Tag: Organised Crime

  • Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা আলোচনা, সরকার ও বিরোধী পক্ষের তীব্র বাকযুদ্ধ এবং একাধিক বিতর্কের পর বুধবার লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হল সরকারি পরীক্ষা (অসাধু উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল (Public Examination Amendment Bill 2026), ২০২৬। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিল নিয়ে আলোচনা চলে। বুধবার ফের আলোচনা শুরু হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠভোটে বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) পাশ হয়।

    আরও কঠোর শাস্তি

    নতুন সংশোধনী (Public Examination Amendment Bill 2026) অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসাধু উপায়ে জড়িতদের ন্যূনতম কারাদণ্ড তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হবে দশ বছর পর্যন্ত। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

    সংগঠিত চক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

    সংগঠিতভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত চক্রের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে সেই সাজা দশ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ জরিমানা এক কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে দশ কোটি টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।

    পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার জন্যও কড়া নিয়ম

    যে সব সংস্থা পরীক্ষার কাজ পরিচালনা করে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ জরিমানা পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি সরকারি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    বিশেষ তদন্তকারী দল ও দ্রুত বিচার

    বিলে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধের তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের ক্ষমতা কেন্দ্রকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। অভিযোগপত্র জমা পড়ার পর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে প্রতিদিন শুনানি চালিয়ে তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করারও প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের জন্য বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

    লোকসভায় উত্তপ্ত বিতর্ক

    বিল নিয়ে আলোচনায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে ছাত্রদের আন্দোলন কোনও হিংসা নয়, বরং দেশের তরুণদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শুধু একটি প্রতীক; দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অন্য শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ঠুর এবং তরুণদের স্বাধীনভাবে ভাবার সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের সময় শাসক দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু তাঁর বক্তব্যের একটি শব্দের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা রাহুলকে ভাষা ও অভিযোগের ক্ষেত্রে সংযত থাকার পরামর্শ দেন।

    সরকারের পাল্টা জবাব

    জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা না করে বিরোধীরা রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন। দেশের যুব সমাজকে অপমান করে সংসদীয় ভাষার সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে। দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর অভিযোগও খারিজ করেন তিনি। জিতেন্দ্র সিং বলেন, কোথাও গুলি চালানো হয়নি, কেবল কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কোনও মন্ত্রীর নয়, সেই সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক আধিকারিক।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিল?

    গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সেই পরিস্থিতিতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে, প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী বিল আনা হয়েছে। লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হওয়ার পর এবার বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) রাজ্যসভায় তোলা হবে।

  • Arrest Punishment: রাজ্যে লাগু হয়ে গেল ‘গুন্ডাদমন আইন’, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত-সহ কড়া ক্ষমতা প্রশাসনের হাতে

    Arrest Punishment: রাজ্যে লাগু হয়ে গেল ‘গুন্ডাদমন আইন’, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত-সহ কড়া ক্ষমতা প্রশাসনের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ, সংগঠিত অপরাধ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের মতো ঘটনাকে কঠোর হাতে দমন করতে (Arrest Punishment) সোমবার থেকে কার্যকর হয়ে গেল রাজ্যের নয়া ‘গুন্ডাদমন আইন’। একই সঙ্গে কার্যকর হয়েছে জনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশোধিত আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। নতুন (New Anti Social Activities Bill) এই দুই আইনের পোশাকি নাম ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’।

    ‘নিবর্তনমূলক আটকে’র বিধান (Arrest Punishment)

    নবান্নের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের মনে আইনের শাসনের ভীতি সৃষ্টি করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে আইন কার্যকর হওয়ার আগেই তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের আশঙ্কা, আইনের কিছু ধারা প্রশাসনের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা তুলে দিচ্ছে। যদিও, সরকারের দাবি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই আইন অপরিহার্য। নয়া আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ‘নিবর্তনমূলক আটকে’র বিধান। এই আইন অনুযায়ী, প্রশাসনের কাছে যদি বিশ্বাসযোগ্য কোনও তথ্য থাকে যে কোনও ব্যক্তি জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন বা সমাজবিরোধী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তাঁকে সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত আটক করে রাখা যাবে। বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তা কার্যকর করা সম্ভব।

