Tag: Om Birla

Om Birla

  • Maharasthra Politics: শিন্ডে শিবিরকে স্বীকৃতি, লোকসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ ঠাকরের

    Maharasthra Politics: শিন্ডে শিবিরকে স্বীকৃতি, লোকসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিন্ডে শিবিরকেই আসল শিবসেনার (Shiv Sena) স্বীকৃতি দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্র (Maharasthra) বিধানসভার স্পিকার রাহুল নরবেকর। পরে উদ্ধব বিরোধী ওই শিবিরকে স্বীকৃতি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও (Om Birla)। এবার সেই স্বীকৃতিকে দেশের শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) চ্যালেঞ্জ জানাল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) গোষ্ঠী।

    শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেসকে নিয়ে গঠিত মহাবিকাশ আগাড়ি জোট ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটি উড়ে যান শিন্ডে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন তিনি। পতন হয় উদ্ধব ঠাকরে সরকারের।

    আরও পড়ুন : শিবসেনা কার? উদ্ধব, শিন্ডেকে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    এর পরে পরেই শিন্ডে শিবিরকে আসল শিবসেনা হিসেবে স্বীকৃতি দেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার রাহুল নরবেকর। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয় ১৮ জুলাই। অধিবেশনের প্রথম দিনই শিবসেনার ১২ জন সাংসদ শিন্ডে শিবিরের অংশ হিসেবে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। লোকসভায় শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা ১৮। তার সিংহভাগই শিন্ডে শিবিরে যোগ দেওয়ায় স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের স্বীকৃতি দেন। দক্ষিণ-মধ্য মুম্বই কেন্দ্রের সাংসদ রাহুল শেওয়ালেকে শিবসেনার লোকসভার নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন স্পিকার। রাহুল শিন্ডে শিবিরের নেতা। খারিজ হয়ে যায় উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা বিনায়ক রাউতের এ সংক্রান্ত আবেদন। উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা রাজন বিচারের বদলে শিন্ডে শিবিরের ভাবনা গাওলিকে শিবসেনার চিফ হুইপ হিসেবেও স্বীকৃতি দেন লোকসভার স্পিকার। স্পিকারের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিনায়ক ও রাজন। শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর দাবি, এটি অবৈধ, অসাংবিধানিক এবং সংসদের রীতি বিরুদ্ধ। তাঁদের অভিযোগ, এটা করা হয়েছে স্রেফ শিবসেনার বিরোধী গোষ্ঠীকে মদত দিতে। তাঁরা বলেন, সংসদীয় দল একটি রাজনৈতিক দলের প্রোডাক্ট মাত্র। তাই শিন্ডে শিবিরকে মান্যতা দেওয়া ঠিক হয়নি।

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে?

  • Unparliamentary Words Row: কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি, সাফ জানালেন লোকসভার স্পিকার

    Unparliamentary Words Row: কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি, সাফ জানালেন লোকসভার স্পিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও শব্দেই কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। সাংসদরা স্বাধীনভাবে তাঁদের মতামত জানাতে পারেন। তবে সংসদীয় পরম্পরা মেনে বক্তব্য রাখাই বাঞ্ছনীয়। অসংসদীয় শব্দ (Unparliamentary Words) নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই এমন মন্তব্য করেন লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)।

    ৮ জুলাই বাদল অধিবশেন শুরুর আগে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র জানিয়ে দেয় গণতন্ত্রের মন্দিরে আপত্তিকর এবং অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগ করা যাবে না। সম্প্রতি বিলি করা হয়েছে ওই পুস্তিকা। তাতে অংসদীয় শব্দের বেশ কিছু তালিকাও দেওয়া হয়েছে। হিন্দির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইংরেজি শব্দও এতে রয়েছে। সংসদে বক্তব্য রাখার সময় এই শব্দগুলি ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে পুস্তিকায়। এর মধ্যে রেয়েছে জুমলেবাজি, শকুনি, তানাশাহি, গদ্দার, দালাল, বহেরি সরকার, কালা দিনের মতো শব্দ। এই সব হিন্দি শব্দের পাশাপাশি রয়েছে কিছু ইংরেজি শব্দও। এগুলি হল, ডাংকি, অ্যাবিউজড, কোরাপ্ট, কাউওয়ার্ড, ক্রিমিনাল, ড্রামা, ক্রোকোডাইল টিয়ার্স প্রভৃতি। শব মিলিয়ে অসংসদীয় শব্দের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। এই পরেই সূত্রপাত হয় বিতর্কের।

