Tag: Operation Sindoor Anniversary

  • Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনেই এক বছর আগে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর এই অভিযান চালানো হয়। ভারতের জানিয়েছিল, পাকিস্তান-সমর্থিত ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত।

    ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় পাকিস্তানের

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানঘাঁটির কংক্রিট হ্যাঙ্গার, এয়ারফ্রেম এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রেডার ব্যবস্থা। ভারতীয় বাহিনীর ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং নির্ভুল গাইডেড গ্লাইড বোমার আঘাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল। ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় রাতের আকাশ জুড়ে বিশাল অগ্নিগোলক দেখা যায়। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জঙ্গি শিবির এবং সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারত। সেই বিস্ফোরণের ছবি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

    “ভারত ক্ষমা করে না”

    বৃহস্পতিবা, রাত ১টা ৫ মিনিটে ভারতীয় বায়ুসেনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে অপারেশন সিঁদুরের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, গত বছরের ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটেই ভারত প্রথম দফার হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানের ভিতরে জঙ্গি ও সামরিক ঘাঁটির উপর। প্রকাশিত ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠে শোনা যায়, “ভারত প্রতিটি জঙ্গি এবং তাদের মদতদাতাদের চিহ্নিত করবে, খুঁজে বের করবে এবং শাস্তি দেবে।” ভিডিওর সঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনা একটি কড়া বার্তাও পোস্ট করে। সেখানে লেখা হয়, “অপারেশন সিঁদুর। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। পদক্ষেপে নিখুঁত, স্মৃতিতে চিরন্তন—অপারেশন সিঁদুর অব্যাহত। ভারত কিছু ভোলে না। ভারত ক্ষমা করে না।”

    পাঁচ দশকের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ

    ভারতের সামরিক সূত্রে দাবি, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটি ছিল দেশের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ অভিযান। সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসে পাকিস্তানের মদতের জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ভারতের কৌশলগত ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি নিশানা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর, মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার ঘাঁটি, সিয়ালকোটের মেহমুনা জোয়া, মুজফফরাবাদের সাওয়াই নালা ও সৈয়দ না বিলাল, কোটলির গুলপুর ও আব্বাস, ভিম্বরের বারনালা এবং সারজাল এলাকা। ভারতীয় হামলার তীব্রতা ও কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন গত বছরের ৯ মে বিকেলে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার দিকে এগোয় বলে দাবি করা হয়। যদিও আরও প্রায় দু’দিন সংঘর্ষ চলেছিল, তবুও ভারতের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সামরিক চাপ সহ্য করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয়েছিল।

  • Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) প্রোফাইলের ডিসপ্লে ছবি পরিবর্তন করলেন। নতুন ডিসপ্লেতে স্থান পেয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রতীকী ছবি, যা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৭ মে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor Anniversary)। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK)-এ অবস্থিত একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে অভিযান চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মোট ৯টি বড় জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ১০০-রও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে দাবি ভারতের।

    সেনাবাহিনীকে স্যালুট প্রধানমন্ত্রী মোদির

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে গত বছর ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। বৃহস্পতিবার তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেনাবাহিনীর জয়গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করার সংকল্পে অটল ভারত।” বৃহস্পতিবার মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এই অভিযানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সাহস, নির্ভুলতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রদর্শন করেছে। অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অভিযান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, প্রস্তুতি এবং তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তির পরিচয় দিয়েছে। গোটা দেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানায়। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে করতে ভারত নিজের সংকল্পে অটল রয়েছে।”

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনাবাহিনীর তরফেও ভিডিও প্রকাশ করে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই। জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেবে ভারত।” এদিন অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুর আমাদের জাতীয় সংকল্প ও প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রতীক। এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে নিখুঁত সমন্বয়, আধুনিক কৌশল ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের সামরিক অভিযানের জন্যও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই অভিযান আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।”

  • S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা (Air Defence) শক্তিকে আরও মজবুত করতে আগামী মে মাসেই দেশে পৌঁছতে চলেছে অত্যাধুনিক এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (S-400 Missile System) চতুর্থ স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এই ডেলিভারির সময়সূচি ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর প্রথম বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সঙ্গে মিলতে পারে—যে অভিযানে এস-৪০০ (ভারতে সুদর্শন নামে পরিচিত) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

    সূত্রের খবর, রাশিয়ার সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, পঞ্চম ও শেষ স্কোয়াড্রনটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে পৌঁছবে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সেট ভারতের হাতে চলে আসবে। ২০১৮ সালে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি করে ভারত। ইতিমধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন দেশে এসে অপারেশনাল হয়েছে, যা ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের (Multi-Layered Air Defence Network) গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।

    কৌশলগত মোতায়েন

    বর্তমানে মোতায়েন হওয়া এস-৪০০ (S-400 Missile System) ইউনিটগুলি দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে স্থাপন করা হয়েছে। একটি স্কোয়াড্রন শিলিগুড়ি করিডরে মোতায়েন রয়েছে, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র সংযোগ রক্ষা করে। অন্য একটি স্কোয়াড্রন পঠানকোট অঞ্চলে অবস্থান করছে, যা জম্মু ও কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের আকাশসীমায় নজরদারি জোরদার করেছে। তৃতীয় স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে পশ্চিম সীমান্তে—রাজস্থান ও গুজরাটের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে।

    অপারেশন সিদুঁর-এ কার্যকারিতা

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ সিস্টেমের কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে সামনে আসে। দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে আসা হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযান ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযানের বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সময় নতুন স্কোয়াড্রনের আগমন কেবল প্রতীকী নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

    চিনের সঙ্গে উত্তেজনার পর গতি পায় আধুনিকীকরণ

    ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাত ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে এয়ার সুপিরিয়রিটি ও মিসাইল ডিফেন্স অপরিহার্য উপাদান। চিনের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকে বিশেষ জোর দেয়। সেই প্রেক্ষিতে এস-৪০০-এর (S-400 Missile System) দ্রুত মোতায়েন ও কার্যকরীকরণ গুরুত্ব পায়।

    এস-৪০০: কী এর বিশেষত্ব

    এস-৪০০ একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এটি প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে এবং ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সিস্টেম একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্য—ফাইটার জেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন—ট্র্যাক ও ধ্বংস করতে পারে। প্রতিটি স্কোয়াড্রনে প্রায় ১৬টি যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে মিসাইল লঞ্চার, উন্নত রেডার, কমান্ড ও কন্ট্রোল ইউনিট এবং সহায়ক ব্যবস্থা।

    সম্পূর্ণ হলে কী বদলাবে

    সব পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Missile System) স্কোয়াড্রন যুক্ত হলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দেশীয় ‘আকাশ’ মিসাইলসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি একটি শক্তিশালী বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সম্ভাব্য শত্রুপক্ষের আগ্রাসন অনেকটাই নিরুৎসাহিত হবে। চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমন (Operation Sindoor Anniversary) ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির পথে আরেকটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো সিস্টেম চালু হলে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

LinkedIn
Share