    সমাজবিরোধীর সংজ্ঞা

    আইন অনুযায়ী, রাজ্য সরকার, জেলাশাসক অথবা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন মনে করলে নিবর্তনমূলক আটকের নির্দেশ দিতে পারবেন। রাজ্য সরকারের মতে, বড় ধরনের অপরাধ বা হিংসার ঘটনা ঘটার আগেই তা প্রতিরোধ করাই এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। নতুন আইনে ‘এলাকাছাড়া’ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার বা ডিআইজি পদমর্যাদার কোনও আধিকারিক যদি মনে করেন, কোনও ব্যক্তি নির্দিষ্ট এলাকায় থাকলে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তাহলে তাঁকে অনধিক এক বছরের জন্য ওই এলাকা বা একেবারে জেলা থেকেই বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া যাবে (Arrest Punishment)। আইনে ‘গুন্ডা’ বা ‘সমাজবিরোধী’ শব্দের সংজ্ঞার পরিসরও অনেক প্রসারিত করা হয়েছে। সংঘবদ্ধ অপরাধে নিয়মিত যুক্ত ব্যক্তি, অপরাধে অর্থ জোগানদাতা বা মদতদাতা, নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধে চার্জশিটে নাম থাকা ব্যক্তি, অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক কিংবা মানবপাচার সংক্রান্ত অপরাধে যুক্ত ব্যক্তি এবং সমাজের জন্য বিপজ্জনক বলে পরিচিত ব্যক্তিদের এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

    পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নিদান

    এ ছাড়াও সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক বা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা ও জনশান্তি বিঘ্নিত করা, জীবন বা সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করা, বৈধ ব্যবসা বা পেশা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে জমি বা সম্পত্তি দখল, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির বড় ক্ষতি, সিন্ডিকেটরাজ, তোলাবাজি, অবৈধ বালি উত্তোলন, বেআইনি খনি কারবার, বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত অপরাধ, বড় ধরনের সাইবার অপরাধ এবং আর্থিক জালিয়াতিকেও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করা (Arrest Punishment) হয়েছে। এই আইনের আওতায় থাকা সমস্ত অপরাধই জামিন-অযোগ্য। তাই পুলিশ প্রয়োজন মনে করলে পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে। পাশাপাশি বাড়ি, গাড়ি বা (New Anti Social Activities Bill) অন্য কোনও জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থ, নথি, সম্পত্তি বা অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

    সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সংগঠিত অপরাধ, সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনায়ও অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যেতে পারে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে (Arrest Punishment)। আটক বা এলাকাছাড়ার নির্দেশ অমান্য করলে জেল ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। অভিযুক্তকে আশ্রয় দেওয়া বা সাহায্য করলেও শাস্তির মুখে পড়তে হবে। অন্যদিকে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর মাধ্যমে আন্দোলন বা বিক্ষোভের নামে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য বিশেষ ‘ক্লেম কমিশন’ গঠন করা হবে। কোনও দাঙ্গা, হিংসাত্মক আন্দোলন বা বিক্ষোভের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হবে, তার আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করে চিহ্নিত অভিযুক্তদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এই কমিশন।

    নয়া আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা সরকারের

    বিধানসভায় আইনটি পাস হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন, “২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সিএএ-কে এনআরসি হিসেবে প্রচার করে যে আন্দোলন হয়েছিল, তাতে মুর্শিদাবাদে থানায় আক্রমণ করা হয়। ট্রেনে হামলা হয়েছিল, ভাঙচুর করা হয়েছিল রেলওয়ে স্টেশন। সরকারি সম্পত্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমি সেই সময়ে পরিবহণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলাম। সেই সময়ে ২০টি সরকারি বাস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা আরও মজবুত করতেই এই কঠোর আইন কার্যকর করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, নিবর্তনমূলক আটক, এলাকাছাড়া (New Anti Social Activities Bill) এবং জামিন-অযোগ্য ধারার মতো বিধান ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে (Arrest Punishment)। ফলে আইনটি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই তা চলে এসেছে রাজ্যের চায়ে পে চর্চায়।

     

  • Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) শাসনে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির (Crime Control) ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতি রাজ্যকে দাঙ্গামুক্ত করেছে এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের মতো ঘটনাও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ২০১৭ সালের আগে যে রাজ্যকে ‘দাঙ্গার রাজ্য’ বলা হত, এখন সেটিই হয়ে উঠেছে গোটা দেশে শান্তি ও নিরাপত্তার উদাহরণ। সমাজবাদী পার্টি (SP) সরকারের আমলে গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত।
    ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এসপি সরকারের সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল। এনসিআরবির (NCRB) রিপোর্ট অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত। এই সময়ে ২৫,০০০-এরও বেশি দাঙ্গা হয়েছিল, যা রাজ্যের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ, তোলাবাজির ভয়ে সবাই কাঁটা হয়ে থাকতেন সর্বক্ষণ।