    আরও পড়ুন : ৩৩ কোটি হিন্দু দেব দেবীর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন! দুঃখিত আজমীর শরিফের ধর্মগুরু আদিল চিস্তি

    বিতর্কে ইতি টানতে উদ্যোগী হয়েছেন লোকসভার স্পিকার স্বয়ং। তিনি বলেন, এই ধরনের পুস্তিকা প্রকাশ হয়ে আসছে ১৯৫৯ সাল থেকে। কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি। সংসদের সদস্যরা তাঁদের নিজেদের মতামত জানাতে পারেন। কারওরই কোনও কোনও অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না। তবে সংসদীয় পরম্পরা মেনে বক্তব্য রাখাই বাঞ্ছনীয়। তিনি বলেন, আগেও এ ধরনের পুস্তিকা প্রকাশিত হয়েছে। কাগজের অপব্যবহার রুখতে আমরা সেগুলিকে ইন্টারনেটে রেখে দিয়েছি। কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি। 

    আরও পড়ুন :ভারত এগোচ্ছে, প্রগতির ছবিও স্পষ্ট, জানালেন মোহন ভাগবত

    ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর কটাক্ষ, নতুন ভারতের নতুন অভিধান। পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে পদ্ম শিবিরও। বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, লোকসভার স্পিকার পুরো ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। বিরোধীদের ধোঁয়াশা পরিষ্কারও করে দিয়েছেন তিনি। তার পরেও অযথা বিতর্ক হচ্ছে। বিরোধীরা এই অধিবেশনে তোলার মতো কোনও ইস্যু পাচ্ছেন না। তাই এটা নিয়ে হইচই করছেন। সম্বিত বলেন, স্পিকার তো সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি।

     

  • Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা সাংসদ নবনীত রাণার (Navneet Rana) গ্রেফতারির ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব করল সংসদীয় কমিটি। এই চারজন হলেন – মহারাষ্ট্রের মুখ্যসচিব, মহারাষ্ট্রের ডিজিপি, মুম্বাই পুলিশ কমিশনার এবং বাইকুল্লা জেলা মহিলা জেলের সুপারইন্টেনডেন্ট আগামী ১৫ জুন তলব করল সংসদের প্রিভিলেজ এবং এথিকস্ কমিটি (Parliament Privileges and Ethics Committee)। এছাড়াও সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দিকে গ্রেফতারের ইস্যুতে তেলাঙ্গনার এক আধিকারিককেও তলব করা হয়েছে। 

    ২৩ এপ্রিল ‘হনুমান চালিশা’ বিতর্কে সাংসদ নবনীত রাণা এবং তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। জেলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে একথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন নির্দল সাংসদ নবনীত রাণা। চিঠিতে নবনীত লেখেন, “২৩ তারিখ আমাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ২৩ এপ্রিলের রাত আমাকে পুরোপুরি থানার ভিতরেই কাটাতে হয়। রাতে আমি বহুবার খাওয়ার জন্য জল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে একবারও জল দেওয়া হয়নি। এমনকী, আমাকে বলা হয়, আমি নিচু জাতের মেয়ে। তাই তাঁরা যে গ্লাসে জল খান, সেই একই গ্লাসে আমাকে জল দিতে পারবেন না। আমার সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা আদতে মানবাধিকারবিরোধী।”  

    আরও পড়ুন: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর
     
    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই লাউডস্পিকার বিতর্কে উত্তাল হয় গোটা দেশ, বিশেষ করে মহারাষ্ট্র। মুসলিমদের লাউডস্পিকারে আজান পড়ার বিরোধিতা করে হিন্দু সংগঠন থেকে সাধারণ মানুষ। সেই প্রসঙ্গেই এই রাণা দম্পতি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাড়ির সামনে লাউডস্পিকারে হনুমান চালিশা পড়ার হুঁশিয়ারি দেন। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। পরে জামিনও পান তাঁরা।    

    সংসদীয় কমিটি তলব করা সব সরকারি আধিকারিককেই ১৫ জুন সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দি অভিযোগ করেন একটি মিথ্যে মামলায় তাঁকে বলপূর্বক গ্রেফতার করেন তেলাঙ্গনার পুলিশ আধিকারিক সত্যনারায়ণ। সেই অভিযোগের ভিত্ততেই সত্যনারায়ণকেও তলব করেছে কমিটি। 

    আরও পড়ুন: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

LinkedIn
Share