Tag: Onion

Onion

  • Onion Exports: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    Onion Exports: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল পেঁয়াজ রফতানিতে (Onion Exports)। শনিবার এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ছ’মাস আগে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নয়াদিল্লি। সেই নিষেধাজ্ঞাই তুলে নেওয়া হল। সামনের মাসের মাঝামাঝি সময়ে রয়েছে বকরিদ। তার আগে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি রফতানিকারীরা।

    ন্যূনতম রফতানি মূল্য (Onion Exports)

    নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও আরোপ করা হয়েছে ন্যূনতম রফতানি মূল্য। টন প্রতি এই মূল্য হল ৫৫০ মার্কিন ডলার। শুক্রবার রাতেই সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ ডিউটি আরোপ করেছিল। এই হারে ডিউটি আরোপ করা হয়েছিল গত অগাস্টেও। লাগু ছিল গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেডের তরফে জারি (Onion Exports) করা নোটিশে বলা হয়েছে, ‘পেঁয়াজের রফতানি নীতি সংশোধন করা হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টনে ৫৫০ মার্কিন ডলার ন্যূনতম রফতানি মূল্য ধার্য করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ জারি না করা পর্যন্ত এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে।’ ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বলবৎ ছিল। মার্চের পর ফের বাড়ানো হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    পেঁয়াজের উৎপাদন কম!

    মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের তথ্য প্রকাশ করেন। এই তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে আশা করা হচ্ছে পেঁয়াজ উৎপাদনের পরিমাণ হবে প্রায় ২৫৪.৭৩ লাখ টন। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ৩০২.০৮ টন। এর কারণ কেবল মহারাষ্ট্রেই পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয়েছে ৩৪.৩১ লাখ টন, কর্নাটকে ৯.৯৫ লাখ টন, অন্ধ্রপ্রদেশে ৩.৫৪ লাখ টন এবং রাজস্থানে ৩.১২ লাখ টন। কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স, ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সরকার ছয় দেশে মোট ৯৯.১৫০ টন পেঁয়াজ রফতানিতে ছাড়পত্র দিয়েছে। এই দেশগুলি হল বাংলাদেশ, ভুটান, বাহরিন, মরিশাস, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির
    প্রসঙ্গত, পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদ করেছিলেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। গত মাসেই মহারাষ্ট্রের চাষিদের প্রতিবাদকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে দুষেছিল কংগ্রেস। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে প্রকান্তরে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকেই যোগ্য জবাব দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (Onion Exports)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা, গরু, মাদক নয় এবারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীদের পছন্দের জিনিস হল পেঁয়াজ (Onion)। সন্ধ্যে নামতেই সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজ পারপার চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া আড়ত থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজের বস্তা কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বস্তা পিছু বাংলাদেশে পাচার করতে পারলেই নগদ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাভ। ফলে চোরাকারবারীদের রমরমা পেঁয়াজ পাচারে। পাশাপাশি পাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ।

    কেন পিঁয়াজের চোরাকারবার (Onion)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম এখন অগ্নিমূল্য। কোথাও ১৫০ আবার কোথাও দাম ২০০ টাকা। ভারত থেকে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। ফলে পাচারকারীদের কাছে উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। সোনা, গরু, মাদক পাচার করতে গেলে যদি ধরা পড়ে সেই ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা লোকাসান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরে পেঁয়াজ ধরা পড়লেও আর্থিক ক্ষতি কম। তাই পাচারকারীদের কাছে শীতের রাতে চোরা চালানের উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের এক বাসিন্দা বলেন, “সবাইকে সব কিছু দিয়ে ম্যানেজ করতে পারলে বস্তা পিছু দশ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় হচ্ছে। অপর দিকে সোনা, গরু, মাদক পাচারের থেকে কম কিছু নয়।” আবার দিকে নদিয়ার আরও এক পাচারকারী বলেছেন, “বিএসএফ নতুন পাচার নিয়ে বেশ সতর্ক। আমাদেরও ফাঁক বুঝে কাজ করতে হচ্ছে।”

    বিএসএফের বক্তব্য

    দক্ষিণবঙ্গের ফ্রন্টইয়ারের বিএসএফ ডিআইজি কে আর্য বলেন, “সীমান্তে যে কোনও পাচার আটকাতে আমরা অত্যন্ত তৎপর। বাংলাদেশে যেকোনও জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেলে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীরা সক্রিয় হয়ে যায়। এখন সেই দেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তাই চাহিদা মেটাতে পাচারকারীদের সক্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে পাচার আটকাতে আমাদেরও আরও সক্রিয় হয়ে থাকতে হচ্ছে।”

    সেই সঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, “আগামী ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনও পেঁয়াজ পাঠানো হবে না। অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।”