    উত্তরপ্রদেশে সব ভালো (Yogi Adityanath)

    ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আদিত্যনাথ অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির আওতায় সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা, গ্যাংস্টার অ্যাক্টের ব্যবহার এবং মাফিয়াদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশে একটিও বড় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেনি। কিছু অসামাজিক শক্তি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সরকার সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায়, তা ব্যর্থ হয়ে যায় (Crime Control)। ছোটখাটো ঘটনা যাতে বড় হিংসার রূপ না নেয়, তার আগেই দায়ের করা হয় দাঙ্গা বিরোধী আইনে মামলা। দুষ্কৃতীদের পাঠানো হয় জেলে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন জনসভায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, “কোনও কারফিউ নয়, কোনও দাঙ্গাও নয়- উত্তরপ্রদেশে সব ভালো।”

    এনসিআরবির রিপোর্ট

    যোগী সরকারের এই নীতির ফলে গোটা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (Yogi Adityanath)। এনসিআরবির ২০২৪ সালের রিপোর্টেও এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে অপরাধের হার শূন্য ছিল। ২০২৩ সালেও এই হার শূন্য ছিল। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে এই অপরাধের হার ছিল ০.৭, মণিপুরে ০.৬, অরুণাচল প্রদেশে ০.৩ এবং মেঘালয়ে ০.২, অথচ উত্তরপ্রদেশে শূন্য। গত দু’বছরে (২০২৩-২০২৪) রাজ্যে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আগে আকছার ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হত। এখন এমন ঘটনা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এনসিআরবির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির রাজত্বে প্রতিদিন ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত, কিন্তু যোগী সরকারের সময় সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে (Yogi Adityanath)।

    জিরো-টলারেন্স নীতি

    দাঙ্গা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রেও যোগী সরকারের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য (Crime Control)। এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-সংক্রান্ত অপরাধের হার ছিল ১.১, যা জাতীয় গড় ২.২-এর চেয়ে কম। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের ১.১ হার মূলত সেইসব ঘটনার অন্তর্ভুক্ত, যেখানে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এদিকে, মণিপুরে এই হার ছিল ৮.৪, মহারাষ্ট্রে ৬.৪, কর্নাটকে ৫.৪, হরিয়ানায় ৫.৩ এবং হিমাচলপ্রদেশে ৪.৭। এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে যোগী সরকারের অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি, সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের ফলে। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট প্রয়োগ করে পুলিশ মাফিয়াদের আর্থিক ভিত ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে (Yogi Adityanath)।

    উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি বদল

    এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব পড়েছে তৃণমূল স্তরেও। তাই উত্তরপ্রদেশ এখন শুধু দাঙ্গামুক্তই নয়, বরং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আমলের তুলনায় উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। যেখানে আগে দাঙ্গা ও অপহরণ ছিল সাধারণ ঘটনা, সেখানে আজ শান্তি ও উন্নয়নের নয়া  গল্প লেখা হচ্ছে (Crime Control)। সরকারের মতে, কঠোর আইন-শৃঙ্খলাই উন্নয়নের ভিত্তি। আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি শুধু অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করেনি, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধও বাড়িয়েছে। এনসিআরবির সর্বশেষ রিপোর্ট এই বাস্তবতার সাক্ষ্যই বহন করছে। এভাবে যোগী সরকার প্রমাণ করেছে, জিরো-টলারেন্স নীতি এবং কঠোরতা ও সংবেদনশীলতার সঠিক সমন্বয় একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার পথ তৈরি করতে পারে। তাই গোটা দেশে উদাহরণ হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ (Yogi Adityanath)।

     

  • Baewar Rape Case: “রাজস্থানের বিজয়নগরে ধর্ষণের ঘটনা সুপরিকল্পিত অপরাধ”, বলছেন আইনজীবী

