, জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন, ভারতীয় দণ্ডবিধি, মুসলিম মহিলা বিবাহ অধিকার বিধি সহ বিভিন্ন বিল দেশের জন্য মজবুত ভিত তৈরি করেছে। ত ৭০ বছরে যা হয়নি আপনার কার্যকালে তা করে দেখানো হয়েছে। আমার বিশ্বাস দেশ এই নিয়ে গৌরব করবে। এই সংসদ ১৪০ কোটি দেশবাসীর আশার কেন্দ্র। করোনার সময় আপনি প্রতি সাংসদের সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলেছে তাদের স্বাস্থ্যের হালের খোঁজ নিয়েছেন। কেউ অসুস্থ হলে লাগাতার তার খোঁজ নিয়েছেন। করোনার সময় সংসদে ১০৭ শতাংশ প্রডাক্টিভিটি যা ইতিহাস রচনা করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share