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    নদিয়ার করিমপুরের এক পাইকারি আড়তদার রমেশ মণ্ডল বলেন, “সন্ধ্যা হলেই পেঁয়াজের (Onion) বিক্রি ব্যাপক বেড়ে গিয়েছে। তবে কে কেন নিয়ে যাচ্ছে জানিনা। আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।” আবার ঢাকার এক ব্যবসায়ী আমিরুল কবিরাজ জানান, “ভারত থেকে পেঁয়াজে আসা বন্ধ হওয়ায় আমাদের এখানে দাম এখন অগ্নিমূল্য। যদিও চিনের পেঁয়াজ আসছে, তবে স্বাদে ভারতের পেঁয়াজের চাহিদা অনেক বেশি।” আবার মেহেরপুরের আরও এক ব্যবসায়ী বলেন, “ভারতের পেঁয়াজ বন্ধ হওয়ায় এখানে সঙ্কটে পড়েছেন মানুষ। খোলা বাজারে পেঁয়াজ নেই বললেই চলে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Onion: বাজারে পেঁয়াজের দামে আগুন! বিপাকে মধ্যবিত্ত, কত দামে বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    Onion: বাজারে পেঁয়াজের দামে আগুন! বিপাকে মধ্যবিত্ত, কত দামে বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজারে পেঁয়াজের (Onion) দামে আগুন লেগেছে। তাই মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ খাবেন না কেবল ছুঁয়ে দেখবেন, তাই নিয়ে শোরগোল পড়েছে। মধ্যবিত্তের হেঁসেলে পেঁয়াজ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় সব্জি। কিন্তু, কিনতে গেলেই হাতে আগুনের ছ্যাঁকা লাগছে। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজোর পর আসছে কালীপুজো-ভাইফোঁটা। তাই নভেম্বরের শুরুতেই পেঁয়াজের দাম আগের তুলানায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। অবশ্য এর পিছনে অনেকে মধ্যসত্ত্বভোগী ফোড়েদের ভূমিকা আছে বলে মনে করেছেন। পেঁয়াজের অগ্নিমূল্যে সাধারণ মানুষের মাথায় হাত পড়েছে। প্রশ্ন উঠছে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও।

    অগ্নিমূল্য পেঁয়াজ (Onion)

    পেঁয়াজের (Onion) দাম বেশি হওয়ায় ইতিমধ্যে সব খাবারেই পেঁয়াজের ব্যবহার কমতে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, চন্দ্রকোণা সহ বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা প্রতি কিলো। বর্তমানে সেই দাম হয়েছে ৬০ টাকা। দাম নিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।

    কেন দাম বৃদ্ধি?

    বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পেঁয়াজ (Onion) নাসিক এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে সড়কপথে খড়গপুর হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বাজারগুলিতে পৌঁছায়। কিন্তু এই বছর কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায়, ফলন অনেক কম হয়েছে। আর এর ফলে জোগানের সঙ্গে চাহিদার ভারসাম্য না থাকায় মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তবে আগে যে পরিমাণে পেঁয়াজ মজুত ছিল, তাই এখন ৬০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

    চাষিদের বক্তব্য

    পেঁয়াজের (Onion) দাম নিয়ে চাষিরা বলছেন, পেঁয়াজের এই চড়া মূল্য বেশিদিন থাকবে না। নতুন পেঁয়াজ উঠলেই দাম আরও অনেক কমে যাবে। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই দাম অনেকটাই কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক চাষি জানিয়েছেন, “যে পেঁয়াজের দাম ছিল ৩০-৪০ টাকা, বর্তমানে তার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকা। অনেক মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের কারণে দাম বৃদ্ধি হয়েছে।”

    কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে পেঁয়াজের ন্যূনতম মূল্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৭ টাকার আশেপাশে দাম রাখার কথা বলা হয়েছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relationship: বাংলাদেশে চড়ছে ‘ভারত বয়কট’ সুর, পেঁয়াজ পাঠিয়ে মোক্ষম চাল মোদির

    India Bangladesh Relationship: বাংলাদেশে চড়ছে ‘ভারত বয়কট’ সুর, পেঁয়াজ পাঠিয়ে মোক্ষম চাল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বিরোধী প্রচার শুরু হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপে। এবার তার আঁচ লাগল ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশেও (India Bangladesh Relationship)। জানুয়ারি মাসে সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশের কুর্সিতে ফেরে আওয়ামি লিগ সরকার। ফের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। তার পরেই শুরু হয়েছে ভারত বয়কট প্রচার। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে যারা আওয়ামি লিগের বিরোধিতা করেছিল, ভারত বয়কট প্রচারে সুর চড়িয়েছে তারাই। সূত্রের খবর, ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক সমর্থন করেছে বিএনপি এবং সমমনস্ক ১২টি দল।

    কমেছে ভারতীয় পণ্যের বিক্রি (India Bangladesh Relationship)