    Baewar Rape Case: “রাজস্থানের বিজয়নগরে ধর্ষণের ঘটনা সুপরিকল্পিত অপরাধ”, বলছেন আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজস্থানের বেয়ারের বিজয়নগর এলাকার ধর্ষণের ঘটনা (Baewar Rape Case) একটি সুপরিকল্পিত অপরাধ।” অন্তত এমনই দাবি ওই মামলার এক আইনজীবীর। সম্প্রতি ওই এলাকার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে (Organised Crime)। ঘটনাটি হল দশম শ্রেণীর অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন হিন্দু মেয়েকে ফাঁসিয়ে কয়েকজন মুসলিম ছেলে ধর্ষণ করেছে। অশ্লীল ছবি দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেলও করা হয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, হিন্দু এই মেয়েদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য করা ও পরে বিয়ে করা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ৪ নাবালক-সহ গ্রেফতার করা হয়েছে ১৪ জন অভিযুক্তকে।

    নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আইনজীবী (Baewar Rape Case)

    নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আইনজীবী গোপাল নারায়ণ শর্মা। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের নিয়ে একটি সমাবেশ হয়। এই সমাবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১,০০০ থেকে ১,৫০০ মানুষ অংশ নেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও তাদের পক্ষে ন্যায়বিচার আদায়ের জন্য সর্ব সমাজ সংগ্রাম সমিতি নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়। আমিও এই কমিটির সদস্য হই। বর্তমানে এই মেয়েদের আইনি সহায়তা দেওয়া, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মামলাগুলির তদন্তে সহায়তায় এই কমিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।” ওই আইনজীবী বলেন, “অভিযুক্তরা (মুসলিম) সব মেয়েকে এক সঙ্গে ফাঁদে ফেলেনি। প্রথমে তাদের এক একজন এক একটি মেয়েকে স্কুলে যাওয়ার পথে বাইকে চড়ে পিছু নিত। এই সময় কাগজের চিরকুট ফেলতে ফেলতে যেত। বন্ধুত্বের জন্য বারবার তাদের আবেদন নিবেদন করত। কিশোরীরা একবার তাদের জালে আটকা পড়লে, তাদের ক্যাফেতে নিয়ে গিয়ে খাবার খাওয়ানো হত। তাতে মেশানো হত মাদক। তোলা হত ছবি। সেই সব ছবি দেখিয়ে অন্য মেয়েদেরও ফাঁদে ফেলা হত। এভাবেই এই চক্র চলানো হত।”

    মহিলাদের আকর্ষণ করতে দাঁড়কাকের ময়ূর সাজা!

    এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত (Baewar Rape Case) পাঁচ কিশোরী এগিয়ে এসেছে। আরও অনেক মেয়েই রয়েছে যারা মান-সম্মান খোয়ানোর ভয়ে কথা বলতে চাইছে না। তাদের (Organised Crime) পরিবারও ভীত-সন্ত্রস্ত্র। অপরাধীরা প্রত্যেকেই শ্রমিক শ্রেণির। আর মেয়েরা সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য, পড়াশোনায়ও বেশ ভালো। শর্মা বলেন, “অভিযুক্তরা সাধারণ পারিবারিক পটভূমি থেকে উঠে আসা সত্ত্বেও, তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করে — দামি পোশাক, হাই-এন্ড জুতো, ডিজাইনার সানগ্লাস ও বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করে। মেয়েদের আকর্ষণ করতে তারা এগুলো করে। একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সংগঠন সিস্টেমেটিকভাবে হিন্দু মেয়ে ও মহিলাদের টার্গেট করে এবং এই যুবকদের মাধ্যমে তাদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করে।” তিনি জানান, ওই মেয়েদের জোরপূর্বক হিজাব পরতে বাধ্য করা হয়েছিল, রমজানে রোজা রাখতেও চাপ দেওয়া হয়েছিল। বিয়ে করার অজুহাতে তাদের ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করা হয়েছিল। কোনও মেয়ে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাদের হাতে থাকা ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলার হুমকি দিত। তাদের পরিবারেরও একই পরিণতি হবে বলেও ভয় দেখাত।

    পায়ে কালো সুতো বাঁধা

    শর্মা বলেন, “ওই মেয়েদের মোবাইল ফোন ছিল না। তারা তাদের বাবা-মায়ের ফোন ব্যবহার করত। তবে মুসলিম যুবকেরা তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছোট চিনা মোবাইল ফোন কিনে দিত। এই ফোন এতই ছোট যে সহজে চোখে পড়ে না। সব মেয়েকে একই ব্র্যান্ড ও মডেলের ফোন দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে। মেয়েদের হাত ও পায়ে কালো সুতো বাঁধা থাকত। এই সুতো তাদের মানসিক অবস্থাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করত। সুতো খুলে নেওয়ার পর তারা স্বাভাবিক হয়ে যেত (Baewar Rape Case)।”

    ক্যাফেতে যৌন নির্যাতন

    শর্মা জানান, যে মেয়েদের ক্যাফেতে ডাকা হয়েছিল, তাদের যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা আরও কয়েকজন নির্যাতিতার মা-বাবার কাছ থেকে তথ্য পেয়েছি। আমাদের কমিটির সদস্যরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাঁরা সবাই অত্যন্ত ভীত। মুসলিম ছেলেদের পিছনে একটি গোষ্ঠী আছে, যারা তাদের বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অর্থায়ন করছে। তারা এই মেয়েদের বলত যে একজন ব্রাহ্মণ মেয়েকে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করলে ২০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে, আর এসসি-এসটি বা ওবিসি পরিবারের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করলে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। সংগঠনটি এই অর্থকে পুরস্কার হিসেবে টোপ দিয়ে তাদের উৎসাহিত করত।” তিনি ঘটনাটিকে সংঘবদ্ধ অপরাধ বলে উল্লেখ করে জানান, এ বিষয়ে কোনও তদন্ত হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। কারা অর্থায়ন করছে তা নিয়েও অনুসন্ধানের অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, “তদন্তে ওয়াসিমের ছেলে রেহানের নাম উঠে আসে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। তবে যেসব মেয়ের সঙ্গে সে কথা বলছিল, তারা সাহস করে এগিয়ে না আসায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই সুযোগে সে অন্য নির্যাতিতাদের পরিবারকেও ভয় দেখাচ্ছে।”

    মামলা প্রত্যাহারে চাপ!

    শর্মা জানান, নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়ানো এবং মামলায় জড়িত ব্যক্তিরা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে পারেন এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। মেয়েদের পরিবারকেও মামলা প্রত্যাহারে চাপ দেওয়া হচ্ছে (Organised Crime)। তিনি বলেন, “আমাদের দাবি হল তদন্তকে সংঘবদ্ধ অপরাধের দিকে নিয়ে যাওয়া (Baewar Rape Case)। যেসব যুবককে আটক করা হয়েছে, তারা একটি বৃহত্তর অপারেশনের কয়েকটি গুটি মাত্র। আশ্চর্যের বিষয়, কর্তৃপক্ষ সংগঠন চালানো মূল হোতাদের বা অর্থায়নকারীদের প্রকাশ্যে আনছেন না।”  নির্যাতিতাদের আইনজীবী বলেন, “কাফেতে যাতে হঠাৎ করে কেউ ঢুকে পড়তে না পারে, তাই ফুটপাথে বাঁশের লাঠি ও অন্যান্য জিনিসপত্র ডাঁই করে রাখা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা হয়েছিল একটি বিরাট বুলডোজার। এলাকাটি বুলডোজার দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছিল, যদিও সেটি হাতে করেই পরিষ্কার করা যেত। এটি করা হয়েছিল সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিতে।” মামলাটিকে তিনি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। তাঁর মতে, এতে করে মূল ফোকাস থাকবে সংগঠিত অপরাধের ওপর।

    লাভ জিহাদ” ও “গ্রুমিং জিহাদ”!

    শর্মা বলেন, এই মামলাটির সঙ্গে ১৯৯২ সালের আজমেঢ় ধর্ষণ মামলার লক্ষণীয় মিল রয়েছে। দুটিরই প্যাটার্ন একই। এই ঘটনায় মেয়েরা অসাধারণ সাহস দেখিয়েছ। যার জন্য ভিলওয়াড়ার এক মহিলাও এগিয়ে আসতে উৎসাহিত হয়েছিলেন। তাঁকেও আটজন মুসলিম যুবক একই রকমভাবে নির্যাতন করেছিল। তাঁকেও মাদক সেবন করানো হয়েছিল। তাঁরও ছবি তোলা হয়েছিল এবং তারপর তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। এই পুনরাবৃত্ত প্যাটার্নটি ইঙ্গিত করে যে আমরা সংগঠিত অপরাধের মুখোমুখি হয়েছি, যার পেছনে একটি সংগঠন কাজ করছে।” শর্মা এই ঘটনাকে (Organised Crime) “লাভ জিহাদ” ও “গ্রুমিং জিহাদ” হিসাবে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত যুবকরা মেয়েদের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে প্রলুব্ধ করেছিল এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল মেয়েদের ধর্মান্তরিত করে জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করা (Baewar Rape Case)।

LinkedIn
Share