    এক সময় (India Bangladesh Relationship) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পান্থপথ এলাকায় ঢালাও মিলত ভারতীয় পণ্য। গত মাসে এই এলাকার কিছু দোকান মালিক ভারতীয় পণ্য তুলতে চায়নি। ঢাকা-চট্টগ্রামের দোকানদারদের একটা বড় অংশই জানিয়েছে, সম্প্রতি কমে গিয়েছে ভারতীয় পণ্যের বিক্রিবাটা। বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে ভারতের পছন্দের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। তাই ভারতীয় পণ্য বয়কটের আওয়াজ তুলেছে সরকার বিরোধীদের একাংশ। নয়াদিল্লির মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থীরা রয়েছে এই প্রচারের নেপথ্যে। সংগঠিত কোনও শক্তির হাতও থাকতে পারে বলে ধারণা নয়াদিল্লির।

    নেপথ্যে পাকিস্তানের হাত!

    অতীতে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে আইএসআই। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে সেসব অবশ্য বন্ধ হয়েছে। তবে সম্প্রতি মলদ্বীপকাণ্ডের পর বাংলাদেশে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে সেই অশুভ শক্তি। যার জেরে উঠেছে ভারত বিরোধী আওয়াজ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারও বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী শক্তিকে। তবে বাংলাদেশে পণ্য বয়কটের প্রভাব অর্থনৈতিকভাবে খুব বেশি হবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ২.৬ শতাংশ। তবে ভারত বিরোধী প্রচারের জেরে ছাপ পড়তে পারে দুই দেশের সম্পর্কে।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    সেই ছাপ যাতে না পড়ে তাই রমজান ও ইদের আগেই বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ পাঠিয়েছে ভারত। অথচ দেশের বাজারে পেঁয়াজের জোগানে সঙ্কট ও তার জেরে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় গত বছরই পেঁয়াজ রফতানিতে রাশ টেনেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। বাংলাদেশের পাশাপাশি আর এক বন্ধু দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত। তবে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী সুর চড়তেই পেঁয়াজ পাঠিয়ে ইদের তোফা দিয়ে নয়াদিল্লি মোক্ষম চাল দিলেন বলেই ধারণা (India Bangladesh Relationship) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোম্যাটোর দামের আঁচে হাত পুড়েছিল দেশবাসীর। পেঁয়াজের (Onion) দামও যাতে মধ্যবিত্তের হাতে ছ্যাঁকা না লাগায়, তাই পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে পেঁয়াজের জোগান বৃদ্ধি পাবে। অর্থনীতির সূত্র মেনে ভারসাম্য থাকবে চাহিদা ও জোগানের। ফলে দামও চলে যাবে না ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    পেঁয়াজের দাম

    পেঁয়াজের (Onion) দাম অবশ্য এখনও মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়নি। তবে সেপ্টেম্বরেই পেঁয়াজের দামের আঁচে ছ্যাঁকা লাগতে পারে। সেই কারণেই পেঁয়াজ রফতানিতে আরোপ করা হল ৪০ শতাংশ শুল্ক। এই বিধি জারি থাকবে চলতি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে মজুত রয়েছে তিন লক্ষ টন পেঁয়াজ। তাই রফতানি না হলে দাম খুব একটা বাড়ার কথা নয়। যদিও ১০ অগাস্ট পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল কেজি প্রতি ২৭.৯০ পয়সা। এ থেকেই মূল্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত পায় কেন্দ্র। কেননা গত বছর এই সময় পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল ২৫.৯০ পয়সা। তার পরেই দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্র। চাপানো হয় শুল্ক।

    শুল্কের দাওয়াই 

    আগামী বছর দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে টোম্যাটো, পেঁয়াজের (Onion) মতো নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম বেড়ে বেড়ে যাক, তা চাইছে না কেন্দ্র। কিছুদিন আগেই টোম্যাটোর দাম পৌঁছে গিয়েছিল কেজি প্রতি দুশোর ঘরে। নেপাল থেকে টোম্যাটো আমদানি করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভর্তুকিও দেয়। তবে ভর্তুকিযুক্ত দামে টোম্যাটো বিক্রি হলেও, চাহিদার তুলনায় তা কম। টোম্যাটোর দামে রাশ টানতে ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন ও ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশনকে পাইকারি বাজারে টোমাট্যো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রির নির্দেশও দিয়েছে কেন্দ্র। স্বাধীনতা দিবস থেকেই পাইকারি বাজারে টোম্যাটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। তার জেরে ইদানিং টোম্যাটোর দাম চলে এসেছে মধ্যবিত্তের নাগালে। ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই লাল আনাজ। টোম্যাটোর পর ফের যাতে পেঁয়াজের (Onion) ঝাঁঝে চোখের জল ফেলতে না হয় মধ্যবিত্তকে, তাই শুল্কের দাওয়াই প্রয়োগ কেন্দ্রীয় সরকারের।

    আরও পড়ুুন: তদন্ত চলাকালীন পদত্যাগ ডিনের, যাদবপুরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share